বাংলাদেশ
দেশে আরও ১৪ জনের করোনা শনাক্ত
দেশে শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি।
তবে নতুন করে ১৪ জনের শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ২২১ জনে।
এখন পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৯৮ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এই সময় শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
মোট পরীক্ষায় এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মোট মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৪ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৮ হাজার ৬৮৭ জনে।
৬০১ দিন আগে
‘কোটা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মতামত’ জানতে ছাত্রলীগের 'পলিসি অ্যাডভোকেসি' ও 'ডোর টু ডোর' ক্যাম্পেইন শুরু
সাধারণ শিক্ষার্থীরা কোটা নিয়ে কী ভাবছেন, তারা কী চান তা বোঝার জন্য 'পলিসি অ্যাডভোকেসি' ও 'ডোর টু ডোর' ক্যাম্পেইন শুরু করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
শনিবার (১৩ জুলাই) ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ছাত্রলীগ বিভিন্ন তথ্য সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করবে। উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে যৌক্তিক পদ্ধতি অবলম্বন এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন কর্মসূচি পরিহার করবে ছাত্রলীগ।
আরও পড়ুন: জবি ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা, আলোচনা ও মতামত গ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যমান পরিস্থিতির একটি গ্রহণযোগ্য ও যৌক্তিক সমাধান, জনদুর্ভোগ এড়ানো এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাডেমিক পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতির যৌক্তিক ও ইতিবাচক সমাধানের জন্য শিক্ষার্থীদের যেকোনো মতামত লিখিতভাবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে (২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ) অথবা [email protected] ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ উদ্যোগ সম্পর্কে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জানাতে শনিবার বিকাল ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করবে ছাত্রলীগ।
আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলন: শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান ছাত্রলীগের
৬০১ দিন আগে
ঢাকার প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ধীরগতির যানবাহন নিষিদ্ধ: ডিএমপি
ঢাকা মহানগরীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ ধীরগতির যানবাহন আর চলাচল করতে পারবে না বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।
শনিবার(১৩ জুলাই) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান বলেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলন: সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ মেনে চলতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি ডিএমপি কমিশনারের আহ্বান
তিনি বলেন, ‘আমরা এই যানবাহনগুলোর জন্য কিছু ছোট রাস্তা নির্ধারণ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। ইতোমধ্যে ধানমন্ডি এলাকার কিছু সড়ক নির্বাচন করা হয়েছে। মিরপুরের প্রধান সড়কে এসব যানবাহন এখন আর চলছে না। প্রগতি স্মরণি ও ভিআইপি রোডের মতো প্রধান সড়কে অটোরিকশাসহ ধীরগতির যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হবে না। আমরা পরিকল্পনা ও প্রয়োগ দুটোই একসঙ্গে সমন্বয় করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘অটোরিকশা শুধু ছোট রাস্তায় চলবে। প্রধান সড়কে তাদের ঢুকতে দেওয়া হবে না। তবে এতে অটোরিকশা চালকদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।’
আরও পড়ুন: টানা ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট যানজট নিয়ে ডিএমপির সতর্কতা
৬০১ দিন আগে
নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা: ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সাংগঠনিক বৈঠকের পর কর্মবিরতির বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন।
গত ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অচলাবস্থা নিরসনে শনিবার (১৩ জুলাই) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।
ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি শিক্ষক প্রতিনিধি দলকে তাদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন এবং তাদের স্পষ্ট করে বলেছেন যে এই প্রকল্প ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।
তিনি বলেন, ‘২০২৪ সাল থেকে এই প্রকল্প শুরু হবে বলে সংসদে প্রধানমন্ত্রী যে তথ্য দিয়েছিলেন তা ভুল ছিল, পেনশন প্রকল্পটি ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হবে। আমরা বিষয়টি স্পষ্ট করেছি।’
আরও পড়ুন: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে বিএনপি নৈতিক সমর্থন করে: ফখরুল
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা আমাদের তিনটি দাবি নিয়ে আলোচনা করেছি। শিক্ষক সমিতির সঙ্গে আলোচনা করে আমরা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলব।’
সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন্নাহার চাঁপা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ৪ জুলাই ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে শিক্ষকদের বৈঠক স্থগিত করা হয়।
আরও পড়ুন: পেনশন স্কিম: কাদেরের সঙ্গে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রতিনিধি দলের বৈঠক
৬০১ দিন আগে
কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক: কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের দাবি ও বক্তব্য সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় মূলনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তিনি বলেন, কোটা পদ্ধতি-সংক্রান্ত আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
শনিবার (১৩ জুলাই) বিকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোটা পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, একটি ষড়যন্ত্রকারী চক্র কোটা সংস্কার আন্দোলনকে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।
আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলন: সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ মেনে চলতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি ডিএমপি কমিশনারের আহ্বান
কাদের বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কোটা পদ্ধতির অনুপস্থিতির ফলে নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের হার হতাশাজনক ছিল।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কোটার হার রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ভারতে ৬০ শতাংশ, পাকিস্তান ৯২ দশমিক ৫ শতাংশ, নেপালের ৪৫ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কায় ৫০ শতাংশ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত।
সংবাদ সম্মেলনের আগে পেনশন সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন ওবায়দুল কাদের। সভায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি আখতারুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ১৩ জন শিক্ষক অংশ নেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, শিক্ষকদের অন্যান্য দাবির বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।
ওবায়দুল কাদের ১৫টি জেলার প্রায় ২০ লাখ মানুষের চলমান বন্যা সংকট মোকাবিলা করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, বন্যার্তদের সহায়তায় সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি ও নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন্নাহার চাঁপা, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা কবি কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি: শুক্রবার দেশব্যাপী সমাবেশ
৬০১ দিন আগে
পেনশন স্কিম: কাদেরের সঙ্গে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রতিনিধি দলের বৈঠক
পেনশন স্কিম ‘প্রত্যয়’ নিয়ে ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে শনিবার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন্নাহার চাঁপা।
আরও পড়ুন: পেনশন স্কিম: বৃহস্পতিবার শিক্ষকদের সঙ্গে বসবেন ওবায়দুল কাদের
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীও বৈঠকে উপস্থিত আছেন।
শিক্ষকদের প্রতিনিধি দলে ছিলেন— বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. আখতারুল ইসলাম, মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া, ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, শিক্ষক নেতা অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রহিম, অধ্যাপক শফিউল আলম ভূইয়া, অধ্যাপক ইমতিয়াজসহ অনেকেই।
আরও পড়ুন: পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আন্দোলন অযৌক্তিক: অর্থমন্ত্রী
৬০১ দিন আগে
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রবিবার
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সাম্প্রতিক চীন সফরের ফলাফল নিয়ে আলোচনা করতে রবিবার সংবাদ সম্মেলন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে ৮ থেকে ১০ জুলাই বেইজিং সফর করেন এবং বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে ফিরেছেন।
সফরকালে তিনি গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। উচ্চ পর্যায়ের এসব বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে আলোকপাত করা হয়।
বাংলাদেশ ও চীন তাদের অংশীদারিত্ব জোরদারের লক্ষ্যে ২১টি সহযোগিতা নথি সই ও নবায়ন করেছে।
এছাড়া বাংলাদেশ-চীন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) বিষয়ে যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষসহ ৭টি ফলাফল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ও চীন।
আরও পড়ুন: চীন সফর শেষে দেশের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ প্রধানমন্ত্রীর
৬০১ দিন আগে
‘বাংলা ব্লকেডে’ শিক্ষার্থীদের ওপর 'পুলিশের বর্বরতার' বিচারের দাবিতে জবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
বৃহস্পতিবার ‘বাংলা ব্লকেড’ চলাকালে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী তাদের ওপর 'পুলিশি বর্বরতার' প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা।
সরকারি চাকরিতে সব ধরনের অযৌক্তিক কোটা বাতিলের দাবিতে ছুটির দিনেও শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই সমাবেশে যোগ দেন।
শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়। শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস থেকে মিছিল করে ভিক্টোরিয়া পার্ক প্রদক্ষিণ করে এবং তারপরে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে জড়ো হয়। বিক্ষোভের কারণে সদরঘাট এলাকায় ব্যাপক যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা 'কোটা নাকি মেধা, মেধা, মেধা', 'কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন বর্বরতা? আমরা জবাব চাই!’ এবং ‘বাংলায় খবর ছড়িয়ে দাও, কোটা পদ্ধতিকে কবর দাও!’বলে স্লোগান দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী জাকারিয়া ইসলাম বলেন, 'দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাব। যতক্ষণ না সরকার সব ধরনের অন্যায্য কোটা বাতিল করে সংসদে আইন প্রণয়ন না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা এখান থেকে যাব না, যতক্ষণ না সংবিধানে উল্লেখিত কোটা শুধুমাত্র সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যবহৃত হবে।’
আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি: শুক্রবার দেশব্যাপী সমাবেশ
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, 'আমরা সরকারি চাকরিতে সব ধরনের অযৌক্তিক কোটা বাতিলের যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করছি। তবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের সহপাঠীদের ওপর সহিংসতা আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। আমরা এই হামলার জন্য দায়ীদের দ্রুত চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও শুক্রবার বিকালে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ করে এবং শাহবাগ মোড় অবরোধ করে।
আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক আবু বক্কর মজুমদার জানান, শনিবার আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন তারা।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি অভিযানের প্রতিবাদে বাকৃবিতে বিক্ষোভ
৬০২ দিন আগে
‘কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পদক্ষেপ’
ইয়াঙ্গুনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাষ্ট্রদূত ড. মো. মনোয়ার হোসেন বলেছেন, কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জাতিসংঘ স্বীকৃত ‘শেখ হাসিনা উদ্যোগ’ সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের একটি অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি।
শুক্রবার (১২ জুলাই) ইয়াঙ্গুনের ইউনিভার্সিটি অব পাবলিক হেলথ-এ ‘কমিউনিটি বেসড হেলথকেয়ার: রোড টু অ্যাচিভ ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন।
ইয়াঙ্গুনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ও ইউনিভার্সিটি অব পাবলিক হেলথ যৌথভাবে সেমিনারটি আয়োজন করে।
আরও পড়ুন: কমিউনিটি ক্লিনিক মডেল: শেখ হাসিনার উদ্যোগ তুলে ধরে জাতিসংঘে রেজুলেশন গৃহীত
রাষ্ট্রদূত ড. হোসেন তার বক্তৃতায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি বহুমুখী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্যোগের মাধ্যমে জনগণের স্বাস্থ্য উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
তিনি আরও বলেন, সুস্বাস্থ্যের সামাজিক মানদণ্ডের উন্নতির সঙ্গে এই উদ্যোগগুলোর সম্মিলিত প্রভাবে বাংলাদেশ স্বাস্থ্যসেবায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে, যা প্রতিবেশী অনেক দেশ এবং অনেক উন্নয়নশীল দেশকে ছাড়িয়ে গেছে।’
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা, স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও রোগনির্ণয়, নিয়মিত টিকাদান, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা এবং প্রয়োজনে উন্নত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সেবা গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে বাংলাদেশের গ্রামীণ অঞ্চলের প্রান্তিক জনগণের ব্যাপক উপকার করছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতিসংঘ ঘোষিত ২০৩০ সালের মধ্যে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।
কমিউনিটি ক্লিনিকের ধারণা প্রবর্তনের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, এই উদ্যোগটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুপ্রেরণায় বাস্তবায়িত হয়েছে। তিনি ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরে কমিউনিটি ক্লিনিকের ধারণাটি চালু করেছিলেন।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে ১২টি কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্বোধন
রাষ্ট্রদূত গভীর শ্রদ্ধায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করেন, যিনি সর্বপ্রথম স্বাস্থ্যসেবাকে গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ধারণা দিয়েছিলেন।
৬০২ দিন আগে
‘প্রধানমন্ত্রী দারিদ্র্য নিরসনে বহুমুখী কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেন’
অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দারিদ্র্য নিরসনে বহুমুখী কার্যক্রম গ্রহণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন। গত ১৬ বছরে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে মোট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকা। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে সামাজিক নিরাপত্তায় এত বেশি বরাদ্দ বিরল।’
শুক্রবার (১২ জুলাই) চট্টগ্রম সার্কিট হাউসে ছয়টি জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ন: স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে জেন্ডার বাজেটের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে: অর্থ প্রতিমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘আমরা ১৫ আগে বাংলাদেশ যেমন দেখেছিলাম, সেই বাংলাদেশ এখন অনেক বদলে গেছে। প্রধানমন্ত্রীর রূপান্তরকারী নেতৃত্বে আজকের বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গে কমিউনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে গেছে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায়। বেড়েছে গড় আয়ু, কমেছে শিশু ও মাতৃমৃত্যুহার।’
অর্থ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা সংবিধানে অসহায় মানুষের জন্য সরকারি সাহায্য লাভের অধিকার অন্তর্ভুক্ত করে সামাজিক নিরাপত্তাকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি ভূমি ও গৃহহীন মানুষের পুনর্বাসন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে গৃহহীণ ও ছিন্নমূল মানুষের জন্য আশ্রয়ণ, ঘরে ফেরা, একটি বাড়ি একটি খামার, বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতার মতো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলো চালু করেন।’
চট্রগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম মোর্শেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফরিদুল আলম, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) চট্টগ্রামের সহসভাপতি ডা. নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ জেলা পুলিশ ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে অর্থ প্রতিমন্ত্রী চট্রগ্রামের মহানগরের ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত ১৪১ জন রোগী ও রোগীর স্বজনদের মাঝে ৭০ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করেন।
আরও পড়ন: ট্রেড ডিজিটালাইজেশনে লেনদেন দ্রুত-নিরাপদ হবে: অর্থ প্রতিমন্ত্রী
এসডিজি অর্জনে সরকার সঠিক পথে রয়েছে: অর্থ প্রতিমন্ত্রী
৬০২ দিন আগে