আইনশৃঙ্খলা
পাঁচ দিনের রিমান্ডে মেজর সাদিকের স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিন
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গেরিলা প্রশিক্ষণের ঘটনায় রাজধানীর ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় মেজর সাদিকের স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার(৭ আগস্ট) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।
এর আগে, মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মো. জেহাদ হোসেন আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীনসহ অনেকেই রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুল হক দিদার ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল কাইয়ুম নয়ন রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আরও পড়ুন: আ.লীগ নেতাকর্মীদের প্রশিক্ষণ: মেজর সাদেকের স্ত্রী গ্রেপ্তার
এর আগে বুধবার (৬ আগস্ট) মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে সুমাইয়া জাফরিনকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)
অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গেরিলা প্রশিক্ষণে অংশ দেওয়ার সময় মেজর সাদিকের সঙ্গে অংশ নিতেন তার স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিন।
এ ঘটনায় সাদিককে হেফাজতে নেয় সেনাবাহিনী। পরে তার স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ। পরে ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
৩৬১ দিন আগে
আ.লীগ নেতাকর্মীদের প্রশিক্ষণ: মেজর সাদেকের স্ত্রী গ্রেপ্তার
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গেরিলা প্রশিক্ষণের ঘটনায় মেজর সাদেকের স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিনকে ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে ঢাকা সিএমএম আদালতে তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উত্তর বিভাগের যুগ্ম কমিশনার রবিউল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ভাটারা থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সুমাইয়া জাফরিনকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, গতকাল বুধবার রাতে ডিবির একটি দল তাঁকে হেফাজতে নেয়। পরে তাঁকে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: আ. লীগ কর্মীদের প্রশিক্ষণের অভিযোগে মেজর সাদিক সেনা হেফাজতে: সদর দপ্তর
এর আগে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার কাছে একটি কনভেনশন সেন্টারে গোপন বৈঠক ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের ২২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় একটি মামলা করা হয়, যার তদন্ত করছে গোয়েন্দা পুলিশ। সেই মামলায় সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
গত ১ আগস্ট আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, ১৭ জুলাই অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাকে রাজধানীর উত্তরার নিজ বাসা থেকে আটক করে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়। ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের লক্ষ্যে একটি তদন্ত আদালত গঠন করা হয়েছে এবং প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ওই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হচ্ছে।
৩৬১ দিন আগে
অর্থ পাচারের মামলায় ১০ বছরের সাজা থেকে জি কে শামীম খালাস
অর্থ পাচারের মামলায় ১০ বছরের সাজা থেকে আলোচিত ঠিকাদার ও সাবেক যুবলীগ নেতা জি কে শামীমকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। তার আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি করে বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মবিন ও বিচারপতি জাবিদ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) এ রায় দেন।
আদালতে জি কে শামীমের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হেমায়েত উল্লাহ।
এর আগে ২০২৩ সালের ১৭ জুলাই অর্থ পাচার আইনের মামলায় আলোচিত ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন অধস্তন আদালত। এ ছাড়া তার সাত দেহরক্ষীকে চার বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজা ছাড়াও তাদের ৩ কোটি ৮৩ লাখ ৩৫ হাজার ৮১৪ টাকা জরিমানা করা হয়। ৬০ দিনের মধ্যে এ জরিমানা পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত এক বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।
ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেছিলেন, ‘অস্ত্রবাজ, টেন্ডারবাজ ও অর্থ পাচারকারীদের কোনো আদর্শ নেই। তারা কোনো আদর্শ লালন করে না। তবে আদর্শকে ব্যবহার করে রাতারাতি অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করে এবং দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেয়। তারা দেশ ও জাতির শত্রু। দেশের চলমান উন্নয়ন ও জাতীয় স্বার্থে তাদের সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে।’
পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন জি কে শামীম। আজ সেই আপিলের ওপর রায় দেন হাইকোর্ট। এর আগে, ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের মামলায় জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।
আরও পড়ুন: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ: জি কে শামীম ও তার মায়ের বিচার শুরু
২০১৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর র্যাব-১–এর নায়েব সুবেদার মিজানুর রহমান গুলশান থানায় অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন। ২০২০ সালের ৪ আগস্ট সিআইডির ইকোনমিক ক্রাইম স্কোয়াডের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ আটজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। ওই বছরের ১০ নভেম্বর বিচার শুরু হয়।
গত ১৫ জুন আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ২৫ জুন রায়ের দিন ধার্য করা হয়। তবে ওই দিন রায় না দিয়ে ১৭ জুলাই (গতকাল) দিন ধার্য করেন আদালত।
২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে জি কে শামীমের বাড়ি ও অফিসে র্যাব অভিযান চালিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর, ১ কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এবং মদ জব্দ করে।
৩৬১ দিন আগে
সাবেক বেরোবি ভিসি ড. কলিমউল্লাহ গ্রেপ্তার
দুদকের মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে, ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রতারণা, জালিয়াতি করে সরকারের চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ১৮ জুন ড. কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
ওই মামলার অন্য আসামিরা ছিলেন—বেরোবির সাবেক উপাচার্য ও প্রকল্প পরিচালক ড. এ কে এম নূর-উন-নবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, ঠিকাদার মো. আবদুস সালাম বাচ্চু ও এম এম হাবিবুর রহমান।
এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ওই বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপি উপেক্ষা করে নকশা পরিবর্তন, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া ৩০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের চুক্তি সম্পাদন, ঠিকাদারের রানিং বিল থেকে কেটে রাখা নিরাপত্তা জামানতকে এফডিআর হিসেবে ব্যাংকে জমা এবং ওই এফডিআর লিয়েনে রেখে ঠিকাদারকে লোন দেওয়ার জন্য ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ অনুমোদন তথা গ্যারান্টর হয়ে সরকারের ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়। গতকাল দুদক মহাপরিচালক ও মুখপাত্র মো. আক্তার হোসেন এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
আরও বলা হয়, ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তিতে অগ্রিম অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা না থাকার পরও ঠিকাদারকে আর্থিক সহযোগিতার কারণ দেখিয়ে ব্যাংক গ্যারান্টি গ্রহণ করে অগ্রিম বিল প্রদান করা হয়েছে। অগ্রিম হিসেবে দেওয়া বিল সমন্বয়ের আগেই বিলের বিপরীতে প্রদত্ত ব্যাংক গ্যারান্টিগুলো অবমুক্ত করা হয়। প্রথম পরামর্শক প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত ড্রইং বা ডিজাইন না মেনে সরকারি খাতে ক্রয় পদ্ধতির বিধি বহির্ভূতভাবে দ্বিতীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া, অস্বাভাবিক হারে মূল্য দাখিল বা ফ্রন্ট লোডিং থাকা সত্ত্বেও পিপিআর-২০০৮ এর বিধান অনুযায়ী দরপত্র মূল্যায়ন সম্পন্ন না করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
৩৬১ দিন আগে
যশোরে থানায় অনধিকার প্রবেশ ও হুমকির অভিযোগে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার
যশোরের কেশবপুর থানায় অনধিকার প্রবেশ, কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাকে হুমকি এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠন পেশাজীবী পরিষদের কেশবপুর উপজেলা সভাপতি ও আইনজীবী অজিয়ার রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (৬ আগস্ট) সকালে যশোর শহর থেকে তাকে আটক করা হয়। কেশবপুর পৌর জামায়াতের আমির জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, অজিয়ার রহমান জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত। তিনি ছাত্রশিবিরের যশোর জেলা পূর্ব শাখার সাবেক সভাপতি ছিলেন।
জানা যায়, কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মকলেসুর রহমান বাদী হয়ে গত রবিবার অজিয়ারের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। এরপর বুধবার সকালে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
এসআই মকলেসুর জানান, অজিয়ারের চাচাতো ভাই শহিদুল ইসলামের নামে একটি মামলা দায়ের করা হয়, যা নিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ হন। এ কারণে তিনি থানায় প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় হুমকি ও পুলিশি কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ঘটনাটির একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অজিয়ার রহমান থানায় উপস্থিত এক পুলিশ কর্মকর্তাকে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে অপমান করছেন। ভিডিওতে তিনি পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি আওয়ামী লীগের লোকের মতো আচরণ করছেন। জবাবে কর্মকর্তা বলেন, আমি কেন রাজনীতি করব?
এ বিষয়ে জামায়াত নেতাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া না জানানো হলেও কেশবপুর পৌর জামায়াতের আমির জাকির হোসেন বলেছেন, থানায় গিয়ে হুমকি দেওয়া ঠিক হয়নি, এটি তার (অজিয়ার রহমানের) ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার প্রক্রিয়া অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩৬২ দিন আগে
শুক্রবার থেকে যমুনা ও সচিবালয় সংলগ্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
বাংলাদেশ সচিবালয়, প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা ও আশপাশের এলাকায় যেকোনো সভা, সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (সংলগ্ন এলাকাসহ) এবং প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় (হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং ও মিন্টু রোড ক্রসিং এর মধ্যবর্তী এলাকা) যেকোনো প্রকার সভা, সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল, মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট, শোভাযাত্রা ইত্যাদি নিষিদ্ধ করা হলো।
পড়ুন: অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছরে বাধ্যতামূলক অবসরে ২৯ কর্মকর্তা, পদোন্নতি পেয়েছেন ১৫৪৯ জন
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ ১৯৭৬’র ২৯ ধারায় বর্ণিত অর্পিত ক্ষমতাবলে আগামী শুক্রবার (৮ আগস্ট) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই আদেশ বহাল থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এর আগেও চলতি বছরের ১০ মে ডিএমপি যমুনা ও সচিবালয় সংলগ্ন এলাকায় সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।
৩৬২ দিন আগে
হাসনাত, সারজিস, জারাসহ এনসিপির পাঁচ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারাসহ দলটির শীর্ষ পাঁচ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৬ আগস্ট) এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত পৃথক পাঁচটি বিজ্ঞপ্তিতে এই নোটিশ দেওয়া হয়।
নোটিশে বলা হয়েছে, ৫ আগস্ট ‘জুলাই অভ্যুত্থান দিবস’ রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হওয়ার দিনে উপস্থিত না থেকে ওই পাঁচ নেতা ব্যক্তিগত সফরে কক্সবাজারে যান। তবে এই সফরের বিষয়ে তারা দলের রাজনৈতিক পর্ষদকে কোনো তথ্য কিংবা ব্যাখ্যা দেননি।
আরও পড়ুন: এনসিপির প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে: নুর
এ কারণে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা এবং যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসে উপস্থিত না থেকে কক্সবাজার সফরের সিদ্ধান্তের কারণ ও প্রেক্ষাপট সম্পর্কে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেনের সামনে সশরীরে হাজির হয়ে এ ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
৩৬২ দিন আগে
প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়েকে হত্যা, বাবাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজ মেয়ে মীরা আক্তার আছমাকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (৬ জুলাই) দুপুরে আসামিদের অনুপস্থিতিতে কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ নুরুল আমিন বিপ্লব এ রায় দেন।
আসামিরা হলেন— করিমগঞ্জ উপজেলার ভাটিয়া গ্রামের জহিরকোনা এলাকার নিহত মীরা আক্তার আছমার বাবা আনোয়ারুল ইসলাম ওরফে আঙ্গুর মিয়া, চাচা খুরশিদ মিয়া ও চাচাতো ভাই সাদেক মিয়া।
এই ঘটনায় অপর আসামি আছমার মা মোছা. নাজমুন্নাহারকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য আনোয়ারুল ইসলাম ওরফে আঙ্গুর মিয়া, খুরশিদ মিয়া, সাদেক মিয়া ও নাজমুন্নাহার দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করছিল।
আরও পড়ুন: যশোরে ইজিবাইক চালক হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
২০১৬ সালের ১০ অক্টোবর রাতে আনোয়ারুল ইসলাম তার বাড়ির পাশে নুরুল ইসলামের পতিত জমিতে বাঁশঝাড়ের নিছে অপর আসামিদের সঙ্গে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে তার নিজ মেয়ে আছমাকে জবাই করে হত্যা করে। হত্যার পরে আসামিরা প্রতিপক্ষের নামে করিমগঞ্জ থানা একটি হত্যা মামলা করে।
তবে মামলার তদন্তে বের হয়, প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য মামলার বাদীরাই তাদের মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করে। পরে করিমগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অলক কুমার দত্ত বাদী হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ ৬ আগস্ট এই রায় দেন আদালত।
আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অনামিকা রেজা রোজি ও রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন এপিপি মাজহারুল ইসলাম।
৩৬২ দিন আগে
মিঠামইনে ডিবি হারুনের ফুপা আ. লীগ নেতা ওমর ফারুক গ্রেপ্তার
কিশোরগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার মিছিলে হামলার ঘটনায় সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদের ফুপা ও আওয়ামী লীগ নেতা ওমর ফারুককে (৫৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৪ আগস্ট) ৮টার দিকে ওমর ফারুক চৌধুরীকে তার মিঠামইন সদর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে মিঠা মইন পুলিশ।
সূত্র জানায়, গত বছর কিশোরগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ছাত্র-জনতার মিছিলে হামলার ঘটনায়, চলতি বছর ৮ ফেব্রুয়ারি কিশোরগঞ্জ সদর থানায় দায়ের করা একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ওমর ফারুক চৌধুরী।
আরও পড়ুন: হিন্দুপল্লিতে হামলার উসকানি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক ৩ দিনের রিমান্ডে
সোমবার(৪ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে গ্রেপ্তার করে তাকে কিশোরগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ওমর ফারুক চৌধুরী মিঠামইন সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদের ফুপা।
এই সত্যতা নিশ্চিত করেন মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবীর।
৩৬৩ দিন আগে
খুলনায় ৪৮ ঘণ্টায় ৩ খুন, পুলিশের দাবি ‘টার্গেট কিলিং’
খুলনায় গত শুক্রবার রাত থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় তিনজন খুন এবং একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। হত্যাকাণ্ড যারা ঘটিয়েছেন তারা চিহ্নিত সন্ত্রাসী বলে দাবি উঠলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন তারা।
এসব হত্যাকাণ্ডকে ‘টার্গেট কিলিং’ বলে অভিহিত করেছে পুলিশ। তবে এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কেউ গ্রেপ্তার না হওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পুলিশসহ স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (১ আগস্ট) রাতে নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে খুন হন সোনাডাঙ্গা থানাধীন সবুজবাগ এলাকার মনোয়ার হোসেন টগর নামের এক যুবক। দুর্বৃত্তরা ওই রাতে টগরের বাড়ির দরজার কড়া নেড়ে তার সঙ্গে ৫ মিনিট ধরে কথোপকথনের একপর্যায়ে বুকে ছুরিকাঘাত করে তাকে হত্যা করে।
পরে বাড়ির আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে আসামিদের শনাক্ত করতে পারলেও তাদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় টগরের বাবা জামাল হাওলাদার সাত আসামির নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
পুলিশ ও সবুজবাগ এলাকার স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, টগর স্থানীয় কয়েকজন সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারির সঙ্গে চলাফেরা করতেন। পরিবারের পক্ষ থেকে সন্ত্রাসী কার্যকালাপ থেকে দুরে থাকার জন্য তাকে বারবার বলা হলেও সে কর্ণপাত করেননি।
ঘটনার দিন রাতে তিনটি মোটরসাইকেলযোগে সাতজন ব্যক্তি তাদের বাড়িতে প্রবেশ করেন। তারা সবাই টগরের পরিচিত বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: খুলনায় ঘের ব্যবসায়ীকে গলাকেটে হত্যা
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, টগরের কাছে ওই সন্ত্রাসীরা টাকা পেত। সেই টাকা পরিশোধের জন্য সন্ত্রাসী একটি গ্রুপ তাকে প্রায়ই চাপ দিত। সেই টাকা পরিশোধ না করায় টগরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম নিহত টগরের স্ত্রীর বরাত দিয়ে বলেন, টগর আগে খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর ‘বি’ কোম্পানির সদস্য ছিলেন। পরে তিনি পলাশ-কালা লাভলুর গ্রুপে যোগ দেন। মাদক কারবারের টাকা নিয়ে সন্ত্রাসীরা তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া দুর্বৃত্তরা নিজেদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ রাখায় তাদের অবস্থান শনাক্ত এবং গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছে না।
এদিকে সেদিনই শেষ রাতের দিকে দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর গ্রামে খুন হন ভ্যানচালক আলামিন সিকদার।
ঘটনা প্রসঙ্গে থানার ওসি এইচ এম শাহীন বলেন, স্ত্রী রিপা বেগমের দ্বিতীয় স্বামী ছিলেন আলামিন সিকদার। প্রথম স্বামী আসাদুলের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার কারণে আলামিন রিপাকে বিয়ে করেন। আর এর জেরে ভোরে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয় আলামিনকে।
নিহতের ভাই ফারুক সিকদার এ ঘটনায় আসাদুলের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই-তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করেন। ওসি জানান, আসাদুলকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
অন্যদিকে, রবিবার (৩ আগস্ট) রাত পৌনে ৮ টার দিকে নগরীর ২ নম্বর কাস্টমঘাট এলাকার একটি সেলুনের সামনে অবস্থান নেওয়া যুবক সোহেলকে লক্ষ্য করে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। মোটরসাইকেলযোগে আসা সন্ত্রাসীদের মাথায় হেলমেট এবং মুখ ঢাকা ছিল। সন্ত্রাসীদের ছোড়া একটি গুলি সোহেলের পেটে বিদ্ধ হয়। তিনি বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ প্রসঙ্গে খুলনা উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো: আবু তারেক বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। আমরা বিভিন্নস্থান থেকে বিভিন্ন ধরনের তথ্য পাচ্ছি। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। রাতে শহরের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন স্থানে টহল বাড়ানো হয়েছে। স্পর্শকাতর স্থানে চেকপোষ্ট বসানো হয়েছে। আমাদের অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কেএমপি পুলিশ কমিশনার জুলফিকার আলী হায়দার।’
একই রাতে নগরীর মহেশ্বরপাশা উত্তর বণিকপাড়া এলাকার খানাবাড়ির সামনে গলা কেটে হত্যা করা হয় ঘের ব্যবসায়ী আলামিনকে। ঘটনার ১২ ঘণ্টার বেশি সময় অতিবাহিত হলেও এ ঘটনায়ও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
দৌলতপুর থানার ওসি মীর আতাহার আলী বলেন, সোমবার (৪ আগস্ট) সকালে নিহতের ভাই আওলাদ হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন।
তিনি জানান, ঘটনাস্থলে আশপাশের সিসি ক্যামেরাগুলো নষ্ট থাকায় খুনিদের শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। ঘটনার রাতেই আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালিয়েছে।
আরও পড়ুন: খুলনায় ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যা
এদিকে গত কয়েকমাস ধরে খুন, রাহাজানিসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব আ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার।
তিনি বলেন, ‘গত বছর রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হওয়ার পর অনেক চিহ্নিত সন্ত্রাসী জেল থেকে বেরিয়ে গেছে। লুট হওয়া অস্ত্রও উদ্ধার হয়নি। তাদের গ্রেপ্তার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। এ ছাড়া রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর পুলিশ প্রশাসনের কাঠামো ভেঙে পড়েছে। বর্তমান অর্ন্তবর্তী সরকার তাদেরকে কাউন্সিলের মাধ্যমে মনোবল ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে। পুলিশের কার্যক্রম যেন দায়সারা। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রুখতে পুলিশকেই দায়িত্ব নিতে হবে।’
সার্বিক বিষয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) খন্দকার হোসেন আহম্মদ বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডগুলো টার্গেট কিলিং। পুলিশের একার পক্ষে এসব নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। বিভিন্ন সময় খুনিদের গ্রেপ্তার করা হয়, কিন্তু আদালতের মাধ্যমে তাদের আবারও জামিন হয়ে যায়।’
৩৬৪ দিন আগে