রাজনীতি
এবার আর পাতানো নির্বাচন হবে না: সিইসি
আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সমান সুযোগ) নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন প্রাঙ্গণে প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল ও গ্রহণের বিরুদ্ধে চলমান আপিল আবেদনের বুথ পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, ‘আমরা ইনসাফে বিশ্বাসী; আমরা ইনসাফ করব। শুনানির পরে দেখবেন আইন, বিধি বিধান অনুযায়ী যা হবে, আমরা সে ধরনের সিদ্ধান্ত দেব। আইন সবার জন্য সমান, সবাই মানতে বাধ্য।’
এবার নির্বানে অংশ নিতে স্বতন্ত্র ও দলীয় প্রার্থী হতে আড়াই হাজারেরও বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই করে ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তাতে এখন পর্যন্ত বৈধ প্রার্থীর দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৪২ জনে।
এরপর গেল সোমবার থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন শুরু হয়েছে। বুধবার পর্যন্ত তিনদিনে মোট ২৯৫ জন আপিল আবেদন করেছেন, যা চলবে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন এসব আপিল নিষ্পত্তি করবে।
নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘তেমন উন্নতি হয়নি’ এবং ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি’ বলে রাজণৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, সে বিষয়ে সিইসির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘বলতেই পারে। আমরা অতীতে দেখেছি মনোনয়নপত্র জমার সময় অনেক ভায়োলেন্স (বিশৃঙ্খলা) হয়; এবার নমিনেশন ফাইলিং (মনোনয়নপত্র জমা) এত সুন্দরভাবে হয়েছে; কোথাও মারামারি হয়েছে, গোলমাল হয়েছে—এমন তথ্য পাইনি এবার। এটা ভালো দিক।’
নাসির উদ্দিন বলেন, অনেকে বলেছে ইসি এটা করেছে, ওটা করেছে; বাতিল করে দিয়েছে অন্যায়ভাবে। রিটার্নিং কর্মকর্তার ক্ষমতা রয়েছে, আইন তাদের ক্ষমতা দিয়েছে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। তারা তাদের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, যারা আপিল করবেন আমরা আইন অনুযায়ী যা করার করব। কমিশন থেকে সিদ্ধান্ত দেবে। সম্পূর্ণ ন্যায় বিচার পাবেন তারা।
তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল আবেদনের শুনানি করে নিষ্পত্তি করবে। এরপর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ শুরু হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা থেকে।
১৪৭ দিন আগে
এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, এবারের নির্বাচন হবে ‘লাইনচ্যুত ট্রেনকে’ লাইনে ফিরিয়ে আনার নির্বাচন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও ব্যুরোর সম্মেলনকক্ষে ৮১টি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থার মোর্চা ‘এলায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’র (এএফইডি) একটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উদাহরণ দিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘২০২৬ সালের নির্বাচনকে আমি যদি একটু রূপকভাবে বলি—এটা অনেকটা লাইনচ্যুত একটি ট্রেনকে আবার লাইনে ফিরিয়ে এনে চালু করার মতো। ন্যূনতম রিপেয়ার করে, কিছু যন্ত্রাংশ বদলে অন্তত গতি দেওয়ার চেষ্টা। যদি আমরা এটা করতে পারি, তাহলে এটাকেই আমরা প্রথম বড় সাফল্য হিসেবে ধরতে পারি। এরপর পরবর্তী দিকনির্দেশনায় আরও উন্নতির দিকে এগোতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা অনেক এবং যৌক্তিক প্রত্যাশা। তবে ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে আমরা যে প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে আমাদের একটা বিরাট ভ্যাকুয়াম (শূন্যতা) হয়ে গিয়েছে। এই ভ্যাকুয়ামের কারণে আমরা এখনো বলতে পারি, আমরা ২০০৮ সালের আগে পড়ে আছি।’
বিগত নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, গত তিনটি নির্বাচনে যেসব ঘাটতি ও ক্ষতি হয়েছে, সেগুলো বিবেচনায় নিয়ে আমরা সম্মিলিতভাবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করছি। নির্বাচন কমিশনের প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর যৌক্তিক প্রত্যাশার মধ্যে সমন্বয় ঘটানো জরুরি।
তিনি বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ফেরাতে নির্বাচন কমিশন বাস্তবসম্মত ও অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করতে চায়। এক্ষেত্রে সব পক্ষের সহযোগিতা অপরিহার্য।
বিগত তিনটি নির্বাচনে পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো যথাযথ দায়িত্ব পালন করেনি মন্তব্য করে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ৩০০টি সংস্থা আবেদন করেছিল, নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে ৮১টিকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে। বিগত তিনটি নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা সংস্থাগুলো যেভাবে দায়িত্ব পালন করেছিল তা যথাযথ ছিল না।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনি পর্যবেক্ষকদের ন্যূনতম বয়স ২১ বছর করা হয়েছে। এটি অংশগ্রহণকে আরও বিস্তৃত করবে। তবে অভিজ্ঞতার অভাবের কারণে কিছু উদ্বেগও প্রকাশ করেন তিনি। তিনি সকল অংশীজনকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান যাতে ২০২৬ সালের নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়।
পোস্টাল ভোটিংয়ের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশ-বিদেশের প্রায় ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ভোটার ইতোমধ্যেই নিবন্ধন সম্পন্ন করেছে।
আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে প্রবাসীদের নভোটার নিবন্ধনেরর হার ২.৭ শতাংশ, তবে বাংলাদেশে প্রবাসী ভোটারের নিবন্ধন ইতোমধ্যেই ৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে।
এ সময় আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে আমরা জাতীয় প্রত্যাশা পূরণ করতে পারব এবং দেশের জনগণকে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পারব।
অনুষ্ঠানে ডেমোক্রেসি ওয়াচের চেয়ারপারসন তালেয়া রহমান খান, ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার রোকসানা খন্দকার, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
১৪৮ দিন আগে
চার দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান
দেশে ফেরার পর ঢাকার বাইরে প্রথম সফরসূচি নির্ধারণ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী ১১ থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।
চূড়ান্ত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি তিনি ঢাকা ত্যাগ করে ১৪ জানুয়ারি ঢাকায় ফিরবেন। এ সময় উত্তরাঞ্চলের মোট নয়টি জেলা সফর করবেন তারেক রহমান।
সফরের প্রথম দিন ১১ জানুয়ারি ঢাকায় কর্মসূচি শেষে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তারেক রহমান। পরে তিনি বগুড়ায় পৌঁছাবেন।
১২ জানুয়ারি বগুড়া থেকে সফর শুরু করে তিনি রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলায় সাংগঠনিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। একই দিনে রংপুরে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করার কর্মসূচিও রয়েছে।
১৩ জানুয়ারি পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক ও মতবিনিময় করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
সফরের শেষ দিন ১৪ জানুয়ারি রংপুর ও বগুড়ায় আরও কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।
নিহত জুলাই যোদ্ধা ও দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত এবং বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য এই সফরের আয়োজন করা হয়েছে।
সফরকালে তিনি মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ এবং তৈয়বা মজুমদারসহ নিহত জুলাই যোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের কবর জিয়ারত করবেন। এছাড়া তাদের পরিবারের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, সফরকালে তারেক রহমান নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত নির্বাচনি আচরণবিধি পুরোপুরি অনুসরণ করবেন এবং কোনোভাবেই আচরণবিধি লঙ্ঘন করবেন না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে এই সফরের বিষয়ে জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারের সই করা এক চিঠিতে ঢাকা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কর্মসূচির বিষয়টি অবহিত করা হয়।
কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছে বিএনপি।
১৪৮ দিন আগে
নির্বাচনি তথ্য ও অভিযোগ গ্রহণে দায়িত্বে ১০ কর্মকর্তা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সংক্রান্ত তথ্য ও অভিযোগ গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন-ইসির ১০ জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ইসির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়
দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে খুলনা অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দীন আহমদ (মোবাইল: ০১৭১২৫৯১১৪৪, ইমেইল: [email protected])।
ফরিদপুর অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল হাসান ভূঞা (মোবাইল: ০১৭১১৩৬৯৯৭৬, ইমেইল: [email protected])।
ময়মনসিংহ অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মুরাদ উদ্দিন হাওলাদার (মোবাইল: ০১৭১২০৪৪১৮৮, ইমেইল: [email protected])।
বরিশাল অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন ইসি সচিবালয়ের সহকারী সচিব মোহাম্মদ আল-মামুন (মোবাইল: ০১৯৩৭৬৩৮০৩৫, ইমেইল: [email protected])।
সিলেট অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন ইসির সহকারী পরিচালক মিসবাহ উদ্দীন আহমেদ (মোবাইল: ০১৭১৭২৪৪০৭৮, ইমেইল: [email protected])।
ঢাকা অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হলেন ইসি সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক জাকির মাহ্মুদ (মোবাইল: ০১৭১৮৫৬৪৬৩৫, ইমেইল: [email protected])।
রংপুর অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন ইসি সচিবালয়ের সহকারী সচিব সৈয়দ গোলাম রাশেদ (মোবাইল: ০১৮১৮২৬৮০৮২, ইমেইল: [email protected])।
চট্টগ্রাম অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন ইসি সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাঃ সরওয়ার হোসেন (মোবাইল: ০১৭১৭৪০৫৫৯৪, ইমেইল: [email protected])।
রাজশাহী অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন ইসি সচিবালয়ের সহকারী সচিব মোঃ মমতাজ-আল-শিবলী (মোবাইল: ০১৬৭৬৩২৪৬০৯, ইমেইল: [email protected])।
কুমিল্লা অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হলেন ইসি সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক মো: ইকরামুল হাসান (মোবাইল: ০১৭৯৭১৮৫১২৩, ইমেইল: [email protected])।
এছাড়া নির্বাচন কমিশনের দুটি ই-মেইলে নির্বাচন-সংক্রান্ত তথ্য ও অভিযোগ পাঠানো যাবে ([email protected], [email protected])।
নির্বাচন কমিশন গত ১৪ ডিসেম্বর ৩০০টি সংসদীয় আসনের জন্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি গঠন করেছে। এসব কমিটির কাছেও সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের নির্বাচন-সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করা যাবে।
১৪৯ দিন আগে
দলে অনুপ্রবেশ করে একটি গোষ্ঠী অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে: নাহিদ ইসলাম
জুলাই যোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভীর সঙ্গে ন্যায়বিচার করা হয়নি এবং পুরো বিষয়টি বানোয়াট ছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
সেমাবার (৫ জানুয়ারি) রাতেই জামিনে মুক্তি পাওয়া তাসলিমাকে দেখতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, কিছু কিছু মিডিয়া জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে গণঅভ্যুত্থানের সামনের সারিতে থাকা ব্যক্তিদের চরিত্র হননের চেষ্টা করছে। সুরভীর ঘটনাটিও তারই ধারাবাহিকতা বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, দলের মধ্যে অনুপ্রবেশ করে একটি গোষ্ঠী দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে। সে ব্যাপারে সবাইকে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গতকাল সকালে এক সাংবাদিকের করা অপহরণ ও চাঁদাবাজীর মামলায় আদালতে তোলে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এমন খবরে ততক্ষণে বিক্ষোভ শুরু করেন ছাত্র জনতা। পরে রিভিশন আবেদন করলে এদিন রাতেই তার রিমান্ড বাতিল করে জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।
এর আগে, গত ২৫ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১২টার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানার গোপালপুর টেকপাড়া এলাকার নিজ বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সুরভী ওই এলাকার সেলিম মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ জানায়, সুরভীর বিরুদ্ধে কালিয়াকৈর থানায় নাইমুর রহমান দুর্জয় নামের এক যুবকের করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। মামলায় চাঁদাবাজি, অপহরণ করে অর্থ আদায় ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া তিনি সেনাবাহিনী প্রধানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করতেন বলেও দাবি পুলিশের।
১৪৯ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ছেড়ে ভোটের মাঠে আব্দুল আউয়াল মিন্টু
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভুঞা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়নপত্র জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বৈধ ঘোষণা করেছেন। মিন্টু হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, তিনি গত ৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।
ব্যবসায়ী মিন্টুর মোট সম্পদ ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ ৮ হাজার ১৭১ টাকা। নিজের নামে কোনো ঋণ নেই, তবে সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে ২৯৪ কোটি টাকা ঋণ রয়েছে। স্থাবর সম্পত্তির বাজার মূল্য ৩৩৩ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭০ টাকা, যার মধ্যে অকৃষি জমি ৭ কোটি ১৫ লাখ, আবাসিক-বাণিজ্যিক ভবন ৪২ লাখ এবং বাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্ট ৩০ লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পদ ১৭৪ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার, নগদ ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, ব্যাংকে ১ কোটি টাকা, শেয়ার ও বন্ডে ১৫১ কোটি টাকা।
হলফনামায় তার স্ত্রী নাসরিন ফাতেমার সম্পদ ৯৯ কোটি ২৪ লাখ, বড় ছেলে তাবিথ আউয়াল ৫৯ কোটি, মেজো ছেলে তাফসির ৪৯ কোটি, ছোট ছেলে তাজোয়ার ২৬ কোটি টাকা। দেশে তার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয় ১ কোটি ১২ লাখ, আয়কর ৩৯ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
মিন্টুর বিরুদ্ধে ২৬টি মামলায় খালাস বা অব্যাহতি হয়েছে; তবে ধানমন্ডির সিএমএম আদালতে ২০০৭ সালে জামিনপ্রাপ্ত একটি মামলা স্থগিত রয়েছে। তিনি ১৯৪৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছেন, ফেনীর দাগনভুঞা উপজেলার আলাইয়াপুর ফরাজি বাড়িকে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বর্তমানে গুলশানে বসবাস করছেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর।
১৫০ দিন আগে
সালেক চৌধুরীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার
দলীয় নীতি ও সংগঠন পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে নওগাঁর বিএনপি নেতা ডা. সালেক চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ন-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা দলীয় প্যাডে তাকে বহিষ্কারের আদেশ দেওয়া হয়।
ডা. সালেক চৌধুরী জেলার নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। নওগাঁ-১ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্যও হয়েছেন।
ইতোমধ্যে বহিষ্কারের একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন। তিনি বলেন, কেন্দ্র থেকে ডা. সালেক চৌধুরীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যেটার চিঠি আমরা পেয়েছি।
এ বিষয়ে ডা. সালেক চৌধুরী বলেন, এ বিষয়ে আমি এখনও জানি না। আর যদি বহিষ্কার করে থাকে সেটা নিয়মের মধ্যে হয়নি। কারণ আগামী ২০ তারিখ পর্যন্ত বিবেচনা করার সময় ছিল। যদি আমি মনোনয়ন প্রত্যাহার না করতাম, তাহলে একটা কথা ছিল। আর যদি সত্যি সত্যি দল থেকে বহিষ্কার করে, তাহলে আমি নির্বাচন করব। কারণ আমার তো আর কোনো পথ নেই। কাজেই শেষ পর্যন্ত ভোটে লড়াই করব বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে, বহিষ্কারের কারণ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলেও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদ্য বহিষ্কৃত উপজেলা বিএনপির নেতা সালেক চৌধুরী নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর-সাপাহার-পোরশা) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু তাকে মনোনয়ন না দিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানকে দলীয়ভাবে মনোনীত করে কেন্দ্রীয় বিএনপি। যার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সালেক চৌধুরী। গত রবিবার ছিল মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের দিন। মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে বৈধ হিসেবে বিবেচিত হয় বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত ওই নেতার মনোনয়ন।
ডা. সালেক চৌধুরী নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর-সাপাহার-পোরশা) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ১৯৯৬ সালে ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
১৫০ দিন আগে
যশোরের ৬টি আসনে ১৯ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১৯ জনের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ছয়টি আসনে মোট ৭১টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন প্রার্থীরা। এর মধ্যে ৪৬টি মনোনয়নপত্র জমা করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ২৭টি মনোনয়নপত্র বৈধ ও ১৯টি মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
আসনভিত্তিক হিসাবে— যশোর-১ (শার্শা) আসনে জমা দেওয়া ৭টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৪টি বৈধ ও ৩টি বাতিল, যশোর-২ (ঝিকরগাছা- চৌগাছা) আসনে ১০টি মনোনয়নপত্র জমাদানের বিপরীতে ৫টি বৈধ ও ৫টি বাতিল, যশোর-৩ (সদর) আসনে জমা হওয়া ৬টির মধ্যে ৫টি বৈধ ও ১টি বাতিল, যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও সদরের বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনে ১০টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৬টি বৈধ ও ৪টি বাতিল, যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে জমাদানকৃত ৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৪টি বৈধ ও ৪টি বাতিল এবং যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে ৫টি মনোনয়নপত্র জমার পর ৩টি বৈধ ও ২টি বাতিল করা হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় আরও জানিয়েছে, নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন।
১৫০ দিন আগে
কুষ্টিয়ার চারটি আসনে মনোনয়ন বাতিল হওয়া ৬ জনের পাঁচজনই স্বতন্ত্র
কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনে জমা পড়া ৩৩টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৬টি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজন স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং একজন দলীয় প্রার্থী রয়েছেন।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে শুরু করে ১২টা পর্যন্ত মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকালে এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন।
কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা ও জেএসডির গিয়াস উদ্দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এদের মধ্যে হাবলু মোল্লার মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আল আহসানুল হকের মনোনয়নও বাতিল করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কুমারখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম আনসার প্রামাণিক, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির খাইরুল ইসলাম—এ তিনজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তারা জানান, খাইরুল ইসলাম সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন। বিধি অনুযায়ী চাকরি থেকে অব্যাহতি না থাকায় তার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আর শেখ সাদী ও আনসার প্রামাণিকের মনোনয়নপত্রে ভুল থাকায় তা বাতিল করা হয়েছে। তবে বড় দলের মনোনীত কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়নি।
বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা ও নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন।
১৫১ দিন আগে
মায়ের দেখানো পথ ধরেই দেশকে এগিয়ে নেবেন তারেক রহমান: রিজভী
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মায়ের দেখানো পথ ধরেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন তারেক রহমান। তার দেখানো পথ দিয়ে এগিয়ে গেলেই আমরা গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে পারব। ধরে রাখতে পারব দেশের পতাকা ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, জ্যেষ্ঠ সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খানের নেতত্বে এ সময় বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।
রিজভী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার যে আদর্শ, যে নৈতিকতা, যে অঙ্গীকার জনগণের কাছে দিয়েছিলেন, তার যে রেখে যাওয়া আদর্শ, সেই আদর্শ এত উঁচু মাত্রার নৈতিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে…আমরা সেই পথ ধরে, তার দেখানো পথ ধরেই আমরা এগিয়ে যাব। জাতীয়তাবাদী মহিলা দল এগিয়ে যাবে, বিএনপি এগিয়ে যাবে, সকল অঙ্গ সংগঠন এবং এদেশের জাতীয়তাবাদী শক্তি এগিয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘তার দেখানো পথ দিয়ে এগিয়ে গেলেই আমরা গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে পারব, আমরা দেশের পতাকাকে ধরে রাখতে পারব, স্বাধীনতাকে ধরে রাখতে পারব, সার্বভৌমত্বকে ধরে রাখতে পারব। সুতরাং তিনি যে প্রেরণা, যে যন্ত্রণা সহ্য করে, অত্যাচার সহ্য করে তিনি তার পতাকাকে উড্ডীন রেখেছিলেন, সেই দৃষ্টান্তই আমরা অনুসরণ করে আমরা এগিয়ে যাব।’
রিজভী বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসনের জ্যেষ্ঠ পুত্র দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে পতাকা হাতে নিয়েছেন, তার মায়ের প্রদর্শিত পথ ধরে তিনি এগিয়ে নিয়ে যাবেন এই দেশকে নতুন সম্ভাবনার দিকে নতুন দিগন্তের দিকে। আমরা সেই দিগন্তের দিকে এগিয়ে যাব, যার জন্য প্রায় ৪৫/৪৬ বছর লড়াই করে গেছেন, নিরন্তর লড়াই করে গেছেন, নিরন্তর সংগ্রাম করে গেছেন বেগম খালেদা জিয়া।’
আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিহিংসামূলক ‘মিথ্যা মামলায়’ সাজা দিয়ে খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিপীড়ন-নির্যাতন, চিকিৎসা না দেওয়া, ভুল চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘এর মধ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার অশুভ চক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু তার যে অটুট মনোবল, তার যে ধৈর্য, আত্মসংগ্রাম, তার যে সাহস, তার যে দৃঢ় প্রত্যয়, যেকোনো হুমকির মুখে তাকে তার মাটি থেকে সরানো যায় না। তার জলন্ত এক প্রমাণ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।’
তিনি বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে কত কুরুচিপূর্ণ কথা বলা হয়েছে, কত ধরনের নোংরা কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তার আত্মসংযমের মধ্যে তার সজ্জন এবং সুরুচিপূর্ণ কথার মধ্যে দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, যারা কুরুচিপূর্ণ কথা বলে, তারা জনগণ থেকে ধিকৃত হয়, আর যারা সৌজন্য বোধপ্রিয়, যারা হাজার আক্রমণের মুখেও, হাজার বাজে কথা বলার পরেও যিনি একটি মাত্র খারাপ শব্দ, বাজে শব্দ উচ্চারণ করেন না, তাকেই আল্লাহ মহিমান্বিত করেন।’
বুধবার খালেদা জিয়ার জানায় জনসমুদ্রের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আজকে দেখুন, পরশুদিন থেকে জনতার ঢাল নেমেছে এই কবর প্রাঙ্গণে। সারা বাংলাদেশের মানুষ আসছে, দোয়া করছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য।’
১৫২ দিন আগে