খুলনা
লোকলজ্জায় চিকিৎসা শেষ না করেই হাসপাতাল ছাড়লেন সেই সাপুড়িয়া
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় সাপের কামড়ে আহত সাপুড়িয়া ইমরান হোসেন (৩৮) লোকলজ্জার কারণে চিকিৎসা শেষ না করেই হাসপাতাল থেকে স্বেচ্ছায় ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি চলে গেছেন।
রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে তিনি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
আহত ইমরান হোসেন ভেড়ামারা উপজেলার হিড়িমাদিয়া গোরস্থান পাড়ার মোশারফ হোসেনের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ইমরান হোসেন বলেন, ‘আমি এখন সুস্থ আছি। চিকিৎসকের কাছ থেকে স্বেচ্ছায় ছুটি নিয়ে বাড়িতে চলে এসেছি।’
তবে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা না নিয়ে চলে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি কিছুক্ষণ নীরব থেকে বলেন, ‘সাংবাদিকরা খুব জ্বালাচ্ছিল। রাত নেই দিন নেই, এসে সেই এক প্রশ্ন—ওঝা হয়ে সাপের কামড় খেয়ে কেন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। কেউ কেউ আবার আমাকে ভণ্ড প্রমাণের চেষ্টাও করছেন। তাই সবকিছু বিবেচনায় হাসপাতাল থেকে বাড়িতে চলে এসেছি। এখন বাড়িতে থেকেই বাকি চিকিৎসা শেষ করব।’
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ইকবাল হাসান জানান, গতকাল (শনিবার) রাতেই ইমরান কর্তব্যরত চিকিৎসকের কাছে ছুটির আবেদন করেছিলেন। আজ (রবিবার) আবারও ছাড়পত্র চাইলে প্রয়োজনীয় ওষুধ লিখে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ডা. ইকবাল হাসান বলেন, বর্তমানে ইমরান শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। তবে হাসপাতাল ছাড়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন, একজন সাপুড়িয়া হয়ে সাপের কামড়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকা তার কাছে লজ্জাজনক মনে হয়েছে।
এ সময় সাধারণ মানুষের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, সাপে কাটলে ওঝা বা ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় নিয়ে সময় নষ্ট না করে দ্রুত হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নেওয়া উচিৎ।
গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপনগর ইউনিয়নের বাগগাড়ি পাড়া এলাকায় একটি বসতবাড়ি থেকে গোখরা সাপ উদ্ধার করতে গিয়ে সাপের কামড়ে আহত হন ইমরান হোসেন।
নিজেকে সাপুড়িয়া ও ওঝা পরিচয় দেওয়া ইমরান বিভিন্ন স্থান থেকে সাপ ধরার ভিডিও নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে থাকেন।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাতে স্থানীয় আমিরুল ইসলামের বাড়িতে সাপ উদ্ধারের জন্য যান ইমরান। বাড়ির উঠানের মাটি খুঁড়ে গর্ত থেকে একটি গোখরা সাপ বের করার পর সেটিকে ধরার চেষ্টা করেন। এ সময় অসাবধানতাবশত সাপটি তার হাঁটুর ওপর কামড় দেয়। পরে স্থানীয় দুই যুবক দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ব্যাপারে সাপুড়িয়া ইমরান বলেন, আগের দিন বৃহস্পতিবার আমিরুল ইসলামের একমাত্র ছেলে সম্রাট সাপের কামড়ে মারা যান। নিহত সম্রাটের দেড় বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। পেশায় রাজমিস্ত্রী সম্রাটের বয়স ২২ বছর। তার স্ত্রী বর্তমানে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
শুক্রবার সম্রাটের মৃত্যুর পর বাড়িটিতে আবারও সাপ দেখা গেলে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে তাকে খবর দেন। তিনি বলেন, ‘বাড়ির উঠান থেকে প্রথমে তিনটি বাচ্চা সাপ উদ্ধার করি। পরে গর্ত থেকে একটি বড় গোখরা সাপ টেনে বের করার প্রায় দেড় মিনিটের মাথায় অসাবধানতাবশত সেটি আমার হাঁটুর ওপর কামড় বসায়।’
৯ ঘণ্টা আগে
জমে উঠেছে বাগেরহাটের ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী রথের মেলা
বাগেরহাটের লাউপালায় ঐতিহ্যবাহী রথের মেলা জমে উঠেছে। শিশু থেকে শুরু করে নানা বয়সের মানুষের ঢল নেমেছে মেলায়। মাসব্যাপী এই মেলায় গ্রামবাংলার নানা ধরনের পসরা সাজিয়ে বসেছে দোকানিরা। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে থাকে মেলা প্রাঙ্গণ।
মেলায় শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইডস, নানা ধরনের খেলনা, প্রসাধন সামগ্রী, গৃহস্থালী সামগ্রী, আসবাপত্র, বিনোদনের জন্য সার্কাস, নাগোরদোলাসহ নানা জিনিস এসেছে মেলায়। মেলায় ‘বালিশ মিষ্টি’ নামে পরিচিত বড় বড় মিষ্টি বিক্রি হচ্ছে একেকটি ৫০০ টাকায়। মেলা ঘিরে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ রীতিমতো উৎসবে মেতে উঠেছে। মেলা প্রাঙ্গন ছড়াচ্ছে উচ্ছাস আর আনন্দ।
মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেছে, দূরদূরান্ত থেকে ভক্ত, পূণ্যার্থী আর দর্শনার্থীরা এসেছেন মেলা প্রাঙ্গণে। বাবা-মায়ের কোলে চড়ে শিশুরা যেমন এসেছে, তেমনি বৃদ্ধরা এসেছেন লাঠি ভর করে। বিভিন্ন বয়সের মানুষ মেলায় এসেছেন। মেলায় বাগেরহাট জেলার বাসিন্দা ছাড়াও খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল এবং গোপালগঞ্জ থেকে আসা দর্শনার্থীদেরও দেখা মিলেছে।
মেলায় মানুষের ঘোরাঘুরি আর কেনাকাটায় কোনো কমতি নেই। বিক্রি ভালো হওয়ায় দোকানিরা প্রচুর পরিমাণ পসরা সাজিয়ে বসেছেন। মন্দিরের প্রবেশপথ থেকে শুরু করে মূল সড়কের দুই পাশজুড়ে দোকানিদের হরেক রকমের পণ্য শোভা পাচ্ছে। মানুষের মধ্যে উৎসাহ আর উদ্দীপনা মেলা প্রাঙ্গণ ছাপিয়ে আশপাশে গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
পাওনা টাকা চাওয়ায় নড়াইলে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আলিনুর ফকির (৩০) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমড়ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আলিনুর ফকির কুমড়ডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আলিনুর ফকির রাতে ইতনা ইউনিয়নের কুমড়ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় ওই গ্রামের রাজিব শেখের কাছে পাওনা টাকা চাইলে আলিনুরের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রাজিব আলিনুরের পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। তবে অভিযুক্ত রাজিব শেখ পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ও ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১০ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ২
কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুই ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের দেবীনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে
নিহতরা হলেন— একই গ্রামের মৃত চাঁদ আলীর ছেলে ফারুক হোসেন (৪০) ও একই ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের আতিয়ার শেখের ছেলে আব্দুল শেখ (২৫)।
পুলিশ জানায়, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় ছালিম হোসেন ও মিন্টু চৌকিদার গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জের ধরে এই হামলা ও হত্যার ঘটনা। নিহত দুইজন ছালিম হোসেন গ্রুপের সদস্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল (শুক্রবার) বিকেলে দুই গ্রুপের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রাতে বিরোধের জের ধরে মিন্টু চৌকিদারের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছালিম হোসেনের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা ছালিমের অনুসারী ফারুক হোসেন, আব্দুল শেখ ও মুল্লুক মন্ডলকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে প্রতিপক্ষের লোকেরা। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই ফারুক ও আব্দুল শেখ নিহত হন।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় মুল্লুক মন্ডলকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা জাকির হোসেন জানান, স্থানীয় মিন্টু চৌকিদার ও ছালিম হোসেন গ্রুপের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
১ দিন আগে
টানা বৃষ্টিতে বাগেরহাটে সড়ক বিভাগের ৮০ কোটি টাকার ক্ষতি
টানা বৃষ্টিতে বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সড়ক-মহাসড়কের কার্পেটিং (বিটুমিন) ধুয়ে গেছে, ধসে গেছে সড়কের ঢাল (হ্যাজিং) এবং ব্রিজ-কালভার্টের গাইড ওয়াল। একই সঙ্গে চারটি ফেরিঘাটের সংযোগ সড়ক (অ্যাপ্রোচ সড়ক) ধসে গেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে ৮০ কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে সড়ক বিভাগ।
ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে বাগেরহাট সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ের কাছে ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
বাগেরহাট-পিরোজপুর ও সাইনবোর্ড-শরণখোলা-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কসহ ফকিরহাট, চিতলমারী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে সড়কের কার্পেটিং ধুয়ে ইট ও পাথরের খোয়া বেরিয়ে গেছে। রাস্তার মধ্যে ছোটবড় খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। কোনো কোনো খানাখন্দে পানি জমে আছে। এসব এলাকা দিয়ে যানবাহন চলাচলের সময় খানাখন্দে পড়ে যাচ্ছে। গাড়ি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চালকরা ধীরগতিতে যানবাহন চালাচ্ছেন।
এছাড়া বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় সড়কের ঢাল (হ্যাজিং) ধসে যাওয়ায় কোনো কোনো স্থানে সড়কের অংশবিশেষ ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
বাগেরহাট সড়ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় মোট ৪৪২ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি জাতীয় মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ১০১ কিলোমিটার, ১১টি আঞ্চলিক মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ১১০ কিলোমিটার এবং ১৪টি জেলা মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ২২৮ কিলোমিটার। টানা বৃষ্টির কারণে এর মধ্যে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সড়ক বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
২ দিন আগে
বাগেরহাটে ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী লাউপালায় জগন্নাথদেবের রথযাত্রায় পূণ্যার্থীদের ঢল
বাগেরহাটের প্রায় ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী শ্রীপাট লাউপালায় শ্রী শ্রী গোপাল জিউর মন্দিরে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশাল কাঠের রথে জগন্নাথদেবের সঙ্গে তার ভাই বলরাম এবং বোন সুভদ্রাকে বসিয়ে সুসজ্জিত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুর সোয়া ১টার দিকে পূণ্যার্থীরা রথের দড়ি টেনে সামনের চত্ত্বরে নিয়ে আসেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, রথের দড়ি স্পর্শ করলে অসীম পূণ্যলাভ এবং জন্ম জন্মান্তরের সমস্ত পাপ নাশ হয়। এই বিশ্বাস নিয়ে নানা বয়সের শত শত নারী-পুরুষ রথ উৎসবে অংশ নেন। প্রতিবছরের মতো এ বছরও দূরদূরান্ত থেকে অসংখ্য পূণ্যার্থী এই রথযাত্রায় অংশ নিয়েছেন।
লাউপালায় রথযাত্রা উপলক্ষে মাসব্যাপী গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মেলা বসেছে। মেলায় হস্ত ও কুটির শিল্প, মৃৎশিল্পসহ রকমারি পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা।
এছাড়া বাগেরহাট শহরের রাধাগোবিন্দ মন্দির থেকে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা বের করা হয়। এরপর পূণ্যার্থীরা রথ টেনে শালতলাস্থ শ্রী শ্রী হরিসভা মন্দিরে নিয়ে আসেন।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
আগমী ২৪ জুলাই উল্টো রথযাত্রার মধ্যে দিয়ে জগন্নাথদেব মন্দিরে ফিরে আসবেন। রথযাত্রা শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে যাতে অনুষ্ঠিত হয়, সেজন্য বাগেরহাট জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
৩ দিন আগে
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে কুষ্টিয়ায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে কুষ্টিয়ায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের জিরো পয়েন্ট মজমপুর এলাকায় জড়ো হয়ে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।
শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধের ফলে কুষ্টিয়ার ব্যস্ততম এই সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে কুষ্টিয়া-বটতৈল ও কুষ্টিয়া-ত্রিমোহনী সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন।
বিক্ষোভ চলাকালে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক স্লোগান দেন। এ সময় ‘তুমি কে, আমি কে? ফার্মের মুরগি, ফার্মের মুরগি’ স্লোগানও দিতে দেখা যায়। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলে জানান তারা।
আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—বন্যা ও জলাবদ্ধতার প্রভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাখা, ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগ।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থী তাসনিম রহমান বলেন, ভারী বৃষ্টি আর বন্যার মধ্যে আমরা কীভাবে স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষা দেব? অনেক সহপাঠী কেন্দ্রে পৌঁছাতেই পারেনি। অথচ আমাদের দুর্ভোগের সমাধান না করে উল্টো দায়িত্বহীন মন্তব্য করা হয়েছে। আমরা ফার্মের মুরগি নই যে খাঁচায় বন্দি থেকে সব মেনে নেব। আমাদের যৌক্তিক দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।
আরেক পরীক্ষার্থী মো. সাব্বির হোসেন বলেন, ১৩ জুলাইয়ের বৈরী আবহাওয়ায় আমাদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা শুধু একটা পরীক্ষা নতুন করে নিয়ে পুষিয়ে দেওয়া যাবে না। জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক যে ধকল গেছে, তা শিক্ষামন্ত্রীর বোঝা উচিত ছিল। আমরা পূর্ণাঙ্গ আশ্বাস ও আমাদের তিন দফা দাবির বাস্তবায়ন চাই।
এদিকে, আন্দোলন শুরুর আগে পরীক্ষার্থীদের নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে তিনি গত সোমবার (১৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের পরীক্ষা পুনরায় নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাসের আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান এবং যুক্তিবিদ্যা পরীক্ষার সময় বৃষ্টি ছিল। অনেকে ভিজেছে এবং অনেকে সঠিকভাবে পরীক্ষা দিতে পারেনি—এমন অভিযোগ এসেছে। যদিও আমরা সব সময় পর্যবেক্ষণের মধ্যে ছিলাম, তারপরও শিক্ষার্থীদের দাবি এসেছে এ পরীক্ষাটি নিয়ে। ইতোমধ্যে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের সব জেলার পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছি, আমাদের পুনরায় পরীক্ষা নিতে হবে। এক্ষেত্রে আমরা ভেবেচিন্তে দেখেছি, চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা যখন নিতে যাব—পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা, সে সময় আমরা এ পরীক্ষাটি পুনরায় নেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারব ইনশাআল্লাহ।
তবে শিক্ষামন্ত্রীর এ ঘোষণার পরও আন্দোলন প্রত্যাহার করেননি শিক্ষার্থীরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কুষ্টিয়ার মজমপুর মোড়ে তাদের অবরোধ ও বিক্ষোভ চলছিল। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি, খুলনা প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ
খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন খুলনা প্রেসক্লাবের নেতারা।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর জাতিসংঘ শিশুপার্কের পশ্চিম পাশের একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী এক পথচারী বলেন, প্রতিদিন অফিসের কাজ শেষে রাত ১০টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঐ দোকানের পাশে চেয়ারে বসে কয়েকজন সাংবাদিক আড্ডা দেন। আজও এখানে বসে ৬ জন সাংবাদিক গল্প করছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলযোগে আসা দুই যুবক তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন, তবে গুলিটি চেয়ারের পায়ায় বিদ্ধ হয়।
এসএ টিভির সাংবাদিক মতি বলেন, রাতে আমরা কয়েকজন সাংবাদিক এখানে আাড্ডা দিচ্ছিলাম। হঠাৎ করে দুজন যুবক আমাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে চেয়ারে বিদ্ধ হয়। এ ঘটনার পর পুলিশে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে দ্রুত পুলিশ আসে।
দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সৈয়দ রানা কবির বলেন, দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলিটি চেয়ারে বিদ্ধ হয়। এর একটি স্প্রিন্টার সাংবাদিক আওয়ালের বুকে লেগে কিছু অংশ ছিলে যায়। তবে তিনি সুস্থ আছেন।
এদিকে, এ ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন খুলনা প্রেসক্লাবের নেতারা। যাদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে, তাদের মধ্যে খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্যসচিব ও স্টার নিউজের খুলনা ব্যুরো প্রধান রাফিউল ইসলাম টুটুল, প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য ও এসএ টিভির খুলনা প্রতিনিধি রকিবুল ইসলাম মতি এবং ক্লাবের অস্থায়ী সদস্য ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার খুলনা ব্যুরো প্রধান আওয়াল শেখ উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় সাংবাদিক অওয়াল আহত হয়েছেন।
এক বিবৃতির মাধ্যমে সাংবাদিকদের ওপর গুলি করার ঘটনার সঙ্গে জড়িদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান প্রেসক্লাবের নেতারা।
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অপরাধীরা যেন পার পাওয়ার সুযোগ না পায়। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নির্ভয়ে, নিরাপদ পরিবেশে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিও আহ্বান জানান তারা।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে বুলেটের অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর আমার জানা নেই। কী কারণে এখানে গুলির ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
৪ দিন আগে
গড়াই সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ তরুণীর, ’পালিয়েছেন’ স্বামী
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর গড়াই নদীর সংযোগ সেতু থেকে ঝাঁপ দেওয়া শরমিলা খাতুন (২১) নামের এক কলেজ শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ তিন ঘণ্টা পর জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। বর্তমানে তিনি কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী-যদুবয়রা এলাকায় গড়াই নদীর সংযোগ সেতু থেকে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন।
উদ্ধার হওয়া শরমিলা খাতুন উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের হোগলা গ্রামের আশিকুর রহমানের স্ত্রী এবং কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের স্নাতকের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পারিবারিক সূত্র জানায়, গতকাল (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় স্বামীর সঙ্গে সেতুর ওপর যান শরমিলা। এর একপর্যায়ে তিনি সেতু থেকে নিচে গড়াই নদীতে ঝাঁপ দেন। ঘটনার পর শরমিলার স্বামী আশিকুর রহমান কিছুক্ষণ ঘটনাস্থলে ছিলেন। এরপর তিনি আত্মগোপন করায় এলাকায় নানা গুঞ্জন ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শরমিলার দুলাভাই রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনা জানার পর স্থানীয়রা নৌকা নিয়ে নদীতে তল্লাশি শুরু করেন। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর মুলগ্রাম এলাকায় শরমিলাকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে অসুস্থ অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।
কুমারখালী ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। খুলনার ডুবুরি দলকেও জানানো হয়। তবে এর মধ্যেই পুলিশের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়, ওই শিক্ষার্থী নদীর স্রোতে ভাসতে ভাসতে কিনারায় এসে পৌঁছেছেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। আমরা হাসপাতালে গিয়ে তাকে দেখে এসেছি।
ঘটনার বিষয়ে কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, গড়াই সেতু থেকে ঝাঁপ দেওয়া কলেজ শিক্ষার্থীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার সময় তার স্বামীর উপস্থিত থাকা এবং পরবর্তীতে তার উধাও হওয়ার বিষয়টি আমরা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছি।
এদিকে, কলেজ শিক্ষার্থীর ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় এবং তার স্বামীর আকস্মিক পালিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
৪ দিন আগে
ঝগড়ার জেরে স্বামীর খুনের ঘটনা ফাঁস করলেন নারী, দুজনেই আটক
খুলনার হরিণটানা এলাকায় প্রায় ৫ মাস আগে নিখোঁজ হওয়া ইজিবাইকচালক মারুফের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এক দম্পতিকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে হরিণটানা থানার রেলব্রিজ ব্লু ওয়েল আবাসিক এলাকায় মুরাদ মোল্লার বাড়ির সামনে মাটি খুঁড়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
আটকরা হলেন—মুরাদ মোল্লা ও তার স্ত্রী ফাল্গুনী খাতুন।
হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ হোসেন মিলন বলেন, রেলসেতু-সংলগ্ন আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মুরাদের সঙ্গে তার স্ত্রী ফাল্গুনীর প্রায়ই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রায় কলহ বাঁধত। আজ (সোমবার) সকালে মুরাদ স্ত্রী ফাল্গুনীকে মারধর করলে তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে থানা পুলিশকে অবগত করেন এবং মারুফ হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশকে তথ্য দেন। একপর্যায়ে তিনি পুলিশকে জানান, তার স্বামী মারুফ নামে এক ইজিবাইকচালককে হত্যা করে তার ইজিবাইক ছিনতাই করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি মারুফের ইজিবাইক বিক্রি করে দেন। ঘটনা শুনে পুলিশ দ্রুত ওই এলাকায় গিয়ে তার স্বামী মুরাদ মোল্লাকে আটক করে। পরে তাদের দেখানো স্থান থেকে চালক মারুফের মরদেহ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।
তিনি বলেন, চালক মারুফ আসামিদের পূর্ব পরিচিত। গত রমজানের কোনো একদিন রাতে মারুফকে ফোন করে তাদের বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। পরে তাকে গাড়িতে বসা অবস্থায় পেছন থেকে দড়ি বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। ওই দিন রাতেই বাড়ির উঠানে তাকে মাটিতে পুঁতে রাখা হয়। এরপর তার ইজিবাইকটি ভেঙে টুকরো টুকরো করে বিক্রি করে দেন তারা।
ওসি আরও জানান, ইজিবাইকের একটি নম্বর প্লেট পাওয়া গেছে। অনুসন্ধান করে জানা গেছে, ইজিবাইকটি খালিশপুর থানার ৪/১ মুজগুন্নী মেইন রোডের বাসিন্দা মোল্লা মো. মোস্তফার। এ নিয়ে আটক দম্পত্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
৬ দিন আগে