সারাদেশ
লক্ষ্মীপুরে বাস দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৫
লক্ষ্মীপুরে ‘আনন্দ পরিবহন’ নামের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ার ঘটনায় আরও তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে এই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে মোট পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে।
এ ছাড়া এই ঘটনায় আরও অন্তত ২০ জনকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে আশঙ্কার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ কফিলউদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আজ (শনিবার) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিকভাবে দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও তাদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরে মোট পাঁচজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন— সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জের শেখপুর এলাকার মোরশেদ আলম (৫০), জয়নাল আবেদিন (৫৪) ও নওগাঁর আফসার উদ্দিনের ছেলে হুমায়ুন রশিদ (৪০), রিপন হোসেন (৩৫) এবং মাজেদ হোসেন (৩৮)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে নোয়াখালী চৌমুহনী থেকে ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী নিয়ে লক্ষ্মীপুরের দিকে যাচ্ছিল বাসটি। সকাল সাড় ৮টায় চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনের সড়কে এসে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। পরে চন্দ্রগঞ্জ থানাপুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। এরপর বাসের ভেতর থেকে মোরশেদ আলম, জয়নাল আবেদিন ও হুমায়ুন রশিদ নামের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর রিপন ও মাজেদ নামের দুজন প্রাণ হারান।
এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাসটি উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে লক্ষ্মীপুরে নিহত ২, আহত ১৫
বিষয়টি নিশ্চিত করে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজুল আজীম নোমান বলেন, ‘বেপোরায়া গতির কারণে এই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। গাড়িটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তবে হতাহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
ঘটনার পর প্রায় ১ ঘণ্টা লক্ষ্মীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
১৮১ দিন আগে
বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে লক্ষ্মীপুরে নিহত ২, আহত ১৫
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস খালে পড়ে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আজ শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ (শনিবার) সকাল ৮টার দিকে কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আনন্দ পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে পাশের রহমতখালী খালে পড়ে যায়।
তারা জানান, এখন পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলছে। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে অচেতন অবস্থায় তিনজন এবং জীবিত ১৪ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ জনের মৃত্যু হয়। আরেকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কারও নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: হানিফ ফ্লাইওভারে বাসের নিচে সিএনজি, নিহত ২
ঘটনার পর প্রায় ১ ঘণ্টা লক্ষ্মীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবারক হোসেন বলেন, ‘উদ্ধার করা যাত্রীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত দুইজন মারা গেছেন। বাকি আরও একজনের আবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা পুলিশ-ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আমরা সবাইকে উদ্ধার করেছি।’
১৮১ দিন আগে
রৌমারীতে অটোভ্যানের চাকার নিচে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে অটোভ্যানের চাকার নিচে পড়ে মো. রায়হান ওরফে রাহাব (৪) নামের এক শিশু নিহত হয়েছে।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার কাশিয়াবাড়ি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রাহাব রৌমারী উপজেলার কাশিয়াবাড়ি গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রাহাব বাড়ির উঠানে খেলছিল। একপর্যায়ে সে রাস্তার দিকে চলে গেলে চলন্ত একটি অটোভ্যানের চাকায় পিষ্ট হয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়।
আরও পড়ুন: হানিফ ফ্লাইওভারে বাসের নিচে সিএনজি, নিহত ২
স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম মলিক ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে একটি অপমৃত্যু মামলা (ইউডি) করা হয়েছে।
১৮১ দিন আগে
হানিফ ফ্লাইওভারে বাসের নিচে সিএনজি, নিহত ২
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন হানিফ ফ্লাইওভারের পাশে বাসের চাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও একজন।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— সিএনজিচালক শহিদুল (৫০) এবং দোকানকর্মী ইমরান (৪৮)।
আহত রফিক (৫০) বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের গুলিস্তান হেডকোয়ার্টারের কর্মকর্তা পবিত্র জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত ও নিহতদের উদ্ধার করে। এরপর রাত ৯টার দিকে তাদের ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে আহত রফিক ঢামেকের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এবং নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: উত্তরায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলচালক নিহত
তিনি জানান, হানিফ ফ্লাইওভারের পাশে দ্রুতগামী একটি বাস বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজিকে ধাক্কা দিলে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই শহিদুল ও ইমরান মারা যান।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, ‘মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানিয়েছি।’
১৮১ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে অতিরিক্ত মদ্যপানে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩
মুন্সীগঞ্জে অতিরিক্ত মদ্যপানের তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আরও তিনজন অসুস্থ অবস্থায় মুন্সীগঞ্জ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে গতকাল (শুক্রবার) বিকেল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন— টঙ্গীবাড়ি উপজেলার কাঁঠাদিয়া-শিমুলিয়া ইউনিয়নের কাঁঠাদিয়া গ্রামের বাচ্চু বেপারী (৬০), একই গ্রামের ইব্রাহিম মুন্সী (৬০) এবং সদর উপজেলার মহাকালী ইউনিয়নের ঘাসিপুকুরপাড় এলাকার হোসেন ডাক্তার (৬৫)।
এদের মধ্যে বাচ্চু বেপারী বৃহস্পতিবার রাতে এবং অন্য দুজন শুক্রবার মারা যান। অপরদিকে অতিরিক্ত মদ্যপানে অসুস্থ রহমতউল্লাহ বেপারীকে (৬০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর অসুস্থ আলামিন (৪৬) ও সিজানকে (২৮) স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে মদ্যপানে ৩ জনের মৃত্যুর অভিযোগ
স্থানীয়রা জানান, হতাহতরা দীর্ঘদিন ধরে মদ্যপানে অভ্যস্ত ছিলেন।
কাঁঠাদিয়া-শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের দাফন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকায় মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি, খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করছি।’
১৮১ দিন আগে
লগ্নভ্রষ্ট হওয়ার ভয়ে হাসপাতালের বেডেই বিয়ে!
মানিকগঞ্জে হাসপাতালের বেডে এক ব্যতিক্রমী বিয়ে হয়েছে। বর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালের বেডে চিকিৎসাধীন। এদিকে লগ্ন শেষ হয়ে যাচ্ছে। উপায়ান্তর না পেয়ে হাসপাতালের বেডেই আয়োজন করা হয় বিয়ের।
ফলে বর অভিজিৎ সাহা ও কনে অমৃতা সরকারের পরস্পরের প্রতি অটল বিশ্বাস ও ভালোবাসার সাক্ষী হলো হাসপাতালের চার দেওয়াল।
চমকপ্রদ ও বিরল এই বিয়ে হয় মানিকগঞ্জ শহরের আফরোজা বেগম জেনারেল হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে হাসপাতালের অস্থায়ীভাবে খালি রাখা একটি অংশে এই বিশেষ বিয়ের আয়োজন করা হয়।
জানা গেছে, মানিকগঞ্জ শহরের চাঁন মিয়া লেনের বাসিন্দা অরবিন্দ সাহার বড় ছেলে অভিজিৎ সাহার বিয়ের তারিখ আগে থেকেই ঠিক ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনটির আগেই ঘটে যায় অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা। ঢাকা থেকে ফেরার পথে ধামরাইয়ে দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হন বর। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অসুবিধা সত্ত্বেও দুই পরিবারের সম্মতি ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে বিশেষ কক্ষে সম্পন্ন হয় এ ব্যতিক্রমী বিয়ের আয়োজন।
বরের বাবা অরবিন্দ সাহা জানান, আমরা ভাবতেই পারিনি হাসপাতালে এমন আনন্দ হবে। যেহেতু আগে থেকেই বিয়ের দিনক্ষণ ঠিকঠাক ছিল, এ জন্য তারিখ পরিবর্তন না করে নির্ধারিত তারিখেই বিয়ের পাক্কা আয়োজন সেরে নিলাম।
তবে হিন্দু বাঙালি বিয়ের অনুষ্ঠানে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আচার হল সাত পাকে বাঁধা। বিয়ের দিন ছাদনাতলায় বর এলে কনেকে পিঁড়িতে বসিয়ে নিয়ে আসা হয়। কনের মুখ পান পাতা দিয়ে ঢাকা থাকে। বরের চারপাশে কনেকে ঘোরানো হয় সাতবার। এ ক্ষেত্রে অভিজিৎ সাহা পিঁড়িতে নয়, হাসপাতাল বেডে শুয়েই সাতপাঁক উপভোগ করলেন।
১৮২ দিন আগে
ঝিনাইদহে নিজের বন্দুকের গুলিতে ব্যবসায়ীর ‘আত্মহত্যা’
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে নিজের লাইসেন্স করা বন্দুক দিয়ে নজরুল ইসলাম নজু (৭২) নামের এক কাপড় ব্যবসায়ী আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার সলেমনাপুর গ্রামের উত্তরপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নজরুল ইসলাম নজু ওই এলাকার মৃত আব্দুর রহিম বিশ্বাসের ছেলে। তিনি উপজেলা শহরে দীর্ঘদিন গার্মেন্টেসের ব্যবসা করে আসছিলেন।
আরও পড়ুন: আত্মহত্যা-চেষ্টার এক মাস পর চলে গেলেন সেই নারী ফুটবলার
স্থানীয়রা জানান, সলেমানপুর উত্তরপাড়ায় দোতলা বাড়িতে স্ত্রী, ছেলে ও পুত্রবধূ নিয়ে বসবাস করতেন নজু। রাত ১টার দিকে দোতলা থেকে নিচের একটি কক্ষে চলে আসেন তিনি। আসার সময় দোতলার প্রধান গেটে ছিটকিনি লাগিয়ে আসেন। এরপর ভোরে নিজের লাইসেন্স করা বন্দুক দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশে খবর দিলে সকালে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতব্বর বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে তার পারিবারিক ঝামেলা চলছিল। এ ছাড়া ব্যাংকের ঋণও ছিল তার। আমরা বিষয়টি প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছি। তারপরও লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছি।’
১৮২ দিন আগে
সিলেটে ‘ডেভিল হান্টে’ সাত মাসে গ্রেপ্তার ৭১০
সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকায় শুরু হওয়া ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এর আওতায় এখন পর্যন্ত মোট ৭১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাজনৈতিক সহিংসতা, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে শুরু হয় অপারেশন ডেভিল হান্ট।
সিলেট মহানগর পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রায় সাত মাসে বিভিন্ন স্থান থেকে মোট ৭১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অভিযোগে ৩৪১ জন এবং ৩৬৯ জনকে অন্যান্য অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: অপারেশন ডেভিল হান্ট: খুলনায় আটক ১৮
তিনি জানান, গ্রেপ্তার হওয়া অনেকে আগেই বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি ছিলেন। আবার কেউ কেউ সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতা, আগুন-সন্ত্রাস বা জ্বালাও-পোড়াও কর্মকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিলেন।
সাইফুল ইসলাম বলেন, সন্ত্রাস দমনের পাশাপাশি সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্যও এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অপরাধে যুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
অভিযান অব্যাহত রয়েছে, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
১৮২ দিন আগে
মহেশপুরে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণ, ধর্ষক আটক
ঝিনাইদহের মহেশপুরে চার বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষক রাকিবকে (১৫) ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার আদমপুর আবাসন প্রকল্পে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে খেলা করছিল ওই শিশুটি। এ সময় একই এলাকার রাকিব তাকে চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাখেতে নিয়ে যায়। পরে সেখানে সে শিশুটিকে ধর্ষণ করে।
আরও পড়ুন: রাজধানীর বনানীতে পথশিশু ধর্ষণের শিকার
এরপর শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে আসলে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি জানতে পারেন। সে সময় শিশুটির পরনের পোশাক রক্তে ভিজে ছিল। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর স্থানীয়রা রাকিবকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
মহেশপুর কোটচাঁদপুর থানার সার্কেল মুন্না বিশ্বাস জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। শিশুটির মেডিকেল পরীক্ষা শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৮২ দিন আগে
সোনারগাঁওয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সোনারগাঁও উপজেলার বৈদ্দেরবাজার খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সোনারগাঁ থানার পার্শ্ববর্তী কুমিল্লা জেলার মেঘনা থানার নলচর গ্রামের একটি হত্যা চেষ্টা মামলার আসামি মহসিন এবং যুবলীগ নেতা টিটু। তাদের গ্রেপ্তার করতে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম, এসআই জিয়াউর রহমান ও দুই পুলিশ সদস্য সোনারগাঁও থানাকে অবহিত করে বৈদ্দেরবাজার এলাকায় অভিযান চালায়।
মহসিনকে গ্রেপ্তার করায় আসামিদের পক্ষে স্থানীয় সাতভাইয়াপাড়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেন, উজ্জল, ইকবাল, বাবুল লিটন দাসসহ প্রায় ৩০/৪০ জন লোক একত্রিত হয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে হাতকড়াসহ তাকে ছিনিয়ে নেন।
আরও পড়ুন: কাশিমপুর কারাগার থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৩ আসামির পালানোর চেষ্টা
এ সময় খাজা মিয়া নামের এক বিকাশ দোকানদারের দোকান ভাঙচুর করে অর্থ লুট করা হয়। পরবর্তীতে খবর পেয়ে সোনারগাঁও থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে। কিন্তু আসামির হাতে থাকা হাতকড়া উদ্ধার হলেও পরবর্তীতে আসামিকে গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয় পুলিশ।
থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেদুল হাসান খান বলেন, খবর পেয়ে আমাদের থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এ ঘটনায় মেঘনা থানা পুলিশ কোনো লিখিত অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুমিল্লা জেলার হোমনা-মেঘনা সার্কেলের সিনিয়র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল করিম জানান, আমি শুনেছি গ্রেপ্তার আসামি ওই মামলার ঘটনায় জড়িত নন দাবি করে গ্রামবাসী তাকে ছিনিয়ে নিয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।
১৮২ দিন আগে