রাজনীতি
পুরান ঢাকায় হরিজন উচ্ছেদ বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন চুন্নু
পুরান ঢাকার হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষদের উচ্ছেদ না করে বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নু।
বুধবার (১২ জুন) সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় তিনি এই আহ্বান জানান।
চুন্নু বলেন, ' আমি সংসদ নেতাকে অনুরোধ করব, বিকল্প ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত মানবিক কারণে তাদের উচ্ছেদ না করতে।’
তিনি উল্লেখ করেন, হরিজন সম্প্রদায়ের লোকেরা কয়েক দশক ধরে ঢাকা শহরের কিছু এলাকায় বসবাস ও সেবা করে আসছে।
পুরান ঢাকার বংশালের আগা সাদেক রোডের কাছে মীরনজিলা কলোনিতে উচ্ছেদ অভিযানের কথা উল্লেখ করে চুন্নু বলেন, এখানে দীর্ঘদিন ধরে হরিজন সম্প্রদায়ের প্রায় তিন হাজার মানুষ বসবাস করছেন।
আরও পড়ুন: ব্যাংক সংকট সমাধানে সরকার ব্যর্থ : জিএম কাদের
তিনি বলেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন তাদের বসবাসের জায়গায় বাজার তৈরি করতে চায়।’
তিনি উল্লেখ করেন, এটি সত্য যে এই জায়গার মালিক নয় হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ নয়।
‘কিন্তু তারা যুগ যুগ ধরে সিটি করপোরেশনের এই জায়গায় আছে, তাদের উচ্ছেদের আগেই বিকল্প ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।’
তিনি বলেন, গতকাল উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলে হরিজন শিশুরা রাস্তায় শুয়ে পড়ে। ‘ফলে উচ্ছেদ করা সম্ভব হয়নি।’
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা প্রসঙ্গে চুন্নু বলেন, একজন কর কমিশনার গ্রামীণ ফোনসহ চারটি মোবাইল কোম্পানির ১৭০ কোটি টাকা মওকুফ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘এনবিআর চেয়ারম্যান, অর্থসচিব ও অর্থমন্ত্রী কোথায়? দেশের স্বার্থে এটাকে যথাযথভাবে দেখতে হবে।’
আরও পড়ুন: সিন্দবাদের দৈত্যের মতো দেশ শাসন করছে আ.লীগ সরকার: জিএম কাদের
৬৩২ দিন আগে
শিগগিরই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন জোরদার করা হবে: ফখরুল
বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে সব বিরোধী দল এখন ঐক্যবদ্ধ দাবি করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলন খুব শিগগিরই আরও জোরদার করা হবে।
বুধবার (১২ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় এ কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব।
আলোচনা সভায় তিনি আরও বলেন, দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেওয়ায় আওয়ামী লীগ সরকার এখন বিরোধী দলগুলোর প্রধান শত্রু।
ফখরুল বলেন, ‘আমরা আন্দোলনে আছি। এরইমধ্যে আমরা অনেক কিছু অর্জন করেছি... সবচেয়ে বড় অর্জন হলো, আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর চিন্তাভাবনা ভিন্ন- কেউ বামপন্থী, কেউ ডানপন্থী, কেউ কট্টর বামপন্থী- কিন্তু আমরা সবাই মিলে আন্দোলনে একমত হয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর পরাজিত করতে হবে, কারণ দেশের জনগণ একটি বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে তারা দলটিকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা সেই আন্দোলন শুরু করেছি। আমরা এখনো সেই আন্দোলনে আছি এবং নিঃসন্দেহে খুব শিগগিরই তা আরও তীব্র হবে।’
আরও পড়ুন: বিএনপি চায় বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে গণতন্ত্রকে অগ্রাধিকার দেবে মোদি সরকার: ফখরুল
বিএনপি চলমান আন্দোলন সফল করতে সব বাম ও ডানপন্থী দলের সঙ্গে কথা বলছে বলে জানান তিনি।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, 'এই আন্দোলনের ব্যাপারে আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে বলতে পারি, কোনো রাজনৈতিক দল এই সরকারের পক্ষে ছিল না, কেউ তাদের সমর্থন দেয়নি। এটা আন্দোলনের বড় সাফল্য। তথাকথিত (৭ জানুয়ারি) নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ছাড়া কেউ যায়নি।’
মির্জা ফখরুল বিরোধী দলগুলোকে কোনো হঠকারী পদক্ষেপ বা ক্ষতিকর মন্তব্য না করতে সতর্ক করে দেন, যা তাদের ঐক্য ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং তাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে পারে।
তিনি বলেন, 'আমি সব সময় বলি, আমাদের হঠকারী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার সুযোগ আছে। এই সরকারের পতন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটের অধিকার ও মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা সবাই আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যে পৌঁছেছি। আমরা এর জন্য লড়াই করছি, সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের লড়াই করতে হবে।’
যুগপৎ আন্দোলন সফলভাবে পরিচালনার জন্য বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সুদৃঢ় ঐক্য প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের প্রধান শত্রু হচ্ছে এই সরকার, যারা আমাদের সর্বস্ব ধ্বংস করে দিচ্ছে। তাদের ক্ষমতাচ্যুত করতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। আমরা কাজ শুরু করেছি... শেষ পর্যন্ত আমরাই সফল হব। আসুন আমরা সবাই জনগণের পাশে দাঁড়াই এবং তাদের সঙ্গে সংগ্রাম করি। আমরা আমাদের কৌশল পরিবর্তন করতে পারি, তবে আমাদের একমাত্র লক্ষ্য এই শাসনকে অপসারণ করা।’
গণতন্ত্রের আশ্রয় নিয়ে দেশ ও জনগণকে দুঃশাসনের হাত থেকে বাঁচাতে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ফখরুল।
আরও পড়ুন: সরকার সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে: ফখরুল
৬৩২ দিন আগে
সরকার সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে: ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ 'চরমভাবে' দেউলিয়া হওয়ার পর থেকে দুর্নীতিবাজ আমলা ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা সৃষ্টি করে ক্ষমতায় আছে।
বর্তমান সরকার মেগা প্রকল্পের নামে চীন থেকে অর্থ সংগ্রহ করছে এবং কমিশন হিসেবে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এখন বেনজীর (সাবেক আইজিপি) ও আজিজের (সাবেক সেনাপ্রধান) দল। আওয়ামী লীগ চরমভাবে দেউলিয়া হয়ে যাওয়ায় এখন আর রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান নয়। তাই দুর্নীতিবাজ আমলা ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঁতাত করে তাদের ক্ষমতায় থাকতে হবে।’
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (১১ জুন) গিলন্ডোর মুন্না সিটিতে ঢাকা বিভাগীয় শাখা এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ এখন শুধু আধিপত্যবাদই নয়, ফ্যাসিবাদেরও কবলে। ‘এখন যারা দেশ শাসন করছে তাদের সঙ্গে জনগণের কোনো সম্পর্ক নেই।’
তিনি বলেন, ভোটার ও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতিযোগিতার বাইরে রেখে সরকার নিজস্ব স্টাইলে একতরফা নির্বাচনের আয়োজন করছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকার সব রাষ্ট্রযন্ত্র দখল করে রেখেছে, সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে।
ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: বিএনপি চায় বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে গণতন্ত্রকে অগ্রাধিকার দেবে মোদি সরকার: ফখরুল
বিএনপি নেতা উল্লেখ করেন, সোমবার নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) আয়োজিত এক সেমিনারে দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা দেশের অর্থনীতি বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে বলে সতর্ক করেছেন।
ফখরুল আরও বলেন, ‘সরকার এটা মানতে নারাজ। তারা সবসময় দাবি করে যে অর্থনীতি খুব ভাল করছে। কিন্তু তাদের দুর্নীতি অব্যাহত রয়েছে। তারা প্রতিনিয়ত দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার নতুন নতুন উপায় খুঁজছে। মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে তারা মেগা দুর্নীতি করছে।’
ফখরুল বলেন, এটা বিস্ময়কর যে মেগা প্রকল্পের অধিকাংশই চীন অর্থায়ন করে।
তিনি বলেন, 'তারা (চীন) বাংলাদেশ সরকারকে তহবিল দেয়, যারা তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে টেন্ডার দেয়। সরকার সমর্থিত এক বা দুজন ব্যক্তি তহবিল সুরক্ষিত করার জন্য পাঁচ শতাংশ কমিশন পান এবং বাকি ৫ শতাংশ প্রকল্পে কাজ বণ্টনের জন্য দেওয়া হয়। আমরা অনেকেই জানি না যে চীন থেকে আনা তহবিল কমিশনের অধীন।’
বর্তমান শাসকগোষ্ঠী কমিশন না নিয়ে কিছু করে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ‘‘শুধু তাই নয়, এখানে বেশ কয়েকটি নতুন আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এমনই একটি প্রতিষ্ঠানের নাম 'নগদ'।’’
ফখরুল বলেন, 'নগদ'-এর প্রতিটি লেনদেন থেকে কমিশনের একটি নির্দিষ্ট অংশ বিদেশে পাঠানো হয়। তিনি বলেন, 'আমি কারও নাম উল্লেখ করতে চাই না, তবে এই অর্থ বিদেশে নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে যায়। এবং এটি কেবল একটি একক ঘটনা নয়; এরকম আরও অনেক উদাহরণ আছে।’
দেশের এমন পরিস্থিতিতে দেশ বাঁচাতে এবং বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে সর্বস্তরের জনগণ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ এখন পুলিশ-লুটেরাদের ওপর নির্ভরশীল: রিজভী
৬৩৩ দিন আগে
আওয়ামী লীগ এখন পুলিশ-লুটেরাদের ওপর নির্ভরশীল: রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ জন সমর্থন হারিয়ে এখন দুর্নীতিবাজ, লুটেরা ও কিছু পুলিশ কর্মকর্তার ওপর নির্ভর করছে।
মঙ্গলবার (১১ জুন) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল ও ভোটারদের অনুপস্থিতির মধ্যে সাম্প্রতিক উপজেলা নির্বাচনগুলোতে ক্ষমতাসীন দলের অভ্যন্তরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক সহিংসতা হয়েছে। জনগণের অর্থ আত্মসাতের আকাঙ্ক্ষায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদ পাওয়ার জন্য তারা এ সংঘাতে জড়ায়।
বিএনপি নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এখন জনগণের কাছে পরিত্যক্ত একটি দল। এই দলটি কিছু পুলিশ কর্মকর্তা এবং যারা সংখ্যালঘুসহ গরিব মানুষের সম্পদ দখল ও অর্থ লুট করে তাদের ওপর নির্ভরশীল।’
আরও পড়ুন: টোপ নয়, রাঘববোয়ালদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে বাজেটে: ফখরুল
রিজভী বলেন, ভোটারবিহীন জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানে 'ডামি' সরকার ও তার পুতুল নির্বাচন কমিশন লজ্জিত নয়।
জনগণ আওয়ামী সরকার ও তাদের নির্বাচন কমিশনকে শতাব্দীর সবচেয়ে নির্লজ্জ সত্তা মনে করে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, গত নির্বাচনের মতো একতরফাভাবে ৫ জুন চতুর্থ ধাপের উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দল কোনো বিরোধী দল ও ভোটার ছাড়াই নিজেদের প্রতিপক্ষ বানিয়ে একদলীয় উপজেলা নির্বাচন আয়োজন করেছে।
রিজভী বলেন, কোনো বিরোধী দল ও ভোটারের অনুপস্থিতিকে পুঁজি করে ক্ষমতাসীনরা নিজেদেরকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে একদলীয় উপজেলা নির্বাচন করেছে।
দেশের অনেক উপজেলায় ক্ষমতাসীন দলের সদস্যরা লুটপাট ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের পদ রক্ষার জন্য সহিংসতার আশ্রয় নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন রিজভী।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে বিদেশের ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছে আ. লীগ: ফখরুল
তিনি বলেন, ‘অর্থ লুটপাটের সুযোগ হাতছাড়া না করার জন্য আওয়ামী ক্যাডাররা দুটি দলে বিভক্ত হয়ে ব্যাপক সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে, যার ফলে নিজ দলের মধ্যেই হতাহত ও গুরুতর আহত হয়।’
বিএনপির এই নেতা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, উপজেলা নির্বাচনে সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং হাজার হাজার হামলার শিকার হয়েছেন, যা বাংলাদেশের নির্বাচনি ইতিহাসে এক নজিরবিহীন সহিংসতাকে চিত্রিত করে।
রিজভী বলেন, দেশের অর্থনীতির বিশৃঙ্খল অবস্থার চিত্র তুলে ধরে গণমাধ্যমগুলো অর্থনৈতিক মন্দার খবর প্রতিদিন প্রচার করছে।
তিনি আরও বলেন, বিদেশে অর্থ পাচার, ব্যাপকহারে ব্যাংক ঋণখেলাপি, ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন, তীব্র ডলার সংকট, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স হ্রাস, অস্বাভাবিক মুদ্রাস্ফীতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিম্ন আয়ের মানুষকে চরম সংকটে ফেলছে।
আরও পড়ুন: বিএনপি চায় বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে গণতন্ত্রকে অগ্রাধিকার দেবে মোদি সরকার: ফখরুল
৬৩৩ দিন আগে
বিএনপি চায় বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে গণতন্ত্রকে অগ্রাধিকার দেবে মোদি সরকার: ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন নতুন ভারতীয় সরকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে বাংলাদেশের গণতন্ত্র অন্বেষণে জোর দেবে বলে বিএনপির প্রত্যাশা।
তিনি আরও বলেন, 'ভারতে যে মানদণ্ড দেখা যায়, সেখানে নাগরিকরা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে এবং সেখানে নির্বাচন কমিশন ও বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করে, একই মান অর্জনের জন্য এদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করেছে।’
এই লক্ষ্য অর্জনে এবং একইভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের দল কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান বিএনপি মহাসচিব।
মির্জা ফখরুল বলেন, 'ভারতের নতুন সরকারের কাছ থেকে আমরা যা আশা করি তা হলো, তারা বাংলাদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান করবে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করবে।’
তিনি আরও বলেন, ভারত নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রতিবেশী দেশ।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) জাতীয়তাবাদী কৃষক দল এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
ভারতের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) ২৯৩টি আসন পেয়ে জয়ী হওয়ায় নরেন্দ্র মোদি রবিবার তৃতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
৬৩৪ দিন আগে
ভারত সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন প্রধানমন্ত্রী: কাদের
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ভারত সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সেখানে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন, বৈঠকের বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানা যাবে।’
সোমবার (১০ জুন) ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের সংসদ সদস্য এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সড়ক ও সেতুমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সারাদেশে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে তিন দিনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে নিবন্ধিত সব দলকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।
২১ জুন বিকাল ৩টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট থেকে একটি শোভাযাত্রা শুরু হয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে শেষ হবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ২৩ জুন বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনা প্লাটিনাম বর্ষপূর্তি কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
একই দিন বিকাল ৩টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে।
এছাড়া রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং হাতিরঝিলে নৌকা বাইচ ও সাইকেল র্যালির আয়োজন করা হবে।
প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে দেশের সবচেয়ে পুরনো রাজনৈতিক দলটির ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হবে বলে জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক।
৬৩৪ দিন আগে
বাংলাদেশকে বিদেশের ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছে আ. লীগ: ফখরুল
আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দেশকে বিদেশের ওপর 'নির্ভর' করে তুলেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, 'দেখুন তারা (সরকার) কীভাবে নিজেদের স্বার্থে এবং ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য দেশকে বিক্রি করে দিচ্ছে। তারা দেশকে অন্যের ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছে। তাদের বক্তব্য থেকেই সবকিছু স্পষ্ট হচ্ছে।’
আলোচনা সভায় বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘বিদেশিদের দোহাই দিয়ে সরকার অর্থনীতিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা একটি আত্মনির্ভরশীল জাতিকে পরনির্ভরশীল জাতিতে পরিণত করেছে।’
বিএনপির আমলের ছোট আকারের বাজেট থেকে বাড়িয়ে বড় করার বিষয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করেন তিনি।
আরও পড়ুন: লুটপাটের নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এই বাজেট: ফখরুল
তিনি বলেন, বিএনপি দেশকে ভালোবাসে বলেই ঋণের বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দেয়নি। জনগণের ওপর এখন ঋণের বিশাল বোঝা চাপানো হয়েছে। প্রত্যেক ব্যক্তি ১.৫৫ লাখ টাকা ঋণের বোঝা বহন করতে হচ্ছে। মাথাপিছু এই পরিমাণ ঋণ কত বোঝা তা কল্পনা করতে পারেন?'
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণ যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে তা নিরসনে বাজেটে কোনো দিকনির্দেশনা নেই।
বাজেটে মূল্যস্ফীতি কমানোর কোনো ব্যবস্থা নেই এবং উৎপাদন বাড়াতে পারে- এমন সব আমদানি করা পণ্য ও যন্ত্রপাতির ওপর কর আরোপ করা হয়েছে। তাহলে কর্মসংস্থান হবে কীভাবে- প্রশ্ন তোলেন ফখরুল।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের শরীরে চুরি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস আছে।
তিনি বলেন, 'এখন আপনারা দেখছেন কীভাবে চুরি ও দুর্নীতি হচ্ছে। সে সময় তাদের নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের সময় অনেক চুরি হয়েছিল।’
তিনি দুঃখ করে বলেন, বর্তমান সরকার সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে বাংলাদেশকে নরকে পরিণত করেছে। ‘তারা সব সৌন্দর্য নষ্ট করে দিয়েছে। তারা মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ নষ্ট করেছে।’
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, রাজনীতিকরণ ও ক্ষমতাসীন দলের প্রতি আনুগত্যের কারণে পক্ষপাতদুষ্ট শিক্ষক নিয়োগের ফলে শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য দেশ মানসম্পন্ন নেতা পাচ্ছে না উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এমন ব্যবস্থা করেছে যাতে কোনো জায়গায় নেতৃত্ব তৈরি না হয়। ‘যেখানে ছাত্র সংসদ, ডাকসু বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন নেই, সেখানে নেতৃত্ব তৈরি হবে কীভাবে?’
আরও পড়ুন: টোপ নয়, রাঘববোয়ালদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে বাজেটে: ফখরুল
নতুন বাজেটে দুর্নীতির আশঙ্কা আরও বেশি: ফখরুল
৬৩৫ দিন আগে
দক্ষিণাঞ্চলের স্থগিত হওয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত
ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে স্থগিত হওয়া দক্ষিণাঞ্চলের ১৮ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এর আগে গত ২৭ মে নির্বাচন কমিশন ওই উপজেলাগুলোতে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে। গত ২৯ মে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
ইউএনবির খুলনা প্রতিনিধি জানান, ডুমুরিয়া, ফুলতলা ও কয়রা উপজেলায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। প্রথমবারের মতো নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় হাইওয়ে ও নৌ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. নাজমুল হুসাইন খান জানান, মোট ৩৭ জন নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ পুলিশ, বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদস্যরা দায়িত্বে আছেন।
আরও পড়ুন: অবরোধে বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাচন ফের স্থগিত, সাজেকে আটকা তিন শতাধিক পর্যটক
ইউএনবির বাগেরহাট প্রতিনিধি জানান, শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ ও মোংলা উপজেলার ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রথম দিকে ভোটার কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বেড়েছে।
সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে।
যেসব উপজেলায় ভোট গ্রহণ হয়েছে সেগুলো হলো- বাগেরহাটের শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ ও মংলা; খুলনার কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া; বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া; পটুয়াখালীর পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি; পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া; ভোলায় তাজমুদ্দিন ও লালমোহন; ঝালকাঠির রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া এবং বরগুনার বামনা ও পাথরঘাটা।
আরও পড়ুন: চতুর্থ ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৩৪.৩৩ শতাংশ : সিইসি
৬৩৫ দিন আগে
রাঘববোয়ালদের লুটপাট বন্ধ করতে এই বাজেট: কাদের
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাঘববোয়ালদের লুটপাট বন্ধ করার জন্য বাজেটটা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি আমলে যে লুটপাটের রাজত্ব সৃষ্টি হয়েছিল, দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গিয়েছিল, তা থেকে দেশকে রক্ষা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লুটপাট করে কেউ এখানে পার পাবে না। নিজের লোকদের শায়েস্তা করার সাহস বিএনপির নেই।’
রবিবার (৯ জুন) ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ এবং সব সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথ সভায় এসব কথা বলেন কাদের।
কাদের বলেন, ‘কালো টাকা সাদা করেছেন সাইফুর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া। তাহলে তারাও কী দুর্বৃত্ত? বিএনপির আমলে লুটপাটকারীদের বিচার হয়নি। আওয়ামী লীগের আমলে কেউ দুর্নীতি করে পার পাবে না, সে যেই হোক।’
আরও পড়ুন: ৬ দফা আন্দোলন স্বাধীনতা সংগ্রামের ‘টার্নিং পয়েন্ট’: কাদের
তিনি বলেন, বিএনপি আগুন সন্ত্রাসের যে সংস্কৃতি চালু করেছে এর বিরুদ্ধে জনগণের জানমাল রক্ষায় আমাদের অবশ্যই শান্তি সমাবেশ করতে হবে। প্রতিরোধ করতে হবে। রাজপথে প্রস্তুত থাকতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীরাও বসে নেই, তারাও কর্মসূচি দিবে। আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে যে কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে তা সফল করার জন্য সব পর্যায়ের নেতাদের অফিসমুখী হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’
যৌথসভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল জোসেন, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খানসহ ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ, জেলা আওয়ামী লীগ এবং সব সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
আরও পড়ুন: প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও গণমুখী: কাদের
৬৩৫ দিন আগে
টোপ নয়, রাঘববোয়ালদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে বাজেটে: ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের সম্পদ নতুন করে লুটপাটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মাছ ধরার জন্য টোপ ব্যবহার করার বিষয়ে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিএনপির এই নেতা বলেন, 'বাজেট দেখলেই বোঝা যাবে, রাঘববোয়ালদের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়েছে।’
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতামতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন বাজেট দেশের ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই করবে না।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগকে রক্ষা করতে, ক্ষমতায় রাখতে সব প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন বেনজীর: ফখরুল
তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় সংকট, কারণ দ্রব্যমূল্যের আকাশছোঁয়া দাম তাদের জীবন অসহনীয় করে তুলেছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার বিধান রেখে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন।
বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কালো টাকা আগে বৈধ পথে আনতে হবে।
তিনি বলেন, ‘নামমাত্র (ট্যাক্স) দিয়ে প্রথমে অর্থ একটি উপযুক্ত জায়গায় (ব্যাংকিং চ্যানেলে) আনতে হবে। তাহলে তাদের (কালো টাকার মালিকদের) নিয়মিত কর দিতে হবে। মাছ ধরতে হলে টোপ ব্যবহার করতে হবে।’
মাছ ধরতে টোপ ব্যবহার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য হাস্যকর বলে মন্তব্য করেন ফখরুল।
তিনি প্রশ্ন করেন, ‘এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে আপনি আর কতদিন মানুষকে ধোঁকা দিতে পারবেন?’
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ-রব)।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে সিরাজুল আলম খানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান মির্জা ফখরুল।
সিরাজুল আলমের মৃত্যুর পর শোকবার্তা না দেয়ায় আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করেন তিনি। ‘ভেবে দেখুন, তারা কতটা অকৃতজ্ঞ হতে পারে। এমন একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার মৃত্যুর পরও তারা কোনো শোক প্রকাশ করেনি। একই কারণে তারা জিয়াউর রহমানকে সহ্য করতে পারছে না।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এক ভয়াবহ সংকটে পড়েছে, তার অস্তিত্বকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। ‘সরকার ক্ষমতা দখল করে দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকার বাংলাদেশের জনগণকে শোষণ ও নিপীড়ন করছে এবং প্রতিনিয়ত দেশের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে। ‘আমরা সবাই বাংলাদেশের এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই।’
গণতন্ত্র ও ভোটদান এবং জনগণের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনতে সব ভুল বোঝাবুঝি ও সিদ্ধান্ত পরিহার করে সব রাজনৈতিক দল ও সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন: নতুন বাজেটে দুর্নীতির আশঙ্কা আরও বেশি: ফখরুল
লুটপাটের নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এই বাজেট: ফখরুল
৬৩৬ দিন আগে