প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
খুলনা হয়ে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী
সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে খুলনার দাকোপ হয়ে বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে তিনি বানৌজা মোংলা জেটিতে পৌঁছান। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে।
সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টার থেকে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও আশপাশের এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে নলিয়ান থেকে সড়কপথে লঞ্চঘাটে গিয়ে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।
সফরসূচি অনুযায়ী, মধ্যাহ্নবিরতির পর ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে একটি সভায় যোগ দেবেন তিনি।
দিনের কর্মসূচিতে আরও রয়েছে মোংলা বন্দরের জেটি পরিদর্শন। বিকেল ৩টায় জেটি পরিদর্শনের পর বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্দেশে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অঞ্চলটি পরিদর্শনের কথা রয়েছে তার।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় বাসভবন থেকে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। সকাল ৯টায় বিমানবন্দরে পৌঁছে হেলিকপ্টারে সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।
বিকেল ৪টায় হেলিকপ্টারে মোংলা থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তারেক রহমান। বিকেল ৫টায় তার রাজধানীতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফর ঘিরে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল ও এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তাদের আশা, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।
সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় জনপদে বিকল্প কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক সম্ভাবনাও এ অঞ্চলের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আসবে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে।
৬ দিন আগে
বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাটে সফর করবেন।
এ সময় তিনি সুন্দরবন, মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ কার্যক্রম, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টায় গুলশানের বাসভবন থেকে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখান থেকে সকাল ৯টায় হেলিকপ্টারে সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন।
সকাল ১০টার দিকে তিনি বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও আশপাশের এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন করবেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করবেন।
সেখান থেকে সড়কপথে একটি লঞ্চ টার্মিনালে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে নৌপথে বাগেরহাটের বানৌজা মোংলা জেটিতে যাবেন।
দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে বানৌজা মোংলা জেটিতে পৌঁছে তিনি ওয়ার্ডরুমে যাবেন। সেখানে মধ্যাহ্ন বিরতির পর দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে একটি সভায় যোগ দেবেন।
বিকেলে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম ও জেটি পরিদর্শন করবেন। এরপর প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনেরও কথা রয়েছে তার।
বিকেল ৪টায় হেলিকপ্টারে মোংলা থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তারেক রহমান। বিকেল ৫টায় তার রাজধানীতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, সফরে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তারা সঙ্গে থাকবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে খুলনা ও বাগেরহাট জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
৬ দিন আগে
দেশে অস্থিরতা সৃষ্টিতে আ. লীগ ও বিরোধী দল হাত মিলিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার শাসকগোষ্ঠী ও দেশে বসে আরেকটি দল অস্থিরতা সৃষ্টিতে হাত মিলিয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে হাজী মুহম্মদ মহসিন সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠ নামে পরিচিত রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই দুই পক্ষ এক হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে, আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে।’
দেশের বিভিন্ন এলাকায় কিছু কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার শাসকগোষ্ঠীর অর্থ জোগানের তথ্য পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, ‘পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আরও একটি দল আছে, যারা দেশে গুজব ছড়ায়। নির্বাচনের আগে মিথ্যা কথা বলে দলটি জনগণের কাছে বিভিন্ন টিকিট বিক্রির চেষ্টা করেছে। এই দুই পক্ষ এখন এক হয়েছে।’
দেশকে অস্থিতিশীল করার এসব অপচেষ্টা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, কেউ যেন বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে এবং দেশের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তনের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
জনসভার শুরুতে রাজশাহী অঞ্চলের ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির মধ্যে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
কম্পিউটারে একটি বোতাম চেপে আখচাষিদের মোবাইল হিসাবে প্রণোদনার অর্থ পাঠানোর কার্যক্রম চালু করেন তিনি। এ সময় ১৫ জন আখচাষির হাতে চেকও তুলে দেন তারেক রহমান।
দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে সামরিক উড়োজাহাজে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছে সরাসরি জনসভাস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী। তার আগে রংপুরে সফর করেন তিনি। সেখানে একটি মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন।
৭ দিন আগে
৩৮,৯৭০ আখচাষির জন্য ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা কর্মসূচি উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
রাজশাহীতে ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির জন্য ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) হাজী মুহম্মদ মহসিন সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠ নামে পরিচিত রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে এক জনসভায় ডিজিটাল বোতাম চেপে প্রধানমন্ত্রী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় ১৫ জন আখচাষিকে চেক প্রদান করেন তিনি।
বিকেল ৩টা ২৫ মিনিটে জনসভাস্থলে পৌঁছালে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা তারেক রহমানকে স্বাগত জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু সাইদ চাঁদ এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবিবা।
এর আগে বেলা ২টা ৫৫ মিনিটে সামরিক উড়োজাহাজে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে জনসভাস্থলে যাওয়ার পথে সড়কের দুই পাশে হাজারো মানুষ তাকে স্বাগত জানাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বাসের ভেতর থেকে হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।
জনসভা শেষে রাজশাহীর ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন তিনি।
রাজশাহীতে কর্মসূচি শেষ করে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
এর আগে ঢাকা থেকে সামরিক উড়োজাহাজে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। উড়োজাহাজটি নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সৈয়দপুর থেকে রংপুর যাওয়ার পথে তারাগঞ্জ ও পাগলাপীরে দুটি পথসভায় অংশ নেন তিনি। পরে রংপুরের রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
৮ দিন আগে
ভোটের ফল যা-ই হোক, সব অঞ্চলে সুষম উন্নয়নের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
রংপুরে বিএনপির দুর্বল নির্বাচনি ফলাফলের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন কি দেননি, তা বিবেচনায় না নিয়ে সব নাগরিকের সেবা করার পাশাপাশি সব অঞ্চলে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায় সরকার।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ বর্তমান সরকারকে নির্বাচিত করেছে। কোনো কোনো এলাকায় বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন, আবার কোনো এলাকায় হননি। কিন্তু বর্তমান সরকার দেশের সব মানুষের সরকার হতে চায়। যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের সরকার হতে চায়, তেমনি যারা ভোট দেননি, তাদেরও সরকার হতে চায়।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীতে রংপুরের ঐতিহাসিক রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে ন্যায্যভাবে সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে সরকার সারা দেশে সমানভাবে উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায়।
সরকার সব এলাকার ও সব মানুষের জন্য কাজ করতে চায় উল্লেখ করে তিনি জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় রংপুর মহানগরের উন্নয়নে এক হাজার ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও জেলা পরিষদের মাধ্যমে রংপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামে সেতু, কালভার্ট, স্কুল, কলেজসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো পর্যায়ক্রমে গড়ে তোলা হবে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে এবং পারস্পরিক বিভেদ ভুলে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে।’
তবে সবাইকে নিয়ে ঐক্য গড়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মহল বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘আজ আমি সবার কাছে, বিশেষ করে যারা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করেছে, তাদের কাছে একটি বিষয় স্পষ্ট করতে চাই। অতীতে আমরা দেখেছি, কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দল বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তার ফলাফলটা খুব শুভ হয়নি। বাংলাদেশের মানুষ সেই উদ্দেশ্যকে ভালোভাবে গ্রহণ করেনি।’
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে ধর্ম, রাজনৈতিক মতাদর্শ কিংবা সামাজিক পরিচয় নির্বিশেষে সব ধর্মের মানুষ বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য একসঙ্গে লড়াই করেছেন। পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও বিভিন্ন ধর্মের ও পেশার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, স্বৈরাচারী সরকারকে সরিয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।
গণঅভ্যুত্থানকে হেয় না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কারও ভিন্নমত থাকলে তা সংসদে তুলে ধরতে হবে। সেখানে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আলোচনা করে জনগণ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী হাজার বছরও এ দেশের মানুষ এভাবেই শান্তিতে একসঙ্গে বসবাস করবে।
তিনি বলেন, ‘এই দেশটি হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে এগিয়ে চলছে। শান্তিতে আমরা সবাই মিলে বসবাস করছি। আমরা চাই, আগামী হাজার বছরও যেন আমরা একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করতে পারি।’
৮ দিন আগে
প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষের ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে তাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এ দেশ মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সবার।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মহানবমীতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরে যাওয়ার পথে পাগলাপীর মোড়ে সড়কের পাশে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে সব ধর্মের মানুষ যেমন এক হয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল, তেমনি সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ গড়তে হবে।
তিনি আরও বলেন, আসুন, আজকে আমরা প্রতিজ্ঞা করি, মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, এ দেশ আমাদের সবার। আমরা সবাই মিলে পরিশ্রম করে দেশকে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব।
তারেক রহমান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশের মানুষ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সরকার সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।
এর অংশ হিসেবে সরকার কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি চালু করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা চালু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব শ্রেণি- পেশার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি চান, সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে দেশের উন্নয়নে কাজ করুক।
এর আগে সামরিক উড়োজাহাজে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সড়কপথে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। তাকে শুভেচ্ছা জানাতে তারাগঞ্জ, পাগলাপীরসহ সড়কের দুই পাশে বিএনপির শত শত নেতাকর্মী ও সমর্থক জড়ো হন।
প্রধানমন্ত্রী গাড়িবহর থেকে তাদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান এবং ওই দুই জায়গায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
৮ দিন আগে
সব ধর্মের মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সব ধর্মের মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে বাংলাদেশি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই দেশ আপনার, এই দেশ আমার। আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশটিকে গড়ি।’
ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে বাংলাদেশি হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ধর্ম আলাদা হতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্র সবার। এই রাষ্ট্রে প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
তারেক রহমান বলেন, ‘ধর্মটা হতেই পারে আমার একটি ধর্ম, আপনার একটি ধর্ম। কিন্তু বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি আমাদের সবার। এই দেশটিতে আপনার যেমন অধিকার আছে, আমারও অধিকার আছে। এই দেশের প্রতি আপনার যেমন কর্তব্য আছে, আমারও এই দেশের প্রতি কর্তব্য আছে।’
৮ দিন আগে
মঙ্গলবার রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করবেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শারদীয় দুর্গোৎসবে হিন্দু সম্প্রদায়ের উদযাপনে ঢাকার বাইরে এই প্রথম কোনো সরকারপ্রধান সফর করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সোমবার (১৯ অক্টোবর) জানান, প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে প্রথমে রংপুরে যাবেন। এরপর রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফর করবেন।
সফরকালে তিনি পুরোহিত ও পূজারিদের শুভেচ্ছা জানাবেন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন বলে জানান রুমন।
ট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।
প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক উড়োজাহাজে করে তিন জেলার সফরে রওনা হবেন।
এর আগে রবিবার রাতে তিনি ঢাকার মহাখালী ও বনানী এলাকার মণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
মঙ্গলবার মহানবমী উদযাপিত হবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।
৮ দিন আগে
সন্তানদের জন্য ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখতে নগর কর্মকর্তাদের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
অন্তত নিজেদের সন্তানদের কথা ভেবে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য করে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বর্জ্য ও অপরিচ্ছন্নতা ঢাকার অন্যতম বড় সমস্যা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘সবার কথা বাদ দেন, নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি। আসুন, আমরা সবাই মিলে সেই চেষ্টা করি।’
সোমবার (১৯ অক্টোবর) ভাঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান কার্যালয় নগর ভবন পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সয় প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানিয়েছেন, সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, কেউ নিশ্চয়ই চান না তার সন্তান নোংরা, জীবাণুযুক্ত ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বড় হোক।
তিনি আরও বলেন, সন্তান শুধু নিজের বাসার আশপাশে থাকে না; স্কুল, কলেজ, খেলার মাঠসহ শহরের বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করে। তাই শুধু নিজের এলাকা নয়, পুরো শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, ‘আপনার সন্তান তো শুধু আপনার এলাকায় থাকবে না। সে সারা ঢাকা শহরে বিচরণ করবে। কাজেই আসুন, আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি। চেষ্টা করলে আমরা পারব।’
তিনি আরও বলেন, ঢাকা শহরের অন্যতম বড় সমস্যা আবর্জনা ও অপরিচ্ছন্নতা। এই সমস্যা এক দিনে বা সাত দিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে সবাই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে।
সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই সমস্যার সমাধানের সঙ্গে জড়িত। হয়তো সময় লাগবে, কিন্তু চেষ্টা করে গেলে পরিবর্তন আসবেই। আপনাদের মধ্যে সেই আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে ইচ্ছা।’
কর্মকর্তাদেরও একইভাবে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘আমি যখন যেখানে যাই, দেখতে থাকি কোথায় কী সমস্যা আছে। তারপর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফোন করি। আপনারাও যদি এভাবে সমস্যাগুলো দেখেন এবং সমাধানে পদক্ষেপ নেন, তাহলে পরিবর্তন অবশ্যই সম্ভব।’
যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ষাট বা সত্তরের দশকে লন্ডনের অনেক জায়গায়ও ময়লা-আবর্জনা ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা ও নাগরিক সচেতনতার মাধ্যমে তারা পরিস্থিতির পরিবর্তন করেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা অনেকেই হয়তো বিদেশের সুন্দর, পরিচ্ছন্ন শহর দেখেছেন। দেশে ফিরে নিশ্চয়ই আফসোস হয়েছে, আমাদের শহরটা যদি এমন হতো! কিন্তু সেই আফসোস করে বসে থাকলে হবে না। নিজেদের দায়িত্বও পালন করতে হবে।’
ঢাকার পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারের সঙ্গে তার সাম্প্রতিক কথোপকথনের কথাও তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করা দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের একজন শীর্ষ ব্যক্তি সম্প্রতি তার সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় ঢাকার পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, শহরের পরিচ্ছন্নতা আগের তুলনায় কিছুটা ভালো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘তিনি কিন্তু বলেননি অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বলেছেন, কিছুটা ভালো হয়েছে। তার মানে পরিবর্তন সম্ভব। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে আরও ভালো করা যাবে।’
নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবস্থা সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, কোথাও সড়ক বিভাজক নতুন করে তৈরি হচ্ছে, কোথাও বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এসব উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি আমার সমালোচনা করতেই পারেন। কিন্তু নিজের ভেতরেও নিজের সমালোচনা করতে হবে। ভাবতে হবে, আমি আমার দায়িত্ব কতটুকু সঠিকভাবে পালন করছি, কতটুকু চেষ্টা করছি।’
এর আগে প্রধানমন্ত্রী নগর ভবনের জরুরি পরিচালন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি আবহাওয়ার তথ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) ভূমিকম্প-সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য, বাতাসের গতিবেগ, বন্যার পূর্বাভাস ও বায়ুর মান পর্যবেক্ষণের বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখেন।
এসব তথ্য কীভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং জরুরি পরিস্থিতি সম্পর্কে কীভাবে জানা যায়, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে নগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর উন্নয়ন ও বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে তৈরি একটি ভিডিও চিত্রও দেখেন তিনি।
এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব শহীদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
৯ দিন আগে
স্বৈরাচারের পথ তৈরি ও শহিদদের সঙ্গে গাদ্দারি নিয়ে বিরোধীদের সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী
অযৌক্তিকভাবে সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ তৈরি হলে তা জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সচিবালয়ের পাশে আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যান ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনের পর আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে যদি স্বৈরাচার আসার পথ উন্মুক্ত করে দেন, তাহলে তা অবশ্যই দেশের জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে না। এটি জুলাইয়ের শহিদদের সঙ্গে গাদ্দারি করা হবে, একইভাবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গেও গাদ্দারি করা হবে।
তিনি বিরোধী দলগুলোকে সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা পালন এবং জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
কেবল বিরোধিতার খাতিরে বিরোধী দল কীভাবে সরকারের বিরোধিতা করছে, তা জনগণ দেখছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, অবশ্যই সরকারের বিরোধিতা করবেন। কিন্তু সেই বিরোধিতা হতে হবে গঠনমূলক। কেবল বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করার পুরোনো সংস্কৃতিতে আটকে থাকলে দেশকে কীভাবে এগিয়ে নেব?
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের দেওয়া রায়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভোটাররা বিএনপিকে দেশ পরিচালনা এবং অন্য দলগুলোকে বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের দায়িত্ব দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, সংসদে সরকারি ও বিরোধী দল রাখার উদ্দেশ্য হলো জাতীয় ও জনস্বার্থের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা, মতবিনিময়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো এবং সেগুলো বাস্তবায়ন করা।
দোষারোপের রাজনীতি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার বা বিরোধী দল, কোনো পক্ষেরই জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার একক অধিকার নেই।
দোষারোপ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার ও বিরোধী দল, উভয়ই জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে।
অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের নেতাদের অনুপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের সম্মান জানাতেই এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সরকার ও বিরোধী দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
বিরোধী দলের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সরকারের এই মঞ্চে বসার দরকার ছিল না, কিন্তু সত্যিকারভাবে যদি আপনারা জুলাইকে ধারণ করেন, আপনারা তো এসে জুলাই শহিদদের মানুষগুলোর সঙ্গেও বসতে পারতেন, আমরা তো আজকে আপনাদেরকে দেখতে পাচ্ছি না।’
অভ্যুত্থানে প্রাণ হারানো, আহত হওয়া কিংবা দৃষ্টিশক্তি হারানো ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের কারণে বিরোধী দলের নেতা ও সংসদ সদস্যরা আজ পরিচিতি পেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, শহিদ পরিবারের সদস্যদের পাশে তাদের উপস্থিতি প্রমাণ করতে পারত, তারাও জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করেন।
তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্রে সংবিধান সংশোধন ও সংস্কার নিয়ে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। তবে জননিরাপত্তা, জাতীয় স্বাধীনতা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও দেশের শিশুদের ভবিষ্যতের মতো বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলের ঐকমত্যে পৌঁছানো উচিত।
৯ দিন আগে