রাজনীতি
নির্বাচনে জিতলে খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতি, তারেক হবেন প্রধানমন্ত্রী: বুলু
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করলে খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতি এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু।
তিনি বলেছেন, ‘আমাদের ৫০ শতাংশ ভোটার হচ্ছেন নারী। এই মায়েদের ভোটে খালেদা জিয়া ৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ভোটে এই মা-বোনরাই ভোট দিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করবেন। ইনশাআল্লাহ খালেদা জিয়া বেঁচে থাকবেন এবং এই ভোটের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হবেন, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। এটাই হলো আগামী দিনের বাংলাদেশ। এর বাইরে যদি কিছু হয় এই বাংলাদেশ থাকবে না।’
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পল্টনে ভাসানী ভবনে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে জিয়া মঞ্চ আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও কোরআন খতম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বুলু বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আজ অসুস্থ। কিন্তু দেশ ও দেশের মানুষের জন্য তার বেঁচে থাকা প্রয়োজন।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য নানা ষড়যন্ত্র চলছে এবং দেশের অস্তিত্বকেও ঝুঁকির মুখে ফেলা হচ্ছে।
বুলু বলেন, দেশকে এই ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত করতে জাতীয়তাবাদী শক্তির এখন ঐক্য প্রয়োজন। বেগম খালেদা জিয়া সেই ঐক্যের প্রতীক। আসুন, সবাই তার জন্য দোয়া করি। তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে যেন আগের মতোই আমাদের মাঝে ফিরে কাজ করতে পারেন। তিনি আমাদের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অনুপ্রেরণার উৎস।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠায় শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন দল ও শ্রেণিপেশার মানুষ একত্র হলেও এটিকে পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দলে রূপ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। ৯ বছর ধরে সারা দেশে ঘুরে তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে বিএনপিকে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠন এবং দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত করেছেন খালেদা জিয়া।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ৩১ দফা বাংলাদেশের আগামী ১০০ বছরের মুক্তির সনদ। এর বাইরে গিয়ে কেউ কোনো নতুন সংস্কারের রূপরেখা দিতে পারবে না। আর সংস্কার একটি চলমান রূপরেখা। পৃথিবীর সৃষ্টি থেকে কেয়ামত পর্যন্ত সংস্কার চলতেই থাকবে। এটার কোনো শেষ নেই।
এ সময় ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারকারীদেরও সমালোচনা করেন বুলু। তিনি বলেন, জাতি এখন কঠিন প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। অনেকে ধর্ম ব্যবহার করে ব্যবসা করছে, ইসলামের নাম ভাঙিয়ে করছে রাজনীতি।
দেশবাসীকে সতর্ক করে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে তাদের হাত থেকে, যারা এটিকে আফগানিস্তান, সিরিয়া বা ইরাকের মতো বানাতে চায়।
এ সময় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক সুস্থতা কামনা করে দোয়া এবং কোরআন খতম দেওয়া হয়।
১৯১ দিন আগে
বাংলাদেশ এখন গণতন্ত্রের উত্তরণের পথে যাচ্ছে: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশ গণতন্ত্র উত্তোরণের পথে যাচ্ছে, সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে। কোনোরকম ঝামেলা ছাড়াই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্ববর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির হলরুমে আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন গণতন্ত্রের উত্তরণের পথে যাচ্ছে। এরই মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় ঘোষণা করেছেন এবং বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল তাদের ক্যান্ডিডেট ঘোষণা করেছে। নির্বাচনের আবহাওয়া শুরু হয়ে গেছে।
‘সুতরাং আমরা আশাবাদী, কোনোরকম ঝামেলা ছাড়াই ২৬-এর ফেব্রুয়ারির প্রথম এবং মধ্যবর্তী সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ে আমি মনে করি যথেষ্ট উপযোগী আছে। এখন আর এমন কোনো পরিস্থিতি নেই, যেখানে আপনার নির্বাচন ব্যাহত হবে; সেটা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।’
বিএনপিকে একটি ‘বিশাল রাজনৈতিক দল’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি (বিএনপি) স্রোতস্বতী নদীর মতো। এখানে একেকটা আসনে ৪/৫ জন করে প্রার্থী থাকে। কিছু তো সমস্যা হবেই। এগুলো বরাবরই হয়ে আসছে। এতে কোনো অসুবিধা নাই। এটা হওয়াতেই বোঝা যায়, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল।’
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদিন, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্য আইনজীবীরা।
১৯১ দিন আগে
ক্ষমতায় গেলে স্বাধীন গণমাধ্যম তৈরি করবে বিএনপি: ফখরুল
সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন বা মেরুকরণের ফলে তারা নিজেরাই রাজনৈতিক নেতাদের পকেটে ঢুকে পড়েন বলে অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যম নিশ্চিত করবে বিএনপি।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) আয়োজিত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের কমিটমেন্ট (অঙ্গীকার) খুব পরিষ্কার। আপনারা দেখেছেন যে আমরা ৩১ দফায় খুব পরিষ্কার করেই বলেছি যে আমরা একটা স্বাধীন গণমাধ্যম দেখতে চাই এবং আমরা সেটাকে তৈরি করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় গেলে গণমাধ্যম সংস্কারে কমিশন করার পরিকল্পনা ছিল বিএনপির। ইতিমধ্যে সেই কমিশন করা হয়েছে। তবে কমিশনের প্রতিবেদন তৈরি হলেও সেটি নিয়ে পরবর্তীকালে কোনো আলোচনা হয়নি।
‘আমরা আশা করি, সরকার পরিচালনার দায়িত্ব যদি জনগণের মাধ্যমে পাই, তাহলে আমরা নিঃসন্দেহে এটাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখব বলে বিশ্বাস করি।’
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘একটা কথা না বলে পারছি না, আপনাদের সাংবাদিকদের তো অনেকগুলো ইউনিয়ন আছে—বিএফইউজে, ডিইউজে। আবার দুই দলের দুই ভাগ আছে, তিন ভাগ…
‘নিজেরাই তো আপনারা দলীয় হয়ে যাচ্ছেন। রাজনৈতিক দলগুলো আপনাদের পকেটে ঢুকতে দিতে চায় না, কিন্তু আপনারাই যদি পকেটে ঢুকে যান, তখন কিন্তু দ্যাট বিকামস্ অ্যা প্রবলেম।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি তো গত ১৫ বছরে কী হয়েছে? গত ১৫ বছর আপনারা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে ফ্যাসিস্টকে সমর্থন করেছেন। এটা আমাদের দেখা, এ দেশের মানুষের দেখা। সেই জায়গাগুলোতে আপনাদেরও কমিটমেন্টের প্রয়োজন আছে, আপনারা ওই জায়গাগুলো থেকে নিজেরা বাইরে থাকবেন। আপনাদের কমিটমেন্ট থেকে জনগণের কাছে স্বাধীন সাংবাদিকতা করবেন।’
বিএনপি ক্ষমতায় গেলেই সংবাদমাধ্যমের উন্নয়ন হয় দাবি করে দলটির মহাসচিব বলেন, ‘১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। দেশের সমস্ত পত্রিকাগুলোকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল মাত্র চারটি পত্রিকা ছাড়া, সে পত্রিকাগুলো সরকারি নিয়ন্ত্রণে চলছিল।
‘এ অবস্থা থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন রাষ্ট্র পরিচালনায় এসছেন, তখন তিনি একটা মুক্ত স্বাধীন সংবাদপত্রের ব্যবস্থা করেছেন। তখন অনেক সংবাদপত্র বেরিয়ে এসেছে এবং মাধ্যমগুলো চালু হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পরবর্তীকালে দেখেছি, বিএনপি যখনই রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে, তখনই গণমাধ্যমকে উন্নত করবার জন্য অনেকগুলো ব্যবস্থা নিয়েছে। তার মধ্যে আজকে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো আমরা দেখছি, সেই সময় কিন্তু কাজগুলো শুরু হয়েছিল।’
রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে খেদ প্রকাশ করে এ প্রবীণ রাজনীতিক বলেন, ‘সংস্কার যদি আমরা হৃদয়ে ধারণ না করি, মনের মধ্যে না নিই; তাহলে এভাবে সংস্কার কতটুকু সম্ভব হবে আমি জানি না।’
মতবিনিময় সভায় বিএনপি ছাড়াও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), এবি পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, সিপিবি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিজেসির নির্বাহী মিলটন আনোয়ার। বিজেসির ট্রাস্টিদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন তালাত মামুন ও ফাহিম আহমেদ। অনুষ্ঠান আয়োজনে সহায়তা করে বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন।
বিজেসির আট দফা প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে—সম্প্রচারমাধ্যমের জন্য আলাদা আইন প্রণয়ন, একটি স্বাধীন জাতীয় সম্প্রচার কমিশন গঠন, টিভি চ্যানেলগুলোকে পে-চ্যানেল ঘোষণা করা ও সম্প্রচারমাধ্যমকে শিল্প ঘোষণা এবং সম্প্রচার সাংবাদিকদের জন্য জবাবদিহিমূলক ‘কোড অব এথিকস’ প্রণয়ন; টিভি লাইসেন্স নীতিমালা ও মালিকানার ধরন নির্ধারণ, পরিচালনা পর্ষদে কর্মীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা এবং দলীয় প্রভাবমুক্ত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার মতো কাঠামোগত সংস্কার, স্বাধীন অ্যাক্রেডিটেশন কর্তৃপক্ষ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সাংবাদিকতার নীতিমালার প্রণয়ন ইত্যাদি।
১৯২ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডাসহ ১৬ দেশে ভোটার নিবন্ধন শুরু হচ্ছে আজ
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াসহ ১৬টি দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাত ১২টা থেকে ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
পোস্টাল ভোট বিডি (Postal Vote BD) অ্যাপের মাধ্যমে এ নিবন্ধন করা যাবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। আগামী ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে।
নিবন্ধন শুরু হওয়া দেশগুলো হলো— যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, মেক্সিকো, কিউবা, জ্যামাইকা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো, পানামা, হন্ডুরাস, হাইতি, নিকারাগুয়া, গুয়াতেমালা, ডমিনিকান রিপাবলিক, কোস্টারিকা ও বাহামা দ্বীপপুঞ্জ।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকা অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রমও আগামী ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন প্রথমবারের মতো এবার প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের ব্যবস্থা করেছে। পোস্টাল ভোট অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন চলাকালে ২৪ ঘণ্টা সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন হেল্প ডেস্ক চালু করেছে।
হেল্প ডেস্কের হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমো নম্বর: +৮৮০১৩৩৫১৪৯৯২০, +৮৮০১৩৩৫১৪৯৯২৩–৩২, +৮৮০১৭৭৭৭৭০৫৬২; বোটিম নম্বর: +৮৮০১৩৩৫১৪৯৯২৭, +৮৮০১৩৩৫১৪৯৯২৯–৩০, +৮৮০১৭৭৭৭৭০৫৬২।
১৯২ দিন আগে
টেলিকমসহ সব নীতিমালা রিভিউ করবে নির্বাচিত সরকার: আমীর খসরু
টেলিকম নীতিমালা ‘ক্রিটিক্যাল’ বা জটিল উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচিত সরকার টেলিকমসহ সব নীতিমালা রিভিউ (পর্যালোচনা) করবে।
আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের চ্যালেঞ্জ: টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি খাতের দেশীয় উদ্যোক্তাদের ভবিষ্যত নিয়ে শনিবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার একটি হোটেলে টিআরএনবি আয়োজিত সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
আমীর খসরু বলেন, টেলিকম নীতিমালা ক্রিটিক্যাল। অংশীজনদের মতামত নিয়ে এসব নীতিমালা করতে হবে। গত ১৫ বছরে এই খাতে যে ধরনের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, বিটিআরসির স্বাধীনতা ধ্বংস করা হয়েছে, তাতে এখানে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন দরকার। যে পরিবর্তনের ফলে দেশীয় উদ্যোক্তা এবং ডিজিটাল সিকউরিটিকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে। যে খাতে এত লাভ, সেখানে দেশীয় বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করতে পারবে না কেন? নীতিমালা করার সময় এগুলো মাথায় রাখতে হবে।
তিনি বলেন, আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, টেলিকম খাতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, আগামী দিনে যারা নির্বাচিত হবে, দায়িত্ব তাদের। অনির্বাচিত সরকার যে নীতিমালা করল, টেলিকমসহ সব নীতিমালা নির্বাচিত সরকার রিভিউ করবে।
সর্বোত্তম, দ্রুত ও সুরক্ষিত নেটওয়ার্ক তৈরিতে নতুন টেরলিকম নীতিমালায় স্পেকট্রাম ও ব্রডব্যান্ডের বিকাশে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের মধ্যে কোনো বৈষম্য রাখা যাবে না বলে মনে করেন এই বিএনপি নেতা।
অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, নীতিমালার ক্ষেত্রে ডিজিটাল সভরেন্টি (সার্বভৌমত্ব) নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। নীতিমালায় ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় কিনা, সে বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। জবাবদিহিতাবিহীন নীতিমালা হতে পারে না।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নীতিমালা প্রয়োজন।
বিদেশি কোম্পানিগুলো কতটা জবাবদিহিতার আওতায় রয়েছে—প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, নীতিমালায় এমন সব ধারা রাখা হয়েছে যা দেশীয় প্রতিষ্ঠানের হাত থেকে বাজারকে সরিয়ে বিদেশি কোম্পানির কাছে তুলে দেওয়ার পথ তৈরি করছে।
তিনি বলেন, আমরা দেখছি বন্দর পরিচালনাসহ বিভিন্ন খাত বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। অথচ আমরা চাই আমাদের অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য নিজস্ব ভিত্তির ওপর দাঁড়াক। এই খাতে কর্মরত পাঁচ থেকে সাত লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ঝুঁকির মধ্যে ফেলে এমন নীতিমালা আমরা মেনে নিতে পারি না।
বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ডা. আবদুন নূর তুষার বলেন, ব্যবসায় বৈষম্য দূর না হলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাজার দখল করে নেবে। আমাদের দেশীয় উদ্যোক্তাদের টিকে থাকার সুযোগ নিশ্চিত করতেই হবে। তিনি দেশীয় ব্যবসায়ীদের স্বাধীন ও সুরক্ষিত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ফাইবার অ্যাট হোমের চেয়ারম্যান মইনুল হক সিদ্দিকী বলেন, ঢাকার বাইরেও এনটিটিএন সংস্থাগুলো সেবা সম্প্রসারণ করেছে—তার প্রমাণ পাবেন আপনারা সেখানে গেলে। সেখানে গিয়ে ইন্টারনেটের গতি দেখলেই তা বোঝা যায়। অথচ বর্তমান টেলিকম নীতিমালায় দেশীয় উদ্যোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা করা হচ্ছে না, বরং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত দেশের আইএসপিরা সেবা দিয়ে আসছে। এ খাতে আড়াই হাজার ব্যবসায়ী এবং সাড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। টেলিকম নীতিমালার বিরুদ্ধে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সংবাদ সম্মেলন করেছিল, তাই আমরা আশা করেছিলাম সরকার নীতিমালা বাতিল করবে, কিন্তু তা করা হয়নি। তিনি বলেন, আপনারা (বিএনপি) আগামীতে সরকার গঠন করলে এমন নীতির বিষয়ে ভেবে দেখবেন; মানুষ মেরে ফেলার পলিসির বিষয়ে আপনারা ভাববেন বলে আমরা আশা করি।
ফাইবার অ্যাট হোমের সুমন আহমেদ সাবির অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। আরও বক্তব্য দেন এআইওবি সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোস্তাফিজুর রহমান, বাহন লিমিটেডের রাশেদ আমিন বিদ্যুৎ, সাংবাদিক মাসুদ কামাল ও শাহেদ আলম, টেলিযোগাযোগ নীতি বিশ্লেষক আবু নাজম তানভীর হোসাইন, টিআরএনবি সভাপতি সমীর কুমার দে, সাধারণ সম্পাদক মাসদুজ্জামান রবিন প্রমুখ।
১৯৪ দিন আগে
নির্বাচনের দিন গণভোট হলে জেনোসাইড হতে পারে: জামায়াত আমীর
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট হলে নির্বাচন জেনোসাইড (জাতিগত গণহত্যা) হওয়ার আশঙ্কা আছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের জন্য এখনো লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি হয়নি। আমাদের সবাইকে নিয়ে লেভেল প্লেইং তৈরি করতে হবে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এদিন বিকেলে একটি বেসরকারি হেলিকপ্টারযোগে নগরীর চকবাজারস্থ চট্টগ্রাম কলেজ মাঠ প্যারেড ময়দানে পৌঁছান ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় দলের নেতারা ফুল দিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানান।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের দলের সংগ্রাম দুর্নীতির বিরুদ্ধে। আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘোষিত সময়েই হতে হবে। যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হলে জাতীয় সংকট দেখা দিতে পারে। তাই জনগণকে নিয়ে নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেইন ফিল্ড তৈরি করতে হবে।
ক্ষমতায় গেলে জামায়াত পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়ন করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনারা তৈরি থাকুন, নির্বাচন যথাসময়ে হতেই হবে। নির্বাচন না হলে দেশের সংকট তৈরি হবে। আমরা দেশে কোনো সংকট তৈরি হতে দেব না। আমাদের অবস্থান পরিষ্কার। আমাদের দাবি অব্যাহত আছে। এই দাবি বাস্তবায়ন হবে জনগণের স্বার্থে, এমনকি আমরা ক্ষমতায় গেলেও পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়ন করব।
নির্বাচনের দিন গণভোট প্রসঙ্গে জামায়াতের অবস্থান জানতে চাইলে দলটির আমীর বলেন, ‘এটা আমরা ভালোভাবে দেখছি না। আমরা আগেই বলেছি, নির্বাচনের দিন গণভোট হলে নির্বাচনের জেনোসাইড হওয়ার আশঙ্কা আছে।’
এই সময় চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর দক্ষিণ জামায়াতের নেতারা তার সঙ্গে ছিলেন।
পরে নগরীর আকবর শাহ থানার ফিরোজ শাহ এলাকায় জামিয়াতুল ইসলামিয়ার মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ডা. শফিকুর রহমান। রাতে তার জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগের নির্বাচনি দায়িত্বশীল সম্মেলনে উপস্থিত থাকারও কথা রয়েছে।
১৯৪ দিন আগে
নোয়াখালীতে কাফনের কাপড় পরে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি
নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট-সদর আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে কাফনের কাপড় পরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলটির একটি অংশ।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে কবিরহাট বাজারে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
বিক্ষোভকারীরা বিএনপির ঘোষিত প্রার্থী ফখরুল ইসলামের পরিবর্তে বজলুল করিম চৌধুরী আবেদকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে ‘বয়কট ফখরুল ইসলাম’, ‘মনোনয়ন পরিবর্তন চাই’সহ নানা স্লোগান দেন।
জানা যায়, বিকেলে কাফনের কাপড় পরে আবেদপন্থী নেতাকর্মীরা কবিরহাট কলেজের সামনে জড়ো হয়ে মিছিল বের করেন, যা বাজার প্রদক্ষিণ শেষে জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়।
১৯৭ দিন আগে
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে ইসির পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোও ওয়াদাবদ্ধ: সিইসি
সুন্দর, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যে প্রতিশ্রুতি, সেটিতে সংস্থাটি অটল বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোও জাতির কাছে ওয়াদাবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাতটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে সংলাপ চলাকালে তিনি এ কথা বলেন।
সিইসি বলেন, একটি সুন্দর নির্বাচন জাতির কাছে সব দলেরই ওয়াদা এবং ইসি দেশের মানুষের কাছে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে ওয়াদাবদ্ধ।
তিনি বলেন, আমাদের প্রধান উপদেষ্টা উৎসব মুখর নির্বাচনের কথা বলেন। আপনারা (রাজনৈতিক নেতারা) নির্বাচনের মূল প্লেয়ার (খেলোয়াড়)। আপনাদের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে এগুতে চাই। আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতিতে অটল রয়েছি। আমরা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনে বদ্ধপরিকর। নিরপেক্ষ, সুন্দরভাবে করতে গেলে আপনাদের সহযোগিতা লাগবে। দল, ভোটার সবাইকে নিয়েই নির্বাচন করতে হবে।
১৯৭ দিন আগে
হাসিনা রায়ের পর আওয়ামী লীগের বিচারও হওয়া উচিত: নাহিদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গণহত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে তারা সন্তুষ্ট, তবে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকেও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘যেদিন আমাদের ভাই আবু সাঈদ শহীদ হয়েছিলেন, সেদিন আমরা শপথ নিয়েছিলাম যে, এই হত্যার বিচার আদায় করেই ছাড়ব। জুলাই বিপ্লবে যে হাজারো শহীদ এবং কয়েক হাজার আহতের ওপর যে জুলুম করা হয়েছিল, সেই জুলুমের রায় আমরা আজকে পেয়েছি।
‘বিগত ১৬ বছর ধরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এদেশের সাধারণ মানুষের ওপর যে জুলুম-নির্যাতন করেছিল, গুম-খুন ও মানবাধিকার হরণসহ পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা ও জুলাইয়ের গণহত্যা করেছিল—এসব কিছুর বিচারের রায় আমরা পেয়েছি। আমরা এই রায়কে স্বাগত জানাই। এ দেশের বিচারিক ইতিহাসে এই রায় একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।’
এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা কেবল এই রায় পেয়েই সন্তুষ্ট নই। আমরা সেদিনই সন্তুষ্ট হব, যেদিন এই রায় কার্যকর করা হবে। আমরা যেদিন আমাদের জীবদ্দশায় শুনতে পাব যে, শেখ হাসিনাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রায় কার্যকর করা হয়েছে, সেদিনই আমরা শান্তি পাব। সেদিনই জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মা শান্তি পাবেন, শহীদ পরিবার ও আহতরা শান্তি পাবেন।’ এ সময় তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে রায় কার্যকর করার দাবি জানান।
তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, বরং জুলাই-আগস্টের ভিক্টিম হিসেবে বিচারের রায় ও তা কার্যকর দেখতে চাই। দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আজকের রায়ে ব্যক্তি হিসেবে শেখ হাসিনাকে অপরাধী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে এই রায়ের মধ্য দিয়ে এটা স্পষ্ট হয়েছে যে, শেখ হাসিনা শুধু ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং দল ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এই গণহত্যার নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারী ছিলেন। ফলে আওয়ামী লীগও দল হিসেবে এই মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত।’
১৯৯ দিন আগে
এই রায় শুধু হাসিনার অপরাধের বিচার নয়, স্বৈরশাসনের কবর: মির্জা ফখরুল
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত সাবেক স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের মাটিতে সকল ধরনের স্বৈরশাসকদের কবর রচিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) রায় ঘোষণার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, 'আমরা বিশ্বাস করি, আজকের রায় শুধু শেখ হাসিনার অপরাধের বিচার নয়, বরং এই দেশের মাটিতে সব ধরনের স্বৈরশাসনের কবর রচনা।’
তিনটি অপরাধের পৃথক অভিযোগে হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি আরও দুটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।
এ ছাড়া, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড এবং মামলার রাজসাক্ষী সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
১৯৯ দিন আগে