বাংলাদেশ
রাজনৈতিক মামলায় যখনই জামিন আবেদন, তখনই শুনানির সিদ্ধান্ত
রাজনৈতিক মামলায় যখনই জামিন আবেদন করা হবে, তখনই শুনানি হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকার জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রট আদালত এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট আদালত।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) জেলা জজ আদালতের সভাকক্ষে আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
আরও পড়ুন: আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ১৬ বছরের কিশোরের জামিন
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা জেলা জজ আদালতের প্রসাশনিক কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দিন ইউএনবিকে বলেন, ‘জেলা জজ আদালতের সভাকক্ষে আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিএনপিপন্থী আইনজীবী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তবে আওয়ামী লীগপন্থী কোনো আইনজীবী এসময় ছিলেন না।’
আরও পড়ুন: অর্থ আত্মসাতের মামলায় ড. ইউনূসের জামিন
রিজভী-খসরুসহ বিএনপি-জামায়াতের সহস্রাধিক নেতা-কর্মীর জামিন
৬৬৭ দিন আগে
ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের কার্যালয় ভাঙচুর
ঢাকা আইনজীবী সমিতি ও ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এসময় আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুর রহমান হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার শাহাদাতের কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) সকালের এই ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ১৬ বছরের কিশোরের জামিন
এদিকে, নিরাপত্তার কারণে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার ও কাশিমপুর কারাগার থেকে এদিন কোনো আসামিকে আদালতে হাজির করেনি কারা কর্তৃপক্ষ।
প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবীদের দাবি, বিএনপি-জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা মঙ্গলবার সকাল থেকে দফায় দফায় মিছিল করেছেন। তারা আদালতের প্রত্যেকটি কক্ষের ভেতরে দেওয়ালে টাঙানো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাদিক ও ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুরাদ হোসেন জানান, দেশের চলমান পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে কাশিমপুর ও কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে আসামিবাহী কোনো প্রিজনভ্যান (আদালতে) আসেনি।
আরও পড়ুন: অর্থ আত্মসাতের মামলায় ড. ইউনূসের জামিন
রিজভী-খসরুসহ বিএনপি-জামায়াতের সহস্রাধিক নেতা-কর্মীর জামিন
৬৬৭ দিন আগে
রিজভী-খসরুসহ বিএনপি-জামায়াতের সহস্রাধিক নেতা-কর্মীর জামিন
কোটা সংস্কার আন্দোলনে নাশকতার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ বিএনপি-জামায়াতের এক হাজারের বেশি নেতা-কর্মীর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নুরুল হুদা ও আলী হায়দার কামালসহ তিন বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, ‘মঙ্গলবার এক হাজারের বেশি নেতা-কর্মী জামিন পেয়েছেন। কোটাবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে সেতু ভবন, মেট্রোরেল স্টেশনে নাশকতাসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের জামিন দেওয়া হয়েছে। তবে প্রকৃত সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন।’
আরও পড়ুন: অর্থ আত্মসাতের মামলায় ড. ইউনূসের জামিন
জামিন পাওয়া বিএনপি নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সায়েদুল আলম বাবুল, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, সদস্যসচিব আমিনুল হক, দক্ষিণের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মজনু, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুর রহমান শিমুল, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন এ্যানি ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী প্রমুখ।
এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর দুই মামলায় জামিন পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন, ‘আশা করি, আজই তিনি কারামুক্ত হচ্ছেন।’
একাধিক মামলায় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ও আলোচিত ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আসিফ মাহতাবকেও জামিন দিয়েছেন আদালত।
এ ছাড়াও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ দলটির একাধিক নেতা জামিন পেয়েছেন। দলটির অন্য নেতাদের মধ্যে আছেন নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মো. আবু তাহের, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও গাজীপুর জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি সামিউল হক ফারুকী ও শিবিরের সাবেক সভাপতি রাশেদুল ইসলাম।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বা পুলিশ প্রসিকিউশনের শুনানি ছাড়াই রাজধানীর বিভিন্ন থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীদের জামিন দেওয়া হয়েছে।
সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় আটকসহ সবাইকে মুক্তি দেওয়া হবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
এছাড়া আহতদের চিকিৎসার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থী আন্দোলন: ৪২ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর জামিন
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ১৬ বছরের কিশোরের জামিন
৬৬৭ দিন আগে
শেখ হাসিনার আশ্রয় নিয়ে জল্পনা, নিয়ম স্পষ্ট করল যুক্তরাজ্য
ব্রিটিশ অভিবাসন আইন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বিশেষভাবে আশ্রয় বা সাময়িক আশ্রয়ের জন্য যুক্তরাজ্যে যেতে পারবেন না বলে স্পষ্ট করে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে লন্ডন যেতে পারেন বলে ওঠা গুঞ্জনের মধ্যেই যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে এই বিবৃতি এলো।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র এনডিটিভিকে বলেন, ‘যাদের সুরক্ষা প্রয়োজন তাদের সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের গর্বিত রেকর্ড রয়েছে। তবে আশ্রয় বা সাময়িক আশ্রয়ের জন্য কাউকে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার কোনো বিধান নেই। যাদের আন্তর্জাতিক সুরক্ষা প্রয়োজন, তাদের প্রথম নিরাপদ দেশে আশ্রয় প্রার্থনা করা উচিত- এটি তাদের জন্য সুরক্ষার দ্রুততম পথ।’
তবে এসব বিধিনিষেধের পরও শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক আশ্রয় আবেদনের প্রক্রিয়া চলছে বলে সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা আন্দোলনের মুখে সোমবার (৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে পদত্যাগে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। পরে তিনি একটি সামরিক বিমানে চড়ে ঢাকা থেকে পালিয়ে ভারতের উত্তরপ্রদেশে দেশটির বিমান বাহিনীর একটি ঘাঁটিতে অবতরণ করেন।
আরও পড়ুন: জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সেখানে পৌঁছানোর পর দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন শেখ হাসিনা। তিনি বর্তমানে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার ‘প্রতিরক্ষামূলক হেফাজতে’ রয়েছেন বলেও খবরে বলা হয়েছে।
শেখ হাসিনার সঙ্গে রয়েছেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা, যিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিক। তার ভাতিজি টিউলিপ সিদ্দিক ব্রিটিশ লেবার পার্টির সংসদ সদস্য এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ দিল্লিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জটিল করা এড়াতে ক্ষমতাচ্যুত নেতাকে প্রকাশ্যে সমর্থন দেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে ভারত।
আরও পড়ুন: বিমানবন্দরে আটক সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক
৬৬৭ দিন আগে
পলায়নকালে সোনা মসজিদ ইমিগ্রেশনে রাসিকের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আটক
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে পালানোর সময় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিজামুল হুদাকে আটক করেছে বিজিবি।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) দুপুরে তাকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
আটক নিজামুল হুদা রাজশাহীর উপশহর এলাকার সাইদুর রহমানের ছেলে।
আরও পড়ুন: ‘রাজনৈতিক শূন্যতা’ পূরণে অবিলম্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের আহ্বান ড. দেবপ্রিয়র
এদিন বিকালে ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিজামুল হুদা সোনা মসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করেন। এসময় বিজিবি সদস্যরা চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করেন।
আরও পড়ুন: বিমানবন্দরে আটক সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক
৬৬৭ দিন আগে
‘রাজনৈতিক শূন্যতা’ পূরণে অবিলম্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের আহ্বান ড. দেবপ্রিয়র
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের মাধ্যমে অবিলম্বে দেশের বর্তমান ‘রাজনৈতিক শূন্যতা’ পূরণ করতে হবে।
ইউএনবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দেশে গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ত্যাগ স্বীকার করা শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বলেন, ‘নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবশ্যই ছাত্র ও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে।’
এসময় অস্থিরতা নিরসনে সংসদ ভেঙে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
ড. দেবপ্রিয় বলেন, ‘চলমান অগ্নিসংযোগ, প্রতিশোধমূলক হত্যাকাণ্ড ও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস বন্ধে একটি পূর্ণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অপরিহার্য। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্বাভাবিক করা এবং নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।’
একটি অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিসহ নতুন সরকারের ম্যান্ডেট ও কর্তব্য নির্ধারণের গুরুত্বের ওপরও জোর দেন তিনি। এজন্য একটি স্বাধীন ও দক্ষ নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন এই অর্থনীতিবিদ।
অসংখ্য রাজনৈতিক মামলা পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষাসহ জনসেবার কার্যকর বিতরণ নিশ্চিত করার জন্য একটি অরাজনৈতিক জনপ্রশাসন গঠনের আহ্বান জানান ড. দেবপ্রিয়। মত প্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নাগরিক সমাজের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি নিরীহ শিক্ষার্থী ও নাগরিকদের হত্যার জন্য দৃশ্যমান ও জরুরি শাস্তির প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন তিনি।
আরও পড়ুন: বিমানবন্দরে আটক সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক
দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে নতুন সরকারকে অর্থনীতির অবস্থা সম্পর্কে একটি শ্বেতপত্র প্রণয়নের পরামর্শ দেন ড. দেবপ্রিয়।
এ বিষয়টির ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, ‘পরামর্শমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রস্তুত এ জাতীয় নথি সাম্প্রতিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে এবং কাঠামোগত সংস্কার করতে নতুন সরকারকে নির্দেশনা দিতে পারে।’
আসন্ন চ্যালেঞ্জের কথা স্বীকার করে ড. দেবপ্রিয় বলেন, ‘বর্তমান বাস্তবতায় নতুন সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পারে তা দেখার বিষয়। প্রতিষ্ঠিত শক্তিকে নিয়ন্ত্রণে রেখে সাম্প্রতিক পরিবর্তনগুলোর মাধ্যমে তরুণদের প্রত্যাশা পূরণ করা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।’
আরও পড়ুন: জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা
৬৬৭ দিন আগে
সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ব্যাপক রদবদল
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ব্যাপক রদবদল আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সামি উদ দৌলা চৌধুরীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. সাইফুল আলমের চাকরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়াও, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মজিবুর রহমানকে জিওসি আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড, লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহম্মদ তাবরেজ শামস চৌধুরীকে সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীমকে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হককে কমান্ড্যান্ট এনডিসি এবং মেজর জেনারেল আ স ম রিদওয়ানুর রহমানকে এনটিএমসির মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
৬৬৭ দিন আগে
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ভারত
ভারতের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশি হিসেবে বাংলাদেশের স্পর্শকাতর বিষয়গুলোতে জাতীয় সমঝোতা ও সমর্থন চেয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর।
বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে দেশটির রাজ্যসভায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অবস্থা সম্পর্কিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ভারত। পাশাপাশি তাদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতে দেশের বিভিন্ন গোষ্ঠী ও সংগঠনের উদ্যোগের খবরও তাদের কাছে রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
জয়শঙ্কর বলেন, ‘আমরা এটিকে স্বাগত জানাই, কিন্তু যতক্ষণ না (বাংলাদেশের) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে, ততক্ষণ স্বাভাবিকভাবেই আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন থাকব।’
কারফিউ থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা ঢাকায় জড়ো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই জটিল পরিস্থিতি বিবেচনায় আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকেও ব্যতিক্রমী হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে 'শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক' উত্তরণ চায় জাতিসংঘ
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি এখনও বিকশিত হচ্ছে। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে ভাষণে দায়িত্ব গ্রহণ ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের কথা বলেছেন।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের যা বুঝেছি তা হলো, নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃশ্যত পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। খুব অল্প সময়ের নোটিশে তিনি তাৎক্ষণিক ভারতে আসার অনুমোদন চান। একইসঙ্গে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও আমরা ফ্লাইট ক্লিয়ারেন্সের জন্য একটি অনুরোধ পাই। এরপর সোমবার সন্ধ্যায় তিনি দিল্লি পৌঁছান।
গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকার সঙ্গে ভারত নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
রাজ্যসভায় তিনি বলেন, বহু দশক ধরে বিভিন্ন সরকারের আমলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ব্যতিক্রমীভাবে ঘনিষ্ঠ রয়েছে। দেশটির সাম্প্রতিক সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা সম্পর্কে রাজনৈতিকভাবে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।
জয়শঙ্কর বলেন, ‘২০২৪ সালের জানুয়ারিতে নির্বাচনের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যথেষ্ট উত্তেজনা, গভীর বিভাজন এবং ক্রমবর্ধমান মেরুকরণ পরিলক্ষিত হয়েছে। জুনে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন অন্তর্নিহিত এই উত্তেজনাকেই বাড়িয়ে দিয়েছে।’
‘জুলাই মাসজুড়ে সহিংসতা অব্যাহত ছিল। এসময় সরকারি ভবন ও অবকাঠামোতে হামলার পাশাপাশি গণপরিবহন ও রেল অবরোধসহ সহিংসতা কেবল বেড়েছেই।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের জন্য ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ
এই সময়ের পুরোটাজুড়ে (বাংলাদেশের নাগরিকদের) তারা বারবার সংযমের পরামর্শ দিয়েছে এবং আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন জানিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, যাদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ছিল, তাদের প্রতিও একই ধরনের তাগিদ দেওয়া হয়েছিল।’
‘২১ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের রায় সত্ত্বেও আন্দোলন থামেনি। বরং এরপর নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই পর্যায়ে আন্দোলন একটি এক দফা কর্মসূচিকে ঘিরে একীভূত হয়, তা হলো- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ।’
তিনি বলেন, ‘৪ আগস্ট ঘটনা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। পুলিশ স্টেশন ও সরকারি স্থাপনাসহ পুলিশের ওপর হামলা তীব্র আকার ধারণ করে। একইসঙ্গে সামগ্রিকভাবে সহিংসতার মাত্রা বেড়ে যায়। সারা দেশে শাসকদলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সম্পত্তি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। বিশেষ উদ্বেগের বিষয় হলো- সংখ্যালঘু, তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মন্দিরগুলোও একাধিক জায়গায় হামলার শিকার হয়েছে। এর পূর্ণাঙ্গ ব্যাপ্তি এখনও স্পষ্ট নয়।’
জয়শঙ্কর বলেন, কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশে অবসিস্থত ভারতীয়দের সঙ্গে তারা ঘনিষ্ঠ ও অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ রাখছেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে অন্তত ১৯ হাজার ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন, যার মধ্যে প্রায় ৯ হাজার শিক্ষার্থী। হাইকমিশনের পরামর্শে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে (জুলাই মাসে) ভারতে ফিরে এসেছেন।’
তিনি জানান, কূটনৈতিক উপস্থিতির দিক থেকে ঢাকায় হাইকমিশন ছাড়াও চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেটে ভারতের সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। এটি তাদের প্রত্যাশা যে, আসন্ন সরকার এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
জয়শঙ্কর বলেন, ‘পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে আমরা সেগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করব বলে প্রত্যাশা করছি।’
৬৬৭ দিন আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খুলছে আজ
আজ থেকেই হল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাকৃবিতে শিক্ষক লাঞ্ছিত, প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি সোনালী দলের
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া হলগুলোর সেবা অব্যাহত রাখা এবং শুধুমাত্র বৈধ শিক্ষার্থীদের হলগুলোতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, যত দ্রুত সম্ভব বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষাসহ একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হবে।
আরও পড়ুন:নতুন সময়সূচিতে এইচএসসি পরীক্ষা হবে কি না, জানা যাবে বুধবার
৬৬৭ দিন আগে
লালমনিরহাটে ২ এমপি ও শতাধিক আ. লীগ নেতার বাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, ৬ জনের লাশ উদ্ধার
লালমনিরহাটে দুই সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৫ আগস্ট) রাতে এসব তাণ্ডব চালানো হয়।
লালমনিরহাট ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সুমন খানের বাসা থেকে ছয়টি দগ্ধ লাশ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ওই বাড়ির চতুর্থ তলা থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা শহিদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লাশগুলো উদ্ধারের পর লালমনিরহাট সদর থানায় নিয়ে যাওয়ার হয়েছে।
শেখ হাসিনার পদত্যাগের ঘোষণা ও দেশ ছাড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় অস্থিরতা।
সোমবার বিকালে শেখ হাসিনার পদত্যাগ উপলক্ষে বিজয় মিছিল বের করা হয়। জেলার প্রধান প্রধান সড়ক ও মোড় দিয়ে উল্লাসে মেতে ওঠে জনতা।
তবে দ্রুতই উৎসব হিংসাত্মক রূপ নেয়। লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেনসহ আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতার বাড়িঘর ও সম্পদের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান এবং সাখাওয়াত হোসেন সুমন খানের বাড়িতে গভীর রাত পর্যন্ত ভাঙচুর চলে।
আরও পড়ুন: বিমানবন্দরে আটক সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক
বেশি পরিমাণে দগ্ধ হওয়ায় হতাহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী বিক্ষোভে জড়িত নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের পরিবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে লাশাগুলো তাদের প্রিয়জনদের হতে পারে। নিখোঁজ এক শিক্ষার্থীর বাবা রাজিবুল করিম সরকার জানান, পোড়া দেহাবশেষের মধ্যে যে পোশাক ও জুতা পাওয়া গেছে তা তার ছেলের জিনিসপত্রের সঙ্গে মিল রয়েছে।
তিনি ধারণা করছেন, হতাহতরা ভবনটিতে আটকা পড়ে থাকতে পারেন।
কর্তৃপক্ষ নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে এবং তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে ডিএনএ পরীক্ষা করার পরিকল্পনা করেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে: অতিরিক্ত ডিআইজি
৬৬৭ দিন আগে