প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
ভূমিকম্প প্রস্তুতিতে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন ও এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সাড়া ও উদ্ধার কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন এবং ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৪টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার জন্য এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত, তাদের প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় জানানো হয়, ইতোমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ডাটাবেজ প্রস্তুত করা হয়েছে। বাকি ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকও শিগগিরই অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
বৈঠকে ভূমিকম্প মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ক একটি বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ছাড়া সম্ভাব্য দুর্যোগের সময় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার উপায় এবং ঢাকা শহরে হিউম্যানিটারিয়ান স্টেজিং এরিয়া (এইচএসএ) বা মানবিক সহায়তা প্রস্তুতি কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা হয়।
সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৫ দিন আগে
প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে গুণগত পরিবর্তন আনতে সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর তদারকি ও সময়োপযোগী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধান এবং মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী অভিজ্ঞ শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পর্যালোচনা সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, শিক্ষা নীতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী এসব কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সভায় শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, কার্যকর পাঠদান, শিক্ষকদের যুগোপযোগী ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।
এ সময় মাঠপর্যায়ে কর্মরত অভিজ্ঞ শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। তারা শিক্ষাক্ষেত্রের বাস্তব চিত্র, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শোনেন এবং নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে গুণগত পরিবর্তন আনতে সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর তদারকি এবং সময়োপযোগী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অব্যাহত থাকবে।
পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা, পেশাদারত্ব ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
৬ দিন আগে
জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ ও দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
জাপানি ভাষা শেখার সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে আরও বেশি দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষতা প্রশিক্ষণেও জাপানের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলাকে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়।
তিনি মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষতা প্রশিক্ষণে জাপানের সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি এবং পরিবহন খাতে আরও বেশি দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের অনুরোধ জানান। বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণের সুযোগ আরও সম্প্রসারণেরও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান। সেই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের মতো আরও একটি শিল্প পার্ক স্থাপনে জাপান আগ্রহী হলে বাংলাদেশ সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলেও জানান তিনি।
পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া বৈঠকে আগামী ১৬ ডিসেম্বর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন এবং চলমান ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) প্রকল্পের অগ্রগতিসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়।
এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
জাপানের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দেশটির ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলবিষয়ক সহকারী ভাইস মিনিস্টার নাকায়ামা রিয়েকো, জাপানের সিভিল এভিয়েশন ব্যুরোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি।
৬ দিন আগে
দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন প্রস্তুতকারকদের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
আধুনিক স্বাস্থ্য প্রযুক্তির উন্নয়নে গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভেন্টিলেটর ও একটি হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন প্রস্তুতকারকদের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই দুটি মেশিন ব্যবহারোপযোগী ও বাজারজাত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত এক বৈঠকে তিনি এ আশ্বাস দেন।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, সভায় সংশ্লিষ্টরা দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি দুটি চিকিৎসা যন্ত্রের কার্যকারিতা, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে সরকার গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মান যাচাই এবং উৎপাদনের ক্ষেত্রে সরকার সহযোগিতা দেবে।
আলাদা দুইটি বিশেষজ্ঞ দল ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন তৈরি করেছে বলে সভায় জানানো হয়। সভায় সংশ্লিষ্টরা আরো জানান, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এগুলো দেশের সব হাসপাতালে ব্যবহারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানি করা যাবে। দেশীয়ভাবে উৎপাদিত হওয়ায় যন্ত্র দুটি তুলনামূলক কম খরচে বাজারজাত করা সম্ভব হবে, যা স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সাশ্রয়ী করতে ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই দুটি চিকিৎসা যন্ত্র সফলভাবে উৎপাদন ও ব্যবহার শুরু হলে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমবে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
বিশেষজ্ঞরা জানান, ভেন্টিলেটর মেশিনটি গুরুতর শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম। এ কারণে এর নিরাপত্তা, কার্যকারিতা ও আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।
অন্যদিকে হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিনটি শ্বাসতন্ত্রের সাধারণ সমস্যাজনিত রোগীদের জন্য ব্যবহার উপযোগী। এই যন্ত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই ব্যবহার করা যায়। ফলে বিদ্যুৎ-সুবিধাবঞ্চিত এলাকা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে রোগী পরিবহনের সময় অ্যাম্বুলেন্সেও এটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যাবে।
সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রো ভিসি ড. মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিকিৎসক সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ ডা. মামুন শিবলীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
৬ দিন আগে
ভবিষ্যতের বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিশুদের নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
শিশু-কিশোরদের বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে তাদের নিজেদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আজকের শিশুরাই হবে আগামী দিনের ডাক্তার, প্রকৌশলী, স্থপতি, খেলোয়াড় ও দেশ গড়ার কারিগর।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এ অংশ নেওয়া শিশুদের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের এই ইভেন্ট হচ্ছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। যারা প্যান্ডেলের নিচে বসে আছে, যারা গ্যালারিতে বসে আছে, তারা হচ্ছে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ।’
সরকারপ্রধান বলেন, দেশে অনেক সমস্যা রয়েছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে এসব সমস্যার পাশাপাশি বাংলাদেশকে কোথায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব, সেটিও দেখতে হবে।
তিনি বলেন, শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে। স্কুলগুলোতে ধীরে ধীরে উন্নত পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে শিশুদের নিজেদেরও প্রস্তুত হতে হবে।
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে উচ্চ পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপন বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
সভায় জাতীয় সংসদের বিদ্যমান সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বিশ্বের উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সাউন্ড সিস্টেমের ওপর বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এ সময় গণপূর্ত অধিদপ্তর সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত বিকল্প, কারিগরি সক্ষমতা এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে।
উপস্থাপনায় আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য, কার্যকারিতা এবং জাতীয় সংসদের কার্যক্রমের সঙ্গে সর্বোচ্চ সামঞ্জস্য নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে উপস্থিত অতিথিরা তাদের মতামত এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৭ দিন আগে
সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতিতে রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি ও পদায়নের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে মেধা, যোগ্যতা, সততা ও নেতৃত্বের গুণাবলিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে সময়োপযোগী, প্রযুক্তিনির্ভর ও সক্ষমতাভিত্তিক সশস্ত্র বাহিনী গঠার লক্ষ্যে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখাও তুলে ধরেছেন তিনি।
রবিবার (২৬ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে ‘সেনা সদর নির্বাচনি পর্ষদের’ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততার মূল্যায়নে যথানিয়মে যোগ্যতমদের বাছাই করে স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত এই সিলেকশন বোর্ডের মাধ্যমেই পদায়ন কিংবা পদোন্নতির ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীতে আগামী দিনের দূরদর্শী এবং পেশাদার নেতৃত্বের সুদৃঢ় ভিত্তি স্থাপিত হবে বলেও আমি বিশ্বাস করি।’
পদোন্নতিতে মেধা ও যোগ্যতাই হোক প্রধান মাপকাঠি
সেনাসদর সিলেকশন বোর্ডের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি, পদোন্নতি কিংবা পদায়নের ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করলে পেশাদারত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ‘সেনাসদর সিলেকশন বোর্ড’ যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করতে পারে।
‘এক্ষেত্রে প্রথমেই আমার আহ্বান, রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে সততা, ন্যায়পরায়ণতা, পেশাগত যোগ্যতা, চারিত্রিক দৃঢ়তা, দূরদর্শিতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলি—সেনাবাহিনীর জন্য উপযুক্ত নেতৃত্ব নির্বাচনে এসব বিষয়কেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। এর পাশাপাশি মেধা এবং যোগ্যতাই হয়ে উঠুক একজন সেনা অফিসারের পদোন্নতি অর্জনের প্রধান মাপকাঠি।’
শারীরিক সক্ষমতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘পদোন্নতির জন্য একজন অফিসারের শারীরিক যোগ্যতা অর্থাৎ ফিজিক্যাল ফিটনেস এবং ফিজিক্যাল অ্যাপিয়ারেন্স অন্যতম প্রধান বিবেচ্য বিষয় হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।’
এ প্রসঙ্গে তিনি প্রয়াত মার্কিন জেনারেল নরম্যান সোয়ার্জকফের উক্তি উদ্ধৃত করে বলেন, ‘দি মোর ইউ সোয়েট ইন পিস, দি লেস ইউ ব্লিড ইন ওয়ার’, অর্থ্যাৎ, ‘শান্তিকালীন সময়ে তুমি যত বেশি ঘাম ঝরাবে, যুদ্ধকালীন সময়ে তত কম রক্তপাত হবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘সুতরাং, সেনাবাহিনীতে নিয়মানুবর্তিতা আর ফিটনেসের ব্যাপারে কোনো পর্যায়েই কোনো আপসের সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না।’
৮ দিন আগে
‘সেনাসদর নির্বাচনি পর্ষদ-২০২৬’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘সেনাসদর নির্বাচনি পর্ষদ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ নির্বাচনি পর্ষদের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠনে স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
এছাড়া, পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে নিহত ও আহত সেনাসদস্যদের প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
৮ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নবনিযুক্ত বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।
শনিবার (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নৌবাহিনীর পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মধ্যে মতবিনিময় হয়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নৌবাহিনীর ভূমিকা এবং বাহিনীর পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন।
একই সঙ্গে তিনি নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব পালনে সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
৯ দিন আগে
পোশাক শিল্পের পর সেমিকন্ডাক্টরই হতে পারে অর্থনীতির নতুন গন্তব্য: প্রধানমন্ত্রী
তৈরি পোশাকশিল্পের পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরবর্তী প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই সঙ্গে ২০৩০ সালের মধ্যে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প থেকে রপ্তানি আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, বাংলাদেশ সেটি পূরণ করতে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ের নভোথিয়েটারে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিকস, এআই অ্যান্ড রোবোটিক্স (বিইএআর) কনফারেন্স-২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সীমাবদ্ধতা প্রতিকূলতা এবং নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়েই বাংলাদেশ বর্তমানে কৃষি, পোশাক শিল্প, প্রবাসী আয় এবং ডিজিটাল সেবায় সফলতা দেখিয়েছে। আমাদের মেধাবী তারুণ্য দক্ষ এবং উদ্যমী জনশক্তির উদ্ভাবন শক্তির ওপরে ভর করে যেটি আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—পোশাক শিল্পের পরে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের জন্য আরেকটি সম্ভাবনার অর্থনৈতিক মূল গন্তব্য।’
এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পখাত পেশাজীবী এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন, ভেরিফিকেশন, টেস্টিং, এমবেডেড সিস্টেম, পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স এবং অ্যাডভান্সড প্যাকেজিং—এইসব ক্ষেত্রে কাজ শুরু হয়েছে। দেশের কিছু প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রবেশ করেছে। সেমিকন্ডাক্টর খাতকে একটি জাতীয় অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনা করছে বর্তমান সরকার।
৯ দিন আগে