বাংলাদেশ
চট্টগ্রামে শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, হাছান মাহমুদসহ ১০৮ জনের নামে মামলা
চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে ছাত্রদল নেতা ও চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী ওয়াসিম আকরাম নিহত হওয়ার ঘটনায় পতিত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ ১০৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ১০০ থেকে ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ আগষ্ট) নিহত ওয়াসিমের মা জোসনা আক্তার বাদী হয়ে সিএমপির পাঁচলাইশ থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
এ মামলায় ওয়াসিমকে হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ব্যরিস্টার মহিবুল হাসান নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ রেজাউল করিম, সাবেক সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন বাচ্চু ও চসিক কাউন্সিলরসহ ১০৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মানবতাবিরোধী অপরাধ-গণহত্যা: শেখ হাসিনা ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু আইসিটির
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, মুরাদপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে কলেজছাত্র ওয়াসিম আকরাম নিহতের ঘটনায় তার মা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ ১০৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গত ১৬ জুলাই বিকাল ৩টার দিকে মুরাদপুর এলাকায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষে গুলিতে নিহত হন ওয়াসিম আকরাম। তিনি চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ও একই কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন। ওয়াসিম কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী শফিউল আলমের ছেলে। তারা দুই ভাই ও তিন বোন।
মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, আবদুস ছবুর লিটন, এসরারুল হক এসরারুল, মোবারক আলী, হারুন অর রশীদ, মোরশেদুল আলম, নুর মোস্তফা টিনু, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, আশরাফুল আলম, গিয়াস উদ্দিন, জহরলাল হাজারী, হাসান মুরাদ বিপ্লব, জিয়াউল হক সুমন, পুলক খাস্তগীর, নুরুল আলম মিয়া, মোহাম্মদ ওয়াসিম, আবদুস সালাম মাসুম, জাকারিয়া দস্তগীর, মো. ফিরোজ।
আরও পড়ুন: জয়পুরহাটে শিক্ষার্থী হত্যা: শেখ হাসিনা-ওবায়দুল কাদেরসহ ১২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
এছাড়াও মামলায় আসামি করা হয়েছে যুবলীগ নেতা নুরুল আজিম রনি, মো. ইসমাইল, মো. দেলোয়ার, এন. এইচ. মিন্টু, মোহন ঘোষ, মো. আলী, ভূবন ঘোষ, আরহাম খান, ইসমাইল উদ্দিন লিটন, দৌলত খান, এনামুল হক মানিক, নুর মোহাম্মদ, মো. সোহেল, নেজাম উদ্দিন, মো. আমজাদ হোসেন, ইরফানুল আলম তুষার, ইব্রাহিম খলিল, জয়নাল উদ্দিন জাহেদ, নুর নবী সাহেদ, শহীদুল ইসলাম, সাগর দাস, জাহেদ হোসেন, জি. এম. তৌশিফ, সাদ্দাম হোসেন ইভান, দেবাশীষ পাল দেবু, মো. জাবেদ, মহিউদ্দিন, মো. জাফর, মো. আলী (সাহেদ), মহিম আজম, দিদারুল আলম, মো. ইলিয়াছ, মো. আলী, মো. ইসহাক, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, দিদারুল আলম মাসুম, মো. মাসুম, জিহান আলী খান, মহিউদ্দিন শাহ, মুজিবুর রহমান রাসেল, মোহাম্মদ রাশেদসহ আরও ১০৮ জনকে। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ১০০ থেকে ১৫০ জনকে।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, গত ১৬ জুলাই বিকাল ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে নিহত ওয়াসিম আকরাম পাঁচলাইশ থানার মুরাদপুরের বারকোড রেস্টুরেন্টের সামনে ছিল। তখন ছাত্র জনতার বৈষম্যবিরোধী শান্তিপূর্ণ যৌক্তিক আন্দোলন চলছিল। আন্দোলন চলাকালে আসামিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্ধনে সারাদেশের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের ক্যাডাররা অস্ত্রশস্ত্রসহ ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। ওইদিন বিকাল ৩-৪টায় ওয়াসিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল এবং ওইসময়ে তার ওপর আসামিদের নির্দেশে এবং তাদের ব্যাপক বোমা বিস্ফোরণ ও লাঠিসোঁঠা, হকিস্টিক, কিরিচ এবং আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সমাবেশে আক্রমণ করে। এক পর্যায়ে আসামিদের ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে ওয়াসিম বুকে ও নাভিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়ে। পরে তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
আরও পড়ুন: রংপুরে শিক্ষার্থী হত্যা: শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে মামলা
৬৫৪ দিন আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পদত্যাগের দাবিতে বিএনপিপন্থী চিকিৎসক-কর্মচারীদের বিক্ষোভ
ঢাকার মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ও আওয়ামী লীগপন্থী কর্মকর্তাদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে বিএনপিপন্থী চিকিৎসক ও কর্মচারীরা।
কোভিড ডেডিকেটেড ডিএনসিসি হাসপাতালের অভ্যন্তরে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের মধ্য দিয়ে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (১৯ আগস্ট) সকালে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ চলাকালে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি বড় দল বিভাগের প্রবেশপথ আটকে কর্মকর্তাদের তাদের কার্যালয়ে ঢুকতে বাধা দেয়।
আন্দোলনকারীরা মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ রবেদ আমিন, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. আহমেদুল কবিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ দাবি করে।
হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষের ভেতরে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা সেবা নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম, বর্তমান মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালকসহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভের কারণে বিভাগের কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম।
৬৫৪ দিন আগে
যানজটে বিপর্যস্ত রাজধানী: মেট্রোরেল বন্ধ থাকায় বেড়েছে দুর্ভোগ
রাজধানীর ফার্মগেট, বিজয় সরণি, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর, সিদ্ধেশ্বরী, মতিঝিলসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সোমবার তীব্র যানজট দেখা গেছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম শুরু হওয়ায় এবং বিক্ষোভ চলমান থাকায় ট্রাফিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে উঠেছে।
বিভিন্ন দাবিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। বিশেষ করে শাহবাগে বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করায় যানজট অধিক মাত্রায় বেড়ে গিয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে আশেপাশের এলাকাগুলোতে।
রমনা ও মতিঝিলের আশপাশেও যানজট দেখা গেছে, যা পুরো শহরের যান চলাচলকে প্রায় অচল করে দিয়েছে।
এছাড়াও যমুনা ফিউচার পার্কের সামনের সড়কের উভয় দিকে যানজট দেখা যায়। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্রবেশমুখেও যানবাহনের দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। যার প্রভাব পড়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্রগতি সরণি ও কুড়িলের কাছাকাছি সড়কগুলোতেও।
উল্লেখ্য, রবিবার থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষের চাপ বেড়েছে। এদিকে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকায় সড়কপথে যানজট আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
ব্যাপক যানজটের কারণে দীর্ঘ সময় যাত্রীদের একই জায়গায় আটকে থাকতে হচ্ছে। যান চলাচল প্রবাহে অচল অবস্থার মুখোমুখি হয়েছে ঢাকাবাসী।
৬৫৪ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে পাওয়া পরিত্যক্ত গাড়ি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের
রাজধানীর ধানমন্ডির বাইতুল আমান মসজিদের সামনে রাস্তায় প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের বিলাসবহুল গাড়ি পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
রবিবার (১৮ আগস্ট) সকাল থেকে ঢাকা মেট্রো -ঘ ২১-৮৪৫৬ নম্বর প্লেটযুক্ত গাড়িটি সেখানে পড়ে ছিল। পরে মধ্যরাতে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় গাড়িটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারকারী এক ব্যক্তি গাড়িটি নিয়ে পোস্ট করলে এর মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
ট্রাফিক অ্যালার্ট নামক একটি গ্রুপে জুনায়েদ কামাল নামের এক ব্যক্তি রাত ১টার দিকে গাড়িটি নিয়ে একটি পোস্টে লেখেন, ‘ধানমন্ডির বাইতুল আমান মসজিদের সামনের দিকের রাস্তায় কেউ একজন ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি ফেলে গেছেন। রবিবার সকাল থেকে গাড়িটি এখানে পড়ে আছে, গাড়িটি আনলক অবস্থায় আছে। কেউ কি এর মালিককে চিনেন?’
তবে দিনরাত চেষ্টার পর গাড়িটির মালিকের সন্ধান না পেলেও কিছু তথ্য ও ছবিতে নিশ্চিত হওয়া গেছে গাড়িটি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের।
গাড়িটির পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ২০২২ সালের ৩১ জুলাই গাড়িটি কেনা হয়েছিল তবে রেকর্ড আপডেট করা হয়েছে ২৮ জুলাই। ট্যাক্স টোকেন ইস্যু করা হয়েছে ৩ আগস্ট। যার মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি বছরের ৩০ জুলাই। ট্রাস্টি সার্টিফিকেট নেওয়ার তারিখ ২০২৩ সালের ৩ আগস্ট। সেটিরও মেয়াদ গত ৩ আগস্ট শেষ হয়েছে। ২০২২ সালে ম্যানুফেকচার করার সময় গাড়িটির খালি ওজন ২ হাজার ২০০ কেজি আর মালামাল ৩ হাজার ২২০ কেজি পর্যন্ত তোলা সম্ভব। গাড়িটির ফিটনেস ইস্যু করা হয়েছে ২০২২ সালের ৩১ জুলাই। যার মেয়াদ রয়েছে ২০২৭ সালের ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত।
গাড়িটির মালিকানাধীনের জায়গায় প্রাইভেট উল্লেখ করা হয়েছে। মালিকের নাম লেখা আসাদুজ্জামান খান ও তার বাবা মৃত আশরাফ আলী খান। গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়েছে মিরপুর বিআরটিএ-তে।
এছাড়াও গাড়ি কেনার জন্য করের টিন নম্বরের জায়গায় (৫১১১১১২৫৫০৫৬) দেওয়া হয়েছে। মালিকের মোবাইল ফোন নম্বর হিসেবে দেওয়া হয়েছে -০১৭১১-৫৪১৫৬৯।
গাড়িটি কেনার জন্য মালিকের যে নম্বর দেওয়া হয়েছে সেটির সূত্র ধরে নাম্বার ও পরিচয় শনাক্তকারী অ্যাপস ট্রু কলারে খুঁজে দেখা যায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের নাম।
এছাড়াও এই গাড়ি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সে বিষয় প্রমাণের আরও একটি ছবি মিলেছে। ছবিতে দেখা যায়, গাড়িটি কেনার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার সঙ্গে কয়েকজন ছবি তুলছেন। ছবিতে মন্ত্রী ছাড়াও ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের সাবেক ডিসি এইচএম আজিমুল হকসহ মন্ত্রীর কয়েকজন কাছের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তারা গাড়িটি কেনার পর শোরুমে একটি যৌথ ছবিও তোলেন। পাশে গাড়িতে রাখা ছিল। সেটির সামনে লাগানো নাম্বার প্লেটের সঙ্গে উদ্ধারকৃত গাড়ির নাম্বার প্লেটের মিল রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মন্ত্রী থেকে শুরু করে সব পর্যায়ের নেতাকর্মী পালাতে শুরু করে। গা ঢাকা দেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও। পালানোর কারণে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বাড়িতে লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ভাঙচুর হামলা চালাচ্ছিল।
ধারণা করা হচ্ছে, এমন পরিস্থিতিতে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই গাড়ির চালক তার বাসার গ্যারেজে নিয়ে রেখেছিলেন গাড়িটি। সম্প্রতি আতঙ্কজনক পরিস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় সেই চালক গাড়িটিকে ধানমন্ডির রাস্তায় রেখে পালিয়ে গেছেন।
৬৫৪ দিন আগে
‘মার্চ ফর জাস্টিস’-এ আন্দোলনকারীর মুখ চেপে ধরা শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক বরখাস্ত
হাইকোর্ট এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে এক আন্দোলনকারীর মুখ চেপে ধরে আলোচিত হওয়া শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রবিবার ডিএমপির পুলিশ কমিশনার মো. মাইনুল হাসানের সই করা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
কোটা আন্দোলনের অংশ হিসেবে গত ৩১ জুলাই হাইকোর্ট এলাকায় আন্দোলনকারীরা 'মার্চ ফর জাস্টিস' কর্মসূচি পালন করছিলেন। এসময় ঢাকার নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলামের মুখ চেপে ধরেন পরিদর্শক আরশাদ হোসেন। এ ঘটনার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
ডিএমপি মনে করছে, সুশৃঙ্খল পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তার এরূপ অপেশাদার কর্মকাণ্ডের ফলে পুলিশের কার্যক্রম সমন্ধে জনসম্মুখে বিরূপ ধারণার সৃষ্টিসহ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ কারণে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুখ চেপে ধরা ছাড়াও পুলিশ পরিদর্শক আরশাদ হোসেনের বিরুদ্ধে আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে। তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের জামায়াত-শিবির বলেও আখ্যায়িত করেছিলেন। সে সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিবির বলে আখ্যা দেওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
৬৫৪ দিন আগে
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এখন মূল চ্যালেঞ্জ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করাই এখন এখন মূল চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সোমবার (১৯ আগস্ট) সচিবালয় নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো আইনশৃঙ্খলা। যত দ্রুত সম্ভব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা যায়।’
এর আগে তিনি জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
আরও পড়ুন: দুর্নীতি করে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের দাবি আমলে নেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বৈঠক প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় উনারা আমাদের কী ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা করতে পারেন, সেই বিষয়ে মূলত আলোচনা হয়েছে। আমরা কোন কোন খাতে সহযোগিতা চাচ্ছি সেটাও আলোচনায় উঠে এসেছে।’
রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়েও আলাপ হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে তারা সহযোগিতা করছে, আমরা আরও সহযোগিতা চেয়েছি। এক দশমিক দুই মিলিয়ন রোহিঙ্গা, প্রতিদিনই তাদের বাচ্চা বাড়ছে, খরচ বাড়ছে। আমাদের পক্ষে কতদিন এই খরচ বহন করা সম্ভব!’
উপদেষ্টা আরও বলেন, 'জাতিসংঘ থেকে যে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন আসার কথা, সেটা তারা পাঠাবে। সেক্ষেত্রে তারা আমাদের কোন ধরনের সহযোগিতা করবে, আমরা কোন ধরনের সহযোগিতা চাই- এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মেশিন আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে আসতে পারে বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
কৃষি উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমি কৃষি মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্ব রয়েছি, সেখানে আমার লক্ষ্য কীভাবে উৎপাদন বাড়িয়ে লোকজনকে খাওয়াতে পারি বেশি।’
আরও পড়ুন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে বিক্ষোভের নিন্দা জানালেন জয়
৬৫৪ দিন আগে
চিটাগং চেম্বারে তৃণমূলের ভোটে ব্যবসাবান্ধব নির্বাচিত নেতৃত্ব চাই: নুরুল হক
চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাট্রিজের ‘ভোট বিহীন অবৈধ কমিটি’র পদত্যাগের দাবিতে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্বমূলক সম্মিলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার নগরীর আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চিটাগং চেম্বার অব কমার্স ভবনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠি হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন, চিটাগং চেম্বার অব কমার্সের প্রাক্তন সিনিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট এস,এম,নুরুল হক।
তিনি বলেন,গত ১৬ বছরের গতিহীন জংধরা এই প্রতিষ্ঠানকে সর্বাধুনিক এবং গতিশীল করতে হলে নুতন প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্বে আনতে হবে।
তিনি বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ গঠন করতে ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের মাধ্যমে দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়েছে। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তবর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো ঐতিহ্যবাহী চিটাগং চেম্বারও একটি নির্দিষ্ট দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। দলীয় কার্যালয়ের মতো ব্যবহৃত হয়েছে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের ভরসাস্থল। দুই প্রভাবশালী নেতা এম এ লতিফ ও মাহবুবুল আলম বলয়ের বাইরে এখানে কেউ নির্বাচিত হওয়া দূরে থাক, মনোনয়ন ফরম পর্যন্ত নিতে পারেনি। ফলে তাদের পরিবারের সদস্যরাই এখানে ব্যবসায়িক নেতা হয়েছেন, বলয়ের মধ্যে থাকা ব্যক্তিরাই পরিচালক হয়েছেন। রাজত্ব করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন থেকে। চেম্বারকে ব্যবসায়ীদের বদলে পারিবারিক প্রতিষ্ঠান বানিয়েছেন। পরিবারতন্ত্রের বাইরে যে কজন সিলেক্টেড হয়েছেন তারা সবাই অর্থের বিনিময়ে চেম্বার পরিচালক মনোনীত হয়েছেন।
বক্তারা বলেন, শতবছরের ঐতিহ্যবাহী চিটাগং চেম্বার এখন অনেকটা 'মরা বাঘ'এ পরিণত হয়েছে। ব্যবসায়ীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে চিটাগং চেম্বার কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। এই চেম্বারের নেতার মতো নয়,বরং রাজনৈতিক দলের মুখপাত্রের মতোই উনারা কথা বলেছেন। চট্টগ্রামের সাধারণ ব্যবসায়ীরা সেই পরিবারতন্ত্রের কবল থেকে চিটাগং চেম্বারকে মুক্ত করতে চান। তৃণমূল ব্যবসায়ীদের ভোটে সরাসরি নেতৃত্ব নির্বাচন করতে চান তারা।
চেম্বারের সংস্কারের জন্য কয়েকটি দাবি জানান ব্যবসায়ীরা। দাবিগুলো হলো-
১.অবিলম্বে চিটাগং চেম্বারের বর্তমান ভোটবিহীন অবৈধ কমিটির পদত্যাগ,
২. চিটাগং চেম্বারের সদস্যপদ প্রাপ্তি সহজীকরণ
৩. চিটাগং চেম্বারের সদস্যপদ সঠিক যাচাই বাছাই করে নির্দিষ্ট ব্যক্তির পকেট ভোট ব্যাংক বিলুপ্ত করে একটি সঠিক
ভোটার তালিকা প্রণয়ণ
৪. যোগ্য নেতৃত্ব বাছাই করার জন্য গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা,
৫. একই নেতৃত্ব একাধারে ২ বারের অধিক নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ রহিত করতে প্রয়োজনে আইন সংশোধন,
৬. চিটাগং চেম্বারের বিগত ১৬ বছরের আর্থিক লেনদেনের নিরপেক্ষ অডিট করা।
মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন-চিটাগাং চেম্বার অফ কমার্সের সাবেক পরিচালক ও মোস্তফা গ্রুপের পরিচালক মাহফুজুর রহমান,
বার বি ডার সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান,খাতুনগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও প্রাক্তন পরিচালক (চেম্বার অব কমার্স) সৈয়দ ছগির আহম্মদ,চিটাগাং চেম্বার অব কমার্সের প্রাক্তন পরিচালক হাসানুজ্জামান চৌধুরী জোসেফ,চিটাগাং চেম্বার অব কমারর্সে সাবেক পরিচালক আব্দুল মান্নান রানাসহ আরও অনেকে।
৬৫৪ দিন আগে
সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মনোযোগী, মুদ্রা সরবরাহে সতর্ক: উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন
সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মনোযোগী এবং মুদ্রা সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে সতর্ক বলে জানিয়েছেন উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
সোমবার শেরে-বাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই কর্মকর্তাদের গুরুত্বের ভিত্তিতে প্রকল্পগুলোকে তালিকাভুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।
সতর্কতার সঙ্গে প্রকল্প নির্বাচনের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রকল্পগুলোকে সেগুলোর তাৎপর্য অনুসারে তালিকভুক্ত করুন।’
রাজনৈতিক সরকারগুলো প্রায়ই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য তাদের নির্বাচনি এলাকায় অসংখ্য প্রকল্প গ্রহণ করে বলে স্বীকার করেন উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক সরকারগুলোর সমালোচনা করছি না, কিন্তু এটা বাস্তব যে তারা তাদের রাজনৈতিক লক্ষ্য মাথায় রেখে অনেক প্রকল্প গ্রহণ করে।’
চলমান প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মাঝামাঝি সময় বন্ধের আশঙ্কা প্রসঙ্গে আলোচনার সময় পরিকল্পনা উপদেষ্টা প্রকল্প সমাপ্তির পর অবশিষ্ট ব্যয় ও প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক সুবিধার মূল্যায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, 'এটিই একমাত্র বিবেচ্য বিষয়।’
৬৫৪ দিন আগে
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’য় ইউরোপিয়ান আ. লীগের প্রতিবাদ
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’র প্রতিবাদ জানিয়েছে সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ। এ সময় শেখ হাসিনাসহ নেতাদের বিরুদ্ধে করা সব ‘মিথ্যা মামলা’ অবিলম্বে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানানো হয়।
সোমবার (১৯ আগস্ট) এক বিবৃতিতে ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি এম. নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একেরপর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। চেপে বসা অপশক্তির সরকার তাদের দোসরদের দিয়ে এই অসত্য মামলা করছে।’
তারা আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে যখন সমৃদ্ধির মহাসড়ক দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে চলেছিলেন তখন পাকিস্তান সমর্থিত সাম্প্রদায়িক শক্তি জামায়াত-শিবির-বিএনপি সারা দেশে হত্যা, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, লুটতরাজ চালায়। একই সঙ্গে মন্দির-গির্জা ভাংচুর, সংখ্যালঘুদের হত্যা, পুলিশ-আনসার হত্যা, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হত্যা, সংসদ ভবন, গণভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেস, বিটিভিসহ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হামলা করে ব্যাপক ক্ষতি সাধনের মধ্য দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে। শেখ হাসিনাকে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডির ৩২ নম্বর ঐতিহাসিক বাড়িটিকে পুড়িয়ে দেয়। আমরা এইসবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সংখ্যালঘুদের ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ওপর নির্যাতন, হত্যা বন্ধ করুন।’
৬৫৫ দিন আগে
জার্মানিতে বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শুকরিয়া আদায় উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, জার্মানি শাখা।
শনিবার জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের অস্টপার্কে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
জার্মান বিএনপির সভাপতি দেওয়ান শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রেজার উপস্থাপনায় বক্তারা ১৬ বছরে আওয়ামী দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরেন।
তারা বলেন, খুন, গুম, জেল জুলুম ও নির্যাতনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ভয়ার্ত জনপদে পরিণত করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। ভিন্নমত দমনে নিষ্ঠুর পদক্ষেপ নেয় তারা। শান্তি প্রিয় সহঅস্থানের বাংলাদেশকে আওয়মীকরণ করেছিল। সর্বত্র উন্নয়নের স্লোগানের অন্তরালে লুটপাট,দুর্নীতি করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে।
বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে চরম দলীয়করণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে ভঙ্গুর করে দিয়েছে। একটি স্বাধীন দেশে জাতিকে করেছে বিভক্ত, কেড়ে নেওয়া হয়েছিল ভোটের অধিকার। রাজপথ রক্তাক্ত করে, অজস্র প্রাণহানী ঘটিয়ে গণআন্দোলনের মুখে স্বৈরশাসক হাসিনা পালিয়ে যান ভারতে।
বক্তাগণ আরও বলেন, হাসিনা পালিয়ে গিয়েছে এটা জাতির জন্য স্বস্তিদায়ক নয়। কারণ হাসিনা ভারতে বসে বাংলাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে উঠে পড়ে লেগেছে ভারতের ইন্ধন ও সহযোগিতায়।
সভায় বক্তব্য রাখেন, জুয়েল খান, শাখাওয়াত হোসেন সোহাগ, মো. কাওসার শামীম, আনোয়ার হোসেন, নিয়াজ হাবিব,আসিফ ইকবাল ভুঁইয়া, হায়াতুন্নবী রুমেল, ফয়সাল হোসেন, হাবিবুল্লা আল বাহার, সিজার হকসহ আরও অনেকে।
আলোচনা সভা শেষে গণআন্দোলনে যেসব ছাত্র জনতা নিহত হয়েছেন, তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। আহতদের দ্রুত সুস্হতা কামনা এবং বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার দ্রুত অরোগ্য কামনা করে দোয়া করা হয়।
দোয়া পরিচালনা করেন ফ্রাঙ্কফুর্ট মসজিদের পেশ ইমাম খালেদ হোসেন।
৬৫৫ দিন আগে