বাংলাদেশ
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্বে সিরাজ উদ্দিন মিয়া
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিজ পদের অতিরিক্ত হিসেবে এ দায়িত্ব দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তিনিও চুক্তিভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করেছে সরকার। গতকাল (শনিবার) তার চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর আব্দুর রশীদকে ২ বছরের জন্য চুক্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী তার চলতি বছরের ৭ অক্টোবর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আট মাস আগেই সরে যেতে হলো তাকে।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
১৯ দিন আগে
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সংবিধান অনুযায়ী নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের রাষ্ট্রপতি শপথ পড়াবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব রয়েছেন আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগ পাওয়া মো. সাহাবুদ্দিন। নতুন মন্ত্রিসভার শপথের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তুতি আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন জানতে চাইলে সাংবাদিকদের শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন।’ নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের জন্য কমবেশি এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে বলেও এ সময় জানান তিনি।
মন্ত্রিসভার সদস্য কতজন হবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেটা নির্ভর করে যিনি সংসদ নেতা, যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, তার ওপর; এটা তার ইচ্ছা। উনি কতজনকে মন্ত্রী হিসেবে এখন দেখতে চান বা পরে দেখতে চান।’
মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ ১৭ তারিখ না ১৮ তারিখ, কোন দিন ধরে কাজ করছেন—প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা তো বলতে পারছি না। বললাম তো, যদি আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয় বা ইঙ্গিতও দেওয়া হয় যে অমুক তারিখে অমুক সময়ে হবে, আমরা সেই মোতাবেক কাজ করব। সেটা কালকে হলেও কালকে কাজ করতে হবে। দুই দিন পরে হলে দুই দিন পরের জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। জানার পরে সেটা বলতে পারব, তার আগে কোনো তারিখ না।
২০ দিন আগে
বিশ্বাসযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হয়েছে: ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ২০০৮ সালের পর প্রথম ‘বিশ্বাসযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক’ নির্বাচন এবং দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত বলে উল্লেখ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। তবে নারী প্রার্থীর স্বল্পতা, বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতা, অনলাইনে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা এবং কিছু প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভারস ইয়াবস এ মূল্যায়ন তুলে ধরেন।
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনটি ছিল সত্যিকারের প্রতিযোগিতামূলক এবং নবায়ন করা আইনি কাঠামোর অধীনে অনুষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে নির্বাচনটি অনেকাংশে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল এবং মৌলিক স্বাধীনতা মোটামুটি গ্রহণযোগ্য হয়েছে। তবে স্থানীয়ভাবে কিছু রাজনৈতিক সহিংসতা এবং অনলাইন বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। একইসঙ্গে নারীদের জন্য সীমিত রাজনৈতিক পরিসর তাদের অংশগ্রহণে বাধা তৈরি করেছে।
ইভারস ইয়াবস জানান, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও স্বচ্ছভাবে কাজ করেছে এবং অংশীজনদের আস্থা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। নির্বাচনি আইনি কাঠামো গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনার জন্য উপযোগী হলেও আইনি নিশ্চয়তা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে আরও সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।
কমিশন গণমাধ্যমের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ বজায় রেখেছে, তবে কঠোর প্রচারণাবিধি সবক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ না হওয়ায় পক্ষপাতের অভিযোগও উঠেছে।
নির্বাচন প্রস্তুতি পেশাদারত্বের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বিদেশে থাকা প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার ভোটার ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন। ৮ লাখ ৫০ হাজারের বেশি নির্বাচনকর্মী প্রশিক্ষণ পেয়েছেন এবং সামগ্রী বিতরণও সুষ্ঠুভাবে হয়েছে। তবে বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্র প্রতিবন্ধী ও সীমিত চলাচলক্ষম ভোটারদের জন্য সহজ প্রবেশযোগ্য ছিল না।
ভোট গণনা ও ফল সংকলন মোটামুটি দক্ষতার সঙ্গে হলেও কিছু ক্ষেত্রে অখণ্ডতা রক্ষার ব্যবস্থা পুরোপুরি অনুসরণ হয়নি এবং তিনটি ঘটনায় ফল সংকলনে স্বচ্ছতার ঘাটতি লক্ষ করা হয়েছে। তবুও দলীয় এজেন্টদের উপস্থিতি এবং নিয়মিত ফল প্রকাশ জনআস্থা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।
প্রার্থী মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় ৬০০-এর বেশি আপিল নিষ্পত্তি এবং দুই-তৃতীয়াংশ প্রার্থী পুনর্বহালকে ইতিবাচক দিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তিনি বলেন, দুই হজারের এর বেশি প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় ভোটাররা বিস্তৃত রাজনৈতিক বিকল্প পেয়েছেন। প্রচারণা ছিল প্রাণবন্ত এবং প্রার্থীরা সমাবেশ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ভোগ করেছেন, যদিও শেষদিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পারস্পরিক অভিযোগ বেড়ে যায়।
নারীর অংশগ্রহণ কম হওয়াকে বড় হতাশা হিসেবে উল্লেখ করে ইভারস ইয়াবস বলেন, মাত্র ৪ শতাংশ প্রার্থী নারী ছিলেন। পিতৃতন্ত্র, বৈষম্য, অনলাইন হয়রানি ও চরিত্রহনন নারীদের অংশগ্রহণে বড় বাধা হিসেবে কাজ করেছে। আদিবাসী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন এবং জনপরিসরে ধর্মীয় বক্তব্যের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।
তিনি জানান, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অন্তত ৫৬টি সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া গেছে, যাতে শতাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটে। নারী প্রচারকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও সম্পত্তিতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। যেকোনো ধরনের সহিংসতা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পরিপন্থি বলে উল্লেখ করা হয়।
অনলাইন প্রচারণায় বিভ্রান্তিমূলক তথ্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উঠে এসেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষণে।
ইভারস ইয়াবস জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অন্তত ৩০টি ভুয়া তথ্যের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলোই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১০ লাখের বেশি ভিউ পেয়েছে। জাতীয় ফ্যাক্ট চেকিং উদ্যোগগুলো সক্রিয় থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতিক্রিয়া ধীর ছিল।
নাগরিক সমাজের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ৮১টি নাগরিক পর্যবেক্ষক দল নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছে এবং তরুণ কর্মীরা দেশজুড়ে ভোটার শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে গণতান্ত্রিক চর্চায় ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।
ইয়াবস বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ক্রমবর্ধমান পরিপক্বতার প্রতিফলন ঘটায় না, এমন পুরোনো চর্চা পরিত্যাগের সময় এসেছে। স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকার ও জবাবদিহিতা জোরদারের মাধ্যমে নতুন পথরেখা নির্ধারণ করতে হবে।’
ইউরোপীয় পার্লামেন্ট প্রতিনিধিদলের প্রধান টমাশ জদেচোভস্কি বলেন, ‘দেশ এখন একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করছে। নতুন সংসদ ও সরকারকে অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় অনুমোদিত সংস্কারগুলো বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি।’
২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে ইইউ পর্যবেক্ষক মিশন বাংলাদেশে অবস্থান করছে। ভোটের দিন মিশনের ২২৩ জন পর্যবেক্ষক রাজধানীসহ দেশের নানা প্রান্তের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে নিয়োজিত ছিলেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব সদস্যরাষ্ট্র ছাড়াও কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকেও পর্যবেক্ষকরা এই মিশনে যুক্ত হন। দেশের নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিও পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে মিশনটি। এরপর আগামী মাসগুলোতে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের উন্নয়নকল্পে সুপারিশসহ চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।
২০ দিন আগে
তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভূমিধ্বস বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের বিজয় অর্জন করায় আমি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। নির্বাচন সফল করায় বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানাই।
‘আমাদের ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে এবং দক্ষিণ এশিয়া ও এর বাইরে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের অভিন্ন লক্ষ্যে আমি বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।’
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করে বাংলাদেশের। দীর্ঘ ১৪ বছরের পর গত মাসের শেষের দিকে ঢাকা থেকে করাচিতে আকাশপথে বাণিজ্যিক যোগাযোগ শুরু হয়।
কয়েক মাস আগে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ১৩ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ঢাকা সফর করেন।
এছাড়া বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারাও নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশ দুটির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
২১ দিন আগে
তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদির অভিনন্দন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভূমিধ্বস বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এক্সে একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক বিজয়ের অভিমুখে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
‘এই ফলাফল আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন।’
তিনি আরও বলেন, ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজের আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং আমাদের অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যগুলো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিপ্রায়ে আপনার সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।
অন্যদিকে, ভারতের বিরোধী দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দলটির সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও নির্বাচনে জয়লাভ করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হ্যান্ডেলে তিনি এ শুভেচ্ছা বার্তা জানান।
অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি এবং অন্যান্য অনেক বিষয়ে অত্যন্ত গভীর যোগসূত্র রয়েছে।’
কংগ্রেস সভাপতি আরও উল্লেখ করেন, এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও শান্তির স্বার্থে একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি সকল ভারতের সকলের সমর্থন সর্বদা অব্যাহত থাকবে।
২১ দিন আগে
বিএনপি ও তারেক রহমানকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য বিএনপি এবং দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে একটি সফল ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছে দেশটি।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই শুভাচ্ছে বার্তা জানানো হয়।
বার্তায় বলা হয়েছে, একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি ও তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা। আমাদের দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।
২১ দিন আগে
আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের ডিজি হলেন এরশাদুল আলম
আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের প্রথম মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিচার প্রশাসন) এস এম এরশাদুল আলম।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এই নিয়োগ দিয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীন বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদটি শূন্য থাকায় এ অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিচার প্রশাসন) এস এম এরশাদুল আলমকে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হলো।
তিনি বিধি মোতাবেক অতিরিক্ত দায়িত্বের ভাতা পাবেন বলেও আদেশে জানানো হয়েছে।
আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা দিতে গত ২৬ জানুয়ারি অধিদপ্তর গঠন করে সরকার। এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০’-এর ধারা ৩-এ দেওয়া ক্ষমতাবলে, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর গঠন করা হয় বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
২৩ দিন আগে
নির্বাচনি অভিযোগ নিষ্পত্তিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুম স্থাপন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মাঠ প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত অভিযোগ ও তথ্যের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম (নিয়ন্ত্রণ কক্ষ) স্থাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট, ২০২৬ উপলক্ষে মাঠ প্রশাসন থেকে পাওয়া অভিযোগ বা তথ্যাদির পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভবন নম্বর ১, কক্ষ নম্বর ১৮০২-এ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হলো।
কন্ট্রোল রুমের টেলিফোন নম্বর হচ্ছে +৮৮০২২২৬৬৪১১১৮।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা প্রাপ্ত অভিযোগ বা তথ্যাদির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করবেন বলেও আদেশে জানানো হয়েছে।
১০ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। কন্ট্রোল রুমে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দুই শিফটে কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিদিন একজন যুগ্ম-সচিব কন্ট্রোল রুমের সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন। প্রতি শিফটে দুই থেকে তিনজন করে কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্বে থাকবেন।
২৩ দিন আগে
টানা ৪ দিনের সরকারি ছুটি শুরু
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হয়েছে আজ বুধবার। সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের টানা চার দিন, আর সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এক দিন পূজার ছুটিসহ টানা পাঁচ দিন ছুটি উপভোগ করবে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বা প্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হয়ে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে। অন্যদিকে, ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি এবং ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার পড়ায় সাপ্তাহিক ছুটি। আর ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রির ব্রত উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
এ ছাড়াও শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এ বিষয়ে গত ২৫ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদ-বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি বহাল থাকবে।
ভোটের সময় ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের বিশেষ ছুটি পরবর্তীতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন বদল করা যাবে।
এ বিষয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি বহাল থাকবে, শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ১০ ফেব্রুয়ারির পর সুবিধাজনক যেকোনো একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনকে ‘কর্মদিবস’ ঘোষণা করতে পারবে।
আগামীকাল (ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটাররা এবার দুটি ব্যালট পেপারে ভোট দেবেন। একটি সাদা ব্যালট, এটি হবে সংসদ সদস্য নির্বাচনের ব্যালট। আর গণভোটের জন্য থাকবে গোলাপি ব্যালট।
ইসির তথ্য অনুসারে, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ১ হাজার ২৩২ জন।
নির্বাচন কমিশনে মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে ৬০টি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫০টি দল।
ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ২৯৯ আসনে মোট প্রার্থী আছেন ২ হাজার ২৮ জন। এর মধ্যে ৫০টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। মোট নারী প্রার্থী আছেন ৮১ জন।
১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নিরাপদ নির্বাচন হিসেবে আয়োজন করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নির্বাচন উপলক্ষে সারা দেশে প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য, প্রায় ৬ লাখ আনসার সদস্য, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং প্রায় ১ লাখ সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
২৪ দিন আগে
দীপু দাসকে আর্থিক ও বাড়ি নির্মাণ সহায়তা দিল সরকার
ময়মনসিংহের ভালুকায় ‘ধর্ম অবমাননার’ অভিযোগে গণপিটুনিতে নিহত দীপু চন্দ্র দাসের (দীপু দাস) পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ও বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় দীপু দাস নামের এক সনাতন ধর্মাবলম্বী যুবককে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে করে হত্যা করা হয়। কথিত অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে গণপিটুনির মাধ্যমে তাকে গাছে ঝুলিয়ে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়, যা সে সময় সাম্পদায়িক সহিংসতা হিসেবে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শে গত ২৩ ডিসেম্বর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের মোকামিয়াকান্দা গ্রামে নিহত দীপু দাসের বাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দীপু দাসের পরিবারের প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে সহমর্মিতা জানান।
যেহেতু দীপু দাস পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন, সেহেতু তার পরিবারের বসবাসের জন্য একটি পাকাঘর নির্মাণসহ পরিবারের সার্বিক সুরক্ষার লক্ষ্যে আর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়।
এ সহায়তা ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হবে। এর আওতায় পরিবারের চাহিদা অনুযায়ী বাড়ি নির্মাণের জন্য ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে, যা জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়ন করবে। পাশাপাশি নগদ আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে দীপু দাসের পিতা ও স্ত্রীকে ১০ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে এবং তার সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য ৫ লাখ টাকার একটি এফডিআর করা হবে।
এ প্রসঙ্গে মঙ্গলবার শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার বলেন, ‘দীপু চন্দ্র দাসের হত্যাকাণ্ড একটি নৃশংস অপরাধ, যার কোনো অজুহাত নেই এবং আমাদের সমাজে এর কোনো স্থান নেই। তার পরিবারকে সহায়তার যে প্রচেষ্টা সরকার করেছে তা একটি জীবনের তুলনায় কিছুই নয়। রাষ্ট্র নিশ্চয়ই সুবিচার নিশ্চিত করবে।’
তিনি বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক উন্মাদনা ছড়িয়ে যেভাবে দীপু দাসকে হত্যা করা হয়েছে তা পুরো জাতির জন্য লজ্জার। ন্যায় বিচারই কেবল এই লজ্জা থেকে আমাদের মুক্তি দিতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটি রাষ্ট্র ও সমাজ হিসেবে সব ধর্ম, জাতিগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মানুষের মতপ্রকাশের শান্তিপূর্ণ অধিকারকে সম্মান করি, যতক্ষণ তা অন্যের প্রতি সম্মান বজায় রেখে করা হয়। মতভেদ বা আপত্তির মুহূর্তেও কোনো ব্যক্তি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার রাখে না।’
এ ঘটনায় সরাসরি জড়িত ১২ জনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, এই ঘটনায় যারা দায়ী, তাদের সবাইকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনা হবে।
২৪ দিন আগে