বাংলাদেশ
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ভোরে রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসভবন থেকে তাকে আটক করা হয়।
ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া) এন এম নাসিরউদ্দিন জানান, আজ (মঙ্গলবার) ভোরে ধানমন্ডির বাসভবন থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। তবে তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে তা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, বিভিন্ন থানায় দায়ের করা বেশ কয়েকটি মামলায় সাবেক এই স্পিকারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। মামলার বিস্তারিত এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরবর্তীতে জানানো হবে বলে ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ২৭ দিনের মাথায় ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর স্পিকার পদ থেকে পদত্যাগ করেন শিরীন শারমিন।
২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আব্দুল হামিদ স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল শিরীন শারমিন চৌধুরী স্পিকার হিসেবে তার স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
৫৯ দিন আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফর: দিল্লির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে জোর দেবে ঢাকা
পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বার্থের ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী বাংলাদেশ। এই লক্ষ্য নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান চলতি সপ্তাহে ভারত সফরে যাচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে হওয়া আলোচনার প্রেক্ষাপটে এই শুভেচ্ছা সফরটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
ঢাকা এই সফরকে শুভেচ্ছা সফর হিসেবে অভিহিত করলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতি গভীরভাবে বুঝতে এবং বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে নয়াদিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সফরকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস বিষয়কমন্ত্রী হারদীপ সিং পুরীর সঙ্গেও ড. খলিলুর রহমানের বৈঠকের কথা রয়েছে।
প্রত্যর্পণ ও সীমান্ত ইস্যু
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করবে বাংলাদেশ। এছাড়া ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদসহ অন্যান্য আসামিদের দ্রুত ফেরত চাইবে ঢাকা। মাসুদ বর্তমানে কলকাতায় গ্রেপ্তার রয়েছেন।
এ বিষয়ে একজন ঊর্ধ্বতন বলেন, এটি সময়সাপেক্ষ হতে পারে, তবে আমরা আসামিদের যত দ্রুত সম্ভব ফেরত দেখতে চাই।
ভিসা সেবা পুরোপুরি চালুর বিষয়েও ভারতের কাছ থেকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যাশা করবে ঢাকা। চিকিৎসা পর্যটন থেকে ভারত উল্লেখযোগ্যভাবে লাভবান হতে পারে, সে বিষয়টিও সেখানে উল্লেখ করা হবে। এছাড়া সীমান্ত ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সীমান্তে আর কোনো প্রাণহানি যেন না ঘটে, সে বিষয়ে জোর দেবে বাংলাদেশ।
উভয় পক্ষ জ্বালানি সহযোগিতা, অভিন্ন নদীগুলোর পানি বণ্টন এবং বাণিজ্য বাধা সহজ করার পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে এক কর্মকর্তা বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি এবং আরও বহুবিধ সাদৃশ্যের গভীর বন্ধন রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যেকোনো দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব বিষয়ই আলোচনায় আসে।
সফরের সময়সূচি
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার বিকেলে নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। সেখান থেকে তিনি মরিশাস যাবেন। নয়াদিল্লি সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির তার সঙ্গে থাকবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর এটিই হবে ভারতে প্রথম উচ্চপর্যায়ের সফর। দিল্লিতে আগামী ৮ এপ্রিল দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
ভারতের আমন্ত্রণ ও ভবিষ্যৎ সম্পর্ক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এই আমন্ত্রণপত্রটি হস্তান্তর করেছিলেন। মোদি তার চিঠিতে দুই দেশের মধ্যে সংযোগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং জনযোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন।
এদিকে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা আজ (সোমবার) পারস্পরিক স্বার্থ ও দ্বিপাক্ষিক লাভের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের সঙ্গে ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং দূরদর্শী পন্থায় একত্রে কাজ করার বিষয়ে ভারতের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ভারতীয় দূত এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।
বৈঠক শেষে ভারতীয় হাইকমিশন জানায়, আলোচনায় দুই দেশের জাতীয় উন্নয়নের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনকেন্দ্রিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে দ্বিপাক্ষিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকের আলোচনায় জনস্বাস্থ্য, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, নারীর ক্ষমতায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, ব্যবসা সহজীকরণ, প্রযুক্তিগত অংশীদারত্ব এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো স্থান পায়।
হাইকমিশনার বলেন, অর্থনৈতিক ও সংযোগমূলক সম্পর্ক শক্তিশালী করার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিনিময় বৃদ্ধির মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সহযোগিতাকে ভৌগোলিক নৈকট্য থেকে নতুন সুযোগে রূপান্তর করা উচিত।
পানি বণ্টন
আলোচনায় তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়টি বাংলাদেশ আবারও উত্থাপন করবে। এছাড়া ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ এ বছর ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে। এটি নবায়নের বিষয়টিও এবারের আলোচনায় স্থান পেতে পারে।
এর আগে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে চুক্তিটি নবায়নের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তখন বিষয়টি এগিয়ে নেয়নি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতও এ ক্ষেত্রে ভারত সরকার বিবেচনায় নিচ্ছে।
ভিসা ও সংযোগ
নিরাপত্তাজনিত কারণে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে স্থগিত থাকা পর্যটন ভিসা পুনরায় চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলবে বাংলাদেশ। বর্তমানে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলোতে জনবল স্বল্পতা থাকায় সেবা পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে পরিবহন, জ্বালানি এবং ডিজিটাল সংযোগ বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হবে।
প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও দুই দেশ কাজ করছে। সম্প্রতি ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ এবং ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদির মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় যৌথ প্রশিক্ষণ ও গভীর সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, ঢাকা ও দিল্লি উভয় পক্ষই এখন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন করে সাজাতে কাজ করছে যা দুই দেশের জন্যই নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে।
৫৯ দিন আগে
একনেকে ৪৮৩ কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন
৪৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকার পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এর মধ্যে সরকার অর্থায়ন করবে ৩৯০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা এবং ৯২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা প্রকল্পঋণ থেকে নেওয়া হবে।
সোমবার (৭ এপ্রিল) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় মোট পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে তিনটি সংশোধিত এবং দুটি মেয়াদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রকল্প ছিল।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প রয়েছে। সেগুলো হলো: সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২ (জিএসআইডিপি-২) (প্রথম সংশোধন) এবং চর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট প্রকল্প-৪ (সিডিএসপি-৪) (তৃতীয় সংশোধন)।
এছাড়া, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন (দ্বিতীয় সংশোধিত)’ শীর্ষক একটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনবল তৈরি এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
অন্যদিকে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন (কম্পোনেন্ট-২): দেশের ৮টি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডায়াগনস্টিক ইমেজিং ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ (১ম সংশোধিত)’ এবং ‘গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্প। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণ এবং বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সভায় পরিকল্পনা ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৫৯ দিন আগে
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিলবোর্ডের বাতিও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দোকান ও শপিংমলের পাশাপাশি মেলা বা বাণিজ্য মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিলবোর্ডের বাতিও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানিয়ে সোমবার (৬ এপ্রিল) সকল বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর আগে এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, গত ৪ এপ্রিল দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তাদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দেন। একই সময়সীমা দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান এবং অনুষ্ঠিতব্য মেলা বা বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
এতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখা, সব বিলবোর্ডের বাতি বাধ্যতামূলকভাবে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করা এবং চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য মেলা বা বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও একই সময়ের মধ্যে বন্ধ করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সকল কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের প্রতি নির্দেশনা জারির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অনুরোধ জানিয়েছে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে।
৫৯ দিন আগে
১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিন সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা
আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত (৫৮ দিন) বঙ্গোপসাগরে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন ইলিশ আহরণ বন্ধ রাখা হবে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এ ঘোষণা দেন।
মন্ত্রী বলেন, ইলিশ সম্পদ রক্ষা ও টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে সরকার সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ৭ থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশব্যাপী ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২৬’ উদযাপিত হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগে ইলিশের টেকসই উৎপাদন বৃদ্ধিসহ ইলিশ মাছের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসার জন্য বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এর মধ্যে জাটকা ও প্রজননক্ষম ইলিশ সংরক্ষণ, নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা, অভয়াশ্রম স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা এবং মৎস্য সংরক্ষণ আইনের সফল বাস্তবায়ন অন্যতম। এসব কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নের ফলে ইলিশ উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকে এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৫ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে।
তিনি বলেন, নদী ভরাট, জলবায়ু পরিবর্তন, নদী দূষণ ও মৎস্যসম্পদের ওপর ক্রমাগত চাপ বৃদ্ধির ফলে ইলিশ মাছ উৎপাদনের এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখা এক বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সকলকে সঙ্গে নিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এগিয়ে যাবে।
মন্ত্রী বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ইলিশ ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। জনসাধারণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জেলেদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ, গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখা এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইলিশ মাছের গুরুত্ব অপরিসীম।
তিনি আরও বলেন, দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের অবদান প্রায় ৯ দশমিক ৭৯ শতাংশ। দেশজ জিডিপিতে ইলিশের অবদান প্রায় ১ শতাংশ। বিশ্বের মোট উৎপাদিত ইলিশের প্রায় ৮০ শতাংশের বেশি আহরিত হয় এ দেশের নদ-নদী, মোহনা ও সাগর থেকে। ইলিশ আহরণকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষ স্থানে রয়েছে।
আমিন উর রশিদ বলেন, বাংলাদেশের ইলিশ ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃত। বাংলাদেশের প্রায় ৬ লাখ লোক ইলিশ আহরণে সরাসরি নিয়োজিত এবং ২০-২৫ লাখ লোক ইলিশ পরিবহন, বিক্রয়, জাল ও নৌকা তৈরি, বরফ উৎপাদন, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি ইত্যাদি কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত। তাই ইলিশ সম্পদের উন্নয়নের মাধ্যমে সারাদেশের মানুষের হাতের নাগালে ইলিশ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচি দেশের ইলিশসমৃদ্ধ ২০টি জেলায় পালিত হবে। এ লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ৭ এপ্রিল চাঁদপুর সদরে সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘জাটকা ধরা থামাই যদি, ইলিশে ভরবে সাগর-নদী।
ইলিশ রক্ষায় সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ইলিশ সম্পদের টেকসই উন্নয়নে সরকার ইতোমধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত (৫৮ দিন) বঙ্গোপসাগরে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা, প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন ইলিশ আহরণ বন্ধ রাখা। ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত জাটকা ধরা, পরিবহন ও বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ৬টি ইলিশ অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা ও নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা বন্ধ, ৩ হাজার ১৮৮ বর্গকিলোমিটার এলাকায় সামুদ্রিক সংরক্ষিত অঞ্চল ঘোষণা এবং জেলেদের জন্য ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া ‘সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ’ এবং ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন’ প্রকল্প বাস্তবায়নসহ আইন সংশোধন ও কঠোর প্রয়োগ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ইলিশের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আমিন উর রশিদ বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি করা। উৎপাদন বাড়লে সরবরাহ বাড়বে এবং সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে স্বাভাবিকভাবেই বাজারে ইলিশের দাম কমে আসবে। তিনি আরও বলেন, ইলিশের উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াকে আগের চেয়ে আরও উন্নত ও কার্যকর করার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
পাশের দেশে ইলিশ পাচার ও অবৈধ রপ্তানি বন্ধে সরকার কোনো উদ্যোগ নেবে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এর মধ্যে আপনি দেখেছেন, আমরা বিভিন্ন আইনশৃখলা বাহিনীর সঙ্গেও আমরা প্রতিনিয়ত মিটিং করি। কালকের পর থেকে সমস্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের সহযোগিতা করবে। একেবারে গভীর সমুদ্র থেকে শুরু করে উপরের বাজার পর্যন্ত আমরা তদারকি করছি। এখানে ঝাটকা বিক্রি করে কি না আরও তদারকি করছি, ঘাট তদারকি করছি। আর মাছ ধরা বন্ধ করার জন্য নদী বা সমুদ্রে তো আমাদের কোস্টগার্ড বা নৌবাহিনী এবং নৌ পুলিশ সবাই আছে।
ইলিশ রপ্তানি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইলিশ রপ্তানি বাংলাদেশ সরকার করে না। এটা কিছু কিছু সময় ভারতে যায় যখন পূজা হয়। উনারাও বাঙালি, আপনার যেমন ইলিশের প্রতি একটা দুর্বলতা আছে, একইভাবে তাদেরও একটা দুর্বলতা আছে। ওটা সৌজন্যমূলক সরকার-টু-সরকার। ইলিশের বাণিজ্যিক রপ্তানি না থাকলেও বিশেষ ক্ষেত্রে সৌজন্যমূলকভাবে প্রতিবেশী দেশে সীমিত পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি হয়। যদি পাঠায় এটা সরকারপ্রধান জানেন।
অন্যদিকে, জেলেদের সহায়তায় সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, গত দুই মাসে ৪০ হাজার জেলে পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এই সহায়তার মধ্যে রয়েছে ৮০ কেজি চাল, ১২ কেজি আটা, ১০ কেজি তেল, ৪ কেজি চিনি, ৮ কেজি ডাল এবং ১৬ কেজি আলু, যার মোট মূল্য প্রায় ৬ হাজার টাকা।
তিনি আরও বলেন, অতীতে জেলেরা এত পরিমাণ খাদ্য সহায়তা পায়নি। এরপরও স্থানীয় সংসদ সদস্যরা জেলেদের সহযোগিতা করে যাবেন। তিনি বলেন, সরকার কোনো অনিয়মকে প্রশ্রয় দেবে না এবং যেখানে অনিয়ম পাওয়া যাবে, সেখানে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৫৯ দিন আগে
ঢাকার সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলকভাবে কাজ করতে আগ্রহী দিল্লি: প্রধানমন্ত্রীকে প্রণয় ভার্মা
পারস্পরিক স্বার্থ ও দ্বিপাক্ষিক লাভের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের সঙ্গে ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং দূরদর্শী পন্থায় একত্রে কাজ করার বিষয়ে ভারতের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যালয়ে তার সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ভারতীয় হাইকমিশনার এই আগ্রহের কথা জানান।
৫৯ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে নতুন সরকারের প্রথম একনেক সভা শুরু
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বর্তমান সরকারের অধীনে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) প্রথম বৈঠক শুরু হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন ও আলোচনার জন্য উপস্থিত রয়েছেন।
৫৯ দিন আগে
চৈত্র সংক্রান্তিতে তিন পার্বত্য জেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা
চৈত্র সংক্রান্তি ও বৈসাবি উৎসব উপলক্ষে আগামী ১৩ এপ্রিল দেশের তিন পার্বত্য জেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
রবিবার (৫ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ১৩ এপ্রিল ‘চৈত্র সংক্রান্তি’ উপলক্ষে তিন পার্বত্য জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সাধারণ ছুটি থাকবে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই তিন পার্বত্য জেলার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য স্থানে বসবাসরত সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য এদিনটি ‘ঐচ্ছিক ছুটি’ হিসেবে গণ্য হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’ (বৈসু, সাংগ্রাই ও বিজু) উদযাপনকে আনন্দময় করতে সরকার প্রতিবছরই এই বিশেষ ছুটির ব্যবস্থা করে থাকে।
৫৯ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকটি বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে জনস্বাস্থ্য, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, নারীর ক্ষমতায়ন, পল্লী উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, ব্যবসা সহজীকরণ, প্রযুক্তি অংশীদারত্ব এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর আলোকপাত করা হয়।
বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাই কমিশনার পবন বাধে উপস্থিত ছিলেন।
৫৯ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র হলেন মাহদী আমিন ও সালেহ শিবলী
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম সালেহ (সালেহ শিবলী)।
রবিবার (৫ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর ২৮ (৪) বিধি মোতাবেক মাহদী আমিন এবং সালেহ শিবলী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট সরকারি তথ্য প্রেস, মিডিয়া এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে প্রদান ও প্রচারের জন্য মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদাপ্রাপ্ত উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং দলটির মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। নির্বাচনের সময় গুলশানে দলের নির্বাচনি কার্যালয় থেকে তিনি নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরতেন।
অন্যদিকে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সরকার সালেহ শিবলীকে সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়। এর আগে, ৩ জানুয়ারি তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রেস সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন। তিনি গত কয়েক দশক ধরে তারেক রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে কাজ করছেন।
সালেহ শিবলী এর আগে বার্তা সংস্থা ইউএনবি, দৈনিক মানবজমিন, দৈনিক বাংলাবাজার, রেডিও টুডে এবং চ্যানেল আইসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। চার দলীয় জোট সরকারের আমলে তিনি কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে প্রথম সচিব (প্রেস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
৬০ দিন আগে