সারাদেশ
সুনামগঞ্জে আগাম বন্যার আশঙ্কা, দ্রুত ধান কাটার আহ্বান পাউবোর
উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় সুনামগঞ্জের সুরমা, কুশিয়ারা, বাউলাই নদীসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে আগাম বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এমন পরিস্থিতিতে জমির ৮০ শতাংশ ধান পেকে গেলে দ্রুত তা কাটার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান পানি উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার।
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, বিশেষ করে সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত সুরমা, কুশিয়ারা ও বাউলাইসহ অন্যান্য নদীর উজান অববাহিকায় বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী কয়েকদিন নদ-নদীর পানি সমতলে দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, এমনকি যেকোনো সময় আগাম বন্যা পরিস্থিতি উদ্ভব হতে পারে। এছাড়া হাওরের অভ্যন্তরে বৃষ্টিপাতের ফলে অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে।
সম্ভাব্য পরিস্থিতিতে হাওরের বোরো ফসলের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে কৃষকগণকে যেসব জমির ৮০ শতাংশ ধান পেকে গেছে, সেসব জমির ধান দ্রুত কাটার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী।
৪৩ দিন আগে
নাটোরে ‘স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে’ গ্রাম পুলিশের আত্মহত্যা
নাটোরের লালপুরে আত্মহত্যা করেছেন আল আমিন বিশ্বাস নামের এক গ্রাম পুলিশ সদস্য। তার পরিবারের সদস্যদের দাবি, স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দেন তিনি।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মধ্যরাতে স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখেই নিজ ঘরে স্ত্রীর রেখে যাওয়া ওড়নায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।
নিহতের পরিবারের দাবি, আল আমিনের সঙ্গে তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসের মনোমালিন্য চলছিল। এর জের ধরে তার স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে যান। এরপর গতরাতে স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখেই নিজ ঘরে স্ত্রীর রেখে যাওয়া ওড়নায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন আল আমিন।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে খবর পেয়ে লালপুর থানা পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্তের জন্য আল আমিনের মরদেহ নাটোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ভিডিও কলের তথ্য এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
৪৩ দিন আগে
আমদানির বর্ধিত সময়ে বেনাপোল দিয়ে এসেছে ১২৫৯ টন চাল
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সরকারঘোষিত বর্ধিত মেয়াদের ৪০ দিনের মধ্যে তিন কার্যদিবসে ৬টি চালানে মোট ১ হাজার ২৫৯ টন মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। সরকারঘোষিত বর্ধিত সময় শেষ হওয়ার পর আমদানি করা এসব চালের চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইর্য়াডে প্রবেশ করে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন।
গত ১১ মার্চ থেকে সোমবার (২০ এপ্রিল) পর্যন্ত ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র ৩ কার্য দিবসে এ চাল ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে।
এসব চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজ ও লাইবা ওভারসিস। আমদানি করা চাল বন্দর থেকে ছাড়করণের জন্য কাজ করেছে মেসার্স রাতুল ইন্টারন্যাশনাল।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, চাল আমদানির পরিমাণ অনেক কমে যাওয়ায় এবং দেশের বাজারে চালের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সরকার পুনরায় চাল আমদানির সময় বাড়ায়। গত ১১ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৪০ দিন এই মেয়াদ বাড়ানো হয়।
এর মধ্যে মাত্র ৩ দিনে ৬টি চালানের মাধ্যমে ১ হাজার ২৫৯ টন চাল আমদানি হয়েছে। এর আগে, চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ এই তিন মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ৫ হাজার ৫ টন।
ওই সময়ে গত ১৮ জানুয়ারি ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার, যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ১০ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে চাল আমদানি ফলপ্রসূ না হওয়ায় পুনরায় ১১ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল ৪০ দিন সময় বৃদ্ধি করে। এবারও চাল আমদানিতে বিপর্যয় দেখা দেয়। তবে সোমবার সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে নতুন সময় বৃদ্ধির আর কোনো পরিপত্র জারি করা হয়নি।
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান লিটন এন্টারপ্রাইজের মালিক লিটন হোসেন বলেন, বর্ধিত ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র তিন দিনে ভারত থেকে ৩৪ ট্রাকে ১ হাজার ২৫৯ টন মোটা চাল আমদানি করেছি। আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আনতে খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি হবে বলে জানান তিনি।
বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন জানান, আমদানিকৃত চালের চালানগুলো বন্দর থেকে ইতোমধ্যে খালাস নেওয়া হয়েছে।
৪৩ দিন আগে
শেরপুর সেতু দিয়ে ৩ দিন বন্ধ থাকবে যান চলাচল
জরুরি মেরামত কাজের জন্য আগামী শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) থেকে টানা তিন দিনের জন্য ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শেরপুর সেতু দিয়ে যান চলাচল সাময়িক বন্ধ থাকবে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, ঢাকা-সিলেট জাতীয় মহাসড়কের (এন-২) ১৮৬তম কিলোমিটারে কুশিয়ারা নদীর ওপর অবস্থিত শেরপুর সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত ডেকস্ল্যাব মেরামতের কাজ আগামী ২৪ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ২৬ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত চলমান থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ এপ্রিল (শুক্রবার) সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এক লেনে যান চলাচল করবে। তবে ওই দিন রাত ১১টা থেকে ২৫ এপ্রিল (শনিবার) সকাল ৯টা পর্যন্ত সেতুর ওপর দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এছাড়া ২৫ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে ২৬ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত সেতুর এক লেনে সীমিতভাবে যান চলাচল করবে। মেরামত কাজ শেষে ২৬ এপ্রিল (রবিবার) সকাল ৮টার পর সেতুটি পুনরায় যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
এদিকে, সেতু দিয়ে যান চলাচল বন্ধ থাকাকালীন বিকল্প পথ ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। মহাসড়কে চলাচলকারী শায়েস্তাগঞ্জ–শেরপুর–সিলেট রুটের যানবাহনের জন্য শায়েস্তাগঞ্জ–মিরপুর (বাহুবল)–শ্রীমঙ্গল–মৌলভীবাজার–ফেঞ্চুগঞ্জ–সিলেট সড়ক ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়াও শেরপুর (মৌলভীবাজার)–সিলেট রুটের যানবাহনের জন্য মৌলভীবাজার–ফেঞ্চুগঞ্জ–সিলেট সড়ক এবং ঢাকা–সিলেট–সুনামগঞ্জ রুটের যানবাহনের জন্য নবীগঞ্জের সৈয়দপুর বাজার–রানীগঞ্জ–জগন্নাথপুর–সুনামগঞ্জ সড়ক ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
৪৩ দিন আগে
পানি স্বল্পতায় বন্ধ কাপ্তাই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ৪টি ইউনিট
রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে (কপাবিকে) পানি স্বল্পতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে শুধু ১টি ইউনিট হতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। আর ওই একটি ইউনিট হতে মাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এই কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট হতে সর্বোচ্চ ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।
বুধবার (২২ এপ্রিল) কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, শুষ্ক মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর দিন দিন কমতে থাকে। আর পানির ওপর নির্ভরশীল এই কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে আজ (বুধবার) সকাল ৯টা পর্যন্ত শুধু ২ নম্বর ইউনিট হতে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। বর্তমানে রুল কার্ভ অনুযায়ী, কাপ্তাই লেকে ৮৩ দশমিক ৮০ ফুট মিন সি লেভেল (এমএসএল) পানি থাকার কথা থাকলেও আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদের পানি ছিল ৭৭ দশমিক ৪৭ ফুট মিন সি লেভেল।
কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্বরত প্রকৌশলী জানান, বিগত সপ্তাহগুলোতে কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে ২টি ইউনিট চালু রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর দ্রুত কমতে থাকায় ৫টি ইউনিটের মধ্যে শুধু ১টি করে ইউনিট চালু রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। যতদিন পর্যন্ত বৃষ্টি হবে না, ততদিন পর্যন্ত এই সমস্যার সমাধান হবে না বলে জানান তিনি।
৪৩ দিন আগে
জামিনে মুক্তি পেলেন যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী
জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালীন বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম।
বুধবার (২২ এপ্রিল) গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মোছা. কাওয়ালিন নাহার জানান, আজ দুপুর ১২টার দিকে তিনি কারাগার থেকে বের হন।
এর আগে, গতকাল (মঙ্গলবার) আসামিপক্ষের করা একটি রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান তার জামিন মঞ্জুর করেন। আদালত ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় পুলিশ প্রতিবেদন জমা না দেওয়া পর্যন্ত তার জামিন বহাল রাখার আদেশ দেন।
শিল্পী বেগম তার দেড় মাস বয়সী শিশু সন্তানসহ মুক্তি পেয়েছেন। সকাল থেকেই কারাফটকের সামনে তার পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীরা তাকে গ্রহণ করার জন্য ভিড় করেন।
তেজগাঁও থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলায় শিল্পীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ঢাকা উত্তর যুব মহিলা লীগের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের এই কর্মীকে গত সোমবার সন্ধ্যায় তেজকুনিপাড়া রেলওয়ে কলোনি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে তার স্বামী, বোন ও খালাসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা আদালতকে জানান, গত ৪ মার্চ অস্ত্রোপচারের (সিজারিয়ান) মাধ্যমে শিল্পী এই সন্তানের জন্ম দেন এবং তিনি এখনও শারীরিকভাবে অত্যন্ত অসুস্থ। সম্প্রতি পড়ে গিয়ে তার বাম হাত ভেঙে যাওয়ায় তিনি সন্তানকে ঠিকমতো বুকের দুধ খাওয়াতে বা কোলে নিতেও পারছিলেন না।
পরিবারের পক্ষ থেকে শিশুটিকে নিজেদের কাছে রাখার আবেদন জানানো হলেও মা ও শিশুকে আলাদা করার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। ফলে মা ও শিশুকে একত্রে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চানখাঁরপুল এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাহমিদ মুবিন রাতুল গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সহপাঠীদেরসহ হামলার শিকার হন। এর জেরে ২৩ জুলাই তেজগাঁওয়ে তার বাসভবনে ১২০ থেকে ১৩০ জনের একটি দল হামলা চালিয়ে ৫ লাখ টাকার সম্পদ ভাঙচুর এবং ৩ লাখ টাকার মালামাল লুট করে বলে অভিযোগ করা হয়।
চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি রাতুলের মা শাহনূর খানম সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শিল্পী বেগমসহ ১০৩ জনকে আসামি করে তেজগাঁও থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন।
৪৩ দিন আগে
যশোরে বস্তাবন্দি অবস্থায় বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার
যশোর জেলার কোতোয়ালি থানার বেজপাড়া এলাকায় এক বৃদ্ধার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম সকিনা বেগম (৬০)।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার বাসার সামনের একটি বস্তা থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত সকিনা লাল চাঁদ খলিফার স্ত্রী এবং বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার বাসিন্দা।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকিনা বেগমের ছেলে শহিদুল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে দোকানে যাওয়ার আগে তার স্ত্রী মরিয়মের কাছে মায়ের খোঁজ করলে তিনি বাইরে তালিমে গেছেন বলে জানান তার স্ত্রী। রাত ১০টার দিকে বাসায় ফিরে শহিদুল তার মাকে না পেয়ে পুনরায় খোঁজ নেন। তখনও তার স্ত্রী জানান, সকিনা বেগম বাসায় ফেরেননি।
বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি থানায় গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে আনুমানিক রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসার সামনের একটি বস্তার মধ্যে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন শহিদুল। পরবর্তীতে তিনি ও তার বোন শাহিদা বেগম মরদেহটি তাদের মায়ের বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
৪৩ দিন আগে
হবিগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ৯ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৯টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে বিথঙ্গল আখড়া বাজারের সঞ্জিত রায়ের মালিকানাধীন একটি রেস্টুরেন্টে এ আগুনের সূত্রপাত হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ রেস্টুরেন্টটিতে আগুন জ্বলে ওঠে। এ সময় মসজিদের মাইকে আগুন লাগার ঘোষণা দিলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। একপর্যায়ে রেস্টুরেন্টে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে আগুন দ্রুত পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ৩টি মুদি দোকান, একটি ইলেকট্রনিক্স দোকানসহ মোট ৯টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। আগুনের তীব্রতায় কোনো মালামাল সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে বাজারের ৯টি দোকান পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, এ অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি জানান, মসজিদের মাইকে ঘোষণা শুনে বাজারে গিয়ে তারা দেখেন দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তা আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
বানিয়াচং ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার রিয়াজ উদ্দিন জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর রাতে পেলেও সড়ক ভালো না থাকার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারিনি। আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে।
৪৩ দিন আগে
দ্বিতীয় দিনের মতো বন্ধ নাটোর-রাজশাহী রুটে বাস চলাচল
অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে নাটোর-রাজশাহী রুটে দ্বিতীয় দিনের মতো বন্ধ রয়েছে সব ধরনের বাস চলাচল। এর ফলে আন্তঃজেলা বাসের পাশাপাশি বন্ধ হয়ে গেছে রাজশাহীর সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরাসরি বাস চলাচল।
বুধবার (২২ এপ্রিল) নাটোর থেকে স্থানীয় বাস মালিকদের কিছু বাস ঢাকা অভিমুখে ছেড়ে গেলেও উন্নত পরিষেবার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এর আগে, গতকাল (মঙ্গলবার) চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নাটোর হয়ে রংপুর রুটে অতিরিক্ত বাস সংযোজনকে কেন্দ্র করে নাটোর ও রাজশাহী বাস মালিকদের বিরোধে বন্ধ হয়ে যায় নাটোর-রাজশাহী রুটের বাস চলাচল।
নাটোর জেলা বাস মালিক সমিতি জানায়, আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির নিয়ম উপেক্ষা করে রাজশাহী থেকে নাটোর হয়ে রংপুর রুটে হঠাৎ করে অতিরিক্ত বাস সংযোজন করে রাজশাহী বাস মালিক সমিতি। এতে নাটোর বাস মালিক সমিতি আপত্তি জানালে গতকাল (মঙ্গলবার) দুপুর থেকে নাটোর-রাজশাহী রুটে উভয় জেলার মালিকদের বাস চলাচল বন্ধ করা হয়েছে।
নাটোর বাস মালিক সমিতির সভাপতি লক্ষণ পোদ্দার জানান, আজ (বুধবার) রাজশাহীতে উভয় মালিক সমিতির মধ্যে এ বিষয়ে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।
৪৩ দিন আগে
অতিরিক্ত বাস সংযোজনকে কেন্দ্র করে নাটোর-রাজশাহী রুটে বাস চলাচল বন্ধ
অতিরিক্ত বাস সংযোজনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে নাটোর-রাজশাহী রুটে উভয় জেলার বাস মালিকদের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর থেকে এ রুটে নাটোর ও রাজশাহী জেলার মালিকদের বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
অন্য জেলার মালিকদের বাস এ রুটে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করলেও সিংহভাগ বাস বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন চলাচলকারী যাত্রীরা।
নাটোর জেলা বাস মালিক সমিতি জানিয়েছে, আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির নিয়ম উপেক্ষা করে রাজশাহী থেকে নাটোর হয়ে রংপুর রুটে হঠাৎ করে অতিরিক্ত বাস সংযোজন করে রাজশাহী বাস মালিক সমিতি। এতে নাটোর বাস মালিক সমিতি আপত্তি জানালে আজ (মঙ্গলবার) দুপুর থেকে নাটোর-রাজশাহী রুটে উভয় জেলার মালিকদের বাস চলাচল বন্ধ করা হয়েছে।
বিষয়টি সমাধানে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন নাটোর বাস মালিক সমিতির সভাপতি লক্ষণ পোদ্দার।
৪৪ দিন আগে