বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো গোপন চুক্তি নেই, রাশিয়ার তেল কিনতে ছাড়পত্র দরকার হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো গোপন চুক্তি নেই; যেসব চুক্তি হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তবে রাশিয়ার তেল আমদানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে বাংলাদেশকে ছাড়পত্র (ওয়েভার) নিতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (৫ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো গোপন চুক্তি নেই। যেসব চুক্তি হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, এই চুক্তির কারণে আমাদের আমেরিকার কাছ থেকে পারমিশন (অনুমতি) নিতে হচ্ছে। এটা একেবারে মিথ্যা কথা। রাশিয়ার তেল কেনার ব্যাপারে সব দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আছে। সেই নিষেধাজ্ঞার কারণে ওয়েভারের (ছাড়পত্র) প্রয়োজন হবে। এটার সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে। যদিও আলোচনার কিছু বিষয় গোপনীয়তার কারণে প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করবে বলে নিশ্চয়তা দিয়েছে।
দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র কোনোভাবে সহায়তা করতে পারবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির চেষ্টা করছে এবং সবচেয়ে সাশ্রয়ী উৎস থেকেই তেল কেনা হবে। এ ক্ষেত্রে ভারত, মধ্যপ্রাচ্য বা যুক্তরাষ্ট্র সব বিকল্পই খোলা রাখা হয়েছে। এই চুক্তির কারণে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তেল আমদানির অনুমতি নিতে হচ্ছে, এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
রাশিয়া থেকে তেল আমদানির প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক কিছু নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যার কারণে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ছাড় বা ওয়েভার প্রয়োজন হতে পারে। তবে এর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বাণিজ্যিক চুক্তির সম্পর্ক নেই।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি জানান, এটি ছিল দুজনের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ। এতে দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি, বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সহায়তা নিয়েও কথা হয়।
বৈঠকে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত তাকে দুটি আলোকচিত্র এবং হোয়াইট হাউসের একটি প্রতিরূপ উপহার দেন। একটি ছবিতে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারকে দেখা যায়, অন্যটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সিনিয়রকে দেখা যায়।
বৈঠক শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বৈঠক খুবই ফলপ্রসূ ছিল। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের কল্যাণে অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।’
৬০ দিন আগে
সব ধরনের জ্বালানির তিন মাসের মজুদ নিশ্চিত করা হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
সব ধরনের জ্বালানির তিন মাসের মজুদ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী তিনি বলেন, যাদের সঙ্গে আমাদের চুক্তি ছিল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তারা অনেকেই ফোর্স মেজর (চুক্তি পালন করতে না পারলে দায়মুক্তি সংক্রান্ত ধারা) ডিক্লেয়ার করেছে। এজন্য জ্বালানি সংগ্রহে আমাদের নতুন নতুন উৎস অনুসন্ধান করতে হয়েছে। আমরা কিছু ভালো উৎস পেয়েছি। তাদের অনেকের সঙ্গে আমরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছি।
তিনি জানান, যদি এটা বাস্তবায়ন হয় আমরা প্রয়োজনে তাদের কাছ থেকে আগামী তিন মাসের জ্বালানি সংগ্রহ করার জন্য সকল প্রস্তুতি আমরা গ্রহণ করেছি, এটা ডিজেলের ক্ষেত্রে। আর পেট্রোল ও অকটেনের ক্ষেত্রে আনুমানিক তিন মাসের মতো আমরা কিন্তু নিশ্চিত করতে পেরেছি, অর্থাৎ আমাদের কাছে সেটা রেডি।
তিনি আরও জানান, আগামী তিন মাসের জন্য জ্বালানি সংরক্ষণের পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি। এপ্রিল মাসের ডিজেলের চাহিদা পূরণের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, আমরা যদি প্রত্যেকে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি ব্যবহার করি, তাহলে পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন থাকবে না। আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, পেট্রোল পাম্পে যে লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে, তা মূলত অকটেন ও ডিজেলের জন্য। অকটেনের চাহিদা মোট চাহিদার প্রায় ৬ শতাংশ, পেট্রোলেরও প্রায় ৬ শতাংশ, অর্থাৎ মোট ১২ শতাংশ। বাকি ৮৮ শতাংশ চাহিদা খুবই স্বাভাবিকভাবে পূরণ হচ্ছে। সে কারণে সামগ্রিক কোনো সংকট আমরা দেখছি না।
তবে কিছু জায়গায় অসৎ উদ্দেশ্যে কিছু ঘটনা ঘটছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার তার মেশিনারিজ নিয়ে কাজ করছে। আজ সকালেও আমরা দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছি। সেখানে আলোচনা হয়েছে কীভাবে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া যায়। বিপিসি এবং পদ্মা, মেঘনা, যমুনা কোম্পানির পক্ষেও যদি কোনো ত্রুটি থাকে, তা সংশোধন করে সরবরাহ ব্যবস্থা আরও মসৃণ করার চেষ্টা চলছে, যাতে জনদুর্ভোগ কমে এবং জনগণও দায়িত্বশীল আচরণ করে।
তিনি আরও বলেন, এই ধরনের সংকট দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। যুদ্ধ শেষ হলেও এর প্রভাব কিছুদিন থাকতে পারে। সে কারণেই আমরা তিন মাসের জ্বালানি সংরক্ষণের পরিকল্পনা করছি। ডিজেলের ক্ষেত্রে একটি বড় বিষয় হচ্ছে স্টোরেজ ক্যাপাসিটি। শুধু জ্বালানি আনলেই হবে না, সংরক্ষণের ব্যবস্থাও বাড়াতে হবে। আমরা সমান্তরালভাবে সেই সক্ষমতা বাড়াচ্ছি। সরকারি বিভিন্ন দপ্তর যেমন বিএডিসি, রেলওয়ে, এমনকি প্রয়োজনে বেসরকারি খাতের পাওয়ার প্ল্যান্টগুলোর অব্যবহৃত সংরক্ষণ ক্ষমতাও ব্যবহার করা হবে।
৬০ দিন আগে
নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং সহনীয় মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের (চট্টগ্রাম-১৩) এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং নিত্যপণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
তিনি জানান, বাজার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও যুগোপযোগী ও কার্যকর করতে দ্য কন্ট্রোল অব এসেনশিয়াল কমোডিটিস অ্যাক্ট, ১৯৫৬ (নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন) হালনাগাদ ও সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
মন্ত্রী জানান, বিদ্যমান আইনের আওতায় বর্তমানে ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করে দেয় মন্ত্রণালয়। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তা সমন্বয় করা হয়। চলতি বছরে তিনবার তেলের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গত এক বছরে অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম মূলত স্থিতিশীল ছিল। বছরের মাঝামাঝি এবং ডিসেম্বর-জানুয়ারি সময়ে পেঁয়াজের দাম সাময়িকভাবে বাড়লেও কৃষি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যৌথ সিদ্ধান্তে দুবার আমদানির সুযোগ দেওয়ায় দাম স্বাভাবিক হয়ে আসে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, ভারত, ইন্দোনেশিয়াসহ অন্যান্য দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণ মডেল পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের জন্য একটি কার্যকর মডেল তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে (বিআইডিএস) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ বছর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চিনি, ভোজ্যতেল ও খেজুরের আমদানি শুল্ক কমিয়েছে, যা দাম স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হয়েছে।
বাজার তদারকি প্রসঙ্গে তিনি জানান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ঢাকায় প্রতিদিন এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়মিত বাজার পরিদর্শন করা হচ্ছে। রমজান ও অন্যান্য বড় উৎসবের সময় এসব অভিযানের সংখ্যা বাড়ানো হয়।
মন্ত্রী বলেন, সরবরাহ ও মূল্য পর্যবেক্ষণে উৎপাদক, আমদানিকারক, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। এছাড়া মন্ত্রী ও সচিব নিজে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে ঝটিকা সফর করেছেন। এলপিজি আমদানিকারক ও পরিবেশকদের সঙ্গেও বৈঠক করা হয়েছে। আমদানিকারক ও উৎপাদকদের ব্যাংক-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জেলা পর্যায়ের বিশেষ টাস্কফোর্স নিয়মিত গুদাম, কোল্ড স্টোরেজ, সরবরাহ ব্যবস্থা ও পাইকারি বাজারে অভিযান চালাচ্ছে যাতে উৎপাদক, পাইকারি বিক্রেতা ও ভোক্তার মধ্যে মূল্যের পার্থক্য ন্যূনতম পর্যায়ে থাকে। এছাড়া টিসিবি কার্ডের মাধ্যমে প্রায় এক কোটি নিম্নআয়ের মানুষকে ভর্তুকি মূল্যে চাল, সয়াবিন তেল, চিনি ও ডাল দেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি পণ্য সংগ্রহের মাধ্যমে সিলেটে একটি পাইলট কৃষি বাজার চালু করা হয়েছে। এটি সফল হলে সারা দেশে তা সম্প্রসারণ করা হবে।
৬০ দিন আগে
ঋণ ব্যবস্থাপনা ও করের আওতা বাড়ানোর ওপর জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ঋণ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং করের আওতা বৃদ্ধি করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং চলমান সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে খুব দ্রুতই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) পরিকল্পনা কমিশনে এনইসি সম্মেলনকক্ষে ‘ন্যাশনাল মাল্টিস্টেকহোল্ডার কনসালটেশন অন বাংলাদেশ গ্রাজুয়েশন রিডনেস অ্যাসেসমেন্টের’ শীর্ষক সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি চ্যালেঞ্জপূর্ণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে যা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। এই অবস্থায় দেশের অর্থনীতিকে সুশৃঙ্খল ও স্থিতিশীল করতে সুপরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি উল্লেখ করেন, অতীতের কিছু বড় প্রকল্প যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি ছাড়া গ্রহণ করায় দেশের ওপর ঋণের চাপ বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন থেকে গেছে, যা অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে যে ঋণ নেওয়া হয়েছে, তা যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যতে নতুন প্রকল্প গ্রহণে আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে বাস্তবসম্মত ও ফলপ্রসূ প্রকল্প নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
কর ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের কর-জিডিপি অনুপাত সন্তোষজনক নয় এবং তা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। তবে করের হার বাড়ানোর পরিবর্তে করের আওতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতির একটি বড় অংশ এখনও করের আওতার বাইরে রয়েছে। তাই করের হার বাড়ানো নয়, বরং করের আওতা বিস্তৃত করে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করতে হবে।’
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর মাধ্যমে বিদ্যমান ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং একই সঙ্গে উন্নয়ন কার্যক্রমকে টেকসই ধারায় এগিয়ে নিতে হবে।
এ সময় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং জাতিসংঘের ইউএন-ওএইচআরএলএলএসের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
৬০ দিন আগে
উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষের সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও ভালো বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সব ধর্মের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (৫ এপ্রিল) পবিত্র ইস্টার সানডে উপলক্ষে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিসভাকক্ষে প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ফেডারেশন অব প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চেস ইন বাংলাদেশের সভাপতি বিশপ ফিলিপ পি অধিকারীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল দুপুর পৌনে ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। অনুষ্ঠানে তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন দেশটাকে গড়ার লক্ষ্যে সব ধর্মের মানুষ, সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ সবাইকে নিয়ে সুখী, সমৃদ্ধ একটা ভালো বাংলাদেশ গড়তে একযোগে কাজ করতে হবে—এই লক্ষ্য নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাই।
নিজের সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তারেক রহমান বলেন, আমরা সব ধর্মের মানুষকে এক চোখে দেখি এবং সবাইকে ভালোবাসি একরমভাবে। আমরা বিশ্বাস করি, ধর্ম যার যার, দেশটা সবার।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ বিএনপিকে ভোট দিয়েছে। একটা কথা প্রচলিত ছিল যে, অন্য ধর্মের মানুষজন বিএনপিকে ভোট দেয় না। এটা এবারের নির্বাচনে ভুল প্রমাণিত হয়েছে। বিএনপিকে সব ধরনের মানুষ ভোট দিয়ে জয়ী করেছে।
পূর্ববর্তী সরকারের আমলের দেশের অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের ভোটে বিএনপি যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেছে, তখন দেশের ভঙ্গুর দশা ছিল। অর্থনৈতিক খাতে ভঙ্গুর অবস্থা, যোগাযোগখাতে ভঙ্গুর দশাসহ বিভিন্ন সেক্টরে যে অবস্থা বিরাজ করছিল মনে হয়েছে একটা যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের দায়িত্ব নিয়েছি।
এ সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি ঘাটতি মোকাবিলায় সরকারের প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেন।
৬০ দিন আগে
দোকানপাট ও শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত
মালিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে সরকার।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দোকান মালিক সমিতি আমাদের কাছে একটি আবেদন করেছিল যাতে তাদের কমপক্ষে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হয়। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী দোকান মালিক সমিতির আবেদন এবং অনুরোধ পুনর্মূল্যায়ন করে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। অবশ্যই যারা জরুরি সেবা দেয়, তারা এর আওতার বাইরে থাকবে।
তিনি বলেন, আমি সবাইকে বলব, আমরা নিজ বাসাবাড়িতে, নিজ কর্মস্থলের জন্য বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যেন হই। আমরা জ্বালানি সাশ্রয়ী আচরণ করলে ইনশাল্লাহ আগামী দিনে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা আমাদের জন্য জাতি হিসেবে সহজ হবে।
গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে সন্ধ্যা ৬টায় দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রিসভা। তবে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চেয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা।
তারা বলছেন, প্রয়োজনে সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় দোকানপাট খুলতে চান। তবে সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চান তারা।
৬০ দিন আগে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কীভাবে চলবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কীভাবে চলবে সেই কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত হবে আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে। অনলাইনেও ক্লাস নেওয়া হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত হবে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে। এর আগে, সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রস্তাব দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
তিনি আরও বলেন, সম্ভবত অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার পর মন্ত্রিসভা বৈঠকে যাবে। মন্ত্রিসভার বৈঠক হওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংবাদ সম্মেলন করবে। এর মাঝে আমাদের বলার কিছু থাকবে না।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, আমরা আলোচনা করছি অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোকে উৎসাহিত করার। যেহেতু বিশ্বব্যাপী সংকট (জ্বালানি সংকট), তার মানে বাংলাদেশেও সংকট। আমরা কেউ জানি না, কতদিন এই সংকট চলবে। সে কারণে আমরা দেশের স্কুলব্যবস্থাকে অনলাইন ও সশরীর—এই মিশ্র পদ্ধতিতে আনার কথা ভাবছি।
সাধারণত প্রতি বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। সেই হিসাবে পরবর্তী মন্ত্রিসভা বৈঠক আগামী ৯ এপ্রিল।
গত বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) মন্ত্রিসভা বৈঠকে জ্বালানি সাশ্রয়ে অফিসের সময় এক ঘণ্টা কমানোর সিদ্ধান্ত হয়। এটি আজ (রবিবার) থেকে কার্যকর হয়েছে। একইসঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধেরও সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কিনতে ঋণ দেওয়া বন্ধ, জ্বালানি বরাদ্দের ৩০ শতাংশ কমানোসহ আরও কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদা নির্দেশনা দেবে। কারণ, এ বিষয়ে কিছু ক্ষেত্রে আলোচনার দরকার আছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী রবিবার থেকে স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান–সংক্রান্ত আলাদা নির্দেশনা দেওয়া শুরু করবে। তবে শিক্ষা কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়, তা বিবেচনায় রাখা হবে।
৬০ দিন আগে
ইস্টার সানডেতে প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়
পবিত্র ইস্টার সানডে উপলক্ষে প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চ নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কার্যালয়ে এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি।
খ্রিস্টানধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব ইস্টার সানডে মূলত যীশু খ্রিস্টের পুনরুত্থানকে স্মরণ করে পালিত হয়। সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ গভীর শ্রদ্ধায় এই দিনটি পালন করে থাকেন।
দিবসটিকে আশা, পুনর্জাগরণ এবং হতাশার বিরুদ্ধে বিজয়ের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রার্থনা, সামাজিক মিলনমেলা এবং আর্তমানবতার সেবামূলক কাজের মাধ্যমেই এই উৎসবের মূল উদযাপন সম্পন্ন হয়।
৬০ দিন আগে
জ্বালানি সংকটে দ্রব্যমূল্য বাড়ার আশঙ্কা অর্থমন্ত্রীর
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ফলে বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় আগামীতে বাংলাদেশে নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
রবিবার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর আঁগারগাওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ‘স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তোরণ (এলডিসি গ্রাজুয়েশন)’ প্রস্তুতি বিষয়ক এক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এটি কেবল জ্বালানি খাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর প্রভাব পড়ছে সব ধরনের পণ্য, খাদ্যদ্রব্য এবং সামগ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর। এর ফলে সামনের দিনগুলোতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এই সমস্যাটি কেবল বাংলাদেশের নয়, বরং একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে খসরু বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকট ইতোমধ্যে জাতীয় অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।
মন্ত্রী সরকারের ওপর ক্রমবর্ধমান আর্থিক চাপের কথা স্বীকার করে বলেন, অন্যান্য দেশ জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ালেও বাংলাদেশ এখনো তা করেনি যা রাষ্ট্রীয় তহবিলের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
তিনি বলেন, আমরা কতক্ষণ জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখতে পারব তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। আমাদের রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ দিয়ে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত জনগণের জন্যই লোকসান হবে। তবে জ্বালানির দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয়ে মন্ত্রী জানান এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকারের ইশতেহার অনুযায়ী উন্নয়নমূলক কাজগুলো ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজগুলো সম্পন্ন হলে দেশ গ্র্যাজুয়েশনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হবে এবং তখন বিষয়টি জাতিসংঘে উপস্থাপন করা হবে। তবে বর্তমানে সেই লক্ষ্য অর্জনে কাজ চলমান থাকায় এখনই গ্র্যাজুয়েশনের কোনো সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।
৬০ দিন আগে
দেশকে স্বনির্ভর করা আমাদের অঙ্গীকার: পানি সম্পদমন্ত্রী
পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহিদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, দেশকে স্বনির্ভর করা বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার। স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে সরকার খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
তিনি বলেন, ‘নদী-খাল খনন, মৎস্য ও পশুপালন এবং কৃষিভিত্তিক এলাকার উন্নয়নে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শিতা ছিল। জিয়ার এসব অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করবেন তারেক রহমান।’
শনিবার (৪ এপ্রিল) লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় জেলেদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কৃষক, শ্রমিক ও জেলেবান্ধব। তাই নদীতে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে আগের চেয়ে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পরদিন থেকেই জনগণের পাশে থেকে তাদের প্রতি দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছেন।
এ্যানি চৌধুরী আরও বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। সরকার পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করেছে এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে তা সম্প্রসারণ করা হবে। এছাড়া পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু এবং পুলিশ সুপার মো. আবু তারেকসহ সংশ্লিষ্টরা।
৬১ দিন আগে