বাংলাদেশ
দুর্নীতিতে ‘জিরো টলারেন্স’, চেইন অব কমান্ডে আপস নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশ বাহিনীতে দুর্নীতির কোনো স্থান নেই। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বজায় রাখা হবে এবং বাহিনীর চেইন অব কমান্ড ও শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না।
সোমবার (১১ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে ‘ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ প্রদান’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) একেএম আওলাদ হোসেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে অপরাধের ধরন ও মাত্রায় পরিবর্তন এসেছে। তাই সাইবার ক্রাইম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে একটি বিশেষায়িত ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ গঠন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের পেশাদারিত্ব বাড়াতে চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে দুটি নতুন পুলিশ প্রশিক্ষণ একাডেমি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি এলিট ফোর্সের জন্য এবং অন্যটি সাধারণ ফোর্সের জন্য হবে।
এলিট ফোর্সের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পৃথক আইন প্রণয়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়া জমি পাওয়া সাপেক্ষে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘পুলিশ স্পোর্টস কমপ্লেক্স’ নির্মাণ করা হবে।
অপারেশনাল কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে বডিওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুযায়ী ন্যূনতম বল প্রয়োগ নীতি অনুসরণে পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অপরাধ দমনে কৌশলী হতে হবে, তবে কোনো অবস্থাতেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না।’
তিনি পুলিশের সেবার মানোন্নয়নে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ও অনলাইন জিডিসহ সব ধরনের সেবা দ্রুততম সময়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ট্যুরিস্ট পুলিশের সক্ষমতা বাড়িয়ে পর্যটন খাতের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘৩১ দফার নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত হলো স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। “পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ”—এই মূলমন্ত্র ধারণ করে প্রতিটি থানাকে সেবার কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, আধুনিক পুলিশিং ডকট্রিন (পুলিশি মতবাদ) অনুযায়ী প্রিভেন্টিভ পুলিশিং বা অপরাধ সংঘটনের আগেই তা প্রতিরোধের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনামূলক ভাষণের আলোকে পুলিশের আধুনিকায়ন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়।
এতে অতিরিক্ত আইজিপি, ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা অংশ নেন।
২৪ দিন আগে
অবৈধ অভিবাসনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানাল সরকার
সাম্প্রতিক সময়ে ‘বাংলাদেশ-লিবিয়া-ইতালি’ রুটে অনিয়মিত অভিবাসনের সময় ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে কয়েকজন বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানিয়েছে সরকার।
এ লক্ষ্যে সোমবার (১১ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ‘মাইগ্রেশন অ্যান্ড মোবিলিটি-বাংলাদেশ সিচুয়েশন’ শীর্ষক এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। এতে পররাষ্ট্র সচিব, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত, লিবিয়া দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত এবং ঢাকাস্থ আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মিশন প্রধান অংশ নেন।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার অবৈধ অভিবাসনের ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।
তিনি অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গে জড়িত অসাধু সিন্ডিকেটগুলোকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তাদের আইনের আওতায় আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আলোচনায় ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন চলতি বছরের জুনে রাজনৈতিক আশ্রয় ও অভিবাসন বিষয়ে নতুন বিধিমালা কার্যকর করতে যাচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য আইনি প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়বে।
বৈঠকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন সম্প্রসারণের বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও ভাষাগত পারদর্শিতা অর্জনের পাশাপাশি নিয়মিত অভিবাসন প্রক্রিয়াকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা বলেন, নিয়মিত অভিবাসন সফলভাবে পরিচালনার জন্য গন্তব্য দেশের কর্মসংস্থানের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি নিতে হবে। একই সঙ্গে নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করার মতো অভিবাসন কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরও সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে তারা রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ ভিশন বাস্তবায়নে আরও বেশি অবদান রাখতে পারেন।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা অবৈধ অভিবাসন রোধ, নিয়মিত অভিবাসনকে উৎসাহিত করা এবং পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়াকে মানবিক, নিয়মিত ও অধিকারভিত্তিক রাখতে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন।
২৪ দিন আগে
রূপপুর থেকে পদ্মা সেতু: মেগা প্রকল্পে ‘ব্যাপক দুর্নীতি’র চিত্র তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী
রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্প, কর্ণফুলী টানেল ও পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে ‘ব্যাপক দুর্নীতি’ ও অস্বাভাবিক ব্যয়ের তথ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অতীতের এসব অনিয়মের ঋণের বোঝা এখন দেশের ২০ কোটি মানুষের ওপর এসে পড়েছে।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় তিনি মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) অডিট প্রতিবেদনের বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ করে এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার স্বাভাবিকভাবে যখন দায়িত্বভার গ্রহণ করেছি, আমরা প্রায় প্রত্যেকটি সেক্টর খুব ভঙ্গুর অবস্থায় পেয়েছি। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে যখন সরকার যাত্রা শুরু করে, সেরকম একটা অবস্থার মধ্যে আমরা এই দেশটিকে পেয়েছি।’
তিনি বলেন, বর্তমানে দায়িত্বে থাকার কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বাস্তব পরিস্থিতি জানার সুযোগ হচ্ছে। কয়েকদিন আগে মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন অডিট রিপোর্টের বিষয় তুলে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘এটি আমি রাজনৈতিকভাবে উপস্থাপন করছি না, আমি বাস্তবতা তুলে ধরছি। আমি কাউকে রাজনৈতিকভাবে দোষারোপ করছি না। এদেশের নাগরিক আমরা-আপনারা, আপনাদের সন্তানরা এদেশে বড় হচ্ছে, সেজন্যই আমি কথাগুলো তুলে ধরছি।’
অডিট প্রতিবেদনের কিছু তথ্য পরে সংবাদপত্রেও প্রকাশিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রূপপুর প্রকল্পের ব্যয় নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অডিটর জেনারেল সাহেবের অনেকগুলো কথার মধ্যে আমি খুব আশ্চর্য হয়েছি। আগে পত্রিকায় পড়েছিলাম। স্বাভাবিকভাবে পত্রিকায় ওভাবে না দেখলেও অডিটর জেনারেল যেহেতু অডিট করেছেন, পরিষ্কারভাবে কথাগুলো ফুটে উঠেছে বা বেরিয়ে এসেছে।
তিনি বলেন, রূপপুর প্রকল্পে বিদেশিদের জন্য ফুল-ফার্নিশড কোয়ার্টার নির্মাণ করা হয়। সেখানে একটি বালিশের দাম ধরা হয়েছে ৮০ হাজার টাকা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি একজন স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে চিন্তা করতে পারেন, কখনো কোনো বালিশের দাম পৃথিবীতে ৮০ হাজার টাকা হতে পারে?’
তিনি আরও বলেন, ‘সেখানে ফার্নিচার যেহেতু ছিল, ড্রেসিং টেবিল কেনা হয়েছে। এটি অডিটর জেনারেল সাহেবের কথা। যে ড্রেসিং টেবিল উনার ধারণা ৩০/৩৫ হাজার টাকা দাম, সেই তার দাম ধরা হয়েছে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা।’
গত ৫ মে বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে ২০২১-২২ অর্থবছরের ৩৮টি অডিট রিপোর্ট জমা দেন।
রূপপুর প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই রূপপুর প্রকল্পটি… সিমিলার (একইরকম) প্রকল্প আমাদের পাশের একটি দেশ করেছে। তাদের লেগেছে সম্ভবত ১৪ হাজার কোটি টাকার মতো। বাংলাদেশের রূপপুরে যে প্রকল্পটি করা হয়েছে, এটির খরচ আল্টিমেটলি খুব সম্ভবত দাঁড়িয়েছে ৯৬ হাজার কোটি টাকা।’
কর্ণফুলী টানেল প্রকল্প নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, টানেলের ওপারে ‘খুব স্ট্যান্ডার্ড, বেশ লাক্সারিয়াস’ অ্যাপার্টমেন্ট বা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, যার কোনো প্রয়োজন ছিল না। সেখানে কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।
তিনি বলেন, অডিট তদন্তে আরও উঠে এসেছে যে কর্ণফুলী টানেলে ঢোকা ও বের হওয়ার মুখে দুই পাশে গাছ লাগানোর কথা থাকলেও বাস্তবে কোনো গাছ পাওয়া যায়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই গাছের জন্য ৫০ কোটি টাকা তুলে নিয়ে চলে গিয়েছে।’
২৪ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৫৯টি শিশু।
সোমবার (১১ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩৫০টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৪১৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১১৮টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৪১। এই সময়ে ১ হাজার ৭১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৩০টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ৫০০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ৯৩৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৩৫ হাজার ৯৮০ রোগী, যাদের মধ্যে ৩১ হাজার ৯৯২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২৪ দিন আগে
৫ বছরে ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে লালমনিরহাট জেলা স্টেডিয়ামে প্রাণ-আরএফএল আয়োজিত চাকরি মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, দেশে বেকারত্ব বর্তমানে একটি বড় অভিশাপ হিসেবে দেখা দিয়েছে এবং তা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এ সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে নানা ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। ধীরে ধীরে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি হতদরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে খাল খননসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এতে হতদরিদ্ররা কাজের সুযোগ পাচ্ছে।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মধ্য দিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শিগগিরই শুরু হবে।
এ সময় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহা. রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক ও প্রাণ-আরএফএল কোম্পানির বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
চাকরি মেলায় জেলার কয়েক হাজার তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করেছেন। সেখানে তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে চাকরির সুযোগ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে এক হাজার কর্মসংস্থানহীন তরুণ-তরুণীকে চাকরি প্রদান করা হবে।
২৪ দিন আগে
পুলিশকে মতাদর্শগত বিভেদ ভুলে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থে একযোগে কাজ করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১১ মে) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশটা আমাদের সবার। সবাই মিলে দেশটাকে রক্ষা করতে হবে। আমরা সবাই একই মতাদর্শের নাও হতে পারি। কিন্তু আপনারা যখন সরকারের সঙ্গে কাজ করবেন, সেই কাজের মধ্যে যেনো নিজেদের ভিন্ন মতাদর্শ প্রতিফলিত না হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রত্যেকের ভিন্ন মতের প্রতিফলন ঘটবে কেবলমাত্র ভোটের বাক্সে। তার আগে আমরা সবাই এই দেশটাকে ভালোবাসব। দেশের স্বার্থে আমরা সবাই এক থাকব।’
এর আগে, সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে দেশের জনগণকে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নানা দিক নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
পুলিশ কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই দেখার নির্দেশ দেন তারেক রহমান। একইসঙ্গে দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সরকারের আপসহীন অবস্থানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টাইগার গেটের সামনে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২৪ দিন আগে
প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছাড়ব, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন সহ্য করব না: ধর্মমন্ত্রী
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেছেন, প্রয়োজনবোধে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবেন, কিন্তু কোনো সংখ্যালঘু বা অন্য ধর্মের মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করা হবে না।
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ভারত তো বিশাল দেশ। তাদের আমি শ্রদ্ধা করি। তাদের দেশে গণতন্ত্রকে খুব লালন করা হয়, এজন্য আমি শ্রদ্ধা করি। তবে মন থেকে আরও বেশি শ্রদ্ধা করব, যদি তারা তাদের দেশের সংখ্যালঘুদের আপন করে নেয়, নিরাপত্তা দেয় এবং তাদের জনগণের একটি অংশ হিসেবে মনে করে সমস্ত ব্যবস্থা নেয়।
তিনি বলেন, ‘তবে আমি একটা কথা বলি, ভারতে কী ঘটছে, সেটা বড় বিষয় নয়। ভারতে ঘটছে বলে বাংলাদেশেও ঘটবে, এমনটা হতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনবোধে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, কিন্তু এখানে কোনো সংখ্যালঘুদের ওপর, কোনো অন্য ধর্মাবলম্বীর ওপর অত্যাচার, অবিচার, জুলুম, নির্যাতন সহ্য করব না ইনশাআল্লাহ।’
এ বিষয়ে সরকার কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না জানতে চাইলে ধর্মমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই আমরা চেষ্টা করব। আমাদের সরকারপ্রধান আছেন, তিনি অবশ্যই বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করছেন। এ ব্যাপারে তিনি অবশ্যই তার পক্ষ থেকে কথা বলবেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।
২৪ দিন আগে
চার সপ্তাহের মধ্যে হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, হাম প্রতিরোধে যাদের টিকা দেওয়া হয়েছে, তাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে চার সপ্তাহ সময় লাগবে। এরপর দেশে হামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।
সোমবার (১১ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘চার বছর পরপর হামের টিকা দেওয়ার কথা ছিল। ২০২০ সালের পর এর ধারাবাহিকতা না থাকায় হাম বর্তমান পরিস্থিতি ধারণ করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকারের হাতে হামের কোনো ভ্যাকসিন ছিল না। অল্প সময়ের মধ্যে টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে রোগীর সংখ্যা কমেছে।’
আজ (সোমবার) হঠাৎ করে বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সকাল ১০টায় বরিশাল সদর হাসপাতাল পরিদর্শনকালে প্রথমেই তিনি টিকিট কাউন্টারে যান। সেখানে এক কর্মীকে অনুপস্থিত পেয়ে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন তিনি। পরে তিনি চিকিৎসকদের হাজিরা খাতা পরিদর্শন করেন। এ সময় রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
২৪ দিন আগে
নৌপরিবহন খাত-সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে সমন্বয়হীনতা রয়েছে: মন্ত্রী
নৌ পরিবহন খাতের শ্রমিক, নাবিক, মালিক ও ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে অসন্তোষ ও সমন্বয়হীনতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
রবিবার (১০ মে) রাজধানীর ঢাকা লেডিস ক্লাবে নৌ পরিবহন অধিদপ্তর আয়োজিত ‘নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ ২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ রবিউল আলম বলেন, একটি নৌযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে যত দপ্তর ও সংস্থা প্রয়োজন, তার সবই দেশে রয়েছে। শুধু নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনেই প্রায় ১৬টি সংস্থা কাজ করছে। তারপরও ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি ও অপূর্ণতা থেকে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, এর দায় এককভাবে কারও নয়, বরং সবার। শ্রমিকরা দেশ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, কিন্তু রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে মালিক, শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল হতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও অনেকাংশে শ্রমনির্ভর। গার্মেন্টস শ্রমিক ও প্রবাসী শ্রমিকদের অবদান ছাড়া দেশের অর্থনীতি সচল রাখা সম্ভব নয়। একইসঙ্গে দেশের ভেতরের শ্রমজীবী মানুষেরাও নীরবে রাষ্ট্র গঠনে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক আশীর্বাদগুলোর একটি হলো প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ।
২৫ দিন আগে
নৌপথকে শতভাগ নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব করতে সরকার বদ্ধপরিকর: নৌপরিবহন মন্ত্রী
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের নৌপথে যাত্রা নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন করতে সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
রবিবার (১০ মে) রাজধানীর ইস্কাটনে ঢাকা লেডিস ক্লাবে নৌপরিবহন অধিদপ্তর আয়োজিত ‘নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নৌপথে নিরাপত্তা জোরদার, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ (রবিবার) থেকে ঢাকায় সপ্তাহব্যাপী ‘নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ ২০২৬’ শুরু হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, বিপদমুক্ত নৌযাত্রা, জানমালের সুরক্ষা।
মন্ত্রী বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশে নৌপথ মানুষের জীবন ও জীবিকার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে নৌদুর্ঘটনা এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার, নৌযান মালিক, চালক ও যাত্রী সবাইকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে নৌযানের ফিটনেস নিশ্চিতকরণ, চালকদের প্রশিক্ষণ এবং নৌপথ চিহ্নিতকরণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে। একইসঙ্গে নৌপথে নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে।
শেখ রবিউল আলম বলেন আমরা চাই প্রতিটি নৌযাত্রা হোক নিরাপদ এবং প্রতিটি পরিবার নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাক। দেশের নৌপথকে শতভাগ নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর।’
এ সময় মন্ত্রী নৌযান পরিচালনায় নিয়মনীতি মেনে চলা, অতিরিক্ত যাত্রী বহন বন্ধ এবং প্রতিটি নৌযানে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা, নিবন্ধন কার্যক্রম এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, ‘সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে নৌপথে দুর্ঘটনা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা সম্ভব।’ তিনি ঈদযাত্রাকে সামনে রেখে অনুমোদন ও ফিটনেসবিহীন নৌযান চলাচল বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও নৌপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেন।
নৌপরিবহন সচিব জাকারিয়া বলেন, সারা দেশে পরিচালিত নৌযান শুমারির মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক অনিবন্ধিত নৌযান শনাক্ত করা হয়েছে এবং সেগুলোকে দ্রুত নিবন্ধনের আওতায় আনতে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারী বলেন, ডিজিটাল নাম্বার প্লেট, অনলাইন সেবা প্রদান, লাইফ জ্যাকেট ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা এবং এলটিএমএস সফটওয়্যার চালুর মাধ্যমে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর নৌ-নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নৌখাতে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, নৌযান মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধি, নৌপুলিশ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
২৫ দিন আগে