রাজনীতি
পলাতক তারেক বিদেশে বিলাসী জীবনযাপন করছে: বেনজীর প্রসঙ্গে মন্তব্য নিয়ে ফখরুলকে কাদের
সরকারের সহায়তায় বেনজীর আহমেদ বিদেশে পালিয়েছে- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সরকারের কারা গিয়ে তাকে বিমানে তুলে দিয়েছে? কোন কর্তৃপক্ষ গিয়ে তাকে তুলে দিয়েছে? অন্ধকারে ঢিল ছুড়বেন না।’
এদেশ থেকে টাকা পাচারের সংস্কৃতি ও অর্থনীতি বিএনপির আমল থেকে শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় এলে বিএনপি নেতারা অবৈধভাবে টাকা উপার্জনের মহোৎসবে মেতে ওঠে। এটা দেশে ও বিদেশে প্রতিষ্ঠিত সত্য।’
‘২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে বিএনপির দণ্ডিত পলাতক নেতা তারেক রহমান বিদেশে বিলাসী জীবনযাপন করছে।’
রবিবার (২ জুন) দুপুরে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ওবায়দুল কাদের।
আরও পড়ুন: বিএনপি দুর্নীতি ও লুটপাটের ওস্তাদ: ওবায়দুল কাদের
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এ সময় তিনি বলেন, ‘দুর্নীতিতে অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদ বিদেশে থাকলেও বিচার চলবে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে দেশে ফিরতেই হবে। সরকার কোনো ছাড় দেবে না।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বেনজীর আহমেদের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করছে। তদন্ত, মামলা, গ্রেপ্তার- সবকিছু একটা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। সরকার এখানে দুদককে এড়িয়ে আগ বাড়িয়ে কেন ব্যবস্থা নেবে? সরকারের দুর্নীতিবিরোধী যেসব সংস্থা আছে তাদের কোনো ব্যর্থতা থাকলে তার বিচার হবে।’
এ সময় বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এদেশে ৭৫ পরবর্তীকালে কোনো শাসক ও সরকার দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সৎ সাহস দেখাতে পারেনি। শেখ হাসিনার সরকার সেটি দেখিয়েছে। ব্যক্তি দুর্নীতি করতে পারে। তবে দুর্নীতি করার পর সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কী- সেটা দেখতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দুর্নীতি কোনো দেশে হয় না- এই দাবি কেউ করতে পারে না। আমাদের দেশের যিনি প্রধানমন্ত্রী, সরকারপ্রধান তিনি কোনো ধরনের দুর্নীতি করেন বা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেন- এমন অভিযোগ তার বিরুদ্ধে দেশে-বিদেশে কেউ দিতে পারেনি। শেখ হাসিনা আপাদমস্তক সৎ রাজনীতিক- এটা বিশ্বে স্বীকৃত। তার জনপ্রিয়তার মূলে তিনি অত্যন্ত পরিশ্রমী ও সৎ জীবনযাপন করেন।’
আরও পড়ুন: আজিজ-বেনজীরকে নিয়ে বিব্রত নয় সরকার: ওবায়দুল কাদের
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির নেতা তারেক রহমানই দণ্ডিত পলাতক, চিহ্নিত অপরাধী। এমন লোক যে দলের নেতৃত্ব দেয়, সেই দল জনগণের কল্যাণে কাজ করতে পারে না। জনগণের বিশ্বাসও রাখতে পারে না।’
‘তারা দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। দুর্নীতিবাজদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতেই বিএনপি নিজেদের গঠনতন্ত্র থেকে ৭ ধারা বাদ দিয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন- আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, উপ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট সায়েম খানসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।
৭৩২ দিন আগে
বেনজির কীভাবে সিঙ্গাপুরে গেলেন- প্রশ্ন ফখরুলের
বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থাকার পরও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যর কীভাবে দেশ ছাড়লেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, এই ঘটনা ‘অন্যায়কারীদের ছাড় দেওয়া হবে না’ ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের এমন বক্তব্যকে নিছক লোকদেখানো ও প্রতারণা বলে প্রমাণ করে।
শনিবার (১ জুন) এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফখরুল বলেন, 'আমি একটি গণমাধ্যমে দেখলাম, বেনজীর (সাবেক আইজিপি) ও তার পরিবার ৪ মে দেশ ছেড়ে সিঙ্গাপুরে গেছেন। যাওয়ার আগে তিনি তার সব ব্যাংক হিসাব খালি করে প্রায় ৬০ কোটি টাকা উত্তোলন করেন। টাকার পরিমাণ আরও বেশি কিনা জানি না।’
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, 'আমার প্রশ্ন, তিনি কীভাবে দেশ ছাড়লেন? সুতরাং তার সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করার জন্য আদালতের আদেশ এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলা দায়েরের পদক্ষেপের তাৎপর্য কী? যখন তাকে বলা হলো তাকে কোথাও যেতে দেওয়া হবে না, তখন তিনি কীভাবে সরকারের নাকের ডগার উপর দিয়ে সিঙ্গাপুর গেলেন?’
তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের নেতারাও মন্তব্য করেছেন, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, 'তারা (সরকার) কি মনে করেন সব মানুষই বোকা? বাংলাদেশের মানুষ অবিবেচক নয়, কারণ তারা বোঝে এগুলো আপনাদের লোকদেখানো ও প্রতারণা। আপনারা ছলচাতুরির আশ্রয় নিয়ে দেশ শাসন করছেন।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে আবারও তলাবিহীন ঝুড়ি বানিয়েছে আ. লীগ: মির্জা আব্বাস
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
ফখরুল বলেন, সরকার শুধু বেনজীর ও আজিজ আহমেদকে (সাবেক সেনাপ্রধান) লালন-পালনই করেনি, বরং অসংখ্য দুর্নীতিবাজকে প্রশ্রয় দিয়েছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে লুটপাটের নিরাপদ স্বর্গে পরিণত করেছে।
বিএনপি নেতা বলেন, ‘ আমাদের অবশ্যই এদের থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের জনগণের সংগ্রাম ও লড়াইয়ের মাধ্যমে সর্বত্র ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাওয়া এই দানবকে আমরা পরাজিত করব, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করব এবং সত্যিকারের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করব।’
ফখরুল বলেন, বিএনপি অনেকগুলো বিরোধী দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন চালিয়ে আসছে।
সংগ্রামে বিজয় ও সফলতা অর্জন করতে হবে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত লক্ষ্য থেকে বিএনপি কখনো পিছপা হবে না।
ফখরুল বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য অবিচল থাকবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কৌশলগুলো পরিবর্তিত হতে পারে। আমরা আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। আমরা তাদের সবাইকে সংগঠিত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছি। আমরা বিশ্বাস করি, আমরা ব্যর্থ হইনি। আমরা আবার কাজ শুরু করেছি। ইনশাল্লাহ, বিজয় আমাদের হবে, আমরা সত্য ও ন্যায়ের পথে লড়াই করছি।’
আরও পড়ুন: জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ বিএনপির
৭৩৩ দিন আগে
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ বিএনপির
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপি বলেছে, সরকার দেশের মানুষকে কষ্ট দিতেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা সরকার জনগণের বেঁচে থাকার জন্য কোনো অবকাশ রাখেনি। পানি, ডিজেল, গ্যাস, পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়ানো হয়েছে। জনগণের দুর্ভোগ বাড়াতে সরকার জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে’
শুক্রবার (৩১ মে) ওয়াসার পানির মূল্য ১০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ নাগরিক অধিকার আন্দোলন আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
আরেকটি প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ সরকারের জন্য একটি পাইলট প্রকল্প। তারা মনে করে, জনগণের রক্ত চুষে নিয়ে তারা এই প্রকল্পকে বিশ্বের সব স্বৈরশাসকের জন্য উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারবে।’
পানি, জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি সার্ভিসের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব।
বগুড়ায় পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি এবং তারেক রহমানের ম্যুরাল ধ্বংসের প্রতিবাদে বাংলাদেশ নাগরিক অধিকার আন্দোলন এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
আরও পড়ুন: জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপির শ্রদ্ধা
রিজভী বলেন, পানির অপর নাম জীবন। অথচ সরকার মানুষকে পানি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করছে।
ঢাকা ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খানের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, তিনি এতটাই ক্ষমতাশালী যে বিদেশে বসে অফিস পরিচালনা করেন।
তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির নানা অভিযোগ থাকার পরও বারবার তার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে, এটাই প্রমাণিত হয় কেন সরকার প্রধান এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দেন। তারা সরকারের উদ্দেশ্য সাধন করে এবং তাদের অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করে। এজন্য তারা পানির দাম বাড়িয়েছে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের দমন ও নিপীড়নের জন্য সরকার বেনজীর আহমেদকে পুলিশের মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতি দিয়েছিল।
সরকার বেনজীর ও সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের অপকর্মকে উপেক্ষা করেছিল। কারণ তারা সরকারকে অবৈধভাবে ক্ষমতায় রাখার জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন।
এই সরকার সিন্ডিকেট ও মাফিয়াবান্ধব উল্লেখ করে রিজভী বলেন, তাদের অপকর্মের দায় তাদেরকেই (সরকার) নিতে হবে।
তিনি বলেন,‘একদিন তাদের সবার বিচার হবে জনগণের আদালতে। জনগণ তাদের অপকর্মের বিচার করবে।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে আবারও তলাবিহীন ঝুড়ি বানিয়েছে আ. লীগ: মির্জা আব্বাস
৭৩৪ দিন আগে
বাংলাদেশকে আবারও তলাবিহীন ঝুড়ি বানিয়েছে আ. লীগ: মির্জা আব্বাস
আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাট করে দেশকে আবারও তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
তিনি বলেন, 'জিয়াউর রহমানের নাম শুনলে অনেকে আঁতকে ওঠেন, কারণ তিনি যা করেছেন, তা তাদের (আওয়ামী লীগ) করার কথা ছিল।’
গণ দোয়া অনুষ্ঠানে বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার মাত্র সাড়ে তিন বছরের সংক্ষিপ্ত শাসনামলে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির অবস্থা থেকে উদ্ধার করেছিলেন।
তিনি বলেন, ‘এই সরকার সেই বাংলাদেশকে আবারও তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে।’
শুক্রবার (৩১ মে) বিকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই কর্মসূচির আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি।
ঢাকা দক্ষিণ সিটির বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মোনাজাতে অংশ নেন।
তারা জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য কামনা করে মোনাজাত করেন।
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের আকাশছোঁয়া দাম সামাল দিতে দেশের মানুষ যখন চরম সংকটে, তখন জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
আরও পড়ুন: দেশ এখন মাফিয়া-লুটেরাদের কবলে: ফখরুল
তিনি বলেন, ‘পত্রিকায় দেখলাম জ্বালানির দাম লিটারে আড়াই টাকা বাড়ানো হয়েছে। সব পণ্যের ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধির কারণে মানুষ যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখন এই দাম বাড়ানো হলো।’
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রব্যমূল্য আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়লে মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে।’
তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনরা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে দেশের জনগণকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। ‘আমরা শুনতাম যে বর্গিরা দেশে আসত এবং লুট করা জিনিসপত্র ও সম্পত্তি নিয়ে পালিয়ে যেত। এখন নতুন বর্গিরা (আওয়ামী লীগ) ক্ষমতায়। তারা লুটপাট করে দেশ ছাড়ে না, সম্পদ ও অর্থ দেশের বাইরে পাচার করে।’
আরও পড়ুন: জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপির শ্রদ্ধা
৭৩৪ দিন আগে
বিএনপি দুর্নীতি ও লুটপাটের ওস্তাদ: ওবায়দুল কাদের
বিএনপিকে দুর্নীতি ও লুটপাটের ওস্তাদ আখ্যায়িত করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতাদের নাম দুর্নীতিবাজদের তালিকায় শীর্ষে থাকবে।
শুক্রবার (৩১ মে) বিকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কোনো দেশেই নিখুঁত গণতন্ত্র নেই। আমরাও দাবি করি না যে আমাদের গণতন্ত্র নিখুঁত। তবে আমরা চেষ্টা করছি নিখুঁত করতে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে আন্তরিক।’
তিনি বলেন, যে বিএনপি এখন বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা বলে, তারা নিজেরাই ‘কারফিউ গণতন্ত্রের’ চর্চা করেছে এবং ১১৪ শতাংশ 'হ্যাঁ' ভোট এবং ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার নিয়ে একটি জালিয়াতি গণভোটের আয়োজন করেছিল।
আরও পড়ুন: এমপির মৃত্যু নিয়ে ফখরুলের বক্তব্য সমর্থনযোগ্য নয়: কাদের
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে এবং নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে।
দুর্নীতি করা সত্ত্বেও বিএনপি নেতারা তারেক রহমান ও খালেদা জিয়াকে জনপ্রিয় নেতা বলে দাবি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, 'বিএনপি আমলে হাওয়া ভবন ছিল দুর্নীতি ও লুটপাটের আঁতুড়ঘর। এখন তারা দুর্নীতি নিয়ে কথা বলার সাহস পায়। তারা কি কখনো দলের কোনো কর্মী বা সরকারি কর্মকর্তাকে দুর্নীতির জন্য শাস্তি দিয়েছে?’
আওয়ামী লীগ সরকার দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রক্রিয়া চলছে, তদন্ত চলছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বেনজীরের বিদেশ যাত্রার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু তিনি জানেন না।
এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: অপরাধীদের বিষয়ে সরকারের নীতি জিরো টলারেন্স: ওবায়দুল কাদের
৭৩৪ দিন আগে
সিলেটে বন্যাকবলিতদের মাঝে খাবার বিতরণ করেছে ওসমানী মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগ
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগ।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম জানান, উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নে বন্যার্তদের জন্য আমরা চিড়া ও মুড়ি, রান্না করা খাবার ও মিঠা পানিসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য বিতরণ করেছি।
বিবৃতিতে তিনি দেশের সেবা, এই দুর্যোগ মোকাবিলা, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং তার (প্রধানমন্ত্রী) নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দোয়া কামনা করেছেন।
আরও পড়ুন: সিলেটে বন্যায় ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ডুবে গেছে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক
৭৩৫ দিন আগে
জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপির শ্রদ্ধা
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিএনপি।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তারা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাতেও অংশ নেন।
এ সময় বিএনপির বিভিন্ন শাখা ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ১৫ দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিএনপি ও এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, সেমিনার, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, কালো ব্যাজ ধারণ, সংবাদপত্রে ক্রোড়পত্র প্রকাশ, দুস্থদের মাঝে খাদ্য ও ত্রাণ বিতরণ।
মঙ্গলবার (২৮ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীর কর্মসূচি শুরু হয়।
বুধবার (২৯ মে) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জিয়াউর রহমানের স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন করে দলটি।
আরও পড়ুন: আজিজ-বেনজীরের অপকর্মের দায় সরকারকে নিতে হবে: ফখরুল
১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা করেন জিয়াউর রহমান। পরে ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে একদল বিক্ষুব্ধ সেনা কর্মকর্তার হাতে নিহত হন তিনি।
দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন এবং দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।
আগামী ৩১ মে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করবে দলটি।
এর আগে বুধবার দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বাণীতে জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তিনি মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির জন্য বিএনপির প্রতিষ্ঠাতার অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করেন।
ফখরুল বলেন, ‘এই মহান উদার গণতান্ত্রিক নেতা জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তা দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই মেনে নিতে পারেনি। এই ষড়যন্ত্রকারীরা ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। এই মর্মান্তিক ঘটনার মধ্য দিয়ে জাতি একজন মহান দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী নেতাকে হারিয়েছে।’
আরও পড়ুন: দেশ এখন মাফিয়া-লুটেরাদের কবলে: ফখরুল
৭৩৫ দিন আগে
দেশ এখন মাফিয়া-লুটেরাদের কবলে: ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, বাংলাদেশ এখন পুরোপুরি মাফিয়া ও লুণ্ঠনকারীদের কবলে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন সম্পূর্ণভাবে অপরাধী, লুণ্ঠনকারী ও মাফিয়াদের নিয়ন্ত্রণে। একদিকে তারা (সরকার) মানুষের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে, অন্যদিকে অর্থনীতিকে ধ্বংস করছে।’
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) শহীদ জিয়াউর রহমানের কবর প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সম্পদ নষ্ট করে বাংলাদেশকে করে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা।
ফখরুল বলেন, তাদের দল ও অন্যান্য বিরোধী দল বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। ‘ইনশাল্লাহ এই সংগ্রামে আমরা বিজয়ী হব।’
এর আগে মির্জা ফখরুল বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।
আরও পড়ুন: জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী বৃহস্পতিবার
পরে নেতাকর্মীরা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে যখন গণতন্ত্র সম্পূর্ণরূপে নির্বাসিত, তখন তারা তাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা ও মহান নেতা জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নানা কৌশল অবলম্বন করে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে এবং একদলীয় শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ভিন্ন কায়দায় ক্ষমতা দখল করেছে।
ফখরুল বলেন, ‘তাই তার (জিয়া) শাহাদাতবার্ষিকীতে আমরা শপথ নিয়েছি যে, দেশের অধিকার, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এখন যে আন্দোলন চলছে তা আমরা তরুণ, বৃদ্ধ ও নারীদের সঙ্গে নিয়ে আরও বেগবান করব। এই আন্দোলনের মাধ্যমে এই ভয়ংকর দানবীয় সরকারকে পরাজিত করে আমরা জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করব।’
১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করা জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার হাতে নিহত হন।
দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো আলোচনা সভা, সেমিনার, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, কালো ব্যাজ ধারণ, সংবাদপত্রের ক্রোড়পত্র প্রকাশ, দুস্থদের মাঝে খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
এ উপলক্ষে সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের কার্যালয়সহ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।
আরও পড়ুন: আজিজ-বেনজীরের অপকর্মের দায় সরকারকে নিতে হবে: ফখরুল
৭৩৫ দিন আগে
আজিজ-বেনজীরের অপকর্মের দায় সরকারকে নিতে হবে: ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ও সাবেক আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদের কথিত দুর্নীতি ও অপকর্মের জন্য সরকার দায়ী।
এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, সরকার দেশকে এমন ভয়াবহ অবস্থায় নিয়ে গেছে যে, গণমাধ্যমে একজন সাবেক পুলিশ প্রধানের দুর্নীতির অসংখ্য চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে।
ফখরুল বলেন, 'আপনি (প্রধানমন্ত্রী) তাকে (বেনজির) লালন-পালন করেছেন। 'অনেক আগে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার পরও আপনারা তাকে আইজিপি বানিয়েছেন।’
আরও পড়ুন: লুটপাটের মাধ্যমে ব্যাংক ধ্বংস করছেন আ. লীগ নেতারা: বিএনপি নেতা নজরুল
ফখরুল আরও বলেন, বাংলাদেশে লুটপাট, চুরি ও নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগে একজন সাবেক সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন,এটা কি শুধু তাদের (আজিজ ও বেনজির) দায়? এ দায় জোর করে ক্ষমতায় থাকা এই সরকারের।
সাবেক সেনাপ্রধান ও আইজিপির অপকর্মের দায় নিয়ে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব।
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু একজন আজিজ আর একজন বেনজির নয়। আপনারা আজিজ, বেনজিরের মতো অসংখ্য মানুষকে লালন-পালন করেছেন, যারা জনগণের অর্থ লুটপাট করছে।’
ফখরুল আরও অভিযোগ করে বলেন, ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী ও অনুসারীরা কুখ্যাত বর্গিদের (সপ্তদশ শতাব্দীতে বাংলা অঞ্চলে ব্যাপক লুটপাটে লিপ্ত মারাঠা সাম্রাজ্যের ঘোড়সওয়ার) মতো জনগণের অর্থ লুটপাট করছে। তাদের একমাত্র কাজ বাংলাদেশের সম্পদ লুণ্ঠন এবং বিদেশে অর্থ পাচারের মাধ্যমে বিদেশে সম্পদ গড়ে তোলা।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে দলটি। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্য দলটি ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে জনগণ বিরক্ত: ফখরুল
মির্জা ফখরুল বলেন, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু করার দাবিতে বিএনপিসহ ৬৩টি বিরোধী দল দীর্ঘদিন ধরে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করছে।
তিনি বলেন, সরকার নিরপেক্ষ প্রশাসনের অধীনে নির্বাচন করতে অনিচ্ছুক, কারণ তারা খুব ভালো করেই জানে যে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনে তারা ১০ শতাংশ আসনও পাবে না।
এমন পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলন বেগবান করতে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জেগে ওঠার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।
আন্দোলনে বিএনপি নেতাকর্মীদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, এটা বৃথা যাবে না।
স্মরণসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, জিয়াউর রহমান স্বৈরশাসন বাতিল করে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ নেতারা এখন জিয়াউর রহমান ও তার বিধবা স্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে কটূক্তি করছেন।
আব্বাস বলেন, অনেকেই ভেবেছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াকে হত্যার মধ্য দিয়ে তারা ধ্বংস হয়ে যাবে। এ‘ই দলকে কেউ ধ্বংস করতে পারবে না। এ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য বিএনপিকে হাজার বছর টিকে থাকতে হবে।’
আরও পড়ুন: জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী বৃহস্পতিবার
৭৩৬ দিন আগে
তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট গ্রহণ হয়েছে: কাদের
তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ভোটাররা অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট দিতে পেরেছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বুধবার (২৯ মে) বিকালে নির্বাচনোত্তর এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, 'আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি যে প্রায় ৩৫ শতাংশ ভোট পড়েছে তবে চূড়ান্ত সংখ্যা আগামীকাল জানা যাবে।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দুটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।’
এ সময় শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান ওবায়দুল কাদের।
আরও পড়ুন: বিএনপির সমাবেশ মানেই অগ্নিসংযোগ-ধ্বংসযজ্ঞ-রক্তপাত: ওবায়দুল কাদের
ভোটার উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ভোটার উপস্থিতি কম হবে ভেবেছিলেন তারা।
কাদের আরও বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে অনেক জায়গায় রাস্তা ভেঙে গেছে। এমন অবস্থায় ৩৫ শতাংশ বা তার বেশি ভোটার উপস্থিতি মোটামুটি সন্তোষজনক।’
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমদকে আওয়ামী লীগের সৃষ্টি- বিএনপির এমন দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “আশরাফুল হুদা, রাকিবুল হুদা, কোহিনূর- এগুলো কে সৃষ্টি করেছেন? দুর্নীতির পাওয়ার হাউজ 'হাওয়া ভবন' কে তৈরি করেছিলেন? বিএনপি কি তাদের বিচারের আওতায় এনেছে? শেখ হাসিনার সেই সাহস আছে। এজন্য তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন।”
আরও পড়ুন: আজিজ-বেনজীরকে নিয়ে বিব্রত নয় সরকার: ওবায়দুল কাদের
সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন- আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান।
৭৩৬ দিন আগে