রাজনীতি
আগামী সপ্তাহেই নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা: ইসি সচিব
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ আগামী সপ্তাহেই ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব মো. আখতার আহমেদ।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সচিব এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আগামী সপ্তাহেই নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশ করতে পারবো বলে আশা করছি।’
সচিব জানান, নির্বাচনী রোডম্যাপে সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে সংলাপের সময়সূচি, বিদ্যমান নির্বাচন সংক্রান্ত আইন সংশোধন ও সংস্কারের সময়রেখাসহ আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন জানিয়েছিলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ লক্ষ্যে সারাদেশে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছে কমিশন।
নবম সংসদ নির্বাচনের আগে ২০০৭-২০০৮ সাল থেকে কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে রোডম্যাপ প্রকাশের রেওয়াজ চলে এসেছে। সর্বশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের দেড় বছর আগে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে রোডম্যাপ দিয়েছিল তৎকালীন ইসি। বর্তমান ইসিও এ ধরাবাহিকতা বজায় রাখছে।
পড়ুন: ঋণখেলাপীদের জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না: অর্থ উপদেষ্টা
ভোটার তালিকা, সীমানা নির্ধারণ, দল নিবন্ধন, নির্বাচনী আইনের সংস্কার, সরঞ্জাম কেনাকাটা, দল ও অংশীজনের সঙ্গে সংলাপ, প্রশিক্ষণ, মুদ্রণ, আইন শৃঙ্খলা সভা, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিয়ে সভাসহ তফসিলের আগে-পরে প্রস্তুতির ফর্দ থাকবে এ রোডম্যাপে।
বর্তমান ইসি ২০২৪ সালের নভেম্বরে যোগ দেওয়ার পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরকে ধরে একটা প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা সাজিয়েছিল। এবার ফেব্রুয়ারিতে ভোটের সম্ভাব্য সময়ীমানা নির্ধারণ হওয়ার পর নতুন সময় ধরে কর্মপরিকল্পনাটির পরিমার্জন চলছে।
কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে ১৮ অগাস্টে এ নিয়ে বৈঠক করার কথা রয়েছে। ইসির অনুমোদনের পর তা পুস্তিকা আকারে প্রকাশ হতে পারে।
২০৪ দিন আগে
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা আ.লীগের সভাপতিসহ গ্রেপ্তার ৭
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার সাইফুল ইসলাম বুড়োসহ আরও ছয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশ।
বুধবার (১৩ আগস্ট) রাত সোয়া ৮টার দিকে রাজবাড়ী উপজেলা শহরের বড়পুল এলাকা থেকে বুড়োকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস) শরীফ আল রাজীব এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাইফুল ইসলাম বুড়ো পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। গত বছর ৫ আগস্টের পর থেকে সাইফুল ইসলাম বুড়ো আত্মগোপনে ছিলেন।
শরীফ আল রাজীব জানান, চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে পাংশা মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করে। সাইফুল ইসলাম ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে বুধবার রাত সোয়া ৮টার দিকে রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশ শহরের বড়পুল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন: আ.লীগ নেতাকর্মীদের প্রশিক্ষণ: মেজর সাদেকের স্ত্রী গ্রেপ্তার
জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম পাংশা উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) একাধিকবার নির্বাচিত প্রভাবশালী চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি রাজবাড়ী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও রেলমন্ত্রী এবং প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা জিল্লুল হাকিমের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত।
শরীফ আল রাজীব বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে বর্তমানে সাইফুল ইসলামকে রাজবাড়ী সদর থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাজবাড়ী আদালতে পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, রাজবাড়ী জেলা পুলিশের পাশাপাশি সব থানার পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। তারই অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া অন্যরা হলেন— গোয়ালন্দ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল বাতেন (৩৮), গোয়ালন্দ উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি আসমাউল রেজা সজিব (৩৫), বালিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মান্নান খান (৫০), দৌলতদিয়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সদস্য সচিব নুরুল ইসলাম মোল্লা (৫৭), দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি মাজেদ মণ্ডল (৫০), দৌলতদিয়া ইউনিয়ন কৃষকলীগের সদস্য সচিব মমিনুল ইসলাম (৩৫)।
তাদের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। ওইসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের আদালতে সোপর্দ করার কথা জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
২০৫ দিন আগে
ঋণখেলাপীদের জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না: অর্থ উপদেষ্টা
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঋণখেলাপীদের প্রার্থী হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
বুধবার (১৩ আগস্ট) জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ‘ইউপেনশন’ অ্যাপ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘যদি রাজনৈতিক নেতা টাকা দিয়ে মনোনয়ন বা ভোট প্রচারণা করেন, তখন অর্থ মন্ত্রণালয় কিছুই করতে পারবে না।’
তবে ফেব্রুয়ারিতে সুস্থ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে মন্ত্রণালয় সব প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বর্তমান আইনের আওতায় ঋণখেলাপীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। ১৯৭২ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ধারা ১২ অনুযায়ী, ঋণখেলাপী কেউ সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে অযোগ্য।
পড়ুন: হালনাগাদ ভোটার তালিকা: মোট ভোটার ১২ কোটি ৬১ লাখ ৭০ হাজার ৯০০
সালেহউদ্দিন বলেন, ‘যদি কেউ ঋণখেলাপী (ডিফল্টার) হয়, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। তবে নির্বাচনের আগে এই ধারা প্রায়শই কার্যকর করা হয় না।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে ঋণখেলাপীদের শনাক্ত করতে হবে।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ঋণখেলাপী হলেও সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন খান আলমগীর পাঁচ বছর সংসদ সদস্য ছিলেন।
কালো অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনও আমাদের কাছে কিছু আসেনি। নির্বাচন কমিশন বিষয়টি বিবেচনা করবে। কালো অর্থের দুটি দিক আছে—উৎস এবং প্রক্রিয়া। উৎসের ক্ষেত্র এখন পূর্বের তুলনায় অনেকটা বন্ধ, এবং কিছু চেক অ্যান্ড ব্যালান্স রয়েছে।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মঙ্গলবারের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘তাদের রাজনৈতিক মন্তব্য করার স্বাধীনতা রয়েছে। আমার ছাত্রজীবনে আমিও বামপন্থী রাজনীতি করেছি এবং নানা মন্তব্য করেছি—হল বন্ধ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ইত্যাদি। তবে সেগুলো কখনও বন্ধ হয়নি।’
২০৫ দিন আগে
দেশের ওষুধ শিল্প রক্ষায় স্পষ্ট নীতি প্রয়োজন: ফখরুল
বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় ওষুধ (ফার্মাসিউটিক্যাল) শিল্প খাতের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও শিল্পবান্ধব নীতির মাধ্যমে শিল্পটি রক্ষা করতে সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার (১৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সম্প্রতি সরকার বেশ কিছু অস্বচ্ছ ও একপাক্ষিক নীতি ও নির্দেশনা নিয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে অব্যবস্থাপনার নজির তৈরি করেছে, যা এই সম্ভাবনাময় শিল্পের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।
ফখরুল উল্লেখ করেন, জরুরি ওষুধের তালিকা ও সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সদ্য গঠিত ড্রাগ কন্ট্রোল কমিটির (ডিসিসি) টেকনিক্যাল সাব-কমিটিতে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির (বিএপিআই) কোনো প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
তিনি বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে— নীতি প্রণয়ন, নিয়ন্ত্রণ ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাত উন্নয়নে স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
ফখরুল যোগ করেন, জাতীয় স্বার্থে সবচেয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত হলো বিএপিআই এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে যৌথ সমাধান খুঁজে বের করা।
তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো কমিটি গঠন, সংশোধন বা বাস্তবায়ন সমর্থন করি না যা শিল্প উদ্যোক্তাদের বাদ দেয়। আসন্ন এলডিসি স্নাতকত্বকে সামনে রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে খাত রক্ষার জন্য।’
ফখরুল বলেন, প্রায় দুই বছর ধরে নতুন কোনো ওষুধ নিবন্ধন করা হয়নি এবং দীর্ঘ সময় ধরে ওষুধের মূল্যও সমন্বয় করা হয়নি।
তিনি বলেন, ‘নতুন ওষুধ অনুমোদন না দেওয়ায় বাংলাদেশ ট্রিপস ওয়েভার (ছাড়) সুবিধা হারাতে বসেছে, কারণ ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে। তাই নতুন ওষুধের নিবন্ধন কোনো বিলম্ব ছাড়াই দ্রত অনুমোদন করা উচিত।’
পড়ুন: চোখের চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল
ফখরুল বলেন, ফার্মাসিউটিক্যাল খাত এখন শুধু উৎপাদন শিল্প নয়, এটি দেশের কৌশলগত সম্পদ। এই খাতের সুরক্ষা ও উন্নয়নের জন্য সময়োপযোগী ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।
তিনি বলেন, সরকার, বেসরকারি খাত, উদ্যোক্তা, বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের সমন্বয়ে এই শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে হবে। ফখরুল আশা প্রকাশ করেন, উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে শিল্পবান্ধব সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে সরকার এই খাতের স্থিতিশীলতা ও সুনাম বজায় রাখবে।
ফখরুল বলেন, বাংলাদেশি ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প দীর্ঘদিন ধরে অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। শিল্পটি প্রায় সব অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করে এবং ধারাবাহিকভাবে রপ্তানি সম্ভাবনা বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে তৈরি মানসম্মত ওষুধ এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া সহ ১৬০টির বেশি দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। খাতটি অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়েন্ট (এপিআই) উৎপাদনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করছে।
২০৫ দিন আগে
চোখের চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল
চোখের চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে থাই রাজধানী ব্যাংকের উদ্দেশে উড়াল দেন তিনি।
বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, ফখরুল তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগমের সঙ্গে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে বেলা সোয়া ১১টায় ব্যাংকক রওনা দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল
সায়রুল কবির জানান, ব্যাংককের রাটনিন আই হাসপাতাল থেকে ফলো-আপ চিকিৎসা নেবেন বিএনপি মহাসচিব। সেখানে তিনি ১৪ মে তার বাঁ চোখের রেটিনা সমস্যার জন্য সফল অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন।
সায়রুল বলেন, ফখরুল আগামী ১৯ আগস্ট দেশে ফিরবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।
এর আগে, ১৩ মে বিএনপির মহাসচিব জরুরি ভিত্তিতে তার বাঁ চোখের রেটিনার অস্ত্রোপচারের জন্য ব্যাংকক গিয়েছিলেন।
২০৫ দিন আগে
প্রতিশোধ থেকে বিরত থাকতে তরুণদের প্রতি আহ্বান তারেকের
তরুণ প্রজন্মকে সাহস ও সততার সঙ্গে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে প্রসারিত করতে হলে প্রতিশোধ ও বিদ্বেষের পথ থেকে বিরত থাকতে হবে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল আয়োজিত যুব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ আয়োজন করা হয়।
তরুণ সমাজের উদ্দেশে তারেক বলেন, ‘আপনারা যদি সাহস ও সততার সঙ্গে এগিয়ে যান, প্রতিশোধ ও দ্বন্দ্ব থেকে দূরে থাকেন, তাহলে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের সমৃদ্ধির সব দরজা খুলে যাবে।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সফলতা ও সমৃদ্ধির একমাত্র নির্ধারক দেশের জনগণ। জনগণ এখন প্রচলিত রাজনীতির একটি পরিবর্তন চাইছে। জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে প্রতিশ্রুতি নয়, বরং তার বাস্তবায়নই বিএনপির লক্ষ্য।
এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করা বলে মন্তব্য করেন তিনি। তারেক জানান, বিএনপি খাতভিত্তিক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে এবং এগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
পড়ুন: অদৃশ্য ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান তারেক রহমানের
তিনি তরুণদের প্রতি অনুরোধ জানান, বিএনপির জনবান্ধব পরিকল্পনা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে। যদি জনগণ বিএনপিকে সরকার করার সুযোগ দেয়, আমরা ধীরে ধীরে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব।
দেশের সব নারী-পুরুষ, ছাত্র-তরুণ-যুব সমাজসহ সর্বস্তরের জনগণের কাছে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপি প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বাকুল, যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, ছাত্রদল সভাপতি রকিবুল ইসলাম রাকিব, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি, এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, নাট্যকার ও মাবরুর রশিদ বান্নাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী মো. তফসার উল্লাহ, সাংবাদিক মুক্তাদীর রশীদ রোমিও ও শরীফুল ইসলাম খান বক্তব্য দেন।
২০৬ দিন আগে
দেশের চিকিৎসায়ই ভরসা রেখেছেন জামায়াতের আমির: ডা. তাহের
দেশের চিকিৎসায় ভরসা রেখে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান দেশেই চিকিৎসা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) জামায়াত আমির হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরা উপলক্ষে সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
‘আমাদের কাছে তাকে বিদেশে পাঠানোর ব্যাপারে অনেক অনুরোধ ছিল। আমিরের ইচ্ছা অনুযায়ী দেশের চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আল্লাহর ওপর ভরসা করে আমরা বাংলাদেশেই অপারেশন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি,’ তিনি জানান।
ডা. শফিকুর রহমান নির্দিষ্ট দলের ভিতরে সীমাবদ্ধ ব্যক্তি নন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাকে পুরো জাতি শ্রদ্ধা করে। জাতি তাকে আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্বে অপরিহার্য বলে মনে করে।’
তিনি জানান, জামায়াত আমির সফল অপারেশনের ১০ দিন পর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে নিজ বাসায় ফিরছেন। তিনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে বাংলাদেশেই অপারেশন করাবেন।
ডা. তাহের আরও বলেন, ‘জামায়াতের আমির দুই সপ্তাহ বিশ্রামে থাকবেন, এরপর তিন সপ্তাহ পর জনসমক্ষে সক্রিয় হবেন। ডা. শফিকুর রহমান আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছেন এখন, দেশের মানুষের কাছে দোয়া চেয়েছেন।’
তিনি আরও জানান, দুই সপ্তাহ রেস্ট নেবেন। তিন সপ্তাহের পর স্বাভাবিক কাজে একটিভ হতে পারবেন।
মেডিকেল টিমের অন্যতম সদস্য ডা. শহীদ বলেন, ‘চিকিৎসার পরে তার শরীরের দ্রুত উন্নতি হয়েছে। আমরা তার সার্জারি পরবর্তী অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট। দুই সপ্তাহ পর পুনরায় পরীক্ষা হবে।’
অপারেশনের পর ইউনাইটেড হাসপাতালের চিকিৎসক দলের প্রধান ডা. জাহাঙ্গীর কবির বলেছিলেন, ‘তিনটি বাইপাস করার কথা ছিল, আমরা চারটি বাইপাস করেছি যেন কোনো দিক থেকেই সমস্যা না হয়। কোনো জটিলতা ছাড়াই সার্জারি সম্পন্ন হয়েছে।’
গত ২ আগস্ট জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বাইপাস সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ইউনাইটেড হাসপাতালের চিফ কার্ডিয়াক সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক এই অস্ত্রোপচারে অংশ নেন।
২০৬ দিন আগে
অদৃশ্য ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান তারেক রহমানের
অদৃশ্য ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ব্যাহত করার জন্য নানা ষড়যন্ত্র চলছে, এগুলো প্রতিহত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের একযোগে অবস্থান নিতে হবে এবং জনমানুষের বিশ্বাস অটুট রাখতে হবে।’
সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেলে নওগাঁ শহরের কনভেনশন সেন্টারে জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ হচ্ছে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সরকার গঠন করা। জনগণের ভোটে বিএনপি সরকার গঠন করলেও সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ থাকবে, সেগুলো মোকাবেলা করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও সরকারের প্রতিটি সেক্টর ধ্বংস করে রেখে গেছে। দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে বিএনপির। তাই এই অবস্থা উত্তরণ করতে দলটি সক্ষম হবে।’
পড়ুন: প্রতীক নয়, ব্যক্তিকে ভোট দিত মানুষ: হাফিজউদ্দিন
তারেক বলেন, ‘স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার কয়েকদিন পরে বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তখন বলেছিলাম, আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন নির্বাচন হবে। এক বছর আগে আমি বলেছিলাম অদৃশ্য শক্তি নানা ষড়যন্ত্র করছে, আজ কি আমার কথার মানে বুঝতে পারছেন?’
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘যতই ষড়যন্ত্র হোক না কেন, বিএনপি পরিবারের সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে সফল হবো। বিএনপিতে মানুষ আস্থা রাখে কারণ আমরা দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করছি।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘স্বৈরাচার সরকার মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। তারা নিজেদের স্বার্থে দেশ লুটপাট করেছে। বিএনপি ইতোমধ্যে ৩১ দফা দাবি জানিয়েছিল, যারা এখন সংস্কারের কথা বলছেন তারা আড়াই বছর আগে থেকেই এই দাবি তুলেছে।’
তিনি বলেন, ‘এখন সময় এসেছে গণতান্ত্রিক উপায়ে নেতা নির্বাচন করার।’
এর আগে দুপুরে নওগাঁ কনভেনশন সেন্টারে জেলা সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন করেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম।
২০৭ দিন আগে
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত: জোটে ভোট দিলেও নিজ দলের মার্কায় ভোট দিতে হবে
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) একক প্রার্থীর ক্ষেত্রে ‘না’ ভোটের বিধান ফের চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ছাড়া জোটগতভাবে নির্বাচন করলেও ভোটারকে নিজ দলের প্রতীকে ভোট দিতে হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সোমবার (১১ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে কমিশনের মুলতবি সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। বিকেলে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সংবাদমাধ্যমকে সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরেন।
তিনি জানান, সব আসনে ‘না’ ভোটের বিধান থাকবে না, তবে একক প্রার্থী থাকলে ‘না’ ভোট থাকবে এবং সেই প্রার্থীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। জোট থাকলেও ভোটারকে নিজ দলের প্রতীকে ভোট দিতে হবে।
আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় এবার সশস্ত্র বাহিনী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার ফলে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের নিয়ন্ত্রণে কমিশনের আরও ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
এছাড়া ইভিএম ব্যবহারের বিধান আরপিও থেকে বাতিল করা হয়েছে। নির্বাচন কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলার শাস্তি স্পষ্ট করে তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত করে ইসিকে জানাতে হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
পড়ুন: খসড়া অর্ডিন্যান্স: কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গভর্নর নিয়োগ দেবে রাষ্ট্রপতি, বাড়বে মেয়াদ
২০০৮ সালে নির্বাচনগুলোতে ‘না’ ভোটের বিধান ছিল সব আসনে। পরে নবম সংসদে এটি বাতিল হয়। এবার ‘না’ ভোটের বিধান সব আসনে না থাকলেও একক প্রার্থী থাকলে তাকে ‘না’ ভোটের সঙ্গে লড়াই করতে হবে, যা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ বন্ধ করবে।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “একক প্রার্থী থাকলে তিনি বিনা ভোটে নির্বাচিত হবেন না। তাকে ‘না’ ভোটের সঙ্গে লড়াই করতে হবে। যদি পুনরায় ‘না’ ভোট বিজয়ী হয়, তখন ওই প্রার্থী নির্বাচিত হবেন।”
চূড়ান্ত সংস্কার প্রস্তাবটি আগামী সপ্তাহে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সরকারের অনুমোদন পেলে এটি সংশোধন অধ্যাদেশের মাধ্যমে জারি হবে এবং প্রয়োজন হলে ঐকমত্য কমিটির সুপারিশ যুক্ত করা হবে।
২০৭ দিন আগে
হালনাগাদ ভোটার তালিকা: মোট ভোটার ১২ কোটি ৬১ লাখ ৭০ হাজার ৯০০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। হালনাগাদ তালিকা প্রকাশের পর দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৬১ লাখ ৭০ হাজার ৯০০ জনে। তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৪৫ লাখ ৭১ হাজার ২১৬ জন।
রবিবার (১০ আগস্ট) ‘হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়া’ প্রকাশ করা হয়। এদিন দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।
সিনিয়র সচিব জানান, আজ সারা দেশের নির্বাচন অফিসগুলোতে একযোগে হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
আইন অনুযায়ী এ বছরের ২ মার্চ ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল ইসি। তখন ভোটারের সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার ২৭৪ জন।
ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ৪৫ লাখ ৭১ হাজার ২১৬ জনকে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে মৃত ও কর্তনকৃত ভোটার হিসেবে ২১ লাখ ৩২ হাজার ৫৯০ জনকে বিদ্যমান তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
এই হিসাবে নতুন অন্তর্ভুক্তি ও বাদ দেওয়া মিলিয়ে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৬১ লাখ ৭০ হাজার ৯০০ জনে।
সচিব বলেন, আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তারাও ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। নবীন ভোটারদের এক বছর অপেক্ষা না করানোর জন্য নতুন আইনে এই সুযোগ রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ বছর ইসি মোট তিন দফায় ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে— ২ মার্চ, ৩১ আগস্ট এবং ৩১ অক্টোবর। শেষ দফার তালিকা প্রকাশের পর চূড়ান্ত ভোটারের সংখ্যা জানা যাবে।
কারও তথ্যে ভুল থাকলে সংশোধনের জন্য ১২ দিনের সুযোগ থাকবে। যোগ্য ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্তি, মৃত্যুজনিত বা অন্তর্ভুক্তি হওয়ার অযোগ্য ব্যক্তির নাম বাদ দেওয়া, ভোটার স্থানান্তর এবং কোনো ত্রুটি সংশোধনের জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
২৪ আগস্টের মধ্যে এসব আবেদন নিষ্পত্তি হবে। এরপর অন্যান্য কাজ শেষে চলতি মাসের ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
২০৮ দিন আগে