বাংলাদেশ
জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধ হতাশাব্যঞ্জক, গণভোট নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান উপদেষ্টা: আসিফ নজরুল
গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান বিরোধ ও বিভাজনে হতাশা প্রকাশ করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। দীর্ঘ সংলাপের পরও ঐকমত্য না আসাকে তিনি ‘অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক’ বলে মন্তব্য করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ হতাশা ব্যক্ত করেন।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘ক্যাবিনেটের মিটিংয়ে আজ সাধারণ একটা আলোচনা হয়েছে অনৈক্যের বিষয় নিয়ে। ঐকমত্য কমিশন দুইটা বিকল্প দিয়েছে— একটা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট, ২৭০ দিনের মধ্যে না হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধান সংশোধন হয়ে যাবে। এটার কোনো নজির আছে কিনা বা আদৌ সম্ভব কিনা, আমরা দেখব।’
‘আরেকটা হলো– এই দায়-দায়িত্ব নির্বাচিত সংসদের হাতে ছেড়ে দেওয়া। এই দুই বিকল্পের মধ্যে কোনটা আসলে বেশি গ্রহণযোগ্য এটা নিয়ে রাজনৈতিক দলের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ আছে।’
তিনি বলেন, ‘কোনো রাজনৈতিক দল যদি এককভাবে আমাদের আল্টিমেটাম বা জোর করার ব্যবস্থা করে তার মানে হলো তাদের মধ্যে ঐকমত্য নাই। তারা চাচ্ছেন যেন এই সরকার তাদের দলীয় অবস্থান সমর্থন করে। দুর্ভাগ্যজনক, আলোচনার জন্য তাদের যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছে। তারা যে অনৈক্য দেখাচ্ছেন, জুলাইয়ের চেতনাকে কোথায় নিয়ে গেছেন, বিবেচনা করা উচিত।’
আসিফ নজরুল বলেন, ‘কিছু ভাইটাল প্রশ্নে তাদের আসলে ঐকমত্য হয় নাই। এর আগে আমরা জেনেছিলাম, বিষয়বস্তু নিয়ে বিরোধ ছিল। এখন আবার দেখলাম, দুই ধরনের বিরোধ বের হয়েছে। একটা হলো, কী পদ্ধতিতে পাস করা হবে। আরেকটা হচ্ছে গণভোট কবে হবে। এত দৃঢ়, পরস্পরবিরোধী এবং উত্তেজিত ভূমিকা নিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো, যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে ছিল।’
রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি এ রকম একটা ভূমিকা নেন, তাহলে সরকার কী করবে— আমরা ঠিক বুঝতে পারছি না। এতদিন আলোচনার পর আপনাদের যদি ঐকমত্য না আসে, তাহলে আমরা সত্যি কী করব, এটা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে হচ্ছে।’
গণভোটের সময় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কে নেবেন— জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন, আমরা তাকে সহায়তা করার জন্য থাকব।
তিনি বলেন, ‘সিদ্ধান্ত নির্দিষ্ট কেউ নেবেন না, এটা আপনারা নিশ্চিত থাকেন। এই সিদ্ধান্ত প্রধান উপদেষ্টা নেবেন। আমাদের সঙ্গে পরামর্শের প্রয়োজন হলে তিনি করবেন এবং আমরা যে সিদ্ধান্ত নেব, সেখানে আমরা দৃঢ় থাকব। আর সিদ্ধান্ত খুব দ্রুত নেওয়া হবে।’
১২৭ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণে ৮ মাদ্রাসা শিক্ষার্থী দগ্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে বড় হুজুর বাড়ি দারুল নাজাত মহিলা মাদ্রাসায় বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই মাদ্রাসার আট শিক্ষার্থী দগ্ধ হয়েছে। আহতরা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে রাত ১২টার দিকে আহতদের বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধ ওই আট শিক্ষার্থী হলেন— সাদিয়া আক্তার (১২), রুবাইয়া (৯), আয়মান (৬), নুসরাত (১০), আলিয়া (৩০), তুইবা (৬), রওজা (১৩) ও আফরিন (১৩)।
দগ্ধ আফরিনের মামা মো. আনোয়ার জানান, আমরা বুধবার বিকেলের দিকে জানতে পারি মাদ্রাসার পাশে বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। এ সময় ওই মাদ্রাসার চতুর্থ তলায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করছিল। আগুনের ফুলকি মাদ্রাসার ভেতর ঢুকে গেলে দগ্ধ হয় শিক্ষার্থীরা। পরে রাতেই তাদের দগ্ধ অবস্থায় দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।
আজ সকালে বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণে ৮ মাদ্রাসা শিক্ষার্থী এসেছে।
তাদের মধ্যে সাদিয়ার ১৩ শতাংশ, রুবাইয়ার ৫ শতাংশ, আয়মানের ২ শতাংশ, নুসরাতের ৩ শতাংশ, তুইবার ৩ শতাংশ, রওজার ৩ শতাংশ, আলিয়ার ১৪ শতাংশ ও আফরিনের ৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩ জনকে জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে রাখা হয়েছে বলে তথ্য দেন তিনি।
১২৭ দিন আগে
সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন সহজবোধ্য করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করতে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রতিবেদন সহজ ভাষায় সংক্ষিপ্ত বই আকারে প্রকাশ করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে আট খণ্ডের প্রতিবেদন হস্তান্তর করেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা। আট খণ্ডের এ প্রতিবেদনে ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ, সভা ও কার্যবিবরণীর বিস্তারিত রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই প্রতিবেদন সাধারণের সহজবোধ্য সংস্করণে প্রস্তুত করতে হবে। বই আকারে প্রকাশ করতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা পড়ে বুঝতে পারে এবং অন্যদেরও বুঝাতে পারে।’
বইটি ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষাতেই প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ভবিষ্যতে বইটি যেন শিক্ষার্থীদের জন্য অবশ্য পাঠ্য হয়, সেটিও বিবেচনায় রাখতে হবে। তরুণ প্রজন্ম বইটি পড়বে, নিজেরা জানবে এবং এতে কী আছে তা তাদের মা-বাবাকেও জানাবে।’
প্রতিবেদন হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, কমিশন সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
১২৮ দিন আগে
গত তিন নির্বাচনে সম্পৃক্তদের মাঠ প্রশাসনে পদায়ন নয়: সরকার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ১ নভেম্বর থেকে মাঠ প্রশাসন গোছানোর কাজ শুরু হবে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, মাঠ প্রশাসনে যেন এমন পদায়ন না হয়, যারা গত তিনটি নির্বাচনে সম্পৃক্ত ছিলেন।
তিনি বলেছেন, ‘সেখানে (মাঠ প্রশাসনে) তারা রিটার্নিং অফিসার, পোলিং অফিসার বা অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার হিসেবে থাকুন না কেন, গত তিন নির্বাচনে তাদের যদি ন্যূনতম ভূমিকা থাকে, তাহলে যেন পদায়ন না হয়, এ বিষয়ে বলা হয়েছে।’
বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন প্রেস সচিব।
এর আগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব জানান, আগামী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে আজ প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা বৈঠকে মূলত চারটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেগুলো হলো— মাঠ প্রশাসন কর্মকর্তাদের পদায়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য মোকাবিলার উপায়।
শফিকুল আলম বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, সবচেয়ে যোগ্য লোকগুলোকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়োগ করতে হবে। বিগত তিনটি নির্বাচনে ডিসি, এডিসি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের এবারের নির্বাচনে যুক্ত না রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান প্রেস সচিব।’
‘সেখানে (মাঠ প্রশাসনে) তারা রিটার্নিং অফিসার, পোলিং অফিসার বা অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার হিসেবে থাকুন না কেন, গত তিন নির্বাচনে তাদের যদি ন্যূনতম ভূমিকা থাকে, তাহলে যেন পদায়ন না হয়, এ বিষয়ে বলা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, নির্বাচন কমিশন বৈঠকে অবহিত করেছে যে, তারা ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্বাচনী দায়িত্বের বাইরে রাখতে কাজ করছে।
১২৮ দিন আগে
নির্বাচন বানচালে দেশের ভেতরে-বাইরে অনেক শক্তি কাজ করবে: প্রধান উপদেষ্টা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের জন্য দেশের ভেতর ও বাইরে থেকে অনেক শক্তি কাজ করবে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, হঠাৎ করে আক্রমণ চলে আসতে পারে। এই নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং হবে।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে বৈঠককালে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। পরে বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক বিফ্রিংয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
শফিকুল আলম বলেন, ‘নির্বাচন বানচালের জন্য ভেতর থেকে, বাইরে থেকে অনেক শক্তি কাজ করবে। ছোটখাটো নয়, বড় শক্তি নিয়ে বানচালের চেষ্টা করবে। হঠাৎ করে আক্রমণ চলে আসতে পারে। এই নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং হবে। যত ঝড়ঝঞ্চাই আসুক না কেন, আমাদের সেটা অতিক্রম করতে হবে।’
তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হবে। নির্বাচন বানচাল করার জন্য দেশের ভেতর থেকে এবং বাইরে থেকে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে নানা রকম অপপ্রচার চালানো হবে। এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ব্যবহার করে ছবি-ভিডিও তৈরি করে ছেড়ে দেওয়া হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এটাকে দ্রুত সামাল দিতেই হবে এবং একটা অপপ্রচারের রচনা হওয়ামাত্র সেটা ঠেকাতে হবে, যেন তা ছড়াতে না পারে।
প্রধান উপদেষ্টা মনে করেন, আগামী নির্বাচন সুন্দর ও উৎসবমুখর করতে হলে মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে। নির্বাচনী নীতিমালা, ভোটকেন্দ্রের নিয়ম, কীভাবে ভোট প্রদান করতে হবে এবং কোথাও বিশৃঙ্খলা হলে কী করতে হবে— এসব বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
এই উদ্দেশ্যেই তিনি নির্বাচন কমিশন এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে আরও বেশি সংখ্যক টিভিসি, ডকুমেন্টারি বা ভিডিও তৈরি করে তা যেন খুব দ্রুত ইউটিউবে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় আসে, সেই নির্দেশ দিয়েছেন। সবাই যেন এটা দেখে নিজেরাই অনেক ক্ষেত্রে প্রস্তুত হতে পারে, সেই উদ্দেশ্যেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রেস সচিব।
সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব জানান, আগামী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে আজ প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা বৈঠকে মূলত চারটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেগুলো হলো মাঠ প্রশাসন কর্মকর্তাদের পদায়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য মোকাবিলার উপায়।
১২৮ দিন আগে
নরসিংদীতে ‘স্বামীর দেওয়া আগুনে’ দগ্ধ স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু
নরসিংদীর সদর এলাকায় স্বামীর দেওয়া পেট্রোল বোমার আগুনে দগ্ধ রিনা বেগম (৩৬) ও তার ছেলে ফরহাদ (১৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।
তিনি জানান, গতকাল সকাল পৌঁনে ১০টার দিকে রিনা বেগম এবং বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তার ছেলে ফরহাদ মারা যান।
ডা. শাওন আরও বলেন, রিনা বেগমের স্বামী করিম পেট্রোল বোমা দিয়ে ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন। এতে তার স্ত্রী ও দুই সন্তান দগ্ধ হয়।
গত বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ভোররাতে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।
তাদের মধ্যে রিনা বেগমের শরীরের ৫৮ শতাংশ, ফরহাদের শরীরের ৪০ শতাংশ এবং তৌহিদের শরীরের ১৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তাদের তিনজনকেই এইচডিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছিল।
১২৮ দিন আগে
সরকারকে তিন ভাগে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে ঐকমত্য কমিশন
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টার কাছে জাতীয় জুলাই সনদ বাস্তবায়নের যে রূপরেখা বা সুপারিশ জমা দেওয়া হয়েছে, তাতে তিনটি ভাগ রয়েছে। পৃথক তিনটি ভাগে সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করবে সরকার।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নের উপায় সম্পর্কিত সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে হস্তান্তর শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের তিনটি ভাগের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন তিনি।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, যেসব বিষয় সংবিধান-সংশ্লিষ্ট নয়, তা সরকার অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে পারে এবং সুপারিশের অনেক বিষয় আছে যা অফিস আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। এসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের কোনো মতভিন্নতা নেই। তাই এ দুটি বিষয় অধ্যাদেশ এবং অফিস আদেশের মাধ্যমে অবিলম্বে বাস্তবায়ন করার সুপারিশ করেছে কমিশন।
এ সময় কোনো বিষয়গুলো অধ্যাদেশের মাধ্যমে এবং কোন বিষয়গুলো অফিস আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা যাবে, তা সুনির্দিষ্ট করে সুপারিশে উল্লেখ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংবিধান-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে আইনি ভিত্তি প্রদান এবং বাস্তবায়নের পথ নির্দেশ করার জন্য সংবিধান সংশ্লিষ্ট ৪৮টি বিষয়ের ব্যাপারে দুটি বিকল্প প্রস্তাব সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
প্রস্তাব দুটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকার জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ সন্নিবেশিত সংবিধান সংশোধনের বিষয়গুলো কার্যকর করার জন্য ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫’ জারি করবে। আদেশ এবং এর তফসিলে উল্লিখিত সংবিধান সংস্কার প্রস্তাবসমূহ গণভোটে উপস্থাপন করা হবে। আদেশ জারির পর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে, যা সংবিধান সংস্কারের ক্ষেত্রে সাংগঠনিক ক্ষমতা প্রয়োগ করবে। সেখানে একটি প্রস্তাবে জাতীয় সংসদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হওয়ার পাশাপাশি একইসঙ্গে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে।
একটি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদে সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক একটি পূর্ণাঙ্গ খসড়া বিল গণভোটে উপস্থাপন করা হবে। গণভোটে অনুমোদন পাওয়া সংবিধান সংস্কার বিল পরিষদের সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হবে এবং পরিষদ ২৭০ দিনের মধ্যে সংস্কার সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে বিলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে।
অন্য প্রস্তাবে বলা হয়েছে, পরিষদ ২৭০ দিনের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন করবে এবং সংস্কার কার্যক্রম শেষ হলে পরিষদের কার্যক্রম সমাপ্ত হবে।
এ সময় কমিশনের সদস্যদের মধ্যে বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া, সফর রাজ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম এবং ঐকমত্য গঠন প্রক্রিয়ায় যুক্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
১২৯ দিন আগে
প্রাথমিক শিক্ষার বিষয়ে জনআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী পদক্ষেপ নেবে না সরকার: ধর্ম উপদেষ্টা
প্রাথমিক শিক্ষার বিষয়ে সরকার জনআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী কোনো পদক্ষেপ নেবে না বলে জানিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে একটি বৈষম্যমুক্ত, ন্যায়ানুগ ও ইনসাফভিত্তিক সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এ নতুন অভিযাত্রায় সরকার গণমানুষের আকাঙ্ক্ষাকে মাথায় রেখেই পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কোনো ইস্যুকে ঘিরে সমাজে বিশৃঙ্খলা কিংবা জনরোষের সৃষ্টি হয়— এমন কোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেবে না।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টাকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, সরকারের নীতি ও পলিসিকে বিবেচনায় রেখেই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সব ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। এ মন্ত্রণালয়ের যেকোনো প্রদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে জনস্বার্থ ও গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার ক্লাসের সংখ্যা আগের চেয়ে বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতদের পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত স্নাতক ডিগ্রিধারীদেরও সমান সুযোগ রয়েছে।
এর আগে দুই উপদেষ্টা প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার, শিক্ষক নিয়োগ প্রভৃতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় অন্যান্যর মধ্যে ধর্ম উপদেষ্টার একান্ত সচিব ছাদেক আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
১২৯ দিন আগে
লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদশি
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ১৭৪ জন বাংলাদেশি।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে বুরাক এয়ারের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তারা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা যায়।
লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের দেশে ফেরানো হয়। তারা অনিয়মিতভাবে লিবিয়ায় অবস্থান করছিলেন।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ গমনের উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেন। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সকলের সঙ্গে বিনিময় করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়।
প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে পথখরচ, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা।
লিবিয়ায় বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা যৌথভাবে কাজ করছে।
১২৯ দিন আগে
নির্বাচনে ১৫০ থেকে ২০০ জনের পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে ইইউ: মিলার
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্ধারিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের একটি বড় প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ইইউ, যা ২০০৮ সালের পর প্রথম এমন পূর্ণাঙ্গ মিশন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ তথ্য জানান।
মিলার বলেন, ইইউ পর্যবেক্ষক দল এখনও চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করা হয়নি, তবে এটি ১৫০ থেকে ২০০ সদস্যের মধ্যে থাকতে পারে। কিছু প্রতিনিধি নির্বাচনের প্রায় ছয় সপ্তাহ আগে এবং অন্যরা ভোটের সপ্তাহখানেক আগে যোগ দেবেন।
প্রধান উপদেষ্টাকে তিনি বলেন, ‘২০০৮ সালের পর এই প্রথমবারের মতো ইইউ বাংলাদেশে এ ধরনের পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে।’ একই সঙ্গে ভোট চলাকালে স্থানীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগেও সহায়তা করবে ইইউ।
ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকে উভয় পক্ষ সুশাসন ও সাংবিধানিক সংস্কার, নির্বাচনি প্রস্তুতি, বিচার বিভাগীয় ও শ্রম সংস্কার, বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক এবং দেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
জুলাইয়ের জাতীয় সনদের প্রশংসা করে এটিকে একটি ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ নথি হিসেবে বর্ণনা করে রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, এটি (বাংলাদেশে) গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথকে সুগম করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এ সময় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা জোরদারে সম্প্রতি অনুমোদিত শ্রম আইন সংস্কার ও উদ্যোগের প্রশংসা করে এগুলোকে ‘উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ বলেও তিনি অভিহিত করেন।
ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের প্রচেষ্টায় ইইউ’র অব্যাহত সমর্থনের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘এগুলো সবই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’ সেই সঙ্গে আসন্ন নির্বাচনকে ‘দেশের সুনাম পুনর্বিন্যাসের সুযোগ’ হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের প্রক্রিয়া যেন নির্বিঘ্ন হয়, সে লক্ষ্যে ইইউ বাংলাদেশের পাশে থাকবে।
বৈঠকে উভয় পক্ষ অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির সম্ভাবনা এবং বিমান চলাচল ও জাহাজ চলাচলে নতুন সম্ভাবনার সন্ধানসহ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ককে আরও গভীর করার উপায় নিয়ে আলোচনা করে। মানবপাচার এবং অবৈধ অভিবাসন রোধে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়েও তারা সহমত পোষণ করে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া টার্মিনালের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার জন্য বাংলাদেশ গ্লোবাল শিপিং জায়ান্ট এপি মোলার-মায়ের্সকের সঙ্গে একটি চুক্তি সই করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মিলার জানান, কোম্পানি লালদিয়াকে এই অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় টার্মিনালগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে গড়ে তুলতে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।
এ ছাড়াও নির্বাচনি পরিবেশ, প্রার্থীদের যোগ্যতা এবং ভোটের আগে মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে যথাযথ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার বিষয়ে উভয় পক্ষ আলোচনা করে।
১২৯ দিন আগে