বাংলাদেশ
রেলওয়ের ৪০% পোষ্য কোটা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়: হাইকোর্ট
বাংলাদেশ রেলওয়ের ক্যাডারবহির্ভূত কর্মচারী নিয়োগসংক্রান্ত বিধিমালায় সরাসরি নিয়োগে (১৪তম থেকে ২০তম গ্রেড) মোট শূন্য পদের ৪০ শতাংশ পোষ্য কোটা রাখার বিধান কেন অবৈধ ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এ রুল দেন। রেলসচিব, আইনসচিবসহ বিবাদীদের ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: চাকরিতে কোটা সংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে ২ শিক্ষার্থীর আবেদন
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী মো. রোকনুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
পরে আইনজীবী মো. রোকনুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের ক্যাডারবহির্ভূত কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা–২০২০–এর ৩(৩) উপবিধিতে রেলওয়েতে যারা চাকরি করছেন, তাদের সন্তানদের জন্য ৪০ শতাংশ পোষ্য কোটা রাখা হয়েছে। এই উপবিধি সংবিধানের ২৬, ২৭, ২৮ ও ২৯ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। যে কারণে রিটটি করা হয়। শুনানি নিয়ে আদালত ওই রুল দেন।’
এর আগে গত ২৬ মে বাংলাদেশ রেলওয়ে ক্যাডারবহির্ভূত কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালার ৩(৩) উপবিধির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়।
রিটকারী আইনজীবী জানান, ৪০ শতাংশ কোটার সংরক্ষিত থাকার ফলে সমাজের নিম্ন শ্রেণির তথা দিনমজুর, শ্রমিক, রিকশাচালক, কৃষকের সরকারি চাকরিপ্রত্যাশী সন্তানদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হবে।
এ প্রসঙ্গে আইনজীবী রোকনুজ্জামান বলেন, ‘সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে আসছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে কোটা বাতিল করে পরিপত্র জারি করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলওয়ের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ পোষ্য কোটার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সেই কারণে একজন সচেতন নাগরিক এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে আমি সংক্ষুব্ধ। কারণ, এভাবে বিশাল একটি জনগোষ্ঠীকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আমি আইনি প্রতিকার চাওয়ার জন্য রিট করেছি।’
আরও পড়ুন: হাইকোর্টের রায়ের প্রতিবাদে বাকৃবি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন
কোটা পুনর্বহালে হাইকোর্টের রায়ে ৪ সপ্তাহের স্থিতাবস্থা
৬০০ দিন আগে
‘কানেক্টিভিটির এই পৃথিবীতে ট্রাভেল এজেন্টদের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান বলেছেন, কানেক্টিভিটির এই পৃথিবীতে ট্রাভেল এজেন্টদের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ট্রাভেল এজেন্টরা কানেক্টিভিটি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।’
তিনি বলেন, ‘বাইরের দুনিয়ার সঙ্গে তারা মানুষের যোগাযোগ করিয়ে দেয়। সুতরাং ট্রাভেল এজেন্টদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
আরও পড়ুন: বিমানের অগ্রগতিতে যারাই বাধা সৃষ্টিকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না: পর্যটনমন্ত্রী
রবিবার (১৪ জুলাই) অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউশনের প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে পর্যটনমন্ত্রী এ কথা বলেন।
পর্যটনমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো গ্রাহক যাতে প্রতারিত না হয়, বিদেশে যেতে কোনো সমস্যায় না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শুধু নিজেরা সৎ থাকলেই হবে না। অন্য কোনো ট্রাভেল এজেন্টও যাতে গ্রাহকদের কোনো প্রকার হয়রানি না করতে পারে সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে সবার।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো জনগণের সেবা নিশ্চিত করা। জনগণের সেবার কাজে ট্রাভেল এজেন্টরা আমাদের সহযোগিতা করছেন, সমর্থন করছেন। আপনারা আপনাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবেন। সরকার আপনাদেরকে সর্বোতভাবে পলিসি সাপোর্ট দেবেন।’
ফারুক খান বলেন, ‘পর্যটন খাতে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা তৈরির পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা তৈরির দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। তাদের এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে তারা পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় কাজ করার জন্য উপযুক্ত হিসেবে গড়ে ওঠে।’
তিনি বলেন, ‘পর্যটন শিল্পে দক্ষ জনবল তৈরি করার জন্য ভবিষ্যতে বাংলাদেশে একটি ট্যুরিজম বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার পরিকল্পনাও আমাদের আছে। আমরা আশা করি আমাদের এই উদ্যোগকে সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পর্যটনের সব অংশীজন আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসবেন।’
মন্ত্রী বলেন, ‘অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে নিয়ে প্রায়ই নানা অনিয়ম ও অভিযোগের কথা শোনা যায়। সবাইকেই নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। অন্যথায় নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের মহাসচিব আসফিয়া জান্নাত সালেহর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান একেএম আফতাব হোসেন প্রামাণিক, আটাবের প্রেসিডেন্ট আবদুস সালাম আরেফ।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে পর্যটন অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হবে: বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী
পর্যটন কর্মীদের উন্নত প্রশিক্ষণ দিতে মালয়েশিয়া সরকারের সহযোগিতাকে স্বাগত জানানো হবে: পর্যটনমন্ত্রী
৬০০ দিন আগে
বাংলাদেশের হাওর-উপকূলীয় এলাকায় বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে: ইইউ রাষ্ট্রদূত
বাংলাদেশের হাওর ও উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি।
তিনি বলেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক, অবকাঠামোগত ও মানবিক বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন হলেও হাওর ও উপকূলীয় এলাকার মতো দেশের অনগ্রসর অঞ্চলগুলোতে অতিদারিদ্র্যের হার এখনও বেশি। তাই এসব স্থানে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে।
রবিবার (১৪ জুলাই) পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) আয়োজিত ‘ন্যাশনাল ওয়ার্কশপ অন পিপিইপিপি-ইইউ প্রজেক্ট’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার ও ইইউ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পিকেএসএফের বাস্তবায়নে ‘পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল– ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (পিপিইপিপি-ইইউ)’ প্রকল্পের আওতায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবনে কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়।
হোয়াইটলি আরও বলেন, গত বছর ইইউ ও বাংলাদেশ পারস্পরিক সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন করেছে। পিপিইপিপি-ইইউ প্রকল্পটি এ সম্পর্কেরই একটি প্রতিফলন।
কর্মশালায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, ‘গত দেড় দশকে বাংলাদেশে দারিদ্র্য ও অতিদারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং এর পেছনে সরকারের বিভিন্ন গণমুখী, সময়োপযোগী পদক্ষেপের পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর সহায়তা কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।’
মুখ্যসচিব আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো অতিদারিদ্র্য নিরসন এবং এ লক্ষ্যপূরণে দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই কার্যক্রম নেওয়ার বিকল্প নেই।
পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নমিতা হালদার।
পিপিইপিপি-ইইউ প্রকল্পকে একটি অভিনব প্রকল্প হিসেবে আখ্যায়িত করে ড. নমিতা হালদার বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ও লবণাক্ততার প্রকোপ মোকাবিলার মতো কঠিন বিষয়গুলো সমাধানে কাজ করা সম্ভব যা একই সঙ্গে সময়সাপেক্ষ ও চ্যালেঞ্জিং।
পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন বলেন, দারিদ্র্য দূরীকরণে পিকেএসএফের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পিপিইপিপি-ইইউ প্রকল্পের পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের অগ্রগতি আশানুরূপ তবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে প্রকল্পের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে।
কর্মশালায় প্রকল্প থেকে পাওয়া সহায়তার সুফল নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা সদস্যরা নিজেদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন।
এছাড়া, ২০২২ সাল থেকে বাস্তবায়নাধীন পিপিইপিপি-ইইউ প্রকল্পের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একটি প্যানেল আলোচনা হয় এবং প্রকল্পবিষয়ক একটি সংক্ষিপ্ত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে গাড়ি রেখে সিএনজিতে ইইউ রাষ্ট্রদূত
'ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ উইথ বাংলাদেশ'র অভিবাসন সুবিধা তুলে ধরলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত
৬০০ দিন আগে
তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেবে ইইউভুক্ত চার দেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার দেশ- ইতালি, জার্মানি, গ্রিস ও রোমানিয়া বাংলাদেশ থেকে তিন হাজার কর্মী নেবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
রবিবার (১৪ জুলাই) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির বিদায়ী সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
আরও পড়ুন: সবার সঙ্গে দেশের সুসম্পর্ক দেখে গাত্রদাহ হচ্ছে বিএনপির : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ড. হাছান জানান, এ তিন হাজার কর্মীর দক্ষতার ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতে আরও কর্মী নেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ইইউ রাষ্ট্রদূত।
২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পরও বাংলাদেশ যেন ২০৩২ সাল পর্যন্ত পণ্য রপ্তানিতে জিএসপি সুবিধা পায় সে নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি আরও জানান, ইইউ থেকে জিএসপি বা শুল্ক হ্রাস সুবিধাসহ এখন বাংলাদেশ যেসব সুবিধা পাচ্ছে সেগুলো যেন অব্যাহত থাকে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রাজনীতিতে কখনো সহিংসতা চাই না: ট্রাম্পের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করবেন না, কোটা সমাধান আদালতের মাধ্যমেই হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৬০০ দিন আগে
ধীরগতির প্রকল্পের তালিকা দিতে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ সংসদীয় কমিটির
দীর্ঘদিন ধরে চলা ধীরগতির প্রকল্প এবং বারবার সময় বাড়ানো হয়েছে- এমন প্রকল্পের তালিকা দাখিলের জন্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
একই সঙ্গে সেসব প্রকল্প বাস্তবায়নে কেন দেরি হয়েছে- তার বিস্তারিত কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মন্ত্রণালয়কে। এটি পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।
আরও পড়ুন: ট্রেন দুর্ঘটনা রোধে সেন্সর ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ রেলপথ সংসদীয় কমিটির
রবিবার সংসদ ভবনে এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্প বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
কমিটি চলমান প্রকল্পগুলোর কাজের গতি বাড়াতে প্রক্রিয়া পর্যালোচনা ও উন্নত করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে অনুরোধ করে।
দ্রুত ও গতিশীল উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে সভায় প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
আরও পড়ুন: কোটা ইস্যু এখনও বিচারাধীন থাকায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে নিয়োগ স্থগিতের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
নিরাপদ খাদ্যে বিশেষ নজরদারির আহ্বান সংসদীয় কমিটির
৬০০ দিন আগে
আদালতে সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কিছু করার নেই: কোটা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী
আদালত সমাধান না দেওয়া পর্যন্ত কোটা পদ্ধতির বিষয়ে সরকার কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘উচ্চ আদালত বা আদালত যখন রায় দেন তখন নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কিছু করার থাকে না। বিষয়টির সমাধান আদালতেই করতে হবে।’
রবিবার (১৪ জুলাই) সাম্প্রতিক চীন সফর নিয়ে গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রবিবার
কোটা আন্দোলনকারীদের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছে তারা আইন মানে না, আদালতকে সম্মান করে না, সংবিধান বোঝে না, সরকারি কাজকর্ম বোঝে না।
তিনি আরও বলেন, 'হ্যাঁ, তারা মেধাবী, কিন্তু এসব বিষয়ে তাদের ধারণা থাকতে হবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, আদালত আন্দোলনকারীদের আইনি পদ্ধতিতে তাদের যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ করে দিয়েছে। কিন্তু তারা রাজপথে বিক্ষোভের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করতে পছন্দ করছে বলে মনে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, 'যেহেতু বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে এবং আদালত রায় দিয়েছেন, তাই এই মুহূর্তে রায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর কোনো অধিকার আমার নেই এবং সংবিধানও আমাকে তা করার অনুমতি দেয় না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আদালতে এর সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কিছু করার নেই। এটাই বাস্তবতা। এই বাস্তবতা তাদের মেনে নিতে হবে। অন্যথায় আমাদের কিছু করার নেই এবং তারাও আন্দোলন চালিয়ে যাবে (কোনো ফল ছাড়াই)।’
বিক্ষোভের নামে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না। যতক্ষণ তারা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ততক্ষণ কেউ কিছু বলবে না। কিন্তু তারা যদি পুলিশের ওপর হামলা এবং যানবাহন ভাঙচুরের মতো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়, তাহলে আইন তার নিজস্ব পথে চলবে।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশি পণ্যের নতুন বাজার অনুসন্ধান করতে রপ্তানিকারকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
জাতীয় অগ্রগতিতে খেলাধুলার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর
৬০০ দিন আগে
সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম কোটা আন্দোলনকারীদের
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের দাবির বিষয়ে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে এবং পুলিশের দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য সরকারের প্রতি আল্টিমেটাম দিয়েছেন।
রবিবার বেলা ৩টা ২০ মিনিটে রাজধানীর গুলিস্তানে জিপিওর কাছে এ আল্টিমেটাম ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।
আরও পড়ুন: যৌক্তিকতা না থাকলে কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা বাতিল হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
তিনি বলেন, 'আমরা সরকারের কাছ থেকে আশ্বাস পাচ্ছি না। রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে আমরা সংসদে আমাদের এক দফা দাবির বিষয়টি উত্থাপনের জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি অনুরোধ জানিয়েছিলাম। আমরা চাই তিনি আইন পাসে ভূমিকা রাখবেন এবং জাতীয় সংসদে জরুরি অধিবেশন ডাকবেন।’
তিনি বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংসদ অধিবেশন ডেকে সেখানে আমাদের দাবির বিষয়ে আইন পাসে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারে। আমরা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে এই সমস্যা সমাধানে দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখতে চাই। জনদুর্ভোগ হোক এমন কোনো কর্মসূচি নিতে আমাদের বাধ্য করবেন না। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিন।’
উল্লেখ্য, গুলিস্তানের জিপিওর কাছে পুলিশ বাধা দিলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বারো সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলকে পুলিশ পাহারায় বঙ্গভবনে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রতিনিধি দলটি দুপুর আড়াইটার দিকে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরীর কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
এর আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সাত কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হলসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেলা ১১টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হতে থাকেন এবং বঙ্গভবন অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেন।
আরও পড়ুন: কোটা সংস্কার: বাকৃবিতে গণ পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান
কোটা ইস্যু এখনও বিচারাধীন থাকায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে নিয়োগ স্থগিতের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
৬০০ দিন আগে
কোটা সংস্কার: বাকৃবিতে গণ পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান
কোটা সংস্কারের দাবিতে সারা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে গণ পদযাত্রা ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (১৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চ থেকে ওই পদযাত্রা শুরু হয়। এতে যুক্ত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকশ শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন: 'বাংলা ব্লকেড': ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ অবরোধ বাকৃবি শিক্ষার্থীদের
বাকৃবির ছাত্র-ছাত্রীদের ১৩টি আবাসিক হলসহ কে.আর মার্কেট ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরেন শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা- ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’ স্লোগান দেন।
গণ পদযাত্রা শেষ হওয়ার পর বেলা ৩টায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের স্বাক্ষরসহ একটি স্মারকলিপি রাষ্ট্রপতি বরাবর পাঠানোর জন্য ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরীর কাছে জমা দেন।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি অভিযানের প্রতিবাদে বাকৃবিতে বিক্ষোভ
৬০০ দিন আগে
রাজনীতিতে কখনো সহিংসতা চাই না: ট্রাম্পের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনি সমাবেশে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে আমরা কোনো সংঘাত চাই না। আমাদের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। আমাদের দেশে যেমন মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা হয়, মানুষের সম্পত্তি পোড়ানো হয় সেটি কখনো কাম্য নয়। এটি অনভিপ্রেত, আইনবিরোধী।’
রবিবার (১৪ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ট্রাম্পের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘অতীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে কখনো ভায়োলেন্স ছিল না। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ হামলায় আমরা চিন্তিত ও নিন্দা জানাই। রাজনীতিতে ভায়োলেন্স থাকা উচিত নয়।’
চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে জানতে চাইলে ড. হাছান বলেন, ‘কোটার বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে এসেছে। সরকার শিক্ষার্থীদের ওপর সহানুভূতিশীল হয়ে পুরো কোটাই বাতিল করে দিয়েছিল। হাইকোর্ট সেটি পুনর্বহাল করেছিল, সুপ্রিম কোর্ট স্থগিত করেছে। কোটা আদালতের একটি বিচারাধীন বিষয়। সে কারণে এর ওপর সরকার কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। তাহলে আদালত অবমাননা হবে। আদালতের মাধ্যমেই এর সমাধান হতে হবে।
কোটা আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘এখন যে আন্দোলন হচ্ছে সেটির কোনো যৌক্তিকতা আছে বলে মনে করি না। এটি আসলে আদালতের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলিও বটে। কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপ্রেক্ষিতে অনেক সমস্যাও দেখা দিয়েছে। যেমন অনেক জেলা থেকে অনেক ক্যাডারে কেউ সুযোগ পাচ্ছে না, মেয়েদের অংশগ্রহণ কমে গেছে -এসব সমস্যা দেখা দিয়েছে।’
কোটা আন্দোলন থেকে বিএনপি সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে কি না- এ প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান বলেন, ‘বিএনপি তো সবসময় চায় দেশকে অস্থিতিশীল করতে। বিএনপি কোটা আন্দোলন থেকেও সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পর সুপ্রিম কোর্ট স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য আদেশ দিয়েছে। অর্থাৎ সরকার যে কোটা বাতিল করেছিল, সেটিই বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। এরপরও যখন আন্দোলন হয় বুঝতে হবে এটির সঙ্গে রাজনীতি যুক্ত হয়েছে।’
গত ১১-১২ জুলাই ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিমসটেক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিতীয় রিট্রিট সম্মেলনের বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, চিকিৎসা, জ্বালানি নিরাপত্তা খাতে সহায়তা এবং নেপাল ও ভুটানে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে সবুজ শক্তি ব্যবহার বাড়ানো বিষয়ে রিট্রিটে কথা হয়েছে।
হাছান মাহমুদ আরও জানান, আগামী সেপ্টেম্বর মাসের চার তারিখে থাইল্যান্ডে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব নেবে বাংলাদেশ।
রিট্রিটের সাইডলাইনে ভারত ও মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিয়ে মন্ত্রী হাছান জানান, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের জন্য পচনশীল পণ্য আমদানিতে কোটা নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিস্তা বিষয়ে কারিগরি দল পাঠানো, ব্রিকসে অন্তর্ভুক্তি ও জয়েন্ট কনসাল্টেটিভ কমিটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ড. হাছান আরও জানান, মিয়ানমার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে চায় বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কিন্তু সেটি রাখাইনের বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর।
৬০০ দিন আগে
মেডিকেল কলেজগুলোতে উন্নত শিক্ষা দিলে সুদক্ষ চিকিৎসক তৈরি হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ‘আমাদের মেডিকেল কলেজগুলোর মান বাড়লে ও উন্নত শিক্ষা দিলে আমরা আরও সুদক্ষ চিকিৎসক পাব।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের মেডিকেল কলেজগুলো চিকিৎসক তৈরি করে। তাই মেডিকেল কলেজগুলোর সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে।’
আরও পড়ুন: বগুড়ায় রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহতদের চিকিৎসার ব্যয় বহন করবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রবিবার (১৪ জুলাই) দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক মত বিনিময় সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী একথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মেডিকেল পেশাজীবী ও রোগীদের সুরক্ষার জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের খসড়া তৈরি শেষ পর্যায়ে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমরা অনেকবার এটা নিয়ে মন্ত্রণালয়ে সভা করেছি। এই আইন রোগী ও ডাক্তার উভয়কেই সুরক্ষা দেবে।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম ডাক্তারদের বিদ্যমান সব সাবজেক্টে পোস্ট গ্রাজুয়েট সম্পন্ন করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ডাক্তারদের জন্য সুপার নিউমারারি পদ সৃষ্টির উদ্যোগের কথা বলেন।
এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ. এফ. এম. নূরুউল্লাহর সভাপতিত্বে এই মত বিনিময় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য বিভাগের সব সমস্যা রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সিজারিয়ান অপারেশনের সংখ্যা কমিয়ে আনার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
৬০০ দিন আগে