রাজনীতি
‘শান্ত থাকুন’: দেশবাসীর প্রতি ফখরুলের আহ্বান
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জনগণকে শান্ত ও সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার মির্জা ফখরুলের উদ্ধৃতি দিয়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান ইউএনবিকে বলেন, 'বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আমি দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’
কেউ যেন জনগণ ও সম্পদের কোনো ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান ফখরুল।
৬৬৮ দিন আগে
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আগুন
রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার (৫ আগস্ট) বিকাল ৪টার দিকে কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে ঘটনাস্থল থেকে আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন।
৬৬৮ দিন আগে
শিক্ষার্থীদের এক দফা দাবিতে পূর্ণ সমর্থন জাতীয় পার্টির
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রিসভার পদত্যাগের জন্য শিক্ষার্থীদের এক দফা দাবির প্রতি জাতীয় পার্টির পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব দেলোর জালালী সোমবার বিকেলে ইউএনবিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সোমবার বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের ঢাকা পদযাত্রার কর্মসূচিতে জাতীয় পার্টি তাদের সমর্থন দিয়েছে।
৬৬৮ দিন আগে
বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন: ফখরুল
চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আন্দোলনকারীদের সর্বাত্মক সমর্থন দিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, 'শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সর্বস্তরের মানুষ যোগ দিয়ে দেশে একটি গণঅভ্যুত্থান শুরু হয়েছে।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য কারাবন্দি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বনানীর বাসভবনে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, আন্দোলন এখন শুধু শিক্ষার্থীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। কারণ অভিভাবক, চিকিৎসক ও বিভিন্ন পেশাজীবী, শিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষ সব ভয় ভুলে এতে অংশ নিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘চলমান ছাত্র আন্দোলন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে। আমি বিশ্বাস করি, জনগণ নিঃসন্দেহে বিজয়ী হবে।’
আরও পড়ুন: খুনি সরকারের বিরুদ্ধে পুরো জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে: ফখরুল
বিএনপির এই নেতা বলেন, এই আন্দোলনের মূল বিষয় হচ্ছে মানুষ জেগে উঠেছে। ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছি এবং অবশেষে তারা জেগে উঠেছে। সেই কারণে এর সফলতার বিষয়ে আমরা খুবই আশাবাদী। তরুণ ও শিক্ষার্থীরা জেগে উঠলে কোনো আন্দোলনই বিফলে যায় না।’
তিনি বলেন, চরম জালিম ও ফ্যাসিবাদী সরকার যেভাবে দেশের শিক্ষার্থী ও শিশুদের হত্যা করেছে তা অবর্ণনীয়।
‘তারা কয়েকশ ছাত্রকে হত্যা করেছে। আমরা গণমাধ্যমে দেখেছি ৫৯ জনকে গণকবরে দাফন করা হয়েছে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, বর্বরতার দিক থেকে আওয়ামী লীগ সরকার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। 'এটা অকল্পনীয়।’
তিনি বলেন, তাদের দল শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে সমর্থন দিয়েছে এবং এখনও দিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, 'আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, এই ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনে আমরা তাদের শুধু সমর্থনই নয়, সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।’
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে তার দল যথাযথ ভূমিকা পালন করছে।'আমরা তা অব্যাহত রাখব।’
তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সর্বাত্মক সমর্থন ও সহযোগিতা দিতে দেশব্যাপী বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য কারাবন্দি আরেক নেতা নজরুল ইসলাম খানের অসুস্থ স্ত্রীকে দেখতে গিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, 'আমরা তথ্য পাচ্ছি, গ্রেপ্তার হওয়া সব রাজনৈতিক বন্দি (নজরুল ও খসরু) এক মাসেরও বেশি সময় ধরে অমানবিক পরিস্থিতি সহ্য করছে।’
পরিবারের সদস্যরা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না বা প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিতে পারছেন না বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘এটা বলা যেতে পারে যে তারা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন। এই পরিস্থিতি অগ্রহণযোগ্য এবং কারাবিধি লঙ্ঘন করে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, নজরুল ও খসরু দুজনই গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। ‘এমনকি ইনসুলিনসহ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধও তাদের কাছে পাঠানো যাচ্ছে না।’
দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে এসব অমানবিক প্রথা বন্ধের জন্য কারা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ‘আপনারা অতীতে এটি করেছেন। দয়া করে এখনও এ একইরকম কাজ করবেন না।’
আরও পড়ুন: গণহত্যা করে সরকার গণশত্রুতে পরিণত হয়েছে: ফখরুল
৬৭০ দিন আগে
খুনি সরকারের বিরুদ্ধে পুরো জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে: ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'খুনি ও স্বৈরাচারী' আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে জাতি ঐক্যের পরিচয় দিয়েছে।
শুক্রবার (২ আগস্ট) রাতে এক বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ এবং দেশ-বিদেশের মানুষের দাবিকে উপেক্ষা করে সরকার মানুষকে হত্যা, নৃশংসভাবে আক্রমণ ও নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে।
তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিক ও সরকারি প্রতিকূলতাকে মোকাবিলা করে ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ লাখ লাখ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত গণসমাবেশ প্রমাণ করে যে, পুরো জাতি রাষ্ট্রদ্রোহী, খুনি ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।’
দেশের আর কোনো ক্ষতি না করে গণহত্যা ও নিপীড়নের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে অবিলম্বে পদত্যাগ করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমন করতে নৃশংস ও জঘন্য গণহত্যা চালানোর জন্য সরকার ইতোমধ্যে ঘৃণিত ও নিন্দিত হয়েছে।
ঢাকার উত্তরা, সিলেট, হবিগঞ্জ, খুলনা, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডারদের হামলা এবং হবিগঞ্জে মোস্তাক মিয়া নিহতের তীব্র নিন্দা জানান মির্জা ফখরুল।
আরও পড়ুন: গণহত্যা করে সরকার গণশত্রুতে পরিণত হয়েছে: ফখরুল
তিনি মিথ্যা মামলায় বিরোধী দলের বহু নেতাকর্মী ও নিরীহ মানুষকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানান এবং অবিলম্বে গ্রেপ্তারদের মুক্তি দাবি করেন।
বিএনপি বলেছে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে রেকর্ড সংখ্যক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আইনজীবীরা মামলার নথি সংগ্রহ করতে গেলে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। নিরীহ ছাত্র, সাধারণ মানুষ ও বিরোধী নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গ্রেপ্তার বাণিজ্যে লিপ্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করছে।’
'গ্রেপ্তার বাণিজ্য' এবং ছাত্র, সাধারণ মানুষ ও বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের হয়রানি বন্ধের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান ফখরুল।
আরও পড়ুন: সরকার কোটা আন্দোলনকারীদের নিয়ে ষড়যন্ত্র-মিথ্যাচার করছে, পদত্যাগ করা উচিত: ফখরুল
৬৭১ দিন আগে
শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই সরকারের প্রতিপক্ষ নয়: কাদের
শিক্ষার্থীরা সরকারের প্রতিপক্ষ নয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটার বিষয়ে দাবি পূরণের পরও একটি গোষ্ঠী সরকার বনাম ছাত্র খেলা খেলে পরিস্থিতিকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।
শিক্ষার্থীদের কেউ ঢাল হিসেবে ব্যবহার করবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মূল দাবি পূরণ হয়েছে। ছাত্রসমাজ কোনোভাবেই সরকারের বিরোধী নয়। আদালতের রায়ের পরপরই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও একটি বিশেষ গোষ্ঠী সরকার বনাম ছাত্র খেলা খেলে পরিস্থিতিকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে। ছাত্রদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে তারা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।’
প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশনের পরিধি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান আওয়ামী লীগের এই নেতা।
তিনজন বিচারপতিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যদি জাতিসংঘ বা কোনো দেশ বা সংস্থা এই তদন্তে যোগ দিতে চায়, তবে তাদের স্বাগত জানানো হয় এবং সরকার তাদের স্বাগত জানাবে।
নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাদের অনেকের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আহতদের দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরেছেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের আটকের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অহেতুক হয়রানি বা আটক না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে সেজন্য নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু শিক্ষার্থীদের মূল দাবিগুলো পূরণ হয়েছে, আমি বিশ্বাস করি তারা তাদের শ্রেণিকক্ষ ও পরীক্ষার হলে ফিরে যাবে। জাতি তাদের কোনো অশুভ শক্তির ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে দেখতে চায় না।’
সুশীল সমাজকে গুরুত্ব দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তাদের ব্যক্তিগত মতামতকে কাজে লাগাতে হবে, যাতে কোনো তৃতীয় পক্ষ পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে। দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা এবং জনগণ ও সম্পদের নিরাপত্তার বিষয়টি সবার বিবেচনা করা উচিত।’
কাদের বলেন, ‘দেশের মানুষ জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধকে স্বাগত জানালেও বিএনপি অসন্তুষ্ট। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের বক্তব্যে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সম্পর্ক কতটা ঘনিষ্ঠ। এজন্য তারা জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক বলে অভিহিত করেছেন। বিএনপি-জামায়াত সব সময় হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করেছে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্ভূত পরিস্থিতি সমাধানে দেশের বিভিন্ন পেশাজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরামর্শ শুরু করেছেন। একে একে সবার সঙ্গে পরামর্শ করবেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী ও দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।
৬৭১ দিন আগে
অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ১৯৭১ সালে যেভাবে পাক হানাদার বাহিনীদের সঙ্গে এদেশের দোসর রাজাকার, আলবদর, জামায়াত-শিবির তাণ্ডব চালিয়েছে, তা কোটা আন্দোলনের ঘটনার সঙ্গে হুবহু মিল রয়েছে।
তিনি বলেন, এই হামলাকারীরা চিহ্নিত সন্ত্রাসী, তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে।
বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে বিএনপি-জামায়াতের ইন্ধনে মানুষ হত্যা, নৈরাজ্য, অগ্নিসংযোগ ও সরকারি সম্পদ ধ্বংসের প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।
মন্ত্রী বলেন, যারা দেশে তাণ্ডব চালিয়েছে তারা কখনো ছাত্র হতে পারে না। তারা ছিল বিএনপি-জামায়াত রাজাকারের দল। মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে শক্তি। তাদের কার্যকলাপে আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে।
আরও পড়ুন: আন্ডার গ্রাউন্ডে গেলে জামায়াত-শিবির মোকাবিলার প্রস্তুতি আছে: আইনমন্ত্রী
তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-বিএনপি, শিবির ও ছাত্রদল এত শক্তি কোথা থেকে পেল। এটা আমাদের খুঁজে দেখতে হবে। যেখান থেকেই হোক, যত বড় শক্তিশালী হোক, আইনের মাধ্যমে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তর করেছেন। তিনি দেশি ও আন্তর্জাতিক সব ষড়যন্ত্র আর নানা প্রতিকূলতাকে মোকাবিলা করে উন্নত-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছেন।
মানববন্ধন শেষে হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, অগ্নিসংযোগ ও সরকারি সম্পদ ধ্বংসের প্রতিবাদে একটি মিছিল জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে শুরু করে পল্টন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
আরও পড়ুন: সব মুক্তিযোদ্ধার কবর একইরকম হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
৬৭২ দিন আগে
সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করল সরকার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) বিকালে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ এর ১৮ ধারা অনুযায়ী ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন সহিংস রূপ নেওয়ার পর অনেকের প্রাণহানি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের সন্ত্রাসীদের অনুপ্রবেশের অভিযোগ করে আসছে আওয়ামী লীগ সরকার।
এর আগে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, জামায়াত নিষিদ্ধের ফাইল যাচাই-বাছাই করে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতসহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট সর্বসম্মতিক্রমে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের সুপারিশ করে।
আরও পড়ুন: বিএনপি-জামায়াতকে যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দলটির ওপর এটি দ্বিতীয় নিষেধাজ্ঞা এবং এর সদস্যরা হত্যাকাণ্ডে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অপব্যবহারের অভিযোগে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে ১৯৭২ সালের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে।
জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির মূল প্রতিপাদ্য যেহেতু ধর্ম, তাই স্বাধীন বাংলাদেশে দলটির সাংগঠনিক অস্তিত্ব কার্যত বিলীন হয়ে যায়।
কিন্তু ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর দৃশ্যপট পাল্টাতে শুরু করে।
১৯৭৬ সালের ৩ মে রাষ্ট্রপতি এ এস এম সায়েম এক অধ্যাদেশ জারি করে সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ বাতিল করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন।
তবে জামায়াতে ইসলামী তাৎক্ষণিকভাবে জামায়াতে ইসলামী নামে পুনরায় আত্মপ্রকাশ করেনি। পরিবর্তে, তারা একটি ভিন্ন রাজনৈতিক দল বেছে নিয়েছে।
১৯৭৬ সালের ২৪ আগস্ট জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ধর্মভিত্তিক দল ইসলামিক ডেমোক্রেটিক লীগ (আইডিএল) নামে একটি রাজনৈতিক প্লাটফর্ম গঠন করে। জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা এই দলে যোগ দিয়ে রাজনীতি শুরু করে।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামিক ডেমোক্রেটিক লীগের ব্যানারে জামায়াতে ইসলামীর বেশ কয়েকজন নেতা ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে অংশ নেন এবং ছয়টি আসনে জয়লাভ করেন।
এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রবেশ করেন।
১৯৭৯ সালের ২৫, ২৬ ও ২৭ মে ঢাকার ইডেন হোটেল প্রাঙ্গণে দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয় এবং এই সম্মেলনে দলটির নতুন গঠনতন্ত্র অনুমোদিত হয়।
এরপর ১৯৭৯ সালের ২৭ মে চার দফা কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে জামায়াতে ইসলামী।
এরপর থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে সভা-সমাবেশ করে আসছিল দলটি।
জেনারেল এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ১৮টি আসনে জয়লাভ করে।
তৎকালীন বিএনপি জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে। সেসময় জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন ছাড়া বিএনপির পক্ষে সরকার গঠন করা সম্ভব ছিল না।
তখন থেকেই জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তিতে পরিণত হয়।
২০০৮ সালের পর জামায়াত
২০০৮ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
এরপর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচার শুরু হয়।
এই বিচারে গোলাম আযমসহ জামায়াতে ইসলামীর অনেক শীর্ষ নেতাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। গোলাম আযমকে দেওয়া হয় ৯০ বছরের কারাদণ্ড। এই কারাদণ্ডাদেশ নিয়ে কারাগারেই মারা যান গোলাম আযম।
এছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য শীর্ষ নেতারা হলেন- মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ।
আরও পড়ুন: ছাত্র আন্দোলনের সুযোগে বিএনপি-জামায়াতের ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা: ধর্মমন্ত্রী
৬৭২ দিন আগে
গণহত্যা করে সরকার গণশত্রুতে পরিণত হয়েছে: ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমনে 'গণহত্যা' চালিয়ে সরকার এখন 'গণশত্রু' হয়ে যাওয়ায় তাদের অস্তিত্বের সংকট ক্রমেই গভীর হচ্ছে।
বিবৃতিতে 'ফ্যাসিবাদী' আওয়ামী লীগ সরকারকে অপসারণ করে সকল অন্যায়ের অবসান ঘটাতে রাজপথে চলমান ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনে আরও বেশি সম্পৃক্ত হতে সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া সরকার ইতিহাসের নির্মম ও বর্বরোচিত হামলা ও গণহত্যা চালিয়ে গণশত্রুতে পরিণত হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, আন্দোলন দমন করতে নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে শাস্তিযোগ্য।
ফখরুল হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনের মুখে দিশেহারা ও জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া সরকারের পতন কোনো কিছুই ঠেকাতে পারবে না, যতই নির্লজ্জভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় মানুষকে গ্রেপ্তার করুক না কেন।
তিনি সরকারের অন্যায়, অপকর্ম ও গণহত্যার বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে সোচ্চার হওয়ার জন্য সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন পেশার মানুষের প্রশংসা করেন।
বিএনপি মহাসচিব অবিলম্বে গ্রেপ্তারদের নিঃশর্ত মুক্তি, কারফিউ প্রত্যাহার, সেনাবাহিনীকে তাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া, জমায়েতের ওপর থেকে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাতে ‘জাতীয় ঐক্যের’ আন্দোলন শুরু বিএনপির
তিনি বলেন, সরকার আইন, সংবিধান, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবিক মূল্যবোধ উপেক্ষা করে জনরোষ থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য যা খুশি তাই করছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, বাকস্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসহ জনগণের সাংবিধানিক অধিকারগুলোকে নির্মমভাবে ক্ষুণ্ন করে দেশকে একটি স্বৈরাচারী ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, অনেক শিক্ষার্থীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গুম করা হচ্ছে। ‘অনেক বাবা-মা ও অভিভাবক তাদের সন্তান ও শিক্ষার্থীদের কোনো হদিস পাচ্ছেন না।’
ফখরুল বলেন, নিরাপত্তার নামে সরকার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সমন্বয়কদের হাসপাতাল থেকে তুলে নিয়ে ডিবি কার্যালয়ে জিম্মি করে রেখেছে। ‘কোনো আইনি ভিত্তি ছাড়াই এ ধরনের কর্মকাণ্ড নজিরবিহীন।’
তিনি বলেন, নির্লজ্জ সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডারদের ব্যবহার করে গণহত্যা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পর রাষ্ট্রীয় শোকের নামে মায়াকান্না করছে। ‘তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এই ভান প্রত্যাখ্যান করে গতকাল (মঙ্গলবার) নজিরবিহীন লাল ডিজিটাল প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে, যা জনগণের ঐক্য প্রদর্শন করেছে।’
আরও পড়ুন: হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর মায়াকান্না জনগণের সঙ্গে প্রতারণার আরেকটি নজির: ফখরুল
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘জনগণ হত্যাকারী সরকারের নিন্দা জানিয়েছে এবং তাদের রাষ্ট্রীয় শোকের ভানকে প্রত্যাখ্যান করেছে।’
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও যশোরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের 'মার্চ ফর জাস্টিস' কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে, লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার ও গ্রেপ্তার করেছে। ‘আমরা পুলিশের এই কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাই।’
কোটা সংস্কার আন্দোলনে গোলাগুলির প্রমাণ পাওয়া গেলেও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না বলেও জানান ফখরুল।
তিনি বলেন, ‘সরকার জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। নিজেদের রক্ষার চেষ্টায় তারা প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার না করে বিরোধীদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’
আরও পড়ুন: সরকার কোটা আন্দোলনকারীদের নিয়ে ষড়যন্ত্র-মিথ্যাচার করছে, পদত্যাগ করা উচিত: ফখরুল
৬৭৩ দিন আগে
কাদেরের সঙ্গে বৈঠকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান
আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের নিয়ে মত বিনিময় সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য শেষ হওয়ার আগেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপস্থিত নেতারা।
বুধবার (৩১ জুলাই) সকালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চলমান আন্দোলন নিয়ে আলোচনার অংশ হিসেবে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে কাদের উপস্থিত সাবেক ছাত্রনেতাদের কথা বলতে না দেওয়ায় তাৎক্ষণিক ক্ষোভের জন্ম দেয়।
আরও পড়ুন: জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে: ওবায়দুল কাদের
সাবেক ছাত্রনেতাদের মতামত না নিয়ে ওবায়দুল কাদের নিজেই বক্তব্য দেন। এ সময় ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের মধ্য থেকে 'ভুয়া ভুয়া' ধ্বনি ওঠে। ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন সাবেক কর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, অনুষ্ঠানের ছবি শেয়ার করেছেন এবং সভা নিয়ে সমালোচনা করেছেন।
দলের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়, ওবায়দুল কাদেরের সাবেক ছাত্রনেতাদের সঙ্গে মত বিনিময় করার কথা ছিল, কিন্তু তা হয়নি।
আরও পড়ুন: জামায়াতকে নিষিদ্ধ করলে দেশের আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হবে: আইনমন্ত্রী
৬৭৩ দিন আগে