বাংলাদেশ
শনিবার রাজধানীতে শুরু হচ্ছে ৭ দিনব্যাপী পাহাড়ি ফল মেলা
শনিবার শুরু হচ্ছে ৭ দিনব্যাপী ‘পাহাড়ি ফল মেলা-২০২৪’।
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘পাহাড়ি ফল মেলা-২০২৪’ অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর বেইলি রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রে।
আরও পড়ুন: বাকৃবিতে ৪০ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে চাকরি মেলা
প্রধান অতিথি হিসেবে শনিবার (৬ জুলাই) বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ মেলার উদ্বোধন করবেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা ‘পাহাড়ি ফল মেলা-২০২৪’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন।
মেলা শনিবার (৬ জুলাই) থেকে শুক্রবার (১২ জুলাই) পর্যন্ত চলবে। এছাড়া মেলা প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর বাহাদুর উশৈসিং, জ্বরতী তঞ্চঙ্গা, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী, উপজাতীয় শরণার্থীবিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান সুদত্ত চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু।
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক খাদ্য-পানীয় মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের আয়োজনে রাজধানীতে উদ্যোক্তা মেলা
৬০৯ দিন আগে
কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক সংক্রান্ত জাতীয় টাস্ক ফোর্সের সভা অনুষ্ঠিত
জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের সম্পর্কিত জাতীয় টাস্ক ফোর্সের ৪৫তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) কক্সবাজারে পররাষ্ট্র সচিব ও জাতীয় টাস্ক ফোর্সের সভাপতি মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জাতীয় টাস্ক ফোর্সের সদস্য বাংলাদেশে কর্মরত জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন, বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় কক্সবাজার ও ভাসানচরে অবস্থানরত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, যেমন- কক্সবাজার ও ভাসানচর ক্যাম্পের সমস্যা, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের জন্য বিশ্ব ব্যাংকের ৭০০ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়নসহ সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে মিয়ানমার আরও সচেষ্ট হবে বলে আশ্বাস বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের
সভাপতি উল্লেখ করেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের মিয়ানমারে টেকসই প্রত্যাবাসন এই সমস্যার একমাত্র সমাধান।
সভায় এলপিজি, খাদ্য, চিকিৎসা, পরিবার পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন সেক্টরে জাতিসংঘের সংস্থাগুলোকে অধিকতর ও কার্যকর ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় রাখাইনে প্রত্যাবাসন-সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জন্য জাতিসংঘের চলমান কর্মসূচি সম্পর্কে সংস্থাটির প্রতিনিধিরা অবহিত করেন।
এ সময় জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের জন্য মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় তহবিলের ব্যবস্থা করার জন্য জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
উল্লেখ্য, ৪৫তম জাতীয় টাস্ক ফোর্সের সভায় যোগদানের পূর্বে পররাষ্ট্র সচিব কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর করেন। তিনি সেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি, দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মকান্ড, প্রত্যাবাসন কেন্দ্র ইত্যাদি পরিদর্শন করেন।
আরও পড়ুন: সংকট গভীর হওয়ার আগেই রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন জরুরি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৬০৯ দিন আগে
কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি অর্ধলক্ষেরও বেশি মানুষ
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্লাবিত হয়ে পড়েছে নতুন নতুন এলাকা। ৯টি জেলায় ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছে।
শুক্রবার (৫ জুলাই) সকালে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বেড়ে বিপৎসীমার ৭৮ সে.মি., নুনখাওয়া পয়েন্টে ৭২ সে.মি. এবং হাতিয়া পয়েন্টে ৮০ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
তবে, কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি, পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার এবং শিমুলবাড়ী পয়েন্টে ধরলার পানি বিপৎসীমার নিচেই রয়েছে।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে বন্যায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি
কাঁচা-পাকা সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। চিলমারী থেকে রৌমারীগামী ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
এছাড়াও ২ হাজার ৩০০ হেক্টর ফসলি জমি বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।
বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় জেলায় ৩৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নদ-নদী তীরবর্তী চর ও নিম্নাঞ্চলের বসতভিটায় পানি ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে মানুষজন। অনেক পরিবার গবাদিপশুসহ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।
সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের পোড়ার চরের বাসিন্দা মতিউর বলেন, ‘ব্রহ্মপুত্রের পানি ঘরের চারপাশে আসছে। গবাদিপশু নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’
বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মুসার চরের মতিয়ার রহমান জানান, চরের প্রতিটি বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। কেউ নৌকা, কেউ বা মাচান করে উঁচু স্থানে আছে। এখানকার প্রতিটা পরিবার খুব কষ্টে আছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, ব্রহ্মপুত্রসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি আরও ৪৮ ঘণ্টা ধরে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরইমধ্যে ব্রহ্মপুত্রের পানি তিনটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যান্য নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা নিচে রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান, জেলায় ৬২ হাজার ২০০ মানুষ পানিবন্দি। এখন পর্যন্ত ১৭৩ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লক্ষ টাকা বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মজুত আছে ৬০০ মেট্রিক টন চাল ও ৩০ লাখ টাকা। যা পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৬০০০ মানুষ পানিবন্দি
৬০৯ দিন আগে
সৌদি আরবে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের মুসাসানাইয়া এলাকায় একটি সোফা তৈরির কারখানায় আগুনে পুড়ে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ৩ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।
বুধবার সৌদি আরবের স্থানীয় সময় বিকাল ৫টার দিকে আগুনের এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন নিহতদের স্বজনরা। নিহতের খবর পাবার পর থেকে তাদের পরিবারে চলছে শোকের মাতম।
নিহতরা হলেন- আত্রাই উপজেলার তেজনন্দি গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে ফারুক হোসেন (৪০), শিকারপুর গ্রামের সাহাদ আলীর ছেলে এনামুল হোসেন (২৫) ও দিঘা স্কুলপাড়া গ্রামের কবেজ আলীর ছেলে শুকবর রহমান (৪০)।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) বিকালে তেজনন্দি গ্রামের ফারুক হোসেনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়- গ্রামের লোকজন, প্রতিবেশী ও স্বজনরা ভিড় করে আছেন। গ্রামজুড়েই যেন কান্না আর শোকের রোল পরে গেছে। ফারুকের স্ত্রী ও দুই সন্তানকে যেন কেউ থামাতেই পারছেন না। বার বার কান্নায় ভেঙে পরছেন।
আরও পড়ুন: ভারত থেকে ফেরার পথে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু
ফারুকের ভাতিজা পিন্টু আলী জানান, চাচা ফারুক হোসেন গার্মেন্টসে কাজ করতেন। গত প্রায় ৬ বছর আগে ধার-দেনা করে সৌদি আরবে যান। কিন্তু যাবার পর থেকেই সেখানে নানা সমস্যার মধ্যে পরে যান। গত প্রায় ৮ মাস হচ্ছে স্থায়ীভাবে সোফা তৈরির কারখানায় কাজে যোগদান করেন তিনি। এরই মধ্যে বুধবার রাত ১০টা নাগাদ মোবাইল ফোনে জানতে পারেন কারখানায় আগুনে ফারুক নিহত হয়েছেন।
উপজেলার দিঘা গ্রামের নিহত শুকবর আলীর জামাই বিদ্যুত হোসেন বলেন, তার শ্বশুড় কৃষি শ্রমিক ছিলেন। গত আড়াই বছর আগে একমাত্র সম্বল ১১ শতক জায়গা বিক্রি করে তার সঙ্গে ধার-দেনার টাকায় সৌদি আরবে যান। এখন পর্যন্ত ধার-দেনার টাকা শোধ করতে পারেননি।
শুকবরের দুই ছেলে, এক মেয়ে। ছেলেদের মধ্যে বড় ছেলে শামিম হোসেন প্রতিবন্ধী। তার মাথা গোঁজার একমাত্র বাড়ির ৩ শতক জায়গা ছাড়া আর কোনো জমি নেই। কীভাবে শ্বাশুড়ি, শ্যালকদের নিয়ে চলবেন তা নিয়ে চিন্তায় পরেছেন। শুকবর আলীই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।
আরও পড়ুন: সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত
শিকারপুর গ্রামের নিহত যুবক এনামুলের চাচা জাহিদুল ইসলাম জানান, এনামুল গার্মেন্টস শ্রমিক ছিলেন। অনেকটা সুখের আসায় ধার-দেনা করে সৌদি আরবে যান। সেখান থেকে কেবলমাত্র রোজগারের টাকায় ধার-দেনা শোধ করে ইটের বাড়ি নির্মান করছেন। বাড়ির কাজ শেষ হলে আগামী বছর নাগাদ দেশে এসে বিয়ে করার কথা ছিল তার। কিন্তু তা আর সম্ভব হলো না।
বুধবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা নাগাদ আগুনে পুরে মারা যাবার খবর আসে তার। তখন থেকেই একমাত্র ছেলেকে হারানোর শোকে বাবা-মা পাথর হয়ে আছেন।
নিহতদের ৩ পরিবার থেকেই দ্রুত মরদেহ দেশে আনতে সরকারের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্চিতা বিশ্বাস বলেন, সৌদি আরবে আগুনে পুরে ৩ জনের নিহতের খবর পেয়েছি। তাদের পরিবারের খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। এছাড়া নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরাতে ও সরকারি কোনো সুযোগসুবিধা থাকলে তা সহায়তা করতে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
৬০৯ দিন আগে
বন্যায় বিপর্যস্ত সিলেটের শিক্ষাব্যবস্থা
চলতি বছরে টানা তৃতীয় দফা বন্যায় সিলেটের অবস্থা বিপর্যস্ত। সড়ক, কৃষি, মৎস্য, অবকাঠামোসহ নানা খাতে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়েছে দেশের উত্তর-পূর্বের এই জেলা। ক্ষতি হচ্ছে শিক্ষা খাতেও।
বন্যার কারণে জেলার প্রায় ৫০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ আছে। এর মধ্যে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি জমে আছে আর বাকিগুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ অবস্থায় ঈদের ছুটির পর থেকেই বন্ধ রয়েছে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান।
শিখন ঘাটতি কমাতে ঈদ ও গ্রীষ্মের ছুটি কমিয়ে ২ জুলাইয়ের পরিবর্তে ২৬ জুন থেকে দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান শুরু হয়। তবে সিলেটের অনেক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঈদের পর আর পাঠদান শুরু হয়নি। একই অবস্থা প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোরও। ঈদের ছুটির পর ৩ জুলাই থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয় খুললেও বন্যার কারণে সিলেটে তা সম্ভব হয়নি।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে জানা গেছে, বন্যার কারণে সিলেট জেলায় ৩৯৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে ৭৮টি। এছাড়া কয়েকটি কলেজে পানি উঠে যাওয়ায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
আরও পড়ুন: সিলেটে তৃতীয় দফা বন্যায় পানিবন্দি ৭ লাখ মানুষ
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলার মোট ১ হাজার ৪৭৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৯৮টিই এখন বন্ধ। এর মধ্যে সিলেট সদর উপজেলায় ৩৭, বিশ্বনাথে ২, বালাগঞ্জে ৫৫, ফেঞ্চুগঞ্জে ৩২, গোলাপগঞ্জে ২৭, বিয়ানীবাজারে ৫৪, জকিগঞ্জে ২৩, কানাইঘাটে ৪, জৈন্তাপুরে ৩, গোয়াইনঘাটে ২, কোম্পানীগঞ্জে ৬৫, দক্ষিণ সুরমায় ২২ ও ওসমানীনগরে ৭২টি বিদ্যালয় রয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাখাওয়াত এরশাদ বলেন, ৩৯৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৬৭টি আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। আর বাকিগুলোতে পানি।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সাইদ মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘বন্যার কারণে জেলায় ৭৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিদ্যালয় রয়েছে ওসমানীনগর, বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায়। কুশিয়ারা অববাহিকার এসব এলাকায় বন্যার পানি কমছেই না।’
আরও পড়ুন: সিলেটের বন্যায় সাড়ে ১০ লাখ মানুষ পানিবন্দি
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে পাঠদান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। পানি কমলে বাড়তি ক্লাসের মাধ্যমে এই ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।’
সিলেটে প্রথম দফা বন্যা দেখা দেয় গত ২৯ মে। ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায় সিলেটের সীমান্তবর্তী ৬ উপজেলা। ৮ জুনের পর থেকে এই বন্যার পানি কিছুটা কমে আসে।
তবে ১৬ জুন থেকে আবার বন্যা শুরু হয়। এতে সিলেট নগরসহ জেলার ১৩টি উপজেলায়ই বন্যা দেখা যায়। পানিবন্দি হয়ে পড়েন প্রায় সাড়ে ১০ লাখ মানুষ। ২৫ জুন দ্বিতীয় দফার বন্যার পানি কমা শুরু হয়।
১ জুলাই থেকে ফের অতিবৃষ্টিতে ঢল নামলে আবার বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
আরও পড়ুন: ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সিলেটে ফের দেখা দিয়েছে বন্যা
৬০৯ দিন আগে
লাও গণপ্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্টের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন রাষ্ট্রদূত লুৎফর রহমান
ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. লুৎফর রহমান বুধবার (৩ জুলাই) সমবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে লাও গণপ্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট থোঙলুন সিসউলিথের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেন।
এই সময় রাষ্ট্রদূত রহমান লাওসের রাষ্ট্রপতি ও জনগণের কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন।
রাষ্ট্রদূত উভয় দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও সুসম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এই লক্ষ্যে তিনি বাংলাদেশ ও লাওসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সংলাপ সম্পর্কিত সমঝোতা স্মারক দ্রুত সই করতে অনুরোধ করেন।
আরও পড়ুন: মরিশাসের প্রেসিডেন্টের কাছে হাইকমিশনার জকি আহাদের পরিচয়পত্র পেশ
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশ আসিয়ান’র সঙ্গে তার সম্পর্ক আরও গভীর করার দৃঢ় ইচ্ছা পোষণ করে এবং এই লক্ষ্যে আসিয়ান’র সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার মর্যাদায় আসিয়ান প্রক্রিয়ায় সমপৃক্ত হওয়ার জন্য আবেদন করেছে।
এই বিষয়ে বাংলাদেশ আসিয়ান’র বর্তমান চেয়ার হিসেবে লাওসের জোর সমর্থন কামনা করে। লাওসের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের এই আকাঙ্খা ইতিবাচকভাবে বিবেচনার কথা জানান।
লাও গণপ্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আর্থ-সামাজিক সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব সফলতার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গভীরতর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত রহমান লাওসের রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশ সফরের সাদর আমন্ত্রণ জানান।
আরও পড়ুন: পর্তুগালের প্রেসিডেন্টের কাছে বাংলাদেশের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
৬০৯ দিন আগে
চিনিশিল্পের রুগ্নদশা কাটাতে সরকারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এস আলম অ্যান্ড কো.
দেশের চিনিশিল্পের রুগ্নদশা কাটাতে আখ উৎপাদন ও চিনিকলের আধুনিকায়নে সরকারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন প্রকল্পের মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে শিল্পগ্রুপ এস আলম অ্যান্ড কো.।
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) ও শিল্প মন্ত্রণালয়কে সঙ্গে নিয়ে এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। যার মধ্যে রয়েছে- প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নত আখ উৎপাদন ও কৃষকদের প্রশিক্ষণ, আধুনিক আখ প্রক্রিয়াকরণ কারখানা গড়ে তোলা, ৬ মেগাওয়াট পাওয়ার কো-জেনারেশন, অ্যাগ্রো-ভোলটিক সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ, বাই-প্রোডাক্ট ভিত্তিক প্ল্যান্ট তৈরি, কোল্ড স্টোরেজ ও অ্যাগ্রো প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ গড়ে তোলা, প্যাকেজিং ফ্যাক্টরি নির্মাণ ইত্যাদি।
দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ ও ফরিদপুরের চিনিকল অঞ্চলে এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হবে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উচ্চ মানসম্পন্ন আখ উৎপাদনে উদ্যোগ নেবে এস আলম অ্যান্ড কো.। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি যৌথভাবে কাজ করবে বিএসএফআইসি, বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) ও আন্তর্জাতিক গবেষকদের সঙ্গে।
বিভিন্ন হাইব্রিড জাত উদ্ভাবনে ব্যবহার করা হবে ক্লোনিং, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংসহ আধুনিক প্রযুক্তি। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষিত করার মাধ্যমে সর্বোচ্চ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এই উদ্যোগের সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হূমায়ুন; শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা; শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রাষ্ট্রায়ত্ত করপোরেশন) এস এম আলম; শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) মো. শামীমুল হক; বিএসএফআইসি’র সচিব চৌধুরী রুহুল আমিন কায়সার ও বিএসএফআইসি’র চেয়ারম্যান শেখ শোয়েবুল আলম এনডিসি।
এছাড়া এস.আলম অ্যান্ড কো. এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন- প্রতিষ্ঠানটির ডিরেক্টর বেলাল আহমেদ, ডিরেক্টর আশরাফুল আলম, নির্বাহী পরিচালক (অর্থ), সুব্রত কুমার ভৌমিক, এফসিএ; উপদেষ্টা মো. আরিফুর রহমান অপু; অ্যাকাউন্টস, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, মো. মনিরুজ্জামান, এফসিএ; অ্যাকাউন্টস, এজিএম মো. নজরুল ইসলাম, এসিএ; এসএস পাওয়ার ১ লিমিটেড এর ম্যানেজার, টেকনিক্যাল সার্ভিস নাগিব মাহফুজসহ অন্যান্যরা।
৬১০ দিন আগে
মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক খাদ্য-পানীয় মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ
মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক খাদ্য ও পানীয় মেলায় দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ।
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের মাইটেক কনভেনশন সেন্টারে ২-৪ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত 'ফুড অ্যান্ড ড্রিংকস মালয়েশিয়া বাই সিয়াল’ নামে এ মেলায় বাংলাদেশ দ্বিতীয়বারের মতো অংশগ্রহণ করে। মেলায় বাংলাদেশসহ ২২টি দেশ অংশগ্রহণ করে এবং ৩৩০টি বুথ এবং একটি বিশেষ আন্তর্জাতিক লাউঞ্জে পণ্য প্রদর্শন করা হয়।
মেলাটির উদ্বোধন করেন মালয়েশিয়ার প্ল্যান্টেশন অ্যান্ড কমোডিটিস বিষয়ক উপমন্ত্রী দাতুক চ্যান ফুং হিন।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের তত্ত্বাবধান ও সহযোগিতায় মেলায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের প্রখ্যাত ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কোম্পানি প্রাণ ফুডস লিমিটেড। মেলায় নির্ধারিত বুথের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক লাউঞ্জে অন্য ৭টি দেশের (কানাডা, ইউক্রেন, ভিয়েতনাম, ব্রিটেন এবং আয়ারল্যান্ড, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া) সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয় পণ্য প্রদর্শনীর সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশন সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
মেলা উদ্বোধনের দিন আন্তর্জাতিক লাউঞ্জ এর বাংলাদেশ কর্নার এবং বাংলাদেশি পণ্যের বুথ পরিদর্শন করেন প্ল্যান্টেশন এবং কমোডিটিস বিষয়ক উপমন্ত্রী দাতুক চ্যান ফুং হিন এবং সাবাহ রাজ্যের শিল্প উন্নয়ন মন্ত্রী দাতুক ফুং জিন ঝে।
সমাপনী দিন (বৃহস্পতিবার ৪ জুলাই) মেলা এবং বাংলাদেশি স্টল পরিদর্শন করেন মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান। এসময় হাইকমিশনার উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান , মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি পণ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষাপটে হাইকমিশন বাংলাদেশের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের জন্য বিভিন্ন বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণসহ অন্যান্য পরিকল্পনা নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ হাইকমিশন এর উদ্যোগে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মেলায় বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ মালয়েশিয়া তথা আসিয়ান দেশগুলোতে বাংলাদেশের পণ্যের রপ্তানির সুযোগ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।
৬১০ দিন আগে
সিলেটে ১৩০ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ, গ্রেপ্তার ২
সিলেটে ১৩০ বস্তা ভারতীয় চোরাই চিনি জব্দ করেছে পুলিশ। এসময় দুজনকে আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) ভোর ৫টার দিকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি টিমের বিশেষ অভিযানে চিনি জব্দসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, এয়ারপোর্ট থানার লাক্কাতুরা বাজার থেকে চিনিবোঝাই একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। ট্রাকে ১৩০ বস্তায় সাড়ে ৬ হাজার কেজি চিনি ছিল। যার বাজারমূল্য ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
অভিযানকালে দুই চোরাকারবারিকে আটক করে ডিবি।
আটকরা হলেন- সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পাইকরাজ (তোয়াকুল) গ্রামের বাবুল আহমদের ছেলে আফজল হোসেন (২৪) ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বরম সিদ্ধিপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে মো. রুহুল আমিন (৩৩)।
তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
৬১০ দিন আগে
কুমারখালীতে ২ ভুয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা, চেম্বার বন্ধ
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বৈধ কাগজপত্র ও যথাযথ প্রশিক্ষণ ছাড়াই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সেজে নাক, কান, গলা ও দাঁতের চিকিৎসা দেওয়ার অপরাধে দুই চিকিৎসকের জরিমানা করেছে উপজেলা ভোক্তা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার ( ৪ জুলাই) বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কুমারখালী পৌরসভার হলবাজার এলাকায় অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন।
ভুয়া চিকিৎসক আবুল বাসার সেতুকে (৩৬) ৫০ হাজার টাকা এবং মো. তারেক মাহমুদ তরুর (৩৫) ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়াও তাদের চেম্বার সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মো. আমিরুল আরাফাত।
এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. রিফাত হিমেল ও থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন - কুমারখালী পৌরসভার শেরকান্দি এলাকার মো. খোকনের ছেলে আবুল বাসার সেতু। এবং একই এলাকার মো. আফজালের ছেলে তারেক মাহমুদ তরু।
আদালত সুত্রে জানা গেছে, বৈধ কাগজপত্র ও প্রশিক্ষণ ছাড়াই নিজেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে আবুল বাসার সেতু মেডিসিন, নাক, কান ও গলা রোগের চিকিৎসা দেওয়ার নামে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করছিলেন। তিনি প্রায় এক বছর যাবৎ হলবাজার এলাকায় ডক্টর ভেলি নামক চেম্বার খুলে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন।
অপরদিকে একই এলাকায় বৈধ কাগজপত্র ও প্রশিক্ষণ ছাড়ায় দাঁতের রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাইনবোর্ড লাগিয়ে ও প্যাড ব্যবহার করে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করছিলেন ভুয়া চিকিৎসক তারেক মাহমুদ তরু। তিনি প্রায় তিন বছর ধরে জনসেবা ডেন্টাল কেয়ার নামক চেম্বার খুলে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ভুয়া চিকিৎসক সেতুর কাছ থেকে ৫০ হাজার এবং তরুর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও তাদের চেম্বার দুটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মো. আমিরুল আরাফাত জানান, বৈধ কাগজপত্র ও যথাযথ প্রশিক্ষণ ছাড়াই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সেজে নাক, কান, গলা ও দাঁতের চিকিৎসার দেওয়ার অপরাধে ভুয়া চিকিৎসক আবুল বাসার সেতুকে ৫০ হাজার টাকা এবং মো. তারেক মাহমুদ তরুকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও তাদের চেম্বার সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
৬১০ দিন আগে