রাজনীতি
প্রতিবেশী দেশে গণতন্ত্র চায় না ভারত: রিজভী
আধিপত্যবাদী মনোভাবের কারণে ভারত তার প্রতিবেশী দেশগুলোতে গণতন্ত্র দেখতে চায় না বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, ‘ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ, কিন্তু তারা চায় না ভুটান, নেপাল, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা তাদের জনগণের ইচ্ছায় পরিচালিত হোক।’
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) নয়াপল্টন থেকে আগরতলা অভিমুখে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের পদযাত্রার উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, 'তারা কেন দিল্লির কথা মানবে?'
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দিল্লির কাছে আত্মসমর্পণের জন্য নয়, রক্ত দিয়ে পাকিস্তান থেকে দেশ স্বাধীন করেছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ভারত যদি চট্টগ্রামকে তাদের অংশ হিসেবে দাবি করে, তাহলে বাংলাদেশ বাংলা, বিহার ও ওড়িশাকে নিজের অংশ হিসেবে দাবি করবে।’
রিজভী অভিযোগ করেন, ভারত গত ১৬ বছর ধরে 'রক্তপিপাসু লেডি ফারাও শেখ হাসিনা'কে সমর্থন করেছে।
তিনি বলেন, ভারতের ক্ষমতাসীন দল তাদের সাম্প্রদায়িক মনোভাবের কারণে সারা বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর কাছে সমালোচিত।
ভারতের ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশের মানুষের চেতনা, আত্মশক্তি ও সাহসিকতা বোঝেনি।
পরে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে কয়েকশ গাড়ি, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে আগরতলা অভিমুখে তাদের ঘোষিত লংমার্চ শুরু করে।
আগরতলায় বাংলাদেশ মিশনে হামলা, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অবমাননা এবং ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর প্রতিবাদে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: আগরতলা অভিমুখে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের লংমার্চ শুরু
তিন সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে আনুষ্ঠানিক লংমার্চ শুরু করেন।
লংমার্চ শুরুর আগে তিনটি সংগঠনের শীর্ষ নেতারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। তারা ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমের আধিপত্যবাদী মনোভাব এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টার নিন্দা জানান।
নেতারা বলেন, তারা আখাউড়া ভারতীয় সীমান্তে তাদের শান্তিপূর্ণ লংমার্চ শেষ করবেন।
৬০০ দিন আগে
আগরতলা অভিমুখে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের লংমার্চ শুরু
ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে বুধবার সকালে ঢাকা থেকে আগরতলা অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল।
আগরতলায় বাংলাদেশ মিশনে হামলা, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অবমাননা এবং ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর প্রতিবাদেও এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে তিন সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিক লংমার্চ শুরু করেন।
কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
লংমার্চ শুরুর আগে রিজভীসহ তিনটি সংগঠনের শীর্ষ নেতারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। তারা ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমের আধিপত্যবাদী মনোভাব এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টার নিন্দা জানান।
পরে কয়েকশ গাড়ি, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা নয়াপল্টন থেকে কাঁচপুরের দিকে লংমার্চ শুরু করেন।
আরও পড়ুন: ভারত মুসলিম-খ্রিস্টান হত্যায় রক্তাক্ত ও কলঙ্কিত: রিজভী
কনভয়টি হানিফ ফ্লাইওভার, ফকিরাপুল, মতিঝিল ও ইত্তেফাক মোড় অতিক্রম করে যাত্রাপথে যায়।
কাঁচপুর থেকে ভৈরবের দিকে যাত্রা করে আগরতলার কাছে আখাউড়া স্থলবন্দরে পৌঁছানোর আগে একটি পথসভা করবে।
নেতারা বলেন, তারা আখাউড়া ভারতীয় সীমান্তে তাদের শান্তিপূর্ণ লংমার্চ শেষ করবেন।
কর্মসূচিতে যোগ দিতে সকাল ৭টা থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে দেখা গেছে।
এর আগে রবিবার বিক্ষোভ মিছিলের পর ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি দেয় বিএনপির তিনটি সংগঠন।
এর একদিন পর তারা আগরতলা অভিমুখে লংমার্চ করার কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: আগামীতে বাংলাদেশে জবাবদিহিতার সরকার চান তারেক রহমান
৬০০ দিন আগে
ভারত মুসলিম-খ্রিস্টান হত্যায় রক্তাক্ত ও কলঙ্কিত: রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, ভারত মুসলিম ও খ্রিস্টান হত্যায় রক্তাক্ত ও কলঙ্কিত। তাদের অপপ্রচারে দেশের সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য নষ্ট করা যাবে না।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজশাহীর ভুবন মোহন পার্কে ‘দেশীয় পণ্য কিনে হও ধন্য স্লোগানে’ ভারতীয় পণ্য বয়কট কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল কবীর রিজভী একথা বলেন।
রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ভারত চট্টগ্রাম দাবি করলে, আমরা নবাবী আমলের বাংলা বিহার উড়িষ্যা দাবি করব। দেশের মানুষ আর ভারতের তাবেদারি করবে না। তাবেদারির কারণেই শেখ হাসিনা তাদের প্রিয় ছিল।
আরও পড়ুন: বাবার বাকশাল কায়েম করতে গিয়েই গর্তে পড়েছেন হাসিনা: রিজভী
ভারতের ভিসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভিসা সীমিত করায় তারা নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত। কলকাতা নিউমার্কেট ফাঁকা, হাসপাতালগুলো রোগীশূন্য।
তিনি বলেন, আমার আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা ঠিক করি, তাহলে দেশের একটি লোকও ভারতে চিকিৎসা নিতে যাবে না।
অনুষ্ঠানে ভারতীয় পণ্য বয়কটের অংশ হিসেবে একটি ভারতীয় চাদর পোড়ানো হয়। এছাড়াও নামমাত্র মূল্যে দেশিয় পণ্য বিক্রয় করা হয়।
৬০১ দিন আগে
আগামীতে বাংলাদেশে জবাবদিহিতার সরকার চান তারেক রহমান
বাংলাদেশে আগামী দিনে একটি জবাবদিহিতামূলক সরকার শুরুর প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা দেখেছি কীভাবে নিশি রাতে ভোট হয়েছে, কীভাবে ভোট ডাকাতি হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘যেখানে ইউপি চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত প্রত্যেককে জবাবদিহি করতে হবে জনগণের কাছে। এছাড়া আজও পরিবারে জবাবদিহিতা আছে বলে পরিবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে একসঙ্গে এগিয়ে যায়।’
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি’ শীর্ষক কুমিল্লা বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারেরা বাংলাদেশের অনেক কিছু ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। তারা এই দেশের মানুষের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু আমরা আশাবাদী এখনও সম্ভাবনা আছে। সেই সম্ভাবনাকে যদি বাস্তবায়ন করতে হয়- তাই মানুষ বিএনপির দিকেই তাকিয়ে আছে।’
আরও পড়ুন: জনগণকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান তারেক রহমানের
যেহেতু আপনারা বলছেন দেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রাখে, সেহেতু বিএনপি হিসেবে আমরা মানুষের সেই প্রত্যাশা পূরণের জন্য সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করব বলে জানান তারেক।
কর্মশালা পরিচালনা করেন বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন। কুমিল্লা বিভাগীয় এই কর্মশালায় অংশ নেন শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনসহ কুমিল্লা জেলা বিএনপি, মহানগর, পৌরসভার শীর্ষ নেতারা। বিএনপি কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম ভুইয়ার সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ আলমগীর পাভেল, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক রেহানা আক্তার বানু, সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক আইনজীবী নেওয়াজ হালিমা আরলি, সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুর সাত্তার পাটোয়ারী ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবা হাবিব।
আরও পড়ুন: আগামী নির্বাচন হবে যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে কঠিন: তারেক রহমান
৬০১ দিন আগে
র্যাব বিলুপ্ত ও পুলিশ কমিশন গঠনের সুপারিশ বিএনপির
পুলিশকে জনবান্ধব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত ও 'পুলিশ কমিশন' গঠনের সুপারিশ করেছে বিএনপি।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বিকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ প্রশাসন সংস্কারের বিষয়ে কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘পুলিশ ছাড়া একটি রাষ্ট্র বা সমাজ কল্পনা করা যায় না। কাজেই পুলিশ প্রায় জনগণের শত্রুতে পরিণত হয়ে গেলেও এই বাহিনীকে ছেঁটে ফেলার কোনো সুযোগ নেই। একে আবার সংস্কার ও শক্তিশালী করতে হবে। রাষ্ট্রের এই অত্যাবশ্যকীয় সেবার (এই বাহিনী) সংস্কার এখন সময়ের দাবি।’
ক্ষমতাচ্যুত সরকারের আমলে বাংলাদেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির গঠিত পুলিশ প্রশাসন কমিটির আহ্বায়ক হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, 'পুলিশ বাহিনীকে জনগণের প্রতি সংবেদনশীল হতে হবে, জনগণকে সম্মান করতে হবে, জনগণকে রাষ্ট্রের মালিক হিসেবে বিবেচনা করতে হবে এবং তাদের সেবক হিসেবে তুলে ধরতে হবে, জনগণের প্রভু হিসেবে নয়, তাদের মধ্যে এই অনুভূতি সৃষ্টির জন্য আমরা বিভিন্ন সুপারিশ করেছি।’
আরও পড়ুন: আদালতই শেখ হাসিনাকে দেশে আনবে: আমান
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য একটি পুলিশ কমিশন থাকতে হবে এবং এই কমিশন পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানের জন্য প্রতিটি উপজেলায় স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে উপজেলা পর্যায়ের একটি নাগরিক কমিটি গঠন করতে হবে।
তাদের সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে পুলিশ বাহিনীতে বিভিন্ন অসঙ্গতি ও অনিয়ম দূর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা।
তিনি বলেন, 'পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হবে এবং জনগণের জন্য পুলিশের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রাপ্তি সহজতর হবে।’
তিনি বলেন, বিএনপি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে পুলিশকে দুর্নীতিমুক্ত ও দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশনে বেশ কিছু সুপারিশ পেশ করেছে, যা মানবাধিকারের প্রতি আরও সংবেদনশীল হবে।
র্যাব বিলুপ্তি
তিনি বলেন, 'আমরা র্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছি, কারণ এই বাহিনী আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দনীয় হয়ে উঠেছে। আর দেশের অভ্যন্তরে তারা তৈরি করেছে একটি দানব হয়ে উঠেছে..অনেক হত্যাকাণ্ড, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে র্যাব বাহিনীর সদস্যরা।’
তিনি বলেন, র্যাব এখন যে দায়িত্ব পালন করছে, সেই দায়িত্ব প্রাথমিকভাবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও থানাকে নিতে হবে, তারপর এখানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। ‘আমরা মনে করি, এই মুহূর্তে র্যাব বিলুপ্ত হলে জনগণের কাছে একটি ভালো বার্তা যাবে।’
বিএনপির শাসনামলে এই বাহিনী গঠিত হলেও র্যাব বিলুপ্ত না করে কেন সংস্কার চায় না- এমন প্রশ্নের জবাবে হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘চিকিৎসা বিজ্ঞানেও আছে যে, যখন একটি অঙ্গ সম্পূর্ণরূপে পচনশীল (গ্যাংগ্রিন) হয়ে নষ্ট হয়ে যায়, তখন তা কেটে ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।’
প্রস্তাবিত পুলিশ কমিশন সম্পর্কে বিএনপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানকে কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করার এবং সংসদের অনুপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে এটিতে পদায়ন করার পরামর্শ দিয়েছে। আট সদস্যের কমিশনে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের এমপি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ থাকার কথাও উল্লেখ করেছে দলটি।
সংবাদ সম্মেলনে সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব এস এম জহুরুল ইসলাম, সাবেক দুই আইজিপি আবদুল কাইয়ুম, আশরাফুল হুদা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বাবার বাকশাল কায়েম করতে গিয়েই গর্তে পড়েছেন হাসিনা: রিজভী
৬০১ দিন আগে
আদালতই শেখ হাসিনাকে দেশে আনবে: আমান
খুলনা বিভাগীয় বিএনপির সমন্বয়ক ও দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, গণহত্যা, বিডিআর ও ছাত্রজনতা হত্যার আসামী শেখ হাসিনার আইন অনুযায়ী বিচার হবে, আর বিচারের মাধ্যমে আদালতই তাকে দেশে আনবে।
সম্প্রতি ভারত ইস্যূ নিয়ে বাংলাদেশে জাতীয় ঐক্য গঠিত হয়েছে। ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে বলে যে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে, ঐক্যবদ্ধভাবেই আমরা তার মোকাবিলা করব বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়ায় একটি দলীয় সভায় যোগ দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য (বিএনপির) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলকে সংগঠিত করা হচ্ছে। নির্বাচনে বিজয়ী হলে বিএনপি জাতীয় সরকার গঠন করবে।’
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি ও সব ইউনিটের কাউন্সিল নির্ধারিত সময়ে সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আমান উল্লাহ আমান। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন, সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার প্রমুখ।
কুষ্টিয়ার বিএনপি ও দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে মতবিনিময় সভায় অংশ গ্রহণ করেন।
৬০১ দিন আগে
সংস্কারের কথা বলে নির্বাচন পেছানো বুদ্ধিমানের কাজ হবে না: মোশাররফ
সংস্কারের কথা বলে নির্বাচন পেছানো বুদ্ধিমানের কাজ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
তিনি বলেন, সন্দেহ করছি- একটি মহল চেষ্টা করছে সংস্কারের নামে নির্বাচন বিলম্ব করতে। অতি দ্রুত সংস্কার করে নির্বাচনি রোডম্যাপ দিতে হবে। নির্বাচন যত বিলম্ব হবে বাংলাদেশে তত নানা রকম ষড়যন্ত্র হবে।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্ততা বিষয়ক কুমিল্লা বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম ভুইয়ার সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তারেক রহমান।
বিএনপির এই নেতা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে দিয়ে দেশের সম্পূর্ণ সংস্কার সম্ভব নয়। রাষ্ট্রের পূর্ণাঙ্গ সরকারের জন্য একটি দলীয় সরকার প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা ব্যর্থ, ভারতবিরোধী অবস্থানে বিএনপি
তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন দিয়ে একটি দলীয় সরকার গঠন সারা বাংলাদেশের মানুষের দাবি বলে জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য।
এই কর্মশালা পরিচালনা করেন বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন। অংশ নেন শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ত্রান ও পুনর্বাসন সম্পাদক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনসহ কুমিল্লা ছয়টি জেলা বিএনপি, মহানগর, পৌরসভর শীর্ষ নেতারা।
কর্মশালায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ আলমগীর পাভেল, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক রেহানা আক্তার বানু, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক নেওয়াজ হালিমা আরলি, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুর সাত্তার পাটোয়ারী ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবা হাবিব।
আরও পড়ুন: ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
৬০১ দিন আগে
বাবার বাকশাল কায়েম করতে গিয়েই গর্তে পড়েছেন হাসিনা: রিজভী
বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, বাবার (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) গড়া বাকশাল কায়েম করতে গিয়ে শেখ হাসিনা নিজেই গর্তে পড়েছেন। অন্যের জন্য গর্ত খুঁড়লে নিজেকেই পড়তে হয়, তার প্রমাণ শেখ হাসিনা।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বিকাল দিকে মানিকগঞ্জের শিবালয়ে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ সংগঠন আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।
রিজভী বলেন, বিনা অপরাধে খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দী রেখেছিলেন তিনি। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে ২ হাজার ছাত্র জনতার হত্যার দায় নিয়ে তিনি পালিয়ে গেছেন। ভেবেছিলেন তার প্রভু ভারত সরকার তাকে টিকিয়ে রাখবেন। কিন্তু পারেননি।
রুহুল কবীর রিজভী আরও বলেন, শেখ হাসিনা ভিডিও বার্তা দেওয়ার জন্য তারেক রহমানের সমালোচনা করতেন। আজ শেখ হাসিনা নিজেই ফেসবুক, ইউটিউবে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশ্বের কাছে মিথ্যাচার করছে ভারত: রিজভী
তিনি বলেন, ‘কোথায় গেলো শেখ হাসিনার বাহাদুরি।’
রিজভী বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ এবং আহতদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। তাদের অবদানের কথা স্মরণীয় করে রাখতে তাদের নামে বিভিন্ন স্থাপনা ও সড়কের নামকরণ করতে হবে। এছাড়া বিএনপি জনগণের দল। আগামীতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে জুলাই-আগষ্ট বিপ্লবে হতাহতদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হবে।
‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর সভাপতি আতিকুর রহমান রুমনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর উপদেষ্টা এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ও প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুলসহ হতাহত পরিবারের সদস্যরা। এ সময় এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আরও পড়ুন: ভারত আধিপত্য বিস্তারে সাম্প্রদায়িকতাকে ব্যবহার করছে: রিজভী
৬০২ দিন আগে
রামপুরা ব্রিজের কাছে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা
রাজধানীর রামপুরা ব্রিজের কাছে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল আটকে দিয়েছে পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে তাদের আটকে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
নয়াপল্টন থেকে বেরিয়ে দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে মিছিলটি রামপুরা ব্রিজে পৌঁছালে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে অবরোধ করে। এ সময় তিন সংগঠনের নেতাদের সহযোগিতা করার আহ্বানও জানায় পুলিশ।
পরে আন্দোলনকারীদের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলকে স্মারকলিপি দিতে ভারতীয় হাইকমিশনে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন-জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাছির।
এর আগে আগরতলায় বাংলাদেশ মিশনে হামলা ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে রবিবার সকালে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে রোডমার্চ শুরু করে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উসকে দেওয়ার ভারতীয় ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এই কর্মসূচি আয়োজন করে। বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু করেন বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আরও পড়ুন: ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
পদযাত্রা শুরুর আগে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও তিন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। এতে ভারতের ক্ষমতাসীন দল ও গণমাধ্যম মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করছে অভিযোগে করে তার নিন্দা জানান তারা।
রিজভী অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বর্তমানে যা করছে তা সরাসরি আগ্রাসন ছাড়া আর কিছুই নয়।
প্রতিবাদ মিছিল শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা (ভারত সরকার) বাংলাদেশের মানুষকে পছন্দ করেন না। আপনারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন।’
রিজভী দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেন, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ দিল্লির আধিপত্য প্রতিহত করতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, ‘আমরা জানি আকাশ থেকে সমুদ্র থেকে স্থল পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের দেশকে সুরক্ষিত রাখতে কীভাবে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হয়। আমাদের স্মার্ট সামরিক বাহিনীতে যোগ্য সদস্য রয়েছে।’
সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে দেখা গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ছোট ছোট মিছিল আসতে দেখা গেছে। তারা ভারতীয় আধিপত্যবাদী মনোভাবের বিরুদ্ধে স্লোগান সম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগানও দেন।
বাংলাদেশবিরোধী ঘটনা এবং ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমের মন্তব্যের প্রতিবাদে ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি প্রদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কথা ছিল।
এর আগে শনিবার বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন এই বিক্ষোভ মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।
আরও পড়ুন: ভারত কুটনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে: দুলু
৬০৩ দিন আগে
ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
আগরতলায় বাংলাদেশ মিশনে হামলা ও জাতীয় পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল রবিবার সকালে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে যাত্রা শুরু করে।
বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উসকে দেওয়ার ভারতীয় ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।
বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু করেন বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
পদযাত্রা শুরুর আগে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ তিন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: ভারত কুটনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে: দুলু
ভারতের ক্ষমতাসীন দল ও গণমাধ্যম মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারের মাধ্যমে বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে নিন্দা জানান তারা।
সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে দেখা গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ছোট ছোট মিছিল আসতে দেখা গেছে।
ভারতীয় আধিপত্যবাদী মনোভাবের বিরুদ্ধে স্লোগান সম্বলিত প্লাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে মিছিলে অংশ নেন নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগানও দেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশবিরোধী ঘটনা এবং ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমের মন্তব্যের প্রতিবাদে ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি প্রদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হবে।
এর আগে শনিবার বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন এই বিক্ষোভ মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।
আরও পড়ুন: ‘শেখ হাসিনার সঙ্গে বন্ধুত্বের জন্য ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে দুশমনি করছে’
৬০৩ দিন আগে