রাষ্ট্রপতির-কার্যালয়
জুলাই শহিদদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগের চেতনাকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠে দল-মত-পথ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা, সাহস ও আত্মত্যাগের ফসল এবং শহিদদের আত্মদান রাষ্ট্রের শক্তির প্রকৃত উৎস হিসেবে জনগণের মর্যাদাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আজ ১৬ জুলাই, জুলাই শহিদ দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই বেদনাবিধুর দিনে আমি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল বীর শহিদদের অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করি। তাদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।
তিনি বলেন, আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি আন্দোলনে আহত সেই সব সাহসী তরুণ-তরুণী, যুবপ্রজন্মকে যাদের অনেকে পঙ্গুত্ববরণ করে আজও যন্ত্রণাময় জীবনযাপন করছেন। একই সঙ্গে গভীর সমবেদনা জানাই শহিদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি, যারা আপনজন হারানোর গভীর শোক বুকে ধারণ করেও অসীম ধৈর্য ও সাহসের পরিচয় দিয়ে চলেছেন। আমি জুলাই যোদ্ধা ও গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সকল দেশপ্রেমিক নাগরিকের ত্যাগ ও অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের বৈষম্য, দুর্নীতি, গুম-খুন, ভোটাধিকার হরণ এবং নিপীড়ন ও ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আপামর জনগণের ক্ষোভের বিস্ফোরণ।
তিনি বলেন, ১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদের প্রসারিত হাত ও গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাতবরণ; একই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকজন তরুণের আত্মাহুতি আন্দোলনকে দেয় এক নতুন মোড়, দেয় তীব্র মাত্রা। এরপর আন্দোলনরত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আটক, জেল-জুলুম এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও আপামর জনতার রাজপথে নেমে সক্রিয় ও সুতীব্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সূচিত হয় গণঅভ্যুত্থান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, এই গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক আন্দোলন ও অর্জন নয়; এটি ছিল গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা, সাহস ও আত্মত্যাগের ফসল। জুলাই শহিদদের আত্মদান আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—রাষ্ট্রের শক্তির উৎস ও সর্বময় ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণের মৌলিক অধিকার, স্বার্থ, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্ব। জুলাই-এর চেতনা আমাদের একটি মানবিক, স্বৈরাচারমুক্ত, সমতাভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের প্রেরণা জোগায়।
রাষ্ট্রপতি বলেন, শহিদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মান-স্বীকৃতি, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এ কাজে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও মানবিক সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।
তিনি বলেন, আসুন, শহিদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ—একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক সৌহার্দ্যপূর্ণ রাষ্ট্র গঠনে দল-মত-পথ নির্বিশেষে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।
রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মদানকারী সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত ও শাশ্বত শান্তি কামনা করেছেন। জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করেছেন তিনি।
৩ দিন আগে
প্রযুক্তিনির্ভর ও চতুর্মাত্রিক সশস্ত্র বাহিনী গঠনে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি
পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
তিনি বলেছেন, এসব নীতি ও উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দক্ষ, আধুনিক ও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে পিজিআরের কর্মসক্ষমতা ও দক্ষতাও বৃদ্ধি পাবে।
রবিবার (৫ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, রাষ্ট্রপতি, সরকারপ্রধান এবং দেশি-বিদেশি অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের মর্যাদার বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও নিশ্ছিদ্র করতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় বজায় রাখা জরুরি।
তিনি বলেন, ’আমি জানি, আপনারা সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করছেন। আমি আশা করি, এই সমঝোতা ও সমন্বয় আপনারা আগামীতে আরও জোরদার করবেন।’
পিজিআর সদস্যদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে জনগণের স্বাভাবিক যোগাযোগ ও সুসম্পর্ক যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়েও বিশেষভাবে সচেতন থাকতে হবে।
নতুন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতার ওপর জোর
পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে সাইবার হামলা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ঝুঁকি এবং হাইব্রিড নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা বৃদ্ধি, গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ, কার্যকর কৌশল গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে নিরাপত্তার ধারণা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রচলিত নিরাপত্তা ঝুঁকির পাশাপাশি নতুন ধরনের হুমকি সৃষ্টি হয়েছে। ‘এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা বৃদ্ধি, গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ, কার্যকর কৌশল গ্রহণ এবং সার্বক্ষণিক প্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই।’
রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, আধুনিক প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত উৎকর্ষের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট ভবিষ্যতে নিজেদের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করবে এবং পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা কৌশলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাবে।
১৪ দিন আগে
সাংবাদিকতার সর্বোচ্চ মান ও পেশাদারত্ব বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
আইন সাংবাদিকতায় সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, নৈতিক মান, সততা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রেখে কাজ করার জন্য এই বিটে কাজ করা সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বুধবার (১ জুলাই) বঙ্গভবনে ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি হাসান জাবেদ ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মিশনের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।
আইন সাংবাদিকতা বিচারব্যবস্থা ও জনগণের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ল’ রিপোর্টার্সগণ আদালতের কার্যক্রম ও গুরুত্বপূর্ণ রায় সম্পর্কে বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভুল সংবাদ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া সহজ ভাষায় জনগণকে আইন বিষয়ে সচেতন করতে তারা তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।
তিনি বলেন, সংবিধানের প্রাধান্য, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। বর্তমান সরকার সংবিধানের আলোকে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ইতোমধ্যে বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণেও বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বিচার বিভাগ, আইনজীবী, আইনবিষয়ক সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি আরও সহজ ও ত্বরান্বিত হবে।
তিনি আইন সাংবাদিকদের প্রতি আদালতের মর্যাদা ও বিচারাধীন বিষয়ের সংবেদনশীলতা অক্ষুণ্ণ রেখে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান। একইসঙ্গে অপতথ্য, ভ্রান্ত তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যাচারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাংবাদিকদের আরও সচেতন ও সতর্ক থাকতে বলেন রাষ্ট্রপ্রধান।
এর আগে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের রজতজয়ন্তী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত বিশেষ স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব খান মো. নূরুল আমীন, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম ও রাষ্ট্রপতির সহকারী সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রাইসুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
১৮ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির নিকট ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি সুসজ্জিত দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরিচয়পত্র পেশের আনুষ্ঠানিকতা শেষে হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের জানান, রাষ্ট্রপতি নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন যে, তার কর্মকাল বাংলাদেশ-ভারত পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ়, ফলপ্রসূ ও জনকল্যাণমুখী করতে সহায়ক হবে।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতি এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে গঠিত নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার অংশগ্রহণের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দেয়।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা এবং জনগণের কল্যাণকে সমুন্নত রেখে ভারতের সঙ্গে সম্মানজনক ও ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্ব বজায় রাখতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ প্রসঙ্গে হাইকমিশনার বলেন, আমাদের দুইটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান, আর এটাই স্বাভাবিক।
রাষ্ট্রপতি এ সময় দুদেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সীমান্ত সমস্যাসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক উদ্যোগের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
২৪ দিন আগে
জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে: রাষ্ট্রপতি
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তার অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেছেন, জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম, সততা, ন্যায়বোধ ও স্বনির্ভর উন্নয়ন ভাবনা নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এই বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কের অসামান্য অবদানকে সশ্রদ্ধচিত্তে ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জিয়াউর রহমান নির্মমভাবে শহিদ হন। এ বেদনাবিধুর দিনে তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তার অসামান্য অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার ইতিহাসে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক অবিস্মরণীয় নাম। মহান মুক্তিযুদ্ধের ঊষালগ্নে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান এবং তার স্বাধীনতার ঘোষণা দিশেহারা জাতিকে আলোর পথ দেখায়। তার আহ্বানে উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতি মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব, রণকৌশল ও অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।
বাণীতে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক অস্থিরতা, নাগরিক ও বাকস্বাধীনতা হরণ, নৈরাজ্য, দুর্নীতি ও লুটপাটে রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙে পড়ার উপক্রম হলে এক সংকটময় সময়ে দেশের দায়িত্বভার জিয়াউর রহমানের ওপর অর্পিত হয়। জাতির বিভিন্ন ক্রান্তিকালে তার ভূমিকা ছিল ত্রাতার ও উদ্ধারকর্তার। তার সফল নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সর্বদা আলোর পথ দেখাবে বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং বাক, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, স্বনির্ভরতা অর্জন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে বহুমুখী পরিকল্পনা ও যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমান ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল একটি উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা। কৃষি উন্নয়ন, খাল খনন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবার পরিকল্পনা, গ্রাম সরকার, গ্রামীণ উন্নয়ন, গণশিক্ষাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি জনগণকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করেন। যুব উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, শিশুদের বিকাশ এবং শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারেও তার অবদান অবিস্মরণীয় বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
বাণীতে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে জিয়াউর রহমান একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছিলেন। তিনি মুসলিম বিশ্ব, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, চীন ও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্মানজনক, বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তিনিই প্রথম প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার উন্মুক্ত করেন, যার ফলে আজ প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শহিদ জিয়ার সক্রিয় উদ্যোগের ফলেই পরবর্তীকালে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। অল্প সময়ের জন্য রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলেও তিনি গভীর দেশপ্রেম, ন্যায়পরায়ণতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দূরদর্শিতার সঙ্গে দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন, যা আজও সমুজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে ও নির্মোহ জীবন, বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব, প্রশ্নাতীত সততা এবং একজন বাস্তববাদী ও কর্মোদ্যমী রাষ্ট্রনায়কের পরিচয় জনগণের মণিকোঠায় চিরজাগরুক থাকবে। তার কর্মময় জীবন, অগাধ দেশপ্রেম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় অটলতা এবং স্বনির্ভর উন্নয়ন ভাবনা নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বাণীর শেষে রাষ্ট্রপতি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে তার জন্য জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম প্রার্থনা করেন।
৫০ দিন আগে
ঈদুল আজহায় ত্যাগ, সাম্য ও সহমর্মিতার মূল্যবোধ ধারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ত্যাগ, সাম্য, সহমর্মিতা ও সামাজিক সম্প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদের শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ঈদুল আজহা শুধু মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসবই নয়, এটি হিংসা-বিদ্বেষ, অহংকার ও মনের পশুত্বকে কুরবানি করার এক চিরন্তন ও সর্বজনীন আহ্বান।
তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ, ইসলামের সাম্য, সম্প্রীতি ও ত্যাগের অনুপম মহিমায় আমরা আজ পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করছি। ঈদের শিক্ষা আমাদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ, আত্মত্যাগ, সৌহার্দ্য ও সামাজিক সংহতি সুদৃঢ় করতে উদ্বুদ্ধ করে।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, কুরবানির ঈদ সমাজের অসচ্ছল মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির গতিসঞ্চারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।
তিনি বলেন, আজকের এই পবিত্র দিনে আমি সমাজের সচ্ছল ও বিত্তবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা কুরবানির আনন্দ, বঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষ, এতিম, অভাবগ্রস্ত আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে ভাগাভাগি করে নিন। তাদের ন্যায্য হক আদায়ে এগিয়ে আসুন এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করুন।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে কুরবানির বর্জ্য দ্রুত ও যথাযথভাবে অপসারণ এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সবাই সচেতন থাকুন।
তিনি আরও বলেন, বিভেদ নয়, ঐক্য; হিংসা নয় সহমর্মিতা; স্বার্থপরতা নয়, ন্যায়পরায়ণতা; বৈষম্য নয়, সাম্য—পবিত্র ঈদুল আজহার এই মহান আদর্শ ও মূল্যবোধ হৃদয়ে ধারণ করে আসুন, আমরা একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে একযোগে কাজ করি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহার মহিমান্বিত বার্তা মানবতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করুক। আমাদের সবার জীবনে বয়ে আনুক প্রশান্তি, সৌহার্দ্য ও সমৃদ্ধি—এই প্রার্থনা করি। মহান আল্লাহ তা’আলা আমাদের সকলের কুরবানি কবুল করুন।
এর আগে, আজ সকালে জাতীয় ঈদগাহে দেশের প্রধান ঈদ জামাতে অংশ নিয়ে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তার সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতীয় ঈদগাহে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মানুষ নামাজে অংশ নেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে মোনাজাতে হাত তোলেন।
৫২ দিন আগে
যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আজ সোমবার দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি-২০২ সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর এ্যালিসন জে ক্রস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চিকিৎসকদের পরামর্শে ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাষ্ট্রপতি গত ৯ মে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।
গত ১২ মে ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. স্টিফেন হোলির তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপতির এনজিওগ্রাম করা হয়। এ সময় হৃদযন্ত্রে গুরুতর ব্লক ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে এনজিওপ্লাস্টি করে সফলভাবে একটি স্টেন্ট স্থাপন করা হয়।
বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক রয়েছে বলে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে এক বার্তায় জানানো হয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে তার কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়।
যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালেও রাষ্ট্রপতি নিয়মিত দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো গুরুত্বপূর্ণ সামারি ও নথি তিনি ডিজিটালি অনুমোদন ও স্বাক্ষর করেন।
এছাড়া সফরকালে লন্ডনের হোটেল হিলটনে সুদানের প্রধানমন্ত্রী ড. কামিল ইদ্রিসের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির একটি অনানুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
৬২ দিন আগে
চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্য গেলেন রাষ্ট্রপতি
ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ শনিবার সকালে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শনিবার (৯ মে) সকাল পৌনে ৮টায় রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি-২০১ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করে।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান।
রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্য, তার চিকিৎসক, স্টাফ নার্স ও বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী হয়েছেন।
২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে মো. সাহাবুদ্দিনের কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়। চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ফলো-আপ হিসেবে যুক্তরাজ্যের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে রাষ্ট্রপতির প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে।
চিকিৎসা শেষে আগামী ১৮ মে রাষ্ট্রপতির দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
৭১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব ও সহকারী প্রেস সচিব নিয়োগ
মো. সাহাবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব এবং এ এফ এম মাহফুজুর রহমান খানকে সহকারী প্রেস সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা, কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তাদের এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
উপ-প্রেস সচিব গ্রেড-৫ বেতন স্কেলে ও সহকারী প্রেস সচিব গ্রেড-৬ বেতন স্কেলে এই নিয়োগ পেয়েছেন। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
১০২ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব ও সহকারী প্রেস সচিব নিয়োগ
তথ্য ক্যাডারের দুইজন কর্মকর্তাকে রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব এবং সহকারী প্রেস সচিব পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে তথ্য অধিদপ্তরের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোল্লা আহমদ কুতুবুদ-দ্বীনকে প্রেষণে রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে ন্যস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
একই আদেশে তথ্য অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা এস এম রাহাত হাসনাতকে প্রেষণে রাষ্ট্রপতির সহকারী প্রেস সচিব নিয়োগ দিয়ে তার চাকরিও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
মো. সরওয়ার আলম সচিব পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতির সচিবের দায়িত্বে আছেন। এবার নতুন করে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ে দুইজন কর্মকর্তাকে যুক্ত করল সরকার।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ের সব কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বিএনপি সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আগের প্রেস সচিব সরওয়ার আলমকে একই পদে নিয়োগ দেয়।
১১৬ দিন আগে