রাজনীতি
প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’: তারেক রহমান
দীর্ঘ ১৭ বছর পরে দেশে ফিরে ‘প্রত্যাশিত বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য আমার একটি পরিকল্পনা আছে। যদি সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে হয়, এই দেশের প্রতিটি মানুষের সহযোগিতা আমার লাগবে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মঞ্চে উঠে ‘প্রিয় বাংলাদেশ’ বলে বক্তব্য শুরু করেন তারেক রহমান। দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সালাম দিয়ে দেশে ফিরে আসতে পারায় সৃষ্টিকর্তার দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ৭৫-এর ৭ নভেম্বর আবার সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে আধিপত্যবাদীদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ৯০-এর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এদেশের জনগণ, খেটে খাওয়া মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ছিনিয়ে এনেছিল। কিন্তু তারপরও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি।
‘আমরা তার পর দেখেছি, ২০২৪ সালে। ’৭১ সালে এদেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতাসহ কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী, পুরুষ, মাদ্রাসার ছাত্রসহ দলমত, শ্রেণিপেশা নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল।’
১৬১ দিন আগে
সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছেছেন তারেক রহমান
রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান সম্বলিত লাল-সবুজ রঙের বাসে চড়ে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ৩টার দিকে তিনি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান।
বাসটি পৌঁছানোমাত্রই ভক্ত-সমর্থকদের স্লোগানে চারপাশ প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। দীর্ঘ দিন পর নেতাকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সেখানে অপেক্ষমাণ লাখো নেতা-কর্মী।
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফেরা তারেক রহমানকে একনজর দেখতে সকাল থেকেই ৩০০ ফিট এলাকায় জনস্রোত তৈরি হয়েছে। মঞ্চে উঠে তিনি জনতার উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন।
১৬১ দিন আগে
গুলশানের বাসায় পৌঁছেছেন জুবাইদা ও জাইমা
১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে এসেছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।
বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমান সরাসরি রাজধানীর কুড়িল সংলগ্ন পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ ফিট) আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রওনা দিয়েছেন। তবে ডা. জুবাইদা রহমান ও জাইমা রহমান গিয়েছেন তারেক রহমানের বাসভবন ১৯৬ গুলশান অ্যাভিনিউতে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের সিকিউরিটি ফোর্সের (সিএসএফ) এক কর্মকর্তা জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) বেলা ১টার দিকে তারা গুলশানের বাসায় পৌঁছান।
নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুযায়ী পুলিশ ও সিএসএফ সদস্যরা তাদের বাসায় পৌঁছে দেন। তারেক রহমান পরিবারের সঙ্গে এই বাসাতেই অবস্থান করবেন।
এর আগে, বেলা ১১টা ৪৪ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ঢাকায় ফেরেন তিনি।
ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে তারেক রহমানকে প্রথমে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে মির্জা ফখরুল ও স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে একে একে আলিঙ্গন করেন তিনি। এছাড়া উপস্থিত নেতাদের সঙ্গেও করেন কুশল বিনিময়। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান এবং দেশে থাকা পরিবারের অন্য সদস্যরা।
স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। এরপর আজ সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে উড়োজাহাজটি সিলেটে অবতরণ করে। সেখানে ঘণ্টাখানেক যাত্রাবিরতি দেওয়া হয়। এরপর সেটি ঢাকার উদ্দেশে বেলা ১১টা ৪ মিনিটে বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জতিক বিমানবন্দরে অবতরণের প্রায় ১ ঘণ্টা পর বিমানবন্দর ছেড়ে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থলের দিকে রওনা হয়েছেন তারেক রহমান।
আজ দুপুর সাড়ে ১২টার পর বিমানবন্দর ছাড়ে তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী গাড়িবহর।
বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালের সামনে থেকে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান সম্বলিত লাল রঙের বাসে চড়ে ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’র মঞ্চের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। বাসের সামনের অংশে দাঁড়িয়ে দলের কর্মী-সমর্থকদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাতে জানাতে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সেখান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন তারেক রহমান। এরপর তিনি উঠবেন গুলশানের বাসায়।
১৬১ দিন আগে
দেশে ফিরেই প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন, ধন্যবাদ জানালেন তারেক রহমান
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটে পৌঁছানোর পর ঢাকায় আসেন তিনি। ঢাকায় ফিরেই তিনি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ফোন করেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪৪ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সেখান থেকেই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তারেক রহমান।
দুপুর ১টার দিকে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ওই ফোনালাপের একটি ভিডিও শেয়ার করেন তিনি।
ভিডিওতে দেখা যায়, ফোনালাপে তিনি প্রধান উপদেষ্টার খোঁজখবর নেন এবং বলেন, আমি আমার পক্ষ থেকে এবং আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিশেষ করে আমার নিরাপত্তার জন্য যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
ফোনালাপের শেষে তিনি প্রধান উপদেষ্টার কাছে দোয়া চান এবং সালাম দিয়ে কথা শেষ করেন।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জতিক বিমানবন্দরে অবতরণের প্রায় ১ ঘণ্টা পর বিমানবন্দর ছেড়ে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থলের দিকে রওনা হয়েছেন তারেক রহমান।
আজ দুপুর সাড়ে ১২টার পর বিমানবন্দর ছাড়ে তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী গাড়িবহর।
বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালের সামনে থেকে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান সম্বলিত লাল রঙের বাসে চড়ে ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’র মঞ্চের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। বাসের সামনের অংশে দাঁড়িয়ে দলের কর্মী-সমর্থকদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাতে জানাতে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
এর আগে, বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে এসে লাগোয়া বাগানে খালি পায়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। এ সময় তিনি একমুঠো মাটি হাতে তুলে নেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সেখান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন তারেক রহমান। এরপর তিনি গুলশানের বাসায় উঠবেন।
১৬১ দিন আগে
জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ের পথে তারেক রহমান
হজরত শাহজালাল আন্তর্জতিক বিমানবন্দরে অবতরণের প্রায় ১ ঘণ্টা পর বিমানবন্দর ছেড়ে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থলের দিকে রওনা হয়েছেন তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার পর বিমানবন্দর ছাড়ে তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী গাড়িবহর।
বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালের সামনে থেকে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান সম্বলিত লাল রঙের বাসে চড়ে ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’র মঞ্চের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। বাসের সামনের অংশে দাঁড়িয়ে দলের কর্মী-সমর্থকদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাতে জানাতে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
এর আগে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে এসে লাগোয়া বাগানে খালি পায়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি একমুঠো মাটি হাতে তুলে নেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সেখান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন তারেক রহমান। এরপর গুলশানের বাসায় উঠবেন তিনি।
১৬২ দিন আগে
১৭ বছর পর ঢাকায় তারেক রহমান
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ঢাকার মাটিতে পা রেখেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটে পৌঁছানোর পর অবশেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করার পর ১১টা ৪৪ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার ইউএনবিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তারেক রহমানের সঙ্গে স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও দেশে এসেছেন।
স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। এরপর আজ সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে উড়োজাহাজটি সিলেটে অবতরণ করে। সেখানে কিছু সময় যাত্রাবিরতি দেওয়া হয়। এরপর সেটি ঢাকার উদ্দেশে বেলা ১১টা ৪ মিনিটে বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
এভিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি ১৯২ জন যাত্রী নিয়ে লন্ডন থেকে দেশে আসে। এর মধ্যে ৮৫ জন যাত্রীকে সিলেটে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ১০৭ জন যাত্রী নিয়ে বিমানটি ঢাকার উদ্দেশে সিলেট থেকে রওনা হয়।
বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে ৩০০ ফিটে দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে যাবেন তারেক রহমান। সেখান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন তিনি।
২০০৭ সালের জানুয়ারিতে দেশের ক্ষমতা নেওয়া সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হন বিএনপির তৎকালীন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান। ঢাকা সেনানিবাসে শহীদ মইনুল সড়কের বাসা থেকে যৌথ বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে দেওয়া হয় এক ডজনের বেশি মামলা। যৌথ বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে ভর্তি করা হয় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে।
১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। এরপর চিকিৎসার জন্য ১১ সেপ্টেম্বর লন্ডনের উদ্দেশে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা ছাড়েন তারেক রহমান।
সে সময়ের সরকারের বিধিনিষেধ আরোপের কারণে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে তার নির্বাসন জীবন শুরু হয়। দেড় যুগের এই নির্বাসনে লন্ডন থেকে দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন, দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন তারেক রহমান।
সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ১৩টি এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ৭২টি মামলা হয়। এর মধ্যে অন্তত পাঁচটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয় তাকে। গণমাধ্যমেও তার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় আদালতের মাধ্যমে। গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর একে একে সব মামলা থেকে খালাস পান তারেক রহমান।
১৬২ দিন আগে
১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশের মাটিতে তারেক রহমান
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে ফিরলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টা ৫৬ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে।
তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান। সিলেটে যাত্রাবিরতির পর ফ্লাইটটি সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।
বিএনপির মিডিয়া সেল সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-১০২ বাংলাদেশ সময় রাত আনুমানিক ১২টা ২৩ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে।
এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থল রাজধানীর পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ ফিট এলাকা) সকাল থেকেই বিএনপির নেতা–কর্মীরা জড়ো হয়েছেন।
১৬২ দিন আগে
আরও সাত শরিকের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা, আট আসন ছাড় বিএনপির
ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে শরিক ৭টি দলের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতায় পৌঁছেছে বিএনপি। এ সমঝোতার আওতায় ওই দলগুলোর জন্য ৮টি সংসদীয় আসন বণ্টন করেছে দলটি।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তালিকা ঘোষণা করেন।
সমঝোতা অনুযায়ী বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, নড়াইল-২ আসনে এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, যশোর-৫ ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি রশিদ বিন ওয়াক্কাস, পটুয়াখালীর-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ঝিনাইদহ-৪ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
ফখরুল বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছিলেন, তাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে আমরা যে সিদ্ধান্তগুলোতে একমত হতে পেরেছি, সেই আসনগুলোতে সমঝোতা করেছি। তা আমি আপনাদের জানিয়ে দিচ্ছি। এই তালিকার পরও আলোচনা চলবে, তারপরে সিদ্ধান্ত হলে দলের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা-৭ আসনে রেদোয়ান আহমেদ এবং ঢাকা- ১৩ আসনে এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজকে দেওয়া হয়েছে। রেদোয়ান সাহেব আজ যোগ দিয়েছেন এবং ববি হাজ্জাজ শিগগিরই বিএনপিতে যোগ দেবেন।’
যাদের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা হয়েছে তারা নিজ নিজ প্রতীকে অংশ নেবেন এবং যারা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন তারা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া ড. রেদোয়ান আহমেদ।
এর আগে মঙ্গলবার জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতায় ৪ আসন ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি। সব মিলিয়ে শরিকদের জন্য বিএনপি এ পর্যন্ত ১২টি আসন ছাড়ল।
এছাড়া বিএনপি দলীয়ভাবে দুই ধাপে ২৭২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল। তার সঙ্গে রেদোয়ান ও ববির আসন ধরলে মোট ২৭৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হল। সেই হিসেবে আরও ১৪টি আসনের ফয়সালা বাকি থাকল।
১৬২ দিন আগে
নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থীর জামায়াত সংশ্লিষ্ঠতার অভিযোগ, প্রশ্নবানে জর্জরিত নেতারা
নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থীর জামায়াত সংশ্লিষ্ঠতার অভিযোগ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রূনি মিলনায়তনে মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির নেতারা। তবে মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম এতে নিজে উপস্থিত ছিলেন না।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নবানে জর্জরিত হয়ে অনেক বিষয় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন জেলা বিএনপির নেতারা।
নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো বলেন, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যায় একটি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা হয়েছে। তিনি একজন সজ্জন ব্যাবসায়ী ও জাতীয়তাবাদী আদর্শের নেতা হওয়ায় বিগত দিনে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে এবং কারাবরণ করেছেন। তার ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ সময়ে সাংবাদিকরা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের বিগত দিনে জামায়াতের ইসলামী রাজনীতির সম্পৃক্ততা এবং তার পদ পদবী নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। জবাবে জেলার নেতারা বলেন, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম একসময়ে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি করতেন। পরে তিনি বিগত ২০ বছর ধরে বিএনপি করছেন। তবে এ সংক্রান্ত কোন সুনির্দিষ্ট ডকুমেন্টস তুলে ধরতে পারেননি তারা।
সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, এই আসনে একসময়ে ডাকসাইটে নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমদ নির্বাচন করতেন। সেই মুক্তিযোদ্ধার আসনে কিভাবে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নে জেলার নেতারা বলেন, কেন্দ্র থেকে সবকিছু যাচাই-বাছাই করে মনোনয়ন দিয়েছে।
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের ছোট মেয়ে এবি পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ব্যারিষ্টার নাসরীন সুলতানা মিলি ঢাকা-১০ আসনে নির্বাচন করছেন। আবার ফখরুলের তিন ভাই জামায়াতের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত, আরেক মেয়ে জামায়াত নেতার সঙ্গে বিবাহ দেওয়ার ঘটনার বিষয়ে প্রশ্ন করলে জেলার নেতারা বলেন, তারা এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানেন না। তবে একই পরিবারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দর্শন থাকতেই পারে।
আওয়ামী লীগ আমলে সুবিধাভোগি ও বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম গ্রুপের সাথে সখ্যতা ও ব্যবসায়ী অংশীদার বিষয়ে প্রশ্ন করলে জেলার নেতারা তা অস্বীকার করেন।
২০০৯ সালে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন করার বিষয়ে প্রশ্ন করলে জেলার নেতারা তা অস্বীকার করেন। তবে সেখানে উপস্থিত একজন নেতা বলেন, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম জামায়াতের প্রার্থী হিসেবেই ওই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।
তুরস্কে আবাসন খাতে বিনিয়োগের বিষয়ে প্রশ্ন করলে সে অভিযোগও অস্বীকার করেন বিএনপি নেতারা।
আওয়ামী লীগ আমলে নির্যাতিত হলে ২০২২ সালে পদ্মা লাইফ ইন্সুরেন্সের চেয়ারম্যান কিভাবে নিযুক্ত হলেন এবং অর্থ লোপাটের অভিযোগ কিভাবে আসলো এমন অভিযোগেরও কোন সদুত্তর দিতে পারেনি নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
১৬৩ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবুর সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের মতবিনিময়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবুর সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্সের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামের পর আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুন্দর, সুষ্ঠু ও সফল হবে। এখনও কিছু মানুষের মধ্যে নির্বাচন হবে কিনা—এ নিয়ে আতঙ্ক থাকলেও বিএনপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে এবারের নির্বাচন অবশ্যই অনুষ্ঠিত হবে এবং তা সফল হবে।
তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে দুটি ব্যালট থাকবে—একটি দলীয় প্রতীকের জন্য এবং অন্যটি গণভোটের জন্য।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোর পাশাপাশি স্থানীয় সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া কামনা করেন এবং একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
বক্তব্যে মাহমুদ হাসান খান বাবু তার আসনসহ চুয়াডাঙ্গা জেলার সার্বিক উন্নয়ন ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মানুষের পাশে থেকে এলাকাভিত্তিক অবকাঠামো, সড়ক যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ক্রীড়া খাতের উন্নয়নে কাজ করা হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে টেকসই কৃষিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে বেকারত্ব হ্রাসের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, চুয়াডাঙ্গা একটি কৃষিভিত্তিক বৃহৎ জোন হওয়ায় জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা। জেলাবাসীর এই প্রাণের দাবি বাস্তবায়নে তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করতে চান। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে উপজেলাভিত্তিক আধুনিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই নির্বাচন সফল হওয়াই বর্তমানে মানুষের একমাত্র আশা। নির্বাচন সুষ্ঠু ও সফলভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চুয়াডাঙ্গার চারটি উপজেলায় চারটি ফুটবল মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, একটি রাষ্ট্র পুনর্গঠনে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দুর্নীতি রোধে রাজনীতিবিদ, আমলা ও ব্যবসায়ীদের সম্মিলিতভাবে সৎ থাকা জরুরি। এই তিন পক্ষ ঠিক থাকলে সমাজে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি কমে যাবে। একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু রাষ্ট্র গঠনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে জয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
মতবিনিময় সভায় তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলার উন্নয়নে সবার আগে দুর্নীতি প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি রাজীব হাসান কচি, সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সরদার আল আমিন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আজাদ মালিতা, সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন, প্রেসক্লাবের সহসভাপতি রফিক রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক এম এ মামুন, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফাইজার চৌধুরী, সাংবাদিক হুসাইন মালিক, জিসান আহমেদসহ জেলায় কর্মরত ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
১৬৩ দিন আগে