প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
দলের প্রতিষ্ঠাতা ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া উদ্যানে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (৩০ মে) বেলা ১১টায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী শহিদ জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও ফাতেহা পাঠ করেন।
এ সময় তার সঙ্গে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিলুন হকসহ দল ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন আগে
সবাই যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে ধীরে ধীরে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের জিয়া কলোনিতে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ আয়োজিত এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এদিন প্রধানমন্ত্রী সেনানিবাসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক। পরে দুপুরে তিনি ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার, জেসিও এবং সাধারণ জওয়ানদের সঙ্গে প্রীতিভোজে অংশ নেন।
প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশকে একটা সুন্দর জায়গায় দেখতে চাই। আমরা চেষ্টা করছি, পর্যায়ক্রমে সবার জন্য দেশ গড়তে। যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে আমরা কাঙ্ক্ষিত দেশ গড়তে পারব। আমরা যাতে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে পারি, সেটিই চাওয়া।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নত পেশাদার মান, দায়িত্ববোধ এবং দুর্যোগ মোকাবিলাসহ দেশের যেকোনো প্রয়োজনে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর ঐতিহ্য আমাকে গর্বিত করে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় রাষ্ট্রের আস্থার প্রতীক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবিলা থেকে শুরু করে জাতীয় যেকোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর অবদান দেশের মানুষের কাছে গভীরভাবে মূল্যায়িত। আশা করি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা, পেশাদারত্ব ও দেশপ্রেম নিয়ে জাতির সেবায় নিয়োজিত থাকবেন।’
প্রীতিভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে সেনা মেসে অবস্থানরত সৈনিকদের জীবনযাপনের খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেনা মেস চত্বরে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এছাড়া সেনা মেসের মসজিদে জোহরের নামাজ আদায়ের পর উপস্থিত সেনা কর্মকর্তা ও সেনা সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৪ দিন আগে
বাবা-মা ও ভাইয়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
ঈদের দিনে বাবা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ সকালে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় শেষেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাবা ও মায়ের স্মৃতিবিজড়িত সমাধি প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। সেখানে তিনি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং মরহুম বাবা-মার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে বাবা-মায়ের কবরের সামনে দাঁড়িয়ে ফাতেহা পাঠ করেন। এরপর তিনি বাবা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া করেন। দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায়ও দোয়া করা হয়।
৫ দিন আগে
প্রথম ১০০ দিনে ২০০ উদ্যোগ গ্রহণ, দৃশ্যমান পরিবর্তনের দাবি সরকারের
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে প্রায় ২০০টি উদ্যোগ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করেছে, যার ফলে জনজীবন ও সমাজে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং প্রকাশিত এক ই-বুকে দাবি করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত ই-বুকটি পিএমওর ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করা হয়েছে। এতে সরকারের বিভিন্ন খাতভিত্তিক কার্যক্রম, নীতিগত পদক্ষেপ এবং উল্লেখযোগ্য অর্জনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রকাশনায় বলা হয়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ই-বুকটি নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে।
ই-বুকে উল্লেখ করা হয়, এসব উদ্যোগ ও প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার জাতির সামনে আশার বার্তা ও ইতিবাচক পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরেছে।
প্রকাশনাটিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ১০০ দিনের মূল লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্র পরিচালনার দিকনির্দেশনা নির্ধারণ, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার।
এতে বলা হয়, অর্থনৈতিক চাপ, বৈশ্বিক অস্থিরতা, জ্বালানি সংকট, সীমিত কর্মসংস্থান এবং দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও সরকার দ্রুত জনমুখী ও নীতিনির্ভর বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এই সময়ে প্রশাসন ও বিচার বিভাগে ডিজিটাল ও কাঠামোগত সংস্কারের পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহায়তামূলক কর্মসূচিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।
ই-বুকে উল্লেখিত প্রধান উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে— ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, স্পোর্টস কার্ড, ই-হেলথ কার্ড, ডিজিটাল ভূমিসেবা, ই-বেইল বন্ড ব্যবস্থা, খাল পুনঃখনন কর্মসূচি, ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক ভাতা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প এবং শিক্ষা ও যুব উন্নয়নমূলক নতুন কর্মসূচি।
এতে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রীয় প্রটোকল সীমিত করা, সরকারি ব্যয় কমানো, মাঠপর্যায়ের সমস্যার দ্রুত সমাধানের নির্দেশনা দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার মতো প্রধানমন্ত্রীর কিছু ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সরকারের রাজনৈতিক বার্তাকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।
তবে প্রকাশনাটিতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার বাস্তবায়নকে এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তারপরও সরকারের প্রথম ১০০ দিনে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম, সক্রিয় ও জনমুখী প্রশাসনের একটি চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে বলে ই-বুকে উল্লেখ করা হয়।
এতে বলা হয়, অনেক কর্মসূচি এখনও বাস্তবায়নের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে প্রযুক্তিনির্ভর, জবাবদিহিমূলক ও সেবামুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ই-বুকে আরও বলা হয়, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলো প্রায়ই রাজনৈতিক বক্তব্যের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পর সেসব প্রতিশ্রুতি কত দ্রুত বাস্তব কর্মপরিকল্পনায় রূপ নেয়, তার ওপরই নেতৃত্বের মূল্যায়ন নির্ভর করে।
প্রকাশনাটিতে দাবি করা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি অঙ্গীকার এবং দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য দেওয়া সরাসরি রাজনৈতিক নির্দেশনা বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকট, বিনিয়োগ স্থবিরতা, কর্মসংস্থানের ঘাটতি এবং প্রশাসনিক দুর্বলতাসহ একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।
ই-বুকে বলা হয়েছে, প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই নীতিনির্ধারণে গতি, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতা, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে শৃঙ্খলা এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধারে ইতিবাচক প্রবণতার লক্ষণ দৃশ্যমান হয়েছে।
এতে আরও দাবি করা হয়, বাংলাদেশে এই প্রথম কোনো সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই দেশব্যাপী নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। কারণ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবা নিশ্চিত করা।
৬ দিন আগে
সরকারের ১০০ দিনে মন্ত্রিসভার ৬২ শতাংশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়েছে: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের ১০০ দিন পূর্ণ করেছে বিএনপি। এ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেছেন, ‘সরকারের অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞে সাধারণ মানুষের জীবনমানে ইতোমধ্যেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে।’
তিনি বলেছেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভা ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ মে পর্যন্ত মোট ১০টি কেবিনেট সভা সম্পন্ন করেছে। এসব সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টি সিদ্ধান্ত অর্থাৎ প্রায় ৬২ শতাংশ এরইমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং ২৩টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় রয়েছে।’
তিনি দাবি করেছেন, সরকার গঠনের পর এত স্বল্প সময়ে মন্ত্রিসভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের উল্লেখযোগ্য অংশ কার্যকর করতে সক্ষম হওয়া সরকারের দ্রুততা, কার্যকারিতা ও আন্তরিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
মঙ্গলবার (২৫ মে) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরকারের একশ দিনের বিভিন্ন কর্মসূচি ও সাফল্যের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
মাহদী আমিন বলেন, গুম-খুন, হামলা-মামলা এবং দমন-পীড়নের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার প্রতিফলন গত ১০০ দিনের উদার ও সহিষ্ণুতার নতুন মানদণ্ডে বারবার প্রতীয়মান হয়েছে। অন্যদিকে, বাকস্বাধীনতার নামে অপপ্রচার, বিদ্বেষ বা বিষোদগারের যে রাজনীতি একটি গোষ্ঠীর অপকৌশলে পরিণত হয়েছে, সেই চর্চা গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তার দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মাত্র ১০০ দিনের পথচলাতেই দেশের নানা ক্ষেত্রে দৃশ্যমান, সুস্পষ্ট ও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। একইসঙ্গে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে ক্ষমতায়ন, আশা-আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার এক নতুন, দৃঢ় ও ইতিবাচক মেলবন্ধন।
তিনি আরও বলেন, গৃহীত বহুমুখী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে জনজীবনে ফিরে এসেছে স্বস্তি ও শৃঙ্খলা। সরকারের রূপকল্পে দেশের ২০ কোটি মানুষ যদি একসঙ্গে কাজ করে, তরুণ ও নারীরা যদি ক্ষমতায়িত হন, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশকে আমরা অবশ্যই একটি মর্যাদাশীল ও স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করতে সক্ষম হব।
৭ দিন আগে
পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সবুজ অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ ধীরে ধীরে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি ও আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (২৪ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে ‘নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ অন-গ্রিড রুফটপ’ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে জাতীয় সংসদ ভবনে স্থাপিত এক মেগাওয়াট ক্ষমতার এই সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমরা এমন একটি উদ্যোগের উদ্বোধন করছি, যা শুধু একটা বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগই নয়, বরং এটা বাংলাদেশের টেকসই ভবিষ্যতের একটি প্রতীক। জাতীয় সংসদ ভবনে এক মেগাওয়াট রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উদ্বোধনের মাধ্যমে আমার মনে হয় একটা বার্তা আমরা স্পষ্টভাবে দিতে পারব। সেটি হচ্ছে, বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি এবং আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে ধীরে ধীরে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জাতীয় সংসদ ভবনের এই উদ্যোগ দেশের সকল সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুপ্রাণিত করবে। প্রতিটি ছাদ, প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিটি নাগরিক যদি পরিচ্ছন্ন জ্বালানির এই অভিযাত্রায় অংশ নেয়, তবে বাংলাদেশ ইনশাল্লাহ খুব দ্রুতই একটি সবুজ এবং টেক উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘লুই কানের নকশায় নির্মিত এই জাতীয় সংসদ ভবন আমাদের গণতন্ত্রের প্রতীক। আর সেই ভবনের ছাদে সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা প্রমাণ করার চেষ্টা করছি যে নেতৃত্ব কিংবা নীতিতে নয়, বরং বাস্তব কর্মকাণ্ডে প্রতিফলন হতে হবে।’
৯ দিন আগে
এক মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
আগামী এক মাসের মধ্যেশিশু রামিসা আক্তারের হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২৩ মে) ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিন-চার দিন আগে এই অত্যন্ত দুঃখজনক হৃদয় বিদারক একটি ঘটনা ঘটছে—এই ছোট্ট বাচ্চাকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে। এখন আমরা প্রথম থেকে বলে এসেছি যে, আইনের দৃষ্টিতে কোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করে, তাকে শাস্তি পেতে হবে। আইনের শাসন আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।
তিনি বলেন, আপনি যখন কোনো কাজ করেন, সেটি আপনার নিজের কাজ হোক, কৃষি কাজ হোক, সংসারের কাজ হোক…একটা নিয়ম কানুন আছে না? যেকোনো কাজ নিয়ম-কানুন মেনেই নিয়ে তো করতে হয়, তাই নয় কি?
তারেক রহমান বলেন, সবচেয়ে যেটি বড় ক্ষতি হয়েছে, বিশেষ করে বিতাড়িত ফ্যাসিবাদের সময়ে মানবতা, মানবিকতা ও দেশের আবহমানকালের ধর্মীয় সামাজিক মূল্যবোধগুলোকে একেবারে বিনষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। ঢাকার মিরপুরে একটি নিষ্পাপ মেয়ের নির্মম মৃত্যুর মাধ্যমে মানুষের মানবিক মূল্যবোধের চূড়ান্ত অবক্ষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ মিলেছে।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে আজকের অনুষ্ঠানে আমি পরিষ্কারভাবে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। এই ধরনের শিশু নির্যাতন বা নারী নির্যাতন বর্তমান সরকার কোনোভাবেই মেনে নেবে না। এবং বর্তমান সরকার রামিসার এই হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি ইনশাল্লাহ আগামী এক মাসের মধ্যেই নিশ্চিত করবে। সেই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড, যেন ভবিষ্যতে কোনো মানুষ এভাবে শিশু বা নারী নির্যাতন করার সাহস না পায়।
রামিসা হত্যাসহ বিভিন্ন ঘটনাকে পুঁজি করে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, যেকোনো অন্যায়কারীকে শাস্তি দিতে হলে, তাকে তার বিচার করতে হলে সরকারের কতগুলা নিয়ম-কানুন আছে। এখন আমরা খেয়াল করেছি, আপনারাও খেয়াল করেছেন, পত্র-পত্রিকায় দেখেছেন, রেডিও টিভিতে দেখেছেন, গত কয়েকদিন ধরে কিছুসংখ্যক মানুষ একটা পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে। রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিচ্ছে, যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিচ্ছে, এখানে আগুন ধরাচ্ছে, ওখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে। এই কাজগুলো যারা করে, আপনারা কি মনে করেন, প্রথমে কি আইনের শাসনকে তারা বাধাগ্রস্ত করছে না, আইনকে আইনের মত কি চলতে দিচ্ছে? দিচ্ছে না।
সরকারপ্রধান বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকার যখন ক্ষমতায় ছিল, সেই সময় আমরা দেখেছি দেশে কয়েকটি দুঃখজনক এরকম অন্যায় ঘটেছে। সেই অন্যায় যখন ঘটেছে আমি নিজে সেই সকল বাচ্চার মায়েদের সাথে কথা বলেছিলাম, আমাদের দলের আইনজীবী আমাদের দলের চিকিৎসকরা গিয়ে চিকিৎসা দিয়েছে, আইনজীবীরা গিয়ে সেই আইনি সহায়তা করেছিল।
৯ দিন আগে
পানি সংকট ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পদ্মা, তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণ করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
পানি সংকট মোকাবিলা, কৃষি সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কমাতে পদ্মা ও তিস্তা—দুই নদীতেই ব্যারাজ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার (২০ মে) গাজীপুর শহরের সাতাইশ চৌরাস্তায় জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এক সুধী সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের সকলের সামনে আজকে আমি পরিষ্কার একটি কথা বলে যাই, ইনশাআল্লাহ, এই বিএনপি সরকার পদ্মা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে। তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে।’
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর নেতৃত্বেই তিস্তায় বিএনপি কর্মসূচি পালন করেছে যা বাংলাদেশে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল করে নাই। তারা হয়তো বড় বড় কথা বলেছে, গরম গরম কথা বলেছে, কিন্তু কাজ যদি কেউ করে থাকে, ডেলিভারি যদি কেউ করে থাকে, পরিস্থিতি যদি কেউ তৈরি করে থাকে, সেটা বিএনপিই করেছে। ইনশআল্লাহ, বিএনপি সেটা করবে।
পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তারেক রহমান জানান, ভারত সীমান্ত এলাকায় উজানে ব্যারাজ নির্মাণ করে পানি প্রত্যাহার করায় শুষ্ক মৌসুমে পদ্মায় পানির প্রবাহ কমে যাচ্ছে। এতে পরিবেশ ও কৃষিতে গুরুতর প্রভাব পড়ছে।
তিনি বলেন, শুকন মৌসুমে হয়ত আমরা কম পাচ্ছি। যার ফলে নদীতে পানির স্রোত কমে যাওয়ার ফলে অনেক সমস্যা হচ্ছে। আস্তে আস্তে আশপাশ শুকিয়ে যাচ্ছে। ছোটবেলায় আমরা দেখেছি, পদ্মা নদীর এপার থেকে ওপার দেখা যায় না। এখনও দেখা যায় না, তবে তখন পানি ছিল, আর এখন পানিশূন্য। এ কারণেই আমরা পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, পদ্মা ব্যারাজটি আমরা এই জন্য করতে চাচ্ছি যে বর্ষা বা শুকনো মৌসুম যখনই হোক, আমাদের দেশের কৃষকই হোক বা যেকোনো মানুষ, তারা যেন পানি পায়।
১২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এনইসি সভা শুরু
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভা শুরু হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন মিলনায়তনে এ সভা শুরু হয়।
এবারের সভার প্রধান আলোচ্যসূচি হলো— আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) চূড়ান্তকরণ ও অনুমোদন।
এ ছাড়াও সভায় ‘সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো (২০২৬-২০৩০)’ শীর্ষক অর্থনৈতিক কৌশলপত্রের রূপরেখা উপস্থাপন ও অনুমোদনের বিষয় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
১৫ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের বৈঠক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সম্পাদক পরিষদের নেতারা।
রবিবার (১৭ মে) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউএজ সম্পাদক নুরুল কবির, সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দিন, সুপ্রভাত বাংলাদেশ সম্পাদক রুশো মাহমুদ এবং দৈনিক করতোয়া সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।
১৬ দিন আগে