সারাদেশ
পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে যুবদল কর্মী নিহত, গ্রেপ্তার ৩
যশোরের কেশবপুর উপজেলায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে মনিরুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবদল কর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
বুধবার (১৮ জুন) সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
নিহত মনিরুল ইসলাম উপজেলার বরণডালি গ্রামের আলী বক্সের ছেলে এবং স্থানীয় যুবদলের একজন সক্রিয় কর্মী।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকালে কেশবপুর উপজেলার ত্রিমোহিনী ইউনিয়নের সরসকাটি বাজারে পাওনা টাকা নিয়ে মনিরুল ও একই গ্রামের রেজা হাসান সবুজের অনুসারীদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে মনিরুল ছাড়াও কাশেম গাজী, জাকির হোসেন ও মিজানুর রহমান আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে মনিরুলের অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: আপিল বিভাগের রায়ে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেলেন জামায়াত নেতা আজহার
ঘটনার পরপরই কেশবপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বরণডালি গ্রামের রেজা হাসান সবুজ, লিটন হোসেন ও মশিয়ার রহমানকে গ্রেপ্তার করে।
চিংড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম হোসেন বলেন, ‘মনিরুলের ভাই মিজানুর বাদী হয়ে কেশবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। নিহতের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
এ বিষয়ে কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) খান শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘মামলায় নাম উল্লেখ থাকা অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
২৬১ দিন আগে
বরগুনায় চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ২, নিখোঁজ ৪
বরগুনার পাথরঘাটায় সাগর থেকে মাছ ধরে ফেরার পথে দুটি ট্রলিং ট্রলার আটক, চাঁদা দাবি, আহরিত মাছ ছিনতাইসহ মৎসজীবীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে কোস্টগার্ডের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুই মৎসজীবী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এ ছাড়াও ট্রলার থেকে খালে পড়ে ৪ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন পাথরঘাটার মৎসজীবীরা।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনার পাথরঘাটার বিষখালী ও বলেশ্বর নদীর ভাড়ানি খালে কোস্টগার্ডের বোর্ট কূলে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে, গতকাল (মঙ্গলবার) সকাল ৯টার দিকে স্থানীয় আলম কোম্পানি ও মাসুম কোম্পানির দুটি মডিফাইড ট্রলিং ট্রলার আটক করে কোস্টগার্ড।
আটক হওয়া একটি ট্রলারের মালিক ও বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাসুম আকন জানান, ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে মাছ ধরার জন্য যান উপকূলের হাজার হাজার মৎসজীবীরা।
তিনি বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরে আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারণে মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে আমার একটি ট্রলার ঘাটের দিকে আসে। এ সময় কোস্টগার্ড ট্রলারটি আটক করে। এর পরপরই আলম কোম্পানি আরেকটি ট্রলার আটক করে কোস্টগার্ড।’
মাসুম আকন অভিযোগ করেন, ‘ট্রলার আটক করার পর আমাদের উপস্থিতিতে কোস্টগার্ড সদস্যরা পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তখন আমরা বৈধ কাগজপত্র দেখালেও তা গ্রহণ না করে ট্রলার ধ্বংসের চেষ্টা করেন তারা। এ সময় পাথরঘাটা মৎস্য কর্মকর্তা আমাদের বৈধ কাগজপত্র ও হাইকোর্টের আদেশ দেখে ট্রলার ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে চলে যান।’
তবে কোস্টগার্ড সদস্যরা বিষয়টি না মেনে মঙ্গলবার রাতে ট্রলার ধংস করা শুরু করেন বলে জানান তিনি।
মাসুম আরও বলেন, ‘ট্রলার ধংস করা শুরু করলে মৎসজীবীরা আপত্তি জানান। তখন দুজন মৎসজীবীকে মারধর করা হয়। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সংঘর্ষ শুরু হয়।’
এ ঘটনায় ২ জেলে আহত হয়েছেন এবং আরও ৪ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানান তিনি।
মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরও জানান, ঈদের ছুটির আগেও কোস্টগার্ড কর্মকর্তাকে এক লাখ টাকা দিয়েছেন তিনি। ঈদের ছুটির পর বাড়ি থেকে এসে আবারও তাদের স্টেশনে ডেকে নিয়ে ট্রলিং ট্রলারের তালিকা চাওয়া হয়। সেই তালিকা থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন কোস্টগার্ড কর্মকর্তারা। এর আগেও কয়েক দফা টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, উত্তেজনার একপর্যায়ে কোস্টগার্ড সদস্যরা মৎসজীবীদের লক্ষ্য করে ফাঁকা গুলি ছোড়েন। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় মৎসজীবীরাও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ ছাড়াও আটক ট্রলারে থাকা মৎসজীবীদের মারধরের অভিযোগও উঠেছে কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন: সাম্য হত্যা: ঢাবির তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা
এদিকে, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, তারা উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।
তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অনীহা প্রকাশ করেছেন।
২৬২ দিন আগে
আশুলিয়ায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণ একই পরিবারের পাঁচজন আহত
সাভারের আশুলিয়ায় গ্যাসের পাইপ লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক পরিবারের পাঁচজন দগ্ধের খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার (১৮ জুন) সকালে নরসিংহপুর এস টুয়েন্টি ওয়ান অ্যাপারেলস লিমিটেড-সংলগ্ন জুয়েল রানার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে জুয়েল আহমেদের দ্বিতল ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আহতরা হলেন— জুয়েল (২৪), শান্ত (২১), হাওয়া আক্তার (৪০), জহুরুল (২৬) ও জাহানারা (৪০)। তারা ফরিদপুর জেলার বাসিন্দা ও একই পরিবারে সদস্য।
দগ্ধদের প্রথমে স্থানীয় আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠান।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, এক পরিবারের ৫ জন দগ্ধ
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বিস্ফোরণের কারণে ভবনের দেওয়ালে ফাটল ধরেছে। কোথাও কোথাও ভেঙেও গেছে।
আশুলিয়া থানার ওসি তদন্ত কামাল হোসেন জানান, ফায়ার সার্ভিস ও আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
২৬২ দিন আগে
মাসুদপুর সীমান্ত দিয়ে আরও ২০ জনকে পুশইন
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মাসুদপুর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ২০ জনকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
বুধবার (১৮ জুন) ভোর পৌনে ৫টার দিকে ভারত থেকে তাদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দেওয়া হয়। এরপর মাসুদপুর বিজিবি ক্যাম্পের একটি টহল দল তাদের আটক করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফাহাদ মাহমুদ।
তিনি জানান, আটকদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৭ জন মহিলা ও ১০টি শিশু রয়েছে। তারা কুড়িগ্রামের বাসিন্দা বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: নেত্রকোণা সীমান্তে ৩২ জনকে পুশ ইন বিএসএফের
এ ছাড়া আটকদের নাম ও ঠিকানা যাচাইয়ের কাজ শেষে তাদের শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।
কর্নেল ফাহাদ বলেন, ‘এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফের কাছে জোর প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।’
এর আগে, গত ৩ জুন জেলার ভোলাহাট উপজেলার চাঁনশিকারি সীমান্ত দিয়ে ৮ জনকে ও ২৭ মে গোমস্তাপুর উপজেলার বিভীষণ সীমান্ত দিয়ে ১৭জনকে পুশইন করে বিএসএফ।
২৬২ দিন আগে
নিখোঁজের ২০ ঘণ্টা পর শেরপুরে দুই শিশুর লাশ উদ্ধার
শেরপুরের শ্রীবরদীতে নিখোঁজের ২০ ঘণ্টা পর মাছের খামার থেকে দুই শিশুকন্যার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (১৮ জুন) সকাল ৮টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলার বটতলা এলাকার মৃধাবাড়ি এলাকার ওই মাছের খামার থেকে শিশু দুটির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলো—উপজেলার তিনানি ছনকান্দা গ্রামের বেতালবাড়ী এলাকার ট্রাকচালক স্বপন মিয়ার মেয়ে স্বপ্না বেগম (৬) এবং সেলিম মিয়ার মেয়ে সকাল বেগম (৭)।
নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল (মঙ্গলবার) দুপুর ১২টার দিকে জামাকাপড় পরে ঘুরতে বের হয় তারা। কিন্ত দুপুর থেকে বিকাল, এরপর বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা হলেও বাড়ি ফেরে না স্বপ্না ও সকাল। এরপর তাদের খুঁজতে এলাকায় মাইকিং করা হয়।
আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটে পা পিছলে নদীতে পরার ২৯ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার
তবে গতকাল অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাদের পাওয়া যায়নি। পরে আজ (বুধবার) সকালে ওই মাছের পুকুর থেকে বিবস্ত্র অবস্থার তাদের লাশ উদ্ধার করা হয় বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার জাহিদ। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
২৬২ দিন আগে
নেত্রকোণায় ডলার নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে দুই ভাই গ্রেপ্তার
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় অনলাইনে ডলার বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) তাদের গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার মামলা করা হয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে ‘ট্রেজার এনএফটি’ নামে একটি অনলাইন ভিত্তিক স্কিম চালু করে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলেছেন। তাদের প্রতারণার জাল কতদূর বিস্তৃত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলেও জানান ওসি।
এর আগে, এ ঘটনায় থানায় করা মামলা ও নেত্রকোনা জেলা এনএসআইয়ের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার (১৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আশুজিয়া ইউনিয়নের চান্দপাড়া গ্রামে এই অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— মৃত আব্দুল জাহেদের দুই ছেলে আরিফুল হক (৪৩) ও শরিফুল হক (৩২)।
তাদের বিরুদ্ধে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বড় পরিসরে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। অভিযানে তাদের মোবাইল ফোনসহ প্রতারণার সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করা হয়েছে। তবে প্রধান অভিযুক্ত মঞ্জুরুল হকের ছেলে মাসুদুল হাসান সৈকত (৩০) পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় কেন্দুয়া থানায় ভবানীপুর গ্রামের মো. নাহিদুল ইসলাম (২০) নামের এক যুবক বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ‘সন্ত্রাসী’ তূর্য গ্রেপ্তার
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ট্রেজার এনএফটি প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন ১ দশমিক ৮ শতাংশ হারে লভ্যাংশ ও রেফারেন্স ইনকামের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে মোট ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা বিনিয়োগে বাধ্য করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো লাভ বা মূলধন ফেরত না পেয়ে তিনি প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা বাইন্যান্স (Binance), বাইবিট (Bybit), বিটগেট (Bitget), ট্রাস্ট ওয়ালেট (Trust Wallet), মেটামাস্কের (MetaMask) মতো আন্তর্জাতিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কেন্দুয়ার আশুজিয়া ও দলপা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের প্রায় দুই-তিন হাজার মানুষের কাছ থেকে কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতারক চক্রের অন্যান্য সদস্য ও গোপন নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
২৬২ দিন আগে
খুলনায় অস্ত্র-গুলি ও ইয়াবাসহ আটক ৫
খুলনা সদর থানার শিপিয়ার্ড রোড চানমারি বাজার এলাকায় সেনা ও পুলিশের যৌথ অভিযান চালিয়ে ইয়াবা, রিভলবারসহ ৫ জনকে আটক করেছে।
সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকের এই অভিযানে ১টি বিদেশি রিভলবার, ২ রাউন্ড গুলি ও ২৭০টি ইয়াবাসহ উদ্ধার করা হয়। আটকদের মধ্যে ৩ জন ছাত্র দলের সঙ্গে জড়িত।
আটকরা হলেন- রূপসা ইস্টার্ন রোডের নুরুল ইসলামের ছেলে ছাত্রদল কর্মী মো. রাজু আহমেদ (৩০), চানমারী বাজার মাদরাসা রোডের শামসুর রহমানের ছেলে ছাত্রদল কর্মী জুনায়েদ হোসেন মুন্না (৩০), মাস্টারপাড়ার শওকত হোসেনের ছেলে ছাত্রদল কর্মী মিরাজ (৩২), চানমারী দ্বিতীয় গলির জালালের ছেলে নীরব ইসলাম জিয়া (২৩) ও বাগেরহাটের শরণখোলার রায়েন্দা বাজারের হানিম শিকদারের ছেলে শামীম হোসেন (২৯)।
স্থানীয়রা জানান, সেনাবাহিনী এবং পুলিশের একটি যৌথ অভিযান নগরীর শিপইয়ার্ড এবং চানমারী এলাকায় পরিচালনা করে।
অভিযানটি মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে ভোর সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চলে। এ সময় তারা ওই দু’টি এলাকার ৩টি বাসায় অভিযান চালায়।
চানমারী ইউনুস তালুকদারের বাড়ি থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ২ রাউন্ড তাজাগুলি এবং ২৭০ পিছ ইয়াবাসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে যৌথবাহিনীর সদস্যরা।
খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানোয়ার হোসেন মাসুম বলেন, ‘রাতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে এদের আটক করা হয়েছে। আটক আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খুলনা সদর ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের খুলনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আরও যাচাই-বাছাই করে এদের দলীয় পরিচয়সহ অস্ত্র রাখার কারণ উদঘাটন করা হবে।’
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ‘সন্ত্রাসী’ তূর্য গ্রেপ্তার
২৬২ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটে পা পিছলে নদীতে পরার ২৯ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার
মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া মো. লোকমান হোসেনের (২৮) লাশ ২৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ জুন) সকাল ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে মোল্লারচর এলাকার নদী থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তার লাশ উদ্ধার করে।
নিখোঁজ লোকমান হোসেন ভোলা জেলার তজুমউদ্দিন উপজেলার দেওয়ানপুর গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী।
জানা গেছে, রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা থেকে ২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে 'ফারহান-৩' নামের মনপুরা থেকে ঢাকাগামী একটি লঞ্চ মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটে থামলে দুর্ঘটনাটি ঘটে। লোকমান হোসেন তার স্ত্রী রিপা আক্তার, চাচাতো ভাই শিহাদ ও সোহেলকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চে যাত্রা করছিলেন। ঘাটে পৌঁছে সফরসঙ্গী সোহেলকে নামিয়ে দিতে গিয়ে হঠাৎ পা পিছলে নদীতে পড়ে যান লোকমান।
চাচাতো ভাই শিহাদ জানান, ‘সোহেলকে নামাতে গিয়ে পিছন থেকে সহায়তা করছিল লোকমান। ঠিক তখনই তার পা পিছলে যায় এবং মুহূর্তেই সে নদীতে পড়ে যায়। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি।’
দুর্ঘটনার পরপরই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে সহযোগিতা চাওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিএ এবং নৌ-পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সোমবার সারাদিন কোনো সন্ধান মেলেনি। ফলে স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়তে থাকে। অবশেষে মঙ্গলবার সকালে মোল্লারচর এলাকায় নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মো. সফিকুল ইসলাম জানান, নদীপথে যাতায়াতে বাড়তি সতর্কতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—যাতে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। নিখোঁজের পর থেকে আমরা উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রাখি। লাশ উদ্ধার করে আমরা নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি
আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে বটগাছ থেকে ট্রাকচালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
২৬২ দিন আগে
ঝিনাইদহে বটগাছ থেকে ট্রাকচালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার একটি পুকুর পাড়ের বটগাছ থেকে মধু হোসেন (২৮) নামের এক ট্রাকচালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার(১৭ জুন) সকালে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
মৃত মধু ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটি ইউনিয়নের হীরাডাঙ্গা গ্রামের বিল্লাল ড্রাইভারের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকালে পুকুর পাড়ের বটগাছের ডালে মধুর লাশ ঝুলতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মধুর ছোট ভাই পরশ জানায়, মধু প্রায় পাঁচ-ছয় মাস ধরে বিকাশ কুমার নামের এক ব্যক্তির গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহকরছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে তার বাবার সঙ্গে মনোমালিন্য চলছিল। যে কারণে প্রায় ২ থেকে ৩ মাস ধরে সে বাড়িতে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। সোমবার বিকালে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে বলে, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে, তোরা সবাই আমাকে ক্ষমা করে দিস।’
চাচাতো ভাই এনামুল জানান, সোমবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মধু তার মামাতো ভাই রমজান হোসেনেরসঙ্গে ছিলেন। পরদিন সকালে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের উত্তর-পশ্চিম পাশে বড় পুকুরের ধার ঘেঁষে একটি বটগাছে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা।
আরও পড়ুন: সিলেটে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। তারপরও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
২৬২ দিন আগে
পাবর্তীপুরে পুকুরের ডুবে ২ মাদরাসা ছাত্রীর মৃত্যু
দিনাজপুরের পাবর্তীপুরে উপজেলা চত্বরের পুকুরে গোসলের সময় গভীর পানিতে তলিয়ে দুই মাদরাসা ছাত্রীর প্রাণহানি হয়েছে। মঙ্গলবার(১৭ জুন) দুপুর ১টার দিকে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
পাবর্তীপুর মডেল থানার উপ পরিদর্শক দ্বীনেশ চন্দ্র বর্মন জানান, মাদরাসায় ক্লাশ শেষে বাড়িতে ফিরে প্রতিবেশী অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে উপজেলা চত্বরের পুকুরের গোসল করছিল মুশফিকা আক্তার মিম এবং আছিয়া মোবাশ্বিরা নামে আরো দুই শিশু। কিন্তু তারা সাতার না জানায় গভীর পানিতে তলিয়ে মারা গেছে।
মুশফিকা আক্তার মিম (৯) উপজেলা চত্বর সংলগ্ন হুগলিপাড়ার মোশাররফ হোসেনের মেয়ে। সে মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। আছিয়া মোবাশ্বিরা (৭) একই মাদরাসার প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।
থানার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, দুই শিশুর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় দাফন কাফনে ময়না তদন্ত ছাড়াই অভিভাবকের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইডেন কলেজের পুকুরে ডুবে কলেজছাত্রীর মৃত্যু
২৬২ দিন আগে