প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের বৈঠক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সম্পাদক পরিষদের নেতারা।
রবিবার (১৭ মে) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউএজ সম্পাদক নুরুল কবির, সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দিন, সুপ্রভাত বাংলাদেশ সম্পাদক রুশো মাহমুদ এবং দৈনিক করতোয়া সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।
৩৩ দিন আগে
মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে স্বপ্ন নয়, পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সরকার শুধু স্বপ্ন দেখতে চায় না, বরং বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৬ মে) বিকেলে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজার এলাকায় খোর্দ্দ খাল পুনর্খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য একটাই—আমরা স্বপ্ন দেখতে চাই না; পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই, যে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের উপকার হবে; যে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।
খাল খনন কর্মসূচির প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, ৪৮ বছর আগে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুরু করে দিয়ে গিয়েছিলেন, সেই খাল পুনর্খননের এই অনুষ্ঠান। আসুন আমরা সকলে প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করি, দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা।
বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত যদি একসঙ্গে কাজ করে, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশকে আমরা পৃথিবীর বুকে একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত করতে সক্ষম হব বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
৩৪ দিন আগে
কুমিল্লায় পথসভায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
চাঁদপুর সফরের পথে কুমিল্লায় সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরইমধ্যে কুমিল্লায় পৌঁছে বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে আয়োজিত এক পথসভায় যোগ দিয়েছেন।
শনিবার (১৬ মে) দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী পথসভার মঞ্চে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা করতালি ও উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।
অভিবাদনের জবাবে তারেক রহমান উপস্থিত জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চাঁদপুর যাচ্ছেন। পথে তিনি এ পথসভায় অংশ নিচ্ছেন এবং এখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন।’
আজ সকাল থেকেই ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে ছোট ছোট মিছিল সহকারে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে জড়ো হতে শুরু করেন। সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে পথসভাটি বড় জনসমাবেশে রূপ নেয়।
৩৪ দিন আগে
রূপপুর থেকে পদ্মা সেতু: মেগা প্রকল্পে ‘ব্যাপক দুর্নীতি’র চিত্র তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী
রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্প, কর্ণফুলী টানেল ও পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে ‘ব্যাপক দুর্নীতি’ ও অস্বাভাবিক ব্যয়ের তথ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অতীতের এসব অনিয়মের ঋণের বোঝা এখন দেশের ২০ কোটি মানুষের ওপর এসে পড়েছে।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় তিনি মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) অডিট প্রতিবেদনের বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ করে এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার স্বাভাবিকভাবে যখন দায়িত্বভার গ্রহণ করেছি, আমরা প্রায় প্রত্যেকটি সেক্টর খুব ভঙ্গুর অবস্থায় পেয়েছি। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে যখন সরকার যাত্রা শুরু করে, সেরকম একটা অবস্থার মধ্যে আমরা এই দেশটিকে পেয়েছি।’
তিনি বলেন, বর্তমানে দায়িত্বে থাকার কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বাস্তব পরিস্থিতি জানার সুযোগ হচ্ছে। কয়েকদিন আগে মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন অডিট রিপোর্টের বিষয় তুলে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘এটি আমি রাজনৈতিকভাবে উপস্থাপন করছি না, আমি বাস্তবতা তুলে ধরছি। আমি কাউকে রাজনৈতিকভাবে দোষারোপ করছি না। এদেশের নাগরিক আমরা-আপনারা, আপনাদের সন্তানরা এদেশে বড় হচ্ছে, সেজন্যই আমি কথাগুলো তুলে ধরছি।’
অডিট প্রতিবেদনের কিছু তথ্য পরে সংবাদপত্রেও প্রকাশিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রূপপুর প্রকল্পের ব্যয় নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অডিটর জেনারেল সাহেবের অনেকগুলো কথার মধ্যে আমি খুব আশ্চর্য হয়েছি। আগে পত্রিকায় পড়েছিলাম। স্বাভাবিকভাবে পত্রিকায় ওভাবে না দেখলেও অডিটর জেনারেল যেহেতু অডিট করেছেন, পরিষ্কারভাবে কথাগুলো ফুটে উঠেছে বা বেরিয়ে এসেছে।
তিনি বলেন, রূপপুর প্রকল্পে বিদেশিদের জন্য ফুল-ফার্নিশড কোয়ার্টার নির্মাণ করা হয়। সেখানে একটি বালিশের দাম ধরা হয়েছে ৮০ হাজার টাকা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি একজন স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে চিন্তা করতে পারেন, কখনো কোনো বালিশের দাম পৃথিবীতে ৮০ হাজার টাকা হতে পারে?’
তিনি আরও বলেন, ‘সেখানে ফার্নিচার যেহেতু ছিল, ড্রেসিং টেবিল কেনা হয়েছে। এটি অডিটর জেনারেল সাহেবের কথা। যে ড্রেসিং টেবিল উনার ধারণা ৩০/৩৫ হাজার টাকা দাম, সেই তার দাম ধরা হয়েছে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা।’
গত ৫ মে বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে ২০২১-২২ অর্থবছরের ৩৮টি অডিট রিপোর্ট জমা দেন।
রূপপুর প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই রূপপুর প্রকল্পটি… সিমিলার (একইরকম) প্রকল্প আমাদের পাশের একটি দেশ করেছে। তাদের লেগেছে সম্ভবত ১৪ হাজার কোটি টাকার মতো। বাংলাদেশের রূপপুরে যে প্রকল্পটি করা হয়েছে, এটির খরচ আল্টিমেটলি খুব সম্ভবত দাঁড়িয়েছে ৯৬ হাজার কোটি টাকা।’
কর্ণফুলী টানেল প্রকল্প নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, টানেলের ওপারে ‘খুব স্ট্যান্ডার্ড, বেশ লাক্সারিয়াস’ অ্যাপার্টমেন্ট বা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, যার কোনো প্রয়োজন ছিল না। সেখানে কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।
তিনি বলেন, অডিট তদন্তে আরও উঠে এসেছে যে কর্ণফুলী টানেলে ঢোকা ও বের হওয়ার মুখে দুই পাশে গাছ লাগানোর কথা থাকলেও বাস্তবে কোনো গাছ পাওয়া যায়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই গাছের জন্য ৫০ কোটি টাকা তুলে নিয়ে চলে গিয়েছে।’
৩৯ দিন আগে
পুলিশকে মতাদর্শগত বিভেদ ভুলে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থে একযোগে কাজ করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১১ মে) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশটা আমাদের সবার। সবাই মিলে দেশটাকে রক্ষা করতে হবে। আমরা সবাই একই মতাদর্শের নাও হতে পারি। কিন্তু আপনারা যখন সরকারের সঙ্গে কাজ করবেন, সেই কাজের মধ্যে যেনো নিজেদের ভিন্ন মতাদর্শ প্রতিফলিত না হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রত্যেকের ভিন্ন মতের প্রতিফলন ঘটবে কেবলমাত্র ভোটের বাক্সে। তার আগে আমরা সবাই এই দেশটাকে ভালোবাসব। দেশের স্বার্থে আমরা সবাই এক থাকব।’
এর আগে, সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে দেশের জনগণকে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নানা দিক নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
পুলিশ কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই দেখার নির্দেশ দেন তারেক রহমান। একইসঙ্গে দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সরকারের আপসহীন অবস্থানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টাইগার গেটের সামনে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৩৯ দিন আগে
পুলিশ যেন আর ফ্যাসিবাদ-স্বৈরাচারের হাতিয়ার না হয়: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদ বা স্বৈরাচার যেন পুলিশ সদস্যদের দেশ ও জনগণের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে সক্ষম না হয়, সেজন্য সবাইকে নতুন করে শপথ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (১০ মে) সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে ‘বাংলাদেশ পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
বক্তব্যের শুরুতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে রাজারবাগে হানাদার বাহিনীর ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর বর্বর হামলায় শহিদ পুলিশ সদস্যদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। শুধু স্মরণের মধ্য দিয়েই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যেসব শহিদ পুলিশ সদস্য আত্মত্যাগ করেছিলেন, যেকোনো মূল্যে সেই স্বাধীনতা রক্ষা করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদ-স্বৈরাচার যেন দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে পুলিশ সদস্যদের ব্যবহার করতে সক্ষম না হয়। স্বাধীনতার প্রথম প্রহরেই পুলিশের রক্তে রঞ্জিত এই মাটিতে দাঁড়িয়ে আসুন আজ আমরা আবারও নতুন শপথে অঙ্গীকারবদ্ধ হই।
৪০ দিন আগে
কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে তৃণমূলের নেতাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
সরকারকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে বিএনপি নেতাদের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি যে ইশতেহার দিয়েছিল তা সর্বশক্তি দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। বিএনপি নেতাদের সহযোগিতা ছাড়া সরকার সফল হতে পারবে না।
শনিবার (৯ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বৈঠকে দলের তৃণমূলের নেতাদের এই বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা মানুষকে বলেছিলাম যে আমরা সুশাসন দেব। আমরা বলেছিলাম, আমরা একটি দেশ তৈরি করতে চাই, যে দেশে শিক্ষার্থী একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে, যেখানে নারী-পুরুষ-শিশু সবাই নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারবে।
তিনি বলেন, আমরা যখন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলাম, তখন আমরা বলেছিলাম যে আমাদের উপরে যেরকম অত্যাচার নির্যাতন হচ্ছে, রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা যেমন গুম-খুনের শিকার হচ্ছে, আমরা চাই দেশে এমন একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতি হোক যেখানে আমরা বিতর্ক করব, কথা বলব, কিন্তু এরকম পরিস্থিতি আমরা তৈরি হতে দেব না।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, একটি যুদ্ধ শেষ হয়েছে, এখন আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে। কী সেই যুদ্ধ? সেই যুদ্ধটি হচ্ছে আমরা মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেই প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন করা।
তিনি বলেন, মানুষ আমাদের দলের পক্ষে, আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে। নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত এই ইশতেহার ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ইশতেহার। নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে, বিশেষ করে আমরা (বিএনপি) সরকার গঠন করার পরে সেটি সরকারের তথা বাংলাদেশের জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। কাজেই ইশতেহারে আমরা যা যা বলেছি, তা বাস্তবায়ন করার জন্য এখন সর্বশক্তি দিয়ে সরকারকে চেষ্টা করতে হবে।
৪১ দিন আগে
বন্ধ কলকারখানা চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কলকারখানা চালুর বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (৪ মে) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক এবং শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা অ্যাড, রুহুল কবির রিজভী, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
৪৬ দিন আগে
উন্নয়নের চেতনায় সরকারি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ডিসিদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
জনগণের কাছে দেওয়া সরকারের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেতনা নিয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করে জনগণবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (৩ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শুরু হওয়া জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনি ইশতেহার এবং জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত যে জুলাই সনদ, এটার প্রতিটি দফা প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা এ ব্যাপারে বদ্ধপরিকর। আমি আশা করব, আপনারা আপনাদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে জনগণের কাছে দেওয়া সরকারের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।
তিনি বলেন, আপনারা রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বোচ্চ প্রশাসনিক স্তরে অবস্থান করছেন। একটি শক্তিশালী জবাবদিহিমূলক আইনসম্মত এবং জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আপনারাই হচ্ছেন সরকারের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
শাসনব্যবস্থার অগ্রাধিকার তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, সুশাসন বর্তমান সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি আমরা করতে চাইছি। সুশাসনের জন্য প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা, যোগ্য নেতৃত্ব এবং অবশ্যই জবাবদিহিতা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। সেটি হচ্ছে আমরা দুর্নীতির সঙ্গে কম্প্রোমাইজ (আপোস) করতে চাই না।
ডিসিদের প্রতি নির্দেশনায় প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ সময়মতো বাস্তবায়ন, ব্যয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি কর্মকর্তাদের অযথা আইনি জটিলতাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার না করে বাস্তবমুখী, কার্যকর ও জনমুখী সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান যাতে নাগরিকরা দ্রুত সরকারি কর্মসূচির সুফল পেতে পারেন।
৪৭ দিন আগে
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং নতুন ক্রীড়াবিদ তৈরির লক্ষ্যে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে দেশের ক্রীড়া খাতকে শক্তিশালী করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২ মে) বিকেলে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র উদ্বোধনের মাধ্যমে সারা দেশে শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে প্রতিভা অন্বেষণে এই প্রতিযোগিতা শুরু হলো। এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে চায় সরকার।
অনুষ্ঠানে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়, যেখানে দেশজুড়ে তরুণ ক্রীড়া প্রতিভা গড়ে তোলার লক্ষ্য ও ভিশন তুলে ধরা হয়।
প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের পর ‘আমরা নতুন, আমরা কুঁড়ি’ শিরোনামের থিম সং পরিবেশন করা হয়, যা অনুষ্ঠানে উৎসবমুখর আবহ তৈরি করে। পরে বিকেএসপির শিক্ষার্থীরা উন্মুক্ত মাঠে ক্রিকেট, কাবাডি, ফুটবল, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্টসহ আটটি খেলায় প্রদর্শনী পরিবেশন করে।
প্রধানমন্ত্রী উৎসাহের সঙ্গে খেলাগুলো উপভোগ করেন এবং শিক্ষার্থীদের করতালির মাধ্যমে উৎসাহ দেন।
তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে আশির দশকের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি’র ধারাবাহিকায় এবার ইউনিয়ন ও সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড পর্যায় থেকে এই কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার।
১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ, বাছাই এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে ক্রীড়া পরিদপ্তর; তত্ত্বাবধায়নে রয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘এটা একটি যুগান্তরকারী কর্মসূচি। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ভবিষ্যত প্রজন্মের দক্ষ খেলোয়াড় তৈরিতে একটি শক্তিশালী প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিশু-কিশোরদের সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ, বাছাই এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের বিকাশের সুযোগ তৈরি করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ আয়োজনের আওতায় ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্টসহ মোট ৮টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।’
৪৮ দিন আগে