খেলাধুলা
আতলেতিকোকে বিদায় করল বার্সেলোনা, কোপায় এল ক্লাসিকো ফাইনাল
সব প্রতিযোগিতা থেকে কার্যত ছিটকে যাওয়ায় কেবল কোপা দেল রে-ই ছিল আতলেতিকো মাদ্রিদের সামনে একমাত্র শিরোপা। ফলে ফাইনালে উঠতে যে দলটি চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখবে না, তা আগেই আন্দাজ করেছিলেন অনেকে। তবে চেষ্টা চালালেও ধারহীন ফিনিশিংয়ে সাফল্য পায়নি দিয়েগো সিমিওনের শিষ্যরা। হেরে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।
বুধবার রিয়াদ এয়ার মেত্রোপলিতানোয় কোপা দেল রের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে বার্সেলোনার কাছে ১-০ গোলে হেরেছে লস রোহিব্লাঙ্কোসরা।
২৭তম মিনিটে ম্যাচের এক মাত্র গোলটি করেন ফেররান তোরেস। অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধে একবার জালে বল পাঠান আতলেতিকোর অলেকসান্দার সোরলথ, কিন্তু অফসাইডের কারণে গোলটি আর গোনায় ধরা হয়নি। ফলে ৫-৪ অগ্রগামিতায় ফাইনাল নিশ্চিত করেছে হান্সি ফ্লিকের দল।
আরও পড়ুন: ৮ গোলের রোমাঞ্চকর লড়াই ড্র করেও ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ
ম্যাচজুড়ে এদিন বেশ কয়েকবার বার্সেলোনার ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করলেও একটি শটও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি আতলেতিকো মাদ্রিদ। তাদের নেওয়া মোট ৬টি শটের পাঁচটি ছিল পোস্টের বাইরে, অন্যটি রক্ষণে কাটা পড়ে। অপরদিকে, বার্সেলোনার ১৪টি শটের পাঁচটি লক্ষ্যে ছিল।
গত ফেব্রুয়ারিতে প্রথম লেগের ম্যাচে শুরুর ৬ মিনিটের মধ্যে ২ গোল খেয়ে বসা বার্সেলোনা ঘুরে দাঁড়িয়ে ৮৩ মিনিট পর্যন্ত ৪-২ গোলে এগিয়ে ছিল। কিন্তু শেষ দিকে দুই গোল করে ম্যাচটি ৪-৪ গোলের সমতায় শেষ করে আতলেতিকো। ফলে ফিরতি এই লেগের ওপরই নির্ভর করছিল সেমিফাইনালের ভাগ্য। তাতে শেষ হাসি ফুটল কাতালান জায়ান্টদের মুখে।
এই জয়ে ২০২৫ সালে অপরাজেয় যাত্রা অব্যাহত রইল বার্সেলোনার। নতুন বছরে ২১টি ম্যাচ খেলে এখনও হারের মুখ দেখেনি দলটি। এর মধ্যে মাত্র দুটি ম্যাচ ড্র করেছে তারা, বাকি সবগুলোতে পেয়েছে জয়ের দেখা।
এছাড়া অবসর থেকে ফেরার পর বার্সেলোনার জার্সি গায়ে জড়িয়ে ১৯ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন গোলরক্ষক ভয়চিয়েখ স্টান্সনি, যার ১৭ জিতেছেন এবং দুটি ম্যাচ ড্র হয়। এর মধ্যে ১০ ম্যাচে ক্লিনশিট ধরে রেখেছেন এই পোলিশ গোলরক্ষক।
৩৯৮ দিন আগে
৮ গোলের রোমাঞ্চকর লড়াই ড্র করেও ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ
বারবার এগিয়ে গিয়েও পা হড়কাতে বসা রিয়াল মাদ্রিদ প্রত্যাবর্তনের আরও একটি গল্প লিখে যখন ফাইনালের পথ ধরেছে, তখন যোগ করা সময়ে ফের গোল করে আরও একবার ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। তবে অতিরিক্ত সময় শেষে ম্যাচ যখন টাইব্রেকারের দিকে এগোচ্ছে, তখন শেষ গোলটি করে রিয়ালকে ফাইনালে পৌঁছে দিলেন আন্টোনিও রুয়েডিগার।
অতি সংক্ষেপে কোপা দেল রের প্রথম সেমিফাইনালের ফিরতি লেগের বর্ণনা মোটামুটি এমনই। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাতে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে সান্তিয়াগো বের্নাবেউতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ৪-৪ গোলে ড্র করেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
তবে দুই লেগ মিলিয়ে ব্যবধান হয়ে থাকল প্রথম লেগে রিয়ালের করা একমাত্র গোলটি। ওই গোলের সুবাদে অগ্রগামিতায় ৫-৪ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।
এদিন ম্যাচের শুরু থেকে সোসিয়েদাদকে চেপে ধরে অগ্রগামিতায় দ্বিতীয়বারের মতো এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা শুরু করে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে ষোড়শ মিনিটে দুর্দান্ত এক পাল্টা আক্রমণে উঠে ঘরের মাঠের সমর্থকদের স্তব্ধ করে দেন আন্দের বারেনেচিয়া।
পাবলো মারিনের হেডারে বাড়ানো পাস ধরে ক্ষিপ্র গতিতে এগিয়ে গিয়ে ওয়ান-অন-ওয়ানে আন্দ্রেই লুনিনকে পরাস্ত করেন এই স্প্যানিশ। ফলে রিয়ালের প্রথম লেগের অগ্রগামিতা ফিরতি লেগের শুরুতেই মিলিয়ে যায়।
তবে ৩০তম মিনিটে এন্দ্রিকের একক নৈপুণ্যে উল্লাসে মাতে বের্নাবেউ। ফলে আবারও লিড নেয় রিয়াল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে কোনোভাবেই আর এগিয়ে যাওয়া হয়ে উঠছিল না স্বাগতিকদের। অন্যদিকে, চাপে কোণঠাসা লা রিয়াল সমতায় ফেরার কথা যেন ভুলেই গিয়েছিল। এর মাঝে আক্রমণে ধার বাড়াতে এন্দ্রিককে উঠিয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে নামান আনচেলত্তি। তবে ৭২তম মিনিটে উল্টো এক আত্মঘাতী গোল খেয়ে বসে রিয়াল মাদ্রিদ।
আরও পড়ুন: আট গোলের থ্রিলারে শেষ হাসি আতলেতিকো মাদ্রিদের
প্রতিপক্ষের বক্সে ঢুকে দুরূহ কোণ থেকে দূরের পোস্টের দিকে শট নেন মারিন। গোলমুখ থেকে তা ক্লিয়ার করতে গেলে ডাভিড আলাবার পায়ে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। ফলে অগ্রগামিতায় ২-২-এ সমতায় ফিরে পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পায় সোসিয়েদাদ।
দ্বিতীয়বার সমতায় ফেরার আট মিনিট পর গোল করে লা রিয়ালকে জয়ের বন্দর দেখান ওইয়ারসাবাল। এবারও দুর্ভাগা আলাবার পায়ে লেগে ঠিকানা খুঁজে নেয় ওইয়ারসাবালের শট।
ম্যাচের তখন আর মিনিট দশেক বাকি। এ সময় প্রথমবারের মতো এগিয়ে যায় ইমানোলের শিষ্যরা। তবে অবিশ্বাস্যভাবে চার মিনিটে দুই গোল করে ম্যাচভাগ্য নিজেদের দিকে ঘুরিয়ে নেয় মাদ্রিদ।
৮২তম মিনিটে বেলিংহ্যাম ও ৮৬তম মিনিটে অরেলিয়েঁ চুয়ামেনি গোল করে চকিতে রিয়ালকে এগিয়ে নেন। অগ্রগামিতায় ফল তখন রিয়াল মাদ্রিদের পক্ষে, ৪-৩।
কিন্তু না! যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ফের সোসিয়েদাদের ত্রাতা হয়ে ওঠেন ওইয়ারসাবাল। ফলে ৪-৩ গোলে সোসিয়েদাদ ম্যাচে এগিয়ে থাকলেও ৪-৪ অগ্রগামিতায় অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় খেলা।
আরও পড়ুন: কোপা দেল রে: আরও একটি এল ক্লাসিকো ফাইনালের সম্ভাবনা
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে কেউ গোল না পাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ধারা অব্যাহত থাকে। শেষে ম্যাচ যখন টাইব্রেকারের দিকে গড়াচ্ছে, তখনই গর্জন করে ওঠে বের্নাবেউ।
১১৫তম মিনিটে কর্নার থেকে আর্দা গুলেরের নেওয়া ক্রসে হেড দিয়ে রিয়ালকে কাঙ্ক্ষিত জয়সূচক গোলটি এনে দেন রুয়েডিগার। এরপর আর সোসিয়েদাদের ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়নি। ফলে ফাইনালে পা রাখে রিয়াল মাদ্রিদ। আর মাদ্রিদ জায়ান্টদের তাদের মাঠে এসে চার গোল দিয়েও হতাশা নিয়ে ঘরে ফিরতে হয় সোসিয়েদাদকে।
দ্বিতীয় সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে বুধবার রাতে মাঠে নামবে আতলেতিকো মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা। প্রথম লেগে এই দুই দলের লড়াই শেষ হয় ৪-৪ ড্রয়ে। ফলে ফিরতি লেগে জয়ী দলই ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি হবে।
৩৯৯ দিন আগে
আর মাঠে ঢুকতে পারবেন না মেসির দেহরক্ষী ইয়াসিন
যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর পর থেকেই লিওনের মেসির সঙ্গে জুড়ে গেছে একটি নাম—ইয়াসিন চুকো। মেসির সান্নিধ্য পেতে মাঝেমধ্যেই মাঠে ঢুকে পড়া ভক্তদের থামিয়ে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এরই মধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন দৃঢ় শারীরিক গঠনের এই দেহরক্ষী। তবে সেসব দৃশ্য এখন থেকে আর দেখা যাবে না।
মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) নিয়মবহির্ভূত হওয়ায় খেলা চলাকালে ইয়াসিনের মাঠে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে লিগ কর্তৃপক্ষ। এখন থেকে তিনি শুধু মাঠের বাইরে থেকেই মেসির নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, খেলা চলাকালে খেলোয়াড়, কোচ ও রেফারিই কেবল মাঠে প্রবেশ করতে পারেন। তাছাড়া চুকোর হুটহাট মাঠে ঢুকে পড়ার বিষয়টি বিব্রতকর বলেও জানানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে নাখোশ চুকো। অনলাইনে ভিডিও বিষয়ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হাউস অফ হাইলাইটসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব ঘটনায় তিনি নিজে ‘সমস্যা নন’ বলে জানিয়েছেন।
তার কথায়, ‘ইউরোপে আমি সাত বছর কাজ করেছি। লিগ ১ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে আমার। ইউরোপে ওই ৭ বছরে মাত্র ৬ জন মাঠে প্রবেশ করে। অথচ যুক্তরাষ্ট্রে সেখানে গত ২০ মাসে ইতোমধ্যে ১৬ মাঠে ঢুকেছে। এটি একটি বড় সমস্যা।’
‘সমস্যা আসলে এখানকার, আমি নই। আমাকে মেসিকে সাহায্য করতে দিন।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘এমএলএস ও কনকাকাফ (ফুটবল) আমি ভালোবাসি, তবে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমি সহযোগিতা করতে পছন্দ করি। আমি হয়তো অনেকের চেয়ে ভালো নই, কিন্তু ইউরোপ থেকে আমার ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা আমি মেনে নিয়েছি, কিন্তু একসঙ্গে আমরা আরও ভালো করতে পারতাম।’
তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাকে সরিয়ে স্বয়ং এমএলএস কর্তৃপক্ষ মাঠে মেসির নিরাপত্তার ভার নিয়েছে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েও পুরস্কার নিতে যাননি মেসি
মেসির সঙ্গে কাটানো গত কয়েক মাসের ব্যবধানে নিজেকে শুধু মহাতারকার দেহরক্ষী নন, বরং তার চেয়ে বেশি কিছু বলে মনে করেন চুকো।
‘নিজেকে (মেসির) পরিবারের একজন বলে মনে হয় আমার। শুধু শারীরিকভাবেই তাকে রক্ষা করা আমার কাজ নয়, মানসিকভাবেও। সে (মেসি) আমাকে পুরোপুরি বিশ্বাস করে এবং আমার ওপর নির্ভরও করে। নিজের সমস্ত মনোযোগ আমি তার ওপর রাখার চেষ্টা করি।’
২০২৩ সালে পিএসজি ছেড়ে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর চুকোকে নিজের দেহরক্ষী হিসেবে নিয়োগ দেন লিওনেল মেসি। তারপর থেকে ফুটবলের ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ এই খেলোয়াড়ের সঙ্গে আঁঠার মতো লেগে আছেন তিনি। এমনকি স্ত্রীর সঙ্গে আর্জেন্টাইন মায়েস্ত্রো যখন একাকি সময় কাটান, তখনও কাছাকাছি অবস্থান করতে দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ‘নেভি সিলের’ সাবেক সদস্য দাবি করা এই নিরাপত্তাকর্মীকে।
তায়কোয়ান্দো, বক্সিং ও মিক্সড মার্শাল আর্টে পারদর্শী ইয়াসিন শুধু মেসির নিরাপত্তাই নিশ্চিত করেন না, তার পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্বও পালন করে থাকেন। তার অধীনে ৫০ জনের একটি নিরাপত্তা দল কাজ করে, যারা মাঠে ও মাঠের বাইরে মেসি ও তার পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত।
৩৯৯ দিন আগে
আতলেতিকোর ফের হোঁচট, জিতে বার্সেলোনার ঘাড়ে নিঃশ্বাস রিয়ালের
অবনমন থেকে বাঁচার প্রতিযোগিতায় থাকা লেগানেসের বিপক্ষে জয় পেতে রিয়াল মাদ্রিদের যে খুব একটা কষ্ট হবে না— অনেকে আগে থেকেই তা অনুমান করেছিলেন। তবে মাঠের খেলায় সেই পুঁচকে দলের কাছ থেকে জয় ছিনিয়ে নিতে ঘাম ছুটে গেছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যদের। এতে করে বার্সেলোনার ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে বর্তমান লা লিগা চ্যাম্পিয়নরা।
শনিবার (২৯ মার্চ) রাতে সান্তিয়াগো বের্নাবেউতে লা লিগার ২৯তম রাউন্ডের ম্যাচটি ৩-২ গোলে জিতেছে রিয়াল।
জোড়া গোল করে এদিন দলকে জয়ের পথ দেখান কিলিয়ান এমবাপ্পে। মাঝে আরেকটি গোল করেন জুড বেলিংহ্যাম।
তবে ম্যাচের প্রথমার্ধে চমক দেখিয়ে রিয়ালকে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেয় লেগানেস। ভিনিসিয়ুস-রদ্রিগোদের বিশ্রামে রেখে আনচেলত্তির সাজানো দলের বিপক্ষে এদিন শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বোরহা হিমেনেসের শিষ্যরা।
আরও পড়ুন: আতলেতিকোর অপরাজেয় যাত্রা থামিয়ে ‘মাইলফলক’ রাঙাল রিয়াল
স্বাগতিকদের একের পর এক আক্রমণ ফিরিয়ে দিলেও খেলার আধঘণ্টা গড়াতেই পেনাল্টি পেয়ে যায় রিয়াল। ৩০তম মিনিটে বক্সের মধ্যে আর্দা গুলেরকে ফেলে দিয়ে দলকে বিপদে ফেলে দেন লেগানেসের অস্কার রদ্রিগেস। দুই মিনিট পর সফল স্পট কিকে দলকে এগিয়ে নেন এমবাপ্পে।
তবে এর পরের মিনিটেই অভানীয় এক গোল করে লেগানেসকে সমতায় ফেরান দিয়েগো গার্সিয়া। সতীর্থের বাড়ানো বল প্রতিপক্ষের একজনের পায়ে লেগে দূরের পোস্টের দিকে চলে যায়। সেখানে একপ্রকার একা দাঁড়িয়ে ছিলেন গার্সিয়া। ট্যাপ-ইনে বল ঠিকানায় পাঠানো ছিল তার বাঁ পায়ের খেল।
গোল পেয়ে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় সফরকারীদের। এরপর ৪১তম মিনিটে বের্নাবেউকে স্তব্ধ বরে দিয়ে এগিয়ে যায় তারা। এ সময় বাইলাইন থেকে অস্কার রদ্রিগেসের পাস ছয় গজ বক্সের মধ্যে পেয়ে নিচু শটে লক্ষ্যভেদ করেন ফরোয়ার্ড দানি রাবা।
ফলে অপ্রত্যাশিতভাবে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় লেগানেস।
৪০১ দিন আগে
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন তামিম, ফিরেছেন বাসায়
খেলার মাঠে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে চারদিন হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পর বাসায় ফিরেছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন তিনি। তামিমকে পর্যবেক্ষণে রাখা ডা. সাহাবউদ্দীন তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তামিমকে পুনর্বাসন কর্মসূচির মধ্যে থাকতে হবে।
গত ২৪ মার্চ সাভারের বিকেএসপিতে মোহামেডানের হয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ খেলতে গিয়েছিলেন তামিম। শাইনপুকুরের বিপক্ষে ম্যাচটিতে টসের পরপরই অসুস্থ হয়ে যান তিনি। বুকে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় আনারও অবস্থা ছিল। অচেতন অবস্থায় কেপিজে ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হাসপাতালে ভর্তি হয়ে জরুরি ভিত্তিতে তার হার্টে পরানো হয় স্টেন্ট।
আরও পড়ুন: রিং পরানো হয়েছে তামিমের হার্টে
দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বড় বিপদ হয়নি এই তারকার। সাভারের হাসপাতালে দুদিন রাখার পর তাকে রাজধানীর বিখ্যাত এভারকেয়ারে নিয়ে আসা হয়। সেখানে আরও দুদিন পর তিনি বাসায় যাওয়ার ছাড়পত্র পেলেন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তামিম এখন পুরোপুরি বিশ্রামে থাকবেন। সতর্ক হয়ে চলাচল করবেন, কিছু স্বাস্থ্যবিধিও তাকে মেনে চলতে হবে।
তবে তিনি ক্রিকেট খেলতে পারবেন কিনা—সেটা আরও তিন-চার মাস পর জানা যাবে বলে জানিয়েছেন তারা।
৪০৩ দিন আগে
গ্রীষ্মে প্রিমিয়ার লিগে ২ দফায় দলবদলের সিদ্ধান্ত
প্রতি বছরের মতো নয়, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আসন্ন গ্রীষ্মে নির্ধারিত সময়ের আগেই শুরু হবে দলবদল। শুধু তা-ই নয়, গ্রীষ্মকালীন দলবদলে এবার দুই দফায় খেলোয়াড় দলে ভেড়ানোর সুযোগ পাবে ক্লাবগুলো।
ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের পরিবর্তিত ফরম্যাট ও সূচির কারণেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ।
আগামী ১৫ জুন পর্দা উঠবে ক্লাব বিশ্বকাপের যা চলবে ১৩ জুলাই পর্যন্ত। অথচ প্রিমিয়ার লিগে গ্রীষ্মকালীন দলবদল সাধারণত শুরু হয় ১৪ জুন এবং তা চলে আগস্টের শেষ বা ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
চলতি মৌসুম থেকে নতুন আঙ্গিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইউরোপা লিগসহ উয়েফার প্রতিযোগিতাগুলোর পরিসর বাড়ানোর ফলে ইউরোপীয় ফুটবলের সূচি এমনিতেই ঠাঁসা। তার ওপর নেশন্স লিগ, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের ম্যাচও অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফাঁকে ফাঁকে। সব মিলিয়ে ফুটবলারদের একদমই দম ফেলার জো নেই।
আরও পড়ুন: ক্লাব বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠিত: মুখোমুখি ভিনিসিউস-নেইমার
দুই ম্যাচের মাঝে শরীর পুনরুদ্ধারের পর্যপ্ত সময়ও অনেকে পাচ্ছেন না গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা। ফলে ইউরোপীয় লিগগুলোতে এ মৌসুমে বারবার দেখা যাচ্ছে চোটের ছোবল।
এ অবস্থায় লিগগুলোর মৌসুম শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হতে চলেছে ক্লাব বিশ্বকাপ। ফলে একদিকে যেমন খেলোয়াড়দের ছুটির সময়ে কাটছাঁট হবে, তেমনই কতজন খেলোয়াড় শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার মতো সুস্থ থাকবেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
এ বিষয়গুলো মাথায় রেখেই ক্লাব বিশ্বকাপ শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত পরিসরে ক্লাবগুলোকে খেলোয়াড় কেনার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) এ প্রস্তাবের ওপর প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো ভোট দেয়। তাতে দুই দফায় দলবদলের সিদ্ধান্তটি সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।
আরও পড়ুন: ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের ভেন্যুতেই হবে ২০২৫ ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনাল
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৫ জুন ক্লাব বিশ্বকাপ শুরুর আগে ১ থেকে ১০ জুন ছোট্ট পরিসরে দলবদল চলবে। এরপর দ্বিতীয় দফায় নিয়মিত গ্রীষ্মকালীন দলবদল অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জুন থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
এ বিষয়ে গত বছরের অক্টোবরেই কথা ওঠে। সে সময় একটি অন্তর্বর্তী দলবদলের নিয়ম করার প্রস্তাব দেয় ফিফা। এতে করে ৩০ জুন যেসব খেলোয়াড়ের চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে, তারা ফ্রি এজেন্ট হয়ে নতুন ক্লাবে ভিড়তে পারবেন বলে জানানো হয়।
সেই ঘোষণার পর এবার দলবদলের আঙ্গিকেই পরিবর্তন নিয়ে এলো প্রিমিয়ার লিগ।
৪০৪ দিন আগে
ব্রাজিলকে বিধ্বস্ত করে ‘সবার আগে’ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা
ম্যাচের আগে রোমারিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টিনাকে হারানোর প্রত্যয় প্রকাশের পর কেবল রাফিনিয়ার চেষ্টাটাই চোখে পড়ল, ভিসিনিয়ুস-রদ্রিগোদের খুঁজেই পাওয়া গেল না। অপরদিকে, দলীয় ও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের দুর্দান্ত প্রদর্শনীতে ব্রাজিলকে নিয়ে ছেলেখেলা করল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
বুয়েনস আইরেসের মনুমেন্তালে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোরে ব্রাজিলকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।
এর ফলে লাতিন আমেরিকার প্রথম দেশ হিসেবে আগেভাগে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট কেটেছে আলবিসেলেস্তেরা।
এদিন ম্যাচের শুরুতেই গোল করে দলকে এগিয়ে নেন ম্যানচেস্টার সিটি ছেড়ে চলতি মৌসুমে আতলেতিকো মাদ্রিদের হয়ে উড়তে থাকা হুলিয়ান আলভারেস। চতুর্থ মিনিটে থিয়াগো আলমাদার পাস বক্সে পেয়ে তা হারানোর মুখে কোনোমতে জালে জড়িয়ে দেন লা আরানিয়া।
শুরুর ধাক্কা সামলে নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার আগে ফের আরও এক ধাক্কা খায় ব্রাজিল। ছোট ছোট পাসে আক্রমণে উঠে প্রতিপক্ষের বক্সের মধ্যে পাস বাড়ান নাহুয়েল মলিনা। বল ব্রাজিলের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে চলে যায় ছয় গজ বক্সে থাকা এনসো ফের্নান্দেসের কাছে। গোলের অত কাছাকাছি থেকে বল ঠিকানায় পাঠাতে ভুল হয়নি চেলসি মিডফিল্ডারের।
এরপর ২৬তম মিনিটে এক গোল পরিশোধ করে লড়াইয়ে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিল ব্রাজিল। নিজেদের বক্সের কিছুটা বাইরে বল নিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। এরপর ছুটে গিয়ে তার কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে নিচু শটে লক্ষ্যভেদ করেন উলভারহ্যাম্পটন ফরোয়ার্ড মাথেউস কুনিয়া।
এর দশ মিনিট পর অবশ্য ফের এগিয়ে যেতে পারত আর্জেন্টিনা, কিন্তু আলমাদার শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ব্রাজিল গোলরক্ষক বেন্তো।
তবে পরের মিনিটে দারুণ ছন্দে খেলতে থাকা দলটিকে আটকে রাখতে পারেনি সেলেসাওরা। এনসোর পাঠানো ক্রসে চমৎকার এক ভলিতে ঠিকানা খুঁজে নেন লিভারপুল মিডফিল্ডার আলেক্সিস মাক আলিস্তের।
ফলে ৩-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় লাতিন আমেরিকার সবশেষ দুবারের চ্যাম্পিয়নরা।
৪০৫ দিন আগে
সুযোগ নষ্ট করে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ড্র
ম্যাচ শুরুর বাঁশি পড়তেই এলো সুযোগ, তা নষ্ট করার পরও আরও বেশ কয়েকবার গোল করে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ কড়া নাড়ল, তবে সবই নষ্ট করে ভারতের বিপক্ষে জয়ের সুযোগ হাতছাড়া করল বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) এশিয়ান কাপের বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেছে বাংলাদেশ।
এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল উপহার দিতে থাকে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। এর পরিপ্রেক্ষিতে কিক অফের পরই আসে সুযোগ।
হামজা চৌধুরীর উদ্দেশে কিক অফের শট নেন শাহরিয়ার ইমন। বল রিসিভ করেই মজিবুর রহমান জনির উদ্দেশে ডান দিকে লং পাস বাড়ান তিনি। এ সময় জনি প্রস্তুত না থাকলেও ক্লিয়ার করতে গিয়ে তার পায়েই বল দিয়ে বসেন ভারতীয় গোলকিপার বিশাল কাইথ। এরপর ফাঁকা পোস্ট পেয়েও তাড়াহুড়ায় জালের বাইরে বল মারেন বাংলাদেশ ফরোয়ার্ড।
এরপর দশম মিনিটে শাকিল আহাদ তপুর ক্রসে ইমনের হেডার পোস্টের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর ভারতীয় গোলরক্ষকের গোলকিক শাকিল আহাদ তপুর পিঠে লেগে চলে যায় বক্সের ভেতরে থাকা হৃদয়ের পায়ে। তবে তাকে কোনোমতে কর্নারের বিনিময়ে গোল করা থেকে বঞ্চিত করেন শুভাশিষ বোস।
অষ্টাদশ মিনিটে ফের সুযোগ আসে ডেডলক ভাঙার। তবে শেখ মোরসালিনের পাঠানো ক্রসে ঠিকঠাক মাথা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হয়ে সেটি নষ্ট করেন ইমন।
৩১তম মিনিটে অবশ্য দুর্দান্ত এক আক্রমণ শাণায় ভারত, তবে ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষক মিতুলের কল্যাণে যে যাত্রায় জাল অক্ষত থাকে বাংলাদেশের।
দশ মিনিট পর গোল করার আরও একটি সুবর্ণ সুযোগ পায় বাংলাদেশ। মাঝমাঠ থেকে উড়ে আসা বলে হেড পাস দিয়ে তা জনির কাছে পাঠান ইমন। বল ধরে প্রতিপক্ষের বক্সেও ঢুকে পড়েন তিনি। সে সময় তার সামনে শুধুই ভারতীয় গোলরক্ষক। অথচ, বোকার মতো সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগে শেষ পর্যন্ত গোলরক্ষককে বল দিয়ে দেন তিনি।
প্রথমার্ধে কিছুটা নিষ্প্রভ ভারত দ্বিতীয়ার্ধে ছন্দে ফেরে। ২০তম মিনিটের দিকে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়া অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মনের অনুপস্থিতিও টের পায় তার সতীর্থরা।
এ সময় থেকে বাংলাদেশের রক্ষণে ত্রাস ছড়াতে থাকেন ভারতীয় ফুটবলাররা। মাঝেমধ্যে অবশ্য বাংলাদেশও আক্রমণে উঠে গোল করার চেষ্টা অব্যাহত রাখে।
শেষ মুহূর্তে গোল করার ভালো একটি সম্ভাবনাও জাগান ফাহিম। তবে বিশাল কাইথের নৈপুণ্যে হতাশ হতে হয়ে কাবরেরার শিষ্যদের।
ফলে স্কোরলাইনে কোনো পরিবর্তন আনতে না পেরেই মাঠ ছাড়তে হয় দুদলকে।
৪০৬ দিন আগে
তামিমের সংকটাপন্ন অবস্থা এখনো কাটেনি, জানালেন চিকিৎসক
বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের সংকটাপন্ন অবস্থা এখনো কাটেনি বলে জানিয়েছেন সাভারের ফজিলাতুন্নেছা হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজিব। তামিমের চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে সোমবার (২৪ মার্চ) এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এমন কথা বলেন।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘তামিম ইকবাল সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে এখানে নিয়ে আসা হয়। তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তখন আমরা ভাবছিলাম, তাকে ঢাকায় নেওয়া যাবে কিনা। কিন্তু বিভিন্ন কারণে তাকে ঢাকায় নেওয়া যায়নি।’
‘পরবর্তীতে তার অবস্থা বেশ ক্রিটিক্যাল হয়ে যায়। এ অবস্থায় তার যে ধরনের চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন, তা দেওয়া হয়েছে। আল্লাহর রহমতে, কন্ডিশনটা অনুকূলে আছে। আমরা বলি, তার একটি হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। এ জন্য এনজিওগ্রাম, অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি ও একটি স্ট্যান্ট করা হয়েছে,’ বলেন তিনি।
আরও পড়ুন: রিং পরানো হয়েছে তামিমের হার্টে
এই চিকিৎসক বলেন, আল্লাহর রহমতে খুবই স্মুথলি ও এফিশেন্টলি স্ট্যাটিং হয়েছে। আমাদের কার্ডিওলোজিস্ট ডা. মনিরুজ্জামান মারুফ এটা করেছেন। তার (তামিম) ব্লকটি এখন পুরোপুরি চলে গেছে। তবে অবশ্যই আমরা যেমনটি বলেছিলাম, ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে ছিলেন, স্ট্যাটিংয়ের পরেও তাকে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে। ক্রিটিক্যাল কন্ডিশন এখনো কাটেনি, সময় লাগবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই তার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছি। সবাই দোয়া করবেন তিনি যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে খেলায় ফিরতে পারেন।’
ভারে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের মোহামেডানের হয়ে শাইনপুকুরের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিলেন তামিম। অধিনায়ক হিসেবে টসেও অংশ নেন।
এরপর হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করায় তামিমকে বিকেএসপিতেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় বিকেএসপির পাশে সাভারের ফজিলাতুন্নেছা হাসপাতালে। এই মুহূর্তে তিনি সেখানেই ভর্তি।
তামিমের অসুস্থতার খবরে বিসিবির বোর্ডসভা স্থগিত করা হয়েছে। দুপুর ১২টায় ১৯তম বোর্ডসভা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তামিমকে দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছেন বিসিবি পরিচালক ও কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি তামিম ইকবাল
বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুনীরুল ইসলাম বলেন, ‘তাকে রিং পরানো হয়েছে। প্রথমে মাঠে খেলার সময় তার বুকে ব্যথা ওঠে, আমরা তাকে হাসপাতালে পাঠাই। তাকে যখন হেলিকপ্টারে তোলা হচ্ছিল, তখন আবার বুকে ব্যথা শুরু হয়।’
‘হঠাৎ করেই তার বুকে ব্যথা ওঠে। এরপর আমাদের অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসকসহ তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে,’ বলেন তিনি।
৪০৭ দিন আগে
রিং পরানো হয়েছে তামিমের হার্টে
বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক ক্যাপ্টেন তামিম ইকবালের হার্টে রিং পরানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি সিসিইউতে আছেন।
সোমবার (২৪ মার্চ) ইউএনবিকে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুনীরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘তাকে রিং পরানো হয়েছে নিশ্চিত। প্রথমে মাঠে খেলার সময় তার বুকে ব্যথা ওঠে, আমরা তাকে হাসপাতালে পাঠাই। তাকে যখন হেলিকপ্টারে তোলা হচ্ছিল, তখন আবার বুকে ব্যথা শুরু হয়।’
‘হঠাৎ করেই তার বুকে ব্যথা ওঠে। এরপর আমাদের অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসকসহ তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে,’ বলেন তিনি।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) চিকিৎসা বিভাগের প্রধান দেবাশীষ চৌধুরী সাংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তামিমের দুবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। এখন পরিস্থিতি উন্নতির দিকে।
আরও পড়ুন: বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি তামিম ইকবাল
বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে মোহামেডানের হয়ে শাইনপুকুরের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিলেন তামিম। অধিনায়ক হিসেবে টসেও অংশ নেন।
এরপর হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করায় তামিমকে বিকেএসপিতেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় বিকেএসপির পাশে সাভারের ফজিলাতুন্নেছা হাসপাতালে। এই মুহূর্তে তিনি সেখানেই ভর্তি।
তামিমের অসুস্থতার খবরে বিসিবির বোর্ডসভা স্থগিত করা হয়েছে। দুপুর ১২টায় ১৯তম বোর্ডসভা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তামিমকে দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছেন বিসিবি পরিচালক ও কর্মকর্তারা।
৪০৭ দিন আগে