ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরিচালকের পদত্যাগ দাবি, অন্যদিকে কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগের ঘটনায় উত্তেজনার সৃষ্টির পর বৈঠকে বসেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। বৈঠকের পর ঢামেকের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুর থেকেই হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামানের পদত্যাগ চেয়ে তার কক্ষে অবস্থান করেন হাসপাতালে চিকিৎসক এবং শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে কর্মচারী হানিফকে মারধরের ঘটনায় প্রতিবাদ মিছিল ও বিচার চেয়ে অবস্থান নেন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা।
এ সময় খবর পেয়ে ঢামেক হাসপাতালে ছুটে যান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।
অন্যদিকে, একই ঘটনার খবর শুনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা.জহিরুল ইসলাম শাকিল।
দুই পক্ষের যৌথ বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসক এবং কর্মচারীদের মধ্যে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, সেটা নিরসনে আমরা হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষে এসেছিলাম। পরে বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ে একটি সভা করার আশ্বাস দিলে চিকিৎসক ও কর্মচারীরা চলে যান। আমরা আশা করি, যে বিষয়টি নিয়ে সমস্যা সেটি দ্রুতই সমাধান করা যাবে।
ড্যাবের মহাসচিব জহিরুল ইসলাম শাকিল জানান, আমরা আসার পর চিকিৎসকরা পরিচালকের কক্ষ ত্যাগ করেছেন। প্রশাসনিক ব্লকে কর্মচারীদের যে অবস্থান ছিল সেটিকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী অবগত আছেন এবং মন্ত্রণালয়ে এই বিষয় নিয়ে একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানান ড্যাবের মহাসচিব।