রাষ্ট্রপতির-কার্যালয়
জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে: রাষ্ট্রপতি
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তার অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেছেন, জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম, সততা, ন্যায়বোধ ও স্বনির্ভর উন্নয়ন ভাবনা নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এই বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কের অসামান্য অবদানকে সশ্রদ্ধচিত্তে ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জিয়াউর রহমান নির্মমভাবে শহিদ হন। এ বেদনাবিধুর দিনে তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তার অসামান্য অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার ইতিহাসে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক অবিস্মরণীয় নাম। মহান মুক্তিযুদ্ধের ঊষালগ্নে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান এবং তার স্বাধীনতার ঘোষণা দিশেহারা জাতিকে আলোর পথ দেখায়। তার আহ্বানে উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতি মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব, রণকৌশল ও অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।
বাণীতে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক অস্থিরতা, নাগরিক ও বাকস্বাধীনতা হরণ, নৈরাজ্য, দুর্নীতি ও লুটপাটে রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙে পড়ার উপক্রম হলে এক সংকটময় সময়ে দেশের দায়িত্বভার জিয়াউর রহমানের ওপর অর্পিত হয়। জাতির বিভিন্ন ক্রান্তিকালে তার ভূমিকা ছিল ত্রাতার ও উদ্ধারকর্তার। তার সফল নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সর্বদা আলোর পথ দেখাবে বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং বাক, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, স্বনির্ভরতা অর্জন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে বহুমুখী পরিকল্পনা ও যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমান ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল একটি উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা। কৃষি উন্নয়ন, খাল খনন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবার পরিকল্পনা, গ্রাম সরকার, গ্রামীণ উন্নয়ন, গণশিক্ষাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি জনগণকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করেন। যুব উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, শিশুদের বিকাশ এবং শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারেও তার অবদান অবিস্মরণীয় বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
বাণীতে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে জিয়াউর রহমান একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছিলেন। তিনি মুসলিম বিশ্ব, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, চীন ও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্মানজনক, বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তিনিই প্রথম প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার উন্মুক্ত করেন, যার ফলে আজ প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শহিদ জিয়ার সক্রিয় উদ্যোগের ফলেই পরবর্তীকালে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। অল্প সময়ের জন্য রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলেও তিনি গভীর দেশপ্রেম, ন্যায়পরায়ণতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দূরদর্শিতার সঙ্গে দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন, যা আজও সমুজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে ও নির্মোহ জীবন, বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব, প্রশ্নাতীত সততা এবং একজন বাস্তববাদী ও কর্মোদ্যমী রাষ্ট্রনায়কের পরিচয় জনগণের মণিকোঠায় চিরজাগরুক থাকবে। তার কর্মময় জীবন, অগাধ দেশপ্রেম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় অটলতা এবং স্বনির্ভর উন্নয়ন ভাবনা নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বাণীর শেষে রাষ্ট্রপতি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে তার জন্য জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম প্রার্থনা করেন।
৯ দিন আগে
ঈদুল আজহায় ত্যাগ, সাম্য ও সহমর্মিতার মূল্যবোধ ধারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ত্যাগ, সাম্য, সহমর্মিতা ও সামাজিক সম্প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদের শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ঈদুল আজহা শুধু মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসবই নয়, এটি হিংসা-বিদ্বেষ, অহংকার ও মনের পশুত্বকে কুরবানি করার এক চিরন্তন ও সর্বজনীন আহ্বান।
তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ, ইসলামের সাম্য, সম্প্রীতি ও ত্যাগের অনুপম মহিমায় আমরা আজ পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করছি। ঈদের শিক্ষা আমাদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ, আত্মত্যাগ, সৌহার্দ্য ও সামাজিক সংহতি সুদৃঢ় করতে উদ্বুদ্ধ করে।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, কুরবানির ঈদ সমাজের অসচ্ছল মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির গতিসঞ্চারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।
তিনি বলেন, আজকের এই পবিত্র দিনে আমি সমাজের সচ্ছল ও বিত্তবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা কুরবানির আনন্দ, বঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষ, এতিম, অভাবগ্রস্ত আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে ভাগাভাগি করে নিন। তাদের ন্যায্য হক আদায়ে এগিয়ে আসুন এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করুন।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে কুরবানির বর্জ্য দ্রুত ও যথাযথভাবে অপসারণ এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সবাই সচেতন থাকুন।
তিনি আরও বলেন, বিভেদ নয়, ঐক্য; হিংসা নয় সহমর্মিতা; স্বার্থপরতা নয়, ন্যায়পরায়ণতা; বৈষম্য নয়, সাম্য—পবিত্র ঈদুল আজহার এই মহান আদর্শ ও মূল্যবোধ হৃদয়ে ধারণ করে আসুন, আমরা একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে একযোগে কাজ করি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহার মহিমান্বিত বার্তা মানবতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করুক। আমাদের সবার জীবনে বয়ে আনুক প্রশান্তি, সৌহার্দ্য ও সমৃদ্ধি—এই প্রার্থনা করি। মহান আল্লাহ তা’আলা আমাদের সকলের কুরবানি কবুল করুন।
এর আগে, আজ সকালে জাতীয় ঈদগাহে দেশের প্রধান ঈদ জামাতে অংশ নিয়ে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তার সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতীয় ঈদগাহে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মানুষ নামাজে অংশ নেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে মোনাজাতে হাত তোলেন।
১১ দিন আগে
যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আজ সোমবার দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি-২০২ সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর এ্যালিসন জে ক্রস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চিকিৎসকদের পরামর্শে ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাষ্ট্রপতি গত ৯ মে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।
গত ১২ মে ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. স্টিফেন হোলির তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপতির এনজিওগ্রাম করা হয়। এ সময় হৃদযন্ত্রে গুরুতর ব্লক ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে এনজিওপ্লাস্টি করে সফলভাবে একটি স্টেন্ট স্থাপন করা হয়।
বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক রয়েছে বলে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে এক বার্তায় জানানো হয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে তার কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়।
যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালেও রাষ্ট্রপতি নিয়মিত দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো গুরুত্বপূর্ণ সামারি ও নথি তিনি ডিজিটালি অনুমোদন ও স্বাক্ষর করেন।
এছাড়া সফরকালে লন্ডনের হোটেল হিলটনে সুদানের প্রধানমন্ত্রী ড. কামিল ইদ্রিসের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির একটি অনানুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
২১ দিন আগে
চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্য গেলেন রাষ্ট্রপতি
ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ শনিবার সকালে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শনিবার (৯ মে) সকাল পৌনে ৮টায় রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি-২০১ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করে।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান।
রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্য, তার চিকিৎসক, স্টাফ নার্স ও বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী হয়েছেন।
২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে মো. সাহাবুদ্দিনের কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়। চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ফলো-আপ হিসেবে যুক্তরাজ্যের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে রাষ্ট্রপতির প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে।
চিকিৎসা শেষে আগামী ১৮ মে রাষ্ট্রপতির দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
৩০ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব ও সহকারী প্রেস সচিব নিয়োগ
মো. সাহাবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব এবং এ এফ এম মাহফুজুর রহমান খানকে সহকারী প্রেস সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা, কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তাদের এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
উপ-প্রেস সচিব গ্রেড-৫ বেতন স্কেলে ও সহকারী প্রেস সচিব গ্রেড-৬ বেতন স্কেলে এই নিয়োগ পেয়েছেন। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
৬১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব ও সহকারী প্রেস সচিব নিয়োগ
তথ্য ক্যাডারের দুইজন কর্মকর্তাকে রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব এবং সহকারী প্রেস সচিব পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে তথ্য অধিদপ্তরের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোল্লা আহমদ কুতুবুদ-দ্বীনকে প্রেষণে রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে ন্যস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
একই আদেশে তথ্য অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা এস এম রাহাত হাসনাতকে প্রেষণে রাষ্ট্রপতির সহকারী প্রেস সচিব নিয়োগ দিয়ে তার চাকরিও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
মো. সরওয়ার আলম সচিব পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতির সচিবের দায়িত্বে আছেন। এবার নতুন করে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ে দুইজন কর্মকর্তাকে যুক্ত করল সরকার।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ের সব কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বিএনপি সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আগের প্রেস সচিব সরওয়ার আলমকে একই পদে নিয়োগ দেয়।
৭৫ দিন আগে
বিডিআর বিদ্রোহে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি
বিডিআর (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) বিদ্রোহে শহিদদের কবরে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পন করে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
এ বিষয়ে আজ (সোমবার) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রটোকল উইং থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় সেনা শহিদ দিবস উপলক্ষে সকাল ১০টায় রাষ্ট্রপতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
বিডিআর সদস্যদের আত্মত্যাগের প্রতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে শ্রদ্ধা জানাতে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
১০৪ দিন আগে
বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ করতে জাপানের প্রতি রাষ্টপতির আহ্বান
বাংলাদেশের অবকাঠামো, অটোমোবাইল, আইসিটিসহ উদীয়মান বিভিন্ন খাতে আরও বিনিয়োগ করতে জাপানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
এদিন বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের পক্ষ থেকে নতুন রাষ্ট্রদূতকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
সাইদা শিনিচিকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, জাপান বাংলাদেশের একক সর্ববৃহৎ দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদার। দুদেশের সম্পর্ক স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে (কৌশলগত অংশীদারত্ব) উন্নীত হয়েছে।
সাক্ষাতকালে বিগ বি ইনিশিয়েটিভের অধীনে বাংলাদেশের উন্নয়নে ঋণ ও অনুদান হিসেবে জাপানের ২৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি এ সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সন্তোষ প্রকাশ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জাপানের ৩৫০টির বেশি কোম্পানি বর্তমানে বাংলাদেশে কাজ করছে। বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নিতে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করতে তিনি রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান।
রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানে জাপানের ভূমিকার প্রশংসা করে রোহিঙ্গারা যাতে নিরাপদে এবং সম্মানজনকভাবে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে—সে বিষয়ে জাপান আগামীতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।
এ সময় জাপানের রাজা, রানী ও রাজপরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি।
বাংলাদেশের বড় বড় অবকাঠামো খাতে জাপানের বিনিয়োগের কথা উল্লেখ করে জাপানের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত বলেন, আগামীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে আরও বিনিয়োগ করতে আগ্রহী জাপান। তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী, প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এবং পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
৫০৯ দিন আগে
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বড়দিন উপলক্ষে বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) বঙ্গভবনে খ্রীস্ট ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান।
বড়দিন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও তার সহধর্মিনী ড. রেবেকা সুলতানা খ্রীস্ট ধর্মাবলম্বীদের সম্মানে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ, ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত কেভিন এস র্যান্ডেল ও রাষ্ট্রপতির সচিবরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বড়দিন উপলক্ষে অতিথিদের সঙ্গে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি। এরপর খ্রীস্ট ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। বাংলাদেশকে একটি বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করতে হবে।’
পরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
৫৩০ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব হিসেবে যোগ দিলেন সারোয়ার আলম
রাষ্ট্রপতির নতুন প্রেস সচিব নিয়োগ পাওয়ার পর এই দায়িত্বে যোগদান করেছেন অবসরপ্রাপ্ত যুগ্মসচিব মো. সরওয়ার আলম। সচিব পদমর্যাদায় তাকে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনের প্রেস উইংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর ফলে বিদায়ী প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীনের স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি।
এর আগে গতকাল (সোমবার) মো. সারওয়ার আলমকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
শিক্ষাজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণি পেয়ে স্নাতক ও পরে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন ফেনীর কৃতি সন্তান সরওয়ার আলম।
এরপর ২০০৫ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপ-প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সাবেক রাষ্ট্রপতি ড. ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ফখরুদ্দিন আহমেদেরও উপ-প্রেস সচিব হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এবং কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের প্রথম সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
পরবর্তী সময়ে দীর্ঘদিন কর্মবঞ্চিত থাকার পর ২০২২ সালে অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (এলপিআর) এবং ২০২৩ সালে অবসরে যান এই কর্মকর্তা।
৫৩১ দিন আগে