রাজনীতি
জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী বৃহস্পতিবার
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী বৃহস্পতিবার (৩০ মে)।
মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ১৫ দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিএনপি ও এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, সেমিনার, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, কালো ব্যাজ ধারণ, সংবাদপত্রে ক্রোড়পত্র প্রকাশ, দুস্থদের মাঝে খাদ্য ও ত্রাণ বিতরণ।
মঙ্গলবার (২৮ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীর কর্মসূচি শুরু হয়।
বুধবার (২৯ মে) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জিয়াউর রহমানের স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন করে দলটি।
১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা করেন জিয়াউর রহমান। পরে ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে একদল বিক্ষুব্ধ সেনা কর্মকর্তার হাতে নিহত হন তিনি।
দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন এবং দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
এছাড়া ওইদিন সকাল ১০টায় দলের নেতাকর্মীরা শেরেবাংলা নগরে জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে জনগণ বিরক্ত: ফখরুল
এছাড়া দলের নেতাকর্মীরা জিয়ার কবর জিয়ারত, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বিএনপি প্রতিষ্ঠাতার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করবেন।
আগামী ৩১ মে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করবে দলটি।
বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলো জিয়ার কর্মকাণ্ড নিয়ে সেমিনার, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করবে।
দলের সব মহানগর, জেলা, উপজেলা ও পৌর শাখা নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করবে।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির নেতারা বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ করবেন।
এদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বাণীতে জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তিনি মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির জন্য বিএনপির প্রতিষ্ঠাতার অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করেন।
ফখরুল বলেন, ‘এই মহান উদার গণতান্ত্রিক নেতা জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তা দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই মেনে নিতে পারেনি। এই ষড়যন্ত্রকারীরা ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। এই মর্মান্তিক ঘটনার মধ্য দিয়ে জাতি একজন মহান দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী নেতাকে হারিয়েছে।’
আরও পড়ুন: লুটপাটের মাধ্যমে ব্যাংক ধ্বংস করছেন আ. লীগ নেতারা: বিএনপি নেতা নজরুল
৭৩৬ দিন আগে
তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচন: ৮৭ উপজেলায় ভোট গ্রহণ চলছে
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ৮৭টি উপজেলায় আজ ভোট গ্রহণ চলছে।
সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোট গ্রহণ চলবে।
ইউএনবির কুমিল্লা প্রতিনিধি জানান, আজ সকাল থেকে জেলার মুরাদনগর, দেবিদ্বার, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে।
সকালে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকলেও সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তাদের উপস্থিতি বাড়বে, প্রত্যাশিত প্রার্থী ও অন্যান্যদের।
বেলা ১১টা পর্যন্ত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ৩০০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
৮৭টি উপজেলা পরিষদের ২৬১টি পদের বিপরীতে ১ হাজার ১৯৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ৩৯৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, ৪৫৬ জন ভাইস চেয়ারম্যান ও ২৯৯ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৭ জেলার ১৬টি উপজেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হচ্ছে, বাকি উপজেলায় প্রচলিত ব্যালট পেপার ব্যবহার করা হচ্ছে।
সমতল জেলার প্রতিটি ভোটকেন্দ্র পাহারায় ১৭-১৯ সদস্যের একটি নিরাপত্তা দল এবং ১৯-২১ সদস্যের একটি নিরাপত্তা দল পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অতি দুর্গম এলাকার একটি ভোটকেন্দ্র পাহারা দিচ্ছেন।
৮ মে প্রথম ধাপে ৫৯ জেলার ১৩৯টি উপজেলা পরিষদে এবং ২১ মে দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬টি উপজেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হয়।
৫ জুন দেশের অর্ধশতাধিক উপজেলায় চতুর্থ ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমাল: ১৯ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন স্থগিত
৭৩৬ দিন আগে
খালেদাকে উপহার হিসেবে ফল পাঠিয়েছে জামায়াত
সোমবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উপহার হিসেবে আম, লিচুসহ মৌসুমি ফল পাঠিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
খালেদা জিয়ার মিডিয়া উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার জানান, রাত ৯টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষে ফলগুলো পৌঁছে দেন তার প্রতিনিধি গোলাম মাওলা।
বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার ফলগুলো গ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন: লুটপাটের মাধ্যমে ব্যাংক ধ্বংস করছেন আ. লীগ নেতারা: বিএনপি নেতা নজরুল
৭৩৮ দিন আগে
লুটপাটের মাধ্যমে ব্যাংক ধ্বংস করছেন আ. লীগ নেতারা: বিএনপি নেতা নজরুল
ক্ষমতাসীন দলের নেতারা ব্যাপক লুটপাটের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে ধ্বংস করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র নেতা নজরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, ‘ব্যাংকগুলো লুট করা হচ্ছে। ব্যাংকগুলোকে লাল, সবুজ ও হলুদ (আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে) শ্রেণিকরণ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। লাল মানে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। মালিকরা এসব ব্যাংক লুট করেছে। তারা যাকে খুশি তাকে ঋণ দিয়ে ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়া হওয়ার দিকে ঠেলে দিয়েছে।’
সোমবার (২৭ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এসব লুটেরা মালিকদের রক্ষায় ধ্বংসের দ্বাপ্রান্তে থাকা ব্যাংকগুলোকে সরকারি বা লাভজনক ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা।
অর্থনৈতিক অবস্থা অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অর্থের মূল্য প্রতিনিয়ত কমছে। ‘কিছুদিন আগে এক ডলারের বিপরীতে বিনিময় দর কমেছে সাত টাকা। বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের টাকা এত বড় অবমূল্যায়ন কখনো ঘটেনি। বর্তমানে এক ডলার কিনতে লাগে প্রায় ১২৫ টাকা।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, দেশের ঋণের পরিমাণ একশ’ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় সরকার জাতির বোঝা ভারী করে তুলছে। ‘এটা আমাদের সবার ঋণ। কিন্তু আমরা তা উপভোগ করছি না। হাতে গোনা কয়েকজন মানুষ এটি ব্যবহার করে মিলিয়নিয়ার এমনকি বিলিয়নিয়ারাও হয়েছেন।’
ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাকসহ গ্রেপ্তার বিএনপি নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের উপকূলীয় অঞ্চল যখন ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে, তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের জীবন ও সম্পদ রক্ষার দিকে মনোনিবেশ না করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে লন্ডন থেকে ফিরিয়ে আনার কথা বলছেন।
আরও পড়ুন: আজিজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার জন্য দায়ী সরকার, সেনাবাহিনীর সুনাম কলঙ্কিত: ফখরুল
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা সবাই জানি, দ্রব্যমূল্যের অব্যাহত ঊর্ধ্বগতির কারণে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিরূপ প্রভাব থেকে জনগণকে রক্ষা করা তাদের(সরকারের) প্রধান কাজ নয়। কারণ সরকার সমর্থিত সিন্ডিকেট ও দুর্নীতিবাজরা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে, মানুষের পকেট কাটছে। এটা তাদের জন্য কোনো সমস্যা নয়।’
তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটের প্রয়োজন নেই বলে সরকার জনদুর্ভোগ এবং জনঅসন্তোষ নিয়ে ন্যূনতমও উদ্বিগ্ন নয়।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ক্ষুব্ধ, কারণ তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১০ শতাংশ মানুষও ভোট দিতে ভোটকেন্দ্রে যাননি।
তিনি আরও বলেন, 'কেন ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাস, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মুদ্রার অবমূল্যায়ন, ব্যাংক লুটপাট, ক্রমবর্ধমান জাতীয় ঋণ, দুর্নীতি, অরাজকতা এবং সাবেক সেনাপ্রধান ও সাবেক পুলিশ প্রধানের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তার সরকারের প্রধান উদ্বেগের বিষয় নয়। তাদের একমাত্র কাজ হলো তারেক রহমানকে ফিরিয়ে এনে শাস্তি দেওয়া।’
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে জনগণ বিরক্ত: ফখরুল
৭৩৮ দিন আগে
ঘূর্ণিঝড় রিমাল: ১৯ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন স্থগিত
ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে ক্ষয়ক্ষতির কারণে আগামী ২৯ মে অনুষ্ঠেয় ১০৯টি উপজেলা পরিষদের মধ্যে ১৯টির নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (২৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব জাহাংগীর আলম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আগামী ২৯ মে অনুষ্ঠিতব্য ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ১০৯টি উপজেলা পরিষদে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন ও মাঠ প্রশাসন।
আরও পড়ুন: ভোটার উপস্থিতির যে কোনো সংখ্যাই গ্রহণযোগ্য: নির্বাচন কমিশনার আলমগীর
তবে নির্বাচনি এলাকায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের ভয়াবহ আঘাতের কারণে কমিশন ১৯টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করেছে। এখন পর্যন্ত মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান ইসি সচিব বলেন।
আগামী ২৯ মে যে ১৯টি উপজেলায় নির্বাচন হবে না, এর মধ্যে উপকূলীয় জেলার ১৮টি এবং রাঙামাটির একটি উপজেলা রয়েছে।
উপজেলাগুলো হলো- বাগেরহাটের শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ ও মোংলা উপজেলা, খুলনার কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া, বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া, পটুয়াখালীর সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া, ভোলার তজুমদ্দিন ও লালমোহন; ঝালকাঠির রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া, বরগুনার বামনা ও পাথরঘাটা এবং রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি।
এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, অন্য উপজেলা থেকে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেলে অন্যান্য উপজেলা পরিষদের নির্বাচনও স্থগিত করা হতে পারে।
আগামী ২৯ মে তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে মোট ৯০টি উপজেলা পরিষদে ভোট গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন: নির্বাচনি ব্যবস্থা ধ্বংস হলে গণতন্ত্র থাকবে না: ইসি রাশিদা
৭৩৮ দিন আগে
নিরাপদ খাদ্যে বিশেষ নজরদারির আহ্বান সংসদীয় কমিটির
ভেজালমুক্ত খাদ্য বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করতে মনিটরিং বাড়ানোর সুপারিশ করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
রবিবার (২৬ মে) শাজাহান খানের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে পূর্বে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করে, আমদানি করা খাদ্যশস্যের গুণগত মান পরীক্ষা এবং খাদ্য অপচয় রোধে জনসচেতনতা বাড়ানো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় জানানো হয়, দেশের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন হওয়ায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কোনো চাল আমদানি করতে হয়নি। তবে ভবিষ্যতে আমদানি করা যেকোনো খাদ্যশস্যের গুণগত মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে কমিটি।
আরও পড়ুন: ট্রেন দুর্ঘটনা রোধে সেন্সর ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ রেলপথ সংসদীয় কমিটির
সভায় খাদ্য অপচয় নিরুৎসাহিত করতে খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।
এছাড়াও হোটেল, রেস্তোরাঁ, বিয়ে, পিকনিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে খাদ্যের অপচয় রোধে গণমাধ্যমকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালুর সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে ছিলেন- কমিটির সদস্য খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, মো. মকবুল হোসেন, মোস্তফা আলম, আবদুল কালাম, আহসানুল হক চৌধুরী, এসএম কামাল হোসেন এবং খান মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ আল মেহেদী, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: জরুরি ভিত্তিতে অবৈধ বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
৭৩৯ দিন আগে
অপরাধীদের বিষয়ে সরকারের নীতি জিরো টলারেন্স: ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অপরাধীদের বিষয়ে সরকারের নীতি জিরো টলারেন্স। অপরাধীরা যত প্রভাবশালীই হোক, শাস্তি তাকে পেতেই হবে।
শুক্রবার (২৪ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনয়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
কাদের আরও বলেন, ব্যক্তি যত প্রভাবশালী হোক অপরাধ অপকর্ম করতে পারে। এখানে প্রশ্ন থেকে যায়, সরকার এ ব্যাপারে তাদের অপরাধ-অপকর্মের জন্য শাস্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে সৎ সাহস দেখিয়েছে কিনা।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের সে সৎ সাহস আছে। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। বিচার বিভাগ স্বাধীন, দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদক স্বাধীন। সেখানে যদি কেউ অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত হয় আমরা কোন প্রটেকশন দিব? হোক সে সাবেক আইজিপি কিংবা সাবেক সেনাপ্রধান। অপরাধ করলে দেশের প্রচলিত আইনে শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বুয়েটে আবরার হত্যাকাণ্ডে যাদের দণ্ড দেওয়া হয়েছে তারা সবাই ছাত্রলীগ কর্মী। সরকার তাদের প্রটেকশন দিতে যায়নি। বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রেও সরকার কাউকে প্রটেকশন দেয়নি। ব্যক্তি অপরাধ করতে পারে। কিন্তু সরকার তাকে প্রটেকশন কেন দেবে?
আরও পড়ুন: সাংবাদিকদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশের প্রয়োজন নেই, সব তথ্য ওয়েবসাইটে আছে: ওবায়দুল কাদের
তিনি বলেন, আমরা অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই দেখি। সে যতই প্রভাবশালী হোক অপরাধ করলে শাস্তি তাকে পেতেই হবে।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দুঃশাসন ও জুলুম চালাচ্ছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুলের মানসিক ট্রমা মনে হয় ভয়ংকর পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। তিনি ও তার দলের নেতারা বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে। তারা আন্দোলন সংগ্রামে ব্যর্থ। তাদের এদিকও নেই, ওদিকও নেই। বন্ধুরাও আগের মতো এসে তাদের উৎসাহিত করে না।
তিনি বলেন, আগে ঘুম থেকে উঠেই মির্জা ফখরুল মার্কিন দূতাবাসে হাজির হয়ে নাস্তা করতে যেতেন, রাতেও খুঁজে পাওয়া যেত না। বিদেশিরা ক্ষমতায় বসাবে সে কর্পূরও উড়ে গেছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোন সাধারণ নাগরিক জেল-জুলুম-হয়রানির মুখোমুখি হয়নি জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা পুলিশ মেরেছে, পুলিশ হাসপাতালে অগ্নি সংযোগ করেছে তারা তো অপরাধী। তাদের বিএনপি হিসেবে আটক করা হয়নি। আটক করা হয়েছে সন্ত্রাস, আগুন সন্ত্রাসে জড়িত থাকার অপরাধে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা অস্ত্রসহ আটকের পর তার পক্ষে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খুনিদের পক্ষে বিএনপির যে প্র্যাকটিস এখনো সেটা করে যাচ্ছে। বিএনপির সব নেতাই বাইরে। তাহলে তাদের কে নির্যাতন করছে? প্রশ্ন রাখেন ওবায়দুল কাদের।
আওয়ামী লীগ সরকারের জনভিত্তি নেই বিএনপির এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাতীয় নির্বাচনে ৪২ শতাংশের বেশি মানুষ ভোটকেন্দ্রে এসেছে। বাংলাদেশের এই হার অন্যান্য দেশের তুলনায় সন্তোষজনক। বিএনপির আমলে ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিবিসি জানিয়েছে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫ শতাংশ, আর তখনকার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল উপস্থিতি ২১ শতাংশ। এখনকার নির্বাচনে উপস্থিতি তার দ্বিগুণ। উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে নির্বাচন কমিশন বলেছে উপস্থিতি ৩৬ শতাংশের বেশি। আর দ্বিতীয় ধাপে ৩৭ শতাংশের বেশি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা জনগণের প্রতিনিধি। আমরা জনগণের ইচ্ছায় দেশ শাসন করছি। বিএনপি পথ হারিয়ে পথহারা পথিকের মতো বেসামাল বক্তব্য দিচ্ছে।
আরও পড়ুন: এমপির মৃত্যু নিয়ে ফখরুলের বক্তব্য সমর্থনযোগ্য নয়: কাদের
৭৪১ দিন আগে
আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে জনগণ বিরক্ত: ফখরুল
আওয়ামী লীগ সরকারের ‘নিষ্ঠুর আচরণ ও নিষ্ঠুর দুঃশাসনে’ দেশের মানুষ বিরক্ত হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের করা ৪টি ‘মিথ্যা মামলায়’ ঢাকা উত্তর মহানগর বিএনপি নেতা রেজাউল রহমান ফাহিমকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে এ বিবৃতি দেন তিনি।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, জনসমর্থনের অভাবে ৭ জানুয়ারির প্রহসনমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আরও বেপরোয়া ও স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছে।
বিএনপি নেতা বলেন, ‘স্বৈরাচারী শাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য বিএনপি, এর সহযোগী সংগঠন এবং অন্যান্য বিরোধী দলগুলোর নেতা-কর্মীদের ওপর চরমভাবে দমন-পীড়ন শুরু হয়েছে।’
ফখরুল বলেন, ‘অবৈধ দখলদার’ আওয়ামী লীগ সরকারের মূল লক্ষ্য এখন বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো এবং আদালতকে ব্যবহার করে মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়া।
রেজাউল রহমান ফাহিমকে চারটি ‘মিথ্যা’ মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো সরকারের সেই লক্ষ্যের অংশ বলে দাবি করেন তিনি।
ফখরুল বলেন, ‘সারাদেশে আদালতের মাধ্যমে জামিন নামঞ্জুর করে বিএনপি ও অন্যান্য বিরোধী দলের সদস্যদের কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।’
বিএনপি নেতা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘জনগণ সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। আওয়ামী ডামি সরকারের দীর্ঘদিন ধরে জনগণ ও বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ওপর অত্যাচার করে অবৈধ ক্ষমতা ভোগ করার স্বপ্ন কোনোদিন পূরণ হবে না।’
ফাহিমের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ‘মিথ্যা’ মামলা প্রত্যাহার করে অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন মির্জা ফখরুল।
৭৪২ দিন আগে
নির্বাচনি ব্যবস্থা ধ্বংস হলে গণতন্ত্র থাকবে না: ইসি রাশিদা
নির্বাচন কমিশনার রাশিদা সুলতানা বলেছেন, নির্বাচনি ব্যবস্থা গণতন্ত্রের চাবিকাঠি এবং এটি ধ্বংস হলে দেশে গণতন্ত্র থাকবে না।
তিনি বলেন, ‘সকল নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় সেজন্য নির্বাচন কমিশন সমন্বিত প্রচেষ্টা চালিয়েছে।’
তিনি আশ্বস্ত করেন, ভোটাররা ভয় বা সহিংসতা ছাড়াই তাদের ভোট দিতে পারে, এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কমিশন।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) নওগাঁ জেলা প্রশাসক কার্যালয় মিলনায়তনে তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রিটার্নিং, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশিদা বলেন, ভোটাররা নির্বিঘ্নে এবং সহিংসতামুক্ত পরিবেশে ভোট দিতে পারে সেজন্য ইসি ভোটারদের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। ‘আমরা চেষ্টা করছি আসন্ন তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপের নির্বাচন আরও শান্তিপূর্ণ ও সহিংসতামুক্ত পরিবেশে আয়োজনের। যাতে সাধারণ মানুষ বলতে পারে এই ইসি ভালো নির্বাচন করতে পারে।’
আরও পড়ুন: ভোটার উপস্থিতির যে কোনো সংখ্যাই গ্রহণযোগ্য: নির্বাচন কমিশনার আলমগীর
তিনি বলেন, ‘কাউকে বিজয়ী করার উদ্দেশ্য নিয়ে ইসি কাজ করে না, যা প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি ইসির জারি করা আদেশে বলা হয়েছে।’
নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে প্রার্থীদের প্রচারণা চালিয়ে যেতে বলেছেন ইসি রাশিদা।
তিনি তাদের বক্তব্য সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলেছেন, কারণ নির্বাচনি প্রচারণায় ঘৃণামূলক বক্তব্য নিষিদ্ধ।
নির্বাচন কমিশনার প্রার্থীদের ভোটারবান্ধব পরিবেশ তৈরি করার আহ্বান জানান। এতে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে আসতে উৎসাহী হবেন।
কোনো প্রার্থী কমিশনে অভিযোগ দিলে তাৎক্ষণিক তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন ইসি রাশিদা।
তিনি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান, যাতে কেউ কোনো অভিযোগ করতে না পারে।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক মো. গোলাম মাওলার সভাপতিত্বে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার ইমতিয়াজ হোসেন, রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি বিজয় বসাক, নওগাঁর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রাশিদুল হক ও রাজশাহীর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: উপজেলা নির্বাচন: দ্বিতীয় ধাপে কয়েকটি জেলায় ভোট গ্রহণ চলছে
৭৪২ দিন আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক বইয়ে সই করেছেন ফখরুল
হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেন আমির আবদুল্লাহিয়ান ও তাদের সফরসঙ্গীদের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর বৃহস্পতিবার ঢাকায় ইরান দূতাবাসে শোক বইয়ে সই করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রাজধানীর গুলশান এলাকায় অবস্থিত ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাসে যান এবং ইরানের শোকসন্তপ্ত জনগণ ও নিহতদের পরিবারের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে শোক বইয়ে সই করেন বিএনপির এই নেতা।
দূতাবাস থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ফখরুল বলেন, ইরানের জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মৃত্যুতে তাদের দল গভীরভাবে শোকাহত।
তিনি বলেন, ‘দল, দলের চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে সমবেদনা জানাতে আমি এখানে (ইরানি দূতাবাস) এসেছি।’
আরও পড়ুন: রাইসির মৃত্যুতে যেভাবে অস্থির হয়ে উঠতে পারে ইরানের ভবিষ্যৎ
তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে যখন বিশ্বে অভিজ্ঞ রাজনৈতিকদের খুব বেশি প্রয়োজন, সেই মুহূর্তে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মতো একজন অভিজ্ঞ, বিচক্ষণ এবং জনপ্রিয় নেতার এই হঠাৎ দুর্ঘটনা, এই চলে যাওয়া, এটা আন্তর্জাতিক বিশ্বে শান্তির জন্য এবং সৌহার্দ বিস্তারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত একটা মর্মান্তিক দুর্ঘটনা বলে আমি মনে করি।’
দলের পক্ষ থেকে ইরানের জনগণ, সরকার এবং ইরানের প্রেসিডেন্টের পরিবার, আত্মীয়স্বজন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিবার ও আত্মীয়স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা যেন এই শোক কাটিয়ে উঠতে পারে এবং ইরানের জনগণ যেন এই শোকের সময় তারা তাদের যে স্থির সিদ্ধান্ত এবং বিশ্ব রাজনীতিতে তাদের যে অবদান তা অক্ষুণ্ন রাখতে পারেন, সেজন্য আমরা দোয়া করছি।’
সোমবার ঘন কুয়াশায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় শোক পালন করবে বাংলাদেশ
৭৪২ দিন আগে