সারাদেশ
ভোলায় বরের আনা শাড়ি অপছন্দ হওয়ায় কনে পক্ষের হামলা, আহত ১৫
ভোলার সদর উপজেলায় বিয়ের কনের জন্য আনা শাড়ি ও প্রসাধনী পছন্দ না হওয়ায় বর ও কনে পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বর মো. সজিবসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। গুরুতর আহত ছয়জনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের শেরে বাংলা এলাকায় কনের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজের সময় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের জেরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ভেস্তে গেছে।
স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের পূর্ব চরকালি গ্রামের আবুর ছেলে সজিব এক বছর আগে বিয়ে করেন পাশের ইউনিয়নের শাহাবুদ্দিনের মেয়ে রিপাকে। সজিব নারায়ণগঞ্জের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। নতুন বউ ঘরে তোলার উদ্দেশ্যে শুক্রবার দুপুরে শাড়ি ও অন্যান্য উপহারসামগ্রী নিয়ে তিনি কনের বাড়িতে যান।
তবে বরপক্ষের আনা কাপড় ও প্রসাধনী কনে পক্ষের অপছন্দ হলে সজিবের বড় ভাইয়ের সঙ্গে কনে পরিবারের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে কথাকাটাকাটি সংঘর্ষে রূপ নেয়।
কনে পক্ষের লোকজন বর ও তার স্বজনদের উপর হামলা চালিয়ে মারধর করে। সংঘর্ষ চলাকালীন কনে পক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে বরসহ তার সঙ্গীদের মারধর করে বের করে দেয়। এ সময় বর সজিব, জাহিদ, অন্তু, মো. সোহেল, ফাতেমা ও ময়না গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে পাওনা টাকা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ আহত ৩০, আটক ৫০
বর সজিব বলেন, ‘ছোট একটি বিষয় নিয়ে কনে পক্ষ আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। ঘটনার পর থেকে কনের বাবা শাহাবুদ্দিন ও তার পরিবারের পুরুষ সদস্যরা আত্মগোপনে রয়েছেন। শাহাবুদ্দিনের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।’
ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহাদৎ মো. হাছনাইন পারভেজ জানান, এ ঘটনায় এখনও কোনো পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৬৫ দিন আগে
মাগুরায় দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ১
মাগুরায় সদর উপজেলার দুটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে লাল মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।
শুক্রবার (১৩ জুন) সন্ধ্যার দিকে সদর উপজেলার মাগুরা-মহম্মদপুর সড়কের ধলহারা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত লাল মিয়া (৪৫) ওই উপজেলার বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন বাবুর্চি। আহত ব্যক্তির নাম ফুল মিয়া (৪৫) বলে জানা গেছে। ফুল মিয়াকে গুরুতর আহতবস্থায় মাগুরা হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহমান জানান, লাল মিয়া পেশায় একজন বাবুর্চি। কাজ শেষে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে ধলহারা নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে লাল মিয়া নিহত হন এবং আহত হন অপর মোটরসাইকেল চালক ফুল মিয়া।
স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিকে মাগুরা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।ওসি আবদুর রহমান জানান, এ বিষয়ে মহম্মদপুর থানায় মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মাগুরা মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২৬৬ দিন আগে
চালক ঘুমিয়ে হেলপার চালাচ্ছিলেন অ্যাম্বুলেন্স, দুর্ঘটনায় নিহত ১
কুষ্টিয়ার মিরপুরে চলন্ত একটি অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে ইটবোঝাই ট্রলির সংঘর্ষে অনিক নামে এক হেলপার নিহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার সময় অ্যাম্বুলেন্স চালক গাড়ির ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন এবং হেলপার অনিক গাড়ি চালাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ জুন) সকাল ৭টার দিকে মিরপুর উপজেলার কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কের সদরপুর ইউনিয়নের সদরপুর সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদরাসার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত অনিক (১৮) ওই উপজেলার তালবাড়িয়া ইউনিয়নের চারুলিয়া এলাকার হাফিজুর রহমানের ছেলে। তিনি কুষ্টিয়ার একটি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের হেলপার হিসেবে কাজ করতেন।
আরও পড়ুন: দিনাজপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৫
কাকিলাদহ পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) নাসির উদ্দিন জানান, আজ (শনিবার) সকাল ৭টার দিকে মেহেরপুরগামী একটি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সামনের চাকা ফেটে যায় এবং গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইটবোঝাই ট্রলিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই হেলপার অনিকের মৃত্যু হয়।
তিনি জানান, দুর্ঘটনার সময় অ্যাম্বুলেন্সে চালক ছাড়া অন্য কোনো যাত্রী ছিল না। নিহত অনিক অ্যাম্বুলেন্সটির হেলপার ছিলেন। চালক গাড়ির ভেতরেই ঘুমিয়ে ছিলেন এবং অনিক অ্যাম্বুলেন্সটি চালিয়ে মেহেরপুর যাচ্ছিলেন।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোমিনুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে।
২৬৬ দিন আগে
চাঁপাইয়ে ভাতিজার বিরুদ্ধে চাচাকে হত্যার অভিযোগ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ভাতিজার ছুরির আঘাতে চাচাকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য।
শুক্রবার (১৩ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের ধোবপুকুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নজরুল ইসলাম (৫৫) মোবারকপুর ইউনিয়নের উপরটোলা গ্রামের সিদ্দিক বিশ্বাসের ছেলে। আহত ইউপি সদস্য সবুজ আলী সুজন (৩২) একই গ্রামের বাসিন্দা ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া জানান, নজরুল ইসলাম ও তার ভাই আরফাজুল বিশ্বাসের মধ্যে জমির সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার রাতে ধোবপুকুর বাজারে কাজলের হোটেলের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে আরফাজুলের ছেলে আনাস বিশ্বাস (১৮) ধারাল অস্ত্র দিয়ে চাচা নজরুল ইসলামকে পেটে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করেন। চাচাকে রক্ষা করতে গিয়ে ইউপি সদস্য সবুজ আলী সুজনও ছুরিকাঘাতে আহত হন। পরে এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক নজরুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: পারিবারিক কলহের জেরে ঈদের দিন স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে
আহত সুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
২৬৬ দিন আগে
পদ্মা সেতুতে দুর্ঘটনায় নিহত ২, পৌনে ২ ঘণ্টা পর যান চলাচল শুরু
পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের ঢাকামুখী একটি ট্রাকের পেছনে দ্রুতগতির একটি বাসের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১২ জন।
শুক্রবার (১৩ জুন) রাত ১১টার দিকে এই দুর্ঘটনায় পদ্মা সেতুর ঢাকামুখী লেন প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল। এর ফলে ফিরতি ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্তে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।
দুর্ঘটনায় ট্রাক থেকে সেতুর ওপর কেমিক্যাল ছড়িয়ে পড়ে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে যায়। ফলে যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে সড়ক পরিষ্কার করে এবং দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রাক রেকার দিয়ে সরিয়ে নেওয়ার পর রাত পৌনে ১টার দিকে যান চলাচল শুরু হয়।
আরও পড়ুন: দিনাজপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৫
নিহত একজন খুলনার বাসিন্দা রাকিব জামাদ্দার। অপরজনের পরিচায় জানা যায়নি। আহতদের ঢাকা ও স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক সফিকুল ইসলাম জানান, পদ্মা সেতুর থেকে নামার সময় অ্যাপ্রোচের ২ নম্বর খুঁটির কাছে ঢাকাগামী ইমাদ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস সামনে থাকা ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দিলে বাসের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধার কাজে অংশ নেয়।
২৬৬ দিন আগে
দিনাজপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৫
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে নাবিল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় পাঁচ বাসযাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন।
শনিবার (১৪ জুন) ভোর পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কের নূরজাহানপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- নাবিল পরিবহন বাসের সুপার ভাইজার নওগাঁ সদর উপজেলার পারশিকারপুর গ্রামের মৃত আক্কাস আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও জেলা সদর কে-কে বাড়ি এলাকার হাসেম আলীর মেয়ে তামান্না আক্তার, পঞ্চগড় জেলা সদরের আব্দুল খালেকের ছেলে সেনাবাহিনী সদস্য এরশাদ আলী, ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লি উপজেলার বড়বালিয়া গ্রামের তারিকুল ইসলামের ছেলে আরিফ ইসলাম এবং ঢাকার সাভার উপজেলার রাশেদ ভুইয়ার ছেলে কিবরিয়া ভুইয়া।
ঘোড়াঘাটের ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার আতাউর রহমান জানান, দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের নূরজাহানপুর এলাকায় টায়ার পাংচার হওয়ায় বালুবাহী একটি ট্রাক রাস্তার ওপর দাঁড়ানো অবস্থায় ছিল। এ সময় পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী নাবিল পরিবহনের একটি কোচ ট্রাকটির পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে এক নারীসহ তিনজন নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় আটজনকে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতুতে দুর্ঘটনায় নিহত ২, পৌনে ২ ঘণ্টা পর যান চলাচল শুরু
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হক জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম চালায়। এরপর আহত অন্তত ১৫ জনকে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে থানায় মামলা করা হবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
২৬৬ দিন আগে
ঝিনাইদহে বিএনপি নেতার সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণ
ঝিনাইদহে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডুর ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় সভাকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (১৪ জুন) বিকালে শৈলকুপা উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করার জন্য উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাজারে সমাবেশের আয়োজন করে শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির একাংশ। জয়ন্ত কুমার কুন্ডু বিকালে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সমাবেশস্থলে হাজির হলে মাঠের একপাশে ৩টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। পরে সমাবেশে আসা নেতাকর্মীরা ধাওয়া করলে দুর্বত্তরা পালিয়ে যায়।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জয়ন্ত কুমার কুন্ডু বলেন, ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করতে এসে এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে এটা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমি চাই দ্রুত সময়ের মধ্যে এ হামলার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনা হোক।এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপা উপজেলার শেখপাড়া বাজারে বিক্ষোভ করেছে জয়ন্ত কুন্ডুর সমর্থকরা। দ্রুত সময়ের মধ্যে হামলার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।
এ ব্যাপারে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান বলেন, রামচন্দ্রপুর বাজারে একটু উত্তেজনা হয়েছিল। পুলিশ দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। এখন এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে তিনি পটকা বা বাজি ফাটিয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
২৬৬ দিন আগে
বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে ১৫ জনকে পুশ-ইন বিএসএফের
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার অচিন্তপুর সীমান্ত দিয়ে ১৫ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইন করেছে বিএসএফ। এদের মধ্যে ৩ জন নারী, ৩ জন পুরুষ ও ৯ শিশু রয়েছে। শুক্রবার (১৩ জুন) ভোরে তাদের পুশ-ইন করা হয়।
বিজিবি ও পুলিশ জানিয়েছে, বিজিবির বিরামপুরের অচিন্তপুর বিওপির বিপরীতে ৫৭ নম্বর বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গুলশী বিএসএফ ক্যাম্পের ২৯৫/১নম্বর পিলারের পাশদিয়ে এই ১৫ নাগরিককে পুশ-ইন করে।
পুশ-ইন করা নাগরিকরা হলেন- ১। মো. আশোক মোল্লা (৬০) পিতা মৃত উমর মোল্লা, ২। মোছাম্মাৎ হিরিনা বেগম (৫২) স্বামী মো. আশোক মোল্লা ৩। মো. হাসু মোল্লা (৩৪) পিতা মো. আশোক মোল্লা ৪। মো. বিল্লাল মোল্লা (১৬) পিতা হাসু মোল্লা ৫। মোহাম্মদ মোল্লা (১২) পিতা মো. হাসু মোল্লা ৬। আহমেদ মোল্লা (৮) পিতা মো. হাসু মোল্লা ৭। মোছাম্মাৎ রাবেয়া মোল্লা (৪) পিতা হাসু মোল্লা ৮। মো. মনির মোল্লা (৩০) পিতা মো. আশোক মোল্লা ৯। মোছাম্মাৎ ঝরনা খাতুন (২৮) স্বামী মো. মনির মোল্লা ১০। মোছাম্মাৎ সুমাইয়া খাতুন (১১) পিতা মো. মনির মোল্লা ১১। মো. আলমিন মোল্লা (৮) পিতা মো. মনির মোল্লা ১২। মোছাম্মাৎ হুমাইয়া খাতুন (৬) পিতা মো. মনির মোল্লা ১৩। মোছাম্মাৎ খাদিজা খাতুন (৪) পিতা মো. মনির মোল্লা ১৪। মো. ইব্রাহিম মোল্লা (২) পিতা মো. মনির মোল্লা ও ১৫। মোছাম্মাৎ তাজমা বেগম (৪০) স্বামী মৃত হাফিজুল মোল্লা। তারা নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার শীতলপাটি গ্রামের বাসিন্দা।
আরও পড়ুন: পুশ-ইন বন্ধে ভারতকে আবারও চিঠি দেবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
অচিন্তপুর বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েব সুবেদার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ভোরে সীমান্তে টহল দেওয়ার সময় বিজিবি সদস্যরা অচিন্তপুর সীমান্তের অভ্যন্তরে এসব নারী, শিশু ও পুরুষদের এলোমেলোভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে। এসময় বিজিবি টহলদল তাদের আটক করে ক্যাম্পে আনে। আটদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিরামপুর থানায় হস্তান্তর করা হবে।
মো. আশোক মোল্লা (৬০) জানান, তারা গত বছরের ৭ অক্টোবর যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দালালের মাধ্যমে ভারতের মুম্বাই শহরে যায়। সেখানে তারা দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান করছিল। ঈদুল আজহার দিন (গত ৭ জুন) ভারতের পারমেল থানা পুলিশ তাদের আটক করে তাদের হেফাজতে রাখে। গত ১২ জুন মুম্বাই থেকে বিমানে করে তাদের শিলিগুড়ি বাগডোগড়া বিমানবন্দরে নিয়ে আসে। এরপর বিএসএফ তাদের বিরামপুরের অচিন্তপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করে। তারা সবাই একই পরিবারের বলে জানান তিনি।
২৬৬ দিন আগে
ঢাকামুখী ফিরতি ঈদযাত্রা শুরু, লঞ্চ-ফেরিঘাটে উপচে পড়া ভিড়
ঈদের ছুটি শেষে অফিস শুরু হবে আগামী রবিবার। পরিবারের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটিয়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার সকাল থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে ভিড় করছেন যাত্রীরা। ফেরির পাশাপাশি লঞ্চযোগে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন অনেকে।
আজ (শুক্রবার) সকালে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা যায় ঢাকামুখী মানুষে উপচে পড়ছে ঘাট। মাত্র তিন থেকে চার মিনিটের মধ্যে যাত্রীতে পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে একেকটি লঞ্চ। তারপর সেগুলো ছেড়ে যাচ্ছে পাটুরিয়ার উদ্দেশে।
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি থেকে আসা পোশাকশ্রমিক মেহেদী হাসান। এক হাতে লাগেজ নিয়ে আরেক হাতে স্ত্রীকে ধরে ভিড় ঠেলে লঞ্চে ওঠার চেষ্টা করছিলেন তিনি।
জানতে চাইলে এই যুবক বলেন, ঢাকার হেমায়েতপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন তিনি। তার স্ত্রীও একই কারখানায় কাজ করেন। তারা সিএনজিতে করে দৌলতদিয়া ঘাটে নামেন। সড়কে তেমন যানজট না থাকলেও ঘাটে এসে ভিড়ের মুখে পড়েছেন।
মেহেদী বলেন, ‘শনিবার থেকে আমাদের কারখানা খুলবে। তাই আজ সকাল সকাল বের হয়েছি। কিন্তু এখানে এসে দেখি সেই ভিড়। ভিড়ের মধ্যে যাতে কেউ হারিয়ে না যাই, সেজন্য কষ্ট হলেও এক হাতে লাগেজ আর অন্য হাত দিয়ে স্ত্রীকে শক্ত করে ধরে রেখেছি।’
কালুখালী থেকে আসা মিম আক্তার নামের আরেক পোশাকশ্রমিক জানান, তিনি সাভারের একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে গিয়েছিলেন। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করে এখন কর্মস্থলে ফিরছেন। শনিবার থেকে তার কারখানাও খুলছে। তাই দেরি না করে আজই ভাগ্নেকে সঙ্গে নিয়ে রওয়ানা হয়েছেন তিনি।
সরেজমিন শুক্রবার সকালে দীর্ঘক্ষণ ধরে দেখা গেছে, লঞ্চঘাটের কাঠের সেতু দিয়ে যাত্রীরা সারিবদ্ধভাবে পন্টুনে দাঁড়াচ্ছেন। টিকিট কাটার দায়িত্বরত শ্রমিকরা পন্টুন ছেড়ে কাঠের সেতুর ওপর গিয়ে যাত্রীদের থেকে নদীপাড়ের টিকিট দিচ্ছেন। পন্টুনে সারিবদ্ধভাবে বেঁধে রাখা লঞ্চগুলো মুহূর্তের মধ্যে যাত্রীবোঝাই করে পাটুরিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাচ্ছে।
এ সময় আনসার, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএ সদস্যদেরও সহযোগিতা করতে দেখা যায়।
২৬৭ দিন আগে
শরীয়তপুরে বসতবাড়িতে হামলা, এক নারী নিহত
শরীয়তপুরের জাজিরা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জামাল মাদবর কান্দি এলাকায় বসতবাড়িতে রাতের আধাঁরে হামলা ও আঘাতে এক নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১১ জুন) রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তাসলিমা বেগম (৫৫) জাজিরা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জামাল মাদবর কান্দি এলাকার বাসিন্দা।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জের ধরে স্থানীয় নাইম ঢালী ও সজিব বেপারী নামে দুই যুবকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা এবং হাতাহাতি হয়। পরে নাইম ঢালীর মা চম্পা বেগম বাদী হয়ে ২৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার আসামিদের আতঙ্কিত করতে স্থানীয় আকবর ঢালী, খালিদ ঢালী এবং শাহজাহান বেপারী লোকজন নিয়ে বুধবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ মজিবর মৃধার বসতবাড়িতে ঢুকে দরজায় লাথি দিতে থাকে। ওই সময় আতঙ্কিত হয়ে নিহত তাসলিমা বেগম বসতঘরের দরজা আটকে ঘরে ভিতরে বসে থাকেন। পরে শাহজাহান বেপারী ওই বসতঘরের দরজায় লাথি দিয়ে ভেঙে ফেলেন। ভাঙা দরজায় আঘাত পেয়ে তাসলিমা বেগম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: রাস্তা পারাপারের সময় সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত
ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আকবর ঢালীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি এই বিষয়ে কিছু জানি না। এলাকায় ঝামেলা থাকায় আমি সেখানে বেশি থাকি না।’
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘বুধবার রাতে জামাল মাদবর কান্দি এলাকায় এক নারী মারা গেছেন। তার পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
২৬৭ দিন আগে