পরিবেশ-ও-কৃষি
দূষণের শীর্ষ পাঁচে লাহোর, দিল্লি, ঢাকার বাতাস ‘মাঝারি’
থেমে থেমে বৃষ্টি ও রোদ হওয়ায় গত কয়েকদিন ধরেই ঢাকার বাতাস ‘মাঝারি’ অবস্থানে রয়েছে। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার শীর্ষ পাঁচে স্থান করে নিয়েছে ভারতের দিল্লি ও পাকিস্তানের লাহোর।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকার বাতাসের একিউআই সূচক ছিল ৭৮, যা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত। এই স্কোর নিয়ে ঢাকার স্থান ছিল তালিকার ২২ নম্বরে।
অপরদিকে, বেশ কিছুদিন পর দূষণে শীর্ষ শহরগুলোর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে দিল্লি। একই সময়ে শহরটির স্কোর ছিল ১২৭, যা ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’। তবে দিল্লির চেয়ে বেশি দূষণ ছিল লাহোরের বাতাসে। ১২৮ একিউআই স্কোর নিয়ে দিল্লির ঠিক উপরে, অর্থাৎ চতুর্থ স্থানে ছিল লাহোর।
এই সময়ে ১৩৯, ১৫৩ ও ১৭০ একিউআই স্কোর নিয়ে তাদের উপরে ছিল যথাক্রমে উগান্ডার কাম্পালা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ও কঙ্গোর কিনশাসা।
এদিন, কানাডার টরন্টোর বাতাসেও দূষণ ছিল লক্ষণীয়। ১০৩ একিউআই স্কোর নিয়ে শহরটির অবস্থান ছিল শীর্ষ সাতে।
আরও পড়ুন: ঢাকার বাতাস আজও ‘মাঝারি’
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
২৯৪ দিন আগে
বৈশ্বিক প্লাস্টিক দূষণ চুক্তির খসড়া প্রত্যাখ্যান, কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান বাংলাদেশের
সম্প্রতি প্লাস্টিক দূষণ রোধে প্রস্তাবিত ‘গ্লোবাল প্লাস্টিক দূষণ চুক্তি’র সর্বশেষ খসড়াকে দুর্বল আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে প্লাস্টিক দূষণ রোধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
বুধবার (১৩ আগস্ট) সুইজারল্যান্ডের জেনেভার অনুষ্ঠিত প্লাস্টিক দূষণবিষয়ক আন্তঃসরকারি আলোচনাসভার (আইএনসি ৫.২) দ্বিতীয় পর্বে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে বাংলাদেশ। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মনে করে, প্রস্তাবিত খসড়াটি জাতিসংঘ পরিবেশ পরিষদের প্রস্তাব ৫/১৪ অনুসারে প্লাস্টিক দূষণ বন্ধে আন্তর্জাতিকভাবে আইনি বাধ্যতামূলক চুক্তি প্রণয়নের যে ম্যান্ডেট রয়েছে, তা পূরণে ব্যর্থ।
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মতে, খসড়াটি দুর্বল ও অপর্যাপ্ত। এতে সরবরাহপক্ষীয় পদক্ষেপ বাদ দেওয়া হয়েছে। প্লাস্টিকের পূর্ণ জীবনচক্র, স্বাস্থ্যগত প্রভাব, ক্ষতিকর রাসায়নিক, বর্জ্য ব্যবস্থার অগ্রাধিকার ও আন্তঃসীমান্ত দূষণ রোধে বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা এতে অন্তর্ভুক্ত নয়। এমনকি কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য নির্ভরযোগ্য উপায়ও এতে নেই, বরং জটিল ও স্বেচ্ছাসেবী পদ্ধতির ওপর খসড়াটি নির্ভর করছে, যা বৈশ্বিক সংকটের গুরুত্ব উপেক্ষা করে।
বাংলাদেশ জোর দিয়ে বলেছে, চুক্তির মূল অংশে প্লাস্টিকের ক্ষতিকর রাসায়নিক, নিঃসরণ ও প্রাথমিক উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। এই খসড়া মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় কার্যত কিছুই করে না; এটি কেবল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাঠামো যা উৎপাদকদের দায়মুক্ত রাখে এবং সবচেয়ে ক্ষতিকর প্লাস্টিক পণ্য বন্ধে কোনো বাধ্যতামূলক পদক্ষেপ দেয় না।
আরও পড়ুন: মূল ভূখণ্ডের ২০ শতাংশে উন্নীত করা হবে বনভূমি: পরিবেশ উপদেষ্টা
অর্থবহ সংশোধন ছাড়া খসড়াটি সমর্থনযোগ্য নয় বলেও স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ এবং জাতিসংঘ পরিবেশ পরিষদের ম্যান্ডেট অনুযায়ী উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে, বুধবার আরেক অনুষ্ঠানে প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলায় শক্তিশালী বৈশ্বিক অংশীদারত্ব ও লক্ষ্যভিত্তিক সম্পদের আহ্বান জানান পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
জেনেভায় অনুষ্ঠিত আইএনসি-৫.২-এর এক অনানুষ্ঠানিক মন্ত্রী পর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে তিনি নিম্নপ্রবাহী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ঝুঁকির কথা তুলে ধরে আন্তঃসীমান্ত প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলায় বৈশ্বিক কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।
এ সময় সার্কুলার অর্থনীতি মডেল প্রচার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ফাঁকফোকর বন্ধ, টেকসই পণ্যের নকশা উন্নয়ন এবং বর্জ্য খাতের শ্রমিকদের জন্য ন্যায়সঙ্গত রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
পরিবেশ ও স্বাস্থ্য উভয় ক্ষেত্রেই প্লাস্টিক দূষণের প্রভাব তুলে ধরে ক্ষতিকর প্লাস্টিক ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধে উচ্চাভিলাষী ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান রিজওয়ানা হাসান।
২৯৫ দিন আগে
ঢাকার বাতাস আজও ‘মাঝারি’
রাতের পর সকালেও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি ঝরছে। এতে গতকালের তুলনায় শহরটির বায়ুদূষণের মাত্রা কিছুটা বাড়লেও তা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। আজও ‘মাঝারি’ পর্যায়েই রয়েছে ঢাকার বাতাসের মান।
বুধবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ৭০। বায়ুমান সূচক অনুযায়ী এই স্কোর নিয়ে শহরটির বাতাস ‘মাঝারি’ শ্রেণিবদ্ধ হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বের দুষিত বাতাসের শহরের তালিকার ২৮তম স্থানে রয়েছে ঢাকা।
গতকাল একই সময়ে ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ৬০। এই স্কোর নিয়ে তালিকার ৪৩তম স্থানে ছিল ঢাকা। সে তুলনায় ঢাকার বাতাসে মানে আজ বৃষ্টি সত্ত্বেও অবনতি হয়েছে। তবে দূষণের মাত্রা খুব বেশি বাড়েনি, ‘মাঝারি’ পর্যায়েই রয়েছে।
এদিকে, আবারও দূষিত শহরের তালিকার শীর্ষ দশে উঠে এসেছে পাকিস্তানের লাহোর ও ভারতের দিল্লি। শহর দুটি প্রায়ই এই তালিকার প্রথম দিকে থাকে, আজও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। আজ ১৩২ স্কোর নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে লাহোর এবং ১১২ স্কোর নিয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছে দিল্লি।
আরও পড়ুন: বায়ুদূষণের শীর্ষে আজ জেরুজালেম, ঢাকায় কী অবস্থা
একই সময়ে আজ তালিকার শীর্ষে রয়েছে ইরাকের বাগদাদ, শহরটির একিউআই স্কোর ১৭২। এ ছাড়া ১৬২ ও ১৫৬ স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা ও সৌদি আরবের রিয়াদ।
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
২৯৬ দিন আগে
বায়ুদূষণের শীর্ষে আজ জেরুজালেম, ঢাকায় কী অবস্থা
আজ সোমবার, সপ্তাহের তৃতীয় কর্মদিবস। রাজধানী ঢাকাতে আজ বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও সকাল থেকেই রোদঝলমলে আবহাওয়া, তাপমাত্রাও কিছুটা বেশি অনুভূত হয়েছে। তবে এর মধ্যেও ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা অনেকটা কম বলে জানিয়েছে বাতাসের দূষণের মান নির্ধারণকারী সংস্থা আইকিউএয়ার।
সোমবার (১১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার বাতাসের একিউআই সূচক ছিল ৫৩। এই স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার ৬৭তম স্থানে নেমে এসেছিল ঢাকা।
এদিকে, এই তালিকার শীর্ষে সাধারণত আফ্রিকান বা দক্ষিণ এশিয়ার কোনো শহর থাকলেও আজ শীর্ষে রয়েছে ইসরায়েলের জেরুজালেম। শহরটির একিউআই স্কোর ২৩২— যার মানে শহরটির বাতাস হয়ে উঠেছে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইরাকের বাগদাদ ও কঙ্গোর কিনশাসা। স্কোর যথাক্রমে ১৮২ ও ১৬৫।
অন্যদিকে, বায়ুমান সূচক অনুযায়ী ঢাকার স্কোর ‘মাঝারি’ শ্রেণিভুক্ত হলেও শহরটির বাতাসের মান ভালো হয়ে ওঠার খুব কাছাকাছি। গতকাল সকালের দিকে ৫০ স্কোর নিয়ে ঢাকার বাতাসের মান ‘ভালো’ হয়ে উঠেছিল। সে তুলনায় আজ সামান্য অবনতি হলেও খুব বেশি অস্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠেনি শহরটির বাতাস।
আরও পড়ুন: ঢাকার বাতাসের মান আজ ‘ভালো’
তবে গতকাল ৯০ স্কোর নিয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার নিচের দিকে থাকলেও আজ শীর্ষ দশে উঠে এসেছে পাকিস্তানের লাহোর। ১৪৪ স্কোর নিয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছে শহরটি। অন্যদিকে, গতকালের চেয়ে আজ ভারতের দিল্লির বাতাসের দূষণ কমেছে। ৭৭ স্কোর নিয়ে ‘মাঝারি’ পর্যায়ে রয়েছে শহরটির বাতাস।
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
২৯৮ দিন আগে
ঢাকার বাতাসের মান আজ ‘ভালো’
গতকাল রাতে রাজধানী ঢাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও সকাল হতেই উঁকি দিয়েছে রোদ। সেই সঙ্গে কর্মব্যস্ত মানুষেরা ছুটতে শুরু করেছেন তাদের গন্তব্যে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, আজ শহরের বাসিন্দাদের বায়ুদূষণের কারণে স্বাস্থ্যহানি নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। কারণ ঢাকার বাতাসের মান আজ ‘ভালো’।
রোববার (১০ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ৫০। বায়ুমান সূচক অনুযায়ী এই স্কোরকে ‘ভালো’ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকার ৭৫তম স্থানে নেমে গেছে ঢাকা।
গত কয়েকদিন ধরে ঢাকার বাতাসের দূষণের মাত্রা তুলনামূলক কম ছিল। প্রায়ই ‘মাঝারি’ পর্যায়ে অবস্থান করা এই শহরের বায়ুমানে মাঝেমধ্যে অবশ্য অবনতিও হয়ে থাকে। তবে আজ শহরের বাতাস বাসিন্দাদের জন্য স্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে।
বর্ষা মৌসুমে ঢাকার বাতাসের মান তুলনামূলক ভালো থাকে। তবে অন্য সময় বিশ্বের শীর্ষ দূষিত শহরের তালিকার প্রথম দিকেই থাকে রাজধানী শহর।
ঢাকার চেয়ে আজ দক্ষিণ এশিয়ার দুটি শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা বেশি। এর মধ্যে ভারতের দিল্লির বাতাস আজও ‘সংবেদনশীলদের জন্য অস্বাস্থ্যকর’, শহরটির স্কোর ১২২। এ ছাড়া ৯০ একিউআই স্কোর নিয়ে পাকিস্তানের লাহোরের বাতাস ‘মাঝারি’ পর্যায়ে রয়েছে।
একই সময়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে কঙ্গোর কিনশাসা যার একিউআই স্কোর ১৯৬। অন্যদিকে, ১৬০ ও ১৫৮ নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে সৌদি আরবের রিয়াদ ও ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা।
আরও পড়ুন: ঢাকার বাতাস আজ ‘মাঝারি’
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
২৯৯ দিন আগে
মূল ভূখণ্ডের ২০ শতাংশে উন্নীত করা হবে বনভূমি: পরিবেশ উপদেষ্টা
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বাংলাদেশে সরকার নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ দেশের মোট আয়তনের ২০ শতাংশে উন্নীত করতে সরকার সুপরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ করবে।
শনিবার (৯ আগস্ট) রাজধানীর বন ভবনে বন বিভাগের উন্নয়ন বিষয়ক এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বনভূমি বৃদ্ধির পাশাপাশি বনাঞ্চল সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সমন্বিত পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, বনভূমির কাভারেজ বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশের নদীর জেগে ওঠা নতুন চর, উপকূলীয় এলাকা এবং পতিত জমিতে বনভূমি সৃষ্টির পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে বনকর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বন বিভাগের কার্যক্রমকে স্বচ্ছ ও ফলপ্রসূ করতে ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা হবে, যাতে কর্মচারীরা বিধিমতো বনের উন্নয়নমূলক কাজে নিয়োজিত থাকতে পারেন। বিপন্ন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের অংশ হিসেবে ‘এলিফ্যান্ট করিডর রেস্টোরেশন’ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে এবং বন্দী হাতির জন্য বিশেষ অনাথাশ্রম (অরফানেজ) স্থাপন করা হবে।
এছাড়া মধুপুর এলাকায় কমিউনিটি ট্যুরিজমের সুযোগ সৃষ্টি করে স্থানীয় জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রকৃতি সংরক্ষণ একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। শিশু-কিশোরদের মধ্যে প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের প্রতি ভালোবাসা জাগাতে রাজধানীর পূর্বাচলে একটি অত্যাধুনিক নেচার লার্নিং সেন্টার স্থাপন করা হবে। উপদেষ্টা বলেন, আমাদের বন শুধু গাছের সমষ্টি নয়—এটি আমাদের জীবনের রক্ষা-কবচ। বনভূমি বৃদ্ধি ও সংরক্ষণে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, যুগ্ম সচিব (বন) শামিমা বেগম, প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয় ও বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২৯৯ দিন আগে
ঢাকার বাতাস আজ ‘মাঝারি’
টানা কয়েকদিন ধরেই থেমে থেমে বৃষ্টি ঝরছে ঢাকায়। তা সত্ত্বেও ঢাকার বাতাসে অবনতি লক্ষ করা গেছে। যদিও গতকালের তুলনায় আজ শহরটির বাতাসে কিছুটা উন্নতি হয়েছে, তবে তা আশানুরূপ নয়।
শুক্রবার (৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার একিউআই স্কোর ছিল ৯৩। এই স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের পঞ্চদশ স্থানে রয়েছে ঢাকা।
গতকাল একই সময়ে ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ১২৭। এই স্কোর ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত এবং বায়ুদূষণে শীর্ষ শহরগুলোর ষষ্ঠ স্থানে ছিল রাজধানী ঢাকা।
সে তুলনায় আজ সামান্য উন্নতি হয়েছে। বায়ুমান সূচক অনুযায়ী ৯৩ স্কোর নিয়ে ‘মাঝারি’ পর্যায়ে থাকলেও শহরটির বাতাস ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হয়ে ওঠার থেকে খুব বেশি দূরে নেই।
এদিকে, গতকাল বায়ুদূষণে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ শহর হিসেবে তালিকায় উঠে আসা ভারতের কলকাতার বাতাসে আজ অভূতপূর্ব উন্নতি দেখা গেছে। একদিনের ব্যবধানে ৭৭ স্কোর নিয়ে তালিকার ২৪তম স্থানে নেমে এসেছে শহরটি।
তবে আজ আবার বিশ্বের তৃতীয় দূষিত বাতাসের শহর হয়ে উঠেছে পাকিস্তানের লাহোর। শহরটির একিউআই স্কোর ১৫৪।
একই সময়ে আজ ১৬০ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে কঙ্গোর কিসশাসা এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, স্কোর ১৫৫।
আরও পড়ুন: দূষণে আজ দ্বিতীয় কলকাতা, ঢাকার বাতাসেও অবনতি
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
৩০১ দিন আগে
একবছরে ৫ হাজার ৯৩ একর বনভূমি উদ্ধার
২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৫ হাজার ৯৩ একর বনভূমি উদ্ধার করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। উদ্ধারের পর এসব জমিতে পুনরায় বনায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বনের জমিতে সরকারি প্রকল্প স্থাপনের পুরোনো সিদ্ধান্ত বাতিলের ধারাবাহিকতায় কক্সবাজারের ৭০০ একর জমি এবং বাফুফের জন্য নির্ধারিত ২০ একর সংরক্ষিত বনভূমি ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সোনাদিয়ার ৯ হাজার ৪৬৭ একর জমি ও জাফর আলম ক্যাডেট কলেজের নামে বন্দোবস্ত ১৫৫ দশমিক ৭০ একর জমিও পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চুনতি বন পুনরুদ্ধার প্রকল্পের আওতায় ৩৭ হাজার ১৮২ একর জমি থেকে আকাশমনি গাছ সরিয়ে প্রাকৃতিক বন ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে। মধুপুর ও শেরপুরেও আকাশমনি গাছ সরিয়ে বনকে প্রাকৃতিক পরিবেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে হাতির করিডোর পুনরায় কার্যকর হয়।
বিলুপ্ত প্রজাতির দেশি ময়ূর ফিরিয়ে আনাসহ সাম্বার, কালোমুখ প্যারা পাখি, উল্লুক ও হাতির সুরক্ষায় নেওয়া হয়েছে সফল উদ্যোগ। মানুষের সাথে হাতি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণীর দ্বন্দ্ব নিরসনে ১৫৯টি ইআরটি টিম গঠন ও জনসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। মৌলভীবাজারের লাঠিটিলা সাফারি পার্ক প্রকল্প বাতিল এবং ক্যাপটিভ হাতি সংরক্ষণের অভয়ারণ্য গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এতে বলা হয়, রাজশাহীর বিল জোয়ানা ও বিল ভেলাসহ কয়েকটি জলাভূমিকে অভয়ারণ্য ঘোষণা এবং অন্যান্য এলাকায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের উদ্যোগ চলমান রয়েছে। বন্যপ্রাণী আইন সংশোধন ও ট্রাস্ট গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিট ২৯৩টি অভিযান চালিয়ে ৫ হাজার ৬৮৪টি প্রাণি উদ্ধার করেছে। সাফারি পার্ক থেকে চুরি হওয়া লেমুরও উদ্ধার করা হয়েছে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বন্যপ্রাণী ও বৃক্ষ নিধনের অপরাধে কারাদণ্ড কার্যকর হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জনদাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইউক্যালিপটাস ও একাশিয়া গাছের চারা উৎপাদন, বিপণন, রোপণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং নার্সারির এসব গাছ ধ্বংস করা হয়েছে। পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে 'গাছ থেকে পেরেক তুলে ফেলা' কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে এবং দেশে প্রথমবারের মতো নেচার লার্নিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তরুণ প্রজন্মকে যুক্ত করে বন, বন্যপ্রাণী ও শব্দদূষণ রোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জাতীয় উদ্যান, ইকোপার্ক ও উদ্ভিদ উদ্যানে প্লাস্টিক ও বনভোজন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পূর্বাচলের ১৪৪ একরকে বিশেষ জীববৈচিত্র্য এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
পরিবেশ ও জলবায়ু সংরক্ষণে নেওয়া উদ্যোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— ঢাকার শপিংমলসমূহে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করা এবং কাঁচাবাজারে অভিযান জোরদার করা। বিকল্প হিসেবে পাটের ব্যাগ সহজলভ্য করতে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে ‘ন্যাশনাল এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান’ প্রণয়ন ও ৮৩০টি অবৈধ ইটভাটা ভেঙে ফেলা হয়েছে। ১৮টি অবৈধ সীসা কারখানা বন্ধ এবং ঢাকার সাভার-আশুলিয়াকে ডিগ্রেডেড এয়ারশেড হিসেবে ঘোষণা চূড়ান্ত করা হয়েছে। বিআরটিএ’র সহায়তায় পুরনো ও ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শব্দদূষণ রোধে তরুণদের সম্পৃক্ত করে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছে। গাজীপুরে গাছা খাল দূষণের অভিযোগে ৯টি কোম্পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও সকল পলিথিন কারখানা বন্ধ করা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের জন্য বিইএসটি প্রকল্পের আওতায় নতুন কার্যক্রম অনুমোদনসহ ৩৭টি ভবন নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ১৬টি জেলা থেকে পাহাড়ের দাগ-খতিয়ান সংগ্রহ করে অনলাইনে তালিকাভুক্ত করার কাজ চলছে। জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে ৩৫১ কোটি টাকার ৪১টি প্রকল্প অনুমোদন এবং ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ’ চূড়ান্ত করা হয়েছে। পরিবেশ ও বন রক্ষায় ৮টি আইন, বিধিমালা ও নির্দেশিকা চূড়ান্ত করার কাজ চলমান রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশের পরিবেশ সুরক্ষা, বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং জলবায়ু অভিযোজন প্রক্রিয়ায় চলমান অগ্রযাত্রায় সব নাগরিকের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
৩০১ দিন আগে
দূষণে আজ দ্বিতীয় কলকাতা, ঢাকার বাতাসেও অবনতি
বায়ুদূষণে দিল্লি ও মুম্বাই বরাবরই ভারতের অন্যান্য বড় শহরগুলোর তুলনায় এগিয়ে থাকে। পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতাকে এই তালিকায় দেখা গেলেও প্রায় সবসময়ই দিল্লির চেয়ে অনেক ভালো অবস্থায় থাকে শহরটির বায়ুমান। তবে আজ সকালে সবাইকে অবাক করে দিয়ে বায়ুদূষণে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ শহর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে কলকাতা।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কলকাতার একিউআই স্কোর ছিল ১৫৫, বায়ুমান শ্রেণিতে যা ‘অস্বাস্থ্যকর’। ১৭৩ একিউআই স্কোর নিয়ে কলকাতার উপরে ছিল কেবল কঙ্গোর কিনশাসা।
এই সময়ে ১৫২ একিউআই স্কোর নিয়ে তৃতীয় সৌদি আরবের রিয়াদ এবং স্কোর ১৪৩ নিয়ে চতুর্থ দূষিত শহর ছিল উগান্ডার কাম্পালা।
বৃষ্টিবর্ষায় বেশ কিছুদিন ঢাকার বাতাস ‘মাঝারি’, এমনকি কোনো কোনোদিন ‘ভালো’ হয়ে উঠলেও আজ সেই অবস্থার লক্ষণীয় অবনতি হয়েছে। একই সময়ে ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ১২৭। এই স্কোর ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত এবং বায়ুদূষণে শীর্ষ শহরগুলোর ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী।
আরও পড়ুন: বায়ুদূষণে আজ লাহোরের দারুণ উন্নতি, শীর্ষ পাঁচে শিকাগো
এ ছাড়া, দিল্লির বাতাস রয়েছে আজও ‘মাঝারি’ পর্যায়ে। শহরটির স্কোর ছিল ৭৯ এবং দূষিত শহরগুলোর তালিকার ২৩তম স্থানে ছিল এর অবস্থান।
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
৩০২ দিন আগে
বায়ুদূষণে আজ লাহোরের দারুণ উন্নতি, শীর্ষ পাঁচে শিকাগো
এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই দেশের প্রধান দুই শহর ঢাকা ও দিল্লির বায়ুদূষণ কমে এলেও প্রায় পুরোটা সময়জুড়েই বায়ুদূষণে শীর্ষ শহরগুলোর কাতারে অবস্থান করছিল পাকিস্তানের লাহোর। তবে আজ সকালে সেই অবস্থা থেকে প্রভূত উন্নতি হয়েছে শহরটির।
বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল সোয়া ৯টায় গতানুগতিক সময়ের তুলনায় লাহোরের বাতাসের দূষণ কমেছে প্রায় ১০০ পয়েন্ট। শহরটির একিউআই স্কোর যেখানে প্রতিনিয়ত দেড়শ’র আশপাশে থাকে, সেখানে আজ সকালে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬৮-তে। দূষণের এই মাত্রা নিয়ে আজ দিল্লির (৭৫) চেয়েও ভালো অবস্থানে রয়েছে লাহোর। ‘মাঝারি’শ্রেণিতে থাকলেও শহরটির বাতাস ভালোর কাছাকাছি চলে এসেছে।
এদিকে, এই সময়ে দূষিত বায়ুর শীর্ষ পাঁচ শহরের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো। কানাডার দাবানলের ধোঁয়ায় শহরটির দূষণের স্কোর ছিল তখন ১১৮, যা ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’। এই স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণে শীর্ষ শহরগুলোর তালিকার পঞ্চম স্থানে ছিল শিকাগো।
এ ছাড়া, ১২৭, ১৩৪, ১৬৪ ও ১৭১ একিউআই স্কোর নিয়ে শিকাগোর উপরের চারটি স্থানে ছিল যথাক্রমে কাতারের দোহা, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, বাহরাইনের মানামা ও কঙ্গোর কিনশাসা।
আরও পড়ুন: বৃষ্টিতে ঢাকার বাতাসে উন্নতি, দাবানলের ধোঁয়ায় আজও কানাডার বাতাসে দূষণ
অন্যদিকে, ৬৩ একিউআই স্কোর নিয়ে ‘মাঝারি’ শ্রেণিতেই অবস্থান করছে ঢাকা। ওই সময় শহরগুলোর তালিকার ৩৬তম স্থানে ছিল বাংলাদেশের রাজধানী।
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
৩০৩ দিন আগে