রাজনীতি
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধে সিদ্ধান্তে বিএসআরএফের প্রতিবাদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ)।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে বিএসআরএফের সভাপতি মাসউদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল বলেন, একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য জাতি দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন হঠাৎ মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করে সাধারণ মানুষকে নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণসহ গণমাধ্যম কর্মীদেরও পেশাদারত্বে বাধা সৃষ্টি করছে।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হলো সংবাদমাধ্যম। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বা বিধিনিষেধ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং আইনের শাসনের সম্পূর্ণ পরিপন্থী বলে মনে করে বিএসআরএফ ।
সংগঠনটি আরও বলেছে, নির্বাচন কমিশনের অনাকাঙ্ক্ষিত বিধিনিষেধ সাধারণ মানুষের স্বার্থের পরিপন্থী। ইসিকে তাদের এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে বিএসআরএফ। একই সঙ্গে আসন্ন নির্বাচনে গণমাধ্যম কর্মীদের অবাধে কাজ করার সুযোগ প্রদানে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে, গতকাল রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের সই করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, আসন্ন গণভোট ও সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রিসাইডিং কির্মকর্তাসহ নির্দিষ্ট ৩ শ্রেণির কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। ওই ব্যক্তিরা হলেন— ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ এবং ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী আনসার বা ভিডিপির দুই সদস্য। এই নির্দেশনা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইসির সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে জানা গেছে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং কেন্দ্র থেকে তাৎক্ষণিক কোনো তথ্য বা ছবি আদান-প্রদান বন্ধ করতেই এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। তবে নির্বাচনের মাঠে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করবেন বলে তাদের জন্য এই নিয়ম শিথিল করা হয়েছে।
নির্দেশনার ফলে ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের পরিসীমার মধ্যে প্রার্থী বা সাংবাদিকদেরও মোবাইল ফোন বহন বা ব্যবহার করার অনুমতি থাকছে না।
চিঠিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাসহ মোট ৬৯ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা সিদ্ধান্তটির যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ হবে। এবার ৬৪ জেলায় মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজারের বেশি; মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ।
সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পাশাপাশি ওই দিন একযোগে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ নিয়েও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
২৫ দিন আগে
ফরিদপুরের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালট পেপার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের ব্যালট পেপার ও গণভোটের ব্যালট হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে ফরিদপুর জেলা রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয়।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে শুরু হয় এ কার্যক্রম। ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিন্টু বিশ্বাসের তত্ত্বাবধানে কঠোর নিরাপত্তা ও নির্ধারিত বিধিবিধান মেনে সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার প্রতিনিধির কাছে এ ব্যালট পেপার হস্তান্তর করা হয়।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিন্টু বিশ্বাস জানান, কেন্দ্রীয়ভাবে ছাপানো ব্যালট পেপার প্রথমে জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে সংরক্ষণ করা হয়। এরপর আজ পুলিশ ও আনসার বাহিনীর নিরাপত্তায় ব্যালট পেপার উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।
তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ব্যালটগুলো বুঝে নেন ফরিদপুরের চারটি সংসদীয় আসনের ৯ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের আগের দিন সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার পৌঁছে দেওয়া হবে।
এ সরকারি কর্মকর্তা বলেন, পুরো প্রক্রিয়া নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পন্ন হচ্ছে। ব্যালট পেপার হস্তান্তরের প্রতিটি ধাপেই নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম রোধে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্লা বলেন, ‘ব্যালট পেপার হস্তান্তর একটি সংবেদনশীল প্রক্রিয়া। তাই আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছি।’
ফরিদপুরের চারটি সংসদীয় আসনে এবারে জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ২৮ জন প্রার্থী। এ জেলায় মোট ভোটার ১৭ লাখ ৭১ হাজার ৯২৩ জন।
২৫ দিন আগে
তিন শ্রেণির দায়িত্বপ্রাপ্ত ছাড়া ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের চারপাশে ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে তিন শ্রেণির দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে এ নিষেধাজ্ঞা বাইরে রাখা হয়েছে।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের সই করা এক চিঠিতে এই আদেশ জারি করে ইসি।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রিসাইডিং কির্মকর্তাসহ নির্দিষ্ট ৩ শ্রেণির কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। ওই ব্যক্তিরা হলেন— ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ এবং ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী আনসার বা ভিডিপির দুই সদস্য। এই নির্দেশনা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইসির সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে জানা গেছে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং কেন্দ্র থেকে তাৎক্ষণিক কোনো তথ্য বা ছবি আদান-প্রদান বন্ধ করতেই এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। তবে নির্বাচনের মাঠে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করবেন বলে তাদের জন্য এই নিয়ম শিথিল করা হয়েছে।
নির্দেশনার ফলে ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের পরিসীমার মধ্যে প্রার্থী বা সাংবাদিকদেরও মোবাইল ফোন বহন বা ব্যবহার করার অনুমতি থাকছে না।
চিঠিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাসহ মোট ৬৯ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা সিদ্ধান্তটির যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ হবে। এবার ৬৪ জেলায় মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজারের বেশি; মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ।
সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পাশাপাশি ওই দিন একযোগে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ নিয়েও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
২৫ দিন আগে
ঢাকায় ৩৭টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, থাকবে বডি ক্যামেরা: ডিএমপি কমিশনার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংষদ নির্বাচনে ঢাকা মহানগরীর ভোটকেন্দ্রগুলোর মধ্যে ৩৭টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ডিএমপি কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
ডিএমপি কমিশনার জানান, ডিএমপিতে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ৬১৪টি। এই কেন্দ্রগুলোতে ৪ জন করে পুলিশ সদস্য থাকবে। আর ৫১৭টি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে তিনজন করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।
২৫ দিন আগে
আচরণবিধি লঙ্ঘন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীকে জরিমানা
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ হান্নান ও জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী আমিনুল ইসলামকে জরিমানা করা হয়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এন এম কায়সার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের জরিমানা করেন। দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধেই নির্বাচনি প্রচারণাকালে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এ জরিমানা করা হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কায়সার জানান, বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী নির্বাচনি জনসভাকে কেন্দ্র করে আচরণবিধি ভঙ্গ করে তোরণ নির্মাণ করেছেন। জামায়াতের প্রার্থী রঙিন ব্যানার এবং বিএনপি প্রার্থী রঙিন ফেস্টুন ব্যবহার করেছেন। জামায়াতের প্রার্থী তার প্রতীক নির্দিষ্ট আকারের চেয়ে বড় প্রদর্শন করেছেন।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে ৩০ হাজার এবং বিএনপির প্রার্থীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রার্থীদের রঙিন ব্যানার-ফেস্টুন এবং তোরণ অপসারণ করা হয়েছে।
২৬ দিন আগে
যশোর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ তৃপ্তি-হাসান
যশোর-১ (শার্শা) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটনকে বিজয়ী করতে শেষ সময়ের নির্বাচনি প্রচারণায় ‘ধানের শীষের’ পক্ষে ভোট চাইলেন দলটির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুর হাসান তৃপ্তি ও শার্শা উপজেলা সভাপতি হাসান জহির।
রবিবার (৮ ফেবরুয়ারি) সকালে যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে এক বিশাল নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাগআঁচড়া ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ জনসভায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এএইচএম আসানুজ্জামান মিঠুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর-১ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন।
জনসভায় নুরুজ্জামান লিটন বলেন, দেশের মানুষ আজ দুঃশাসন, দুর্নীতি ও ভোটাধিকার হরণের রাজনীতি থেকে মুক্তি চায়। বিএনপি জনগণের সেই মুক্তির সংগ্রামের প্রতীক। ধানের শীষ মানেই মানুষের ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়া।
জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক দপ্তর-সম্পাদক মফিকুল হাসান বৃদ্ধি, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির উপদেষ্টা খাইরুজ্জামান মধু, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাবেরুল হক সাবু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাসান জহির, বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা মহসিন কবীর, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টু, যুগ্ম-সম্পাদক আশরাফুল আলম বাবু, মো. সালাহউদ্দিন, মো. মেহেরুল্লাহ, একরামুল কদর বাবলু, উপজেলা সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন, বেনাপোল বিএনপির সহ-সভাপতি ইদ্রিস মালেক, শার্শা উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সেলিম হোসেন আশা, বেনাপোল পৌর যুবদলের সভাপতি মফিজুর রহমান বাবু, ছাত্রদলের সভাপতি মোহামেনুর সাগর, ও সাধারন সম্পাদক সবুজ হোসেন।
২৬ দিন আগে
এনসিপির আখতার হোসেনকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থী আখতার হোসেনকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রংপুরের পীরগাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন আখতার।
জিডিতে আখতার উল্লেখ করেছেন, আমি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬ উপলক্ষ্যে সংসদীয় আসন নম্বর ২২, রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) থেকে ১১ দল সমর্থিত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী। শনিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে পীরগাছা থানাধীন ছাওলা ইউনিয়নের কিশামত গ্রামে নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর সময় অপরিচিত একটি মোবাইল নম্বর থেকে আমার ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে ফোন করে প্রাণনাশের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে কল কেটে দেওয়া হয়। এই অবস্থায় ওই অপরিচিত মোবাইল ফোন নম্বরের ব্যক্তির দ্বারা আমার যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বিধায় বিষয়টি ভবিষ্যতের জন্য সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা প্রয়োজন।
জিডিতে বিষয়টি ভবিষ্যতের জন্য সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করতে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর আবেদন করা হয়েছে।
আজ (রবিবার) সকালে এক ভিডিওবার্তায় হুমকির বিষয়টি জানিয়েছেন আখতার হোসেন। সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ভয় দেখিয়ে জয়যাত্রা থামিয়ে দেওয়া যাবে না।
পীরগাছা থানার ওসি খন্দকার মহিবুল্লাহ বলেন, হুমকির ঘটনায় আখতারের পক্ষ থেকে একটি জিডি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
২৬ দিন আগে
রাজনীতিকে পেশা নয়, কর্তব্য হিসেবে নিয়েছি: শফিকুর রহমান
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাজনীতি আমাদের পেশা নয়, রাজনীতিকে আমরা কর্তব্য হিসেবে নিয়েছি। যারা রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নিয়েছে, তারা দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, লুণ্ঠন ও মামলাবাজি করে। গত ১৫ বছর এদেশ থেকে ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। এসব টাকার মালিক এ দেশের জনগণ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের কপালে ভালো পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে না। চাঁদাবাজ, মামলাবাজদের ভয়ে সাধারণ মানুষ অস্থির। বংশানুক্রমিকভাবে রাজার ছেলে রাজা হবে—এ ধারণা পরিবর্তন করতে চাই।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, দুর্নীতি আমাদের আগাগোড়া খেয়ে ফেলেছে। এর জন্য সাধারণ মানুষ নয়, যারা বিগত দিনে দেশ শাসন করেছেন, মূলত তারাই এর জন্য দায়ী। আমাদের দেশের মানুষের হাতের ছোঁয়ায় অন্য দেশের কপাল বদলে যায়, কিন্তু এ দেশের কপাল বদলায়নি শুধুমাত্র অসৎ নেতৃত্বের কারণে। ভোটের সময় এরা জনগণের কাছে যায় পীর-দরবেশ সেজে, বসন্তের কোকিল হয়ে সুবাতাস উপভোগ করার জন্য। উন্নয়নের গঙ্গা বইয়ে দেয়। পরে তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না।
তিনি বলেন, আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য ময়দানে নেমেছি। দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দুর্নীতি চাঁদাবাজদের হাত বন্ধ করে দেব। ব্যবসায়ীদের রাতের ঘুম হারাম হবে না, ফুটপাতের হকারদের চোখের পানি ফেলতে হবে না। আমরা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জনগণের সম্পদের পাহারাদার হব। জনগণের তহবিলের অপব্যবহার করব না। প্রত্যেক সাংসদ প্রতি বছর নিজের এবং পরিবারের সকল সদস্যের সম্পদের হিসাব দেবেন। সরকারি প্লট ও ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না। প্রয়োজনে রিকশায় বা পায়ে হাঁটব।
এই রাজনীতিক আরও বলেন, তরুণরা বেকার ভাতা চায় না, মর্যাদার কাজ চায়। এজন্য গ্রামে কৃষিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে।
যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা তৈরি হয়ে যাও, আগামী দিনের বাংলাদেশ তোমাদের হাতে তুলে দিতে চাই।
মায়ের জাতিকে সম্মান করার অনুরোধ জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, কিছু কিছু রাজনৈতিক ভাই-বন্ধু কীভাবে বলেন— বোরকা, নেকাব, হিজাব পরে আসলে তা খুলে ফেলবেন? বলতে বলতে তারা একদিন পুরো কাপড়ই খুলে ফেলবেন। এরা কী কোনো মায়ের গর্ভ থেকে দুনিয়াতে আসেনি? যদি এসে থাকে, তবে তাদের বলব, মায়ের জাতিকে সম্মান দেওয়া শিখুন; আপনার মাকে সম্মান করুন; তা হলেই দেশের ৯ কোটি মাকে সম্মান করতে পারবেন।
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জামায়াতের আমির বলেন, অনেক হয়েছে, এসব আর বরদাশত করা হবে না। প্রয়োজনে জীবন দেব, কিন্তু মায়ের ইজ্জত কেড়ে নিতে দেব না। হাদি, আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদসহ সকল শহিদের হত্যাকারীদের ন্যায়বিচার করা হবে।
সরকারি কর্মচারীদের প্রতি নির্বাচনে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা কেবল জামায়াতের বিজয় চাই না, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই।
জেলা জামায়াতের আমির মখলিছুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, কাজী মহসিন আহমেদ, ড. আহমদ আব্দুল কাদেরসহ স্থানীয় ও কেদ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।
২৭ দিন আগে
এটা শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশ পুনর্গঠনের নির্বাচন: তারেক রহমান
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ১২ তারিখে নির্বাচন। এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার নির্বাচন নয়, এই নির্বাচন হবে দেশকে পুনর্গঠিত করার নির্বাচন। গত এক যুগ ধরে বাংলাদেশের মানুষ তাদের যেমন রাজনৈতিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারে নাই, কথা বলার স্বাধীনতা পায় নাই, একইভাবে তারা অর্থনৈতিকভাবে অনেক পিছিয়ে পড়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে এক বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, আজ বহু বছর পর আমি ঠাকুরগাঁওয়ের মাটিতে আসতে পেরেছি। আগে প্রতি বছর শীতের সময় ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় এলাকায় আসতাম, গ্রামে যেতাম। শীতের সময় আসতাম গরম কাপড় ও কম্বল নিয়ে। আজ আপনাদের কাছে এসেছি ভিন্ন এক পরিস্থিতিতে। ১২ তারিখ নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ তাদের যে অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, সেই অধিকার তারা প্রয়োগ করবে।
মঞ্চের পাশে বসা কিছু মানুষের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এই মানুষগুলোর স্বজনেরা গুম-খুনের শিকার হয়েছেন। গত এক যুগ থেকে তাদের স্বজনেরা অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। নিজেরাও বিভিন্নভাবে অত্যাচারিত, নির্যাতিত হয়েছেন। আজ মানুষের সেই হারিয়ে যাওয়া অধিকার প্রয়োগ করার সময় এসেছে।
যুবক ও তরুণদের উদ্দেশে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, যুবক ও তরুণদের যেভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার কথা ছিল, তা হয়নি। দেশের যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে গড়ে তোলা উচিত ছিল, সেই কাজটিও হয় নাই।
তারেক রহমান আরও বলেন, মা-বোনদের, নারীদের মূল্যায়ন করার জন্য স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার কথা ছিল সেটিও হয় নাই। দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা হচ্ছে নারী। এই নারীদের যদি আমরা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে না পারি, তাহলে কোনোভাবেই দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সেই জন্যই খালেদা জিয়া মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিনামূল্যে করে দিয়েছিলেন। আজ দেশের লাখ লাখ নারী শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়েছেন।
কৃষকদের বিষয়ে তিনি বলেন, কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে যে সহযোগিতা করা উচিত ছিল, সেই কাজটিও করে নাই বিগত স্বৈরাচারী সরকার। আজ সময় এসেছে, ১২ তারিখের নির্বাচনে আমরা জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচন করব, একই সঙ্গে আমরা দেশ পুণর্গঠনেও হাত দেব।
এই রাজনীতিক বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারেন। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আইটি সেক্টর হাব তৈরি করা হবে। পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান।
তিনি আরও বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, ধর্মের ভিত্তিতে নয়।
নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।
সমাবেশে ঠাকুরগাঁও-১, ২, ৩, পঞ্চগড়-২ এবং দিনাজপুর- ১ আসনের বিএনপির প্রার্থীরাও বক্তব্য দেন।
২৭ দিন আগে
নাটোরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আটক ১
নাটোরের লালপুরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ সময় বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে লালপুর উপজেলার কচুয়া বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়।
পুলিশ ও দলীয় সূত্র থেকে জানা যায়, নাটোর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর সমর্থকরা নির্বাচনি মিছিল বের করেন। মিছিলটি বিএনপি প্রার্থী ফারজানা শারমিন পুতুলের নির্বাচনি ক্যাম্পের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় উস্কানিমূলক স্লোগান দেয়। এ নিয়ে বিএনপি কর্মীরা প্রতিবাদ জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
পরে খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খলিলুর রহমান নামে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক সমর্থককে আটক করেন। এর প্রতিবাদে স্বতন্ত্র প্রার্থী টিপুর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম জানিয়েছেন, বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে আটক করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
২৭ দিন আগে