পরিবেশ-ও-কৃষি
দাবানলের ধোঁয়ায় কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রের বাতাসে দূষণ, ঢাকার কী অবস্থা
কানাডার দাবানলের ধোঁয়া বিশালাকৃতির এই দেশটির বিভিন্ন শহর ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবারও এর প্রভাবে টানা তৃতীয় দিনের মতো অস্বাস্থ্যকর বাতাসের সতর্কতা জারি রয়েছে দেশদুটির অনেক শহরে।
বাংলাদেশ সময় রোববার (৩ আগস্ট) ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া, মিনেসোটা, উইসকনসিন, মিশিগান, পূর্ব নেব্রাস্কা এবং ইন্ডিয়ানা ও ইলিনয়ের কিছু অংশে বাতাসের মান-সংক্রান্ত সতর্কতা বহাল ছিল। আকাশে ধোঁয়ার উপস্থিতি দিনভর থাকতে পারে বলেও স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেস।
অন্যদিকে, কানাডার পরিবেশ সংস্থা জানিয়েছে, কিছু এলাকায় এই ধোঁয়া রোববার পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
বিশ্বব্যাপী বাতাসের গুণগত মান পর্যবেক্ষণকারী সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার জানিয়েছে, শুক্রবার থেকে মিনিয়াপলিস শহরকে বিশ্বের অন্যতম দূষিত বায়ুর শহর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মিনেসোটার বিস্তীর্ণ এলাকায় ‘লাল’ বা ‘অস্বাস্থ্যকর’ মানের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) ছিল।
গতকাল (শনিবার) সকালে বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ দূষিত শহর ছিল মিনিয়াপলিস। শহরটির একিউআই স্কোর ছিল ১৫৮ যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত।
ফুসফুস ও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, শিশু, বয়স্ক এবং গর্ভবতী নারীরা এমন দূষিত বাতাসে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।
মিনিয়াপলিস-সেন্ট পল এলাকার জাতীয় আবহাওয়া দপ্তরের আবহাওয়াবিদ জো স্ট্রাস বলেন, ‘এবারের পরিস্থিতিতে যে বিষয়টি আলাদা, তা হলো দীর্ঘ সময় ধরে ধোঁয়ার কণাগুলো ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি অবস্থান করছে, ফলে টানা কয়েকদিন ধরে আমাদের এখানে বাতাসের মানে অবনতি হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন এটার মোকাবিলা করছি। বাইরে বের হলে ধোঁয়ার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে, কখনো কখনো তো মুখেও ধোঁয়ার স্বাদ পাওয়া যাচ্ছে।’
আজ (রোববার) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মিনিয়াপলিসের বাতাসের দূষণ কিছুটা কমেছে। একিউআই স্কোর ৯৫-তে নেমে শহরটির বাতাসের মান এখন ‘মাঝারি’ শ্রেণিতে অবস্থান করছে।
এ ছাড়া কানাডার প্রধান দুই শহর মন্ট্রিয়াল ও টরোন্টোর বাতাসের মানও এই সময়ে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। শহর দুটির একিউআই স্কোর যথাক্রমে ১২৫ ও ১১৮ এবং বিশ্বের শীর্ষ দূষিত শহরের তালিকায় যথাক্রমে ষষ্ঠ ও অষ্টম স্থানে রয়েছে।
এদিকে, ১৬২ একিউআই স্কোর নিয়ে আজ বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর কঙ্গোর কিনশাসা। ১৫৩ ও ১৫২ নিয়ে তার পরের দুটি স্থানে ছিল সৌদি আরবের রিয়াদ ও উগান্ডার কাম্পালা। ১৫১ ও ১৪৯ একিউআই স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণে বিশ্বের চতুর্থ ও পঞ্চম শীর্ষ শহর ছিল পাকিস্তানের লাহোর ও ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা।
আরও পড়ুন: সপ্তাহজুড়ে কেমন ছিল ঢাকার বাতাসের মান
অন্যদিকে, গতকাল সকালের চেয়ে ঢাকার বাতাসে আজ খুব বেশি উন্নতি হয়নি। গতকালের ৮০ একিউআই স্কোর থাকা ঢাকার বাতাসের আজকে সকালের স্কোর ৭৯। এ ছাড়া গতকালের অষ্টাদশ স্থান থেকে আজ বাংলাদেশের রাজধানী নেমেছে ২৪তম স্থানে।
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
২১৫ দিন আগে
বাংলাদেশের নদী-পানির অধিকার সংরক্ষণের আন্দোলন বেগবান করার আহ্বান
অভিন্ন নদীগুলো থেকে ভারত এক তরফা পানি সরিয়ে নেওয়ায় বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়ায় যৌথ নদীগুলোর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে আন্দোলন বেগবান করার আহ্বান জানিয়েছেন নদী গবেষক পরিবেশকর্মীরা।
শনিবার (২ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মৌলানা আকরম খান হলে পানি অধিকার যোদ্ধা আতিকুর রহমান সালু স্মারক গ্রন্থের প্রকাশনা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তারা এই আহ্বন জানান।
বক্তরা বাংলাদেশের নদী-পানির অধিকার সংরক্ষণের আন্দোলন আরো বেগবান করার প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, ভারতের সঙ্গে ৫৪টি যৌথ নদীর মধ্যে গঙ্গা ছাড়া অন্য কোনটির পানি ব্যবস্থাপনার চুক্তি নেই। গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ ডিসেম্বরে শেষ হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর লেখা মুখবন্ধসহ আতিকুর রহমান সালু স্মারকগ্রন্থে মোট ৩০টি লেখায় তার সংগ্রামী ও কর্মময় জীবনের উপর আলোকপাত করা হয়েছে। বাংলাদেশের নদী-পানির অধিকার আন্দোলনে তার আপোষহীন সংগ্রাম একটা অতূলনীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে যুগযুগ ধরে অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে উল্লেখ করা হয়।
বক্তারা বলেন, কোনো চুক্তি বা বোঝাপড়া ছাড়া উজানের দেশ ভারত সকল যৌথ নদীর উপর বাঁধ নির্মাণ করে শুকনো মওসুমে পানির প্রবাহ সরিয়ে নিয়ে বাংলাদেশে এক মারাত্মক পরিবেশগত বিপর্যয় সৃষ্টি করে চলেছে। অন্যদিকে বর্ষা মওসুমে বানের পানি বিনা নোটিশে ছেড়ে দিয়ে সৃষ্টি করছে প্রলয়ঙ্করী বন্যা ও নদী ভাঙ্গন। অথচ বর্তমান বিশ্বে যৌথ নদীর পানি সমস্যার সমাধান নিহিত রয়েছে বেসিনভিত্তিক যৌথ ব্যবস্থাপনায়, যেন উজান ও ভাটির সকল দেশ তার সুফল পায়। পাশাপাশি নদীগুলো হিমালয়ের উৎপত্তিস্থল থেকে সাগর পর্যন্ত জীবন্ত থাকে।
পড়ুন: যৌথ নদী কমিশন: ঢাকা, দিল্লি পানি-বন্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনা
তারা বলেন, আতিকুর রহমান সালুর লক্ষ্য ছিল ২০০৫ সালের ৪ মার্চ চিলমারিতে অনুষ্ঠিত দশ লাখ লোকের সমাবেশের মতো আরেকটি বড় সমাবেশ আয়োজন করে নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষের দাবি বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরা এবং এ জীবন-মরণ সমস্যার সমাধানে ভারতের উপর চাপ প্রয়োগ করা। ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চের পরেই ১৯৭৭ সালের ভারসম্যপূর্ণ গঙ্গা পানি চুক্তি সই সম্ভব হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি (আইএফসি), বাংলাদেশ আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায়) ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী, জাতীয় পার্টি (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার,আইএফসি, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক জসীম উদ্দিন আহমদ, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক শাহরিয়া আখতার বুলু, আতিকুর রহমান সালুর সহধর্মিণী ও স্মারক গ্রন্থের প্রকাশক ফরিদা ইউসুফজাই, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তফাফিজুর রহমান ইরান ও স্মারক গ্রন্থের সম্পাদক কামরুল হুদা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নিউইয়র্ক আইএফসির চেয়ারম্যান সৈয়দ টিপু সুলতান এবং সঞ্চালনা করেন আইএফসি, বাংলাদেশের সভাপতি মোস্তফা কামাল মজুমদার।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নিউইর্য়কস্থ ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা গিয়াস আহমেদ, অধ্যক্ষ শেখ ফিরোজ আহমদ, অধ্যাপক ইসরারুল হক, কামাল উদ্দিন চৌধুরী, অধ্যক্ষ আবদুল মান্নান খান, অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, জামালউদ্দিন জামাল, রফিকুল ইসলাম আজাদ ও আতাউর রহমান আতা
২১৬ দিন আগে
সপ্তাহজুড়ে কেমন ছিল ঢাকার বাতাসের মান
আজ শুক্রবার, সাপ্তাহিক ছুটির দিন। মাঝেমধ্যে ব্যতিক্রম লক্ষ করা গেলেও সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টির কারণে ঢাকার বাতাসে বেশ ইতিবাচক প্রভাব পড়তে দেখা গেছে। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি; সপ্তাহের অন্যান্য দিনের মতো শুক্রবারও ঢাকার বাতাস ‘মাঝারি’ শ্রেণিতে রয়েছে।
আজ সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ৫৫। বায়ুমান সূচক অনুযায়ী বলা যায়, ‘মাঝারি’ হলেও ঢাকার বাতাস ‘ভালো’ হয়ে ওঠার থেকে খুব বেশ দূরে নেই। কারণ এই সূচক ০ থেকে ৫০ এর মধ্যে হলে তা ‘ভালো’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
এই সপ্তাহে ঢাকার বায়ুদুষণের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, গত শনিবার (২৬ জুলাই) ৬৯ একিউআই স্কোর নিয়ে ‘মাঝারি’ শ্রেণিতেই ছিল ঢাকার বাতাস। পরের দিন তা থেকে কিছুটা উন্নতি হয়, রবিবারের একিউআই স্কোর ছিল ৫৮।
তবে সোমবার বৃষ্টি হওয়া সত্ত্বেও ঢাকার বাতাসের মানে বেশ অবনতি হয়। ওই দিন ঢাকার একিউআই স্কোর ছিল ৯২। যেখানে এই স্কোর ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এরপর মঙ্গলবার তা আবারও কিছুটা উন্নতি হয়ে স্কোর ওঠে ৮৬-তে। এই স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরগুলোর তালিকার ২০তম স্থানে নেমেছিল ঢাকা।
আরও পড়ুন: রাতভর বৃষ্টিতে ঢাকার বাতাসে উন্নতি
পরদিন বুধবার সকালে আরও কিছুটা উন্নতি হয়, সেদিন ঢাকার একিইআই স্কোর ছিল ৭৭। সেই ধারা গতকালও অব্যাহত ছিল। রাতভর ও সকালের বৃষ্টিতে ঢাকার বাতাসের মানে লক্ষণীয় উন্নতি হয়; একিউআই স্কোর উঠে আসে ৫৮-তে।
আজ আরও উন্নতি হয়েছে। ৫৫ স্কোর নিয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার ৬৩তম স্থানে নেমে এসেছে ঢাকা। সাধারণত নিচে নামা নেতিবাচক হলেও এই অবনমন স্বস্তির। কারণ দূষণ থেকে যতটাসম্ভব দূরে থাকা যায়, ততই ভালো।
এদিকে আজ বাতাসের শহর খ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহর উঠে এসেছে তালিকার তৃতীয় স্থানে, যার একিউআই স্কোর ১৫৬। ১৭৫ ও ১৬৪ স্কোর নিয়ে তালিকার প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কঙ্গোর কিনশাসা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই।
দূষণের স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
২১৭ দিন আগে
রাতভর বৃষ্টিতে ঢাকার বাতাসে উন্নতি
রাতভর ও সকালের বৃষ্টিতে ঢাকার বাতাসের মানে লক্ষণীয় উন্নতি দেখা গেছে। শহরটির বাতাসের বায়ুদূষণের মান অনেকটা কমেছে। একই সময়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার দিকে প্রথম দিকে থাকা পাকিস্তানের লাহোরের বাতাস আজ স্বাস্থ্যকর হয়েছে উঠেছে। উন্নতি দেখা দিয়েছে ভারতের দিল্লির বাতাসেও।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ৫৮। যদিও বায়ুমান সূচক অনুযায়ী এটি ‘মাঝারি’ বলে গণ্য করা হয়। তবে এই স্কোর ০ থেকে ৫০ এর মধ্যে হলে তা ‘ভালো’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ হয়।
তাই বলা চলে, বৃষ্টির প্রভাবে ঢাকার বাতাসের মান স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠার খুব কাছাকাছি চলে এসেছে।
গতকাল একই সময়ে ঢাকার বাতাসের একিইআই স্কোর ছিল ৭৭। এই স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার ২০তম স্থানে ছিল ঢাকা। তবে আজ শহরটি তালিকার ৫৫তম স্থানে চলে এসেছে।
এদিকে, গতকাল দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার শীর্ষ দশে থাকলেও আজ লাহোর আর দিল্লির বাতাসের মানেও উন্নতি হয়েছে। গতকাল ‘মাঝারি’ পর্যায়ে থাকলেও আজ লাহোরের বাতাস হয়ে উঠেছে ‘ভালো’, স্কোর ছিল ৩৯। অন্যদিকে, ৬০ স্কোর নিয়ে তালিকার ৪৭তম স্থানে রয়েছে দিল্লি।
একই সময়ে ১৫৩ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে উগান্ডার কাম্পালা। ১৫২ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে কঙ্গোর কিনশাসা ও যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপলিস।
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
আরও পড়ুন: কিছুটা উন্নতি হলেও আজও ‘মাঝারি’ ঢাকার বাতাস
ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম জানান, ‘হিমালয় থেকে, আবার ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও চীনের একটি অংশ থেকে দূষণ বাংলাদেশে আসে। এতে পুরো বাংলাদেশের ওপর দূষণ ছড়িয়ে পড়ে। শীতকালে এটা বেশি আসে।’
ড. আবদুস সালাম বলেন, ‘পার্টিকেল যত ফাইনেস্ট (সূক্ষ্ম) হবে, তত বেশি সময় ধরে তা বাতাসে ভেসে বেড়াতে ও দ্রুত ভ্রমণ করতে পারবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শীতকালে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে এ দূষণ বাংলাদেশে আসে। বর্ষাকালে কিছু জিনিস বাংলাদেশ থেকে ভারতে যায়। বাংলাদেশে যদি ১০০ শতাংশ বায়ুদূষণ থাকে, তার ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ আসে বাইরের দেশ থেকে।’
২১৮ দিন আগে
কিছুটা উন্নতি হলেও আজও ‘মাঝারি’ ঢাকার বাতাস
রাতের বৃষ্টির পর আজ সকালে ঢাকার আবহাওয়া ছিল বেশ স্নিগ্ধ। সহনীয় তাপমাত্রা, মেঘলা আকাশ আর মৃদু ঠান্ডা বাতাস। সেই সঙ্গে ঢাকার বায়ুদুষণও আজ ‘মাঝারি’ পর্যায়ে রয়েছে। গতকালের তুলনায় আজ ঢাকার বাতাসের মানে খুব বেশি না হলেও উন্নতি হয়েছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার বাতাসের একিইআই স্কোর ছিল ৭৭। এই স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার ২০তম স্থানে রয়েছে ঢাকা। এই সময়ে ঢাকার বাতাসের মান দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের চেয়েও ভালো। শহরটির স্কোর ৭৯।
গতকাল একই সময়ে ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ৮৬। বায়ুমান সূচক অনুযায়ী দুদিনের বাতাসের মানই ‘মাঝারি’ পর্যায়ে রয়েছে। তবে আজ গতকালের থেকে কিছুটা উন্নতি হলেও খুব বেশি স্বাস্থ্যকর নয়।
এদিকে, দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় আবারও শীর্ষ দশে চলে এসেছে ভারতের দিল্লি ও পাকিস্তানের লাহোর। অবশ্য একিউআই স্কোরের দিক থেকে ঢাকার মতোই দূষণের মাত্রা ‘মাঝারি’ পর্যায়ে রয়েছে। লাহোরের স্কোর ৯৯ এবং দিল্লির স্কোর ৯০।
একই সময়ে আজ আরও একবার শীর্ষ দূষিত বাতাসের শহর কঙ্গোর কিনশাসা। শহরটির একিউআই স্কোর ১৯১। এরপর ১৬২ ও ১৬০ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে সৌদি আরবের রিয়াদ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই।
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ঢাকার বাতাস আজও ‘মাঝারি’
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম জানান, ‘হিমালয় থেকে, আবার ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও চীনের একটি অংশ থেকে দূষণ বাংলাদেশে আসে। এতে পুরো বাংলাদেশের ওপর দূষণ ছড়িয়ে পড়ে। শীতকালে এটা বেশি আসে।’
ড. আবদুস সালাম বলেন, ‘পার্টিকেল যত ফাইনেস্ট (সূক্ষ্ম) হবে, তত বেশি সময় ধরে তা বাতাসে ভেসে বেড়াতে ও দ্রুত ভ্রমণ করতে পারবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শীতকালে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে এ দূষণ বাংলাদেশে আসে। বর্ষাকালে কিছু জিনিস বাংলাদেশ থেকে ভারতে যায়। বাংলাদেশে যদি ১০০ শতাংশ বায়ুদূষণ থাকে, তার ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ আসে বাইরের দেশ থেকে।’
২১৯ দিন আগে
ঢাকার বাতাস আজও ‘মাঝারি’
মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় থাকার কারণে গত কয়েকদিন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছিল। আজ সকালে ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টিপাত বন্ধ রয়েছে। গতকাল বৃষ্টির মধ্যেও ঢাকার বাতাসের মানে অবনতি দেখা গিয়েছিল, আজ তা থেকে কিছুটা উন্নতি হলেও খুব বেশি স্বাস্থ্যকর নয়।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ৮৬। এই স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার ২০তম স্থানে রয়েছে ঢাকা। গতকাল একই সময়ে শহরটির স্কোর ছিল ৯২।
বায়ুমান সূচক অনুযায়ী দুদিনের বাতাসের মানই ‘মাঝারি’ পর্যায়ে রয়েছে। তবে আজ ঢাকার বাতাস ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হয়ে ওঠা থেকে বেশি দূরে নেই এই স্কোর।
বর্ষাকালে ঢাকার বাতাসের মানে যে পরিবর্তন দেখা যায়, মাঝেমধ্যেই তার ব্যতিক্রম দেখা দিচ্ছে। বৃষ্টিতেও ঢাকার বায়ুদূষণ কমছে না লক্ষণীয়ভাবে।
রাজধানী ঢাকা বিশ্বের জনবহুল শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিশ্বে তৃতীয় মেগাসিটি হিসেবে পরিচিত ঢাকা। তবে ঢাকায় ঘনবসতির সঙ্গে ব্যস্তানুপাতিক হারে কমেছে সবুজায়ন। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পরিবেশ বিভাগের তথ্যমতে, ঢাকার বনভূমির পরিমাণ এখন ৬ শতাংশের নিচে। এ কারণে যানবাহন ও কলকারাখানার বিষাক্ত বাতাস শোষণ কম হচ্ছে, যা বায়ুদুষণ বাড়িয়ে তুলছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে, টানা কয়েকদিন ধরে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার শীর্ষ তিনে আফ্রিকার কোনো না কোনো শহর থাকলেও আজ তার ব্যতিক্রম দেখা গেছে। আজ মধ্যপ্রাচের দুটি শহর ও এশিয়ার একটি শহর রয়েছে তালিকার শীর্ষে।
আরও পড়ুন: টানা বৃষ্টিতেও ঢাকার বাতাসের মানে ফের অবনতি
২১৬ স্কোর নিয়ে আজ তালিকার শীর্ষে রয়েছে কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটি। অন্যদিকে, ১৭৪ ও ১৭১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রযেছে ভিয়েতনামরে হ্যানয় ও কাতারের দোহা।
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
২২০ দিন আগে
আবহাওয়ার পূর্বাভাস: হালকা থেকে মাঝারি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে
মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার (২৮ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে এমন তথ্য দেওয়া হয়েছে।
সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাস থেকে জানা গেছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা এবং ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আরও পড়ুন: নিম্নচাপের প্রভাবে ঝড়োবৃষ্টি ও উপকূলীয় অঞ্চলে জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা
সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, মধ্য প্রদেশ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে লঘুচাপে পরিণত হয়ে মৌসুমী বায়ুর অক্ষের সাথে মিলিত হয়েছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
২২১ দিন আগে
টানা বৃষ্টিতেও ঢাকার বাতাসের মানে ফের অবনতি
বৃষ্টির কারণে গত কয়েকদিনে ঢাকার বাতাসের মানে বেশ উন্নতি লক্ষ করা গেছে। এমনকি বৃষ্টি না হলেও দূষণের মাত্রা তেমন বাড়েনি। তবে আজ অনেকটা উল্টোচিত্র দেখা গেছে। রাতভর বৃষ্টি হয়েছে, সকালেও ছিল ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। তা সত্ত্বেও ঢাকার বাতাসের মানে অবনতি হয়েছে।
সোমবার (২৮ জুলাই) সকাল সেয়া ৯টার দিকে ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ৯২। যা গত কয়েকদিনে সর্বোচ্চ। যেখানে এই স্কোর ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
গতকাল একই সময়ে ৫৮ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার ৫১তম স্থানে ছিল ঢাকা। তার আগেরদিন (শনিবার) একই সময়ে ৬৯ একিউআই স্কোর নিয়ে ‘মাঝারি’ শ্রেণিভুক্ত ছিল ঢাকার বাতাস।
বায়ুমান সূচক অনুযায়ী আজও ঢাকার বাতাস ‘মাঝারি’ পর্যায়েই রয়েছে, তবে সেটি ‘সংবেদনশীলদের জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হয়ে ওঠার খুবই কাছাকাছি চলে গেছে। ৯২ স্কোর নিয়ে আজ তালিকার ১৬তম স্থানে চলে এসেছে ঢাকা।
এদিকে, একই সময়ে ১৭৪ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে উগান্ডার কাম্পালা। ১৭৩ ও ১৭২ স্কোর নিয়ে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাহরাইনের মানামা এবং কঙ্গোর কিনশাসা। এর পরেই রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, শহরটির একিউআই স্কোর ১৭১। গতকাল ১৭০ স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে ছিল শহরটি।
আরও পড়ুন: ফের বায়ুদূষণে শীর্ষ তিনে লাহোর, ঢাকার বাতাস আজও ‘মাঝারি’
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
২২১ দিন আগে
ফের বায়ুদূষণে শীর্ষ তিনে লাহোর, ঢাকার বাতাস আজও ‘মাঝারি’
বর্ষাকালে বরাবরই ঢাকার বাতাসের মান অন্য সময়ের তুলনায় ভালো হয়ে উঠতে দেখা যায়। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সেই প্রভাব লক্ষ করা গেছে। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ঢাকার বাতাস ‘মাঝারি’ শ্রেণিতে থাকলেও তা ‘ভালো’ হয়ে ওঠার কাছাকাছি রয়েছে।
তবে ঢাকার মতোই প্রায়ই দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার শীর্ষে থাকা পাকিস্তানের লাহোর আজ আবার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। একই সময়ে দাবানলের ধোঁয়ার কারণে কানাডার মন্ট্রিয়ালের বায়ুদূষণ বেড়ে গেলেও আজ কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে।
রবিবার (২৭ জুলাই) সকাল সোয়া ৯টায় ঢাকার একিইআই স্কোর ছিল ৫৮। এই স্কোর নিয়ে দূষিত শহরের তালিকার ৫১তম স্থানে রয়েছে ঢাকা। গতকাল একই সময়ে ৬৯ একিউআই স্কোর নিয়ে ‘মাঝারি’ শ্রেণিভুক্ত ছিল ঢাকার বাতাস।
এদিকে গতকাল তালিকার শীর্ষে থাকলেও মন্ট্রিয়ালের বাতাসের মানে কিছুটা উন্নতি দেখা গেছে। ১৫৪ স্কোর নিয়ে তালিকার সপ্তম স্থানে রয়েছে শহরটির, গতকাল যা ছিল ১৭৩।
কানাডার পরিবেশবিষয়ক সংস্থা এনভায়রনমেন্ট কানাডার তথ্যমতে, প্রেইরিজে ছড়িয়ে পড়া দাবানলের ধোঁয়ার কারণে মন্ট্রিয়ালের বাতাসের মান খারাপ হয়ে পড়েছে এবং ওই এলাকায় দৃশ্যমানতাও কমে গেছে। আজ পর্যন্ত দূষণের মাত্রা বেশি থাকতে পারে সতর্ক করেছিল সংস্থাটি।
এদিকে, প্রায় প্রতিদিনই দূষিত বাতাসের শহরগুলোর শীর্ষ পাঁচে থাকলেও গতকাল বেশ উন্নতি দেখা গিয়েছিল লাহোরের। ১৪৬ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার একাদশ স্থানে নেমে গিয়েছিল শহরটি। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই ফের যা তাই। আজ সকালে লাহোরের বাতাসের একিউআই সূচক ১৭০, অবস্থান দূষিত শহরের তালিকার দ্বিতীয় স্থানে।
আরও পড়ুন: বায়ুদূষণে আজ ফের শীর্ষ পাঁচে কানাডার রাজধানী
একই সময়ে আজ তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে বাহরাইনের মানামা, শহরটির একিউআই স্কোর ১৭৫। অন্যদিকে ১৬৯ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জার্কাতা।
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
২২২ দিন আগে
নিম্নচাপের প্রভাবে ঝড়োবৃষ্টি ও উপকূলীয় অঞ্চলে জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা
ঢাকা, ২৬ জুলাই (ইউএনবি)- সাগরের নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এতে উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি, উপকূলীয় জেলাগুলো ও চরে এক থেকে তিন ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস দেখা দেতে পারে।
শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর এমন তথ্য জানিয়েছে।
সংস্থাটি বলছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শনিবার (২৬ জুলাই) সকাল ৬টায় ঝাড়খণ্ড ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
এতে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
সেই সঙ্গে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
এদিকে আজ সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুৎেলার জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চল সমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ কিংবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিমি বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
২২৩ দিন আগে