রাজনীতি
দিনাজপুর-২ আসন: সরে দাঁড়ালেন জাপা প্রার্থী মাহবুবুল আলম
দিনাজপুরের-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির লাঙল মার্কার প্রার্থী মাহবুবুল আলম।
মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) বিরলে জাতীয় পার্টির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পেছনে চাপ, হুমকি বা ভয়ভীতির কোনো কারণ নেই বলে নিশ্চিত করেছেন জাপার এই প্রার্থী।
নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ানোর কারণ জানতে চাইলে মাহবুবুল আলম বলেন, সাধারণ ভোটারদের বিভিন্ন প্রশ্নে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: সারাদেশে জাপা প্রার্থীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে: জিএম কাদের
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জাতীয় সমঝোতা করেই তো নির্বাচন করছে। তাহলে ভোটাররা কাকে ভোট দেবে নৌকা না লাঙলে? এ ধরনের প্রশ্নের জবাব দিতে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে নির্বাচন থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি।
ভোটারদের কাছে ভোট চাইতে আর কোনো প্রচার চালাবেন না বলেও জানান লাঙলের এই প্রার্থী।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রাম-৪ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী রুহুল আমিন হাসপাতালে
৭৯৪ দিন আগে
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন যশোর-৪ আসনের প্রার্থী রণজিত
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও বসুন্দিয়া) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এনামুল হক বাবুলকে সমর্থন জানিয়ে ভোটের মাঠ থেকে সরে গেলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রনজিত কুমার রায়।
মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে ইউএনবিকে এ কথা জানান রনজিত কুমার রায়। একই সঙ্গে তার সব নেতা-কর্মীকে নৌকার পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমার প্রতীক ছিল ঈগল। আমি বরাবরই বলে এসেছি নৌকার বিপক্ষে কখনও নির্বাচন করব না। সে কারণে প্রতীক বরাদ্দের পরও আমি কোনো প্রচার চালাইনি।
বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নৌ পরিবহন মন্ত্রাণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য রনজিত কুমার রায় ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
এ আসনে এবারের নির্বাচনে প্রার্থীরা হলেন, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের জহুরুল হক, তৃণমূল বিএনপির সোনালী আঁশের এম শাব্বির আহমেদ, নোঙর প্রতীকের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সুকৃতি কুমার মন্ডল ও মিনার প্রতীকের প্রার্থী ইসলামী ঐক্যজোটের ইউনুস আলী।
৭৯৪ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ফরিদপুরে আ. লীগের নেতা-কর্মীদের উপচেপড়া ভিড়
প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী জনসভা উপলক্ষে ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা নৌকার মিছিল ও স্লোগান নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা মঙ্গলবার বিকালে ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
তিনি জেলার ৪টি আসনে নৌকার প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চাইবেন।
জনসভার মঞ্চটি নৌকার আকারে নির্মাণ করা হয়েছে এবং সমাবেশকে কেন্দ্র করে শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
শহর জুড়ে ১০০ টিরও বেশি মাইক স্থাপন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: উন্নয়নের মূলমন্ত্র গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা: মোমেন
ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ইশতিয়াক আরিফ আশা করছেন, প্রায় এক লাখ মানুষের সমাগম হবে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ফরিদপুর-৩ আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শামীম হক।
ফরিদপুরের আরও তিনটি আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সেখানে উপস্থিত থাকবেন।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ নয়, ড. ইউনূসকে সাজা দিয়েছেন আদালত: কাদের
৭৯৪ দিন আগে
আওয়ামী লীগ নয়, ড. ইউনূসকে সাজা দিয়েছেন আদালত: কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ড. ইউনূসকে আদালত সাজা দিয়েছে এবং এ ব্যাপারে তার দল কোনোভাবেই দায়ী নয়।
মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ড. ইউনূসের সাজা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘যেসব শ্রমিক তাদের পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন তারা মামলা করেছেন। এখানে আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা হচ্ছে কেন?’
ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে, কিন্তু বিএনপি ও তার মিত্ররা একতরফাভাবে নির্বাচনের বিরোধিতা করছে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, লিফলেট বিতরণ বিএনপির একটি 'রহস্যময়' কর্মসূচি এবং তারা হঠাৎ সহিংস হয়ে উঠতে পারে।
আরও পড়ুন: অপতৎপরতার জবাব দিতে দলে দলে ভোটকেন্দ্রে আসুন: কাদের
তিনি ‘কিন্তু তারা যতই নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করুক না কেন, নির্বাচন বন্ধ করা যাবে না।’
জাতীয় পার্টির কয়েকজন প্রার্থীর নির্বাচন থেকে প্রত্যাহারের বিষয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, জাতীয় পার্টির দুই-একজন প্রার্থী ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে নির্বাচনে অংশ নাও নিতে পারেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে তারা দল হিসেবে নির্বাচন থেকে সরে যাবে।
আরও পড়ুন: সারাদেশে জাপা প্রার্থীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে: জিএম কাদের
৭৯৪ দিন আগে
গাজীপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও যশোর-৪ আসনের নৌকার প্রার্থী নির্বাচন চালিয়ে যেতে পারবেন: হাইকোর্ট
গাজীপুর-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শিল্পপতি আলম আহমেদের প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সিমিন হোসেন রিমির করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
আজ মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ৬ সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিমির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর। আলমের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী। ইসির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।
এদিকে, যশোর-৪ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এনামুল হক বাবুলের প্রার্থিতা বহাল রেখে দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের আবেদনে সাড়া দেননি আপিল বিভাগ। শুনানির জন্য নির্ধারিত দিনে মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ৬ সদস্যের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আরও পড়ুন: বগুড়ার বিএনপির নিখোঁজ দুই নেতার অবস্থান জানাতে হাইকোর্টের নির্দেশ
ফলে, এনামুল হক বাবুলের প্রার্থিতা বহাল রয়েছে। আদালতে তার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ছিলেন শাহ মঞ্জুরুল হক।
রিটার্নিং কর্মকর্তা যাচাই-বাছাইকালে ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের উপদেষ্টা ও তাজউদ্দীন আহমদের ভাগনে আলম আহমেদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। পরে তিনি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন।
১৩ ডিসেম্বর আপিল শুনানিতে আলম আহমেদের প্রার্থিতা বৈধ করার আবেদন নামঞ্জুর করে ইসি। এরপর তিনি প্রার্থীতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।
১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট তার রিট খারিজ করে দেন। পরে এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন তিনি। ১৯ ডিসেম্বর চেম্বার আদালত আলম আহমেদকে নিৰ্বাচনে অংশ নিতে সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন।
এ আদেশ প্রত্যাহার চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন ওই আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে বর্তমান সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি।
এদিকে, এনামুল হক বাবুলের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে আপিল করেছিলেন একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সুকৃতি কুমার মণ্ডল।
এ ছাড়া এনামুল হক বাবুলের মনোনয়নপত্রের বৈধতার বিরুদ্ধে ওই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রনজিত কুমার রায় আপিল করেছিলেন।
শুনানি শেষে ১৩ ডিসেম্বর প্রার্থিতা বাতিল করে ইসি। পরে এনামুল হক বাবুল হাইকোর্টে রিট করেন। ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট তার রিট সরাসরি খারিজ করে আদেশ দেন। এরপর তিনি আপিল বিভাগে আবেদন করেন।
১৯ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালত তার প্রার্থিতা ফেরত দেন। পরে নির্বাচন কমিশন ওই আদেশ প্রত্যাহারের আবেদন করেন। যে আবেদনের ওপর আজ শুনানি হয়।
আরও পড়ুন: হার্টের রিংয়ের দামে বৈষম্য কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট
৭৯৪ দিন আগে
নির্বাচন করতে পারছেন না শাম্মী আহমেদ ও সাদিক আবদুল্লাহ
বরিশাল-৪ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী শাম্মী আহমেদের প্রার্থিতা ফিরে পেতে দায়ের করা আপিলের আবেদন (লিভ টু আপিল) খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
শুনানির জন্য নির্ধারিত দিনে মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ৬ সদস্যের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ফলে শাম্মী আহমেদ দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
এদিকে, বরিশাল-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ'র আপিল বিভাগের একই বেঞ্চ প্রার্থিতা বাতিল আদেশ বাহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার জন্য শাম্মী আহমেদের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার বিচারপতির আদালত শুনানির এ দিন ধার্য করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সেটির শুনানি হয়।
আদালতে আজ শাম্মী আহমেদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ন, মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির, শাহ মঞ্জুরুল হক, মোতাহার হোসেন সাজুসহ এক ডজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।
১৫ ডিসেম্বর দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে প্রার্থিতা বাতিল হয় বরিশাল-৪ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাম্মী আহমেদ। পরে ১৮ ডিসেম্বর প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে শাম্মী আহমেদের রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের বিচারপতি মো. ইকবাল কবীর ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন শাম্মী আহমেদ।
১৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে শাম্মী আহমেদের রিট খারিজ করে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালত।
পরে ২২ ডিসেম্বর সকালে প্রতীক বরাদ্দ চেয়ে আবারও আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করেন বরিশাল-৪ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাম্মী আহমেদ।
ওই দিন শাম্মীর আইনজীবীরা চেম্বার আদালতে বলেন, ‘শাম্মী আহমেদের নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন গ্রহণ করেছে অস্ট্রেলিয়া। সবদিক বিবেচনা করে শাম্মী আহমেদকে নির্বাচনের মাঠে থাকার সুযোগ দিন।’
তখন চেম্বার বিচারপতি বলেন, ‘আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। আপনারা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। এসব বিষয়ে তো আমি একা সিদ্ধান্ত দিতে পারবো না। আগামী ২ জানুয়ারি আপিল বিভাগের সব বিচারপতি মিলে শুনব।’
এদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র প্রার্থীতা বৈধা ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কিন্তু দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী জাহিদ ফারুক।
১৫ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন ভবনে আপিল শুনানি শেষে বরিশাল-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সিটির সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র প্রার্থিতা বাতিল করে ইসি। পরে এই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সাদিক আব্দুল্লাহ।
তার করা রিটের শুনানি নিয়ে ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। ফলে সাদিক আবদুল্লাহর মনোয়নপত্র বৈধতা পায়।
পরদিন হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালতে আবেদন করেন জাহিদ ফারুক। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার বিচারপতির আদালত।
এর ফলে সাদিক আব্দুল্লাহর নির্বাচন আটকে যায়। পরে সাদিক আব্দুল্লাহ চেম্বার বিচারপতির দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করেন। যে আবেদনের ওপর আজ শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চ খারিজ করে দেন।
৭৯৪ দিন আগে
নাটোর-১ আসন: নৌকা ও ঈগল প্রতীকের নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন
নাটোরের লালপুর উপজেলার গৌরীপুরে নাটোর-১ আসনের নৌকা ও স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের দু’টি নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন দিয়েছে দুবৃত্তরা।
সোমবার দিবাগত ভোররাতে ঘটনাটি ঘটে।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম আহমেদ বলেন, ভোররাতে কে বা কারা গৌরীপুর মোড় এলাকায় অবস্থিত নৌকার প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বকুল ও ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের অস্থায়ী নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন ধড়িয়ে দেয়ে।
এত ক্যাম্প দু’টি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান ওসি।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গা-১ আসন: সরে দাঁড়ালেন জাপা প্রার্থী
রাজশাহী-৪ আসন: নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৪ নারী কর্মীর হামলার অভিযোগ
৭৯৪ দিন আগে
স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় গোয়ালন্দ জাপার সভাপতিসহ ২ নেতাকে অব্যাহতি
স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা জাতীয় পার্টির (জাপা) সভাপতি হামিদুল হক বাবলু ও জেলা কমিটির যুগ্ম-প্রচার সম্পাদক মো. মনির হোসেনকে দলের সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা নিয়ে রাজবাড়ী-১ সংসদীয় আসন গঠিত। এই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা জাপা সভাপতি আইনজীবী খন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু।
দলীয় কার্যালয়ে জরুরি সভায় দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে সর্ব সম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত ২৬ ডিসেম্বর হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে সোমবার (১ জানুয়ারি) রাতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গা-১ আসন: সরে দাঁড়ালেন জাপা প্রার্থী
সভাপতি খন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক মোকছেদুর রহমান মোমিন ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সই করেছেন।
এতে বলা হয়, রাজবাড়ী-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন খন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু। দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে তিনি নিয়মিত প্রচার-প্রচারণা চালালেও হামিদুল হক বাবলু ও মো. মনির হোসেনকে পাওয়া যাচ্ছে না। বরং স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী আইনজীবী ইমদাদুল হক বিশ্বাসের পক্ষে তারা নিয়মিত প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন।
যা সম্পূর্ণভাবে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অন্যতম কারণ। তাই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে ২৬ ডিসেম্বর এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে গোয়ালন্দ উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি হামিদুল হক বাবলু ও জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-প্রচার সম্পাদক, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মনির হোসেনকে দলের সকল পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই সঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. লিয়াকত হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। তাদেরকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতির জন্য জাতীয় পার্টির সুপারিশ কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: হবিগঞ্জ-৪ আসন: ব্যারিস্টার সুমনকে আবারও শোকজ
রাজশাহী-৪ আসন: নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৪ নারী কর্মীর হামলার অভিযোগ
৭৯৪ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গা-১ আসন: সরে দাঁড়ালেন জাপা প্রার্থী
দলীয় সহযোগিতার অভাব আর সমন্বয়হীনতার অভিযোগে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী আইনজীবী সোহরাব হোসেন। তিনি জাপা’র চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি।
সোমবার (১ জানুয়ারি) তিনি দুঃখ আর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এবারের ভোট কেমন হচ্ছে, তা তো জানছেন। আমাদের পার্টির চেয়ারম্যান আর মহাসচিব আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেন না। কেবল মনোনয়ন দিয়েই ছেড়ে দিয়েছেন। দল থেকে কোনো নির্বাচনের খরচাপাতি দিচ্ছে না। তারা যে ২৬ জন আছে সেটা নিয়েই ব্যস্ত।’
তিনি আরও বলেন, ‘আর আমরা ২৫৭ জন পড়েছি মহাবিপদে। এবারের ভোট অন্য রকম। টাকা ছাড়া কেউ কথা বলছে না। কোটি কোটি টাকা ওড়াচ্ছে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। সেখানে আমার যতটুকু ছিল খরচ করেছি। এখন আর পারছি না। তাই সরে দাঁড়ালাম।’
উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার দু’টি আসনে ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ৬ জন।
আরও পড়ুন: হবিগঞ্জ-৪ আসন: ব্যারিস্টার সুমনকে আবারও শোকজ
রাজশাহী-৪ আসন: নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৪ নারী কর্মীর হামলার অভিযোগ
৭৯৪ দিন আগে
রাজশাহী-৪ আসন: নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৪ নারী কর্মীর হামলার অভিযোগ
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৪ নারী কর্মীসহ ৫ জনকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২ জানুয়ারি) বিকালে উপজেলার হামিরকুৎসা ইউনিয়নের সখোপাড়া গ্রামে হামলায় কাঁচি প্রতীকের প্রচারণার সময় হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল আলম।
গুরুতর অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও হামিরকুৎসা ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সাফিনুর নাহার, যোগীপাড়া ইউনিয়নের নারী সদস্য ও মহিলা লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ইশরাত জাহান বিউটি, কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী এনামুল হক এমপির ভাতিজি পাপিয়া জাহান, শারমিন আক্তার এবং সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক শাহজাহান আলী।
এদের মধ্যে সাফিনুর নাহার, বিউটি ও শাহজাহানকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আর বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম-৪ আসনে সালাউদ্দিনের প্রার্থিতা বাতিল, জরিমানা
পুলিশ ও আহতরা জানান, ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের কাঁচি প্রতীকের প্রচার চালাতে দুইটি সিএনজি নিয়ে সখোপাড়া গ্রামে যান ৬ জন নারী। তাদের সঙ্গে সেখানে যোগ দেন আরও কয়েকজন নারী। এ সময় তারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের সমর্থক খোরশেদ আলমের সামনে নারীদের মধ্যে কাঁচি প্রতীকের প্রচারপত্র বিলি করছিলেন।
তারা আরও জানান, এ সময় তাদের বাধা দেওয়া হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা সাফিনুরের উপর হামলা করে। এ সময় বিউটি ঘটনা ভিডিও করতে গেলে তার ওপরও হামলা চালিয়েছে। নারী ও পুরুষ মিলে তাদের পিটিয়ে জখম করে। খবর পেয়ে সিএনজি চালক তাদের উদ্ধার করতে গেলে তাকেও পিটিয়ে জখম করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন গিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ২ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার
সাফিনুর নাহার অভিযোগ করেন, ‘খোরশেদ আলম গিয়ে আমাদের বলে- তোরা নৌকার বিরুদ্ধে ভোট করছিস কেন? এ এলাকায় নৌকা ছাড়া অন্য কোনো প্রতীকের ভোট চাওয়া যাবে না। আমি তার কথার প্রতিবাদ করলে প্রথমে খোরশেদ আলমসহ তার পরিবারের সদস্যরা অতর্কিত হামলা করে।’
এ বিষয়ে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের এমপি ও কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক অভিযোগ করেন, ‘নৌকার প্রার্থীর ক্যাডার বাহিনী প্রতিনিয়ত কাঁচির সমর্থকদের ওপর হামলা, মারধর করে যাচ্ছে।’
এ ঘটনার জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার চান তিনি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে আহতদের উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: হবিগঞ্জ-৪ আসন: ব্যারিস্টার সুমনকে আবারও শোকজ
৭৯৪ দিন আগে