বাংলাদেশ
হাসিনার স্বৈরশাসন দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে: কূটনীতিকদের ইউনূস
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বৈরশাসন দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে।
ঢাকায় নিযুক্ত কূটনীতিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, বিচার বিভাগ ভেঙে পড়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষার্থীদের অনুরোধে তিনি এ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনে যারা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ঢাকার অধিকাংশই বিশ্বের গ্রাফিতি রাজধানীতে পরিণত হয়েছে: অধ্যাপক ইউনূস
রবিবার দুপুর ১টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এ ব্রিফিং শুরু হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করবেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর ঢাকায় নিযুক্ত কূটনীতিকদের নিয়ে এটাই প্রথম ব্রিফিং প্রধান উপদেষ্টার।
আরও পড়ুন: আমাদের কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে তরুণ ও শিক্ষার্থীদের স্থান দিতে হবে: অধ্যাপক ইউনূস
৬৫৫ দিন আগে
বাহা'র নতুন কমিটি গঠন
বাংলাদেশ অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি অ্যাসোসিয়েশনের (বাহা) আগামী দুই বছরের জন্য নতুন আংশিক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করেছে বাহার অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি। বাহার সংবিধানের উপবিধির অনুচ্ছেদ তিন অনুসারে কমিটিটি গঠিত হয়েছে।
শনিবার বেলা ১১টায় পূর্ববর্তী কমিটিকে বাতিল ঘোষণা করে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন এই কমিটি গঠন করা হয়।
নতুন এই কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাশেম এবং মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন প্রো. ভেটাগ্রো কনসালটিংয়ের মো. রফিকুল ইসলাম খান (ডন)।
কমিটিতে জ্যৈষ্ঠ সহসভাপতি হিসেবে আছেন বাকৃবির পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলী।
এছাড়া সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিএলএস) পিএসও ড. মো. গোলাম আজম, ডিএলএসের পরিচালক ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) পরিচালক (গবেষণা) ড. নাসরিন সুলতানা।
যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন- এম.এস.কে এগ্রোর ম্যানেজিং পার্টনার এ. কে. এম. আনিসুজ্জামান (আনিস), বাকৃবির অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, বাকৃবির ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. মো. সাদেকুজ্জামান।
কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন এভান্স এশিয়া লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফয়েজুর রহমান ফয়েজ।
সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন- কাজী ফার্মস লিমিটেডের মো. শাইফুল ইসলাম (সাথী), সলিডারের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টটিভ মোহাম্মদ আমানউল্লাহ। এছাড়া সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন- বিএলআরআই’র এসএসও মো. আশাদুল আলম (আপেল), এ.এম. জাহিদুল আবেদীন (মিশু)।
দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বাকৃবির পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্লা এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক ডিএলএস এর ইউএলও মো. রফিকুল ইসলাম (রাহুল)।
প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ডিএলএস এর ইউএলও এস.এম. সামিউল আউয়াল (সামি) এবং সহ-প্রচার সম্পাদক ডিএলএস’র পিডিও মো. বাহালুল করিম (তমাল)।
আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক বিএলআরআইয়ের পিএসও ড. মো. রাকিবুল হাসান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক বিএলআরআই’র এসএসও ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক ড. মো. ফয়জুর রহমান (বিপুল), মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক আফতাব বহুমুখী ফার্মস লিমিটেডের মো. শহীদুল ইসলাম (শহিদ)।
এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন বাহার সাবেক সচিব ও সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন আকন্দ, বাহার সাবেক মহাসচিব ও ডিএলএসের প্রকল্প পরিচালক ড. অসীম কুমার দাস এবং বাকৃবির অধ্যাপক ড. এ.কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।
৬৫৫ দিন আগে
সরকার পতনের পর নিরাপত্তাজনিত কারণে সেনানিবাসে আশ্রয় নেন ৬২৬ জন: আইএসপিআর
গত ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সরকারের সদস্যসহ মোট ৬২৬ জন দেশের বিভিন্ন সেনানিবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হলে বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ বেসামরিক নাগরিক প্রাণের ভয়ে সেনানিবাসে আশ্রয় নেন।
এতে বলা হয়, বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ, জীবন রক্ষা এবং আইনের শাসন সমুন্নত রাখার প্রয়াসে মোট ৬২৬ জনকে বিভিন্ন সেনানিবাসে আশ্রয় দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: সেনানিবাসের ভেতরে বিদেশি মিশনের কেউ অবস্থান করছে না: আইএসপিআর
এর মধ্যে ২৪ জন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ৫ জন বিচারক, ১৯ জন অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তা, ২৮ জন পুলিশ অফিসার, ৪৮৭ জন পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য, বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাসহ বিবিধ ১২ জন ও ৫১ জন পরিবার পরিজন (স্ত্রী ও শিশু) ছিলেন।
পরিস্থিতির উন্নতি সাপেক্ষে ৬১৫ জন নিজ উদ্যোগে সেনানিবাস ত্যাগ করেন।
এছাড়া আশ্রয় দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে থেকে এ পর্যন্ত ৪ জনকে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বা মামলার ভিত্তিতে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে আশ্রয়প্রাপ্ত তিনজন তাদের পরিবারের চার সদস্যসহ মোট সাতজন সেনানিবাসে অবস্থান করছেন। এক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সব তথ্য দেওয়া হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে নিরপেক্ষ ও পেশাদারত্বের সঙ্গে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
এক্ষেত্রে, গুজবে কান না দিয়ে সবাইকে ধৈর্যশীল ও সহযোগী মনোভাব প্রদর্শনে বিনীতভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা জনসাধারণের পাশে আছে এবং থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: জনগণের সঙ্গে অসদাচরণের জন্য দোষী সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইএসপিআর
৬৫৬ দিন আগে
স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন করার কথা ভাবা হচ্ছে: তথ্য উপদেষ্টা
প্রাথমিকভাবে স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন করার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর রবিবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রথম অফিসে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, 'আমরা স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশনের কথা প্রাথমিকভাবে ভেবেছি। এর রূপরেখা কী হবে সেটা আমরা সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করব। সাংবাদিক সমাজের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা এই উদ্যোগগুলো নিতে চাচ্ছি।'
আরও পড়ুন: আন্দোলনের সময় যারা ছাত্র-মানুষ হত্যা করেছে তাদের শাস্তি হবে: উপদেষ্টা নাহিদ
উপদেষ্টা বলেন, ‘সেন্সর বোর্ডের কারণে যেসব ছবি আসেনি সেগুলো নিয়ে আমরা দ্রুতই বসব। সেন্সর বোর্ডকে দ্রুততার সঙ্গে পুনর্গঠন করব। সেন্সর বোর্ড না থাকার যে দাবি, সেটিও আমরা আলোচনা করে যৌক্তিকতা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেব।’
'আপনাদের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে আমার ছবি যত কম প্রচার করা যায়। আমি তো পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি কয়দিন ধরেও।'
ব্যক্তিগত বিরোধ বা প্রতিহিংসার জেরে মামলার আশঙ্কার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'যারা অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না তাদের বিরুদ্ধে যেন কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, সে বিষয়ে আমাদের নির্দেশনা রয়েছে। মামলাগুলো হলেও সেগুলো সুস্পষ্ট তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সে বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়কে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া আছে।'
গণমাধ্যম কর্মী আইনটি দীর্ঘদিন ঝুলে আছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘এটি আমি দেখব।’
সাগর-রুনি হত্যার বিচার সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে চাইছে জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এটা নিয়ে আমরা কোনো ধরনের প্রহসন, টালবাহানা চাচ্ছি না।’
তিনি বলেন, আমরা সব মন্ত্রণালয়ের একটা কাঠামোগত সংস্কারের কথা ভাবছি। যাতে এটার দীর্ঘমেয়াদি সুফল আসে। বিভিন্ন আইনের পরিবর্তন, সাংবাদিকদের বেতনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে যেসব প্রতিষ্ঠান আছে, সেগুলো আধুনিকায়ন করা হবে।’
ডিএফপি ও পিআইবিতে ব্যাপক দুর্নীতি হয়- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা তো বলেছি যে, দুর্নীতি, কোনো স্বজন-প্রীতির কোনো স্থান আমরা এখানে দেখতে চাই না। প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে আমাদের দাঁড় করাতে হবে।’
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গাটা হচ্ছে নিরপেক্ষতা। কিন্তু আমাদের দেশে গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে দেখি, আওয়ামী লীগ-বিএনপির মতো গণমাধ্যমেও দুইটা ভাগ থাকে। এই বিষয়গুলো সাংবাদিকরা বিবেচনা করবেন, যাতে আমরা এ ধরনের দলীয় কোনো ভাগ সাংবাদিকদের মধ্যে না দেখি। যাতে তারা একটি নিরপেক্ষ জায়গা থেকে জনগণের জন্য কথা বলতে পারেন।
আরও পড়ুন: ইন্টারনেট বন্ধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: উপদেষ্টা নাহিদ
৬৫৬ দিন আগে
বিদ্যুৎ খাতের জন্য ২০১০ সালের বিশেষ আইন বাতিল চান জ্বালানি বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ ও বিপিডিবির কর্মকর্তারা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বিশেষ আইন ২০১০ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কর্মকর্তারা।
সেই সঙ্গে বিদ্যুতের দাম পুনর্নির্ধারণে বেসরকারি প্ল্যান্ট অপারেটরদের সঙ্গে আলোচনা এবং দেশের বিদ্যুৎ খাতকে টিকিয়ে রাখতে ক্যাপাসিটি চার্জ কমানোরও দাবি জানান তারা।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নবনিযুক্ত উপদেষ্টা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের ঠিক আগ মুহূর্তে তারা এসব পরামর্শ দেন।
সাবেক বিদ্যুৎ সচিব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়; সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনতে বছরে বিপিডিবির ক্ষতি হচ্ছে ৪৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি এবং বেসরকারি কোম্পানির কাছে বকেয়া বিল ৪৫ হাজার কোটি টাকা। দেশের বিদ্যুৎ খাতের এমন সংকটময় মুহূর্তের প্রেক্ষাপটে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে এই পরামর্শ এসেছে।
বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদকদের সঙ্গে চুক্তির আওতায় ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক ৩৭ হাজার ৯৩ কোটি টাকার বাড়তি বোঝা টানতে হচ্ছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের গবেষণা পরিচালক ও অর্থনীতিবিদ ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে প্রথমে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বড় ধরনের সংস্কারে মনোনিবেশ করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘সব ধরনের বৈষম্য দূরীকরণ এবং ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে এই সংস্কারের অংশ হিসেবে প্রথমে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বিশেষ আইন ২০১০ বাতিল করতে হবে।’
তিনি বলেন, পরবর্তী পদক্ষেপ হওয়া উচিত বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদকদের সঙ্গে তাদের শুল্ক পুনর্নির্ধারণের জন্য পুনরায় আলোচনা করা, বিশেষ করে যেসব কোম্পানিতে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি রয়েছে এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ন্যূনতম সময় পার করেছে।
সিপিডি পরিচালক বলেন, তৃতীয় পদক্ষেপ হতে হবে, যেসব কোম্পানি বিদ্যুৎ কেনার চুক্তির জন্য অযাচিতভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাদের সঙ্গে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) বাতিল করতে হবে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংস্কারের ধারণার সঙ্গে একমত পোষণ করে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সিনিয়র সহসভাপতি ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. এম শামসুল আলম বলেন, সরকারকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) পুনর্গঠন করতে হবে এবং ট্যারিফ নির্ধারণ কর্তৃপক্ষের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে।
পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও ঢেলে সাজাতে হবে, যাতে সঠিক নেতৃত্ব আসে।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানোর জন্য সরকারের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয় এবং অবিলম্বে এই খাতের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে তাদের পরামর্শের জন্য বসা উচিত।
বিদ্যুতের দাম ও ক্যাপাসিটি চার্জ কমানোর বিষয়েও বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছেন বিপিডিবির কর্মকর্তারা।
গত বছর ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, ক্যাপাসিটি চার্জ পুনর্বিবেচনা করে ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা গেলে সরকার বছরে ১৮ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে পারবে।
তারা আরও বলেন, বিদ্যমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বিশেষ আইন ২০১০ বাতিল করা হলে বিদ্যুৎ খাতে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা আসবে।
৬৫৬ দিন আগে
সেনানিবাসের ভেতরে বিদেশি মিশনের কেউ অবস্থান করছে না: আইএসপিআর
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, বর্তমানে সেনানিবাসের ভেতরে বিদেশি মিশনসমূহের কোনো ব্যক্তিবর্গ অবস্থান করছেন না। এক্ষেত্রে, গুজবে কান না দিয়ে সকলকে ধৈর্যশীল ও সহযোগী মনোভাব প্রদর্শন করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
শনিবার (১৭ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আইএসপিআর।
আরও পড়ুন: জনগণের সঙ্গে অসদাচরণের জন্য দোষী সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইএসপিআর
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে অবস্থিত বিভিন্ন বিদেশি মিশনের নিরাপত্তা জোরদারের জন্য অনুরোধ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সেসময় পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অনুপস্থিতিতে সেনাবাহিনীর কাছে তারা (বিদেশি মিশনে কর্মরতরা) নিরাপত্তা পেতে সহায়তা চায়। এ কারণে ঢাকার কূটনৈতিক এলাকা ও দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তায় সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়, যা বর্তমানেও চলমান রয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, এসময় ভারতীয় হাইকমিশনের অনুরোধে শুধুমাত্র অসামরিক সদস্যদের ঢাকা সেনানিবাসসহ অন্যান্য সেনানিবাসে আশ্রয় দেওয়া হয়। পাশাপাশি কিছু সংখ্যক সদস্য নিজ নিজ কনস্যুলেট ভবনে এবং বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করায় সেসব স্থানেরও নিরাপত্তা দেওয়া হয়।
এছাড়া, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত কয়েকজন রাশিয়ান বিশেষজ্ঞকেও নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সকল তথ্যাদি দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ডিজিএফআইয়ের নতুন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ফয়জুর রহমান: আইএসপিআর
লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদের তথ্য চেয়ে আইএসপিআরের আহ্বান
৬৫৬ দিন আগে
বাংলা একাডেমি ও শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।
শনিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আন্দোলনকারীদের চিকিৎসার ব্যয় বহন করবে সরকার, বিতর্কিত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দ্রুত বাতিল
এছাড়া বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক মিনার মনসুর এবং ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) রঞ্জন সেনের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগও বাতিল করা হয়েছে।
জনস্বার্থে শিগগিরই এ আদেশ কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পাঁচজন সচিবকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়।
আরও পড়ুন: ঢাকা ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খানের নিয়োগ বাতিল
বাতিল হলো ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি
৬৫৬ দিন আগে
বগুড়ায় হাসিনা-কাদেরসহ আওয়ামী লীগের ১০১ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বগুড়ায় স্কুলশিক্ষক সেলিম হোসেন (৪০) নিহতের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ১০১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নিহত সেলিম হোসেনের বাবা সেকেন্দার আলী বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় মামলাটি করেন। মামলায় শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইহান ওলিউল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: জবির সমন্বয়ক পদ থেকে সরে গেলেন নূর নবী
মামলার বাঁকি ৯৯ জন আসামির মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য আসামিরা হলেন- বগুড়া-৫ (ধুনট-শেরপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান মজনু, বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি টি জামান নিকেতা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহন, সাগর কুমার রায়, এ কে এম আসাদুর রহমান দুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদৎ আলম ঝুনু, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফি নেওয়াজ খান রবিন, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হাসান, বগুড়া জেলা যুবলীগের সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাজেদুর রহমান শাহীন ওরফে ভিপি শাহীন, সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রহমান শান্ত, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব সাহা, সাধারণ সম্পাদক আল মাহিদুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক দুই সভাপতি আল রাজি জুয়েল ও নাঈমুর রাজ্জাক তিতাস, সাবেক দুই সাধারণ সম্পাদক মাশরাফি হিরো ও অসীম কুমার রায়, শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মান্নান আকন্দ, বগুড়া চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মাসুদুর রহমান মিলন, চেম্বারের সহসভাপতি ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাফুজুল ইসলাম রাজ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান শফিক।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনের দিন বগুড়া শহরের সাতমাথা এলাকায় শিক্ষক সেলিম হোসেনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত সেলিম হোসেনের বাড়ি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার পীরব ইউনিয়নের পালিকান্দা গ্রামে। তিনি বগুড়া সদরের ইসলামপুর হরিগাড়ীতে বসবাস করতেন। তিনি কাহালু উপজেলার মুরইল লাইট হাউস স্কুলের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের হুকুমে সেদিন বগুড়া শহরের সাতমাথা স্টেশন সড়কে জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর সামনে আওয়ামী লীগের সাবেক দুই সংসদ সদস্যসহ সাত নেতার নেতৃত্বে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালিয়ে ককটেল ও পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় সেলিম হোসেন রক্তাক্ত হন। বগুড়া পৌরসভার কাউন্সিলর আবদুল মতিন সরকার ও আমিনুল ইসলাম রামদা দিয়ে কুপিয়ে এবং কাউন্সিলর আরিফুর রহমান হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়ে তাকে জখম করেন। পরে অন্য হামলাকারীরা অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে।
এ বিষয়ে মামলার আইনজীবী ও বগুড়া জেলা বিএনপির সহসভাপতি আবদুল বাসেদ বলেন, ‘ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশে সেলিম হোসেনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ কারণে ওই দুজনকে হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে আসামি করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: বিস্ফোরক আইনে সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ কারাগারে
সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার উপজেলা চেয়ারম্যান
৬৫৬ দিন আগে
ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে আরও ২৩৭ রোগী হাসপাতালে
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার (১৬ আগস্ট) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে কারো মৃত্যু হয়নি। তবে এই সময়ে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৩৭ জন।
শনিবার (১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে আরও ২৩৩ রোগী হাসপাতালে
বিজ্ঞপ্তি থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩২ জন, আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন আরও ১০৫ জন রোগী।
চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ পুরুষ এবং ৫১ দশমিক ৪ শতাংশ নারী।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২ হাজার ২১৭ জন। এর মধ্যে ৬০ দশমিক ৮ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৯ দশমিক ২ শতাংশ নারী।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে আরও ৫০ রোগী হাসপাতালে
৬৫৬ দিন আগে
বিস্ফোরক আইনে সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ কারাগারে
বিস্ফোরক আইনে সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী ও ঠাকুরগাঁও-১ (সদর উপজেলা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে তার বাড়ি থেকে আটক করে ঢাকায় নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল।
আরও পড়ুন: সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন আটক
পরে শনিবার (১৭ আগস্ট) জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব কুমার রায়ের আদালতে হাজির করলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়ার বাসিন্দা রিপন ওরফে বাবু বাদি হয়ে একদিন আগে সাবেক এমপি রমেশ চন্দ্র সেন, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সমীর দত্ত, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ আপেলসহ ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত নামা অনেককে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে জানা যায়, গত ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শান্তিপূর্ণ কর্মসুচি চলাকালে রমেশ চন্দ্র সেনের নেতৃত্বে আসামিরা শিক্ষর্থীদের ওপর হামলা চালায় ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে আন্দোলনরত অসংখ্য শিক্ষার্থী আহত হন।
আরও পড়ুন: সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার উপজেলা চেয়ারম্যান
জবির সমন্বয়ক পদ থেকে সরে গেলেন নূর নবী
৬৫৬ দিন আগে