বাংলাদেশ
বিদায়ী সাক্ষাতে সেনাপ্রধানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন প্রধান উপদেষ্টা
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওস্থ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সৌজন্য সাক্ষাতে তারা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দায়িত্বকালীন বিভিন্ন বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা তার দায়িত্ব পালনকালে বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীর সহযোগিতার জন্য সেনাপ্রধানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
১৮ দিন আগে
জানুয়ারির ই-ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়ল
পবিত্র শবে বরাত ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘ সরকারি ছুটি এবং এ-চালান সিস্টেমে সার্ভার জটিলতার কারণে জানুয়ারি-২০২৬ কর মেয়াদের অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ই-ভ্যাট সিস্টেমে জানুয়ারি মাসের রিটার্ন আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দাখিল করা যাবে।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবন থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র শবে বরাত এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘসময় সরকারি ছুটি ছিল। এছাড়া ১৫ ফেব্রুয়ারি ই-চালান সিস্টেমের ওটিপি সার্ভার ডাউন থাকার কারণে জনস্বার্থে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানুয়ারি ২০২৬ মাসের ই-ভ্যাট রিটার্ন অনলাইন দাখিলের সময়সীমা বাড়িয়েছে।
মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৬৪-এর উপ-ধারা (১ক)-এর ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী করদাতারা আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইন রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।
এনবিআরের কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে আইন অনুযায়ী বিলম্ব ফি ও আর্থিক জরিমানার বিধান রয়েছে। ফলে সার্ভার জটিলতার কারণে যাতে কোনো করদাতা অযথা জরিমানার মুখে না পড়েন, সে জন্য সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আইন অনুযায়ী, প্রতি মাসের ভ্যাটের তথ্য পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে দাখিল করতে হয়। সময়মতো রিটার্ন দাখিল না করলে মাসিক ৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
১৯ দিন আগে
নির্বাচন ঘিরে ৯৯৯-এ ৮৩৮০টি ফোনকল, অভিযোগ ৩৭১৩টি
জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ অপারেশনাল পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে মোট ৮ হাজার ৩৮০টি নির্বাচনসংক্রান্ত ফোনকল এসেছে।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মহিউল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
এই বিশেষ কার্যক্রম ২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা চালু ছিল।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে। এই সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্থাপিত ‘আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল’ এর সঙ্গে সার্বক্ষণিক নিবিড়ভাবে যোগাযোগ ও সমন্বয় করে সেবাপ্রত্যাশী নাগরিকদের ৯৯৯ নির্বাচনসংক্রান্ত জরুরি সেবা দিয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগসমূহ ৯৯৯ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এই সময়ে ৯৯৯ নির্বাচন সংক্রান্ত মোট ৮ হাজার ৩৮০টি ফোনকল গ্রহণ করে, যার মধ্যে ৩ হাজার ৭১৩টি ফোনকল ছিল নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন, প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর মধ্যে মারামারি, নিষিদ্ধ সময়ে নির্বাচনি প্রচারণা, ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম এবং আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত বিষয়সমূহ।
এসব ফোনকলে ৯৯৯ তাৎক্ষণিকভবে সংশ্লিষ্ট থানা, জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবগত করে বিধি অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এছাড়া বাকি ৪ হাজার ৬৬৭টি ফোনকল নির্বাচনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে চেয়ে করা হয়েছিল বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
১৯ দিন আগে
রমজান মাসজুড়ে মাধ্যমিকের ক্লাস বন্ধ রাখার নির্দেশ
পুরো রমজান মাসে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এ কে এম ফয়েজ, অ্যাডভোকেট মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।
ইলিয়াছ আলী মন্ডল বলেন, সরকার মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরো রমজান মাসজুড়ে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮ মার্চ থেকে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ ৭ মার্চ পর্যন্ত মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রেখেছে। একই মন্ত্রণালয়ে দুই ধরনের সিদ্ধান্ত, এটি বৈষম্যমূলক। আইন সবার জন্য সমান। সে কারণে হাইকোর্ট রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছেন। একইসঙ্গে রুল বিচারাধীন থাকাবস্থায় পুরো রমজান মাসজুড়ে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে, পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে গত সপ্তাহে হাইকোর্টে রিট করা হয়। মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডলই হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন। এর আগে গত ৫ জানুয়ারি পবিত্র রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ দেন সুপ্রিম কোর্টের ওই আইনজীবী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নোটিশ পাঠান তিনি।
নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে—এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।
নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারা দিন স্কুলে যাতায়াত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়, যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র জানযটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। নোটিশের জবাব না পাওয়ায় এ রিট দায়ের করা হয়।
১৯ দিন আগে
রামপুরায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি করাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ৪ মার্চ।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম এ তথ্য জানান।
এই মামলায় মোট আসামি ৫ জন। এর মধ্যে পলাতক আছেন ৪ জন। পলাতকরা হলেন— ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান ও সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার এই মামলার একমাত্র গ্রেপ্তার আসামি।
এর আগে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মামলাটির বিচার কার্যক্রম শেষ করে রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখেন। ওই দিন এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। আজ (রবিবার) রায়ের জন্য দিন ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল।
২০২৪ সালের ১৯ জুলাই আমির হোসেন জুমার নামাজ পড়ে বাসায় ফিরছিলেন। বাসার কাছে তখন সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে যান তিনি। এ সময় পুলিশ গুলি শুরু করে। আমির দৌড়ে নির্মাণাধীন একটি ভবনের চারতলায় গিয়ে আশ্রয় নেন। এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া করে পুলিশ ভবনটির চারতলায় উঠে। সেখানে আমিরকে পেয়ে পুলিশ সদস্যরা তার দিকে আগ্নেয়াস্ত্র তাক করে বারবার নিচে লাফ দিতে বলেন। একজন পুলিশ সদস্য তাকে ভয় দেখাতে কয়েকটি গুলিও করেন। ভয়ে তিনি লাফ দিয়ে নির্মাণাধীন ভবনটির রড ধরে ঝুলে থাকেন। তখন তৃতীয় তলা থেকে একজন পুলিশ সদস্য তাকে লক্ষ্য করে ছয়টি গুলি করেন। গুলিগুলো তার দুই পায়ে লাগে।
পরে পুলিশ চলে গেলে তিনি ঝাঁপ দিয়ে কোনোরকমে তৃতীয় তলায় পড়েন। তখন তার দুই পা দিয়ে রক্ত ঝরছিল। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান তিনি। এছাড়া একই দিন রামপুরার বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নাদিম ও মায়া ইসলাম নিহত হন।
গত বছরের ৩১ জুলাই চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত সংস্থা। একই বছরের ৭ আগস্ট ফর্মাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন। মামলায় ২০২৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।
গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলার বিচার শুরু হয়। গত ২৯ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর মোহাম্মদ মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ ওইদিন মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৫ জনের সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেন।
মামলার যুক্তিতর্কে প্রসিকিউশনের পক্ষে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীতে কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবক আমির হোসেনকে গুলি, শিশু বাসিত খান মুসার (৭) মাথা ভেদ করে তার দাদি মায়া ইসলামের মৃত্যু এবং মো. নাদিম নামের আরও এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়।
চব্বিশের জুলাই আন্দোলন ঘিরে সারাদেশের মতো রামপুরায়ও ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে তৎকালীন সরকারের পুলিশ বাহিনী। যা স্পষ্টতই মানবতাবিরোধী অপরাধ। পুলিশের ঊর্ধ্বতনদের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সাক্ষ্যপ্রমাণ, ভিডিও ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দিসহ নথিপত্রে এ মামলার ৫ আসামির সম্পৃক্ততা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
১৯ দিন আগে
সোমবার মধ্যরাত পর্যন্ত গ্যাসের চাপ কম থাকবে
রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ কারণে তিতাস গ্যাসের আওতাভুক্ত এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ বিরাজ করবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জানায়, এলএনজি থেকে প্রাপ্ত গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় সোমবার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।
তিতাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প—সব ধরনের গ্রাহকই কম চাপের কারণে ভোগান্তিতে পড়তে পারেন। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছে কোম্পানিটি।
১৯ দিন আগে
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ কেন সংসদ প্রাঙ্গণে, জানালেন আসিফ নজরুল
রীতি ভেঙে বঙ্গভবনে না করে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় করার কারণ জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বিএনপির অভিপ্রায় অনুসারেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা জানান উপদেষ্টা।
এর আগে তো বঙ্গভবনে শপথ হতো; এবার দক্ষিণ প্লাজায় শপথ হওয়ার কারণ কী—জানতে চাইলে আইন উপদেষ্টা বলেন, দক্ষিণ প্লাজায় শপথ, বিএনপি এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিল। আমার ধারণা যেটা সেটা হচ্ছে, যেহেতু আমাদের এই সংসদটা একটু ভিন্ন। আমরা জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার যে আত্মত্যাগ, এই গণঅভ্যুত্থান, অনেক আত্মত্যাগ, কষ্ট, বেদনা ও প্রাণহানির বিনিময়ে আমরা এই সংসদটা পেয়েছি। এই সংসদটা অন্য সব সংসদের চেয়ে একটু ভিন্ন।
তিনি বলেন, তাছাড়া এই সংসদ প্রাঙ্গণে অনেকগুলো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। জুলাই ঘোষণা এবং জুলাই সনদ—এই দুইটাকে ঘিরে যে অনুষ্ঠান সেটাও সংসদেই আয়োজন করা হয়েছিল। এই সংসদের দক্ষিণ প্লাজাটা আমাদের কাছে আরও বিভিন্ন কারণে স্মরণীয়। আমাদের প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা হয়েছিল এটার পাশের জায়গায়। আমাদের যে সবার প্রিয় শহিদ ওসমান হাদি, তারও জানাজা হয়েছিল।
আসিফ নজরুল বলেন, অনেক স্মৃতি জড়িত আছে এখানে। সেই সঙ্গে এটা আমাদের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিন্ন যে ডকুমেন্টেশন, সেটার প্রকাশের একটা জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সবকিছু বিবেচনা করে হয়তো উনারা (বিএনপি) অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। আমরা সেই অনুযায়ী আয়োজন করেছি।
তিনি আরও বলেন, আজকে আমাদের একটা বিদায়ী বৈঠক ছিল। আমরা এখানে কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেইনি। আমরা আমাদের কাজকর্ম একটু ফিরে দেখলাম। তারপর আমাদের শপথ অনুষ্ঠান সম্পর্কে সবাইকে জানানো হলো। আমরা আমাদের অভিজ্ঞতার কথা বললাম। তেমন বড় কিছু না; এটা সবাই একসঙ্গে হয়ে শেষ বৈঠক করার মতোই।
১৯ দিন আগে
নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মোদিকে আমন্ত্রণ প্রধান উপদেষ্টার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। দলের চেয়ারম্যান ও সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ঢাকা।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নয়াদিল্লি থেকে এক কূটনৈতিক সূত্র ইউএনবিকে বলে, ‘হ্যাঁ, আমরা অধ্যাপক ইউনুসের কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র পেয়েছি। তবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কে প্রতিনিধিত্ব করবেন, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত নিয়ে কাজ চলছে।’
সূত্র জানায়, চলতি মাসের ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি নয়াদিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’ অনুষ্ঠিত হবে। ওই সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁসহ প্রায় ২০ জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানকে আতিথ্য দেবে ভারত। এ কারণে মোদির ঢাকায় আসার সম্ভাবনা কম, তবে তিনি তার প্রতিনিধি পাঠাতে পারেন।
‘ইন্ডিয়া-এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বৈশ্বিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি হবে গ্লোবাল সাউথ অঞ্চলে আয়োজিত প্রথম বৈশ্বিক এআই সম্মেলন।
সূত্র আরও জানায়, ভারতীয় লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা এবং দেশটির পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি ঢাকায় আসতে পারেন। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও দেওয়া হয়নি।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবেন। শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একইদিন সকালে সংসদ ভবনে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। তাদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
সাধারণত মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয়। তবে দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান এবার হতে যাচ্ছে খোলা প্রাঙ্গণে।
১৯ দিন আগে
বয়কটের হুমকির মধ্যেও বইমেলা আয়োজনে এগোচ্ছে বাংলা একাডেমি
বাংলাদেশের প্রধান সাহিত্য উৎসব অমর একুশে বইমেলা চলতি মাসের শেষ দিকে শুরু হতে যাচ্ছে। তবে রমজানের মধ্যে মেলা আয়োজন করলে প্রকাশনা খাতে বড় আর্থিক ক্ষতি হতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রকাশকরা এর বিরোধিতা করছেন।
বাংলা একাডেমি জানিয়েছে, আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা শুরু হবে। এদিকে বইমেলার সময়সূচি পুনর্বিবেচনা না করলে মেলা বর্জনের হুমকি দিয়েছেন তিন শতাধিক প্রকাশক।
অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ড. মো. সেলিম রেজা জানান, মেলার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে বেশ এগিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ‘গত মঙ্গলবার রাতে স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দের লটারি সম্পন্ন হয়েছে। বরাদ্দ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন প্রকাশকরা তাদের নির্ধারিত জায়গা সাজানোর কাজ শুরু করতে পারবেন।’
স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ নিশ্চিত করতে আগেই বরাদ্দের অর্থ পরিশোধের সময়সীমা ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে বাড়িয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি করেছিল বাংলা একাডেমি।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট ৬৬২টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে যা ২০২৫ সালের তুলনায় ১৩৩টি বেশি। এর মধ্যে ২৪টি নতুন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান স্টল বরাদ্দ পেয়েছে। অপরদিকে, মেলায় প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ২৩টি। এর মধ্যে ১১টি প্রতিষ্ঠিত এবং ১২টি নতুন প্রকাশনা সংস্থার জন্য।
বয়কটের হুমকি
২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৩ দিনব্যাপী রমজানের মধ্যে মেলা আয়োজনের সিদ্ধান্তে প্রকাশকরা তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন।
অন্যপ্রকাশের মাজহারুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশকদের একটি অংশ জানায়, ৩২১টি প্রকাশনা সংস্থা রমজানের পর মেলা আয়োজনের দাবি জানিয়েছে। মেলার এ সময়সূচি পরিবর্তন করা না হলে তারা মেলায় অংশ নেবে না।
অনেক প্রকাশক জানান, তারা আগেই এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাননি। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, রমজানে সাধারণত কর্মঘণ্টা কম থাকে এবং দিনের বেলা ক্রেতারা খুব বেশি খরচও করেন না—যা বই বিক্রিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে মেলায় অংশ নিলে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা রয়েছে।
তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা
মেলার বিষয়ে তাদের দাবি আদায়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছেও খোলা চিঠি পাঠিয়েছে প্রকাশকদের সংগঠন ‘প্রকাশক ঐক্য’। তারা মেলার আয়োজন বন্ধের ব্যাপারে দেশের সম্ভাব্য এ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
চিঠিতে বলা হয়, প্রায় ৯০ শতাংশ প্রকাশকের মতে রমজানে মেলায় অংশ নেওয়া ‘ব্যবসায়িক আত্মহত্যা’র শামিল হবে। ইতোমধ্যে ৩০০-এর বেশি মূলধারার প্রকাশক মেলায় অংশ নিতে অপারগতার কথা জানিয়েছেন।
প্রকাশকরা উল্লেখ করেন, ‘নির্বাচনের কারণে গত দুই মাস দেশের ছাপাখানাগুলো নির্বাচনি কাজে ব্যস্ত থাকায় সৃজনশীল বই উৎপাদনের কাজ পুরোপুরি বন্ধ ছিল। এছাড়া কাগজের আকাশচুম্বী দাম ও আনুষঙ্গিক সংকটে প্রকাশকরা এমনিতেই দিশেহারা। এমন বাস্তবতায় বিদায়ী প্রশাসন ও বাংলা একাডেমি আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা আয়োজনে অনড়, যা রমজান মাসে পড়বে।
‘রোজার কারণে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় প্রকাশকরা শঙ্কিত। ফলে মেলা পাঠকশূন্য ও নিষ্প্রাণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
এ অবস্থায় বারবার পুনর্বিবেচনার আবেদন সত্ত্বেও কেন বাংলা একাডেমি মেলা আয়োজনের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন প্রকাশকরা।
মেলা পেছানোর আহ্বান
প্রকাশকরা জানান, আমরা মেলা বর্জন করতে চাই না। আমরা চাই, সফল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক মেলা। রমজান ও নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা ঈদের পর মেলা আয়োজনের প্রস্তাব দেন।
প্রকাশক ঐক্যের পক্ষ থেকে চিঠিতে দুটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়। তা হলো— ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ঘোষিত ‘নামমাত্র’ বইমেলা স্থগিত করার নির্দেশনা এবং ঈদুল ফিতরের পর উৎসবমুখর পরিবেশে ও সব প্রকাশকের অংশগ্রহণে একটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রাণবন্ত বইমেলা আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ।
তারা আশা প্রকাশ করেন, ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিলে প্রকাশনা শিল্প বড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে এবং ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত অমর একুশে বইমেলার ঐতিহ্যও সংরক্ষিত থাকবে।
নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী মেলা আয়োজনের প্রস্তুতি চলায় আয়োজক ও প্রকাশকদের মধ্যে এক ধরনের দ্বন্দ্বের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আয়োজকরা চান মেলার ঐতিহ্য রক্ষা করে ফেব্রুয়ারি মাসেই মেলার আয়োজন করতে। অপরদিকে প্রকাশকরা চান অর্থনৈতিক বাস্তবতার কথা চিন্তা করে মেলার আয়োজন পিছিয়ে নিতে।
১৯ দিন আগে
তারেক রহমানকে মিষ্টি ও ফুল পাঠালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান এই ফুল ও মিষ্টি গ্রহণ করেন। এ সময় গুলশান কার্যালয়ের বিশেষ কর্মকর্তা মেহেদুল ইসলাম মেহিদী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার জন্য বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের আমার সকল ভাইবোন ও সাধারণ মানুষকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তাদের সবাইকে জানাই অগ্রিম রমজান মোবারক। এই বিশাল জয়ের জন্য আমার ভাই তারেক, তার দল এবং অন্য সকল দলকে অভিনন্দন। প্রার্থনা করি আপনারা সবাই ভালো ও সুখে থাকুন।’
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হয়। একইসঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। ৩০০ আসনের বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে এককভাবে সরকার গঠন করতে কমপক্ষে ১৫১ আসন প্রয়োজন হয়। দুই শতাধিক আসন পাওয়ায় বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবেন। শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
অন্যদিকে, একইদিন সকালে সংসদ ভবনে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
২০ দিন আগে