সারাদেশ
চোর সন্দেহে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা: ৮ পুলিশ বরখাস্ত, তদন্তে কমিটি
রংপুরের তারাগঞ্জে চোর সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে সংঘবদ্ধ পিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই উপপরিদর্শকসহ (এসআই) মোট আট পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনার তদন্তে গঠিত হয়েছে কমিটি।
দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বুধবার (১৩ আগস্ট) রাতে রংপুর পুলিশ সুপারের নির্দেশে ওই আটজনকে বরখাস্ত করা হয়।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন— তারাগঞ্জ থানার এসআই আবু জোবায়ের, এসআই সফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল ফারিকুদ আখতার জামান, ধীরাজ কুমার রায়, হাসান আলী, ফিরোজ কবির, মোক্তার হোসেন ও বাবুল চন্দ্র রায়।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ওই আটজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ওই দিন ঘটনার সময়ে তারা তারাগঞ্জ থানায় মোবাইল টিমের দায়িত্বে ছিলেন।
সেই সঙ্গে ওই হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবু জোবায়েরকে তদন্ত কার্যক্রম থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে তারাগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলামকে।
এ বিষয়ে রংপুর পুলিশ সুপার আবু সাইম জানান, ঘটনার সময় তারাগঞ্জ থানা এবং পুলিশ লাইনসের দুটি দল সেখানে গিয়েছিল। কিন্তু উত্তেজিত জনতার সংখ্যা বেশি হওয়ায় তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাদের দায়িত্বে কোনো অবহেলা ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে ২ এসআই ও ৬ কনেস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত ও ক্লোজ করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ‘সি’ সার্কেল সহকারি পুলিশ সুপার আসিফা আফরোজ আদুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে। তাদের তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রংপুরে জামাই-শ্বশুর হত্যায় ৭০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, মহাসড়কে লাশ রেখে বিক্ষোভ
গত শনিবার (৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারাগঞ্জ-কাজীরহাট সড়কের বটতলা এলাকায় চোর সন্দেহে রূপলাল দাস ও প্রদীপ দাস নামের দুজনকে আটক করে পিটিয়ে হত্যা করে এলাকার উচ্ছৃঙ্খল জনতা।
স্থানীয়রা জানান, রূপলাল দাসের বড় মেয়ে নূপুর দাসের বিয়ের কথাবার্তা চলছিল মিঠাপুকুরের শ্যামপুর এলাকার লাল চাঁদ দাসের ছেলে ডিপজল দাসের সঙ্গে। গত রোববার তার বিয়ের দিন-তারিখ ঠিক করার কথা ছিল। এ জন্য মিঠাপুকুর থেকে নিজের ভ্যান চালিয়ে রূপলাল দাসের ভাগনি-জামাই প্রদীপ দাস শনিবার রূপলাল দাসের বাড়ির দিকে রওনা হন। কিন্তু তারাগঞ্জে এসে গ্রামের ভেতর দিয়ে রাস্তা না চেনায় প্রদীপ দাস সয়ার ইউনিয়নের কাজীরহাট এলাকায় পৌঁছে রূপলাল দাসকে ফোন করেন। সেখানে রূপলাল গিয়ে দুজনে রিকশাভ্যানে চড়ে ঘনিরামপুর গ্রামের দিকে রওনা দেন।
রাত ৯টার দিকে তারাগঞ্জ-কাজীরহাট সড়কের বটতলা এলাকায় পৌঁছালে ভ্যানচোর সন্দেহে তাদের এলাকার কয়েকজন আটক করেন। এরপর সেখানে লোকজড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে প্রদীপ দাসের ভ্যানে থাকা বস্তা থেকে চারটি প্লাস্টিকের ছোট বোতল বের করেন স্থানীয় লোকজন। এর একটি বোতল খুললে ভেতরে থাকা তরলের ঘ্রাণে অসুস্থ হয়ে পড়েন পাশারিপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন ও বুড়িরহাটের মেহেদী হাসান। এতে লোকজনের সন্দেহ বেড়ে যায়।
এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে শতশত মানুষ সেখানে উপস্থিত হন। এরপর সংঘবদ্ধ পিটুনিতে গুরুতর আহত হন তারা। পরে পুলিশ তাদের তারাগঞ্জ হাসপাতালে নেয়। সেখানে আহত কাকাশ্বশুর রুপলাল রবিদাসকে (৪০) মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরের দিন (১০ আগস্ট) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান প্রদীপ লাল (৪৫)।
আরও পড়ুন: পীরগঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকা ভেকু মেশিনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুইজন নিহত
এ ঘটনার প্রতিবাদে রোববার রাতে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। তারা জড়িতদের গ্রেপ্তার ও যথাযথ শাস্তি দাবি করেন।
এ ঘটনায় রুপলালের স্ত্রী মালতি রানী ওরফে ভারতী রানী অজ্ঞাত ৭০০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন।
২০৫ দিন আগে
চোর সন্দেহে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা: ৮ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
রংপুরের তারাগঞ্জে চোর সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে সংঘবদ্ধ পিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই উপপরিদর্শকসহ (এসআই) মোট আট পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বুধবার (১৩ আগস্ট) রাতে রংপুর পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাদের বরখাস্ত করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন— তারাগঞ্জ থানার এসআই আবু জোবায়ের, এসআই সফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল ফারিকুদ আখতার জামান, ধীরাজ কুমার রায়, হাসান আলী, ফিরোজ কবির, মোক্তার হোসেন ও বাবুল চন্দ্র রায়।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ওই আটজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ওই দিন ঘটনার সময়ে তারা তারাগঞ্জ থানায় মোবাইল টিমের দায়িত্বে ছিলেন।
সেই সঙ্গে ওই হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবু জোবায়েরকে তদন্ত কার্যক্রম থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে তারাগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলামকে।
আরও পড়ুন: রংপুরে জামাই-শ্বশুর হত্যায় ৭০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, মহাসড়কে লাশ রেখে বিক্ষোভ
গতকাল (বুধবার) রাত পৌনে ৮টার দিকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুরের পুলিশ সুপার আবু সাইম।
গত শনিবার (৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারাগঞ্জ-কাজীরহাট সড়কের বটতলা এলাকায় চোর সন্দেহে রূপলাল দাস ও প্রদীপ দাস নামের দুজনকে আটক করে পিটিয়ে হত্যা করে এলাকার উচ্ছৃঙ্খল জনতা।
স্থানীয়রা জানান, রূপলাল দাসের বড় মেয়ে নূপুর দাসের বিয়ের কথাবার্তা চলছিল মিঠাপুকুরের শ্যামপুর এলাকার লাল চাঁদ দাসের ছেলে ডিপজল দাসের সঙ্গে। গত রোববার তার বিয়ের দিন-তারিখ ঠিক করার কথা ছিল। এ জন্য মিঠাপুকুর থেকে নিজের ভ্যান চালিয়ে রূপলাল দাসের ভাগনি-জামাই প্রদীপ দাস শনিবার রূপলাল দাসের বাড়ির দিকে রওনা হন। কিন্তু তারাগঞ্জে এসে গ্রামের ভেতর দিয়ে রাস্তা না চেনায় প্রদীপ দাস সয়ার ইউনিয়নের কাজীরহাট এলাকায় পৌঁছে রূপলাল দাসকে ফোন করেন। সেখানে রূপলাল গিয়ে দুজনে রিকশাভ্যানে চড়ে ঘনিরামপুর গ্রামের দিকে রওনা দেন।
রাত ৯টার দিকে তারাগঞ্জ-কাজীরহাট সড়কের বটতলা এলাকায় পৌঁছালে ভ্যানচোর সন্দেহে তাদের এলাকার কয়েকজন আটক করেন। এরপর সেখানে লোকজড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে প্রদীপ দাসের ভ্যানে থাকা বস্তা থেকে চারটি প্লাস্টিকের ছোট বোতল বের করেন স্থানীয় লোকজন। এর একটি বোতল খুললে ভেতরে থাকা তরলের ঘ্রাণে অসুস্থ হয়ে পড়েন পাশারিপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন ও বুড়িরহাটের মেহেদী হাসান। এতে লোকজনের সন্দেহ বেড়ে যায়। পরে ভ্যান চুরি সন্দেহে তাদের সেখানেই পিটিয়ে হত্যা করে উচ্ছৃঙ্খল জনতা।
২০৫ দিন আগে
ভাঙা সেতুর ওপর কাঠের পাটাতনই ভরসা ৭ গ্রামের মানুষের
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নে একটি সেতু ভেঙেছে প্রায় দুই মাস আগে। কিন্তু এখনও তা মেরামত না করায় সেতুর ভাঙা অংশের ওপর কাঠের পাটাতন বিছিয়ে চলাচল করছে ৭ গ্রামের মানুষ। সেতুটির অবস্থা এতটাই খারাপ যে, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তবে স্থানীয়দের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
মোহনপুর-ছোটনা গ্রামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত দোয়াইর খালের ওপর ১৯৯২ সালে সেতুটি নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। মোহনপুর ইউনিয়নের এই সেতুটি সংযুক্ত করেছে কুরুইন, মোহনপুর, ছোটনা, দিঘীরপাড়, বিহারমন্ডল, নোয়াপাড়া ও বুড়িচংয়ের আবিদপুর গ্রামকে। তবে গত প্রায় দুই মাস ধরে সেতুটির বেহাল অবস্থা। নির্মাণের পর দীর্ঘ ৩৩ বছরে আর কোনো সংস্কার না করায় সেতুটির আস্তে আস্তে জীর্ণ দশা হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুর মাঝ বরাবর ভেঙে বেরিয়ে পড়েছে লোহার রড, হয়েছে বড় আকারের গর্ত। সেতুর নিচের অংশের পলেস্তরা খসে পড়ছে। ভারী কোনো যানবাহন উঠলেই সেতুটি কেঁপে ওঠে।
স্থানীয়রা জানান, চলাচল বন্ধ হয়ে যাতে খালের দুপাড়ের বাসিন্দাদের যোগাযোগ ও অন্যান্য কর্মকাণ্ড যাতে থেমে না যায়, তাই ভাঙা স্থানে কাঠের পাটাতন বিছিয়ে তাৎক্ষণিক সমাধান বের করেছিলেন তারা। কিন্তু জনগুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি মেরামতে কর্তৃপক্ষ গা করছে না বলে অভিযোগ তাদের।
আরও পড়ুন: কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই ভেঙে ফেলতে হলো সেতু
ছোটনা গ্রামের কলেজশিক্ষার্থী ইউসুফ ও মোহনপুর গ্রামের মাসুদ রানা বলেন, এ সেতু দিয়ে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিদিন অসংখ্য ছোট যানবাহন ও লোকজন পারাপার হয়। সেতুটি পার হয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যখন বিদ্যালয়ে যায়, তখন ভয় লাগে। যেকোনো মুহূর্তে প্রাণহানি হতে পারে।
মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য কামাল হোসেন বলেন, ‘কিছুদিন আগে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি আমাকে জানায়। ব্যক্তিগত উদ্যোগে আমি সেতুটির সংস্কার করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেতুটি অনেক পুরনো, সংস্কার করলেও কাজে আসবে না।’
দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘সেতুটি নতুন করে নির্মাণের জন্য আমাদের হাতে কোনো প্রকল্প নেই। তবে কিছুদিনের মধ্যে আমরা সেটি মেরামত করে দেব।’
২০৫ দিন আগে
আগামী সপ্তাহে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির সম্ভাবনা: শিক্ষা সচিব
স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসাগুলোকে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এমপিওভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম।
বুধবার সচিবালয়ে এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য জানান। অবসরোত্তর ছুটিতে যাওয়ার দুই দিন আগে সচিব মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
সচিব বলেন, ‘বেসরকারি মাদরাসার জন্য জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা উপদেষ্টা মহোদয়ের কাছে পাঠানো হয়েছে। এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাবে, সেখান থেকে অনুমোদন এলে আমরা নতুনভাবে এমপিওভুক্তি শুরু করব। বিশেষ করে যে প্রতিষ্ঠানগুলো ২০০৬ সালের আগে স্বীকৃতি পেয়েছে, কিন্তু আগের সরকার বৈষম্যমূলকভাবে এমপিও দেয়নি, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আশা করছি, চলতি অর্থবছর থেকেই এটি শুরু হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০২২ সালের পর থেকে নতুন কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়নি।’
আরও পড়ুন: শিক্ষা সচিবকে সরানো হয়েছে: মাহফুজ আলম
স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা প্রসঙ্গে সচিব বলেন, ‘আমি আসার পর থেকেই এমপিওভুক্তির জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলাম। মনে হয় সাইন করতে পারলাম না। এমপিওর সারসংক্ষেপ প্রধান উপদেষ্টার কাছে আছে। উনি মালয়েশিয়ায় না গেলে হয়তো এ কয়েকদিনে হয়ে যেত। কাল যদি হয় ভালো, না হলে আগামী সপ্তাহে হয়ে যাবে বলে আশা করছি।’
তিনি জানান, স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসার ভবনের জন্য একটি প্রকল্প সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন এতে সম্মতি দিয়েছে।
আরেকটি প্রকল্পের উল্লেখ করে সচিব বলেন, ‘আমরা দুই হাজার মাদরাসায় ভবন নির্মাণ করব। ২০০৬ সালের পরে বা এখন পর্যন্ত যেসব মাদরাসা ভবন পায়নি, সেগুলোর সংখ্যা ৬ হাজার ৩৮৯টি। এর মধ্যে একেবারেই ভবন পায়নি ৩ হাজার ২২টি, আর ২০০৬ সালের আগে ভবন পেলেও গত সরকারের আমলে কিছু পায়নি ৩ হাজার ৩৫৯টি মাদরাসা রয়েছে।’
মতবিনিময় সভায় ইরাব সভাপতি ফারুক হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান সালমানসহ সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
২০৫ দিন আগে
বরিশালে স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, আমরণ অনশন
বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালসহ দেশের স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের তিন দফা দাবিতে নগরের নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালসংলগ্ন মহাসড়ক ও সদর রোড অবরোধ এবং আমরণ অনশন কর্মসূচি চলছে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে ছাত্রজনতা পৃথক দুটি স্থানে অবরোধ শুরু করে। এতে দুই সড়কে যানবাহন আটকে যাত্রীদের ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। তবে পুলিশি সহায়তায় বিকল্প পথ ব্যবহার করে অধিকাংশ যানবাহন গন্তব্যে পৌঁছানো হচ্ছে।
অন্যদিকে, শেবাচিম হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নের দাবিতে সাত দফা দাবিতে সোমবার বেলা ১১টা থেকে হাসপাতালের প্রধান ফটকে কয়েকজন শিক্ষার্থী আমরণ অনশন শুরু করেছেন।
আরও পড়ুন: বরিশালে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার আন্দোলনে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১০
এর আগে, টানা আন্দোলনের ১৮তম দিনে সাড়ে চার ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল ব্লকেড কর্মসূচি চালানোর ঘোষণা দেন সংগঠক মহিউদ্দিন রনি।
তিনি বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালগুলোতে অব্যবস্থাপনা, রোগীদের হয়রানি এবং স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট ভাঙার তিন দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ব না।’
মহিউদ্দিন রনি জানান, রবিবার ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে সরাসরি আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্তের পর তিন দফা দাবির প্রতি সুস্পষ্ট আশ্বাস চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সময় শেষ হলেও তিনি বরিশালে আসেননি। তাই দাবির পক্ষে তারা বরিশাল ব্লকেড কর্মসূচি চালাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘বরিশালবাসীর আর্তনাদ এখনও মন্ত্রণালয় পর্যন্ত পৌঁছায়নি, সংশ্লিষ্টদের টনক নড়েনি। শেবাচিম হাসপাতালে রোগীদের ওপর দুর্নীতি, ভোগান্তি ও অবহেলা চলতে থাকলে আন্দোলন কঠোর হবে।’
অবরোধ চলাকালে কুয়াকাটা থেকে আসা যানবাহনগুলো নগরের সি অ্যান্ড বি রোডের চৌমাথা থেকে নবগ্রাম রোড হয়ে কাশিপুর চৌমাথা দিয়ে বিকল্প পথে পাঠানো হয়। এতে যানবাহনগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে না থেকে বিকল্প পথ ব্যবহার করে মহাসড়কে যুক্ত হয়ে গন্তব্যে পৌঁছায়। একই পথে ঢাকা থেকে কুয়াকাটাগামী গাড়িগুলোও চলাচল করেছে।
অতিরিক্ত ১০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করলেও যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকার ঝামেলা থেকে মুক্তি পেয়েছে। তবে সময় বেশি লাগায় ভোগান্তি ছিল।
অবরোধ চলাকালে আন্দোলনকারীরা অ্যাম্বুল্যান্সসহ জরুরি যানবাহনের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ইমার্জেন্সি লেন তৈরি করেন। ঘটনাস্থলে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছেন।
আরও পড়ুন: টানা পঞ্চম দিনের মতো ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ, যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে
বরিশাল বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন সিকদার জানান, তিন দফা দাবিতে শিক্ষার্থীরা আজও মহাসড়ক ও সদর রোড অবরোধ করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
গত ১৯ দিন ধরে তিন দফা দাবিতে ছাত্রজনতা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে।
২০৫ দিন আগে
মেহেরপুরে ইজিবাইকে চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে চালকের মৃত্যু
মেহেরপুর সদর উপজেলার সাহেবপুর গ্রামে ইজিবাইকে চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে সেলিম রেজা নামে এক ইজিবাইক চালকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৩ জুলাই) বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার সাহেবপুর গ্রামের গোরস্থানপাড়া এলাকার নিজ বাড়িতে এই ঘটনাটি ঘটে।
নিহত সেলিম রেজা মেহেরপুর সদর উপজেলার সাহেবপুর গ্রামের গোরস্থানপাড়া এলাকার আক্তার মোল্লার ছেলে।
আরও পড়ুন: রংপুরে দোকান উদ্বোধনে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে নিহত ২, আহত ১৩
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দীন জানান, সেলিম রেজা নিজ ইজিবাইকে চার্জ দিচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বিদ্যুতায়িত হলে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
২০৫ দিন আগে
লালমনিরহাটে সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, ৯ বাংলাদেশি নাগরিক আটক
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ৯ বাংলাদেশি নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইন করার সময় আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বুধবার (১৩ আগস্ট) ভোরে বুড়িমারী সীমান্ত এলাকার মাছিরবাড়ি নামক স্থান থেকে তাদের আটক করে তিস্তা ব্যাটালিয়ন-২ (৬১ বিজিবি)-এর একটি টহল দল।
আটকদের মধ্যে চারজন পুরুষ, তিনজন মহিলা এবং দুই শিশু রয়েছে।
আটকদের নাম হলো— মো. মোশাররফ হোসেন (৫০), তার স্ত্রী মোছা. পারভিন আক্তার (৪০) এবং তাদের তিন ছেলে মো. রাব্বি হোসেন (২৬), মো. নাহিদ হাসান (২৪) ও মো. সজীব আলী (১৬)। এছাড়া মোশাররফ হোসেনের মা মোছা. কোহিনূর নেছা (৭০) এবং মো. রাব্বি হোসেনের স্ত্রী মোছা. বর্ষা আক্তার (২২) ও তাদের দুই শিশু সন্তান মো. রেহান হোসেন (১৮ মাস) ও মোছা. জয়া খাতুন (৩)। সকলের বাড়ি নড়াইলের লোহাগড়ার মঙ্গলহাটা গ্রামে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে চাপে রাখতেই পুশইন করছে ভারত: মির্জা ফখরুল
বিজিবি সূত্র জানায়, আটক ব্যক্তিরা প্রায় ১০ বছর আগে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। সেখানে গুজরাট প্রদেশের শচীন এলাকায় হকারি ব্যবসা করতেন। পরবর্তীতে ৯৮ বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইনের চেষ্টা করলে বিজিবি তাদের আটক করে।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, আটক নয়জন বর্তমানে ৬১ বিজিবি'র হেফাজতে আছেন। বুধবার বিকালে তাদের পাটগ্রাম থানায় সোপর্দ করা হবে।
তিনি আরও জানান, তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
২০৫ দিন আগে
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে অভিযোগ বক্সে বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে ৪ অভিযোগ
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে স্থাপিত বিএনপির অভিযোগ বক্সে এ সপ্তাহে দলটির একজন নেতার বিরুদ্ধে দখল ও চাঁদাবাজির চারটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া একজন সাংবাদিক ও কুষ্টিয়ার সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. সুজাত হোসেন খানের বিরুদ্ধেও অভিযোগ এসেছে।
বুধবার (১৩ আগস্ট) দ্বিতীয়বার কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি স্থাপিত অভিযোগ বক্স খোলা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার, প্রেসক্লাবের সভাপতি আল মামুন সাগর, সেক্রেটারি আবু মনি জুবায়েদ রিপন, সিনিয়র সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান কুমার, কোষাধ্যক্ষ এম. লিটন উজ জামান, নির্বাহী সদস্য এএইচএম আরিফ এবং দৈনিক খবর ওয়ালার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুন্সি শাহিন আহমেদ জুয়েল প্রমুখ।
এই সপ্তাহে মোট ছয়টি অভিযোগ পড়েছে। এর মধ্যে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আল আমীন রানা ওরফে কানাইয়ের বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগ রয়েছে। সবগুলো অভিযোগ দখলদারি ও চাঁদাবাজি বিষয়ক। অভিযোগকারীদের মধ্যে সংখ্যালঘুরাও রয়েছেন। কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সুজাত হোসেন খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে নতুন লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের ক্ষেত্রে উৎকোচ গ্রহণের।
অভিযোগের বিষয়ে আল আমীন রানা কানাই বলেন, ‘বক্স থাকলে অভিযোগ পড়তেই পারে। এগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখুন। আমি এ ধরনের কোনো কাজে সম্পৃক্ত নই।’
সরকারি কর্মকর্তাও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সুজাত হোসেন বলেন, ‘আমরা অনেকের বিরুদ্ধে অনেক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। তারা চক্রান্ত করে অভিযোগ দিতে পারেন। এসব অভিযোগের সত্যতা নেই।’
আরও পড়ুন: নবজাতকের চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে রুল
এর আগে, গত ৩০ জুলাই দুপুরে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে প্রথমবার বক্সটি খোলা হয়েছিল এবং অভিযোগ পড়ে শোনা হয়েছিল। সেবার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগের মধ্যে ছিল কুষ্টিয়া শহরের বড়বাজার ট্রাক শ্রমিক অফিস থেকে চাঁদা আদায়, লালন একাডেমির সাপ্তাহিক সেবার নামে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রতারণা, জিয়ারখী ইউনিয়নের মঠপাড়া মাঠের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি এবং বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নাম ভাঙিয়ে শহরের ধোপাপাড়া ও মধ্য মিলপাড়া কলোনিতে সাজু বাহিনীর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার বলেন, ‘সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে মিল পড়াই দখল হয়ে থাকা ক্লাব ঘরটি দখলমুক্ত করে কলেজ কর্তৃপক্ষের হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
গত ২১ জুলাই কুষ্টিয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিষয়ে জানতে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অভিযোগ বক্স স্থাপন করে জেলা বিএনপি। কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের নিচে ফটকের পাশে এটি স্থাপন করেন বিএনপির কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহ্বায়ক কুতুব উদ্দীন আহমেদ ও সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার। শহরের আরও কয়েকটি স্থানে এমন বক্স বসানোর কথা জানান তারা।
২০৫ দিন আগে
মাগুরায় সোনালী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ৮৭ লাখ টাকা গায়েব
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, মাগুরা শাখা থেকে এক গ্রাহকের সঞ্চয়ী হিসাব নম্বরে জমা থাকা ৮৭ লাখ টাকা কে বা কারা উত্তোলন করেছে, তা এখনও অজানা। গ্রাহক ব্যাংকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
গ্রাহক মো. টিটুল জানান, ‘তিনি উষা এস.সি. লিমিটেডের মালিক ও প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান। তার প্রতিষ্ঠানের নামে সোনালী ব্যাংকে একটি চলতি হিসাব রয়েছে, যার নম্বর ২৪১৪২০০০১৮৩৫২। তিনি নিজে ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ওই হিসাব নম্বরে মোট ৮৭ লাখ টাকা জমা করেছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আমি কোনো চেক গ্রহণ করিনি। দীর্ঘদিন পর জানতে পারি যে, কে বা কারা আমার হিসাব থেকে ৮৭ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে।’
‘আমার কাছে অ্যাকাউন্ট নম্বর, ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ অন্যান্য কাগজপত্র আছে। আমার ধারণা, ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজশে কোনো প্রতারক চক্র এই টাকা তুলে নিয়েছে। সেখানে যে মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, তা আমার নয়। হিসাব খোলার সময় দেওয়া মোবাইল নম্বর ছিল ০১৬৮৫-৫৫৭৬৫৬।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যাংকিং নিয়ম অনুসারে কোনো গ্রাহক ৫০ হাজার টাকার চেক দিলেও অ্যাকাউন্টধারীকে ফোনে জানাতে হয়। কিন্তু এখানে ১০ লাখ বা ২০ লাখ টাকা একবারে উত্তোলন করা হয়েছে, অথচ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোনো যোগাযোগ করেনি। সোনালী ব্যাংকের মতো স্বনামধন্য ব্যাংকে এমন ঘটনা কিভাবে ঘটলো, তা অজানা।’
আরও পড়ুন: খসড়া অর্ডিন্যান্স: কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গভর্নর নিয়োগ দেবে রাষ্ট্রপতি, বাড়বে মেয়াদ
সোনালী ব্যাংক মাগুরা শাখার ম্যানেজার জানান, এই ঘটনা আগের ম্যানেজারের সময় সংঘটিত হয়েছে, তাই দায়ভার তার ওপর বর্তায়। লিখিত অভিযোগ সত্ত্বেও তিনি বলেন, গ্রাহককে বারবার ব্যাংকে আসার অনুরোধ করা হয়েছে, কিন্তু তিনি আসেননি।
টিটুল আরও জানান, তার অনুমতি ছাড়া ব্যাংকের চেক বই ইস্যু করা হয়েছে এবং ধাপে ধাপে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ফোন বা মেসেজের মাধ্যমে কোনো সতর্কতা দেওয়া হয়নি।
তিনি এই প্রতারক চক্রকে শনাক্ত করে ফৌজদারি আইনে মামলা করার জন্য ব্যাংকের কাছে অনুরোধ করেছেন। আইনগত পদক্ষেপ না নেওয়ায় গ্রাহক নিজেই ব্যাংকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
২০৫ দিন আগে
চাঁপাইয়ে পদ্মার পানি বেড়ে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, পানিবন্দি সাড়ে ৮ হাজার পরিবার
চাঁপাইনবাবগঞ্জে উজান থেকে ধেয়ে আসা ঢলে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল। এতে জেলার সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের ৬টি ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ৮ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
বুধবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৯টায় পদ্মার পানি বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল বলে জানিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব জানান, উজান থেকে নেমে আসা পানি ও মৌসুমি বৃষ্টিপাতের কারণে পদ্মা নদীর পানি বেড়েছে। তবে পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মায় ৩ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
এতে চরাঞ্চলের অনেক বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তাঘাটেও পানি উঠেছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষ।
আরও পড়ুন: তিস্তার পানি ফের বিপৎসীমার ওপরে, নীলফামারীর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার নারায়ণপুর ও আলাতুলী এবং শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা, উজিরপুর, দুর্লভপুর ও মনাকষা ইউনিয়নের সাড়ে ৮ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে এসব এলাকার বেশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে সরকারি পর্যায়ে ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে।
২০৫ দিন আগে