প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
জুলাই শহিদ জুবায়েরের অসুস্থ বোনের পাশে প্রধানমন্ত্রী
চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে লালমনিরহাটে শহিদ জুবায়ের হোসেনের বোন জেসমিন আকতারের চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট লালমনিরহাটে শহিদ হন জুবায়ের হোসেন। তার একমাত্র বোন ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী জেসমিন আকতার বর্তমানে ব্রেন টিউমারে (ব্রেন স্টেম গ্লাইওমা) আক্রান্ত। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জেসমিনের অসুস্থতার বিষয়টি জানতে পেরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে যায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের নিউরো অ্যানেসথেশিয়া বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম সাইফুদ্দিন বাবু, ড্যাবের আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম আর হাসান, জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য গোলাম রহমান ও রবিউল আওয়াল এবং ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ অন্যরা।
প্রতিনিধিদলটি শহিদ জুবায়েরের বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলে এবং জেসমিনের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
২ দিন আগে
বাল্যবিবাহ ও ঝরে পড়া রোধে মেয়েদের উপবৃত্তি ফের চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহ রোধে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের চলমান কার্যক্রম, এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে ঝরে পড়া রোধে ট্রাস্টের ভূমিকা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।
এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে মেয়েদের জন্য চালু হওয়া সর্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রভাব ও অর্জন নিয়ে আলোচনা হয়। ওই কর্মসূচি মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানো, শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিবাহ নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছিল বলে বৈঠকে উঠে আসে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং এর প্রত্যাশিত সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
একই সঙ্গে ছেলেদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপবৃত্তি দেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
বৈঠকে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিকেও শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিদ্যালয় পর্যায়ে মধ্যাহ্নভোজ কর্মসূচির ব্যবস্থাপনা, খাবারের পুষ্টিমান এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করা খাবার পুষ্টিকর, নিরাপদ ও মানসম্মত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে খাদ্যের মানের ক্ষেত্রে কোনো আপস না করার নির্দেশ দেন।
মধ্যাহ্নভোজ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্যয়, ব্যবস্থাপনার দক্ষতা, স্থানীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ ও খাবারের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয় বিবেচনায় রেখে দুটি বিকল্প পদ্ধতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এসব পদ্ধতির কার্যকারিতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা ও সম্ভাব্য ফলাফল যাচাইয়ে পৃথক দুটি জেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন আগে
পেশাগত দক্ষতা-সততার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
পদোন্নতির জন্য রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে থেকে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনি পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (২৩ আগস্ট) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে প্রধান অতিথি হিসেবে ‘নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনি পর্ষদ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। এ ছাড়াও বিমান বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, কমান্ডার ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এবং বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন, উইং কমান্ডার ও স্কোয়াড্রন লিডার পদবির যোগ্য কর্মকর্তারা পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।
৪ দিন আগে
ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে পাইলট প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সমন্বিত ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আনতে ‘ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম’ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রাথমিকভাবে দেশের কয়েকটি জেলায় পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২২ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যখাতে সমন্বিত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় সভাপতিত্বও করেন তিনি।
সভায় ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের সম্ভাব্য কাঠামো, পরিচালনা পদ্ধতি এবং স্বাস্থ্যসেবায় এর ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কয়েকটি জেলায় পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রথমে প্ল্যাটফর্মটির কার্যকারিতা, সম্ভাব্য সমস্যা, ব্যয় ও বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করা হবে।
পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ও ফলাফল পর্যালোচনা করে পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে প্ল্যাটফর্মটির পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসেবায় তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সমন্বিত এই ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে এর সুফল পান এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়।
রোগীর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনের সময় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের কাছে সহজে তা পাওয়ার ব্যবস্থা রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, প্ল্যাটফর্ম তৈরির ক্ষেত্রে তথ্যের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ব্যবস্থাটি যেন সহজে ব্যবহারযোগ্য, ব্যয়সাশ্রয়ী এবং দীর্ঘ মেয়াদে পরিচালনাযোগ্য হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
পাইলট প্রকল্পের ফলাফল যথাযথভাবে মূল্যায়নের পর পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে একটি উপস্থাপনা দেন প্রকৌশলী জাকারিয়া স্বপন।
এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ও ড. শাকিরুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব মো. মামুনুর রশীদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৫ দিন আগে
দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছে দ্বীপ জেলা ভোলা
দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সভায় এমন নির্দেশনা দেন তিনি।
সভায় ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে তিনটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত বরিশাল (রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা) রুটটি বেছে নেওয়া হয়েছে। এই রুটে মহাসড়ক নির্মাণের মাধ্যমে ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে সমন্বিত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করার এ উদ্যোগ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রস্তাবিত রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি নতুন সড়ক নির্মাণ এবং তিনটি ছোট সেতু নির্মাণ করতে হবে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা দ্রুত যাচাই করা হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভোলার সঙ্গে বরিশাল, ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও খরচ—দুটিই কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
নদীবেষ্টিত হওয়ায় ভোলার মানুষের যোগাযোগে দীর্ঘদিন ধরে নৌপথের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। নতুন সড়ক সংযোগ তৈরি হলে সেই নির্ভরতা কমবে।
সভায় সংশ্লিষ্টরা বলেন, হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটের বড় সুবিধা হলো দূরত্ব, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়। বিশেষ করে ঢাকা ও বরিশালের সঙ্গে ভোলার যোগাযোগে এটি একটি কার্যকর বিকল্প পথ হয়ে উঠতে পারে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
৫ দিন আগে
সন্ত্রাসী হামলায় আহত ডা. আসাদকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক
সন্ত্রাসী হামলায় আহত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান ও গলা (ইএনটি) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু।
বুধবার (১৯ আগস্ট) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন ডা. বিটু। এ সময় তিনি হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সঙ্গে ডা. আসাদুর রহমানের চিকিৎসার সার্বিক বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
গত ১৭ আগস্ট রাতে রাজধানীর শান্তিনগর এলাকায় ডা. আসাদুর রহমানের ওপর হামলা হয়।
হাসপাতালে ডা. আসাদুর রহমানকে দেখে ডা. বিটু বলেন, চিকিৎসকদের ওপর এ ধরনের বর্বর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেশের স্বাস্থ্যসেবার স্বাভাবিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করে এবং চিকিৎসকদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে ডা. বিটু অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।
এ সময় পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দ্রুত ‘স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা রক্ষা আইন’ প্রণয়নের জোর দাবি জানানো হয়।
৮ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) সভা শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনে এ সভা শুরু হয়েছে।
একনেকের এ সভায় ১১টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ একনেকের অন্যান্য সদস্যরা বৈঠকে যোগ দিয়েছেন।
উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন ও আলোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত রয়েছেন।
বৈঠক শেষে পরিকল্পনা কমিশন মিলনায়তনে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে।
৮ দিন আগে
মানবিক উদ্যোগে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সমাজের সবাই একটু একটু করে এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব উল্লেখ করে মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগে বেসরকারি খাতকে আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, যারা এ ধরনের কাজ করতে চায়, সরকার তাদের পাশে আছে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সিলেট বিভাগের চা বাগান শ্রমিকদের মধ্যে বেসরকারি খাতের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের সহায়তায় ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ কার্যক্রমের সূচনা করে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় ১০ জন চা-শ্রমিকের হাতে রেইনকোট তুলে দিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন তিনি।
সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার চা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের প্রতিকূল আবহাওয়ায় সুরক্ষা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।
এ উদ্যোগের আওতায় মোট ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বাপি) ১০ হাজার, শেভরন বাংলাদেশ ৫ হাজার এবং পাণ্ডুঘর গ্রুপ ৫ হাজার রেইনকোট দেবে।
৯ দিন আগে
করজাল আরও বিস্তৃত এবং জনবান্ধব রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বিদ্যমান করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত বোঝা না চাপিয়ে বাংলাদেশের করজাল আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। টেকসই রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য একটি আধুনিক, ডিজিটাল, তথ্যভিত্তিক ও জনবান্ধব রাজস্ব প্রশাসন অত্যন্ত জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এর আগে তিনি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ও বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ বর্তমানে এনবিআরকে একটি নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রত্যাশা করে। বিশেষ করে করদাতারা এনবিআরকে তাদের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায়। দক্ষ ও টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই জনআস্থা অর্জন সম্ভব। করদাতাদের সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব আপনাদেরই নিতে হবে। বর্তমান সরকার এনবিআর তথা রাজস্ব কাঠামোকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
৯ দিন আগে
আজকে যারা বড় বড় কথা বলছে, বিগত ১৭ বছর তাদের রাজপথে দেখা যায়নি: তারেক রহমান
বিএনপি সরকারের ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের রাজনীতি অব্যাহত রাখতে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী ও রটনাকারী রয়েছে; তাদের অতীত কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে ভবিষ্যৎ ভূমিকার ওপর নজর রাখতে হবে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে কিশোরগঞ্জের পুরাতন স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি এই রাজনীতির ধারা আমাদের অব্যাহত রাখতে হয়, যেই রাজনীতির ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে, তাহলে অবশ্যই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী আছে, অনেক রটনাকারী আছে; এদের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। দেখতে হবে এরা অতীতে কী করেছে। সেই অতীত বিবেচনা করে তাদের আমাদের চোখে চোখে রাখতে হবে। সেই অতীত বিবেচনা করেই আমরা ভবিষ্যতে তারা কী করছে, সেদিকে আমাদের নজর রাখতে হবে।’
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে, ১৯৮৬ সালে, ১৯৯৬ সালে এবং বিগত ১৭ বছরের আন্দোলনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকা জনগণ দেখেছে। ‘বিগত ১৭ বছরের জনগণের যে আন্দোলন, সেই আন্দোলনে তাদের আমরা রাজপথে দেখিনি। আন্দোলনে বিএনপিসহ বিএনপির সঙ্গে যেসব রাজনৈতিক দল মাঠে ছিল, তাদেরই নেতাকর্মীরা অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছে, গুম-খুনের শিকার হয়েছে।’
‘আজকে যারা বড় বড় কথা বলছে, যারা বলছে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে, তাদের আমরা রাজপথে বিগত ১৭ বছর দেখিনি,’ বলেন তিনি।
সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে এরা সংস্কার-সংস্কার কথা বলছে। বিএনপি ২০২২ সালের সংস্কারের কথা বলেছে। কোথায় ছিলেন তখন আপনারা সংস্কার নিয়ে? সংস্কার এই দেশে সবচেয়ে প্রথম বিএনপি তথা খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই সংস্কারের প্রস্তাবনা মানুষের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, এখন দেশকে স্থিতিশীল রাখতে হবে। ‘কোনো বিভ্রান্তকারীর কথায় বিভ্রান্ত হলে চলবে না। বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করতে আসে অতীতের মতো, তাদের সমোচিত জবাব দিতে হবে—যে তোমাদের অতীত আমরা দেখেছি, তোমাদের অতীত আমরা জানি, তোমরা অতীতে কী করেছ। কাজেই তোমাদের কথায় আমরা কান দেব না।’
কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ার প্রত্যয়
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চায় না বিএনপি সরকার; বরং এমন একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চায়, যেখানে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ রাষ্ট্রের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা এবং নিজের প্রাপ্য মর্যাদা পাবে।
তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চাই না; আমরা বাংলাদেশকে এমন একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে তৈরি করতে চাই, যেই রাষ্ট্রে কমবেশি প্রতিটি শ্রেণির মানুষকে রাষ্ট্র তার সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করবে, সহযোগিতা দেবে; যেই রাষ্ট্রে প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি শ্রেণির প্রতিটি মানুষ তার মর্যাদা অনুযায়ী তার প্রাপ্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে পাবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির রাজনীতি দেশের মানুষকে ঘিরে এবং দেশের জন্য। কয়েকটি রাস্তা ও ভবন নির্মাণ করে উন্নয়নের দাবি না করে জনগণের জীবনমান ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শান্তি ও স্থিতিশীলতার আহ্বান
সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সারা দেশে চার কোটি পরিবারের নারী প্রধানদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা, শিক্ষার্থীদের পোশাক ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়া, নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং দেশে শান্তি বজায় রাখতে হবে।
চীনের সঙ্গে চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, চট্টগ্রামে বেশ কিছু মিল-কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে দেশের তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
তারেক রহমান বলেন, এখন দেশ গঠনের সময়। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়লে জনগণ রাজপথে নেমে তা রক্ষা করেছে। এখন জনগণকে দেশ গঠনের কাজে মনোনিবেশ করতে হবে।
তিনি বলেন, এই দেশের মালিক হচ্ছে বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষ। কাজেই এই ২০ কোটি মানুষকে আজকে সচেতন থাকতে হবে। ২০ কোটি মানুষকে আজকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে এই যে বিএনপির যে রাজনীতি আপনাদের সামনে বললাম, এই রাজনীতিতে যাতে কেউ ব্যাঘাত ঘটাতে না পারে।
তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিল্প-কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনগণের সমর্থন চান।
সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ, মেধাবী শিক্ষার্থী, অসুস্থ, দুস্থ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অনুদান এবং মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিতসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রতিনিধিদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
১১ দিন আগে