বাংলাদেশ
মশা নিধনে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা ডিএসসিসির, শুরু হচ্ছে ১০ দিনের ক্রাশ প্রোগ্রাম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মশক নিধন কার্যক্রমে কোনো ধরনের শিথিলতা প্রদর্শন করা হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ডিএসসিসির নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে স্বাস্থ্য বিভাগের মশক নিধন শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক জরুরি সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
সম্প্রতি ডিএসসিসি এলাকায় মশার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রশাসকের নির্দেশে এই বিশেষ সভার আহ্বান করা হয়। সভায় মশক নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা নিশ্চিতকরণ, সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ এবং মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া মশা নিয়ন্ত্রণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘মশা নিয়ন্ত্রণে অবহেলা, ব্যর্থতা বা দুর্নীতি কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স।’ মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম নিজেই সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন বলে জানান তিনি।।
মো. আব্দুস সালাম বলেন, আগামীকাল (রবিবার) থেকে ডিএসসিসির ১০টি অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে ১০ দিনের বিশেষ ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু হবে, যেখানে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।
সভায় মশক কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ এবং বর্তমান ওষুধের বিকল্প হিসেবে নতুন কার্যকর ওষুধের পরীক্ষামূলক ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো স্থাপনায় মশার উৎপত্তিস্থল পাওয়া গেলে এবং বারবার সতর্ক করার পরও ব্যবস্থা না নিলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রশাসক।
সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, করপোরেশন সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ সকল বিভাগীয় প্রধান, আঞ্চলিক কর্মকর্তা এবং স্বাস্থ্য বিভাগের মশক নিধন শাখার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৬ দিন আগে
ইরান-ইসরায়েল সংঘাত: বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী সব ফ্লাইট বাতিল
ইরানে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ থেকে বাহরাইন, কুয়েত, দুবাই ও কাতারসহ কয়েকটি দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
বিজ্ঞপ্তিতে বেবিচক জানিয়েছে, নতুন করে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সংশ্লিষ্ট রুটগুলোতে নির্ধারিত কয়েকটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট বাতিল, বিলম্ব এবং পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
বেবিচকের গৃহীত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সব এয়ারলাইন্সকে কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে।
সেগুলো হলো:
১. ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্ব-সংক্রান্ত তথ্য যাত্রীদের এসএমএস, ই-মেইল ও কল সেন্টারের মাধ্যমে অগ্রিম জানাতে হবে।
২. সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের কর্মীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে যাত্রীদের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান ও দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. পুনর্নির্ধারিত ফ্লাইট-সংক্রান্ত স্পষ্ট ও সমন্বিত তথ্য প্রদান নিশ্চিত করতে হবে, যাতে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি পরিহার করা যায়।
উক্ত রুটগুলোতে ভ্রমণের পরিকল্পনায় থাকা সম্মানিত যাত্রীদের নিজ নিজ এয়ারলাইন্স অফিস বা ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের বর্তমান অবস্থা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বেবিচক আরও বলেছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত যাত্রী নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক কাজকর্ম নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে যাত্রী সাধারণের সহানুভূতি ও সহযোগিতা কামনা করেছে সংস্থাটি।
সেইসঙ্গে আরও বলেছে, আজ (শনিবার) মধ্যপ্রাচ্যগামী যেসব ফ্লাইট, যথা: দাম্মাম, জেদ্দা, মদিনা, রিয়াদ, শারজাহ্, আবুধাবিসহ যে সকল গন্তব্যে যাত্রীদের যাত্রা করা কথা ছিল, তাদের অনুরোধ করা হচ্ছে, তারা যেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া এয়ারপোর্টে না আসেন। যোগাযোগের নম্বর ১৩৬৩৬।
৬ দিন আগে
পদ্মা-মেঘনায় দুই মাস ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা
জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও জাটকা সংরক্ষণের লক্ষ্যে মার্চ থেকে এপ্রিল, এ দুই মাস চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে। এ সময় এ দুই নদীতে মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহণ ও মজুদ নিষিদ্ধ করেছে সরকার। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, নৌ পুলিশ ও মৎস্য অধিদপ্তর।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম জানান, জাটকা সংরক্ষণের জন্য জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে (চাঁদপুর সদর হয়ে) হাইমচর উপজেলার শেষপ্রান্ত চরভৈরবী পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার নদীকে অভয়াশ্রম এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এসব এলাকার প্রায় ৪৭ হাজার নিবন্ধিত জেলে নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকবেন।
তবে এই সময়ে বেকার ও কর্মহীন হয়ে পড়া এসব জেলের মধ্যে ৩৯ হাজার ৪০০ জেলেকে ভিজিএফের চাল দেওয়া হচ্ছে। তারা ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত চার মাস মাথাপিছু ৪০ কেজি করে মোট ১৬০ কেজি চাল পাবেন বলে জানান তিনি।
সরেজমিনে গিয়ে সদর উপজেলার যমুনা রোড, কোড়ালিয়া, আনন্দবাজার, দোকানঘর, বহরিয়া, রণাগোয়াল, আখনের হাট ও আশপাশের এলাকার মেঘনা পাড়ের বেশ কয়েকজন জেলের সঙ্গে কথা হয়।
তাদের মধ্যে জেলে জাহাঙ্গীর বলেন, আমরা সরকারি আইন মানি। নিষেধাজ্ঞার সময় আমরা জাল ও নৌকা ডাঙায় উঠিয়ে রাখি। কিন্তু আমাদের যে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়, এটা খুবই অপ্রতুল। এতে আমাদের সংসার চলে না। এর সঙ্গে দুই মাসের জন্য দশ হাজার টাকা করে নিজ নিজ মোবাইল নম্বরে বিকাশে বা নগদে দিলে খুবই উপকার হতো।
একই এলাকার জেলে আলী আক্কাছ মাঝি বলেন, মাছ আহরণ করে আমাদের জীবীকা নির্বাহ করতে হয়। অবসর সময়ে বরাদ্দ খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তাও জরুরি। শুধু চাল দিয়ে কি সংসার চলে? সন্তানদের পড়ালেখা ও ঋণের কিস্তি নিয়ে ফেরত দিতে আমাদের বিপাকে পড়তে হয়।
একই কথা জানান জেলা শহরের শেষ প্রান্তের মেঘনা পাড়ের টিলাবাড়ি এলাকার সামাদ ঢালী (৫৫) ও মোতালেব পাইক (৫০); মেঘনা পাড়ের মাদরাসা রোডের হাছান রাঢ়ী (৫০) ও শাহজাহান বেপারী (৫৫)।
চাঁদপুর সদর উপজেলা জেষ্ঠ্য মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, জাটকা সংরক্ষণে পদ্মা-মেঘনার অভয়াশ্রম এলাকায় সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবে জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স। আইন অমান্য করে জাটকা ধরা হলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে।
নৌপুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ মোশফিকুর রহমান বলেন, ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস জাটকা ধরা বন্ধে নৌপুলিশ নদীতে সক্রিয় থাকবে। নৌ-সীমানার মধ্যে যদি কোনো জেলে আইন অমান্য করে নদীতে নেমে জাটকা নিধন করেন, তাদের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক ও জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি মো. নাজমুল ইসলাম সরকার জানান, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্বির লক্ষ্যে প্রতি বছর বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়, যার মধ্যে জাটকা সংরক্ষণ অন্যতম। জাতীয় স্বার্থে অংশীজনদের আরও তৎপর হতে হবে। জেলেদের জাটকা ধরা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান তিনি।
বিশিষ্ট ইলিশ গবেষক ড. আনিছুর রহমান বলেন, আজকের জাটকা আগামী দিনের ইলিশ। জাটকা সংরক্ষণে সম্মিলিতভাবে সবার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। জাটকা সংরক্ষণ হলে এর সুফল জেলেসহ আমরা সবাই পাব।
৭ দিন আগে
জাহাজ থেকে খাদ্যপণ্য খালাসে দেরি হলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি
নির্ধারিত সময়ে আমদানিকৃত গম ও ভুট্টাবাহী লাইটার জাহাজ থেকে খাদ্যপণ্য গুদামে খালাস না করে দীর্ঘদিন নদীতে নোঙর করে রাখলে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে মুন্সিগঞ্জ জেলার ধলেশ্বরী নদী এলাকায় আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী জানতে পারেন, খাদ্যপণ্যবাহী কয়েকটি লাইটার জাহাজ ৬ থেকে ১৮ দিন ধরে নোঙর করে রাখা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, এসব পণ্য দ্রুত নির্ধারিত গুদামে খালাস করার কথা থাকলেও তা যথাসময়ে করা হয়নি। এরপর ওই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, খাদ্যপণ্য জাহাজে অযৌক্তিকভাবে ফেলে রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা অধিক মুনাফা অর্জনের কোনো অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না। এতে বাজার ব্যবস্থাপনা ও ভোক্তা স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সরকার এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অধীনে গঠিত টাস্কফোর্স নিয়মিতভাবে নদীপথে অভিযান ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গত দেড় মাসে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও যশোর অঞ্চলে মোট ৮৩৮টি জাহাজ পরিদর্শন করা হয়েছে। অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি সংশ্লিষ্ট সব আমদানিকারক, পরিবহনকারী ও ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত বিধিবিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানান এবং খাদ্যপণ্য দ্রুত খালাস ও যথাযথ সংরক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
৭ দিন আগে
ঈদের আগেই কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
বস্ত্র ও পাট এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, আসন্ন ঈদের আগে শিল্পকারখানার শ্রমিকদের সব বকেয়া মজুরি ও বেতন পরিশোধ করা হবে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউসে প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, এলডিসি-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মুক্তবাণিজ্য চুক্তির আগাম প্রস্তুতি হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) চিঠি দেওয়া হয়েছে। ধাপে ধাপে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গেও মুক্তবাণিজ্য চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ সময় প্রবাসী কল্যাণ, শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বন্ধ থাকা বিভিন্ন শ্রমবাজার পুনরায় চালু করতে সরকার কাজ করছে। আগামী এক মাসের মধ্যে এর ইতিবাচক সুফল মিলবে।
তিনি জানান, স্পেনে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সময়মতো পৌঁছানোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আগামী বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে নদী ও খাল খনন এবং হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে কাজ চলছে। তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করার কথা উল্লেখ করে বলেন, এবারের কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।
মতবিনিময় শেষে মন্ত্রীরা ভাঙনকবলিত সুরমা ও চেঙ্গার নদী পরিদর্শন করেন। পরে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী তার নিজ নির্বাচনি এলাকায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে বলে জানান।
৭ দিন আগে
অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের কোনো সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ফ্যাসিবাদের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ধর্ষণের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও যারা আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবেন তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার সংসদ সদস্য ও জেলায় কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু কবর, মতিয়ার রহমান, আবু তালেব, জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ ও পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজালসহ জেলায় কর্মরত সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, যারা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হবে তাদের শুধু চাকরিই যাবে না, তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা করে জেলহাজতে নেওয়া হবে। কারণ আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি। জনগণের জন্য বরাদ্দ টাকা কড়ায় গন্ডায় বুঝে নেওয়া হবে। কেউ যদি এক পাই-পয়সা কমিশন বাণিজ্যও করেন, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধে আপনাদের সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান নিতে হবে। সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী সরবরাহ করলে ওই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যদি কোনো দপ্তর এই দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে, তবে ওই দপ্তরের প্রধানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনে মামলা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, উন্নয়নমূলক কাজের মানের ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যদি কেউ সড়কসহ অবকাঠামো নির্মাণকাজ নিম্নমানের করে, তার লাইসেন্স বাতিল করা হবে। যদি কেউ কমিশন বাণিজ্য ও চাঁদাবাজি করতে চান, তবে আপনারা আমাকে জানাবেন। দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদক নির্মূলে সরকার ও বিরোধীদল একসঙ্গে কাজ করবে।
এ সময় মো. আসাদুজ্জামান ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া সড়কের গাড়াগঞ্জ বাজার থেকে শৈলকুপা পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ওই ঠিকাদারের লাইসেন্স ব্ল্যাকলিস্ট (কালো তালিকাভুক্ত) করে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ধরনের অসৎ ও দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার আগামীতে যাতে কোনো কাজের কন্ট্রাক্ট (চুক্তি) না পায় সে ব্যবস্থাও নেব।
আইনমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান শহিদদের তাজা রক্তের বিনিময়ে আমরা একটি নির্বাচন পেয়েছি, একটা সরকার পেয়েছি। জুলাই শহিদদের অমর্যাদা হয় বা তাদের আত্মা কষ্ট পায়, এমন কোনো কর্মকাণ্ড এই সরকার বরদাশত করবে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আত্মোৎসর্গকারী ও আহতদের অমর্যাদাও মেনে নেওয়া হবে না।
এছাড়া বিচারক সংকট, মামলাজট ও জুডিশিয়ারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যমান সমস্যা আইনের আওতায় সমাধান করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আইনমন্ত্রী দুপুরে শৈলকুপা ডিগ্রী কলেজ মাঠে বিএনপির সংবর্ধনায় যোগ দেবেন। এরপর বিকেলে বাগ্নি রাধা গোবিন্দ মন্দির দর্শন ও সন্ধ্যায় শৈলকুপা দলীয় কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ দিন আগে
ছুটির দিনেও অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী, নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও অফিস করছেন। এ সময় নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রশাসনে গতি আনার জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী সকাল সোয়া ১০টার দিকে তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পৌঁছান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সকালে তার গুলশানের বাসা থেকে বেরিয়ে তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে যান। সেখানে পৌঁছে তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় তারেক রহমান তার নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, ইসমাইল জাবিউল্লাহ, হুমায়ূন কবির, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এটিএম শামসুল ইসলাম এবং জাহেদুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী বিকেলে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
উল্লেখ্য, তারেক রহমান গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর থেকে তিনি প্রতি শনিবার সরকারি ছুটির দিনেও অফিসে উপস্থিত হয়ে কাজ করছেন। গত শনিবার প্রথমবারের মতো তিনি তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে কাজ করেন।
৭ দিন আগে
এ ধরনের যুদ্ধ কারও জন্য মঙ্গলকর নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ কোনো প্রকাশ্য মন্তব্য না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করার কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে সৌদি আরবের জেদ্দায় ফিলিস্তিন-বিষয়ক ওআইসি নির্বাহী বৈঠক থেকে ফিরে এসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা একটা দুঃখজনক ব্যাপার। আমরা প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কিছু বলছি না, আমরা আমাদের মতো করে বন্ধুদের বোঝানোর চেষ্টা করছি যে, এ ধরনের যুদ্ধ কারও জন্য মঙ্গলকর নয়।’
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে আফগানিস্তানের নানগরহার ও পাকতিকা প্রদেশে পাকিস্তানের বিমান হামলার পর থেকেই দুই দেশের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে বিক্ষিপ্তভাবে সীমান্ত সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ।
এরপর বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে ডুরান্ড লাইনের বিভিন্ন এলাকায় কামান, মাল্টি ব্যারেল রকেট লঞ্চার, সাঁজোয়া গাড়ি বহর নিয়ে কার্যত মুখোমুখি লড়াই করেছে পাকিস্তানের সেনা এবং আফগানিস্তানের তালেবান বাহিনী।
গতকাল (শুক্রবার) পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেন, দুই দেশ এখন ‘খোলামেলা যুদ্ধে’ লিপ্ত।
এ কিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, জেদ্দায় ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) নির্বাহী কমিটির মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের ফাঁকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিনেটর মোহাম্মদ ইসহাক দার, গাম্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরিং মোদু এনজি, ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভারসেন ওহানেস ভার্তান আগাবেকিয়ান, তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূত মুসা কুলাক্লিকায়া এবং সৌদি আরবের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ এ এলখরেইজির সঙ্গে পৃথক পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আঞ্চলিক ‘শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি’ এগিয়ে নিতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়ে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
এদিকে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সার্কের মহাসচিব মো. গোলাম সারওয়ারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্ক সনদে অন্তর্ভুক্ত নীতিমালা—সার্বভৌম সমতা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জনগণের পারস্পরিক কল্যাণ এসবের প্রতি বাংলাদেশের অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
৭ দিন আগে
ফসল রক্ষা বাঁধ প্রকল্পে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: পানি সম্পদমন্ত্রী
পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, হাওর অঞ্চলে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি ও রক্ষা করার জন্য বাঁধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ডুবে যাওয়া বাঁধগুলো প্রতি বছর মেরামতের ফলে এ অঞ্চলে ফসল উৎপাদন অনেকগুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই জন্য হাওর অঞ্চলকে আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রতি বছর যেন বাঁধ মেরামত হয় এবং দুর্নীতিমুক্ত হয় সেদিকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বেশি নজর থাকবে। ফসল রক্ষা বাঁধ প্রকল্পে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স থাকবে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলায় ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে এসব কথা বলেন তিনি।
পানি সম্পদমন্ত্রী বলেন, সরকার জনকল্যাণে প্রয়োজনীয় সকল কিছু করবে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় এ অঞ্চলের খোঁজখবর রাখছেন। আমরা দায়িত্ব নিয়েই আপনাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। ইতোমধ্যে বর্তমান সরকার কৃষি কাজে সেচের ব্যবস্থা করা, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে দেশব্যাপী খাল-পুকুর-জলাশয় খনন-পুনঃখনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ অঞ্চলে শুকনো মৌসুমেও সেচের মাধ্যমে কীভাবে ফসল উৎপাদন করা যায় সে উদ্যোগ নেবে সরকার। এখানে উৎপাদিত ফসল বিশেষ করে ধান রক্ষা করতে বাঁধ জরুরি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কয়সর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দীন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদারসহ স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
৭ দিন আগে
জুমার নামাজের পর শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কুশল বিনিময়
রাজধানীর বনানীতে জুমার নামাজের পর শিশু-কিশোরদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বনানীতে নৌবাহিনী সদর দপ্তরের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুমার নামাজ শেষে শিশু-কিশোদের সঙ্গে সময় কাটান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী জুমার নামাজ আদায় করে বের হওয়ার সময় শিশু-কিশোরদের কাছে গিয়ে তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানও মসজিদের নারীদের জন্য নির্ধারিত আলাদা স্থানে নামাজ আদায় করেন।
মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার আগে শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন কথোপকথনে তারা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে বলে জানান রুমন।
আলাপচারিতার সময় এক শিশু প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করে, ‘আঙ্কেল, আপনি রোজা রাখেন?’
শিশুটির সঙ্গে হাতে মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীও বলেন, ‘আমি? আমি তো রোজা রাখি।’
শিশুদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ও কারও কারও মাথায় স্নেহভরে হাত রেখে তিনি জিজ্ঞেস করেন, ‘তোমরা রোজা রাখো?’
উত্তরে শিশুরা একসঙ্গে বলে, ‘আমরাও রাখি।’
অপর পাশ থেকে আরেক শিশু বলে ওঠে, ‘আঙ্কেল আমি সবগুলো রোজা রেখেছি।’
প্রধানমন্ত্রী তার মাথায় হাত বুলিয়ে বলেন, ‘ভেরি গুড।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কাছে পেয়ে হাসি-খুশিতে মেতে ওঠে শিশুরা। পরে মসজিদ থেকে জুবাইদা রহমান বেরিয়ে আসলে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের ‘আল্লাহ হাফেজ’ বলে বিদায় জানান।
এ সময় শিশুরা বলে, ‘আঙ্কেল, আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’
এরপর প্রধানমন্ত্রী তাদের দিকে হাত নেড়ে গাড়ির দিকে এগিয়ে যান।
৭ দিন আগে