ব্যবসা
আদানি পাওয়ারের সব পাওনা মিটিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ
ভারতের আদানি পাওয়ারের সরবরাহকৃত বিদ্যুতের বিপরীতে ৪৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার বকেয়া পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি)। এর মাধ্যমে কোম্পানিটির সব বকেয়া পাওনা মিটিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত যে বকেয়া ছিল, তা ‘সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ’ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ইউএনবিকে নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত আদানি পাওয়ারের বকেয়ার সবচেয়ে বড় কিস্তিটি পরিশোধটি করা হয়েছে জুনে। এর আগে সাধারণত প্রতি মাসে কোম্পানিটি বাংলাদেশ থেকে গড়ে ৯ থেকে ১০ কোটি ডলার করে পেত।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বকেয়া বিল, সুদের টাকা ও অন্যান্য চার্জ পরিশোধের মাধ্যমে আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিটি আর্থিক ও আইনি দিক থেকে এখন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ যে কয়েকটি বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল, তাও মিটে গেছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: আদানির সময়সীমা নিয়ে আমরা খুবই মর্মাহত: প্রেস সচিব
ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহ করছে আদানি পাওয়ার। সূত্র জানিয়েছে, সব পাওনা পরিশোধ হওয়ায় এখন ঢাকা কর্তৃপক্ষ আদানিকে নির্দেশ দিয়েছে, ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিটই (মোট ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট) যেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চাহিদা অনুযায়ী চালু রাখা হয়।
সূত্র আরও জানায়, আদানি ও বাংলাদেশের মধ্যে হওয়া এক সমঝোতা অনুযায়ী, গত অর্থবছরের বকেয়া জুনের মধ্যে পরিশোধ করা হলে বিলম্ব সুদ মওকুফ করার কথা। বাংলাদেশ সে শর্ত পূরণ করেছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে সময়মতো বিল পরিশোধ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দুই মাসের সমপরিমাণ বিল (প্রায় ১৮ কোটি ডলার) সমমূল্যের একটি এলসি এবং সব বকেয়ার জন্য সার্বভৌম গ্যারান্টিও দিয়েছে।
চলতি বছরের মে মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, আদানি পাওয়ারের কাছে বাংলাদেশের বকেয়ার পরিমাণ প্রায় ৯০ কোটি ডলার।
কোম্পানিটির চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার দিলীপ ঝা সে সময় জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের মোট বিল ২০০ কোটি ডলার, যার মধ্যে ২০২৪–২৫ অর্থবছরের শেষ নাগাদ আদায় হয়েছে ১২০ কোটি ডলার। তবে দেরিতে পরিশোধের জন্য আরও ১৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার বিল করা হয়েছে।
৩৯৭ দিন আগে
জুলাই ২০২৫ থেকে ৩-মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার: বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
সরকারি প্রজ্ঞাপনে জুলাই ২০২৫ থেকে জারি হলো জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের নতুন সংস্করণ। এখানে প্রচলিত সঞ্চয়পত্রগুলোর পাশাপাশি ৩-মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রেও পরিলক্ষিত হয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিবতর্ন। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন বিনিয়োগে বন্টনকৃত মুনাফার হার। নতুন এই বার্ষিক হারে বদলে গেছে মেয়াদান্তে বা মেয়াদপূর্তির পূর্ব নগদায়নে গ্রাহকের প্রাপ্য মোট লাভ। চলুন, এই ত্রৈমাসিক সঞ্চয় ব্যবস্থার জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়কালের জন্য পুনঃনির্ধারিত মুনাফা সম্বন্ধে জেনে নেওয়া যাক।
জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়কালের জন্য ৩-মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে নির্ধারিত রিটার্ন রেট
পূর্ববর্তী ও বর্তমানের এক বা একাধিক যাবতীয় বিনিয়োগের প্রযোজ্য রিটার্ন নিম্নোক্ত বিনিয়োগসীমার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে:
i) অনুর্ধ্ব ৭ লাখ ৫০ হাজার (৭,৫০,০০০) টাকা
ii) ৭ লাখ ৫০ হাজার (৭,৫০,০০০) টাকার বেশি
নিচের টেবিলে মেয়াদপূর্তির আগে ও পরের নগদীকরণসহ এই তিন বছর মেয়াদী স্কিমের মুনাফা বন্টন কাঠামো উল্লেখ করা হলো:
টেবিল: জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়কালের জন্য ত্রৈমাসিক মুনাফা-ভিত্তিক স্কিমে ভিন্ন বিনিয়োগ সীমার আঙ্গিকে ধার্যকৃত বার্ষিক মুনাফা
সময়
বিনিয়োগ
৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত
বিনিয়োগ
৭ লাখ ৫০ হাজার ১ টাকা হতে তদূর্ধ্ব
মুনাফার হার (%)
১ম বছরান্তে
১০.৬৫
১০.৬০
২য় বছরান্তে
১১.২২
১১.১৬
৩য় বছরান্তে / মেয়াদপূর্তিতে
১১.৮২
১১.৭৭
.
৩ মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা (৭,৫০,০০০ বা তার কম) বিনিয়োগকারীরা মেয়াদপূর্তিতে সর্বাধিক মুনাফা পাবেন। বছরান্তের হিসাবে ধার্যকৃত এই পরিমাণটি ১১.৮২ শতাংশ (১১.৮২%)। সাড়ে ৭ লক্ষাধিক (৭,৫০,০০১ বা তার বেশি) টাকার বেশি বিনিয়োগের জন্য এই হার সামান্য কমে দাড়াবে ১১.৭৭ শতাংশ।
মেয়াদের আগেই নগদীকরণের ক্ষেত্রে, টেবিলে নির্দেশিত হার অনুসারে মুনাফা হিসাব করা হবে। এক্ষেত্রে অনুর্ধ্ব ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা (৭,৫০,০০০ বা তার কম) বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রথম বছরান্তে বার্ষিক সুদের হার হবে ১০.৬৫ শতাংশ। দ্বিতীয় বছরে এই হার হয়ে যাবে ১১.২২ শতাংশ।
বিনিয়োগ সাড় ৭ লক্ষ (৭,৫০,০০১ বা তার বেশি) টাকার বেশি হলে প্রথম বছরের নগদায়নে মুনাফা মিলবে ১০.৬০ শতাংশ। দ্বিতীয় বছরে রিটার্নের হার বেড়ে হবে ১১.১৬ শতাংশ।
আরো পড়ুন: জুলাই ২০২৫ থেকে পরিবার সঞ্চয়পত্রে নতুন মুনাফার হার: বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
কারা পাবেন জুলাই ২০২৫ থেকে কার্যকর ৩-মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের নতুন রিটার্ন রেট?
নতুন জারিকৃত এই মুনাফা শুধু তারাই পাবেন, যারা ত্রৈমাসিক মুনাফা-ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র কিনবেন ১ জুলাই, ২০২৫ তারিখে বা তার পরে। এর আগের বিনিয়োগগুলোর রিটার্ন সমূহ পূর্বের শর্তাদি অনুসারে হিসাব হবে।
এই নির্দেশিকা বাস্তবায়নের ছয় মাস পর রিটার্ন হার পুনরায় নির্ধারণ করা হবে। তবে এই সময়ের মধ্যে যারা বিনিয়োগ করবেন, তারা তাদের নির্ধারিত পুরো মেয়াদ জুড়ে বিদ্যমান হারে মুনাফা পাবেন। অর্থাৎ সঞ্চয়পত্র ইস্যুকালীন রিটার্নের হার পুরো মেয়াদের জন্য অপরিবর্তিত থাকবে।
শেষাংশ
বাংলাদেশ জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের ৩ মাস অন্তর মুনাফা-ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে ৭,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১১.৮২ শতাংশ। ক্রয়কৃত সঞ্চয়পত্রের মূল্য ৭,৫০,০০০ টাকা ছাড়িয়ে গেলে লাভ পাওয়া যাবে ১১.৭৭ শতাংশ হারে। এই রিটার্ন পদ্ধতি শুধুমাত্র ১ জুলাই, ২০২৫ তারিখে বা তার পর থেকে বিনিয়োগকৃত ত্রৈমাসিক মুনাফা বহনকারী সঞ্চয়পত্রের জন্য প্রযোজ্য।
আরো পড়ুন: বাংলাদেশে গুগল পে-এর যাত্রা শুরু: গুগলের ডিজিটাল পেমেন্ট কেন ও কিভাবে ব্যবহার করবেন
৩৯৭ দিন আগে
এক ধাক্কায় স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ১৮৯০ টাকা
টানা দুই দফা কমার পর এবার দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম। ভরিতে ১ হাজার ৮৯০ টাকা বেড়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ১২৬ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, বুধবার (২ জুলাই) থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস।
নতুন দাম অনুযায়ী, এখন থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ১২৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে, সবশেষ গত ২৮ জুন দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ৬২৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ২৩৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
৩৯৮ দিন আগে
জুলাই ২০২৫ থেকে পরিবার সঞ্চয়পত্রে নতুন মুনাফার হার: বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
বছরের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে সরকারি প্রজ্ঞাপনে জারি হলো দেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের নতুন এক সংস্করণ। এ অনুসারে নতুন মুনাফার হারের ভিত্তিতে প্রচলিত সবগুলো সঞ্চয়পত্রে এসেছে উল্লেখযোগ্য পরিবতর্ন। এর আওতায় জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্রও অন্তর্ভূক্ত। বার্ষিক হারের সাথে সাথে আমূল বদলেছে সর্বমোট অর্থপ্রাপ্তির। এটি মেয়াদান্ত ও মেয়াদপূর্তির পূর্ব নগদায়ন উভয় ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছে। চলুন, পরিবার সঞ্চয়পত্রের পুনঃনির্ধারিত মুনাফা ব্যবস্থার সম্বন্ধে জেনে নেওয়া যাক।
জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়কালের জন্য পরিবার সঞ্চয়পত্রে নির্ধারিত রিটার্ন রেট
পূর্ববর্তী বিনিয়োগ থেকে শুরু করে এক বা একাধিক স্কিমের যাবতীয় বিনিয়োগে রিটার্ন রেট প্রযোজ্য হবে দুটি বিনিয়োগসীমা অনুযায়ী:
১) ৭ লাখ ৫০ হাজার (৭,৫০,০০০) টাকা বা তার কম
২) ৭ লাখ ৫০ হাজার (৭,৫০,০০০) টাকার অধিক
৫ বছর মেয়াদী এই স্কিমে মেয়াদপূর্তি এবং নগদায়নে ধার্যকৃত মুনাফার নতুন হার নিম্নরূপঃ
টেবিল: জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়কালের জন্য পরিবার সঞ্চয়পত্রে বিভিন্ন বিনিয়োগ বাবদ প্রাপ্য মুনাফা
সময়
বিনিয়োগ
৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত
বিনিয়োগ
৭ লাখ ৫০ হাজার ১ টাকা হতে তদূর্ধ্ব
মুনাফার হার (%)
১ম বছরান্তে
৯.৮১
৯.৭২
২য় বছরান্তে
১০.২৯
১০.১৯
৩য় বছরান্তে
১০.৮০
১০.৭০
৪র্থ বছরান্তে
১১.৩৫
১১.২৩
৫ম বছরান্তে/ মেয়াদপূর্তিতে
১১.৯৩
১১.৮০
.
পরিবার সঞ্চয়পত্রে মুলধনের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৭ লাখ ৫০ হাজার (৭,৫০,০০০ বা তার নিচে) টাকা হলে মাসিক মুনাফা হবে ১১.৯৩ শতাংশ (১১.৯৩%)। তবে পরিমাণ সাড়ে ৭ লক্ষাধিক হলে (৭,৫০,০০১ বা তার বেশি), লাভের হার ১১.৮০ শতাংশে কমে আসবে।
মেয়াদপূর্তির আগেই নগদায়ন করা হলে উপরোক্ত টেবিলে উল্লিখিত বার্ষিক হারে মুনাফা প্রযোজ্য হবে। এক্ষেত্রে অনুর্ধ্ব ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার সঞ্চয়পত্র নগদায়নে, প্রথম বছরে মাসিক মুনাফা হবে ৯.৮১ শতাংশ। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বছরে এই পরিমাণ দাড়াবে যথাক্রমে ১০.২৯ শতাংশ, ১০.৮০ শতাংশ এবং ১১.৩৫ শতাংশে।
অন্যদিকে, ক্রয়কৃত সঞ্চয়পত্রের মূল্য সাড়ে ৭ লক্ষাধিক হলে অগ্রিম নগদায়নে প্রথম বছরের লাভ পাওয়া যাবে ৯.৭২ শতাংশ। দ্বিতীয় বছরে রিটার্ন আসবে ১০.১৯ শতাংশ। তৃতীয় ও চতুর্থ বছরে ধার্য হবে যথাক্রমে ১০.৭০ শতাংশ ও ১১.২৩ শতাংশ।
আরো পড়ুন: বাংলাদেশে গুগল পে-এর যাত্রা শুরু: গুগলের ডিজিটাল পেমেন্ট কেন ও কিভাবে ব্যবহার করবেন
জুলাই ২০২৫ থেকে কার্যকর পরিবার সঞ্চয়পত্রের রিটার্ন রেট কাদের জন্য
নতুন এই হারে মুনাফা কেবল তারাই পাবেন, যারা ১ জুলাই, ২০২৫ তারিখ বা তার পর থেকে পরিবার সঞ্চয়পত্র কিনবেন। এই তারিখের আগের বিনিয়োগগুলো পূর্ববর্তী শর্তাবলি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
সরকারি এই আদেশ কার্যকর হওয়ার ছয় মাস পরে মুনাফার হার পুনঃনির্ধারিত হবে। তবে এর মাঝে বিনিয়োগকারীরা উপরোক্ত টেবিল অনুযায়ী পুরো মেয়াদের জন্যই নির্ধারিত হারে মুনাফা পাবেন। সুতরাং, প্রাথমিকভাবে জারি করা হার বিনিয়োগের পুরো সময়কাল জুড়ে অপরিবর্তিত থাকবে।
সারসংক্ষেপ
বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের নতুন সংস্করণে জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়কালের জন্য পরিবার সঞ্চয়পত্রে মেয়াদান্তের সর্বাধিক মুনাফা ১১.৯৩ শতাংশ। এই হারটি ধার্য হবে অনুর্ধ্ব ৭,৫০,০০০ টাকা বিনিয়োগকারীদের জন্য। ৭,৫০,০০০ টাকার বেশি বিনিয়োগে সর্বোচ্চ মুনাফার হার হবে ১১.৮০ শতাংশ। যারা ১ জুলাই, ২০২৫ তারিখ বা তার পর থেকে পরিবার সঞ্চয় স্কিমের গ্রাহক হবেন, কেবল তাদের জন্য এই রিটার্ন কাঠামোটি প্রযোজ্য।
আরো পড়ুন: সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষে নগদায়ন বা পুনরায় চালু করার উপায়
৩৯৮ দিন আগে
এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৩৬ শতাংশ
সামগ্রিকভাবে পোশাক আমদানি কমালেও গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৩৬ শতাংশ। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বস্ত্র ও পোশাক বিষয়ক সরকারি দপ্তর ওটেক্সার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৫৪০ কোটি ডলার। সেখানে ২০২৪ সালে ৭৩৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। অর্থাৎ এই এক দশকে দেশটিতে পোশাক রপ্তানিতে ৩৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রবৃদ্ধির ধারা ইতিবাচক থাকলেও করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে রপ্তানি ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ কমে যায়। ২০১৯ সালে যেখানে রপ্তানি ছিল ৫৯২ কোটি ডলার, ২০২০ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৫২২ কোটিতে।
তবে ২০২০ সালে পোশাক রপ্তানির পালে ফের হাওয়া লাগে। ওই সময়ে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪০ দশমিক ৪৫ শতাংশ, যা যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক আমদানি বৃদ্ধির হারকেও (২৩.৭২ শতাংশ) ছাড়িয়ে যায়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানির পরিমাণ ছিল ৮ হাজার ৫১৬ কোটি ডলার, ২০২৪ সালে যা কমে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৯২৬ কোটি ডলারে। অর্থাৎ, এক দশক পর দেশটির পোশাক আমদানি কমেছে বছরে ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রবৃদ্ধির হার স্থির থাকলেও করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালে বড় ধরনের ধাক্কা খায় যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি খাত। ২০১৯ সালে দেশটি ৮ হাজার ৩৭০ কোটি ডলার মূল্যের পোশাক আমদানি করলেও পরের বছর তা নেমে আসে ৬ হাজার ৪০৬ কোটিতে, এক বছরের ব্যবধানে যা ২৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ কম।
করোনা-পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ালেও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক মন্দা এতটাই গভীর ছিল যে, ২০২৪ সালেও তারা ২০১৫ সালের আমদানির স্তরে ফিরে যেতে পারেনি।
ওটেক্সার প্রতিবেদন বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক মন্দার সময় দেশটির ভোক্তারা তাদের ব্যয় কমিয়ে দেয়, যার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে পোশাক খাতে।
যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা পোশাক বাজারের ৯৫ শতাংশ আমদানিনির্ভর। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলের আগে থেকে আরোপিত উচ্চ শুল্কহার (গড়ে ১৮.৫ শতাংশ), ক্রমবর্ধমান পরিবহন খরচ ও পোশাকের স্বল্প বিপণন আয়ুর মতো বিষয়গুলো সরবরাহ ব্যবস্থায় সমন্বয়ের ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে।
এতসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের শিল্পের সক্ষমতারই প্রমাণ দেয়।
৩৯৯ দিন আগে
ঢাকা-চট্টগ্রামে সূচকের পতন, দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে সূচকের পতন হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে, দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির, কমেছে লেনদেন।
সারাদিনের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১ পয়েন্ট।
বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ অবস্থান করছে নেতিবাচকের ঘরে।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৪০০ কোম্পানির মধ্যে ১৩০ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ২০৫ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৬৫ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এ, বি এবং জেড- তিন ক্যাটাগরিতেই দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরির ২১৯ কোম্পানির মধ্যে ৭২ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১১৮ এবং অপরিবর্তিত আছে ২৯ কোম্পানির শেয়ারের দাম।আরও পড়ুন: দুই শেয়ারবাজারেই দরপতন, ডিএসইর সূচকে কমেছে ৩৫ পয়েন্ট
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ৩৬ কোম্পানির ২০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। লাভেলো সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
সারাদিনে ডিএসইতে ৪৬৪ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৪৯৪ কোটি টাকা।
৯.৭৫ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক এবং ৭.৫৮ শতাংশ দাম কমে তলানিতে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি।
চট্টগ্রামেও পতন
ঢাকার মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতন হয়েছে, সার্বিক সূচক কমেছে ৪১ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ২২৯ কোম্পানির মধ্যে ৮৪ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১০৫ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ২৫ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসে ছিল ৩৫ কোটি টাকা।
৯.৯৭ শতাংশ দাম বেড়ে ঢাকার মতো সিএসইতেও শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক এবং ৯ শতাংশ দর হারিয়ে তলানিতে উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট।
৩৯৯ দিন আগে
সূচকের পতনে লেনদেন চলছে পুঁজিবাজারে
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়েছে দেশের দুই শেয়ারবাজার—ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। দিনের শুরুতেই আজ বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমে যায়।
লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৯ পয়েন্ট কমেছে। শরিয়াভিত্তিক সূচক ডিএসইএস ৫ পয়েন্ট এবং বাছাইকৃত ব্লুচিপ কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ কমেছে ৯ পয়েন্ট।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারে চতুর্থ দিনে সূচকের উত্থান, বেড়েছে লেনদেন
এ সময় ডিএসইতে ৭৭টি কোম্পানির দর বেড়েছে, বিপরীতে দর কমেছে ২৪৪টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৫টি কোম্পানির শেয়ারদর। প্রথম ঘণ্টায় ঢাকার বাজারে ১৬০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক ৩৮ পয়েন্ট কমেছে।
সিএসইতে প্রথম ঘণ্টায় লেনদেনে অংশ নেওয়া ১২৪টি কোম্পানির মধ্যে ৪০টির দর বেড়েছে, ৬৪টির কমেছে এবং ২০টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। দিনের শুরুতে সেখানে মোট লেনদেন ছাড়িয়েছে ১৩ কোটি টাকা।
৩৯৯ দিন আগে
এক সপ্তাহের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমল ৪২৯২ টাকা
দেশের বাজারে আরেক দফা কমেছে স্বর্ণের দাম। চার দিন আগে ভরিতে ১ হাজার ৬৬৮ টাকা দাম কমার পর এবার ভরিতে ২ হাজার ৬২৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ২৩৬ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস।
শনিবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। রোববার থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
এতে করে দুই দফায় সপ্তাহের ব্যবধানে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে কমলো ৪ হাজার ২৯২ টাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
পড়ুন: ১০ দিনের ব্যবধানে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭০ হাজার ২৩৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬২ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৯ হাজার ২৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৫ হাজার ১৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে বলে জানিয়েছে বাজুস।
এর আগে, সবশেষ গত ২৪ জুন দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেসময় ভরিতে ১ হাজার ৬৬৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ৮৬০ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৪০ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ২৬ বার, আর কমেছে মাত্র ১৪ বার।
৪০১ দিন আগে
বাংলাদেশে গুগল পে-এর যাত্রা শুরু: গুগলের ডিজিটাল পেমেন্ট কেন ও কিভাবে ব্যবহার করবেন
সমূহ সম্ভাবনার প্রত্যাশা নিয়ে দেশে চালু হলো গুগল পে। ২৪ জুন মঙ্গলবার রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে প্রযুক্তিগত সেবাটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ডক্টর আহসান এইচ মনসুর। ভিসা ও মাস্টারকার্ডের সহযোগিতায় প্রথমবারের মত গুগলের সেবাটি পরিচালনা করবে সিটি ব্যাংক পিএলসি। চলুন, গুগলের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাটির সুবিধা ও ব্যবহার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
গুগল পে কি
বিশ্ব নন্দিত টেক জায়ান্ট গুগলের স্পর্শবিহীন লেনদেন ব্যবস্থার নাম গুগল পে। লেনদেনে ব্যবহারযোগ্য কার্ডের যাবতীয় তথ্যাদি সংরক্ষণের জন্য গুগলের রয়েছে একটি ডিজিটাল মানিব্যাগ। এটি গুগল ওয়ালেট নামে পরিচিত। এই ওয়ালেটে কার্ড সংযুক্ত করে গুগল পে-এর মাধ্যমে দ্রুত ও নিরাপদ উপায়ে লেনদেন করা যায়। এর জন্য সাথে প্লাস্টিক কার্ড বহনের প্রয়োজন পড়ে না; একটি স্মার্টফোন আর নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগই যথেষ্ট। এভাবে ঘরে বসে কিংবা বাইরে চলাচলে সর্বাবস্থানে যে কোনও সময় সব ধরনের আর্থিক লেনদেন করা সম্ভব।
আরো পড়ুন: ই-রিটার্ন: অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন যেভাবে
গুগল পে’র সুবিধাসমূহ
- গুগলের এই পেমেন্ট সিস্টেমে রয়েছে উন্নত এনক্রিপশন প্রযুক্তি। এটি গ্রাহকের তথ্যের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। কোনও রকম ডাটা হ্যাক বা তথ্য চুরির আশঙ্কা নেই।- নগদ অর্থ বা কার্ড বহনের ক্ষেত্রে প্রায় সময় তা ছিনতাইয়ের ভয় থাকে। এছাড়া অসাবধানতায় হারিয়ে যাওয়ারও ভয় থাকে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কোনও কাগুজে টাকা বা প্লাস্টিক কার্ড বহনের প্রয়োজন নেই বিধায় সেগুলো হারানোরও ভয় নেই।- দেশে ও বিদেশে পস বা পিওএস (পয়েন্ট অব সেল) টার্মিনালে অর্থ পরিশোধের জন্য শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড ফোন স্পর্শ করলেই হবে। তবে পস টার্মিনালটি অবশ্যই এনএফসি (নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন) সমর্থিত হতে হবে।এই সেবা গ্রহণের জন্য গুগলকে কোনও ফি দিতে হবে না।- লেনদেনের মাধ্যম যেহেতু সম্পূর্ণ ডিজিটাল, তাই এর জন্য ব্যাংকে যাওয়ার দরকার নেই।- চিরাচরিত ব্যাংকিং ট্রান্সফার সিস্টেমগুলোর তুলনায় গুগল পে’তে ফান্ড ট্রান্সফার অধিক দ্রুত গতির।- গুগল পে’র আওতার মধ্যে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের মত যাবতীয় ইউটিলিটি বিল এবং মোবাইল রিচার্জ অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।- এতে আছে বিভিন্ন উপলক্ষে ক্যাশব্যাক এবং ব্যবহারের উপর রিওয়ার্ড পয়েন্টের সুবিধা। এই পয়েন্টগুলো সেবার ব্যবহারকে আরও লাভজনক করে তোলে।- গুগল পে’র কিউআর কোড ফিচারটি ছোট-বড় সব ধরনের ব্যবসায়ীদের লেনদেনকে আরও সুবিধাজনক করে তুলবে। একদিকে গ্রাহকদের কাছ থেকে সহজে ও দ্রুত পেমেন্ট নেওয়া যাবে, অন্যদিকে হিসাবে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল হওয়ার আশঙ্কা কমবে।
আরো পড়ুন: সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষে নগদায়ন বা পুনরায় চালু করার উপায়
গুগল পে-এর ব্যবহার পদ্ধতি
- প্রথমে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে গুগল প্লে থেকে গুগল পে অ্যাপটি ইন্স্টল করে নিতে হবে।- এরপর অ্যাপ ওপেন করে গুগল অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করতে হবে।- অতঃপর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ডেবিট কিংবা ক্রেডিট কার্ডের তথ্যাদি নির্ভুলভাবে সংযুক্ত করতে হবে।- সবশেষে কাজ হচ্ছে একটি গোপন পিন এবং বায়োমেট্রিক সুরক্ষা সেট করা।- এভাবে সেটাপ সংক্রান্ত ধাপগুলো সম্পন্ন হলে সিস্টেমটি লেনদেনের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে। কম সময়ে লেনদেনের জন্য কিউআর কোড সেট করে নেওয়া যেতে পারে। এছাড়া এর জন্য ফোন নাম্বারও ব্যবহার করা যায়।
শেষাংশ
বাংলাদেশে গুগল পে-এর এই যাত্রা দেশের ভবিষ্যতমুখী আর্থিক পরিমণ্ডল গঠনে এক বিশাল পদক্ষেপ। প্রযুক্তির এই সূচনালগ্নে প্রথম দেশীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এর সাথে রয়েছে সিটি ব্যাংক। পরবর্তীতে অন্যান্য ব্যাংক যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে আরও প্রসারিত ও সহজলভ্য হবে গুগল পে। সর্বসাকূল্যে, এই নিরাপদ, দ্রুত গতি, ও ঝামেলাবিহীন লেনদেন ব্যবস্থায় রচিত হলো উন্নত জীবনধারায় মাইলফলক।
আরো পড়ুন: সঞ্চয়পত্রের সঙ্গে সংযুক্ত ব্যাংক পরিবর্তন করে অন্য ব্যাংকে স্থানান্তরের উপায়
৪০৫ দিন আগে
পুঁজিবাজারে চতুর্থ দিনে সূচকের উত্থান, বেড়েছে লেনদেন
পুঁজিবাজারে চতুর্থ কার্যদিবসে ঢাকা-চট্টগ্রামের বাজারে সবকটি সূচকের উত্থান হয়েছে, বেড়েছে লেনদেন এবং বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সারাদিনের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৩৭ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস ৮ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ১৭ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৬ কোম্পানির মধ্যে ২০২ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১১২ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৮২ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এ, বি এবং জেড- তিন ক্যাটাগরিতেই দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরির ২১৬ কোম্পানির মধ্যে ১৩২ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৪১ এবং অপরিবর্তিত আছে ৪৩ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ২৭ কোম্পানির ৩৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। লাভেলো সর্বোচ্চ ২১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
সারাদিনে ডিএসইতে ৩২৭ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৩১৩ কোটি টাকা।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি এবং ৫.৪০ শতাংশ দাম কমে তলানিতে ফার্স্ট ফাইন্যান্স।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজার: সপ্তাহজুড়ে চলল সূচক, লেনদেন ও শেয়ারের মূল্যপতন
চট্টগ্রামেও উত্থান
ঢাকার মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের উত্থান হয়েছে, সার্বিক সূচক বেড়েছে ২৩ পয়েন্ট।
লেনদেন হওয়া ১৯৩ কোম্পানির মধ্যে ৭৪ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৭৭ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪২ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ২৬ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসে ছিল ১১ কোটি ১০ লাখ টাকা।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে ট্রাস্ট ব্যাংক এবং ৯ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রনিক্স।
৪১১ দিন আগে