রাজনীতি
রাঘববোয়ালদের লুটপাট বন্ধ করতে এই বাজেট: কাদের
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাঘববোয়ালদের লুটপাট বন্ধ করার জন্য বাজেটটা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি আমলে যে লুটপাটের রাজত্ব সৃষ্টি হয়েছিল, দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গিয়েছিল, তা থেকে দেশকে রক্ষা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লুটপাট করে কেউ এখানে পার পাবে না। নিজের লোকদের শায়েস্তা করার সাহস বিএনপির নেই।’
রবিবার (৯ জুন) ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ এবং সব সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথ সভায় এসব কথা বলেন কাদের।
কাদের বলেন, ‘কালো টাকা সাদা করেছেন সাইফুর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া। তাহলে তারাও কী দুর্বৃত্ত? বিএনপির আমলে লুটপাটকারীদের বিচার হয়নি। আওয়ামী লীগের আমলে কেউ দুর্নীতি করে পার পাবে না, সে যেই হোক।’
আরও পড়ুন: ৬ দফা আন্দোলন স্বাধীনতা সংগ্রামের ‘টার্নিং পয়েন্ট’: কাদের
তিনি বলেন, বিএনপি আগুন সন্ত্রাসের যে সংস্কৃতি চালু করেছে এর বিরুদ্ধে জনগণের জানমাল রক্ষায় আমাদের অবশ্যই শান্তি সমাবেশ করতে হবে। প্রতিরোধ করতে হবে। রাজপথে প্রস্তুত থাকতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীরাও বসে নেই, তারাও কর্মসূচি দিবে। আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে যে কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে তা সফল করার জন্য সব পর্যায়ের নেতাদের অফিসমুখী হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’
যৌথসভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল জোসেন, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খানসহ ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ, জেলা আওয়ামী লীগ এবং সব সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
আরও পড়ুন: প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও গণমুখী: কাদের
৭২৫ দিন আগে
টোপ নয়, রাঘববোয়ালদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে বাজেটে: ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের সম্পদ নতুন করে লুটপাটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মাছ ধরার জন্য টোপ ব্যবহার করার বিষয়ে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিএনপির এই নেতা বলেন, 'বাজেট দেখলেই বোঝা যাবে, রাঘববোয়ালদের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়েছে।’
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতামতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন বাজেট দেশের ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই করবে না।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগকে রক্ষা করতে, ক্ষমতায় রাখতে সব প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন বেনজীর: ফখরুল
তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় সংকট, কারণ দ্রব্যমূল্যের আকাশছোঁয়া দাম তাদের জীবন অসহনীয় করে তুলেছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার বিধান রেখে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন।
বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কালো টাকা আগে বৈধ পথে আনতে হবে।
তিনি বলেন, ‘নামমাত্র (ট্যাক্স) দিয়ে প্রথমে অর্থ একটি উপযুক্ত জায়গায় (ব্যাংকিং চ্যানেলে) আনতে হবে। তাহলে তাদের (কালো টাকার মালিকদের) নিয়মিত কর দিতে হবে। মাছ ধরতে হলে টোপ ব্যবহার করতে হবে।’
মাছ ধরতে টোপ ব্যবহার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য হাস্যকর বলে মন্তব্য করেন ফখরুল।
তিনি প্রশ্ন করেন, ‘এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে আপনি আর কতদিন মানুষকে ধোঁকা দিতে পারবেন?’
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ-রব)।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে সিরাজুল আলম খানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান মির্জা ফখরুল।
সিরাজুল আলমের মৃত্যুর পর শোকবার্তা না দেয়ায় আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করেন তিনি। ‘ভেবে দেখুন, তারা কতটা অকৃতজ্ঞ হতে পারে। এমন একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার মৃত্যুর পরও তারা কোনো শোক প্রকাশ করেনি। একই কারণে তারা জিয়াউর রহমানকে সহ্য করতে পারছে না।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এক ভয়াবহ সংকটে পড়েছে, তার অস্তিত্বকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। ‘সরকার ক্ষমতা দখল করে দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকার বাংলাদেশের জনগণকে শোষণ ও নিপীড়ন করছে এবং প্রতিনিয়ত দেশের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে। ‘আমরা সবাই বাংলাদেশের এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই।’
গণতন্ত্র ও ভোটদান এবং জনগণের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনতে সব ভুল বোঝাবুঝি ও সিদ্ধান্ত পরিহার করে সব রাজনৈতিক দল ও সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন: নতুন বাজেটে দুর্নীতির আশঙ্কা আরও বেশি: ফখরুল
লুটপাটের নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এই বাজেট: ফখরুল
৭২৬ দিন আগে
প্রস্তাবিত বাজেট: রবিবার প্রতিক্রিয়া জানাবে বিএনপি
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে রবিবার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাবে বিএনপি।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করে বাজেট নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাবেন।
রবিবার (৯ জুন) বিকাল ৩টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
একই দিন বাজেট নিয়ে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া জানান ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রস্তাবিত বাজেটকে 'বাংলাদেশবিরোধী' আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, এতে(বাজেট) ক্ষমতাসীন দল সমর্থিত লুটেরাদের সরকারি অর্থ আত্মসাতের নতুন পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: নতুন বাজেটে দুর্নীতির আশঙ্কা আরও বেশি: ফখরুল
তিনি বলেন, ‘সরকার লুটপাটকারী হয়ে গেছে। এই লুটেরাদের প্রণীত বাজেটটি লুণ্ঠনকে আরও প্রশ্রয় দেওয়ার লক্ষ্যে করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, বাজেটে (জনগণের অর্থ) আত্মসাতের জন্য নতুন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।’
প্রস্তাবিত ব্যয় রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি উল্লেখ করে ফখরুল সতর্ক করে বলেন, এই ভারসাম্যহীনতা কেবল জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করবে এবং তাদের বোঝা বাড়াবে।
সরকার ব্যয় মেটাতে জনগণের পকেট কাটবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা।
আরও পড়ুন: কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দুর্নীতিকে উৎসাহিত করবে: জমির উদ্দিন সরকার
৭২৬ দিন আগে
বাজেট নিয়ে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জাসদ
প্রস্তাবিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের উপর জাসদের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)।
শুক্রবার (৭ জুন) এক বিবৃতিতে দলটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এই প্রতিক্রিয়া জানান।
তারা বলেছেন, ২০২৪—২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট গতানুগতিক এবং স্থিতাবস্থা বজায় রাখায় প্রচেষ্টার বাইরে নতুন ও বেশি কিছু না।
নেতারা আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ডলার সংকট মোকাবিলা, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলা ও অস্থিরতা দূর করা, রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, আভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং খাত এবং বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের উপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পাওয়া বাজেট বাস্তবায়ন ও আগামী অর্থনীতির জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখা দিয়েছে।
এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাজেট কাঠামোর প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সংশোধনের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী ও সরকারকে খোলামন নিয়ে আলোচনা করে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বানও জানিয়েছে দলটি।
আরও পড়ুন: জাসদের সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধি দলের বৈঠক
৭২৭ দিন আগে
নতুন বাজেটে দুর্নীতির আশঙ্কা আরও বেশি: ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট কালো টাকাবান্ধব এবং এর মাধ্যমে দেশে দুর্নীতি আরও বেড়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, ‘এই বাজেট কালো টাকার প্রচারের জন্য। কীভাবে কালো টাকা সাদা করা যায়, দুর্নীতির প্রসার ঘটানো যায়, কীভাবে (অবৈধভাবে) অর্থ উপার্জন করা যায়, এসবের জন্য এই বাজেট।’
সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (৭ জুন) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন সোনালি দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, সাধারণ ও শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়নি।
তিনি বলেন, ‘বাজেট নিয়ে কথা বলার প্রয়োজন নেই। ডেইলি স্টারের প্রথম পাতায় কার্টুন দেখুন, যেখানে অনেক সাধারণ কৃষক, শ্রমিক, খেটে খাওয়া মানুষের ওপরে বসে আছে একটি বিশাল হাতি... এই চমৎকার কার্টুনটি বাজেটের একটি পরিষ্কার চিত্র তুলে ধরেছে।’
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, জনগণের অর্থ লুটপাটের আরও সুযোগ তৈরি করতে সরকার অলাভজনক খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে মূলধনী যন্ত্রপাতির ওপর কর বাড়ানোয় সরকারের সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, ‘মূলধনী যন্ত্রপাতির ওপর কর বাড়ানোর অর্থ কী? এর মানে হলো এখানে কোনো শিল্প-কারখানা থাকা উচিত নয় কেন না যন্ত্রপাতি আমদানি করা যায় না।’
কর্মসংস্থান ও আয়ের উৎসের অভাবে মানুষ খুব কঠিন সময় পার করছে বলে মন্তব্য করেন ফখরুল।
তিনি বলেন, 'যারা ঢাকা শহরে ছোটখাটো ব্যবসা করতেন এবং এখানে কাজ করতেন তারা এখন কাজের অভাবে গ্রামে চলে যাচ্ছেন। কিন্তু সেখানেও কাজ না থাকায় ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।’
ফখরুল বলেন, বর্তমান দানবীয় সরকারকে যতদিন ক্ষমতা থেকে সরাতে না পারবে ততদিন সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের কোনো লাভ হবে না।
তিনি আরও বলেন, ‘এই সরকার মিথ্যার ওপর টিকে আছে। এই সরকারের সব পরিসংখ্যান মিথ্যা ও বানোয়াট। কোন পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে আপনি একটি পরিকল্পনা করবেন? বেনজীরের (সাবেক আইজিপি) দুর্নীতি এখন সব জায়গায়... বেনজীর এখন সব জায়গায়।'
দেশের বর্তমান ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দেশের মানুষকে জাগ্রত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও তরুণ প্রজন্মকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।
৭২৭ দিন আগে
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দুর্নীতিকে উৎসাহিত করবে: জমির উদ্দিন সরকার
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বলেছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে কালো টাকাকে বৈধ করার বিধান রাখা মানেই ‘দুর্নীতিকে উৎসাহিত’ করা।
তিনি বলেন, ‘যদি ১৫ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করা যায়, তাহলে আমাদের, সৎ করদাতা এবং তাদের (কালো টাকার ধারক) মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকবে না।’
শুক্রবার (৭ জুন) এক আলোচনা সভায় জমির উদ্দিন এসব কথা বলেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত কালো টাকা বৈধ করার কোনো সুযোগ না দিয়ে বাজেয়াপ্ত করা উচিত। ‘যদি করের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করা যায়, তাহলে সেটি অসততায় লিপ্ত হতে উৎসাহিত হবে।’
এর আগে ১৫ শতাংশ কর দিয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার বিধান রেখে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
আরও পড়ুন: লুটপাটের নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এই বাজেট: ফখরুল
তবে দুই বছর আগেও ১০ শতাংশ কর দিয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার বিধান ছিল। তবে পরে ভালো সাড়া না পাওয়ায় এ বিধান বাতিল করা হয়।
এক বছরের বিরতির পর অর্থমন্ত্রী কর ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করে বিধানটি আবারও ফিরিয়ে এনেছেন।
সংসদের প্রাক্তন স্পিকার সরকার কালো টাকা সাদা করার বিধানটি পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। ‘দয়া করে সতর্ক থাকুন, যাতে একজনের উপার্জন করা অর্থ এবং অন্যজনের সহজেই পেয়ে যাওয়া অর্থের মধ্যে পার্থক্য বজায় থাকে। সহজে টাকা পাওয়ার সঙ্গে টাকা রোজগার করার মিল থাকে না... সরকারের কাছে এটাই আমার বিনীত অনুরোধ।’
সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলীর স্মরণে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপিপন্থী পেশাজীবী পরিষদ।
দেশের বিচার বিভাগে এ জে মোহাম্মদ আলীর অবদানের কথা স্মরণ করে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সাবেক এই স্পিকার।
আরও পড়ুন: ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি নেতাদের আর সহ্য হচ্ছে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৭২৭ দিন আগে
ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি নেতাদের আর সহ্য হচ্ছে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি নেতাদের এখন আর সহ্য হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
তিনি বলেন, ‘ক্ষমতার হালুয়া-রুটির ভাগ-বাঁটোয়ারার জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ যারা বিএনপি দল গঠন করেছিলেন, ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী ২ বছর ও একাধারে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকারের চার মেয়াদসহ ২২ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা তাদের পক্ষে এখন আর সহ্য হচ্ছে না।’
শুক্রবার (৭ জুন) সকালে চট্টগ্রামের থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাঙালির মুক্তি সনদ ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস স্মরণে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে দেশের বিস্ময়কর উন্নয়ন অগ্রগতিও তারা সহ্য করতে পারছে না। সেই কারণে তারা এখন নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বৃহস্পতিবার সংসদে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা হয়েছে। গত ১৫ বছরে বাজেটের অংক সাড়ে ১১ গুণ বেড়েছে। দেশের বাজেটের আকার যখন বাড়তে থাকে তখন বুঝতে হবে দেশ উন্নতি ও সমৃদ্ধির দিকে যাচ্ছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত বাজেট ঘোষণার আগেই বিবৃতি রেডি করে রাখে। গত ১৫ বছরের তাদের বিবৃতি-বক্তব্য যদি দেখেন, হুবহু মিল খুঁজে পাবেন।’
আরও পড়ুন: দুর্নীতি-সন্ত্রাসের প্রতীক তারেক রহমানই বিএনপির দুঃশাসনের মুখ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাজেটের সমালোচকদের মন্ত্রী হাছান প্রশ্ন করেন, ‘বাজেট জনগণের কল্যাণে যদি না এসে থাকে, তাহলে গত ১৫ বছরে দরিদ্রতা ৪০ শতাংশ থেকে নেমে ১৮.৭ শতাংশে নেমে এল কীভাবে? আর অতিদরিদ্রতা ২২ শতাংশ থেকে ৫.৭ শতাংশে কীভাবে নেমে এসেছে? এটি সম্ভব হয়েছে বাজেট বাস্তবায়নের কারণেই।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কিছু বিশেষজ্ঞ নামধারী এবং বিএনপি-জামায়াত প্রতিবারের মতো এবারও বলতে শুরু করেছে- এই বাজেট জনগণের কোনো কল্যাণে আসবে না।’
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু উত্থাপিত ছয় দফা প্রসঙ্গে ড. হাছান বলেন, ‘পূর্ববাংলার মানুষের মাঝে স্বাধীনতার পক্ষে মনন তৈরি করার জন্যই বঙ্গবন্ধু ছয় দফা ঘোষণা করেছিলেন। ছয় দফার পক্ষে মানুষ ব্যাপক সাড়া দেন। বঙ্গবন্ধু ছয় দফা নিয়ে সারাদেশ ঘুরে বেড়ান, যেখানেই বক্তব্য দেন সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হতো। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু মুক্তি লাভ করেন।’
তিনি আরও বলেন,“ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পর ছয় দফার ওপর ভিত্তি করেই দেশে সাধারণ নির্বাচন হয়। জনগণ ছয় দফার পক্ষেই ভোট দেয়। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে মেজরিটি পার্টির নেতা নির্বাচিত হন। এরপর ক্ষমতা হস্তান্তরে যখন বাহানা করা হচ্ছিল তখন বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘ছয় দফা যখন ঘোষণা করেছিলাম তখন এটি আওয়ামী লীগ কিংবা শেখ মুজিবের দফা ছিল, নির্বাচনের পর এটি জনগণের দফায় পরিণত হয়েছে। জণগণই ছয় দফার পক্ষে রায় দিয়েছে। আমি ছয় দফার বাইরে কোনো আপস করতে পারব না।’”
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, সব সংকট-ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে শেখ হাসিনার দৃঢ়তায় আওয়ামী লীগ পরপর চারবার রাষ্ট্র ক্ষমতায়। বিরোধী শক্তি শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। আওয়ামী লীগের সব স্তরের নেতা-কর্মীদের চোখ কান সবসময় খোলা রাখতে হবে।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ছিলেন- সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, সহসভাপতি ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল, জাতীয় শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি সফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, কাউন্সিলর ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু।
আরও পড়ুন: বিএনপিসহ কিছু গোষ্ঠী ভালো কিছু দেখে না, অথচ ১৫ বছরে বাজেট বাস্তবায়ন হার ৯২-৯৭%: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৭২৭ দিন আগে
৬ দফা আন্দোলন স্বাধীনতা সংগ্রামের ‘টার্নিং পয়েন্ট’: কাদের
৬ দফা আন্দোলনকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ‘টার্নিং পয়েন্ট’ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যারা এটা মানে না তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।
শুক্রবার (৭ জুন) সকালে ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
কাদের বলেন, ‘জাতির পিতার হত্যাকারীকারই ৭৫ পরবর্তী সময়ে ৭ জুন, ৭ মার্চ পালন করতে দেয়নি।’
আরও পড়ুন: পলাতক তারেক বিদেশে বিলাসী জীবনযাপন করছে: বেনজীর প্রসঙ্গে মন্তব্য নিয়ে ফখরুলকে কাদের
তিনি আরও বলেন, ৭৫ এর পর ৭ জুন, ৭ মার্চ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। যারা নিষিদ্ধ করে দেয় তারা বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে জড়িত। তারা দেশের স্বাধীনতা মানে না।
তিনি বলেন, ছয় দফা হচ্ছে স্বাধীনতা আন্দোলনের মাইলফলক। ছয় দফার ভিত্তিতে ১১ দফা আন্দোলনের সূত্রপাত।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড.আব্দুর রাজ্জাক, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ ও আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।
আরও পড়ুন: বিএনপি দুর্নীতি ও লুটপাটের ওস্তাদ: ওবায়দুল কাদের
৭২৭ দিন আগে
বিএনপিসহ কিছু গোষ্ঠী ভালো কিছু দেখে না, অথচ ১৫ বছরে বাজেট বাস্তবায়ন হার ৯২-৯৭%: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপিসহ কিছু গোষ্ঠী ভালো কিছু দেখে না। অথচ ১৫ বছরে বাজেট বাস্তবায়নের হার ৯২ থেকে ৯৭ শতাংশ।
তিনি বলেন, ‘আজকে (বৃহস্পতিবার) সংসদে প্রায় ৮ লাখ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ হয়েছে। প্রতিবার বাজেট পেশ করার পর আপনারা দেখবেন বিএনপির পক্ষ থেকে একটা সংবাদ সম্মেলন করা হয়, বলা হয় এই বাজেট গণবিরোধী, গরীব মারার বাজেট, এই বাজেটে কোনো উপকার হবে না। বিএনপিসহ কিছু গোষ্ঠী আছে তারা চোখে ভালো কিছু দেখেননা। প্রকৃতপক্ষে গত ১৫ বছরে প্রতিটা বাজেট বাস্তবায়নের হার হচ্ছে ৯২ থেকে ৯৭ শতাংশ।’
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) রাত ৯টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ৬২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: দুর্নীতি-সন্ত্রাসের প্রতীক তারেক রহমানই বিএনপির দুঃশাসনের মুখ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মন্ত্রী বলেন, আবার যারা নিজেদের জ্ঞানী বলে মনে করেন, তারা কোনো কিছুতে ভুল না ধরলে উনি যে জ্ঞানী এটা তো বোঝানো যায় না। সেজন্য সবকিছুতে ভুল ধরা উনাদের অভ্যাস। সেজন্যই তারা বলেন, এই বাজেট বাস্তবায়নরেযাগ্য নয়। সবকিছুতে না বলার যে অপসংস্কৃতি এটি দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির জন্য বাধা।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গত ১৫বছরে প্রতিটা বাজেট বাস্তবায়নের হার হচ্ছে ৯২ থেকে ৯৭ শতাংশ। বাজেটের আকার গত ১৫ বছরে সাড়ে ১১ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মাথাপিছু আয় সাড়ে ৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জিডিপির আকার প্রায় ৬ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে দারিদ্রসীমার নিচে থাকা জনগোষ্ঠী ছিল ৪১ শতাংশ। সেখান থেকে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশে নেমেছে। অতিদারিদ্রতা ২২শতাংশ ছিল, সেখান থেকে সাড়ে ৫ শতাংশে নেমেছে।
আরও পড়ুন: জিয়াউর রহমানই গণতন্ত্র হত্যাকারী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মন্ত্রী বলেন, ‘বাজেট যদি গরীবের উপকারে না আসত, তাহলে দরিদ্রতা ও অতিদরিদ্রতা কমত না। মানুষের আয় সাড়ে ৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ডলারের অংকে, টাকার অংকে আরও বেশি। এটি সম্ভবপর হয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী ও তার নেতৃত্বাধীন সরকারের বাস্তবসম্মত বাজেট প্রণয়ন এবং সেই বাজেট বাস্তবায়নের কারণে।’
সাংবাদিকরা সমাজের অগ্রসর অংশ, সমাজকে পথ দেখায়, সমাজের অনুম্মোচিত বিষয়গুলো উম্মোচিত করে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকরা সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরবেন, সেটিকে আমরা স্বাগত জানাই। কাজকে পরিশুদ্ধ করার ক্ষেত্রে সেটি সহায়ক হয়। তবে অনেকসময় দেখা যায় কিছু কিছু প্রতিবেদন এমনভাবে হয় সেগুলো দেশের জন্য ক্ষতিকারক।
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি সালাউদ্দিন মো. রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, সিডিএ’র চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ, জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, মহানগর পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়া কেন জিয়া হত্যার বিচার করেননি: প্রশ্ন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
৭২৮ দিন আগে
লুটপাটের নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এই বাজেট: ফখরুল
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে দেশবিরোধী আখ্যা দিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জনগণের অর্থ আত্মসাৎ করতে ক্ষমতাসীন দল সমর্থিত লুটেরাদের নতুন পরিকল্পনা এটি।
তিনি বলেন, ‘সরকার লুটেরা হয়ে গেছে। লুণ্ঠনকে আরও প্রশ্রয় দেওয়ার লক্ষ্যে লুটেরাদের এই বাজেট। আমি বিশ্বাস করি, বাজেটে (জনগণের অর্থ) আত্মসাতের জন্য নতুন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও গণমুখী: কাদের
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে বাজেট নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ফখরুল আরও বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটের সবচেয়ে খারাপ দিক হচ্ছে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকে কোনো দিকনির্দেশনা না থাকা।
তিনি বলেন, ‘পুরো বাজেটটিই মনে হয় মেগা প্রকল্প, মেগা চুরি, দুর্নীতির জন্য তৈরি করা হয়েছে। তাই এই বাজেটকে আমি শুধু তথাকথিত গণবিরোধীই বলছি না, বাংলাদেশবিরোধীও বলছি।’
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা ৪ মিনিটে জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
বাজেট নিয়ে দলের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ফখরুল বলেন, প্রস্তাবিত ব্যয় রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি।
তিনি সতর্ক করে বলেন, এই ভারসাম্যহীনতা কেবল জনদুর্ভোগকেই তীব্রতর করবে এবং তাদের বোঝা বাড়িয়ে তুলবে।
সরকার ব্যয় মেটাতে জনগণের পকেট কাটবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা।
মির্জা ফখরুল বলেন, ব্যয় ও রাজস্ব আয়ের মধ্যে ব্যবধান দূর করতে বিদেশের পাশাপাশি স্থানীয় ব্যাংক থেকেও ঋণ বা অনুদান নেবে সরকার।
তিনি আরও বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত এর ফল ভোগ করতে হবে জনগণকেই। তারা এরই মধ্যে বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্য, জ্বালানি ও সেবাখাতের অসহনীয় মূল্যবৃদ্ধির বোঝা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের মানুষকে অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে ফেলে অদূর ভবিষ্যতে সেবাখাতের দাম আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। জীবিকা নির্বাহের জন্য লড়াই করতে গিয়ে অনেক মানুষ শহর ছেড়ে গ্রামাঞ্চলে ফিরে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বাড়ানোর বিকল্প নেই: অর্থমন্ত্রী
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেড়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বরাদ্দ
৭২৮ দিন আগে