খুলনা
নড়াইলে টানা বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় আউশ ধানের ব্যাপক ক্ষতি
নড়াইলে অবিরাম বর্ষণ আর দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় বিস্তীর্ণ মাঠের আউশ ধান নষ্ট হয়ে গেছে। স্থানীয় চাষিদের অভিযোগ, বিলের পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ আটকে অপরিকল্পিতভাবে মাছের ঘের তৈরি এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে খাল-নালা ভরাট হয়ে যাওয়ায় এই বিপর্যয় ঘটেছে।
আবাদের এমন আকস্মিক বিনাশে শত শত কৃষক চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন। তাদের দাবি, এই ফসলহানিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
সরেজমিনে লোহাগড়া উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের আমাদার বিল, আন্ধারকোটা বিল ও কুচিয়াবাড়ির বিলসহ বেশ কয়েকটি নিচু এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মাঠের পর মাঠ বুকসমান পানিতে তলিয়ে আছে। যেখানে এখন সোনালী ধানের সমারোহ থাকার কথা, সেখানে শোভা পাচ্ছে শাপলা, শালুক আর জলজ আগাছা। ফসলশূন্য খেতে এখন চরে বেড়াচ্ছে পাতিহাঁসের দল।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, নিচু অঞ্চলের এসব জমি অধিক পানি সহনশীল স্থানীয় জাতের ‘রাতুল আউশ’ ধান চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ জাতের ধানের গাছ দ্রুত বেড়ে উঠতে পারে। বিগত বছরগুলোতে সহনীয় বৃষ্টিপাতের কারণে রাতুল ধানের বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় এবারও চাষিরা ব্যাপক উৎসাহে আবাদ করেছিলেন। লক্ষ্মীপাশা ছাড়াও জেলার বাঁশগ্রাম, নলদি, কোটাকোল, কলাবাড়িয়া, বাঐসোনা, পহরডাঙ্গা, খাশিয়াল, মাইজপাড়া ও সেখহাটীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক বিলে এই ধানের চাষ হয়েছিল।
তবে এবার জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হওয়া রেকর্ড পরিমাণ টানা বৃষ্টিতে বিলের নিচু জমিগুলো হঠাৎ জলমগ্ন হয়ে পড়ে। অপরিকল্পিত মাছের ঘেরের কারণে পানি সরার পথ অবরুদ্ধ থাকায় দীর্ঘদিন ধান গাছগুলো পানির নিচে তলিয়ে থাকে এবং একপর্যায়ে পচে নষ্ট হয়ে যায়।
কৃষকদের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসনে অবিলম্বে অবৈধ ঘের উচ্ছেদ করে অবরুদ্ধ খাল-নালা পুনরুদ্ধার এবং নদীর সঙ্গে সংযোগকারী খালগুলো পুনঃখনন করা জরুরি।
নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ৯ হাজার ১০৭ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের আবাদ হয়েছে। সরকারিভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সীমিত বলে দাবি করা হলেও কৃষকেরা তা পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন।
কৃষকদের অভিযোগ, বিলের উপরিভাগের কিছু ধান রক্ষা পেলেও নিচু এলাকার সিংহভাগ ফসলই পচে গেছে, যার আর্থিক ক্ষতি কয়েক কোটি টাকা।
এ বিষয়ে নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, নিচু বিল অঞ্চলের এই স্থায়ী জলাবদ্ধতা বর্তমান চাষাবাদের জন্য একটি বড় হুমকি। জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে কৃষি বিভাগ সরকারের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে ভরাট ও হারিয়ে যাওয়া খালগুলো উদ্ধারে কাজ করছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
শিলাইদহে রবীন্দ্র কুঠিবাড়িতে থৈ থৈ করছে পানি
পদ্মার তীর থেকে প্রায় ৮০০ মিটার পশ্চিমে দাঁড়িয়ে আছে বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার কুমারখালীর শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি। এখানে বসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন অসংখ্য গান, কবিতা, নাটক আর ছোটগল্প। যে গীতাঞ্জলি রচনার জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরষ্কার পেয়েছিলেন, তার অধিকাংশ কবিতাও এখানে বসেই লেখা। এক কথায়, বাংলা সাহিত্যের অনেক অমর সৃষ্টির জন্ম এই কুঠিবাড়িতে।
প্রতিদিন দেশ-বিদেশের হাজারো রবীন্দ্রভক্ত ছুটে আসেন বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত এই রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি দেখতে। কিন্তু কয়েক দিনের টানা ভারী বৃষ্টিতে সেই ঐতিহ্যের তীর্থভূমির চিত্রই যেন পাল্টে গেছে। কুঠিবাড়ির প্রধান প্রবেশপথ, মুক্তমঞ্চ, ম্যুরালের সামনে, জাদুঘরের আঙিনা, এমনকি ফুল ও ফলের বাগান—সবখানেই এখন থৈ থৈ করছে পানি। কুঠিবাড়িজুড়ে জলমগ্নতার এই চিত্র শুধু এ বছরই নয়, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম এলেই এমন চিত্র চোখে পড়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরে জড়িতদের শাস্তির দাবি
ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরের প্রতিবাদে অসম্পূর্ণ ভাস্কর্যের স্থান পরিদর্শন ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন নাগরিক সমাজের একটি প্রতিনিধিদল। পাশাপাশি ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন চত্বরে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সমাবেশ শেষে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তারা।
পরে প্রতিনিধিদলটি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ভাস্কর্যটি পূর্বের স্থানে পুনর্নির্মাণ এবং ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানায়।
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি দলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও লেখক আবু সাঈদ খান, মানবাধিকার কমিশনের সাবেক কমিশনার ও গুম কমিশনের সাবেক সদস্য নূর খান লিটন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ফারাহ তানজীম তিতিল প্রমুখ। পরে বিকেলে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক আবু সাঈদ খান দাবি করেন, ওই স্থানেই বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য রাখতে হবে। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ‘যারা ভাস্কর্য ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত, তারা স্পষ্টতই মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি। স্বাধীনতার এত বছর পরও জাতীয় বীরদের ওপর এমন আঘাত কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। অথচ অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এত বড় একটি ঘটনার পরও প্রশাসন এখন পর্যন্ত কাউকেই গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আমরা অবিলম্বে এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত মূল অপরাধীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
সংবাদ সম্মেলন চলাকালে ঢাকা থেকে আসা প্রতিনিধিদলকে আন্দোলনের উদ্দেশ্য নিয়ে ঝিনাইদহের সংবাদকর্মীরা প্রশ্ন তোলেন। এ সময় ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বার্তা সংস্থা ইউএনবির ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি আসিফ কাজল ও চ্যানেল ২৪-এর জেলা প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন প্রশ্ন করেন, যে ভাস্কর্য নিয়ে আপনারা কথা বলছেন, সেটির অবয়ব বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের সঙ্গে মেলে না এবং স্থানীয়দের দাবির মুখেই এটি সরানো হচ্ছে। তাছাড়া রাস্তার মাঝখানে এটি থাকার কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে এবং চালকদের চলাচলে মারাত্মক অসুবিধা হচ্ছে। যে ভাস্কর্য ভাঙাই হয়নি তা নিয়ে অহেতুক আন্দোলন কেন করা হচ্ছে?’
সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিনিধি দলের আবু সাইদ জানান, তারা ভাস্কর্য ভাঙার বিপক্ষে, সেটা যারই হোক না কেন।
ঝিনাইদহ সদরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল আলিম বলেন, বাস টার্মিনাল এলাকার মোড়ে অবস্থিত উঁচু কাঠামোটির কারণে প্রতিদিন যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল। একপাশের গাড়ি অন্যপাশ থেকে দেখা না যাওয়ায় সেখানে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনায় পড়ছিল যানবাহন ও পথচারীরা। এছাড়া অসমাপ্ত ওই চত্বরটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে থাকায় তা মাদকসেবীদের আস্তানায় পরিণত হয়েছিল এবং চরম নোংরা পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, গত ১৩ জুলাই শহরের ওই মোড়ের চত্বর প্রশস্তকরণ ও বিকৃত কাঠামো অপসারণের কাজ শুরু হয়। পরে এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হলে ১৮ জুলাই অপসারণ কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখে জেলা প্রশাসন।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ মাস্টার ও সাবেক কমান্ডার কামালুজ্জামান বলেন, ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে পূর্বে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের কোনো স্বীকৃত ভাস্কর্য ছিল বলে তাদের জানা ছিল না। তারা বলেন, বীরশ্রেষ্ঠের নামে কোনো স্থাপনা তৈরি করতে হলে তা যথাযথ সম্মান, সঠিক অবয়ব ও নিরাপদ স্থানে হওয়া উচিত। এছাড়া বর্তমান জেলা প্রশাসন আশ্বাস দিয়েছে যে একটি মীমাংসিত ঘটনা নিয়ে পানি ঘোলা করা কাম্য নয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা কামালুজ্জামান অভিযোগ করেন, ‘জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেনের সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাস সত্ত্বেও ঢাকা থেকে এসে সংবাদ সম্মেলন ও ঝিনাইদহ ইস্যু তৈরি করার এই চেষ্টা মূলত দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে ঘোলাটে করার একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্তের অংশ।’
২ দিন আগে
খুলনায় অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার
খুলনা নগরীতে শিবলী হোসেন রুবেল (৪৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) ও সদর থানা পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা।
বুধবার (৬ আগস্ট) রাতে নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহদুজ্জামান মিয়া।
গ্রেপ্তার রুবেল রূপসা উপজেলার ইলাইপুর গ্রামের বাসিন্দা।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ৪ আগস্ট ভোর পৌনে ৪টার দিকে নগরীর দোলখোলা মোতলেবের মোড়ে আব্দুল হক হাওলাদার নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। ওই ঘটনার সূত্র ধরে নগর গোয়েন্দা পুলিশ সিসি টিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্য প্রযু্ক্তির সহায়তায় রুবেলকে নিরালা আবাসিক এলাকার একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। অভিযানের সময় তার শয়নকক্ষ থেকে শপিং ব্যাগের মধ্যে প্যাচানো অবস্থায় একটি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার রুবেল খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ ও আশিক গ্রুপের সদস্য। তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘খুলনায় কোনো সন্ত্রাসীর স্থান হবে না। গ্রেপ্তার রুবেল খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ ও অপর সন্ত্রাসী আশিক গ্রুপের সদস্য। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানায় তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
২ দিন আগে
নড়াইলে ছদ্মবেশে পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার গ্রেপ্তার
নড়াইলের কালিয়ায় অভিনব কৌশলে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার আরোজ আলী শেখকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানের সফলতা নিশ্চিত করতে কালিয়া থানা পুলিশের সদস্যরা দিনভর কৃষক, ভ্যানচালক, হকার ও মুদি দোকানির ছদ্মবেশে এলাকায় অবস্থান করেন।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের জোকারচর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গতকাল (বুধবার) দিনভর সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে থেকে সন্দেহভাজনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করেন পুলিশ সদস্যরা। পরে রাত ৮টার দিকে কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলীর নেতৃত্বে একটি দল উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের জোকারচর গ্রামে পরিকল্পিত অভিযান চালায়। এ সময় নিজ বাড়ি থেকে আরোজ আলী শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, আরোজ আলীর বিরুদ্ধে কালিয়া থানায় ৫টি, নড়াইল সদর থানায় ২টি, খুলনার দিঘলিয়া থানায় ১টি এবং গোপালগঞ্জ সদর থানায় ১টি মামলাসহ ডাকাতি, সন্ত্রাস, অস্ত্র ও চুরির অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের পর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ওসি মো. ইদ্রিস আলী বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
২ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় বিএনপি নেতার ওপর হামলা, বাড়ির ফটকে গুলি-ককটেল বিস্ফোরণ
কুষ্টিয়ায় খোকসা পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। আসন্ন খোকসা পৌরসভা নির্বাচনের মেয়র পদপ্রার্থী ও খোকসা উপজেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক নাফিজ আহমেদ খান রাজুর (৪৫) ওপর সন্ত্রাসী হামলা এবং তার বাড়ির কাছে গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
থানা থেকে মাত্র ৫০ গজের মধ্যে বিএনপি নেতার ওপর এই হামলায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে খোকসা থানাপাড়া এলাকায় নিজের বাড়ির ফটকের সামনে হামলার শিকার হন রাজু।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, রাতে বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে কাজ শেষে বাড়িতে ফিরছিলেন রাজু। বাড়ির ফটকের সামনে পৌঁছালে ৫ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তার গতিরোধ করে পরিচয় জানতে চান। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই তার ওপর চড়াও হয় হামলাকারীরা।
হামলাকারীরা চাপাতি দিয়ে তার পায়ে কোপ দেয় এবং লোহার হাতুড়ি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় রাজুর চিৎকারে পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য হামলাকারীরা ফাঁকা গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পরে দুটি মোটরসাইকেলে চড়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, হামলাকারীরা রাজুর বাড়ির ফটকে অন্তত ১৬ রাউন্ড গুলি এবং কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়।
ঘটনার পরপরই পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় রাজুকে উদ্ধার করে প্রথমে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাত ১২টার দিকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক স্থানান্তরের পরামর্শ দিলে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসারত অবস্থায় বিএনপি নেতা নাফিজ আহমেদ খান রাজু অভিযোগ করে বলেন, ‘সামনে পৌরসভা নির্বাচন। আমি যাতে নির্বাচনে প্রার্থী হতে না পারি, সে জন্যই সন্ত্রাসীরা আমাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালিয়েছে। প্রশাসনের কাছে বারবার নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসীদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি।’
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও খোকসা উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ইসরাত জাহান পুরম জানান, রাজুর চিৎকার শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে তিনি দেখতে পান সন্ত্রাসীরা তার বাড়ির ফটকের সামনে বন্দুকের গুলি ও ককটেল চার্জ করছে। প্রাণে বাঁচতে রাজু দৌড়ে বাড়ির ভেতর আশ্রয় নিলে সন্ত্রাসীরা ফটকের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায় এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। ঘটনার দীর্ঘক্ষণ পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আনোয়ার হোসেন জানান, আহত বিএনপি নেতাকে রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালে আনা হয়। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রাজুর ডান পায়ে ধারালো অস্ত্রের কোপে রক্তাক্ত জখম হয়েছে। এছাড়া ডান হাতের বাহুর দুটি হাড় ও বাম হাতের তিনটি আঙ্গুল ভেঙ্গে গেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা জাকির হোসেন জানান, অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা বিএনপি নেতা রাজুর ওপর আঘাত ও গুলিবর্ষণের চেষ্টা করে পালিয়ে গেছে। বর্তমানে জড়িত সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করতে এবং আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।
২ দিন আগে
ঝিনাইদহে উদ্ধার ১০৬ মোবাইল ও ৬৭ হাজার টাকা ফেরত দিল পুলিশ
ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ১০৬টি মোবাইল ফোন ও প্রতারণামূলকভাবে হাতিয়ে নেওয়া ৬৭ হাজার ৪৫৭ টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মোবাইল ফোন ও টাকা প্রকৃত প্রাপকদের হাতে তুলে দেন ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার (এসপি) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান।
আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,, গত ১ জুলাই থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে কালীগঞ্জ ও ঝিনাইদহ সদর থানার দুটি হত্যা মামলার ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া কোটচাঁদপুর থানার একটি ডাকাতি মামলার ৩ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ছাড়াও সদর থানার একটি দস্যুতা মামলার ১০ আসামিকে গ্রেপ্তার করে লুণ্ঠিত একটি ইজিবাইক ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। কালীগঞ্জ থানার একটি দস্যুতা মামলার ১ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সদর থানার দুটি অপহরণ মামলার দুই ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ও ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ১০৬টি হারানো বা চুরি হওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে ভুলবশত চলে যাওয়া ৬৭ হাজার ৪৫৭ টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের ফেরত দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো, টিকটক ও স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে সাইবার বুলিংয়ের শিকার ২৮ জন ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে নিখোঁজ হওয়া দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার বলেন, ‘সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও জনগণের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও প্রযুক্তিনির্ভরতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সাইবার বুলিং একটি গুরুতর সামাজিক ও আইনি অপরাধ। নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গঠনে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানাচ্ছি।’
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শেখ বিল্লাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. মোসফেকুর রহমান ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
খুলনায় গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী ও শ্বশুর আটক
খুলনা নগরীতে মিতা (১৬) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার স্বামী ও শ্বশুরকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে খানজাহান আলী থানার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গিলাতলা গফফার ফুড মোড় এলাকার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—গৃহবধূর স্বামী মাজহার ও শ্বশুর বাবা সাইফুল ইসলাম।
খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাসার বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সাইফুল ইসলামের পুত্রবধূ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলে ছিল। ঘটনাটি নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে গুঞ্জন শুনতে পেয়ে তার স্বামী ও শ্বশুরকে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত না করে কিছু বলা সম্ভব নয়।
৩ দিন আগে
বেনাপোল সীমান্তে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার স্বর্ণ জব্দ, পাচারকারী আটক
ভারতে পাচারের সময় বেনাপোল সীমান্ত থেকে পাঁচটি স্বর্ণের বারসহ ফারুক হোসেন (৩০) নামে এক পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলদেশ (বিজিবি)। জব্দ করা স্বর্ণের মূল্য অন্তত ১ কোটি ১০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বুধবার (৫ আগস্ট) ভোরে দরগাহ ফিলিং স্টেশন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক ফারুক হোসেন কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার মোবারকপুর গ্রামের বাসিন্দা।
বিজিবি জানায়, গোপন খবরের পাচারকারীর অবস্থান জানতে পেরে বিজিবির একটি দল যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের দরগাহ ফিলিং স্টেশন এলাকা থেকে ফারুক হোসেনকে আটক করে। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ৫টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। জব্দ করা স্বর্ণের ওজন ৫২৯ দশমিক ৬৪ গ্রাম। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি ১০ লাখ টাকা।
স্বর্ণের চালানটি ফারুক ঢাকা থেকে যশোর হয়ে ভারতে পাচারের জন্য বেনাপোল সীমান্তে নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানায় বিজিবি।
যশোর ৪৯ বিজিবির ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, দরগাহ ফিলিং স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক স্বর্ণ পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। জব্দ স্বর্ণের বারগুলো যশোর ট্রেজারি শাখায় জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।
৩ দিন আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আজ বুধবার সকাল থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে দুদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত অন্যান্য দিনের মতো স্বাভাবিক রয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এছাড়া কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে যথারীতি এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, এই বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও দুদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক রয়েছে।
বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে সরকারি ছুটি থাকায় দুদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আগামীকাল সকাল থেকে আবারও এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু হবে।
৩ দিন আগে