রাজনীতি
সংবিধান সংশোধনে শিগগিরই বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন: চিফ হুইপ
সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া সহজতর করতে শিগগিরই একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
চিফ হুইপ বলেন, ‘সংবিধান সংশোধনের জন্য একটা কমিটি হবে। সেখানে সব দলের প্রতিনিধি রাখতে চাই আনুপাতিক হারে। স্বতন্ত্র থেকেও আমরা রাখতে চাই। সকলের মতামত নিয়ে সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি কমিটি অচিরেই করব। আগামী রবিবারের মধ্যে আপনারা দেখবেন হয়তো… খুব শিগগিরই এটা করব।’
কমিটির সদস্য নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা একটা উদ্ভূত পরিস্থিতি। এখানে সরকারি দলের যারা আইন বিশেষজ্ঞ আছেন, তাদের রাখতে চাই। বিরোধী দলের যারা আইন বিশেষজ্ঞ আছেন, তাদেরও রাখতে চাই। আইন বিশেষজ্ঞ না থাকলে অন্যান্য দলের প্রতিনিধিও রাখতে চাই। সবমিলিয়ে ২০ বা ১৮ বা ১৫ সদস্যের কমিটি করতে চাই। তবে এটা নির্দিষ্ট নয়।’
তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংশোধনকে এমন পর্যায়ে নিতে চাই, যাতে বারবার আমাদের কাঁচি চালাতে না হয়।
বিশেষ কমিটিতে বিরোধী দলের কেউ না থাকার প্রতিক্রিয়ায় নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘তাদের এ অবস্থান সঠিক হবে না। আজ হোক বা কাল, সংবিধান সংশোধন আমাদের করতেই হবে। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে তাদের আমরা চাই। এক হাতে যেমন হ্যান্ডশেক হয় না, কাঁচির একটা অংশ দিয়ে যেমন চুল কাটা যাবে না, দুটোই লাগবে; আমরা সেটাই চাই উনারা থাকুক। তারা কমিটিতে থাকবেন বলে আমরা আশা করি।’
তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার এখন সময়ের দাবি। সংবিধান সংশোধন করা ছাড়া আমাদের আর কোনো পথ নেই।
জাতীয় জুলাই সনদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই সনদ অনুযায়ী এটা করা উচিত। এটা আমরা দেশের জন্যই করব। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বা আমার কোনো বিশেষ সুবিধা হবে? উনার বিশেষ কোনো ক্ষতি হবে? যেটা দেশের জনগণের কল্যাণে হবে, তাতে দ্বিমত করার কিছু আছে বলে মনে করি না।
এদিকে, সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংসদ অধিবেশন কক্ষের আধুনিকায়নে বৈঠকের বিভিন্ন সুপারিশের কথা জানানো হয়েছে। কমিটি এক সেকেন্ড বা তার কম সময়ে শব্দ শোষণ করতে সক্ষম এমন ‘ইকো-ফ্রি’ সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের সুপারিশ করেছে। এছাড়া অধিবেশন কক্ষে ধীরগতির ইন্টারনেট সমস্যার সমাধান এবং সংসদ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার সুপারিশও করা হয়েছে।
চিফ হুইপ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অংশ নেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, অলি উল্লাহ, সাইফুল আলম মিলন এবং আবুল হাসনাত।
৩৪ দিন আগে
বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার করা অর্থ উদ্ধারে বর্তমান সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, উদ্ধারকৃত অর্থ দেশ ও জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে।
বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের (কুমিল্লা-৯) এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতি, মানিলন্ডারিং এবং আর্থিক অপরাধ দমনে বৃহত্তর কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিদেশে পাচার করা সম্পদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন, ইনশাআল্লাহ জনগণের টাকা ফিরিয়ে আনতে এই সরকার যে পথ বা পদক্ষেপই কার্যকর হোক না কেন, সেটিই গ্রহণ করবে।
তিনি আরও বলেন, পাচার হওয়া টাকা জনগণের সম্পদ। জনগণের ভোটে নির্বাচিত এ সরকারের দায়িত্ব রয়েছে দেশ ও জনগণের প্রতি। তাই জনগণের টাকা উদ্ধার করে তা পুনরায় জনগণের স্বার্থে এবং দেশের উন্নয়নে ব্যয় করা এই সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
তারেক রহমান বলেন, ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই সরকার দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরে এবং বিভিন্ন খাতের ছিদ্রগুলো বন্ধ করে করদাতার অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তৈরি করা শ্বেতপত্রের তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে, যা গড়ে প্রতি বছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা)।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেহেতু এই অর্থ একাধিক দেশে পাচার করা হয়েছে, তাই তথ্য আদান-প্রদান, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনি সহায়তার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি (এমএলএটি) সই এবং অনুরোধ বিনিময়ের প্রক্রিয়া সহজতর করতে কাজ করছে।
প্রাথমিকভাবে পাচারকৃত অর্থের সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে ১০টি দেশকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং হংকং (চীন)। এর মধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ‘পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি’ সইয়ের বিষয়ে সম্মতি মিলেছে। অপর সাতটি দেশের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সভাপতিত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এই টাস্কফোর্সের চিহ্নিত ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১১টি মামলায় পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের আইনি প্রক্রিয়া চলমান। মামলাগুলোর অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নেতৃত্বে এবং পুলিশের সিআইডি, এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল ও শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল গঠন করা হয়।
সম্পদ জব্দের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, আদালত দেশে মোট ৫৭ হাজার ১৬৮ কোটি ৯ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করেছে। অপরদিকে, আদালতের নির্দেশে বিদেশে মোট ১৩ হাজার ২৭৮ কোটি ১৩ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করা হয়। সব মিলিয়ে দেশে-বিদেশে সর্বমোট প্রায় ৭০ হাজার ৪৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
মামলার হালনাগাদ তথ্য জানিয়ে সংসদ নেতা বলেন, পাচার করা অর্থ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১৪১টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে এবং ছয়টি মামলার রায় দেওয়া হয়েছে।
অর্থ পাচারকারীদের তালিকা প্রস্তুতসহ শাস্তির আওতায় আনা হবে কিনা—জামায়াতের সদস্য মুজিবুর রহমানের এমন সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অন্যায়ের সঙ্গে জড়িতদের তালিকার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নয়। এর জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ আছে; তারা এটি করছে।
তিনি বলেন, অতীতে সরকারের বিভিন্ন ব্যক্তিরা তাদের ইচ্ছা ও আগ্রহের কারণে আইনকানুন, নীতি-নৈতিকতার তোয়াক্কা না করে যাকে যেভাবে পেরেছে, উঠিয়ে নিয়ে গেছে; যার কাছ থেকে যেরকম দরকার মনে হয়েছে, জোর করে লিখিয়ে নিয়ে গেছে। বর্তমান সরকার আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দেশের প্রচলিত আইনের ভিত্তিতে বিচার করতে চায় যাতে কোনো মানুষ ন্যায্য আইন থেকে বঞ্চিত হতে না পারে। এজন্য আইনগতভাবে সকল প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে। আইন তার নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাবে। যারা এ দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করেছে, প্রচলিত আইনে নির্ধারিত হবে তাদের শাস্তি।
৩৪ দিন আগে
উপনির্বাচন: ৯ এপ্রিল বগুড়া ও শেরপুরের ২ আসনে সাধারণ ছুটি
বগুড়া ও শেরপুরের দুটি শূন্য আসনে উপনির্বাচন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আগামী ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
বুধবার (১ এপ্রিল) এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামাং দ্য মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশনস (রুলস অফ বিজনেস ১৯৯৬)-এ দেওয়া ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের চাহিদার ভিত্তিতে এ ছুটি ঘোষণা করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জাতীয় সংসদের ৪১ (বগুড়া-৬) ও ১৪৫ (শেরপুর-৩) শূন্য আসনে ভোটগ্রহণের দিন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় এ সাধারণ ছুটি কার্যকর থাকবে।
৩৪ দিন আগে
জুলাইযোদ্ধাদের সুরক্ষা দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত রূপরেখা অনুযায়ী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য আখতার হোসেন ও জয়নুল আবদিন ফারুকের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জুলাইযোদ্ধাদের আইনি এবং সাংবিধানিক সুরক্ষায় জুলাই জাতীয় সনদে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছি। অন্তর্বর্তী সরকারের ‘জুলাইযোদ্ধা সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ জারি করা হয়েছে। এটি সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। অধ্যাদেশটি বিল আকারে পাস করাতে আমরা একমত হয়েছি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান বিভিন্ন সমালোচনার জবাবে মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদি গোষ্ঠী সোশ্যাল মিডিয়ায় যে সমস্ত হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি করছে, সেই বিষয়ে আগেও বলেছি, তাহলে তো মুক্তিযোদ্ধাদেরও বিচার করা হবে, যারা ১৯৭১ সালে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল। গণঅভ্যুত্থানের সময় যারা হানাদার বাহিনীর মতো আন্দোলনকারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে গণহত্যা চালিয়েছে, তারা জনতার প্রতিরোধের মুখে কেউ কেউ প্রাণ হারিয়েছে, কেউ আহত হয়েছে, কিন্তু সেটা যুদ্ধের ময়দানে ফয়সালা হয়ে গেছে।
সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার প্রতিরোধে কেউ হতাহত হয়ে থাকলে এর বিচার হবে না। তবে জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার ওপর হত্যাযজ্ঞের বিচার হবে ঘোষণা করে তিনি বলেন, পুলিশের বিভিন্ন হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে নির্দিষ্ট মামলা করা হয়েছে। কিছু মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এবং কিছু সাধারণ আদালতে রয়েছে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এবং তার সহযোগী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলার রায় হয়েছে।
আদালত স্বাধীনভাবে বিচার পরিচালনা করবে। সরকার হম্তক্ষেপ করবে না। এদেশে সকল গুম, খুন, হত্যাকাণ্ড এবং গণহত্যার বিচার হবেই বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
৩৬ দিন আগে
অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার হোক, সমাজের কেবল একটি অংশ নয়, বরং আমরা সবাই মিলে যেন ভালো থাকতে পারি। আমরা সবাই মিলে ভালো থাকার চেষ্টা করব এবং ইনশাআল্লাহ আমরা তা সফল করব।
তিনি বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের দ্বারা গঠিত এবং এটি জনগণেরই সরকার। জনগণের আকাঙ্ক্ষা বিশাল হলেও দেশের সম্পদ সীমিত, ফলে জাতির প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে একটি ব্যবধান রয়ে গেছে।
তারেক রহমান বলেন, একজন নাগরিক এবং রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাই এবং দেশের জন্য একযোগে কাজ করি, তবে অবশ্যই আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে সক্ষম হব। এই মহান স্বাধীনতা দিবসে আমি দেশের সকল গণতন্ত্রকামী মানুষ এবং আমার রাজনৈতিক সহকর্মীদের প্রতি এই বার্তাই পৌঁছে দিতে চাই।
লক্ষ্য অর্জনে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কল্যাণে সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং খাল খনন কর্মসূচির মতো নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং সেগুলোর বাস্তবায়নও শুরু হয়েছে।
বিকেল ৩টায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা সভাটি শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী বিকেল ৩টা ৫৭ মিনিটে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সালাহউদ্দিন আহমদ।
৩৯ দিন আগে
তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়েছে সরকার: ফখরুল
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘদিন নির্বাসনে থেকেও তিনি (তারেক রহমান) দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বর্তমানে তার নেতৃত্বে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে দেশে গণতান্ত্রিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং জনগণের অধিকার হুমকির মুখে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যায়। নানা দমন-পীড়নের মধ্যেও জনগণ লড়াই অব্যাহত রাখে।
তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, গুম ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে। তবে সব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে নতুন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফেরার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকেও দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং বর্তমানে তার নেতৃত্বে দেশ পুনর্গঠনের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন, সরকার পরিচালনা এবং উন্নয়নমূলক বিভিন্ন পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা জানি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড হবে, খাল খনন কর্মসূচি, কৃষকদের সুদ মওকুফ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, পাদ্রী—তাদের যে ভাতা দেওয়া হচ্ছে, সেটা একটা নতুন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা তারেক রহমানের প্রতি দেশের মানুষ আশাবাদী, আস্থাশীল। তার নেতৃত্বে অবশ্যই বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক, সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হবে—এই বিশ্বাস আমাদের সবার আছে।
৪০ দিন আগে
শক্ত হাতে যেকোনো মব দমন করা হবে: মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মব সৃষ্টি করতে দেব না আমরা। যেকোনো মব শক্ত হাতে দমন করা হবে।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নেহা নদী পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
নিজ দলের নেতা-কর্মীসহ সবাইকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘ইরান-আমেরিকা যুদ্ধে আমাদেরও অনেক ক্ষতি হয়েছে। জ্বালানি তেল নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। কদিন আগে দেখলাম তেল না পেয়ে কিছু লোক পেট্রোল পাম্প ভেঙে দিয়েছে। এভাবে মব সৃষ্টি করতে দেব না আমরা। যেকোনো মব শক্ত হাতে দমন করা হবে।’
‘খাল কাটা হলে সারা, দূর হবে বন্যা খরা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ‘দেশব্যাপী নদী নালা খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচির আওতায় এ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।
সভায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা কাজ করতে এসেছি। কাজ করে, আরও পরিশ্রম করে বেহেশতে যাব।’
সততার সঙ্গে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে ২০ হাজার খাল খনন করা হবে। ১৯৭৬ সালে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাবা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রথম খাল কাটা শুরু করেছিলেন। সে খাল কাটা যদি অব্যাহত থাকত, তাহলে আজ পানির সমস্যা হতো না দেশে।
তিনি আরও বলেন, আমি উদ্বোধন করে দেওয়ার পর এই কার্যক্রম যেন থেমে না যায়। অতীতে এমন কাজ আমরা অনেক দেখেছি। সুষ্ঠুভাবে যেন কাজ সম্পাদন হয়, এ বিষয়ে প্রশাসনকে নির্দেশ দেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নারীদের হাতে যে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া শুরু করেছি, তাতে প্রতিটি পরিবারে নারীর ক্ষমতা বেড়ে যাবে। একইভাবে কৃষকদেরও কৃষক কার্ড দেওয়ার আমরা ব্যবস্থা করছি, যাতে কৃষকরা আর অবহেলায় পড়ে না থাকেন।
এ সময় তার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাকারিয়া মণ্ডলসহ আরও অনেকে।
৪৩ দিন আগে
ভোট মানেন, কিন্তু গণভোট মানেন না, এটা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা: এমপি কামাল
জাতীয় সংসদ নির্বাচন মেনে নিয়ে গণভোট অস্বীকার করা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৫ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাম্মাদ কামাল হোসাইন।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা দাবি করেছি, গণভোট আগে হবে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরে হবে। কিন্তু আপনারা (বিএনপি) দুই ভোট একসঙ্গে করার প্রস্তাব দিয়ে এখন সংসদ নির্বাচন মেনে নিচ্ছেন, অথচ গণভোট মানছেন না। এটা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়।’
রবিবার (২২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা ও পৌর জামায়াত আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একই মায়ের যমজ সন্তান—এর মধ্যে এক সন্তান বৈধ, আরেক সন্তান অবৈধ হয় কীভাবে? জাতি জানতে চায়।
জুলাই সনদের প্রসঙ্গ তুলে কামাল হোসাইন বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। আপনারা যদি এ নিয়ে টালবাহানা করেন, তাহলে জনগণ ভালো করেই জানে কীভাবে দাবি আদায় করতে হয়।
জুলাই আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের হাজারো শহিদ, চোখহারা, হাতহারা, পাহারা প্রায় পাঁচ হাজার পঙ্গুত্ববরণকারী গাজী ভাই-বোন এখনও জীবিত আছেন। তারা আপনাদের ক্ষমা করবে না, ছাড় দেবে না। শহিদদের এই জমিনে আর কোনো চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখল, অনিয়ম ও দুর্নীতি চলবে না।
তিনি আরও বলেন, ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে ৭০ শতাংশের রায় উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। আমরা চাই না জুলাই বারবার ফিরে আসুক।
উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে মিলনায়তন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। শুরুতে সংবর্ধিত অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং পরে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
শাহরাস্তি উপজেলা জামায়াতের আমির মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে এবং পৌর আমির মাওলানা জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা আবুল হোসাইন, নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি জামাল হোসেন, জেলা শূরা ও কর্ম পরিষদের সদস্য সহকারী অধ্যাপক মো. শাহ আলম ও ইব্রাহিম খলিল।
এছাড়া বক্তব্য দেন ছাত্রশিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি মাওলানা আবু জাফর সিদ্দিকী, কাউসার আলম, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির বাদশা ফয়সাল, সেক্রেটারি মাওলানা মাঈন উদ্দিন, পৌরসভার নায়েবে আমির মাস্টার সিরাজুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
৪৪ দিন আগে
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপির দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
রবিবার (২২ মার্চ) দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ২৫ মার্চ বুধবার বেলা আড়াইটায় রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বিএনপি। এতে দলটির জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ দেশের বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখবেন।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ভোরে নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। ওইদিন ভোর ৫টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপির পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।
সাভার থেকে ফিরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা। একইসঙ্গে সেখানে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
দিবসটি উপলক্ষে ইতোমধ্যে পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে এবং বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এছাড়া সারা দেশে জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌরসহ সব ইউনিটে আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি পালিত হবে। বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও নিজস্ব উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে।
ঘোষিত এসব কর্মসূচি সফল করার জন্য সারা দেশের বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রুহুল কবির রিজভী।
৪৪ দিন আগে
কূটনীতিকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কূটনৈতিক অঙ্গনে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (২১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডে তার সরকারি বাসভবনে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সাক্ষাতের সময় তিনি আগত অতিথিদের সঙ্গে আন্তরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন। পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় উৎসবমুখর পরিবেশে কূটনীতিকদের সঙ্গে হাস্যরস ও খুনসুটিতেও মেতে উঠতে দেখা যায় বিরোধীদলীয় নেতাকে। পরে বাসভবন প্রাঙ্গণে একটি গাছ রোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও দেন তিনি।
এর আগে, সকালে রাজধানীর মিরপুরের ৬০ ফুট সড়ক-সংলগ্ন মনিপুর গার্লস হাই স্কুল মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন শফিকুর রহমান।
৪৫ দিন আগে