ব্যবসা-বাণিজ্য
পুঁজিবাজারে পতনের ধারা অব্যাহত, দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির
টানা ৬ দিনের মতো পতনের ধারা অব্যাহত আছে পুঁজিবাজারে। সোমবারের (১১ আগস্ট) পতন শেষে আজও (মঙ্গলবার) সুবিধা করতে পারেনি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। ডিএসইতে কমেছে প্রধান সূচক ও বেশিরভাগ কোম্পানির দাম।
সারাদিনের লেনদেনে ডিএসই'র প্রধান সূচক কমেছে ২৮ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচকের মধ্যে শরীয়াভিত্তিক ডিএসইসি ৯ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ কমেছে ১৫ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৭ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৫ কোম্পানির, কমেছে ২২২ এবং অপরিবর্তিত আছে ৬০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ক্যাটাগরির হিসাবে এ, বি, জেড— তিন ক্যাটাগরিতেই কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সর্বোচ্চ লভ্যাংশ দেয়া এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ২১৮ কোম্পানির মধ্যে ৬৫ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ১২৪ এবং অপরিবর্তিত আছে ২৯ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ব্লক মার্কেটে ৩২ কোম্পানির ৪৪ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। সর্বোচ্চ ২২ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে ওরিয়ন ইনফিউশন।
সারাদিনে ডিএসইতে ৬৬৫ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, গতদিন যা ছিল ৬১০ কোটি টাকা।
৯ শতাংশের ওপর দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে আছে সিলভা ফার্মাসিটিক্যালস এবং ৬ শতাংশের ওপর দর কমে তলানিতে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।
চট্টগ্রামেও পতন
ঢাকার মতোই পতনের ধাক্কা চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই), সার্বিক সূচক কমেছে ৮৪ পয়েন্ট।
সূচক কমার পাশাপাশি দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির। লেনদেন হওয়া ২২৩ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৬৮, কমেছে ১২৭ এবং অপরিবর্তিত আছে ২৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সারাদিনে ২২ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে সিএসইতে, যা গতদিন ছিল ১২ কোটি টাকা।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে মিঠুন নিটিং অ্যান্ড ডাইং এবং ৯ শতাংশ দাম কমে তলানিতে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।
৩৫৬ দিন আগে
সংগ্রহ কেন্দ্রে ভেজাল দুধ: প্রাণ ডেইরিকে নিম্নমানের দুধ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়ে সংঘবদ্ধ চক্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে
পাবনার চাটমোহরে প্রাণ ডেইরির একটি গ্রামীণ দুধ সংগ্রহ কেন্দ্রে ভেজাল দুধ সরবরাহের ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রাণ ডেইরির বক্তব্যে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার স্থানীয় ভেজাল দুধ সরবরাহকারী সংঘবদ্ধ চক্র প্রাণ ডেইরিকে নিম্নমানের দুধ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়ে কৌশলে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা দুধ সংগ্রহ কেন্দ্রের কয়েকজন কর্মীকে হাত করে ডিটারজেন্ট মিশ্রিত দুধ মিশিয়ে প্রশাসনকে অবহিত করে যেন প্রাণ ডেইরির সুনাম নষ্ট হয়।
সাম্প্রতিক ঘটনায় প্রাণ ডেইরির নিজস্ব তদন্তে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
রবিবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর বাড্ডায় প্রাণ ডেইরির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান প্রাণ ডেইরির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা।
তিনি বলেন, ‘ছাইকোলা ইউনিয়নের ভিলেজ মিল্ক কালেকশন সেন্টারে স্থানীয় প্রশাসনের অভিযানে ডিটারজেন্ট মেশানো দুধ ধরা পড়ায় আমরা বিস্মিত হয়েছি। ঘটনাটি তদন্তে স্থানীয় একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।’
তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজন কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত এবং চারজন স্থানীয় দুধ সরবরাহকারীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রাণ ডেইরির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মাকসুদুর রহমান বলেন, কিছু সরবরাহকারীর দুধে বারবার গুণগত সমস্যা ধরা পড়ায় তাদের কোড স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা প্রাণ ডেইরির সুনাম নষ্টের চেষ্টা চালায়। এমনকি গত ৭ মার্চ প্রাণ ডেইরির এক কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে আক্রমণ এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়, যার ঘটনায় মামলা হয়েছে।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, ‘আমরা নিবন্ধিত সরবরাহকারীর কাছ থেকে দুধ সংগ্রহ করি এবং চার ধাপে গুণগত পরীক্ষা সম্পন্ন করি। সাম্প্রতিক ঘটনাটি প্রাথমিক পর্যায়ে ঘটেছে, যা পরবর্তী ধাপে ধরা পড়লে নষ্ট করা হতো।’
তিনি আরও জানান, ভোক্তার কাছে নিরাপদ দুধ পৌঁছাতে প্রতিষ্ঠানটি দুগ্ধ সংগ্রহ ও পরীক্ষার অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে, যার মধ্যে রয়েছে গ্রামীণ দুধ সংগ্রহ কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং জোরদার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম বৃদ্ধি।
কামরুজ্জামান কামাল বলেন, সম্প্রতি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের সারাদেশে অগণিত ক্রেতা ও ভোক্তা মানসিক বিড়ম্বনার যে শিকার হচ্ছেন তার জন্য আমরা অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করছি। একইসঙ্গে আমরা সংশ্লিষ্ট সবাইকে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে আশ্বস্ত করছি যে, প্রাণ দুধ সম্পূর্ণ নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত। পরিবারের সবাই মিলে নিশ্চিন্তে প্রাণ দুধ পান করুন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের জনসংযোগ প্রধান তৌহিদুজ্জামান, প্রাণ ডেইরির হেড অব মার্কেটিং সৈয়দ মুস্তায়িন কাদেরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৩৫৮ দিন আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত ছিল অন্তর্বর্তী বাজেট দেওয়া: আমীর খসরু
জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের বাজেট অব্যাহত রাখার প্রয়োজন ছিল না বলে মত দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত ছিল অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট দেওয়া।
অন্তর্বর্তী সরকারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রবিবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত এক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের বাজেট চালিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট দেওয়া উচিত ছিল।’
কথা বলার সুযোগ অব্যাহত থাকলে আপনা–আপনিই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলেও মনে করেন তিনি। আমীর খসরু বলেন, ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের পতনের পর বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে বিশাল পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তন বুঝতে না পারলে কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি টিকতে পারবে না।
পাশাপাশি, সাংঘর্ষিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকেও সবাইকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দেন তিনি। বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, বক্তব্যের মাধ্যমে বিষোদগার বন্ধ করতে হবে। গণতন্ত্র মানে অন্যজনের কথা শুনে সহ্য করা, তার মতকে সম্মান দেওয়া।
‘রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন না হলে সংস্কার অসম্ভব। বিপ্লবোত্তর যে দেশ দ্রুত নির্বাচন করেছে, তারা ভালো করেছে; যারা দীর্ঘ সময় নিয়েছে, সেখানে অন্তঃকোন্দল বেড়েছে।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার দিকে যাচ্ছে। এটা একটি অন্তর্বর্তী সরকার। তাদের প্রাথমিক দায়িত্ব যেখান থেকে গণতন্ত্র ধ্বংস হয়েছে, সেখান থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা। জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে।
আমীর খসরু বলেন, ঐকমত্যের প্রচেষ্টা একটি ভালো উদ্যোগ। আলাদা দর্শন থাকবে, কিন্তু সবাইকে এক জায়গায় আসতে হবে—এটা বাকশালের আদর্শ। চাপিয়ে দেওয়া কোনো পরিবর্তন টেকসই হবে না। অর্থনৈতিক উন্নতি করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।
এই সরকারের সময় বিনিয়োগ আসেনি মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, এতে তাদের দোষ নেই। বিনিয়োগে বাংলাদেশ অনেক নিচে। সিরিয়াস ডিরেগুলেশন ও সিরিয়াল লিবারেলিজম ছাড়া দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নেওয়া যাবে না।
‘সরকারের অনেক দায়িত্ব বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিতে হবে। ট্রেড বডিগুলোর হাতে অনেক কার্যক্রম তুলে দিয়ে সরকারকে নির্ভার হতে হবে। ফিজিক্যাল কন্ট্রাক্ট না কমালে দুর্নীতি কমানো যাবে না। দেশে যত নিয়ন্ত্রণ (রেগুলেশন) থাকবে, তত দুর্নীতি বাড়বে। অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক করতে হবে, সবার অংশগ্রহণ লাগবে,’ যোগ করেন তিনি।
৩৫৮ দিন আগে
আগামীকাল থেকে টিসিবির ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে পণ্য বিক্রয় শুরু
নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি সাধারণ ভোক্তাদের জন্য ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এর পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম আগামীকাল রবিবার (১০ আগস্ট) থেকে শুরু হবে।
শনিবার (৯ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
টিসিবির উপপরিচালক মো: শাহাদাত হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারগুলোকে ভর্তুকি মূল্যে পণ্যাদি (ভোজ্যতেল, চিনি ও মশুর ডাল) বিক্রয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তদুপরি, ১০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩০ দিন (শুক্রবার ব্যতীত) ঢাকা মহানগরীতে ৬০টি, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২৫টি, গাজীপুর মহানগরীতে ৬টি, কুমিল্লা মহানগরীতে ৩টি, ঢাকা জেলায় ৮টি, কুমিল্লা জেলায় ১২টি, ফরিদপুর জেলায় ৪টি, পটুয়াখালী জেলায় ৫টি এবং বাগেরহাট জেলায় ৫টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা হবে।
পড়ুন: ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ, ৬ জেলার যান চলাচল বন্ধ
অন্যদিকে, ১০ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ১৯ দিন (শুক্রবার ব্যতীত) এই জেলা ও মহানগরীগুলোতে প্রতিদিন ট্রাক প্রতি ৫০০ জন সাধারণ ভোক্তার নিকট সাশ্রয়ী মূল্যে টিসিবির পণ্যাদি (ভোজ্যতেল, চিনি ও মশুর ডাল) বিক্রয়ের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। যে কোনো ভোক্তা ট্রাক থেকে পণ্য ক্রয় করতে পারবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
ভোক্তা প্রতি ভোজ্যতেল ২ লিটার ২৩0 টাকা, চিনি ১ কেজি ৮0 টাকা এবং মশুর ডাল ২ কেজি ১৪0 টাকায় বিক্রি করা হবে।
স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীদের কাছে বিক্রয় মূল্য আগের মতোই বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
৩৫৯ দিন আগে
ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে সূচকের বড় পতন
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে বড় পতনের মুখে পড়েছে ঢাকা চট্টগ্রামের পুঁজিবাজার। সকাল থেকে পতনের মুখে পড়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজার, যার রেশ ছিল লেনদেনের শেষ অবধি।
রবিবার (৪ আগস্ট) সারাদিনের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কমেছে সবকটি সূচক। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৫০ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরিয়াভিত্তিক ডিএসইএস ৮ এবং বাছাইকৃত ব্লুচিপ কোম্পানির ডিএস-৩০ কমেছে ২০ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৭ কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির। ১২২ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ২০৭ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৬৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সূচক বাড়লেও ক্যাটাগরির হিসাবে এ, বি এবং জেড— ক্যাটাগরির বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম নিম্নমুখী। লভ্যাংশ দেওয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরিতে ৬৬ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ১১৯ কোম্পানির। অপরিবর্তিত আছে ৩৪ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ব্লক মার্কেটে ২৪ কোম্পানির ১১ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে। গ্লোবাল পেন সর্বোচ্চ ২ কোটি ৩০ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
সারাদিনে ডিএসইতে ৯১১ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ১ হাজার ১৩৭ কোটি টাকা।৯ দশমিক ৫২ শতাংশ দাম বেড়ে ঢাকার বাজারে শীর্ষে আছে তিতাস গ্যাস এবং ৮ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে ট্রাস্ট ব্যাংক।
চট্টগ্রামেও পতন
ঢাকার মতোই সূচকের পতন হয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই), সার্বিক সূচক কমেছে ৬৮ পয়েন্ট।
সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৭ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৯৬ কোম্পানির, কমেছে ১১২ এবং অপরিবর্তিত আছে ১৯ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সারাদিনে সিএসইতে ১০ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ২০ কোটি টাকা।
৯ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে কাশেম ইন্ডাস্ট্রি এবং ৯ শতাংশের ওপরে দর হারিয়ে তলানিতে খান ব্রাদার্স।
৩৬৪ দিন আগে
পোশাক কারখানায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা
আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে সব তৈরি পোশাক (আরএমজি) কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
রবিবার (৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিএমইএ জানিয়েছে, সরকার ঘোষিত জাতীয় ছুটির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ এবং আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজিএমইএ জানিয়েছে, যদিও সরকার ৫ আগস্ট সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে, আইন অনুযায়ী তৈরি পোশাক কারখানার জন্য তা বাধ্যতামূলক নয়। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ ও শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, পোশাক কারখানাগুলোকে বছরে ১১ দিন উৎসবের ছুটি দিতে হয়। এর বাইরে অতিরিক্ত সাধারণ ছুটি পালনের বাধ্যবাধকতা নেই।
তবে সংগঠনটি ৫ আগস্ট শহীদদের স্মরণে ও সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে সব সদস্য কারখানা বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
বাংলাদেশে ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালিত হয়। এই দিনে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শহীদদের স্মরণ করা হয়।
৩৬৫ দিন আগে
এলপিজির দাম কমে প্রতি সিলিন্ডার ১,২৭৩ টাকা
ভোক্তা পর্যায়ে আরেক দফা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমে আগস্ট মাসে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১,২৭৩ টাকা।
সিলিন্ডারপ্রতি ৯১ টাকা কমিয়ে রোববার (৩ আগস্ট) নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিইআরসি)। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, আগস্ট মাসের জন্য ১২ কেজির এলপিজির দাম ১,৩৬৪ টাকা থেকে ৯১ টাকা কমিয়ে ১,২৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে ২ জুলাই সর্বশেষ দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৩৯ টাকা কমিয়ে ১,৩৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
একই সঙ্গে অটোগ্যাসের দামও কমিয়েছে বিইআরসি। আগস্ট মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ৪ টাকা ১৮ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের মূল্য সংযোজন কর (মূসক)সহ প্রতি লিটার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৮ টাকা ২৮ পয়সা।
জুলাই মাসে অটোগ্যাসের দাম ১ টাকা ৮৪ পয়সা কমিয়ে প্রতি লিটার ৬২ টাকা ৪৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
বিইআরসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আগস্ট মাসের জন্য সৌদি আরামকোর ঘোষিত প্রোপেন ও বিউটেনের সৌদি সিপি (কনট্র্যাক্ট প্রাইস) ছিল যথাক্রমে প্রতি মেট্রিক টনে ৫২০ মার্কিন ডলার ও ৪৯০ মার্কিন ডলার। প্রোপেন ও বিউটেনের অনুপাত ৩৫:৬৫ অনুযায়ী গড় সিপি নির্ধারিত হয়েছে ৫০০.৫০ ডলার, যা ভিত্তি ধরে আগস্ট মাসের জন্য বেসরকারি এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম ভোক্তা পর্যায়ে সমন্বয় করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম চার দফা কমেছে, সাত দফা বেড়েছে এবং একবার অপরিবর্তিত ছিল।
৩৬৫ দিন আগে
ঢাকার পুঁজিবাজারে হাজার কোটি টাকা ছাড়াল লেনদেন
একদিকে সূচকের বড় উত্থান, অন্যদিকে লেনদেনের রেকর্ড। সব মিলিয়ে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন ১ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দিনের শুরু থেকে ডিএসইতে শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন ছিল ঊর্ধ্বমুখী। দুপুর ১২টা পার হওয়ার আগে লেনদেন ছাড়ায় ৫০০ কোটি টাকা। সবশেষে লেনদেন দাঁড়ায় ১০৬৩ কোটি টাকায়।
লেনদেন বৃদ্ধির পাশাপাশি ডিএসইতে বেড়েছে সবকটি সূচকও। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৯১ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরিয়াভিত্তিক ডিএসইএস ১৬ এবং বাছাইকৃত ব্লুচিপ কোম্পানির ডিএস-৩০ বেড়েছে ৪৮ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৪ কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির। ১৫০ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ১৬৭ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৭৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সূচক বাড়লেও ক্যাটাগরির হিসাবে এ, বি এবং জেড— ক্যাটাগরির বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম নিম্নমুখী। তবে লভ্যাংশ দেওয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরিতে ১০১ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ৮২ কোম্পানির। অপরিবর্তিত আছে ৩৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ব্লক মার্কেটে ৩৬ কোম্পানির ৩০ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে। খান ব্রাদার্স সর্বোচ্চ ৮ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
পড়ুন: সিটি করপোরেশন আইনের সংশোধনীতে নীতিগত অনুমোদন দিল উপদেষ্টা পরিষদ
৯ দশমিক ৯০ শতাংশ দাম বেড়ে ঢাকার বাজারে শীর্ষে আছে ট্রাস্ট ব্যাংক এবং ৯ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে মিডল্যান্ড ব্যাংক।
চট্টগ্রামেও উত্থান
ঢাকার মতোই সূচকের উত্থান হয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই), সার্বিক সূচক বেড়েছে ২৮১ পয়েন্ট।সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৯ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ১০৭ কোম্পানির, কমেছে ৮৭ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৫ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সারাদিনে সিএসইতে ১১ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ২৩ কোটি টাকা।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স এবং ডিএসসির মতো সিএসইতেও ৮ শতাংশের ওপরে দর হারিয়ে তলানিতে মিডল্যান্ড ব্যাংক।
৩৬৮ দিন আগে
পুঁজিবাজারে লেনদেন ৮০০ কোটি ছাড়ালেও সূচকের পতন
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকার পুঁজিবাজারে লেনদেন ৮০০ কোটি টাকা ছাড়ালেও পতন হয়েছে সূচকের, দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির।
সারাদিনের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ২২ পয়েন্ট।
বাকি দুই সূচক শরিয়াভিত্তিক ডিএসইএস ৬ পয়েন্ট কমলেও বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লুচিপ সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ৩ পয়েন্ট।লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৭ কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির। ১১৯ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ২৩০ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ক্যাটাগরির হিসাবে এ, বি এবং জেড— তিন ক্যাটাগরিতেই বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম নিম্নমুখী। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেওয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরিতে ৫৪ কোম্পানির দরবৃদ্ধি হলেও দাম কমেছে ১৪০ কোম্পানির। অপরিবর্তিত আছে ২৫ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ব্লক মার্কেটে ৩৭ কোম্পানির ৪২ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে। খান ব্রাদার্স সর্বোচ্চ ৮ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
সারাদিনে ঢাকার বাজারে ৮০৫ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে যা গতদিন ছিল ৮৬৫ কোটি টাকা।
পড়ুন: সাপ্তাহিক পুঁজিবাজার: গড় লেনদেন ৮০০ কোটি টাকার ওপরে, ঢাকা- চট্টগ্রামে সূচকে বড় উত্থান
৯.৭৬ শতাংশ দাম বেড়ে ঢাকার বাজারে শীর্ষে আছে পিপলস ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি এবং ৮ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট।
চট্টগ্রামেও পতন
ঢাকার মতোই সূচকের বড় পতন হয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই), সার্বিক সূচক কমেছে ৩৯ পয়েন্ট।
সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৬ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৮৭ কোম্পানির, কমেছে ১০৭ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩২ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সারাদিনে সিএসইতে ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ১০ কোটি ৯০ লাখ টাকা।১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে নর্দান ইসলামী ইন্স্যুরেন্স এবং ঢাকার মতো চট্টগ্রামেও ৯ শতাংশের ওপরে দর হারিয়ে তলানিতে উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট।
৩৭১ দিন আগে
সাপ্তাহিক পুঁজিবাজার: গড় লেনদেন ৮০০ কোটি টাকার ওপরে, ঢাকা- চট্টগ্রামে সূচকে বড় উত্থান
সপ্তাহজুড়ে টানা উত্থানে ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে গড় লেনদেন ৮০০ কোটি টাকার ওপরে, সূচক বেড়েছে সবকটি। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) বড় উত্থান হয়েছে, সার্বিক সূচক বেড়েছে ৬৮৪ পয়েন্ট।
পুরো সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২৫৯ পয়েন্ট, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৫ শতাংশ বেশি।
বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস ৫২ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্ল-চিপ সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ১৫৩ পয়েন্ট।
ঢাকার বাজারে সাপ্তাহিক গড় লেনদেন বেড়ে হয়েছে ৮৫৯ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৬৮১ কোটি টাকা। এ সপ্তাহের ব্যবধানে মোট লেনদেন বেড়েছে ২৬ শতাংশ।
ডিএসইতে দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির। সপ্তাহ শেষে ২১৫ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১৪৪ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৫ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
খাতভিত্তিক উত্থান
আগের সপ্তাহে ব্যাংক খাত সুবিধা করতে না পারলেও এই কয়েকদিনের লেনদেনে তালিকাভুক্ত ৩৬ ব্যাংকের মধ্যে দাম বেড়েছে ৩০, কমেছে ৩ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩ ব্যাংকের শেয়ারের দাম।
ব্যাংক খাতে শেয়ারের দাম বেড়েছে ৭৯ শতাংশ এবং লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে ৭৬ শতাংশ।
ব্যাংক খাতের চেয়ে আরও ভালো অবস্থানে আছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের শেয়ার। ১৩৩ শতাংশ দাম বেড়েছে এ খাতের শেয়ারে এবং লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে ১০৯ শতাংশ।
২১ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেনি একটিরও এবং অপরিবর্তিত আছে ২ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
উত্থানের ধারা বজায় আছে সাধারণ বীমা এবং জীবন বীমা খাতে। সাধারণ বীমা খাতে শেয়ারের দাম বেড়েছে ২৪ শতাংশ এবং জীবন বীমা খাতে উত্থান হয়েছে ৬ শতাংশ।
এ ছাড়া সিমেন্ট, সিরামিক, প্রকৌশল, ওষুধ, আবাসন এবং টেলিকম খাতের শেয়ারের দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।
খাতভিত্তিক পতন
সাপ্তাহিক লেনদেনে তলানিতে আছে পাটশিল্প খাত। এ খাতের তিন কোম্পানির সবকটির শেয়ারের দাম কমেছে। এ কয়দিনের কার্যদিবসে পাটশিল্প খাতের শেয়ারের দাম এবং লেনদেন কমেছে ৩৯ শতাংশ।
পাটশিল্পের পরেই পতনের দিক থেকে শীর্ষে আছে কাগজ এবং মুদ্রণ শিল্প। এ খাতে শেয়ারের দাম কমেছে ৩৪ শতাংশ। সুবিধা করতে পারেনি মিউচুয়াল ফান্ড, দর কমেছে ২১ শতাংশ।
চামড়া, টেক্সটাইল এবং পর্যটন খাতের শেয়ারের দাম কমেছে ২৫ শতাংশের বেশি। টেলিকম খাতে শেয়ারের দাম বাড়লেও কমেছে আইটি খাতে। আইটি খাতের শেয়ারের দাম কমেছে ১৬ শতাংশের বেশি।
প্রতিষ্ঠানভিত্তিক লেনদেন
সারা সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার। ব্যাংকটির গড় লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬ কোটি টাকা। সবশেষ ৬৮ টাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিটি শেয়ার বিক্রি হয়েছে।
ব্র্যাক ব্যাংকের পরেই সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের শেয়ার। লেনদেনে ভালো অবস্থানে আছে সিটি ব্যাংক, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, খান ব্রাদার্স, স্কয়ার ফার্মা, বেক্সিমকো ফার্মা এবং ওরিয়ন গ্রুপের শেয়ার।
গত সপ্তাহে ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি শেয়ার বিক্রি করেছে ব্যাংক এশিয়া। এছাড়া মারিকো, ব্র্যাক ব্যাংক, এশিয়াটিক ল্যাব, খান ব্রাদার্স এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ব্লক মার্কেটে শেয়ার বিক্রিতে ছিল শীর্ষ তালিকায়।
দরবৃদ্ধিতে শীর্ষে আছে জেড ক্যাটাগরির কোম্পানি উত্তরা ফাইন্যান্স। গত সপ্তাহে কোম্পানিটি থেকে রিটার্ন এসেছে ৫২ শতাংশের বেশি। পাঁচ কার্যদিবসে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ১১ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকায়।
অন্যদিকে সাপ্তাহিক লেনদেনে তলানিতে এক্সপ্রেস ইনস্যুরেন্স লিমিটেড। কোম্পানিটির রিটার্ন কমেছে ১৫ শতাংশের বেশি। বি ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ৪৩ টাকিয়া থেকে কমে হয়েছে ৩৬ টাকা।
বড় উত্থান চট্টগ্রামেও
ঢাকার মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) বড় উত্থান হয়েছে, সার্বিক সূচক বেড়েছে ৬৮৪ পয়েন্ট।
সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৩৬ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৭, কমেছে ১২২ এবং অপরিবর্তিত আছে ২৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ঢাকার মতো সিএসইতেও শীর্ষে উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনিভেস্টমেন্ট। এছাড়া শীর্ষ কোম্পানির তালিকায় আছে এনসিসি ব্যাংক, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স, ব্যাংক এশিয়া, মিডাস ফাইন্যান্স, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, প্রাইম ব্যাংক, পিপলস লিজিং এবং পিপলস ইনস্যুরেন্স।
২৪ শতাংশ দাম কমে সিএসইতে তলানিতে সিইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট। অন্যদিকে এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের দাম কমেছে ১৫ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের শেয়ার। এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় আছে লাভেলো, ওয়ালটন হাইটেক, খান ব্রাদার্স, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, মিডল্যান্ড ব্যাংক, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট, রবি, ওরিয়ন ফিউশান এবং লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স।
৩৭৩ দিন আগে