ক্রিকেট
রেকর্ড রান ও ইনিংস ব্যবধানে হেরে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ
প্রথম ইনিংসে ১৫৯ করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে দেড়শও পেরোতে পারল না বাংলাদেশ। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসে তোলা ৫৭৫ রানের চেয়ে ২৭৩ রান পেছনে থেকে নিদারুণ পরাজয় বরণ করে নিতে হয়েছে টাইগারদের।
চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের তৃতীয় দিনেই এক ইনিংস ও ২৭৩ রানে হেরে প্রোটিয়াদের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ।
কেবল তৃতীয় দিনেই ১৬ উইকেট খুইয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
এর আগে, টস জিতে শুরুতে ব্যাটিং করে ৬ উইকেট হারিয়ে ৫৭৫ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১৫৯ রানে অলআউট হয়ে গেলে ৪১৬ রানে এগিয়ে থাকে সফরকারীরা। ফলে ব্যাটিংয়ে নেমে আর সময় নষ্ট না করে বাংলাদেশকে ফলো-অন করানোর সিদ্ধান্ত নেন প্রোটিয়া অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসেও মাত্র ৪৩.৪ ওভারে ১৪৩ রানের মাথায় টাইগারদের ইনিংস গুটিয়ে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা। ফলে ২৭৩ রানের জয় পায় মার্করামের দল।
আরও পড়ুন: রানপাহাড়ে চাপা পড়ার পর ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে বাংলাদেশ
নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবধানে হারের রেকর্ড। ২০০২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ইনিংস ও ৩১০ রানে বিপর্যস্ত হয়েছিল টাইগাররা।
অন্যদিকে, নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়ের স্বাদ পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এর আগের রেকর্ডটিও ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষেই। ২০১৭ সালে ঘরের মাঠ ব্লুমফন্টেইনে ইনিংস ও ২৫৪ রানের ব্যবধানে জিতেছিল তারা। এবার টাইগারদের ডেরায় ঢুকে সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন করে গড়ল তারা।
প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়া কাগিসো রাবাদা দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য সাফল্যের দেখা পাননি। পাবেনই বা কী করে? কেশব মহারাজ ও সেনুরান মুথুসামি যথাক্রমে ৫টি ও ৪টি উইকেট নিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন-আপ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংস: ৫৭৫/৬ ডিক্লে. (ডি জর্জি ১৭৭, স্টাবস ১০৬, মুল্ডার ১০৫*; তাইজুল ৫২.২-৫-১৯৬-৫, নাহিদ ২৪-২-৮৩-১)।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১৫৮/১০ (মুমিনুল ৮২, তাইজুল ৩০, অতিরিক্ত ২২; রাবাদা ৯-১-৩৭-৫, প্যাটারসন ১০-১-৩১-২, মহারাজ ১৬.২-৪-৫৭-২)।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ১৪৩/১০ (হাসান ৩৮, শান্ত ৩৬, অঙ্কন ২৯; মহারাজ ১৬.৪-০-৫৯-৫, মুথুসামি ১৩-৩-৪৫-৪)।
ফলাফল: দক্ষিণ আফ্রিকা এক ইনিংস ও ২৪৩ রানে জয়ী।
প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ: টনি ডি জর্জি।
প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ: কাগিসো রাবাদা।
৫৫১ দিন আগে
রানপাহাড়ে চাপা পড়ার পর ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে বাংলাদেশ
প্রথম ইনিংসেই দক্ষিণ আফ্রিকার ৫৭৫ রানের পাহাড়সম সংগ্রহের পর ব্যাটিংয়ে নেমে বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। আলোকস্বল্পতায় দিনের খেলা আগেভাগেই শেষ না হলে ক্ষত হয়তো আরও বড় হতো।
চট্টগ্রামের ব্যাটিং স্বর্গে সাবলীল ব্যাটিং করে ৬ উইকেট হারিয়ে পৌনে ছয়শ’ রান সংগ্রহ করেছে প্রোটিয়ারা। অন্যদিকে, মাত্র ৯ ওভার খেলতে গিয়েই চার ব্যাটারকে খুইয়েছে বাংলাদেশ, তুলেছে মাত্র ৩৮ রান। অর্থাৎ এখনও ৫৩৭ রান পিছিয়ে আছে শান্তর দল। ফলো-অন এড়াতেও প্রয়োজন আরও অন্তত ৩৩৮ রান। তৃতীয় দিন খেলতে নামবেন মুমিনুল হক (৬) ও নাজমুল হোসেন শান্ত (৪)।
সাগরিকায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে তিনটি শতক ও দুটি পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংসে ভর করে ৬ উইকেট হারিয়ে ৫৭৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ১৭৭ রানের ইনিংস খেলেন ওপেনার টনি ডি জর্জি। এছাড়া ট্রিস্টান স্টাবস ১০৬ এবং দিনের শেষভাগে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান ভিয়ান মুল্ডার। ১০৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি, আর তার সঙ্গে ৬৮ রানে অপরাজিত ছিলেন সেনুরান মুথুসামি। তিনিও টেস্টে নিজের প্রথম হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন আজ। এছাড়া ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন ডেভিড বেডিংহ্যাম।
বাংলাদেশের পক্ষে ১৯৮ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নেন তাইজুল; অপর উইকেটটি গেছে নাহিদের ঝুলিতে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের ক্রিকেটের অধিনায়ক পদে থাকতে চান না শান্ত
এরপর ব্যাটিংয়ে নেমেই শুরু হয়ে যায় বাংলাদেশি ব্যাটারদের যাওয়া-আসার খেলা। রাবাদার বলে প্রথম ওভারেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফেরেন সাদমান। এরপর পঞ্চম ওভারে ফের রাবাদার শিকার হন জাকির। কট বিহাইন্ড হন তিনিও, অথচ বুঝতেই পারেননি বল তার ব্যাটে লেগেছে। উল্টো একটি রিভিউ নষ্ট করে ফেরেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
২১ রানে দুই উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে আর আট রান যোগ করতে না করতেই স্লিপে দাঁড়ানো প্রোটিয়া অধিনায়ক এইডেন মার্করামের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মাহমুদুল হাসান জয়। ফেরার আগে তিনি অবশ্য এ পর্যন্ত ইনিংস-সর্বোচ্চ ১০ রান করতে সক্ষম হন।
২৯ রানে তিন উইকেট হারিয়ে নাইটওয়াচম্যান হিসেবে হাসান মাহমুদকে ক্রিজে পাঠায় বাংলাদেশ। তবে প্রতিরোধ গড়তে গড়তে ব্যর্থ হয়েছেন তিনিও। কেশভ মহারাজের বলে বোল্ড হয়ে ফেরার আগে ৩ রান আসে তার ব্যাট থেকে।
হাসানের বিদায়ের পর মাঠে নামেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ৬ বলে খেলে একটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪ রানে অপরাজিত তিনি। তার সঙ্গে অপরাজিত রয়েছেন মুমিনুল হক। ১০ বলে তিনিও একটি বাউন্ডারি মেরে করেছেন ৬ রান। এ দুই ব্যাটারের দিকেই আগামীকাল তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংস: ৫৭৫/৬ ডিক্লে. (ডি জর্জি ১৭৭, স্টাবস ১০৬, মুল্ডার ১০৫*; তাইজুল ৫২.২-৫-১৯৬-৫, নাহিদ ২৪-২-৮৩-১)।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৮/৪ (৯ ওভার) (অতিরিক্ত ১৩, জয় ১০, মুমিনুল ৬*; রাবাদা ৩-০-৮-২, প্যাটারসন ৩-০-১৫-১, মহারাজ ২-১-৪-১)।
৫৫২ দিন আগে
বাংলাদেশের ক্রিকেটের অধিনায়ক পদে থাকতে চান না শান্ত
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে আর দায়িত্ব পালন করতে চান না নাজমুল হোসেন শান্ত।
শনিবার(২৬ অক্টোবর) একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংবাদ মাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে।
চট্টগ্রামে ২৯ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের জন্য বাংলাদেশ দল প্রস্তুতি নিচ্ছে, এই সময়েই এই খবরটি এসেছে।
ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ জানিয়েছে যে, শান্ত তার ভূমিকায় থাকতে অনিচ্ছুক এবং তিনি এ বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) অবহিত করেছেন।
শান্ত ওয়েবসাইটটিকে নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি এখন বোর্ডের উত্তরের অপেক্ষা করছেন।
বাঁহাতি ব্যাটসম্যান শান্ত ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সব ফরম্যাটে বাংলাদেশের অধিনায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন দ্বিতীয় টেস্টের পর অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিতে চান বলে বোর্ডকে জানিয়েছেন শান্ত।
ঠিক কী কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তা স্পষ্ট নয়। সম্প্রতি ব্যাট হাতে তার খারাপ পারফরম্যান্স নিয়ে তাকে সমালোচনার মুখে পড়ার পাশাপাশি অধিনায়ক হিসেবেও তিনি নতুন কিছু করতে পারেননি।
শান্তর অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বোর্ড এখনও কিছু বলেনি। তিনি যদি শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করেন তবে কে অধিনায়কের দায়িত্ব নেবেন তা এখনো স্পষ্ট নয়।
শান্ত ৯টি টেস্ট, ৯টি ওয়ানডে এবং ২৪টি টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জেতাই এখন পর্যন্ত তার অধিনায়কত্বে বাংলাদেশের সেরা সাফল্য।
৫৫৬ দিন আগে
তাসকিনের বদলে স্কোয়াডে খালেদ, চট্টগ্রাম টেস্টেও বাভুমাকে পাচ্ছে না দ.আফ্রিকা
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। প্রথম টেস্ট স্কোয়াডে মাত্র একটি পরিবর্তন এনে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের দল ঘোষণা করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে আগামী মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। মিরপুরে প্রথম ম্যাচটি ৭ উইকেটে জিতে দুই টেস্টের এই সিরিজে এগিয়ে রয়েছে সফরকারীরা।
দ্বিতীয় টেস্টের জন্য ঘোষিত স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ, আর তার জায়গায় দলে ডাক পেয়েছেন আরেক পেসার খালেদ আহমেদ।
নির্বাচন প্যানেল থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্রাম দিতই তাসকিনকে দ্বিতীয় টেস্টের দলে রাখা হয়নি।
কারণ হিসেবে নির্বাচক প্যানেলের একজন বলেন, ‘তাসকিন আমাদের তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটার। আগামী মাসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে আমাদের ওয়ানডে সিরিজ আছে। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর আছে। ৫০ দিনের জন্য দেশের বাইরে থাকতে হবে। আমরা তাকে সতেজ চাই। যে কারণে তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন: টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নজর সিমন্সের
অন্যদিকে, চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় চট্টগ্রাম টেস্টও খেলতে পারছেন না দক্ষিণ আফ্রিকার নিয়মিত অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা।
বাভুমার অনুপস্থিতিতে প্রথম টেস্টে প্রোটিয়াদের নেতৃত্ব দেন আইডেন মার্করাম। দ্বিতীয় ম্যাচেও তার কাঁধেই থাকবে দলের দায়িত্ব।
কনুইয়ের চোটে প্রথম টেস্টে খেলতে না পারলেও দ্বিতীয় টেস্টে দলে ফেরার আশায় ছিলেন বাভুমা। তাই প্রথম টেস্টে খেলতে পারবেন না জেনেও দলের সঙ্গে বাংলাদেশ আসেন তিনি। এখানেই চলে তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া। তবে সময়মতো সেরে উঠতে না পারায় হতাশাই সঙ্গী হতে হচ্ছে তার।
চট্টগ্রাম টেস্ট থেকেও বাভুমার ছিটকে পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট দলের কোচ শুকরি কনরাড।
তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণের পর মনে হচ্ছে, দ্বিতীয় টেস্টের জন্য সে প্রস্তুত হতে পারবে না। আমরা তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া এখন একটু কমাব যাতে সে শ্রীলঙ্কা সিরিজের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।’
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ চলাকালে এ মাসের শুরুতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটিংয়ের সময় বাঁ হাতের কনুইয়ের ওপরের দিকে চোট পান বাভুমা। ৩৫ রান করে মাঠ ছাড়তে হয় তার। তারপর থেকে মাঠের বাইরে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই ব্যাটার।
বাংলাদেশ স্কোয়াড: নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয়, জাকির হাসান, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন কুমার দাস (উইকেটরক্ষক), জাকের আলি, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা, হাসান মুরাদ, সৈয়দ খালেদ আহমেদ।
দক্ষিণ আফ্রিকা স্কোয়াড: আইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), ডেভিড বেডিংহাম, ম্যাথু ব্রিটস্কে, ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, টনি ডি জর্জি, কেশব মহারাজ, ভিয়ান মুল্ডার, কাইল ভেরেইন (উইকেটরক্ষক), সেনুরান মুথুসামি, লুঙ্গি এনগিডি, ডেন প্যাটারসন, ডেন পিট, কাগিসো রাবাদা, ট্রিস্টান স্টাবস, রায়ান রিকেলটন।
৫৫৭ দিন আগে
মিরাজের ব্যাটিংয়ে ভর করে তৃতীয় দিন শেষ করল বাংলাদেশ
দ্বিতীয় দিনের মতো তৃতীয় দিনের শুরুতেও টপাটপ দুই উইকেট পড়ার কিছুক্ষণ পর লিটন দাসও ফিরে গেলে ফের একবার ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ। তবে জাকের আলী ও মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটিং দৃঢ়তায় বিপদমুক্ত হয়ে কিছু রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছে টাইগাররা।
মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে বুধবার ৮৩ রানের লিড নিয়ে সাত উিইকেট হারিয়ে ২৮৩ রান সংগ্রহ করে দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ।
মিরাজ ৮৭ রানে এবং নাঈম হাসান ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন।
আরও পড়ুন: শুরুর ভাঙনরোধ করে দিন শেষ করল বাংলাদেশ
এদিন ১১২ রানের মাথায় ৬ উইকেট হারানোর পর বিপাকে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তবে ১৩৮ রানের জুটি গড়ে সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন মিরাজ-জাকের। ব্যক্তিগত ৫৮ রান করে জাকের ফিরে গেলে নাঈম সঙ্গে নিয়ে স্কোবোর্ডে অবিচ্ছিন্ন আরও ৩৩ রান যোগ করেছেন মিরাজ।
এরপর বৃষ্টি ও আলোকস্বল্পতায় আগেভাগেই শেষ হয় তৃতীয় দিনের খেলা। ৮৭ রানের লিড থাকায় আগামীকাল বাকি তিন উইকেটে আরও অন্তত দেড়শ রানের লিড নিলেও লড়াই করা, এমনকি ম্যাচ জয়ের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।
এর আগে, চরম ব্যাটিং ব্যর্থতায় মাত্র ১০৬ রানে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যাওয়ার পর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩০৮ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। উইকেটরক্ষক-ব্যাটার কাইল ভেরেইনের অনবদ্য ১১৪ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে প্রথম ইনিংসে ২০২ রানের লিড পায় প্রোটিয়ারা।
৫৫৯ দিন আগে
শুরুর ভাঙনরোধ করে দিন শেষ করল বাংলাদেশ
খেলা হয়েছে মাত্র দুদিনের, এর মধ্যেই হারের শঙ্কায় পড়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে চরম ব্যাটিং ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও একই ধারা অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত পাচ্ছিল টাইগার সমর্থকরা, তবে শুরুর ব্যাটিং ব্যর্থতা সামলে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ।
মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার ১০১ রানে পিছিয়ে থেকে তিন উইকেট হারিয়ে ১০১ রান সংগ্রহ করে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিংয়ে নেমে তৃতীয় ওভারেই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হককে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান কাগিসো রাবাদা। ফলে মাত্র ৪ রানে দুই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এসে আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়ের সঙ্গে বড় জুটি গড়ার ইঙ্গিত দিয়েও দলীয় ৫৯ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২৩ রান করে ফিরে যান।
তারপর মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে জুটি গড়ে আর উইকেট পড়তে না দিয়ে ১০১ রান তুলে দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ। দিন শেষে মুশফিকের (৩১*) সঙ্গে ৪২ রানের জুটি গড়ার পথে ৩৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন জয়।
আরও পড়ন: ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ১০৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ
আগের দিন আলোকস্বল্পতায় ৬ ওভার কম খেলায় এদিন ১৫ মিনিট আগে শুরু হয় খেলা। তবে দিন শেষে আবারও আলোকস্বল্পতার কারণে বাকি থাকে ১৬.৫ ওভার।
এর আগে, চরম ব্যাটিং ব্যর্থতায় মাত্র ১০৬ রানে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যাওয়ার পর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩০৮ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। উইকেটরক্ষক-ব্যাটার কাইল ভেরেইনের অনবদ্য ১১৪ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে প্রথম ইনিংসে ২০২ রানের লিড পায় প্রোটিয়ারা।
৫৬০ দিন আগে
ঢাকা টেস্ট: ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ১০৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১০৬ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
সফল পার্টনারশিপ গড়তে না পারায় হোঁচট খেয়েছেন স্বাগতিক ব্যাটাররা।
সফরকারীদের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন উইয়ান মুল্ডার, কাগিসো রাবাদ ও কেশব মহারাজ। এই ম্যাচে তিন উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে ৩০০ উইকেটের মাইলফলক পূর্ণ করেন রাবাদা।
মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ৬০। তাদের দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর প্রয়োজন ছিল, কিন্তু তারা তা করতে ব্যর্থ হয়।
আরও পড়ুন: ঢাকা টেস্ট: প্রথম দিনে লাঞ্চের আগেই ৬ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ
বাংলাদেশের শীর্ষ ছয় ব্যাটসম্যানের চারজনই দুই অঙ্কের রান তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন।
সর্বোচ্চ ৯৭ বলে ৩০ রান করেন মাহমুদুল হাসান জয়। তাইজুল ইসলাম করেন ১৬ রান।
প্রথম দিন চা বিরতির এক ঘণ্টারও বেশি সময় আগে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
এই ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। ১৪ ম্যাচ খেলেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কোনো টেস্ট জিততে পারেনি তারা।
৫৬১ দিন আগে
ঢাকা টেস্ট: প্রথম দিনে লাঞ্চের আগেই ৬ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ
সোমবার ঢাকায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে প্রথমে ব্যাটিং নিয়ে দিনের প্রথমার্ধে ছয় উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।
লাঞ্চের আগে মাহমুদুল হাসান জয় ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন এবং বাংলাদেশের স্কোর ৬ উইকেটে ৬০।
মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্তসহ তিনটি উইকেট নেন ডানহাতি পেসার উইয়ান মুল্ডার।
এই ম্যাচে শক্ত ভিত গড়তে ব্যর্থ হন সাদমান ইসলাম। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে উইয়ান মুল্ডারের বলে আউট হন তিনি।
আরও পড়ুন: মিরপুরে সাকিব-ভক্তদের সঙ্গে বিরোধীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
মমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেটও নেন ডানহাতি পেসার। তারা সবাই ম্যাচের প্রথম আধ ঘণ্টার মধ্যেই পড়ে যান।
মাত্র ২১ রানে তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দলকে গাইড করা ও ইনিংস গড়ার দায়িত্ব ছিল মুশফিকুর রহিমের। কিন্তু কাগিসো রাবাদার চমৎকার এক বলে ১১ রান করে আউট হন তিনি।
এরপর লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজও ছাপ রাখতে পারেননি। কেশব মহারাজের বলে আউট হন মেহেদি।
ভারতের বিপক্ষে কানপুর টেস্টে যে একাদশ মাঠে নেমেছিলম সেখানে তিনটি পরিবর্তন করেছে। সাকিব আল হাসান, জাকির হাসান ও খালেদ আহমেদের পরিবর্তে মাহমুদুল হাসান জয়, জাকের আলী অনিক ও নাঈম হাসানকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
আরও পড়ুন: টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নজর সিমন্সের
৫৬১ দিন আগে
মিরপুরে সাকিব-ভক্তদের সঙ্গে বিরোধীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সাকিবের অবস্থানের কারণে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের কারণে ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট খেলতে দেশে আসতে পারেননি সাকিব আল হাসান। তবে এরপর থেকেই বিক্ষোভে মূখর হয়েছে সাকিব-ভক্তরা।
বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট ম্যাচের ঠিক একদিন আগে রবিবার (২০ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুর জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম এলাকায় সাকিব আল হাসানের ফেরার পক্ষে সমর্থকর ও সাকিব-বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
এদিন সাকিবকে দেশে ফিরিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামানো এবং বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের পদত্যাগ নিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘সাকিবিয়ান’রা। কিন্তু সাকিব-বিরোধী একদল যুবক সেখানে গিয়ে তাদের বাধা দিলে দুপক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এরপর সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।
আরও পড়ুন: সাকিবের প্রতি মানুষের ক্ষোভ অযৌক্তিক নয়: আসিফ নজরুল
উল্লেখ্য, ভারত সফর চলাকালে সংবাদ সম্মেলন করে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের কথা জানিয়ে দেন সাকিব। সে সময় তিনি জানিয়েছিলেন, সরকার পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে দেশে ফিরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলেই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতে চান তিনি।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে জরিমানার মুখেও পড়তে হয়েছে এই অলরাউন্ডারকে। ফলে তার দেশে ফেরা নিয়ে জটিলতা ছিলই।
এরপর গত রবিবার সাকিবকে দেশে ফেরাতে সবরকম নিরাপত্তা দেওয়ার কথা জানান ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া। এমনকি বুধবার মিরপুর টেস্টের জন্য তাকে নিয়েই স্কোয়াড ঘোষণা করে বিসিবি।
আরও পড়ুন: দ. আফ্রিকা টেস্টে সাকিবের পরিবর্তে খেলবেন হাসান মুরাদ
কিন্তু পরের দিনই ঘটনা বিপরীত দিকে মোড় নেয়। ১৭ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারের অবসান করতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশের পথে ছিলেন সাকিব। মাঝে দুবাইয়ে তার যাত্রাবিরতির সময় বদলে যায় দৃশ্যপট।
সেখান থেকে সাকিব নিজেই জানান, আপাতত দেশে ফেরা হচ্ছে না তার। নিরাপত্তার কথা ভেবেই সংশ্লিষ্টরা তাকে এমন পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
ফলে নিজ ভূমি থেকে টেস্টে বিদায় নেওয়া আর হয়ে উঠল না দেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ক্রিকেটারের। ভারতের বিপক্ষে কানপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিই ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট হয়ে থাকল সাকিবের।
৫৬২ দিন আগে
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নজর সিমন্সের
মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট শুরু হতে বাকি আর দুদিন। কিন্তু এমন সময়েও মাঠের চেয়ে মাঠের বাইরের বিষয়ে নিয়েই আলোচনায় মাতোয়ারা দেশের ক্রিকেট পাড়া। এমন কঠিন সময়ে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিয়েছেন ক্যারিবীয় কোচ ফিল সিমন্স। তবে এই কঠিন সময়ের মধ্যেও খেলোয়াড়দের মনোযোগ মাঠে ফিরিয়ে বড় লক্ষ্যে পৌঁছানোর কথা জানিয়েছেন তিনি।
দুই দিন অনুশীলনের পর শনিবার গণমাধ্যমের সামনে হাজির হন কোচ সিমন্স। এসেই তার কণ্ঠে ঝরল বড় কিছুর আশা। দলকে আসন্ন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তুলতে চান তিনি।
‘ভালো ব্যাপার হচ্ছে আমাদের সামনে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু টেস্ট ম্যাচ রয়েছে। আমরা যদি পরের কয়েকটি টেস্ট জিতি, তাহলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের লড়াইয়ে চলে আসতে পারি। ক্রিকেটই আমার কাছে সবার আগে এবং সোমবারের জন্য (প্রথম টেস্টের প্রথম দিন) স্কোয়াডকে প্রস্তুত করার দিকেই (এখন) মনোযোগ দিচ্ছি।’
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যাপক পরিবর্তন আসায় নানা অনিশ্চয়তায় অবশেষে দেশে ফেরা হচ্ছে না সাকিব আল হাসানের। এ নিয়েই গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তাল দেশের ক্রীড়াঙ্গন।
আরও পড়ুন: সাকিবের প্রতি মানুষের ক্ষোভ অযৌক্তিক নয়: আসিফ নজরুল
এরই মাঝে হাথুরুসিংহেকে সরিয়ে সিমোন্সকে নিয়োগ দেওয়ার পর বুধবার সকালে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সঙ্গে একই ফ্লাইটে ঢাকায় পা রাখেন তিনি। এসেই ছুটে যান মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। প্রাথমিক পরিচয়পর্ব সেরে বৃহস্পতিবার থেকে কাজে যোগ দেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই সাবেক ক্রিকেটার।
দুই দিন দলকে অনুশীলন করিয়ে এরইমধ্যে স্কোয়াডের শক্তি ও সম্ভাবনার বিষয়ে জেনেছেন তিনি।
এ বিষয়ে সিমন্স বলেন, ‘গত দুই দিন দুর্দান্ত ছিল। ছেলেরা কঠোর পরিশ্রম করছে। ক্রিকেটকে ঘিরে যত সংশয় ছিল, সেগুলো দূরে রাখার চেষ্টা করছি; চেষ্টা করছি মনোযোগ ধরে রেখে সোমবারের জন্য প্রস্তুত হতে।’
তবে সাকিবকে নিয়ে বাইরে যে আলোচনা চলছে, তার প্রভাব একেবারেই অস্বীকার করছেন না ৬১ বছর বয়সী এই কোচ।
‘বাইরে যে আলোচনা হচ্ছে সেটিও একটি ব্যাপার। তবে আগামী কয়েকদিন আমাদের কাজের বড় একটি অংশ হচ্ছে, সব মনোযোগ ক্রিকেটে যেন থাকে- তা নিশ্চিত করা। আমরা কেবল সেসব নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, যা আমাদের হাতে আছে। সোমবারের জন্য কীভাবে প্রস্তুত হব, আমরা তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি এবং এভাবেই দলের মনোযোগ ঠিক রাখার চেষ্টা করছি।’
আরও পড়ুন: বরখাস্ত হচ্ছেন হাথুরুসিংহে, আসছেন ফিল সিমন্স
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের স্বপ্ন অনেকের কাছে একটু বাড়াবাড়ি মনে হতে পারে। তবে কাগজে-কলমে এখনও তা অসম্ভব নয়।
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এখন পর্যন্ত ৮ ম্যাচে তিন জয়ে ৩৪.৩৮ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সাত নম্বরে বাংলাদেশ। ফাইনাল খেলতে হলে থাকতে হবে সেরা দুইয়ে।
দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও দুটি টেস্ট খেলবে টাইগাররা। এই চার ম্যাচের সবকটিতে দারুণ ফল আনতে পারলে, অন্য দলগুলোর সঙ্গে সমীকরণ মিলিয়ে ফাইনালের জন্য লড়াই করতে পারে বাংলাদেশ।
৫৬৩ দিন আগে