ব্যবসা
দাম কমেছে ইলিশের, উর্ধ্বমুখী সবজির বাজার
সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার রাজধানীর কাঁচাবাজারে ইলিশের দাম কমলেও উর্ধ্বমুখী সবজির বাজার। দাম বেড়েছে পেঁয়াজ, ডিম ও মুরগির।
রাজধানীর বেশ কয়েকটি কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোট সাইজের ইলিশ এতদিন ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও আজকে বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায়।
মাঝারি সাইজের ইলিশের দাম এতদিন ছিল ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা যা কমে হয়েছে ১৪০০ থেকে ১৬০০ টাকা। এক কেজি বা এক কেজির ওপরে ইলিশ কদিন আগেও ২৪০০ থেকে ২৬০০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন দাম ২০০০ থেকে ২৩০০ টাকা।
ইলিশের দাম কমলেও অন্যান্য মাছ বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। রুই-কাতলা সাইজভেদে ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি, শিং ও মাগুর ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা, বোয়াল ও কোরাল ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা এবং গলদা চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ১২০০ থেকে ১৫০০ আর বাগদা চিংড়ি ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকায়।
এ কদিনে গরুর মাংসের দাম কিছুটা কমেছে। বেশিরভাগ বাজারে এতদিন ৮০০ টাকা কেজিতে গরুর মাংস বিক্রি হলেও আজ দাম নেমেছে ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায়। তবে খাসি বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই; কেজি ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা।
পড়ুন: ইলিশের দাম অস্বাভাবিকভাবে না বাড়াতে মৎস্য উপদেষ্টার নির্দেশ
চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগির মাংস। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। গত সপ্তাহের ১৬০ টাকা কেজির মুরগি স্থানভেদে বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়। দাম বাড়তি সোনালি মুরগির। ৩০০ টাকা কেজির পাকিস্তানি সোনালি মুরগি এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়।
মুরগির পাশাপাশি দাম বেড়েছে ডিমের। কারওয়ান বাজার ও কাপ্তান বাজারের মতো জায়গায় পাইকারি দামে ডজনপ্রতি ব্রয়লার বাদামি ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। খুচরা বাজারে ডিমের দাম ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা। সাদা ডিমের দাম কিছুটা কম; ডজনপ্রতি ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা।
এদিকে, সবজির বাজারে দাম বেশি কাঁচা মরিচের। কারওয়ান বাজার ও মোহাম্মদপুর টাউন হল কাঁচাবাজারে মরিচের কেজি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা হলেও শান্তিনগর, রামপুরা ও বাড্ডার কাঁচাবাজারে মরিচের কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
শসা, গাজর, টমেটো ও বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার ওপরে। অন্যান্য সবজির দাম ৪০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজি সরবরাহ কমে আসায় দাম বেড়েছে।
পড়ুন: চাঁদপুরে শাকসবজির দাম বেড়েই চলেছে, ধরাছোঁয়ার বাইরে ইলিশ
এ ছাড়া দাম বেড়েছে পেঁয়াজের। স্থানভেদে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। ক্রেতারা বলছেন, কদিন আগেও তারা ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ কিনেছেন। হঠাৎ করে দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন।
গত এক মাসে বাজারে প্রায় প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়েছে। জুলাইয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। গত মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশে, জুনে যা ছিল ৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
৩৬০ দিন আগে
জুলাইয়ে দেশের অর্থনীতির গতি বেড়েছে, পিএমআই ৮.৪ পয়েন্ট
চলতি বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে প্রকাশিত দেশের ক্রয় ব্যবস্থাপক সূচকে (পিএমআই) উঠে এসেছে।
এতে দেখা যায়, জুন মাসের তুলনায় পিএমআই ৮ দশমিক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬১ দশমিক ৫ এ পৌঁছেছে। এটি মূলত অর্থনৈতিক কার্যকলাপে একটি শক্তিশালী সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই), ঢাকা এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ (পিইবি) যৌথভাবে জুলাই পিএমআই প্রকাশ করেছে। যাতে দেশের অর্থনৈতিক দৃশ্যপটের প্রতি ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন উঠে এসেছে।
যুক্তরাজ্য সরকারের সহায়তা ও সিঙ্গাপুর ইনস্টিটিউট অব পারচেজিং অ্যান্ড ম্যাটেরিয়ালস ম্যানেজমেন্ট (এসআইপিএমএম) এর কারিগরি সহায়তায় প্রস্তুত করা বাংলাদেশ পিএমআই একটি অগ্রণী উদ্যোগ। এটি ব্যবসা, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকদের জন্য সময়োপযোগী, নির্ভরযোগ্য অবস্থা তুলে ধরতে উদ্যোগটির নকশা করা হয়েছে।
পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক আলোচনার শর্তবলি প্রকাশযোগ্য নয়: অর্থ উপদেষ্টা
প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ পিএমআই সূচক মূলত উৎপাদন ও পরিষেবা খাতে দ্রুত সম্প্রসারণের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।
নির্মাণ খাতও প্রবৃদ্ধিতে ফিরে এসেছে। অন্যদিকে কৃষি খাত যদিও এখনও সম্প্রসারিত হলেও মৌসুমী কারণ ও বন্যার প্রভাবে ধীরগতি নথিভুক্ত করা হয়েছে।
উৎপাদন খাতে টানা ১১ মাস বৃদ্ধির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে—যেখানে নতুন কার্যাদেশ, কারখানার উৎপাদন, উপকরণ ক্রয়, সমাপ্ত পণ্য, আমদানি এবং সরবরাহকারী সরবরাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোতে বৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে, কর্মসংস্থান এবং নতুন রপ্তানির সূচকগুলো সংকোচন দেখিয়েছে।
পরিষেবা খাতে, জুলাই মাসে টানা দশম মাসের মতো বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। যেখানে সমস্ত প্রধান সূচক—নতুন ব্যবসা, ব্যবসায়িক কার্যকলাপ, কর্মসংস্থান, উপকরণ খরচ এবং অর্ডার ব্যাকলগ—দ্রুত হারে প্রবৃদ্ধি নথিভুক্ত হয়েছে।
জুন মাসে প্রথমবারের মতো সংকোচনের পর নির্মাণ খাত জুলাই মাসে পুনরুদ্ধার করেছে। মাসটিতে নতুন ব্যবসা, নির্মাণ কার্যকলাপ, উপকরণ খরচ এবং অর্ডার ব্যাকলগের সম্প্রসারণ হয়েছে—যদিও কর্মসংস্থান হ্রাস অব্যাহত রয়েছে।
ইতোমধ্যে, কৃষিখাত তার দশম মাসের বৃদ্ধির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, তবে তা ধীর গতিতে। নতুন ব্যবসা এবং উপকরণ খরচসহ বেশিরভাগ উপসূচক, ধীর প্রবৃদ্ধি নথিভুক্ত করেছে এবং কর্মসংস্থান আরও সংকুচিত হয়েছে।
পড়ুন: বাংলাদেশের জন্য শুল্ক ২০ শতাংশ করা স্বস্তির: বিজিএমইএ সভাপতি
ভবিষ্যতের ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি কৃষি, উৎপাদন ও পরিষেবাগুলোতে ধীর বৃদ্ধি হয়েছে। এতে নির্মাণ খাত আশাব্যঞ্জক উত্থান নথিভুক্ত করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘সর্বশেষ পিএমআই সূচক ইঙ্গিত দেয় যে, জুলাই মাসে বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতি সম্প্রসারিত হয়েছে মূলত পরিষেবা ও উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধির কারণে। এর ফলে রপ্তানি সর্বকালের সর্বোচ্চ ৪৭৭ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।’
তবে, কৃষি খাত জুলাই মাসে ধীরগতিতে সম্প্রসারিত হয়েছে, যা দুর্বল সময়কাল এবং বর্ষার ব্যাঘাতকে প্রতিফলিত করে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
৩৬১ দিন আগে
ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে সূচকের বড় পতন
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে বড় পতনের মুখে পড়েছে ঢাকা চট্টগ্রামের পুঁজিবাজার। সকাল থেকে পতনের মুখে পড়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজার, যার রেশ ছিল লেনদেনের শেষ অবধি।
রবিবার (৪ আগস্ট) সারাদিনের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কমেছে সবকটি সূচক। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৫০ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরিয়াভিত্তিক ডিএসইএস ৮ এবং বাছাইকৃত ব্লুচিপ কোম্পানির ডিএস-৩০ কমেছে ২০ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৭ কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির। ১২২ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ২০৭ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৬৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সূচক বাড়লেও ক্যাটাগরির হিসাবে এ, বি এবং জেড— ক্যাটাগরির বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম নিম্নমুখী। লভ্যাংশ দেওয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরিতে ৬৬ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ১১৯ কোম্পানির। অপরিবর্তিত আছে ৩৪ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ব্লক মার্কেটে ২৪ কোম্পানির ১১ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে। গ্লোবাল পেন সর্বোচ্চ ২ কোটি ৩০ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
সারাদিনে ডিএসইতে ৯১১ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ১ হাজার ১৩৭ কোটি টাকা।৯ দশমিক ৫২ শতাংশ দাম বেড়ে ঢাকার বাজারে শীর্ষে আছে তিতাস গ্যাস এবং ৮ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে ট্রাস্ট ব্যাংক।
চট্টগ্রামেও পতন
ঢাকার মতোই সূচকের পতন হয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই), সার্বিক সূচক কমেছে ৬৮ পয়েন্ট।
সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৭ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৯৬ কোম্পানির, কমেছে ১১২ এবং অপরিবর্তিত আছে ১৯ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সারাদিনে সিএসইতে ১০ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ২০ কোটি টাকা।
৯ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে কাশেম ইন্ডাস্ট্রি এবং ৯ শতাংশের ওপরে দর হারিয়ে তলানিতে খান ব্রাদার্স।
৩৬৪ দিন আগে
পোশাক কারখানায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা
আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে সব তৈরি পোশাক (আরএমজি) কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
রবিবার (৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিএমইএ জানিয়েছে, সরকার ঘোষিত জাতীয় ছুটির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ এবং আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজিএমইএ জানিয়েছে, যদিও সরকার ৫ আগস্ট সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে, আইন অনুযায়ী তৈরি পোশাক কারখানার জন্য তা বাধ্যতামূলক নয়। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ ও শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, পোশাক কারখানাগুলোকে বছরে ১১ দিন উৎসবের ছুটি দিতে হয়। এর বাইরে অতিরিক্ত সাধারণ ছুটি পালনের বাধ্যবাধকতা নেই।
তবে সংগঠনটি ৫ আগস্ট শহীদদের স্মরণে ও সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে সব সদস্য কারখানা বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
বাংলাদেশে ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালিত হয়। এই দিনে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শহীদদের স্মরণ করা হয়।
৩৬৫ দিন আগে
এলপিজির দাম কমে প্রতি সিলিন্ডার ১,২৭৩ টাকা
ভোক্তা পর্যায়ে আরেক দফা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমে আগস্ট মাসে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১,২৭৩ টাকা।
সিলিন্ডারপ্রতি ৯১ টাকা কমিয়ে রোববার (৩ আগস্ট) নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিইআরসি)। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, আগস্ট মাসের জন্য ১২ কেজির এলপিজির দাম ১,৩৬৪ টাকা থেকে ৯১ টাকা কমিয়ে ১,২৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে ২ জুলাই সর্বশেষ দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৩৯ টাকা কমিয়ে ১,৩৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
একই সঙ্গে অটোগ্যাসের দামও কমিয়েছে বিইআরসি। আগস্ট মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ৪ টাকা ১৮ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের মূল্য সংযোজন কর (মূসক)সহ প্রতি লিটার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৮ টাকা ২৮ পয়সা।
জুলাই মাসে অটোগ্যাসের দাম ১ টাকা ৮৪ পয়সা কমিয়ে প্রতি লিটার ৬২ টাকা ৪৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
বিইআরসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আগস্ট মাসের জন্য সৌদি আরামকোর ঘোষিত প্রোপেন ও বিউটেনের সৌদি সিপি (কনট্র্যাক্ট প্রাইস) ছিল যথাক্রমে প্রতি মেট্রিক টনে ৫২০ মার্কিন ডলার ও ৪৯০ মার্কিন ডলার। প্রোপেন ও বিউটেনের অনুপাত ৩৫:৬৫ অনুযায়ী গড় সিপি নির্ধারিত হয়েছে ৫০০.৫০ ডলার, যা ভিত্তি ধরে আগস্ট মাসের জন্য বেসরকারি এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম ভোক্তা পর্যায়ে সমন্বয় করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম চার দফা কমেছে, সাত দফা বেড়েছে এবং একবার অপরিবর্তিত ছিল।
৩৬৫ দিন আগে
বাংলাদেশের জন্য শুল্ক ২০ শতাংশ করা স্বস্তির: বিজিএমইএ সভাপতি
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যে পাল্টা শুল্ক ৩৫ থেকে কমে ২০ শতাংশ হওয়াটা আমাদের জন্য স্বস্তির বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতিতি (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।
শুক্রবার (১ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক হ্রাস নিয়ে এক অভিমতে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, পাল্টা শুল্ক নিয়ে গত তিন মাস ধরে আমরা এক ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলাম। অনিশ্চয়তার মধ্যে ব্যবসা–বাণিজ্য করা কঠিন। মার্কিন ক্রেতারাও পরিস্থিতি কোন দিকে যায় সেটি পর্যবেক্ষণ করছিলেন তারা। শেষ পর্যন্ত পাল্টা শুল্ক ৩৫ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ হওয়াটা আমাদের জন্য স্বস্তির।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছিলাম, প্রতিযোগী দেশের তুলনায় আমাদের পণ্যে পাল্টা শুল্ক বেশি হলে ব্যবসা কঠিন হয়ে যাবে। তবে প্রতিযোগী দেশ পাকিস্তানের চেয়ে আমাদের পাল্টা শুল্ক ১ শতাংশ বেশি হলেও ভারতের চেয়ে ৫ শতাংশ কম। এ ছাড়া চীনের চেয়ে ১০ শতাংশ কম। এটি আমাদের জন্য বড় স্বস্তির।
তবে তিনি আশঙ্কা করে বলেন, বাড়তি পাল্টা শুল্কের কারণে সাময়িকভাবে ব্যবসা কমতে পারে। তার কারণ আগের থেকে পণ্য আমদানিতে বেশি শুল্ক দিতে হবে মার্কিন ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে। এতে তাদের মূলধনে টান পড়বে। এমন পরিস্থিতিতে তারা যদি বাড়তি অর্থায়নের সংস্থান না করতে পারে তাহলে ক্রয়াদেশ কম দেবে। তা ছাড়া বাড়তি শুল্ক শেষ পর্যন্ত ক্রেতাদের ঘাড়ে গিয়েই পড়বে। শুল্কের কারণে পণ্যের দাম বাড়লে ক্রেতারা চাপে পড়বেন। তাতে পণ্যের বিক্রি কমে যেতে পারে।
পড়ুন: শুল্ক হ্রাসে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন দিগন্ত উন্মোচন
গত এপ্রিলে প্রথম দফায় সব দেশের পণ্যের ওপর নূন্যতম ১০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কার্যাকর করে ট্রাম্প প্রশাসন। সেটি মার্কিন ক্রেতারা বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করেছে। কোনো কোনো ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের চাপে আমাদের সরবরাহকারীদের সেই বাড়তি শুল্কের ভাগ নিতে হয়েছে। আমি আমাদের বিজিএমইএর (বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি) সদস্যদের বার্তা দিতে চাই, বাড়তি এই শুল্ক আমদানিকারক ও ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকেই দিতে হবে। আর তারা দিন শেষে সেটি মার্কিন ভোক্তাদের ওপরই গিয়ে পড়বে। ফলে এই বিশেষ বার্তা পরিষ্কার থাকতে হবে।
তিনি বলেন, চীনের ওপর এখন পর্যন্ত পাল্টা শুল্ক আছে ৩০ শতাংশ। শিগগিরই দেশটির ওপর চূড়ান্ত পাল্টা শুল্কহার ঘোষণা করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে যতদূর আভাস মিলছে, তাদের শুল্কহার আমাদের চেয়ে কম হবে না। ফলে দিন শেষে চীন থেকে তৈরি পোশাকের ক্রয়াদেশ স্থানান্তরিত হওয়া অব্যাহত থাকবে। তাতে আমাদের ব্যবসা বাড়ানোর সুযোগ আসবে। সে ক্ষেত্রে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মতো বিষয়গুলো অনুকূলে থাকতে হবে।
পড়ুন:যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি পণ্যে শুল্ক কমানো ‘সন্তোষজনক’: আমীর খসরু
শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের এই নেতা আরও বলেন, যেহেতু এখন পর্যন্ত আমরা চুক্তির খসড়া বা সার সংক্ষেপ শুধু জেনেছি বিস্তারিত পাইনি, তবে আশা করি আমাদের বাণিজ্য প্রতিনিধি দল দেশের ও বাণিজ্য স্বার্থ বজায় রেখেই চুক্তি সম্পাদন সম্পন্ন করেছেন।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, পাল্টা শুল্ক আলোচনায় বাংলাদেশ কতগুলো প্রতিশ্রুতি ও চুক্তি করেছে, সেগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা। তার মধ্যে গম, তুলা, এলএনজি কেনার মতো স্বল্প মেয়াদি এবং উড়োজাহাজ কেনার মতো দীর্ঘমেয়াদি বিষয় আছে। ‘এখানে কোনো গাফিলতি থাকলে আমরা পুনরায় বিপদে পড়তে পারি,’ সতর্ক করেন তিনি।
৩৬৭ দিন আগে
ঢাকার পুঁজিবাজারে হাজার কোটি টাকা ছাড়াল লেনদেন
একদিকে সূচকের বড় উত্থান, অন্যদিকে লেনদেনের রেকর্ড। সব মিলিয়ে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন ১ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দিনের শুরু থেকে ডিএসইতে শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন ছিল ঊর্ধ্বমুখী। দুপুর ১২টা পার হওয়ার আগে লেনদেন ছাড়ায় ৫০০ কোটি টাকা। সবশেষে লেনদেন দাঁড়ায় ১০৬৩ কোটি টাকায়।
লেনদেন বৃদ্ধির পাশাপাশি ডিএসইতে বেড়েছে সবকটি সূচকও। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৯১ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরিয়াভিত্তিক ডিএসইএস ১৬ এবং বাছাইকৃত ব্লুচিপ কোম্পানির ডিএস-৩০ বেড়েছে ৪৮ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৪ কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির। ১৫০ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ১৬৭ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৭৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সূচক বাড়লেও ক্যাটাগরির হিসাবে এ, বি এবং জেড— ক্যাটাগরির বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম নিম্নমুখী। তবে লভ্যাংশ দেওয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরিতে ১০১ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ৮২ কোম্পানির। অপরিবর্তিত আছে ৩৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ব্লক মার্কেটে ৩৬ কোম্পানির ৩০ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে। খান ব্রাদার্স সর্বোচ্চ ৮ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
পড়ুন: সিটি করপোরেশন আইনের সংশোধনীতে নীতিগত অনুমোদন দিল উপদেষ্টা পরিষদ
৯ দশমিক ৯০ শতাংশ দাম বেড়ে ঢাকার বাজারে শীর্ষে আছে ট্রাস্ট ব্যাংক এবং ৯ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে মিডল্যান্ড ব্যাংক।
চট্টগ্রামেও উত্থান
ঢাকার মতোই সূচকের উত্থান হয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই), সার্বিক সূচক বেড়েছে ২৮১ পয়েন্ট।সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৯ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ১০৭ কোম্পানির, কমেছে ৮৭ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৫ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সারাদিনে সিএসইতে ১১ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ২৩ কোটি টাকা।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স এবং ডিএসসির মতো সিএসইতেও ৮ শতাংশের ওপরে দর হারিয়ে তলানিতে মিডল্যান্ড ব্যাংক।
৩৬৮ দিন আগে
পুঁজিবাজারে লেনদেন ৮০০ কোটি ছাড়ালেও সূচকের পতন
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকার পুঁজিবাজারে লেনদেন ৮০০ কোটি টাকা ছাড়ালেও পতন হয়েছে সূচকের, দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির।
সারাদিনের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ২২ পয়েন্ট।
বাকি দুই সূচক শরিয়াভিত্তিক ডিএসইএস ৬ পয়েন্ট কমলেও বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লুচিপ সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ৩ পয়েন্ট।লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৭ কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির। ১১৯ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ২৩০ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ক্যাটাগরির হিসাবে এ, বি এবং জেড— তিন ক্যাটাগরিতেই বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম নিম্নমুখী। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেওয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরিতে ৫৪ কোম্পানির দরবৃদ্ধি হলেও দাম কমেছে ১৪০ কোম্পানির। অপরিবর্তিত আছে ২৫ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ব্লক মার্কেটে ৩৭ কোম্পানির ৪২ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে। খান ব্রাদার্স সর্বোচ্চ ৮ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
সারাদিনে ঢাকার বাজারে ৮০৫ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে যা গতদিন ছিল ৮৬৫ কোটি টাকা।
পড়ুন: সাপ্তাহিক পুঁজিবাজার: গড় লেনদেন ৮০০ কোটি টাকার ওপরে, ঢাকা- চট্টগ্রামে সূচকে বড় উত্থান
৯.৭৬ শতাংশ দাম বেড়ে ঢাকার বাজারে শীর্ষে আছে পিপলস ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি এবং ৮ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট।
চট্টগ্রামেও পতন
ঢাকার মতোই সূচকের বড় পতন হয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই), সার্বিক সূচক কমেছে ৩৯ পয়েন্ট।
সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৬ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৮৭ কোম্পানির, কমেছে ১০৭ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩২ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সারাদিনে সিএসইতে ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ১০ কোটি ৯০ লাখ টাকা।১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে নর্দান ইসলামী ইন্স্যুরেন্স এবং ঢাকার মতো চট্টগ্রামেও ৯ শতাংশের ওপরে দর হারিয়ে তলানিতে উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট।
৩৭১ দিন আগে
সাপ্তাহিক পুঁজিবাজার: গড় লেনদেন ৮০০ কোটি টাকার ওপরে, ঢাকা- চট্টগ্রামে সূচকে বড় উত্থান
সপ্তাহজুড়ে টানা উত্থানে ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে গড় লেনদেন ৮০০ কোটি টাকার ওপরে, সূচক বেড়েছে সবকটি। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) বড় উত্থান হয়েছে, সার্বিক সূচক বেড়েছে ৬৮৪ পয়েন্ট।
পুরো সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২৫৯ পয়েন্ট, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৫ শতাংশ বেশি।
বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস ৫২ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্ল-চিপ সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ১৫৩ পয়েন্ট।
ঢাকার বাজারে সাপ্তাহিক গড় লেনদেন বেড়ে হয়েছে ৮৫৯ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৬৮১ কোটি টাকা। এ সপ্তাহের ব্যবধানে মোট লেনদেন বেড়েছে ২৬ শতাংশ।
ডিএসইতে দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির। সপ্তাহ শেষে ২১৫ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১৪৪ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৫ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
খাতভিত্তিক উত্থান
আগের সপ্তাহে ব্যাংক খাত সুবিধা করতে না পারলেও এই কয়েকদিনের লেনদেনে তালিকাভুক্ত ৩৬ ব্যাংকের মধ্যে দাম বেড়েছে ৩০, কমেছে ৩ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩ ব্যাংকের শেয়ারের দাম।
ব্যাংক খাতে শেয়ারের দাম বেড়েছে ৭৯ শতাংশ এবং লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে ৭৬ শতাংশ।
ব্যাংক খাতের চেয়ে আরও ভালো অবস্থানে আছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের শেয়ার। ১৩৩ শতাংশ দাম বেড়েছে এ খাতের শেয়ারে এবং লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে ১০৯ শতাংশ।
২১ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেনি একটিরও এবং অপরিবর্তিত আছে ২ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
উত্থানের ধারা বজায় আছে সাধারণ বীমা এবং জীবন বীমা খাতে। সাধারণ বীমা খাতে শেয়ারের দাম বেড়েছে ২৪ শতাংশ এবং জীবন বীমা খাতে উত্থান হয়েছে ৬ শতাংশ।
এ ছাড়া সিমেন্ট, সিরামিক, প্রকৌশল, ওষুধ, আবাসন এবং টেলিকম খাতের শেয়ারের দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।
খাতভিত্তিক পতন
সাপ্তাহিক লেনদেনে তলানিতে আছে পাটশিল্প খাত। এ খাতের তিন কোম্পানির সবকটির শেয়ারের দাম কমেছে। এ কয়দিনের কার্যদিবসে পাটশিল্প খাতের শেয়ারের দাম এবং লেনদেন কমেছে ৩৯ শতাংশ।
পাটশিল্পের পরেই পতনের দিক থেকে শীর্ষে আছে কাগজ এবং মুদ্রণ শিল্প। এ খাতে শেয়ারের দাম কমেছে ৩৪ শতাংশ। সুবিধা করতে পারেনি মিউচুয়াল ফান্ড, দর কমেছে ২১ শতাংশ।
চামড়া, টেক্সটাইল এবং পর্যটন খাতের শেয়ারের দাম কমেছে ২৫ শতাংশের বেশি। টেলিকম খাতে শেয়ারের দাম বাড়লেও কমেছে আইটি খাতে। আইটি খাতের শেয়ারের দাম কমেছে ১৬ শতাংশের বেশি।
প্রতিষ্ঠানভিত্তিক লেনদেন
সারা সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার। ব্যাংকটির গড় লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬ কোটি টাকা। সবশেষ ৬৮ টাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিটি শেয়ার বিক্রি হয়েছে।
ব্র্যাক ব্যাংকের পরেই সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের শেয়ার। লেনদেনে ভালো অবস্থানে আছে সিটি ব্যাংক, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, খান ব্রাদার্স, স্কয়ার ফার্মা, বেক্সিমকো ফার্মা এবং ওরিয়ন গ্রুপের শেয়ার।
গত সপ্তাহে ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি শেয়ার বিক্রি করেছে ব্যাংক এশিয়া। এছাড়া মারিকো, ব্র্যাক ব্যাংক, এশিয়াটিক ল্যাব, খান ব্রাদার্স এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ব্লক মার্কেটে শেয়ার বিক্রিতে ছিল শীর্ষ তালিকায়।
দরবৃদ্ধিতে শীর্ষে আছে জেড ক্যাটাগরির কোম্পানি উত্তরা ফাইন্যান্স। গত সপ্তাহে কোম্পানিটি থেকে রিটার্ন এসেছে ৫২ শতাংশের বেশি। পাঁচ কার্যদিবসে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ১১ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকায়।
অন্যদিকে সাপ্তাহিক লেনদেনে তলানিতে এক্সপ্রেস ইনস্যুরেন্স লিমিটেড। কোম্পানিটির রিটার্ন কমেছে ১৫ শতাংশের বেশি। বি ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ৪৩ টাকিয়া থেকে কমে হয়েছে ৩৬ টাকা।
বড় উত্থান চট্টগ্রামেও
ঢাকার মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) বড় উত্থান হয়েছে, সার্বিক সূচক বেড়েছে ৬৮৪ পয়েন্ট।
সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৩৬ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৭, কমেছে ১২২ এবং অপরিবর্তিত আছে ২৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ঢাকার মতো সিএসইতেও শীর্ষে উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনিভেস্টমেন্ট। এছাড়া শীর্ষ কোম্পানির তালিকায় আছে এনসিসি ব্যাংক, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স, ব্যাংক এশিয়া, মিডাস ফাইন্যান্স, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, প্রাইম ব্যাংক, পিপলস লিজিং এবং পিপলস ইনস্যুরেন্স।
২৪ শতাংশ দাম কমে সিএসইতে তলানিতে সিইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট। অন্যদিকে এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের দাম কমেছে ১৫ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের শেয়ার। এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় আছে লাভেলো, ওয়ালটন হাইটেক, খান ব্রাদার্স, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, মিডল্যান্ড ব্যাংক, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট, রবি, ওরিয়ন ফিউশান এবং লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স।
৩৭৩ দিন আগে
ভরিতে ১০৫০ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ৬০১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার থেকে নির্ধারিত নতুন দাম কার্যকর হবে।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস।
এখন থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬০১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৬ হাজার ১২৭ টাকা।
এক ধাক্কায় স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ১৮৯০ টাকা
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
সবশেষ গত ৭ জুলাই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৫১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
৩৭৭ দিন আগে