রাজনীতি
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে বিএনপির শোক
ঢাকার বেইলি রোডে ৬ তলা বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জন নিহত ও আরও অনেকে আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বিএনপি।
শুক্রবার বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শোক প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে বেইলি রোডের বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৪৫ জনের মৃত্যু হয়। আর যারা হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে জীবনের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন, তাদের কান্না-বেদনা খুবই হৃদয়বিদারক ও মর্মস্পর্শী।
ফখরুল বলেন, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা তাদের জানিয়েছেন- মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন: বেইলি রোডের ভবনটিতে ‘ফায়ার এক্সিট’ নেই: প্রধানমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, ‘ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধবসহ আমি গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন স্বজন হারানো পরিবারের সদস্যদের শক্তি ও ধৈর্য দান করুন।’
অগ্নিকাণ্ডে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন তিনি।
ঘন ঘন অগ্নিকাণ্ডে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ঘন ঘন অগ্নিকাণ্ডে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিএনপি নেতা বলেন, দেশে আইনের শাসনের অভাব এ ধরনের ঘটনা বৃদ্ধি ও বিপর্যয়কর পরিস্থিতির জন্য ভূমিকা রেখেছে।
তিনি বলেন, সমাজে নৈরাজ্য সৃষ্টির জন্য জনগণকে জবাবদিহির দায়িত্ব সরকার মনে করে না, যা মানুষের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ও দুর্দশার কারণ।
আহতদের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করারও আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন: বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: বুয়েটের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু
৭৩৫ দিন আগে
দ্রুত বিচার আইন সংসদে উত্থাপন
বহুল আলোচিত 'দ্রুত বিচার আইন' ধাপে ধাপে কার্যকর না করে এটিকে স্থায়ী আইন করার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সংসদে উত্থাপন করা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সংসদে উপস্থিত না হওয়ায় তার পক্ষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন।
২০০২ সালে প্রথম দুই বছরের জন্য আইনটি প্রণয়ন করা হয়। পরে সাত ধাপে আইনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ২০১৯ সালে আইনটি সংশোধন করে এর মেয়াদ বাড়ানো হয়। আগামী ৯ এপ্রিল এই আইনের মেয়াদ শেষ হবে।
আইনটির মেয়াদ না বাড়িয়ে তা স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত ২৯ জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর বৃহস্পতিবার বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হয়।
বিলে আইনটিকে স্থায়ী করা ছাড়া অন্য কোনো সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়নি। তাই আইনের বিদ্যমান সব ধারা এখনকার মতোই থাকবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ধ্বংস, ডাকাতি, দস্যুতা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি, টেন্ডার ক্রয় এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে দ্রুত বিচারের স্বার্থে ২০০২ সালে দ্রুত বিচার আইন প্রণয়ন করা হয়।
আইনটি প্রণয়নের সময় এর মেয়াদ ছিল ২ বছর। পরে প্রয়োজনীয়তা অনুসারে, এর মেয়াদ পর্যায়ক্রমে ৭ বার বাড়ানো হয় এবং সর্বশেষ ১০ এপ্রিল, ২০১৯ তারিখে এটি ১৭ বছর থেকে বাড়িয়ে ২২ বছর করা হয় যা ৯ এপ্রিল, ২০২৪ এ শেষ হবে।
লিখিত বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অধিকতর উন্নতির জন্য মেয়াদ শেষে বারবার মেয়াদ বৃদ্ধি না করে এই আইনকে একটি স্থায়ী আইন করা প্রয়োজন।
এই আইনে অভিযোগ গঠন করলে জরিমানাসহ সশ্রম দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। প্রতিটি জেলায় একাধিক দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
যেসব অপরাধ দ্রুত বিচার আইনের আওতায় পড়ে সেগুলো ১২০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা। এটি করতে ব্যর্থ হলে, এর মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানো যেতে পারে।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু বিলটি উত্থাপনের তীব্র বিরোধিতা করে বলেন, ২০০২ সালে বিএনপি যখন আইনটি পাস করে তখন আওয়ামী লীগসহ সব রাজনৈতিক দল এর সমালোচনা করেছিল।
তিনি বলেন, আইনের নাম দ্রুত বিচার আইন হলেও আদালতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খুব কম মামলাই নিষ্পত্তি হচ্ছে।
চুন্নু আরও বলেছিলেন যে গ্রেপ্তারের সময়ই আইনটি বিবেচনা করা হয়। এই আইন নিয়ে সরকারের সদিচ্ছা থাকলেও সাধারণ মানুষ বা প্রতিপক্ষকে হয়রানি করার সুযোগ রয়েছে।
চুন্নু বলেন, 'আজকে আপনারা (আওয়ামী লীগ) ক্ষমতায়, কাল যদি অন্য কেউ ক্ষমতায় আসে তাহলে এই আইনের মাধ্যমে আপনারাও হয়রানির শিকার হবেন।’
আইনটি স্থায়ী না করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনে এক বা দুই বছরের জন্য মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে।
‘আপনাদেরও (আওয়ামী লীগ) কষ্ট হবে, জনগণও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, এটা যখন করা হয় তখন তারা প্রতিবাদ করেছিলেন।
তিনি বলেন, ‘আমি বলতে চাই, ২০০২ সালে যখন এই আইনটি করা হয়, তখন আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য দলগুলোকে নিপীড়ন করার উদ্দেশ্য ছিল বিএনপির। কিন্তু সংসদ সদস্যরা যদি দেখেন গত ১৫ বছরে এই আইন কীভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে, তাহলে তার (চুন্নু) বক্তব্য সঠিক নয়।’
আইনমন্ত্রী বলেছেন, দ্বিতীয়ত, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এই আইন প্রয়োজন। এই আইন থাকায় গত ১৫ বছরে খুব বেশি অশান্তি হয়নি।
‘২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এই আইন শুধু রাজনৈতিক দল ও রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এটি রাজনৈতিক কর্মী বা নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়নি। অনেক ধরনের সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা রোধ করা হয়েছে এই আইনের মাধ্যমে। তাই এই আইনকে চিরস্থায়ী করা উচিত।’
পরে বিলটি পরীক্ষা করে দুই দিনের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
৭৩৬ দিন আগে
গণতন্ত্র মঞ্চের মিছিলে পুলিশি পদক্ষেপের নিন্দা ফখরুলের
বুধবার গণতন্ত্র মঞ্চের মিছিলে পুলিশি পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার সচিবালয় অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিলে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের তীব্র নিন্দা জানিয়ে এক বিবৃতি দেন।
তিনি বলেন, ‘৭ জানুয়ারির ডামি নির্বাচনের পর দখলদার আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী মানুষের ভোটের অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকারগুলো ক্ষুণ্ণ করে জনগনসহ বিরোধী দলগুলোর ওপর আরও তীব্র মাত্রায় দমনপীড়ন চালাচ্ছে, নির্মম নিষ্ঠুরতা দেখাচ্ছে।’
আরও পড়ুন: বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে ছিল আ. লীগ সরকার: রিজভী
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আজকে আরও একটি নির্মম বহিঃপ্রকাশ ঘটল গণতন্ত্র মঞ্চের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বর্বরোচিত হামলা, গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা জোনায়েদ সাকিসহ ৫০ জনের বেশি নেতা-কর্মীকে আহত করা এবং একজন নেতাকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করার মধ্যে দিয়ে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি এহেন পুলিশি হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং গ্রেপ্তারদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।’
বিএনপি মহাসচিব আহত জোনায়েদ সাকিসহ নেতা-কর্মীদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
আরও পড়ুন: পিলখানা বিদ্রোহের বিচার দীর্ঘায়িত হওয়ায় প্রশ্ন তুলেছে বিএনপি
সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য বিএনপিকে দায়ী করছেন প্রধানমন্ত্রী: রিজভী
৭৩৭ দিন আগে
বিকালে শপথ নেবেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যরা
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আজ বিকালে শপথ নেবেন।
বুধবার(২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদেরকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার আনুষ্ঠানিক সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
সংসদ সূত্রে জানা গেছে, শপথ অনুষ্ঠানের সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে সংসদ সচিবালয়।
আরও পড়ুন: ৯৩৭০ প্রবাসী বাংলাদেশি ২৬ দেশে আটক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
এর আগে মঙ্গলবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ৫০ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।
এর মধ্যে জাতীয় পার্টির দুইজন, একজন ১৪ দলীয় জোটের শরিক গণতন্ত্রী পার্টির এবং বাকি ৪৭ জন আওয়ামী লীগের।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর জাতীয় পার্টির দুই সদস্য শপথ নেবেন।
শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যরা আজকের সংসদ অধিবেশনে যোগ দেবেন।
সূত্র জানায়, আসন বণ্টন চূড়ান্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ১৫.৪৮ বিলিয়ন ডলার: সংসদে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
৭৩৭ দিন আগে
প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ১৫.৪৮ বিলিয়ন ডলার: সংসদে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটো বলেছেন, বর্তমানে ভারত, চীন ও পাকিস্তানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে।
তিনি বলেন, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে চীনের সঙ্গে সর্বোচ্চ বাণিজ্য ঘাটতি ছিল এবং এর পরিমাণ ছিল ১৫ হাজার ৪৮৮ দশমিক ৮৪ মিলিয়ন ডলার (১৫.৪৮ বিলিয়ন ডলার)।
ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ৭ হাজার ১৬০ দশমিক ৮১ মিলিয়ন ডলার, পাকিস্তানের সঙ্গে ৪৬৬ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন ডলার, মিয়ানমারের সঙ্গে ১১৬ দশমিক ২১ মিলিয়ন ডলার, ভুটানের সঙ্গে ১৪ দশমিক ২৯ মিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি এবং আফগানিস্তানের সঙ্গে ১ দশমিক ৪৯ মিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদে ঢাকা-১৯ আসন থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।আরও পড়ুন: রমজানের আগে বেড়েই চলেছে দ্রব্যমূল্য, সংকটে ভোক্তারা
তিনি বলেন, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ১৫ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার।
সিলেট থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হুছামুদ্দিন চৌধুরীর আরেক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, এক সময় দেশে চা উৎপাদনের তুলনায় অভ্যন্তরীণ চাহিদা কম ছিল। সেসময় উদ্বৃত্ত চা রপ্তানি করা হতো। বর্তমানে দেশে চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা প্রায় ১০০ মিলিয়ন কেজি। উৎপাদন ও চাহিদা প্রায় সমান।
আরও পড়ুন: ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বহুমুখী করা হবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
তিনি বলেন, ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির কারণে দেশে উৎপাদিত প্রায় সব চা অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে ব্যবহৃত হয়।
তাই রপ্তানির জন্য খুব বেশি উদ্বৃত্ত চা অবশিষ্ট নেই।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৩ সালে দেশে ১০ কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে।
এর মধ্যে সাড়ে ১০ লাখ কেজি চা রপ্তানি হয়েছে। অন্যদিকে চা পুনঃরপ্তানি ও উৎপাদন মূল্য সংযোজনের জন্য মাত্র ৬ লাখ কেজি চা আমদানি করা হয়েছে।
বরিশাল থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে বাজারে নিত্যপণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: বৈদেশিক বাণিজ্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: রাষ্ট্রপতি
৭৩৮ দিন আগে
বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে ছিল আ. লীগ সরকার: রিজভী
বিডিআর বিদ্রোহের সঙ্গে বিএনপি জড়িত- পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের এমন বক্তব্যের জবাবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এ ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ‘যত্নের অভাবে বা নির্যাতনে’ পুলিশ হেফাজতে বিএনপির ১৫ নেতা-কর্মীর মৃত্যু হয়েছে: রিজভী
রিজভী বলেন, ‘পিলখানায় সেনা অভিযান না চালানো, খুনিদের আপ্যায়ন করা, সাধারণ ক্ষমার ঘোষণা এবং অনেককে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ায় নানা প্রশ্ন ওঠে। সেসব প্রশ্ন তুলতে গিয়ে অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন। ২০১১ সালের ৩০ আগস্ট উইকিলিকসের ফাঁস করা গোপন তথ্য, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সাক্ষ্য, তাদের বিচার প্রক্রিয়া, তদন্ত কমিটির আংশিক প্রতিবেদন, দেশি-বিদেশি সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের তদন্ত প্রতিবেদন পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ৪৮ ঘণ্টা পর লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. মইনুল ইসলামের শেষ বক্তব্য স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, আওয়ামী লীগ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের অনেক সদস্যকে ঠান্ডা মাথায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আর তাদের পেছনে ছিলেন এই সরকারের বিদেশি প্রভুরা।’
এদিকে সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, এটা দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে, বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে বিএনপি ছিল এবং দেশের স্মার্ট অফিসারদের হত্যা করেছে।
পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিজিবির সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. মইনুল ইসলামের সাক্ষাৎকারের কথা উল্লেখ করে রিজভী আরও বলেন, ‘হাছান মাহমুদ হয়তো স্বীকার করবেন না, কিন্তু সেদিন পিলখানায় যা ঘটেছিল, কারা করেছিল, কেন ঘটল, ঘটনার পেছনে কারা ছিল, কে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল- এসব সত্য গতকালও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার গণমাধ্যমে বিজিবির সাবেক এই মহাপরিচালকের সাক্ষাৎকার দেখে কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মাথা খারাপ হয়ে গেছে? সাবেক ডিজির বক্তব্যে সেদিন জনগণ যা দেখেছে এবং বিশ্বাস করেছে তারই প্রতিফলন ঘটেছে।’
তিনি বলেন, ‘গতকাল সাবেক মহাপরিচালকের সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন- একটি রাজনৈতিক দলের নেতারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং তারা ঘটনার সময় বাইরে জয় বাংলা স্লোগান দেন। তাছাড়া বিদেশি উসকানির বিষয়ে তিনি যা বলেছেন, ঘটনার দিন থেকেই জনগণ তা বিশ্বাস করেছে। সাবেক এই মহাপরিচালক সাক্ষাৎকারে বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটিকে আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়নি। আমরা বলতে চাই, পিলখানা ট্র্যাজেডির রহস্য লুকিয়ে রাখা যাবে না, একদিন এর আসল রহস্য উন্মোচিত হবে এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।’
আরও পড়ুন: সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য বিএনপিকে দায়ী করছেন প্রধানমন্ত্রী: রিজভী
ক্ষমতা দখল করে ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে আ.লীগ সরকার: রিজভী
৭৩৮ দিন আগে
সরকার বিদেশিদের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় কিন্তু তাদের আধিপত্য চায় না: কাদের
সরকার বিদেশিদের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায়, কিন্তু দেশে কেউ আধিপত্য বিস্তার করতে চাইলে তা হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিদেশি বন্ধুদের সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। তবে তারা বন্ধুর পরিবর্তে প্রভুর ভূমিকায় আসতে চাইলে আমরা বরদাশত করব না।’
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধি দলের সফরকালে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন।
আরও পড়ুন: উগ্রবাদের মূল উৎস বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘তারা যা বলেছে তাতে বিএনপির আশাবাদী হওয়ার কিছু নেই। তারা সরকারের পতন, ব্যর্থতা বা সরকারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে কিছু বলেনি। এ কারণে তারা এখন নীরব।’
তারা (বিএনপি) যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে যা চেয়েছিল তা পায়নি উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তারা শুনতে চেয়েছিল, সরকারের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে, কিন্তু মার্কিন প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।’
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মানুষ বুঝতে পারছে এটা সরকারের দোষ নয়। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়। সারা বিশ্বেই দাম বাড়ছে। আমাকে বিশ্বের এমন একটি দেশ দেখান যেখানে দাম স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের জনগণের ক্রয়ক্ষমতা এখনো আছে। আমরা আশা করছি, আসন্ন রমজানে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘চাঁদাবাজির একটা ব্যাপার অবশ্যই আছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন।’
আরও পড়ুন: নির্বাচনে না আসায় বিএনপিকে খেসারত দিতে হবে: কাদের
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি বাংলাদেশের গুরুত্ব তুলে ধরেছে: ওবায়দুল কাদের
৭৩৮ দিন আগে
নির্বাচনে না আসায় বিএনপিকে খেসারত দিতে হবে: কাদের
আন্দোলনে ব্যর্থতা এবং নির্বাচনে না আসায় অনেকদিন ধরে এর খেসারত বিএনপিকে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক, পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ‘সমালোচনা যারা করে তারা করবে, দেশেও করবে বিদেশেও করবে। বিএনপি নির্বাচনে আসতে ব্যর্থ হয়েছে। তারা এখন টের পাবে, তারা রাজনীতিতে নিজেদের কতটা সংকুচিত করেছে।’
সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফেনীর দাগনভূঞা বাজারের জিরো পয়েন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে সেতুমন্ত্রী এসব এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: বিএনপিকে পরবর্তী আন্দোলনের পরিবর্তে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ কাদেরের
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমার কাছে অবাক লাগে মির্জা ফখরুল জেল থেকে বের হয়ে অসুস্থতার অজুহাতে হাসপাতালে যাননি বরং মার্কিন প্রতিনিধি দল আসার দিনে লাঠিতে ভর দিয়ে নালিশ করতে গিয়েছেন।’
নালিশ করা বিএনপির রাজনীতির পুরোনো অভ্যাস উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারা জনগণের কাছে নালিশ করার চেয়ে বিদেশিদের কাছে নালিশ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘রাজনীতিতে তারা গলাবাজি করবে। এর জবাব তো আমাদের দিতে হবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, ফেনী জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীন মোহাম্মদ, ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজীসহ আরও অনেকে।
আরও পড়ুন: মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি বাংলাদেশের গুরুত্ব তুলে ধরেছে: ওবায়দুল কাদের
উগ্রবাদের মূল উৎস বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
৭৩৯ দিন আগে
পিলখানা বিদ্রোহের বিচার দীর্ঘায়িত হওয়ায় প্রশ্ন তুলেছে বিএনপি
পিলখানা বিদ্রোহ মামলার দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিএনপি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সকালে বনানী সামরিক কবরস্থানে বিদ্রোহে নিহতদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তিনি বলেন, ‘পিলখানা হত্যাকাণ্ড মামলার রায়ের কথা আমরা শুনেছি, কিন্তু রায়ের অবস্থা কী? রায়ে কি কোনো আপিল হয়েছে, আর ১৫ বছরেও শুনানি শেষ হয়নি কেন? এছাড়া ২০১১ সালে আরেকটি বিস্ফোরক মামলা দায়ের করা হয়। কেন এই মামলার বিচার এখনও বিলম্বিত হচ্ছে?’
আরও পড়ুন: সুসময় এলে সব গুম-হত্যার বিচার করবে বিএনপি: মিজানুর রহমান মিনু
তিনি বলেন, ‘আজ আমরা শুধু একটি কথাই বলব, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক যেন সুশাসনের মাধ্যমে, আইনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পায়। এটাই আমরা প্রত্যাশা করি।’
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তিন দিনব্যাপী 'বিডিআর সপ্তাহ' চলাকালে বাংলাদেশ রাইফেলসের (বর্তমানে বিজিবি) কয়েকশ সদস্য পিলখানা সদর দপ্তরের দরবার হলে সশস্ত্র বিদ্রোহ করে। এদিনের বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন।
পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন সরকার ও বিডিআর বিদ্রোহীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও গ্রেনেড জমা দিয়ে বিদ্রোহের সমাপ্তি ঘটে।
আরও পড়ুন: সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য বিএনপিকে দায়ী করছেন প্রধানমন্ত্রী: রিজভী
আওয়ামী লীগের পতন অনিবার্য মনে করে বিএনপি: নজরুল ইসলাম খান
৭৪০ দিন আগে
সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য বিএনপিকে দায়ী করছেন প্রধানমন্ত্রী: রিজভী
জনগণকে বিভ্রান্ত করতে এবং সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপিকে দায়ী করছেন বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সিন্ডিকেট সরকার অদ্ভুত সব মন্তব্য করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ সরকার এখন এজন্য বিএনপিকে দায়ী করছে।’
শনিবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, গণভবনে শুক্রবারের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যারা সরকার উৎখাতের আন্দোলন করছে তাদের দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর কিছু কৌশল আছে।
আরও পড়ুন: ক্ষমতাসীন দলের ব্যবসায়ী চক্র দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে লুটপাটে মরিয়া হয়ে উঠেছে: রিজভী
রিজভী বলেন, ‘তার এ ধরনের বক্তব্যের অর্থ হলো, তার স্বৈরশাসন পচে বিপথগামী হয়ে গেছে। তাই ডাহা মিথ্যাচার, অসত্য, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মন্তব্য করা ছাড়া শেখ হাসিনার আর কোনো উপায় নেই। এই সমস্ত বক্তব্য একটি অশান্ত মনের বহিঃপ্রকাশ... এজন্য তিনি হাস্যকর মিথ্যাচারের আশ্রয় নিচ্ছেন।’
তিনি বলেন, তবে প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করেছেন যে দ্রব্যমূল্য সীমাহীনভাবে বেড়েছে। ‘ব্যর্থতা, লুটপাট, চুরি ও অপকর্মের জন্য নির্লজ্জভাবে বিএনপিকে দোষারোপ করা তাদের (সরকারের) পুরোনো অভ্যাস।’
রিজভী বলেন, যেহেতু শেখ হাসিনা সরকার প্রধান হিসেবে অসাধু ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না, তাই তিনি অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকতে ব্যর্থতার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে মিথ্যাচার চালাচ্ছেন। ‘বাজার নিয়ন্ত্রণে লুটেরা সরকারের ন্যূনতম যোগ্যতা নেই।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, সব জিনিসপত্রের আকাশছোঁয়া দামের মধ্যে সাধারণ মানুষ বেঁচে থাকার জন্য খুব কঠিন সময় পার করছে।
তিনি বলেন, সরকার নানা হুমকি দিলেও বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, মার্কেট ম্যানিপুলেটররা এখন আওয়ামী লীগের শাসন নিয়ন্ত্রণ করছে।
‘প্রতিটি পণ্যের দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে শুধু নিম্ন আয়ের মানুষ নয়, মধ্যবিত্তরাও চরম অসহায় হয়ে পড়েছে। চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, রসুন, মুরগিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারছে না মানুষ। গরিব মানুষের কাছে গরুর মাংস ও খাসির মাংস এখন আকাশের দূরবর্তী নক্ষত্রের মতো হয়ে উঠছে।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব গুরুতর অসুস্থ হলেও কারা কর্তৃপক্ষ তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বিএনপির এই নেতা, 'তার (হাবিব) অবস্থা গুরুতর। কারাগারে তার চিকিৎসা হচ্ছে না এবং তাকে যথাযথ প্রেসক্রিপশন ও ওষুধ দেওয়া হচ্ছে না। তিনি হাঁটতেও পারছেন না।’
সম্প্রতি ১৫ জন বিরোধী দলীয় নেতা কারাবন্দি অবস্থায় মারা যাওয়ায় অসুস্থ হাবিবের উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ক্ষমতা দখল করে ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে আ.লীগ সরকার: রিজভী
‘যত্নের অভাবে বা নির্যাতনে’ পুলিশ হেফাজতে বিএনপির ১৫ নেতা-কর্মীর মৃত্যু হয়েছে: রিজভী
৭৪১ দিন আগে