সারাদেশ
বগুড়ায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে জামায়াত নেতা খুন, আটক ২
বগুড়া শহরে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সাইফুল ইসলাম (৪৫) নামের এক জামায়াত নেতাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত দুই জনকে আটক করেছে র্যাব ।
রবিবার (১ মার্চ) সকালে শহরের মাহবুবনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে রাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তারেক (৩০) নামের আরও একজন আহত হয়েছেন।
নিহত সাইফুল ইসলাম বগুড়া শহরের খান্দার এলাকার মৃত নওশেদ আলীর ছেলে ছিলেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বগুড়া শহর শাখার ওলামা বিভাগের রুকন ও দায়িত্বশীল ছিলেন বলে জানিয়েছেন শহর জামায়াতের প্রচার সম্পাদক ইকবাল হোসেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল (রবিবার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহরের মাহবুবনগর এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র (চাকু) নিয়ে সাইফুল ও তারেকের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাদের দুজনকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের জরুরি বিভাগে ভর্তির পরামর্শ দেন। এরপর সাইফুল ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে রাতে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পুনরায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুজন আটক হয়েছেন। তারা হলেন: বগুড়া শহরের খান্দার ভিআইপি রোড এলাকার মেহেদী হাসান টিটু ও মোস্তাকিন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে। থানায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এদিকে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী বগুড়া শহর শাখার আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলাানা আবিদুর রহমান সোহেল, সেক্রেটারি আ স ম আব্দুল মালেক এবং উলামা বিভাগ বগুড়া শহর শাখার সভাপতি মাওলানা আলমগীর হোসাইন।
৪ দিন আগে
গাজীপুরে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, ৭ পুলিশ আহত
গাজীপুরের শ্রীপুরে অপহরণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার অভিযানে গিয়ে অপহরণকারীর স্বজনদের হামলার শিকার হয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় ৭ পুলিশ সদস্য আহত হন। হামলাকারীরা হাতকড়াসহ দুই আসামিকে ছিনিয়ে নিলেও পরে অভিযান চালিয়ে তাদের পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১ মার্চ) রাত ৮টার দিকে জেলার শ্রীপুর উপজেলাধীন গাজীপুর ইউনিয়নের নিজমাওনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নিজমাওনা গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে আদিল (২২) ও তার বাবা মনির হোসেন (৫০)।
মাওনা পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, টাঙ্গাইল সদর থানার একটি অপহরণ মামলার আসামি ও অপহৃত এক কিশোরীকে উদ্ধারে টাঙ্গাইল সদর থানার পুলিশ ও শ্রীপুর থানার পুলিশ রবিবার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় শ্রীপুরের নিজমাওনা গ্রামে অভিযান চালায়। ওই সময় পুলিশ অপহরণকারী আদিল ও তার বাবা মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। পরে আসামিদের স্বজনেরা ও আশপাশের লোকজন পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেন। হামলায় ৭জন পুলিশ সদস্য আহত হন।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমদ বলেন, খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে অভিযান পরিচালনা করে হ্যান্ডকাফ ছিনিয়ে নেওয়া দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
৪ দিন আগে
আজ থেকে শুরু লালন স্মরণোৎসব
দোল পূর্ণিমা তিথিতে প্রতি বছর কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় আখড়াবাড়িতে তিন দিনব্যাপী সাড়ম্বরে উদযাপিত হয় ফকির লালন সাঁইয়ের স্মরণোৎসব। সাধুগুরু ও লালনভক্তদের সরব উপস্থিতি, গান ও গ্রামীণ মেলায় জমজমাট হয়ে ওঠে আখড়াবাড়ি প্রাঙ্গণ।
তবে এবার রমজানের কারণে সোমবার (২ মার্চ) দুপুর থেকে এক দিনই উদযাপিত হবে লালন স্মরণোৎসব।
আখড়াবাড়ির ভারপ্রাপ্ত খাদেম মশিউর রহমান জানিয়েছেন, এবার থাকছে না সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মেলা। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় কেবল আলোচনা অনুষ্ঠান ও বাউলদের আপ্যায়নের মধ্য দিয়েই মঙ্গলবার দুপুরে শেষ হবে আয়োজন। সাধুসঙ্গ চলবে রীতি অনুসারে।
এদিকে, উৎসব উপলক্ষে কয়েক দিন আগে থেকেই আখড়াবাড়িতে আসতে শুরু করেছেন লালন ভক্ত বাউল-ফকিররা। কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে লালনের গান। তারা দলে দলে ভাগ হয়ে আসন পেতে বসেছেন; করছেন নিজেদের মধ্যে ভাব বিনিময়।
শনিবার (১ মার্চ) দুপুরে আখড়াবাড়িতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
এ সময় ঢাকা থেকে উৎসবে আসা ফকির ফাহিম বলেন, সারা বছর এই দিনগুলোর অপেক্ষায় থাকি। দোল উৎসবে দেশ-বিদেশের বাউল ও সাধুরা আখড়াবাড়িতে আসেন। একে অপরের মধ্যে ভাব বিনিময় হয়।
আমেরিকা প্রবাসী মিজানুর রহমান বলেন, ছোটবেলা থেকেই লালনের গান শুনে আসছি। সেই টান থেকেই প্রথমবারের মতো আখড়াবাড়িতে আসা। এখানে বসে বাস্তবতা অনুভব করলাম। তার ভাষ্য, ফকির লালন সাঁইজি জাতি, বর্ণ, ধর্ম নির্বিশেষে মানব প্রেমের কথা বলে গেছেন।
মানিকগঞ্জ থেকে আগত সাধু তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, সাঁইজির প্রেমের টানে, মায়ার টানে কয়েকদিন আগেই আখড়াবাড়িতে এসেছি। এবার পবিত্র রমজানের কারণে উৎসব একটু কম হবে।
৪ দিন আগে
দিনাজপুরে সাত বছরের শিশু হত্যার রহস্য উদঘাটন
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সাত বছর বয়সী শিশু সিরাজুল আল শামস হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের রহস্য উদঘাটন হয়েছে। তাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে তারই আপন চাচাতো ভাই আমানুর রহমান আমান (২১)। চাচার সম্পত্তি ওয়ারিশ-শূন্য করতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি।
রবিবার (৩ মার্চ) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে হত্যার রহস্যের বিষয়টি ব্রিফ করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অবস) আনোয়ার হোসেন।
অভিযুক্ত আমান আমরুলবাড়ী ডাঙ্গাপাড়ার মজিদুল ইসলামের ছেলে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন বলেন, আপন চাচা মমিনুল ইসলামের একমাত্র সন্তান সিরাজুল আল্ শামসকে গত শুক্রবার ইফতারির পর গলা টিপে এবং ছুরিকাঘাতে নৃশংসভাবে হত্যা করেন আমান। গলা ও হাত-পায়ের রগ কাটা ছাড়াও নৃশংসতার অসংখ্য ক্ষতচিহ্ন ছিল শিশুটির পুরো শরীরজুড়ে।
তিনি আরও জানান, আটকের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আমান হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিসহ অন্যান্য আলামত পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছেন তিনি।
৫ দিন আগে
সংঘর্ষে জামায়াত কর্মী নিহত: চুয়াডাঙ্গায় সড়ক অবরোধ, অপরাধীকে গ্রেপ্তারে আলটিমেটাম
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপির নেতা-কর্মীদের হামলায় জামায়াতে ইসলামীর কর্মী হাফিজুর রহমান নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকরা। এ সময় হত্যাকাণ্ডে জড়িত বিএনপি কর্মীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন তারা।
রবিবার (১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাসস্ট্যান্ড ট্রাফিক আইল্যান্ডে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে রূপ নেয়।
সমাবেশে বক্তারা নিহত হাফিজুর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত বিএনপি কর্মীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন।
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বক্তারা বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা না হলে জীবননগরে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে এবং এই পরিস্থিতির দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।
বিক্ষোভ চলাকালে নেতা-কর্মীরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান। এতে প্রায় ৩০ মিনিট শহরের যান চলাচল বন্ধ হয়ে থাকে এবং এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
জীবননগর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাজেদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের প্রশিক্ষণ সম্পাদক জিয়াউল হক, জেলা মাজলিসুল মুফাসসিরিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান এবং জীবননগর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির সাখাওয়াত হোসেন।
এদিকে সংঘর্ষে নিহত হাফিজুর রহমানের জানাজা আজ (রবিবার) বিকেল ৩টায় জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা যায়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও হাসাদাহ বাজারের ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিনের সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তার ছেলে মেহেদী হাসানকে মারধরের অভিযোগ উঠে জামায়াত কর্মীদের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি মেহেদি হাসানকে তুলে নিয়ে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইফতারের পর সুটিয়া থেকে হাসাদাহ বাজারে আসার পথে হাসাদাহ মডেল ফাজিল মাদরাসার সামনে মেহেদী হাসান ও তার বাবা জসিম উদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ খবর পেয়ে হাসাদাহ ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান ও তার ভাই হাফিজুর রহমান ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। তাদেরকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়।
পরবর্তীতে বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হন। গুরুতর আহত চারজনকে জীবননগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে হাফিজুর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রথমে যশোর সদর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই হাফিজুর রহমানের মৃত্যু হয়।
জীবননগর পৌর জামায়াতের পৌর যুব বিভাগের সভাপতি ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আমির আরিফুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে বিএনপি ও তাদের সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা জামায়াত নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে চারজনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়। এর মধ্যে আমির মফিজুর রহমানের ভাই হাফিজুর রহমান ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এছাড়া মফিজুর রহমানের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি।
৫ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতার ভাই নিহত
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষে জামায়াতের এক ইউনিয়ন আমিরের বড় ভাই নিহত হয়েছেন। এছাড়া জামায়াতের ইউনিয়ন আমির ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) হাসাদাহ বাজারের কামিল মাদরাসা ফটকের সামনে ইফতারের পর সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে দুদফায় এ সংঘর্ষ ঘটে।
নিহত হাফিজুর রহমান (৫৫) জীবননগর শহরের ‘ঢাকা জুয়েলার্স’-এর মালিক ও একজন স্বনামধন্য জুয়েলারি ব্যবসায়ী ছিলেন। গতকাল (শনিবার) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঢাকার কাকরাইলে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন উপজেলার বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও নিহতের ছোট ভাই মফিজুর রহমান। রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জামায়াতের পক্ষের অন্য আহতরা হলেন— সুটিয়া গ্রামের মফিজুর রহমান (৪০), খায়রুল ইসলাম (৫০) ও সোহাগ (৩৫)। তাদের মধ্যে দুজন জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আমির ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে, সংঘর্ষে বিএনপির তিনজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন— বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাস্টার (৫০), সদ্য বহিষ্কৃত হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান (৪০) এবং তার বাবা জসীম উদ্দিন (৬৫)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে গতকাল ইফতারের পর হাসাদাহ বাজারে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় হাসাদাহ ইউনিয়ন জামায়াতের ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসরাফিল এবং পার্শ্ববর্তী বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের যুব বিভাগের নেতা সুটিয়া গ্রামের সোহাগের সঙ্গে মেহেদী ও তার বাবা জসীম উদ্দিনের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।
তারা আরও জানান, প্রথমে ইসরাফিল ও সোহাগ মারধর করেন মেহেদী ও তার বাবাকে। পরে মেহেদীর স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে তাদের ধাওয়া দিলে তারা সেখান থেকে সরে যান। প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট পর জামায়াতের নেতা-কর্মীরা বাজারে জড়ো হলে আবারও সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা মফিজুর রহমানের ওপর হামলা চালালে তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান হাফিজুর রহমান। তখন হামলাকারীরা হাফিজুর রহমানকে মারধর করেন। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা হাফিজুর রহমান ও মফিজুর রহমানকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন।
পুলিশ জানায়, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাফিজুর রহমান ও মফিজুর রহমানকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করার পরামর্শ দেন। হাফিজুর রহমানের অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার কাকরাইল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মফিজুর রহমানের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে ঢাকার আরেকটি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
এদিকে, সন্ধ্যায় হাসাদাহ বাজারে বিএনপির দুজন আহত হওয়ার পর রাত ১২টার দিকে বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জীবননগর থানায় জামায়াত নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে গেলে পুলিশের সামনেই তার ওপর হামলা হয়। এ সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান হোসেন ফোর্স নিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘বিএনপির লোকজন আমাদের নিরীহ নেতা-কর্মীদের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
ওসি সোলাইমান হোসেন বলেন, হাসাদাহে দুপক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর বিষয়টি জেনেছি। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
৫ দিন আগে
মোবাইল চুরি নিয়ে সিলেটে দুপক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত
সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলায় মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বোয়ালজুড় বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইসমাইল আলী (২২) উপজেলার বালাগঞ্জ ইউনিয়নের কাজীপুর গ্রামের কাপ্তান মিয়ার ছেলে ছিলেন।
স্থানীয়রা বলেন, মোবাইল ফোন হারানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসমাইলের বড় ভাই মামুনের সঙ্গে ছাত্রদলকর্মী হাসানের বিরোধ হয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে ইসমাইল গুরুতর আহত হন। পরে তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
বালাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূঁইয়া জানান, মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬
কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় সামাজিক বিরোধের জেরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। এ সময় অন্তত ২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার বড়িয়া-ভাদালিয়াপাড়া এলাকায় এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে রাত ১০টার দিকে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় সেখান থেকে কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বেশ কিছুদিন ধরে বটতৈল ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আব্দুল হান্নানের গ্রুপের সঙ্গে একই ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার (ইউপি সদস্য) সাইফুলের লোকজনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে গতকাল (শনিবার) রাতে ভাদাদিয়াপাড়া এলাকায় দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে এতে উভয় গ্রুপের অন্তত ছয়জন আহত হন। এ সময় ২০টির অধিক বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, বটতৈল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বরিয়ার হান্নান মেম্বার ও ভাদালিয়া পাড়ার সাইফুল মেম্বারের মধ্যে সামাজিক দ্বন্দ্ব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। এর জেরে এ সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
৫ দিন আগে
নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চাচা-ভাতিজাকে কুপিয়ে জখম
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চাচা মেছের মোল্যা ও ভাইপো ইয়ামিন মোল্যা নামে দুজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ আলাউদ্দিন মোল্যার অনুসারীদের বিরুদ্ধে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে কলাগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) অজিত কুমার রায়।
আহত মেছের মোল্যা (৩৫) উপজেলার নওয়াগ্রাম ইউনিয়নের কলাগাছি গ্রামের আহম্মেদ মোল্যার ছেলে এবং ইয়ামিন মোল্যা (১৬) কাদের মোল্যার ছেলে। তারা নড়াইল জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মেছের মোল্যা বলেন, ‘রাত ১১টার দিকে কলাগাছি বাজার থেকে আমি আর আমার ভাইপো ইয়ামিন মোটরসাইকেলে বাড়ি যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে কলাগাছির আলাউদ্দিন মোল্যার ছেলে শাকিল মোল্যা (২২), সালাম মোল্যার ছেলে ইনামুল মোল্যা (৩৮), জিল্লু মোল্যার ছেলে তুহিন মোল্যা (৩২) ও হাসিফ মোল্যা (২৭), আব্দুল্লাহ মোল্যার ছেলে আরমান মোল্যা (১৯), আতিয়ার মোল্যার ছেলে রমিন মোল্যা (৩৬), মৃত ইসরাফিল শেখের ছেলে কোবাদ শেখসহ (৩৫) আরও ৩/৪ জন আমাকে ও আমার ভাইপোকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেছে। আমি ওদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
ইয়ামিনের বাবা কাদের মোল্যা বলেন, আলাউদ্দিন মোল্যার নেতৃত্বে সপ্তাহখানেক আগে ওরা আমাদের ৪/৫ বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করেছে। পরে স্থানীয় মাতুব্বররা শালিস করে মিটিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু কালকে রাতে আবার আমার ছেলে ও ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়েছে ও কুপিয়েছে। আমি এ ঘটনায় মামলা করব। এর যথাযথ বিচার চাই।
মেছের মোল্যার ভাই উদার মোল্যা বলেন, ‘আমার ভাই বাজারে ব্যবসা করে। কাল রাতে বাড়ি আসার সময় আমার ভাই-ভাইপোকে মারপিট করেছে। আমার ভাইয়ের কাছে থাকা কিছু টাকা পয়সা নিয়ে গেছে। তার মোটরসাইকেলটি ভেঙে তছনছ করে ফেলছে।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলাউদ্দিন মোল্যার মুঠোফোনে ফোন দিলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি ফোন কেটে দেন।
ওসি (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি, পেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
৫ দিন আগে
নরসিংদীতে কিশোরীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ-হত্যা: ৭ আসামি রিমান্ডে
নরসিংদীতে কিশোরীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ নূরাসহ গ্রেপ্তার ৭ আসামির ৮দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রবিবার (১ মার্চ) জুডিশিয়াল দ্বিতীয় আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান এই আদেশ দেন।
এর আগে, গত শুক্র ও শনিবার দুদিনে ৭ আসামির ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওমর কাইয়ুম। এরপর আজ (রবিবার) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নরসিংদী জজ কোর্টের দ্বিতীয় জুডিশিয়াল আদালতে তোলা হয় ওই ৭ আসামিকে।
এদিন বাদীপক্ষ স্বপ্রণোদিত হয়ে আইনজীবী আদালতে দাঁড়ালেও আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী আদালতে দাঁড়াননি।
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় গাজীপুরের মাওনা চৌরাস্তা থেকে শুক্রবার দিবাগত রাতে নূরা এবং একই সময়ে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে হযরত আলীকে গ্রেপ্তার করে নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এর মাধ্যমে নিয়ে কিশোরীর মা ফাহিমা বেগমের করা মামলায় ৯ জন আসামির মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
তার আগে, গত বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কিশোরী আমিনার বাবার কাছ থেকে নূরার নেতৃত্বে একটি চক্র তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দি এলাকার একটি সরিষাখেত থেকে গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলার এজহারের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্ষণের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ৪ জন এবং বিচারকাজে সহায়তাকারী সাবেক মেম্বারসহ ৩ জন নিয়ে মোট ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। বাকী দুই পলাতক আসামিকেও দ্রুতই আইনের আওতায় আনা হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
৫ দিন আগে