বাংলাদেশ
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ কেন সংসদ প্রাঙ্গণে, জানালেন আসিফ নজরুল
রীতি ভেঙে বঙ্গভবনে না করে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় করার কারণ জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বিএনপির অভিপ্রায় অনুসারেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা জানান উপদেষ্টা।
এর আগে তো বঙ্গভবনে শপথ হতো; এবার দক্ষিণ প্লাজায় শপথ হওয়ার কারণ কী—জানতে চাইলে আইন উপদেষ্টা বলেন, দক্ষিণ প্লাজায় শপথ, বিএনপি এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিল। আমার ধারণা যেটা সেটা হচ্ছে, যেহেতু আমাদের এই সংসদটা একটু ভিন্ন। আমরা জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার যে আত্মত্যাগ, এই গণঅভ্যুত্থান, অনেক আত্মত্যাগ, কষ্ট, বেদনা ও প্রাণহানির বিনিময়ে আমরা এই সংসদটা পেয়েছি। এই সংসদটা অন্য সব সংসদের চেয়ে একটু ভিন্ন।
তিনি বলেন, তাছাড়া এই সংসদ প্রাঙ্গণে অনেকগুলো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। জুলাই ঘোষণা এবং জুলাই সনদ—এই দুইটাকে ঘিরে যে অনুষ্ঠান সেটাও সংসদেই আয়োজন করা হয়েছিল। এই সংসদের দক্ষিণ প্লাজাটা আমাদের কাছে আরও বিভিন্ন কারণে স্মরণীয়। আমাদের প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা হয়েছিল এটার পাশের জায়গায়। আমাদের যে সবার প্রিয় শহিদ ওসমান হাদি, তারও জানাজা হয়েছিল।
আসিফ নজরুল বলেন, অনেক স্মৃতি জড়িত আছে এখানে। সেই সঙ্গে এটা আমাদের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিন্ন যে ডকুমেন্টেশন, সেটার প্রকাশের একটা জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সবকিছু বিবেচনা করে হয়তো উনারা (বিএনপি) অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। আমরা সেই অনুযায়ী আয়োজন করেছি।
তিনি আরও বলেন, আজকে আমাদের একটা বিদায়ী বৈঠক ছিল। আমরা এখানে কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেইনি। আমরা আমাদের কাজকর্ম একটু ফিরে দেখলাম। তারপর আমাদের শপথ অনুষ্ঠান সম্পর্কে সবাইকে জানানো হলো। আমরা আমাদের অভিজ্ঞতার কথা বললাম। তেমন বড় কিছু না; এটা সবাই একসঙ্গে হয়ে শেষ বৈঠক করার মতোই।
২০ দিন আগে
নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মোদিকে আমন্ত্রণ প্রধান উপদেষ্টার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। দলের চেয়ারম্যান ও সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ঢাকা।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নয়াদিল্লি থেকে এক কূটনৈতিক সূত্র ইউএনবিকে বলে, ‘হ্যাঁ, আমরা অধ্যাপক ইউনুসের কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র পেয়েছি। তবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কে প্রতিনিধিত্ব করবেন, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত নিয়ে কাজ চলছে।’
সূত্র জানায়, চলতি মাসের ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি নয়াদিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’ অনুষ্ঠিত হবে। ওই সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁসহ প্রায় ২০ জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানকে আতিথ্য দেবে ভারত। এ কারণে মোদির ঢাকায় আসার সম্ভাবনা কম, তবে তিনি তার প্রতিনিধি পাঠাতে পারেন।
‘ইন্ডিয়া-এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বৈশ্বিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি হবে গ্লোবাল সাউথ অঞ্চলে আয়োজিত প্রথম বৈশ্বিক এআই সম্মেলন।
সূত্র আরও জানায়, ভারতীয় লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা এবং দেশটির পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি ঢাকায় আসতে পারেন। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও দেওয়া হয়নি।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবেন। শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একইদিন সকালে সংসদ ভবনে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। তাদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
সাধারণত মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয়। তবে দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান এবার হতে যাচ্ছে খোলা প্রাঙ্গণে।
২০ দিন আগে
বয়কটের হুমকির মধ্যেও বইমেলা আয়োজনে এগোচ্ছে বাংলা একাডেমি
বাংলাদেশের প্রধান সাহিত্য উৎসব অমর একুশে বইমেলা চলতি মাসের শেষ দিকে শুরু হতে যাচ্ছে। তবে রমজানের মধ্যে মেলা আয়োজন করলে প্রকাশনা খাতে বড় আর্থিক ক্ষতি হতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রকাশকরা এর বিরোধিতা করছেন।
বাংলা একাডেমি জানিয়েছে, আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা শুরু হবে। এদিকে বইমেলার সময়সূচি পুনর্বিবেচনা না করলে মেলা বর্জনের হুমকি দিয়েছেন তিন শতাধিক প্রকাশক।
অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ড. মো. সেলিম রেজা জানান, মেলার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে বেশ এগিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ‘গত মঙ্গলবার রাতে স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দের লটারি সম্পন্ন হয়েছে। বরাদ্দ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন প্রকাশকরা তাদের নির্ধারিত জায়গা সাজানোর কাজ শুরু করতে পারবেন।’
স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ নিশ্চিত করতে আগেই বরাদ্দের অর্থ পরিশোধের সময়সীমা ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে বাড়িয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি করেছিল বাংলা একাডেমি।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট ৬৬২টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে যা ২০২৫ সালের তুলনায় ১৩৩টি বেশি। এর মধ্যে ২৪টি নতুন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান স্টল বরাদ্দ পেয়েছে। অপরদিকে, মেলায় প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ২৩টি। এর মধ্যে ১১টি প্রতিষ্ঠিত এবং ১২টি নতুন প্রকাশনা সংস্থার জন্য।
বয়কটের হুমকি
২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৩ দিনব্যাপী রমজানের মধ্যে মেলা আয়োজনের সিদ্ধান্তে প্রকাশকরা তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন।
অন্যপ্রকাশের মাজহারুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশকদের একটি অংশ জানায়, ৩২১টি প্রকাশনা সংস্থা রমজানের পর মেলা আয়োজনের দাবি জানিয়েছে। মেলার এ সময়সূচি পরিবর্তন করা না হলে তারা মেলায় অংশ নেবে না।
অনেক প্রকাশক জানান, তারা আগেই এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাননি। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, রমজানে সাধারণত কর্মঘণ্টা কম থাকে এবং দিনের বেলা ক্রেতারা খুব বেশি খরচও করেন না—যা বই বিক্রিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে মেলায় অংশ নিলে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা রয়েছে।
তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা
মেলার বিষয়ে তাদের দাবি আদায়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছেও খোলা চিঠি পাঠিয়েছে প্রকাশকদের সংগঠন ‘প্রকাশক ঐক্য’। তারা মেলার আয়োজন বন্ধের ব্যাপারে দেশের সম্ভাব্য এ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
চিঠিতে বলা হয়, প্রায় ৯০ শতাংশ প্রকাশকের মতে রমজানে মেলায় অংশ নেওয়া ‘ব্যবসায়িক আত্মহত্যা’র শামিল হবে। ইতোমধ্যে ৩০০-এর বেশি মূলধারার প্রকাশক মেলায় অংশ নিতে অপারগতার কথা জানিয়েছেন।
প্রকাশকরা উল্লেখ করেন, ‘নির্বাচনের কারণে গত দুই মাস দেশের ছাপাখানাগুলো নির্বাচনি কাজে ব্যস্ত থাকায় সৃজনশীল বই উৎপাদনের কাজ পুরোপুরি বন্ধ ছিল। এছাড়া কাগজের আকাশচুম্বী দাম ও আনুষঙ্গিক সংকটে প্রকাশকরা এমনিতেই দিশেহারা। এমন বাস্তবতায় বিদায়ী প্রশাসন ও বাংলা একাডেমি আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা আয়োজনে অনড়, যা রমজান মাসে পড়বে।
‘রোজার কারণে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় প্রকাশকরা শঙ্কিত। ফলে মেলা পাঠকশূন্য ও নিষ্প্রাণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
এ অবস্থায় বারবার পুনর্বিবেচনার আবেদন সত্ত্বেও কেন বাংলা একাডেমি মেলা আয়োজনের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন প্রকাশকরা।
মেলা পেছানোর আহ্বান
প্রকাশকরা জানান, আমরা মেলা বর্জন করতে চাই না। আমরা চাই, সফল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক মেলা। রমজান ও নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা ঈদের পর মেলা আয়োজনের প্রস্তাব দেন।
প্রকাশক ঐক্যের পক্ষ থেকে চিঠিতে দুটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়। তা হলো— ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ঘোষিত ‘নামমাত্র’ বইমেলা স্থগিত করার নির্দেশনা এবং ঈদুল ফিতরের পর উৎসবমুখর পরিবেশে ও সব প্রকাশকের অংশগ্রহণে একটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রাণবন্ত বইমেলা আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ।
তারা আশা প্রকাশ করেন, ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিলে প্রকাশনা শিল্প বড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে এবং ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত অমর একুশে বইমেলার ঐতিহ্যও সংরক্ষিত থাকবে।
নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী মেলা আয়োজনের প্রস্তুতি চলায় আয়োজক ও প্রকাশকদের মধ্যে এক ধরনের দ্বন্দ্বের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আয়োজকরা চান মেলার ঐতিহ্য রক্ষা করে ফেব্রুয়ারি মাসেই মেলার আয়োজন করতে। অপরদিকে প্রকাশকরা চান অর্থনৈতিক বাস্তবতার কথা চিন্তা করে মেলার আয়োজন পিছিয়ে নিতে।
২০ দিন আগে
তারেক রহমানকে মিষ্টি ও ফুল পাঠালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান এই ফুল ও মিষ্টি গ্রহণ করেন। এ সময় গুলশান কার্যালয়ের বিশেষ কর্মকর্তা মেহেদুল ইসলাম মেহিদী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার জন্য বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের আমার সকল ভাইবোন ও সাধারণ মানুষকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তাদের সবাইকে জানাই অগ্রিম রমজান মোবারক। এই বিশাল জয়ের জন্য আমার ভাই তারেক, তার দল এবং অন্য সকল দলকে অভিনন্দন। প্রার্থনা করি আপনারা সবাই ভালো ও সুখে থাকুন।’
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হয়। একইসঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। ৩০০ আসনের বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে এককভাবে সরকার গঠন করতে কমপক্ষে ১৫১ আসন প্রয়োজন হয়। দুই শতাধিক আসন পাওয়ায় বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবেন। শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
অন্যদিকে, একইদিন সকালে সংসদ ভবনে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
২০ দিন আগে
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্বে সিরাজ উদ্দিন মিয়া
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিজ পদের অতিরিক্ত হিসেবে এ দায়িত্ব দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তিনিও চুক্তিভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করেছে সরকার। গতকাল (শনিবার) তার চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর আব্দুর রশীদকে ২ বছরের জন্য চুক্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী তার চলতি বছরের ৭ অক্টোবর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আট মাস আগেই সরে যেতে হলো তাকে।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
২০ দিন আগে
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সংবিধান অনুযায়ী নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের রাষ্ট্রপতি শপথ পড়াবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব রয়েছেন আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগ পাওয়া মো. সাহাবুদ্দিন। নতুন মন্ত্রিসভার শপথের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তুতি আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন জানতে চাইলে সাংবাদিকদের শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন।’ নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের জন্য কমবেশি এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে বলেও এ সময় জানান তিনি।
মন্ত্রিসভার সদস্য কতজন হবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেটা নির্ভর করে যিনি সংসদ নেতা, যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, তার ওপর; এটা তার ইচ্ছা। উনি কতজনকে মন্ত্রী হিসেবে এখন দেখতে চান বা পরে দেখতে চান।’
মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ ১৭ তারিখ না ১৮ তারিখ, কোন দিন ধরে কাজ করছেন—প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা তো বলতে পারছি না। বললাম তো, যদি আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয় বা ইঙ্গিতও দেওয়া হয় যে অমুক তারিখে অমুক সময়ে হবে, আমরা সেই মোতাবেক কাজ করব। সেটা কালকে হলেও কালকে কাজ করতে হবে। দুই দিন পরে হলে দুই দিন পরের জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। জানার পরে সেটা বলতে পারব, তার আগে কোনো তারিখ না।
২১ দিন আগে
বিশ্বাসযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হয়েছে: ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ২০০৮ সালের পর প্রথম ‘বিশ্বাসযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক’ নির্বাচন এবং দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত বলে উল্লেখ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। তবে নারী প্রার্থীর স্বল্পতা, বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতা, অনলাইনে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা এবং কিছু প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভারস ইয়াবস এ মূল্যায়ন তুলে ধরেন।
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনটি ছিল সত্যিকারের প্রতিযোগিতামূলক এবং নবায়ন করা আইনি কাঠামোর অধীনে অনুষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে নির্বাচনটি অনেকাংশে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল এবং মৌলিক স্বাধীনতা মোটামুটি গ্রহণযোগ্য হয়েছে। তবে স্থানীয়ভাবে কিছু রাজনৈতিক সহিংসতা এবং অনলাইন বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। একইসঙ্গে নারীদের জন্য সীমিত রাজনৈতিক পরিসর তাদের অংশগ্রহণে বাধা তৈরি করেছে।
ইভারস ইয়াবস জানান, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও স্বচ্ছভাবে কাজ করেছে এবং অংশীজনদের আস্থা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। নির্বাচনি আইনি কাঠামো গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনার জন্য উপযোগী হলেও আইনি নিশ্চয়তা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে আরও সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।
কমিশন গণমাধ্যমের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ বজায় রেখেছে, তবে কঠোর প্রচারণাবিধি সবক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ না হওয়ায় পক্ষপাতের অভিযোগও উঠেছে।
নির্বাচন প্রস্তুতি পেশাদারত্বের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বিদেশে থাকা প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার ভোটার ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন। ৮ লাখ ৫০ হাজারের বেশি নির্বাচনকর্মী প্রশিক্ষণ পেয়েছেন এবং সামগ্রী বিতরণও সুষ্ঠুভাবে হয়েছে। তবে বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্র প্রতিবন্ধী ও সীমিত চলাচলক্ষম ভোটারদের জন্য সহজ প্রবেশযোগ্য ছিল না।
ভোট গণনা ও ফল সংকলন মোটামুটি দক্ষতার সঙ্গে হলেও কিছু ক্ষেত্রে অখণ্ডতা রক্ষার ব্যবস্থা পুরোপুরি অনুসরণ হয়নি এবং তিনটি ঘটনায় ফল সংকলনে স্বচ্ছতার ঘাটতি লক্ষ করা হয়েছে। তবুও দলীয় এজেন্টদের উপস্থিতি এবং নিয়মিত ফল প্রকাশ জনআস্থা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।
প্রার্থী মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় ৬০০-এর বেশি আপিল নিষ্পত্তি এবং দুই-তৃতীয়াংশ প্রার্থী পুনর্বহালকে ইতিবাচক দিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তিনি বলেন, দুই হজারের এর বেশি প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় ভোটাররা বিস্তৃত রাজনৈতিক বিকল্প পেয়েছেন। প্রচারণা ছিল প্রাণবন্ত এবং প্রার্থীরা সমাবেশ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ভোগ করেছেন, যদিও শেষদিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পারস্পরিক অভিযোগ বেড়ে যায়।
নারীর অংশগ্রহণ কম হওয়াকে বড় হতাশা হিসেবে উল্লেখ করে ইভারস ইয়াবস বলেন, মাত্র ৪ শতাংশ প্রার্থী নারী ছিলেন। পিতৃতন্ত্র, বৈষম্য, অনলাইন হয়রানি ও চরিত্রহনন নারীদের অংশগ্রহণে বড় বাধা হিসেবে কাজ করেছে। আদিবাসী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন এবং জনপরিসরে ধর্মীয় বক্তব্যের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।
তিনি জানান, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অন্তত ৫৬টি সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া গেছে, যাতে শতাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটে। নারী প্রচারকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও সম্পত্তিতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। যেকোনো ধরনের সহিংসতা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পরিপন্থি বলে উল্লেখ করা হয়।
অনলাইন প্রচারণায় বিভ্রান্তিমূলক তথ্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উঠে এসেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষণে।
ইভারস ইয়াবস জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অন্তত ৩০টি ভুয়া তথ্যের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলোই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১০ লাখের বেশি ভিউ পেয়েছে। জাতীয় ফ্যাক্ট চেকিং উদ্যোগগুলো সক্রিয় থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতিক্রিয়া ধীর ছিল।
নাগরিক সমাজের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ৮১টি নাগরিক পর্যবেক্ষক দল নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছে এবং তরুণ কর্মীরা দেশজুড়ে ভোটার শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে গণতান্ত্রিক চর্চায় ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।
ইয়াবস বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ক্রমবর্ধমান পরিপক্বতার প্রতিফলন ঘটায় না, এমন পুরোনো চর্চা পরিত্যাগের সময় এসেছে। স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকার ও জবাবদিহিতা জোরদারের মাধ্যমে নতুন পথরেখা নির্ধারণ করতে হবে।’
ইউরোপীয় পার্লামেন্ট প্রতিনিধিদলের প্রধান টমাশ জদেচোভস্কি বলেন, ‘দেশ এখন একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করছে। নতুন সংসদ ও সরকারকে অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় অনুমোদিত সংস্কারগুলো বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি।’
২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে ইইউ পর্যবেক্ষক মিশন বাংলাদেশে অবস্থান করছে। ভোটের দিন মিশনের ২২৩ জন পর্যবেক্ষক রাজধানীসহ দেশের নানা প্রান্তের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে নিয়োজিত ছিলেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব সদস্যরাষ্ট্র ছাড়াও কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকেও পর্যবেক্ষকরা এই মিশনে যুক্ত হন। দেশের নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিও পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে মিশনটি। এরপর আগামী মাসগুলোতে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের উন্নয়নকল্পে সুপারিশসহ চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।
২১ দিন আগে
তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভূমিধ্বস বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের বিজয় অর্জন করায় আমি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। নির্বাচন সফল করায় বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানাই।
‘আমাদের ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে এবং দক্ষিণ এশিয়া ও এর বাইরে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের অভিন্ন লক্ষ্যে আমি বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।’
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করে বাংলাদেশের। দীর্ঘ ১৪ বছরের পর গত মাসের শেষের দিকে ঢাকা থেকে করাচিতে আকাশপথে বাণিজ্যিক যোগাযোগ শুরু হয়।
কয়েক মাস আগে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ১৩ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ঢাকা সফর করেন।
এছাড়া বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারাও নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশ দুটির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
২২ দিন আগে
তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদির অভিনন্দন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভূমিধ্বস বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এক্সে একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক বিজয়ের অভিমুখে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
‘এই ফলাফল আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন।’
তিনি আরও বলেন, ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজের আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং আমাদের অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যগুলো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিপ্রায়ে আপনার সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।
অন্যদিকে, ভারতের বিরোধী দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দলটির সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও নির্বাচনে জয়লাভ করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হ্যান্ডেলে তিনি এ শুভেচ্ছা বার্তা জানান।
অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি এবং অন্যান্য অনেক বিষয়ে অত্যন্ত গভীর যোগসূত্র রয়েছে।’
কংগ্রেস সভাপতি আরও উল্লেখ করেন, এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও শান্তির স্বার্থে একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি সকল ভারতের সকলের সমর্থন সর্বদা অব্যাহত থাকবে।
২২ দিন আগে
বিএনপি ও তারেক রহমানকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য বিএনপি এবং দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে একটি সফল ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছে দেশটি।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই শুভাচ্ছে বার্তা জানানো হয়।
বার্তায় বলা হয়েছে, একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি ও তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা। আমাদের দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।
২২ দিন আগে