রাজনীতি
তরুণদের হাত ধরে বারবার জুলাই ফিরে আসবে: তাহের
বাংলাদেশ আর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না, কারণ দেশের ৪ কোটি তরুণ ইতিবাচক পরিবর্তন চায় বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
তিনি বলেন, ‘রাজনীতি ও দেশ পরিচালনায় তরুণদের সেন্টিমেন্টকে সম্মান জানিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। নতুবা তরুণদের হাত ধরে বারবার জুলাই ফিরে আসবে।’
শনিবার ম্যানহাটনের নিউইয়র্ক মেরিয়ট মার্কুইসে ‘এনআরবি কানেক্ট ডে: এমপাওয়ারিং গ্লোবাল বাংলাদেশিজ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তাহের একই সফরে প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক স্টেকহোল্ডারদের প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিকে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমি এজন্য খুবই আনন্দিত, উচ্ছ্বসিত ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে কৃতজ্ঞ।’তাহের প্রশ্ন রাখেন, ‘আমরা কি দেশের স্বার্থে কিছু বিষয়ে এক থাকতে পারি না?’
তিনি আরও বলেন, বিদেশে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীরা সফলতার স্বাক্ষর রাখছেন। ‘আমাদের সেই সক্ষমতা আছে। কিন্তু দেশে আস্থার সংকট, সেবাখাত থেকে শৃঙ্খলার অভাব এবং দুর্নীতি বড় সমস্যা। এসব যদি সমাধান করা যায়, তবে বাংলাদেশ ‘টাইগার’ হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি পাবে।’
দেশ পুনর্গঠনে প্রবাসীদের সক্রিয় অংশগ্রহনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
জামায়াত নেতা বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ যত বড়ই হোক না কেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপোষ হবে না।’তিনি আরও জানান, দলটি টেকসই গণতন্ত্র এবং একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও জনগণের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়। তবে এ অংশগ্রহণের অর্থ আওয়ামী লীগের সঙ্গে নয়, বরং জনগণের বিপুল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
তাহের বলেন, ‘আমরা জনগণের জন্য একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চাই। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি সততা, সাম্য, মর্যাদা ও সমঅধিকারের ভিত্তিতে প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
নারী-পুরুষ, সংখ্যাগরিষ্ঠ-সংখ্যালঘু নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে এবং সব দল, মত ও ধর্মবিশ্বাসের মানুষের মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
২৪৯ দিন আগে
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আসন্ন রমজানের আগে আগামী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
তার কথায়, ‘রোজার আগে ফেব্রুয়ারিতে ভোট করার জন্য যা যা করার দরকার জোরেশোরে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সিইসি।
এ এম এম নাসিরউদ্দিন বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন করার জন্যেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। এজন্য যা যা করা দরকার জোরেশোরে নিচ্ছি। প্রধান উপদেষ্টাও নিউ ইয়র্কে যার সাথে দেখা হচ্ছে বলছেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন। আমরা এ ঐতিহাসিক নির্বাচনের জন্য কাজ করছি।’
এক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কারো কথায় চলছি না। আইনকানুন, সংবিধান অনুযায়ী, সরল সোজা পথে চলতে চাই। বাঁকা পথে বা কারো ফেভারের (সুবিধা) জন্য কাজ করছি না। রাজনৈতিক দল আমাদের মূল স্টেকহোল্ডার (অংশীদার)। উনাদের সহযোগিতা ছাড়া সুন্দর নির্বাচন সম্ভব নয়।’
নির্বাচনের মাঠে কেউ ‘ফাউল করতে’ নামবে না
আগামী নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরির জন্য ইসির পক্ষ থেকে ‘সর্বশক্তি প্রয়োগ করার’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাজনৈতিক সমঝোতার প্রত্যাশার কথাও বলেন সিইসি।
একটি পত্রিকার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘সব খেলোয়াড় যদি ফাউল করার জন্য মাঠে নামে, ম্যাচ পণ্ড হওয়া ছাড়া উপায় নেই। সবাই ফাউল করার জন্য মাঠে নামলে তো মুশকিল। কেউ যেন ফাউল না করে, সে বিষয়ে আমরা তৎপর। নির্বাচনে কেউ ফাউল করতে নামবে না, ভালো নিয়তে নামবেন আশা করি।’
‘আমাকে কেউ বলেনি যে ইলেকশনে ফাউল করার জন্য নামবেন। আশা করি, সবাই সহযোগিতা করবেন।’
অনিয়ম ঠেকাতে ইসি সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে, তারা ফাউল করার জন্য নয়, বরং একটি সুন্দর নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য মাঠে নামবে।’
‘শাপলা’ প্রতীক
নিবন্ধনপ্রত্যাশী জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আগে নিবন্ধিত দল নাগরিক ঐক্য শাপলা প্রতীক চাইলেও তা নাকচ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, এ বিষয়ে ইসি সিনিয়র সচিব ইতোমধ্যে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘এনসিপি শাপলা চেয়েছে এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। অথচ শপলা চেয়েছিল নাগরিক ঐক্য, তারা প্রথম চেয়েছিল। তখন আলোচনায় আনেনি। এখন কেন এত আলোচনা? নাগরিক ঐক্যকে শাপলা দেইনি আমরা।’
নির্বাচনি প্রতীকের চূড়ান্ত তালিকা বুধবার জারি হয়েছে। ইসি সচিব এনসিপিকে বিকল্প প্রতীক চেয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিলেও এনসিপি ফের শাপলা চেয়ে আবেদন করেছে।
এ বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘চিঠি নিয়ে কমিশনে বসে সিদ্ধান্ত নেব। গতকাল এল, একা সিদ্ধান্ত নেব না। আমাদের কমিশনের সভায় আলোচনার পর পরবর্তী কাযক্রম সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেব। কমিশন সভার আলোচনার পর কথা হবে।’
এনসিপির চিঠির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘যেকোনো দল চিঠি দিতে পারে। অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া দল এনসিপি। চিঠি দেওয়ায় অসুবিধা নেই। দল তো দেবেই। রাজনীতিবিদরা দেশের স্বার্থে সব কিছু একমোডেট করেন। চিঠি বিবেচনা করব, কী করা যায় দেখা যাক।’
শাপলা প্রতীক বরাদ্দ না দিলে তা কীভাবে আদায় করতে হয়—জানা আছে বলে হুমকি দিয়েছেন এনসিপির নেতারা।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সিইসি বলেন, “রাজনীতিবিদরা অনেক কথা বলতে পারেন। আমরা তো জবাব দিতে পারব না, শ্রোতা। আমাদের কাজ আইন মোতাবেক করব। এটা হুমকি মনে করি না। উনারা তো দেশদ্রোহী না, উনারা দেশপ্রেমিক। দেশের জন্য, আমাদের জন্য হুমকি মনে করি না।’
পিআর নয়, ভোট হবে আরপিও অনুযায়ী
সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির (পিআর) ভোটের দাবিতে কয়েকটি দল সোচ্চার হলেও ইসি নির্বাচনি আইন ও সংবিধানের বাইরে যাবে না বলে ভাষ্য সিইসির।
তিনি বলেন, ‘ভোট আমাদের আরপিও অনুযায়ী হবে। পিআর তো আরপিওতে নাই। আরপিও বদলে অন্য একটা দিলে হয় তখন (হতে পারে), আইন না বদলালে তো হয় না। আমাদের আরপিও মেনে চলতে হয়।’
সিইসি বলেন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চাইলে আইন বদলাতে হবে। পিআর নিয়ে কথা বললে আবার আমার বিরুদ্ধে কথা হবে, যদিও এ নিয়ে কথা বলতে চাই না।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ফেব্রুয়ারির জন্য অপেক্ষা করছি। নির্বাচন আয়োজনের জন্য অপেক্ষা করছি। সংবিধান-আরপিওতে যা আছে সে অনুযায়ী হবে। ভোটের দিনের দুই মাস আগে তফসিল হবে। রোজার আগে নির্বাচন হবে।’
২৫২ দিন আগে
বাংলাদেশে আর কোন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করতে পারবে না: সার্জিস আলম
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সার্জিস আলম বলেছেন, দেশে আর কোন নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করতে পারবে না। তিনি বলেন, দেশের মানুষের জন্য মৌলিক সংস্কার, বিচার ও গণপরিষদের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা জরুরি।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে সুনামগঞ্জ শহরের শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সার্জিস আলম বলেন, “দেশে এত বড় গণহত্যা হয়েছে। বাহিনীর একজন ব্যক্তি হাজার মানুষকে খুন করেছে। মস্তিষ্কে গুলি করে হত্যা করার পরও তারা উল্লাস করত।
তিনি বলেন, আমরা তাদের দৃশ্যমান বিচার দেখতে চাই। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদী সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২০-৩০ জন কালপিটের বিচার চাই। বিচার না হওয়া পর্যন্ত শুধু নির্বাচন চাওয়ার ভিত্তিতে জনগণ সঠিক রায় দেবেন না।
সার্জিস বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, ভারতের আশীর্বাদ পুষ্ট হয়ে বাংলাদেশে আর কেউ ক্ষমতায় আসতে পারবে না।”
তিনি আরও বলেন, ‘এনসিপি নির্বাচনের পক্ষে। তবে নির্বাচনের আগে দেশে মৌলিক সংস্কার, গণপরিষদ ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন। জনগণের রায় ও গণঅভ্যুত্থানকে পেছনে ফেলে দেশে উন্নয়ন সম্ভব নয়।’
এত আত্মবিশ্বাসী যে সরকারি দল হবেন, নির্বাচনে আসেন না কেন: জামায়াতকে সালাহউদ্দিন
সার্জিস আলম আরও বলেন, ‘এনসিপি সব নিয়ম মেনে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধনের আবেদন করেছে। প্রতীকের হিসেবে আমরা শাপলা চেয়েছি। হঠাৎ করে নির্বাচন কমিশন বলছে শাপলা প্রতীক তালিকায় নেই। যেহেতু শাপলা প্রতীকের অংশ, অন্য রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হলে আমাদেরও প্রদান করা উচিত। ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত হলে রাজপথে নামার বাধ্য হবে।’
সভায় সভাপতিত্ব করেন সুনামগঞ্জ জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক দেওয়ান সাজাউর রাজা চৌধুরী সুমন। এতে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এহতেশাম হক, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ও অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক প্রীতম দাস, জেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম।
২৫৩ দিন আগে
কেউ যেন ব্যক্তিগত স্বার্থে বিএনপিকে ব্যবহার করতে না পারে: তারেক রহমান
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার, দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলার ও কাউকে ব্যক্তিগত স্বার্থে দলকে ব্যবহার করতে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান। সকালে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আজকের এই সম্মেলন থেকে আমরা কি দুটি অঙ্গীকার করতে পারি? প্রথমত— যেকোনো মূল্যে আমরা দলের সিদ্ধান্তের পেছনে ঐক্যবদ্ধ থাকব এবং দ্বিতীয়ত— নেতাকর্মীদের কেউ যেন ব্যক্তির স্বার্থে বিএনপিকে ব্যবহার করতে না পারে। আসুন আমরা একসঙ্গে এই দুটি শপথ নিই।’
তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যদি দলের ঐক্য অটুট রাখা যায়, তবে জনগণের রায় ধানের শীষের পক্ষেই যাবে।
বিএনপির শক্তি জনগণের সঙ্গে সম্পর্কের মধ্যে নিহিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের পাশে থাকা এবং জনগণকে দলের পাশে রাখা জরুরি। ‘সবকিছুর ওপরে বিএনপির কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানুষ, মানুষ আর মানুষ—বাংলাদেশের মানুষ।’
বাংলাদেশের মানুষ ১৬ বছর ধরে তাদের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, মানুষ ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য সংগ্রাম করেছে এবং সেই আন্দোলন অবশেষে স্বৈরশাসনের পতন ঘটিয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনা করছে। শেখ হাসিনার স্বৈরশাসন পতনের পর এ সরকার কিছু সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবগুলোর ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশই প্রস্তাব আড়াই বছর আগেই দেশের মানুষের সামনে বিএনপি উপস্থাপন করেছে।
বিএনপি নেতার দাবি, বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এ বিষয়ে মতামত উপস্থাপন করেছে। মতামতের কোনো কোনো বিষয়ে হয়তো মতপার্থক্য থাকতে পারে। তবে বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, মানুষের নিরাপত্তা ও মানুষের বেঁচে থাকার অধিকারের প্রশ্নে কারও সঙ্গে কোনো দ্বিমত নেই।
এত আত্মবিশ্বাসী যে সরকারি দল হবেন, নির্বাচনে আসেন না কেন: জামায়াতকে সালাহউদ্দিন
তিনি বলেন, জনগণের অভিমত ও ম্যান্ডেটের ভিত্তিতে একটি জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যা দেশের উন্নয়ন ও জাতীয় কল্যাণ নিশ্চিত করবে।
তারেক বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করবে। বিএনপির ৩১ দফা এজেন্ডা সফল করতে ও জনগণের রায় পেতে হলে সারাদেশে দলের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে যেকোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, আপনাদের অনেকের মনে আছে, স্বৈরাচার পালিয়ে যাবার কয়েক দিন পরে আমি একটি কথা বলেছিলাম যে স্বৈরাচার তো বিদায় হয়ে গেছে, পালিয়ে গেছে, অদৃশ্য শক্তি কিন্তু ধীরে ধীরে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। আজকে থেকে প্রায় এক বছর আগের কথা কিন্তু ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।
তিনি আবারও নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান, যাতে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থে দলের নাম ব্যবহার করতে না পারে বা জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বড় দলে ভিন্নমত থাকতে পারে, তবে একবার নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারণী পর্যায় সিদ্ধান্ত নিলে প্রতিটি সদস্যের কর্তব্য হলো সেই সিদ্ধান্তের সমর্থনে কাজ করা।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘আপনারা কি কারও ব্যক্তিগত কর্মী, নাকি আপনারা ধানের শীষের কর্মী, বলেন তো আমাকে। আপনারা জাতীয়তাবাদী শক্তির কর্মী, জাতীয়তাবাদী শক্তির পক্ষ থেকে যখন একটি সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব হচ্ছে যেকোনো মূল্যে তা বাস্তবায়ন করা।’
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ঐক্য অপরিহার্য। যেমন একটি পরিবারে সবাই প্রবীণদের সিদ্ধান্ত মেনে চলে, তেমনি দলের সদস্যদেরও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
২৫৭ দিন আগে
এত আত্মবিশ্বাসী যে সরকারি দল হবেন, নির্বাচনে আসেন না কেন: জামায়াতকে সালাহউদ্দিন
জামায়াতে ইসলামী যদি সরকারি দল হওয়ার বিষয়ে এতটা আত্মবিশ্বাসী হয়, তাহলে নানা টাল-বাহানায় নির্বাচন কেন বাধাগ্রস্ত করছে— দলটির নেতাদের উদ্দেশ্যে এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে অপর্ণ আলোক সংঘের আয়োজনে ‘তারুণ্যের রাষ্ট্রচিন্তার তৃতীয় সংলাপ-মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন’ বিষয়ক এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, জামায়াত এখন জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলীয় জোটকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলছে, অথচ একই সময়ে তারা এমন এক দলের সঙ্গে রাস্তায় আন্দোলন করছে, যে দল ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি শেখ হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।
তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কালকে কয়েকটা সমাবেশ হয়েছে সারাদেশে, বিভিন্ন বিভাগ পর্যায়ে। পত্রিকায় আজ হেডলাইন দেখলাম, কোথাও বলছে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করবে, বিএনপি বিরোধী দলে যাবে।’
জামায়াত নেতাদের উদ্দেশে বিএনপি নেতা বলেন, ‘ভাইসাব আপনারা কি নির্ধারণ করে দিয়েছেন, বিএনপি বিরোধী দলে যাবে নাকি জনগণ তাদের বিরোধী দল করবে? ‘আপনারা যখন এত বেশি আত্মবিশ্বাসী যে, সরকারি দল হবেন, তাহলে নির্বাচনে আসেন না কেন? আজকে এই বাহানা, কালকে ওই বাহানা, পরশু আরেক বাহানা দিয়ে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছেন কেন? উদ্দেশ্য কী, সেটা তো আমরা জানি।’
আরও পড়ুন: বিএনপিকে তরুণদের আস্থা পুনর্গঠন করতে হবে: তারেক রহমান
তিনি জামায়াতের কাছে প্রশ্ন তোলেন, ‘কাদেরকে নিয়ে আপনারা আন্দোলন করছেন এখন যুগপৎ সঙ্গী হিসেবে, সেটা জনগণ দেখছে। তাদের মধ্যে একটি দল আছে, আমি নাম নিলে তো আবার অসুবিধা।’
দলটির নাম নিলেও ২০২৪ সালে ৭ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনে তারা অংশ নিয়েছিল বলে উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমেদ।
তিনি আরও বলেন, ‘তারা যদি যুগপৎ এর সঙ্গী হলে নিষ্পাপ হয়, তাহলে বাকি ২৮ টা দল যারা ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গী হয়েছিল তারা কি মহাপাপী?
এই নীতি সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। তা ছাড়া শুধু ২০২৪ সালের নির্বাচন অংশ না নিলেও আগের সব নির্বাচনে ‘হাত পাখা’ আওয়ামী লীগের সঙ্গী ছিল বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
তবে মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনার টেবিলেই নিষ্পত্তি চান বলে জানিয়েছেন এই বিএনপি নেতা। ইসলামী আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মতপার্থক্য গণতন্ত্রের অংশ এবং যেকোনো দল তাদের দাবি আদায়ের জন্য গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে রাস্তায় নামতে পারে।
তিনি বলেন, ‘আমরা বলছিলাম, যে বিষয়গুলো এখনো আলোচনার টেবিলে নিষ্পত্তি হওয়ার অপেক্ষায়, সেজন্য অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করার জন্য কি আপনারা রাস্তায় গেলেন? সেই চাপকে আবার বাতাস শূন্য করার জন্য আমাদেরকেও তো যেতে হবে হবে রাস্তায়।’
তিনি বলেন, আমরা কি সেটা চাই? আমরা চাই আলোচনার টেবিলেই এসব বিষয় সমাধান হোক।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, গত বছরের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। রাজনৈতিক দলগুলোকে চর্চার মাধ্যমে এটিকে শক্তিশালী করতে হবে।
আরও পড়ুন: জাতীয় নির্বাচন: ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে যাবে বিএনপি
তিনি বলেন, জাতীয় ইস্যুতে, দেশের স্বার্থে ইস্যুতে, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব গণতন্ত্রের ইস্যুতে, আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো। কিন্তু গণতান্ত্রিক চর্চায় আমাদের মধ্যে বিতর্ক হবে, মতভিন্নতা হবে, বহুমত পোষণ করব কিন্তু সেটার নিষ্পত্তি হবে আলোচনার টেবিলে।
পিআর পদ্ধতির নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পিআর যদি চাইতেই হয় সেটা তো ডিসাইড (নির্ধারণ) করবে জনগণ। আমরা কে কয়টা রাস্তায় মিছিল করলাম, বিভাগীয় পর্যায়ে কে কয়টা সভা করলাম, হাজার দুই-তিনেক লোক নিয়ে মিছিল করলাম তাতে কি পিআর প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেল?’
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আপনারা নির্বাচনী ইশতেহারে আপনাদের দাবিগুলো উল্লেখ করে নির্বাচনে আসুন। জনগণ যদি আপনাদের পক্ষে রায় দেয়, ইশতেহারের পক্ষে রায় দেয়, আপনারা সেটা বাস্তবায়ন করবেন। এটিই তো গণতান্ত্রিক রীতি।’
২৫৭ দিন আগে
বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন জরুরি, ফলাফলও সবার মেনে নেওয়া উচিত: মৌনির সাতৌরি
বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠিত হতে হবে এবং এর ফলাফল সবাইকে সম্মান করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের মানবাধিকার বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান মৌনির সাতৌরি।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে বাংলাদেশ সফর শেষ করার আগে ইউএনবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
সাতৌরি বলেন, ‘অবশ্যই আগামী ফেব্রুয়ারিতে আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে হতে হবে এবং নির্বাচনের ফলাফলের প্রতি সবার শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। বাংলাদেশে নির্বাচনের পর স্থিতিশীলতার জন্য এই শর্ত অপরিহার্য।’
‘রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য নির্বাচন কেবল একটি ধাপ মাত্র। সব রাজনৈতিক অংশীদাররা যেন ঐকমত্য তৈরি হওয়া সংস্কারগুলোকে সমর্থন করে। সেইসঙ্গে সেগুলোর কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের এই প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন ইসাবেল উইসেলার-লিমা (ইপিপি, লুক্সেমবার্গ), আরকাদিউস মুলারচিক (ইসিআর, পোল্যান্ড), উরমাস পায়েত (রিনিউ ইউরোপ, এস্তোনিয়া) এবং ক্যাটারিনা ভিয়েরা (গ্রিনস/ইএফএ, নেদারল্যান্ডস)।
২৫৮ দিন আগে
আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক মতবিরোধে সমাধানে আশাবাদী প্রেস সচিব
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর চলমান আলোচনা শান্তিপূর্ণ ও সামগ্রিক সমাধান এনে দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
ফেব্রুয়ারিতে জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ কয়েক দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য দলের বিক্ষোভ কর্মসূচি-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে প্রেস সচিব ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন।
ব্রিফিংয়ের সময় উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ এবং জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদও উপস্থিত ছিলেন।
শফিকুল আলম বলেন, ‘আমরা আশাবাদী যে ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর আলোচনার মাধ্যমেই সবকিছুর সমাধান হবে।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম জানান, চলতি বছর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেবেন। তিনি স্পষ্ট করেন, এই সফর বাংলাদেশের নির্বাচন কেন্দ্রিক কোনো মধ্যস্থতা বা আলোচনার জন্য নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে।
তিনি আারও বলেন, ‘তারা সরকারের অংশীদার হিসেবে এ ধরনের বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে অংশ নিচ্ছেন।’
ইতোমধ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর ফলে গত ১২ ফেব্রুয়ারি গঠিত কমিশনটি এখন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাবে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সাত সদস্যের এ কমিশনের দায়িত্ব হলো সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ পর্যালোচনা ও গ্রহণ করা। এর অংশ হিসেবে তারা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে তারা।
২৫৯ দিন আগে
বিএনপিকে তরুণদের আস্থা পুনর্গঠন করতে হবে: তারেক রহমান
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আস্থা পুনর্গঠন করতে হবে। এটি দলটির একটি বড় দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব বলেন।
তারেক রহমান লিখেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের অন্যতম দায়িত্ব হলো দেশের প্রতিটি ভোটারের আস্থা নিশ্চিত করা।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, আজকের ও আগামী দিনের তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি ছুটে যাচ্ছে তৃণমূল থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি শ্রেণি ও পেশার মানুষের কাছে; গ্রাম থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও মজবুত করছে। এই সমন্বিত প্রয়াসের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করতে চাই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।
আরও পড়ুন: এলডিসি উত্তরণে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান তারেক রহমানের
বিএনপি নেতা জানান, নানা অভিযোগে এখন পর্যন্ত দলের সাত হাজারেরও বেশি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও অসদাচরণের মতো অভিযোগে বহিষ্কারসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বহুমুখী অপপ্রচারের মাঝেও এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ ছিল না, তবে বাস্তবতার প্রেক্ষিতে এগুলো ছিল অপরিহার্য। শৃঙ্খলা কোনো দুর্বলতা নয়, বরং সেটিই আমাদের শক্তি। নিজেদের সদস্যদের দায়বদ্ধ করার মাধ্যমেই আবারও প্রমাণ হলো যে, বিএনপি সততার ব্যাপারে আন্তরিক, এবং আমরা ক্ষমতাসীনদের কাছে যেসব মানদণ্ড দাবি করি, নিজেদেরও ঠিক সেই একই মানদণ্ডে দাঁড় করাই।
তারেক রহমান বলেন, এইভাবেই আমরা জনগণের আস্থা পুনর্গঠন করতে চাই — বিশেষত তরুণদের, যারা রাজনীতিকে কেবলমাত্র ক্ষমতার খেলা হিসেবে দেখতে চায় না; বরং দেখতে চায় সবার অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা একটি মহৎ ক্ষেত্র হিসেবে।
বিএনপি সবসময় যুগের চাহিদা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের আধুনিক করেছে এবং জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ ও যোগাযোগকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
বিএনপি নেতা আরও জানান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, তরুণদের কর্মসংস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ডিজিটাল উদ্ভাবনের প্রতিশ্রুতিসহ ৩১ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে তাদের নীতি প্রণয়ন করা হচ্ছে।
তার ভাষ্যে, নারীর অংশগ্রহণ, তরুণ নেতৃত্ব ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি গড়ে তুলতে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে দেশ এগিয়ে যায় এবং রাজনীতি মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকে। বিএনপিকে তারা এমন একটি দল হিসেবে পরিচিত করতে চান—যা সেবা, ন্যায়বিচার ও দক্ষতার প্রতীক হবে; বিভাজন কিংবা সুবিধাভোগের প্রতীক নয়।
আরও পড়ুন: নির্বাচন বানচালের ‘অশুভ শক্তি’র চেষ্টার বিষয়ে সতর্ক করলেন তারেক
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো আলাদা, তাই আমাদের পদক্ষেপগুলোকেও হতে হবে নতুনভাবে চিন্তা-নির্ভর। তবে আমরা ইতিহাসকে অস্বীকার করি না; বরং তার ভিত্তিতেই এগিয়ে যেতে চাই।
তারেক রহমান স্মরণ করিয়ে দেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনে জনগণকে আশার আলো দেখিয়েছিলেন; জনগণের ক্ষমতায়নকে রাজনীতির কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। আর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপোষহীনভাবে গণতন্ত্র ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই করে গিয়েছেন। আজ আমরা তাদের সেই আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখেই এগিয়ে চলেছি নতুন যুগে; যেখানে সততা, তরুণ নেতৃত্ব ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা হবে রাষ্ট্রগঠনের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
তিনি বলেন, আমরা জানি, তরুণরা চায় বাস্তব সুযোগ, তারা ফাঁকা বুলি চায় না। জনগণ চায় স্থিতিশীলতা, তারা বিশৃঙ্খলা চায় না। আর বিশ্ব চায়, বাংলাদেশ হোক একটি বিশ্বাসযোগ্য ও সম্মানিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এই প্রত্যাশাগুলো পূরণে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
তারেক রহমান নেতাকর্মীদের প্রতি ঐক্যবদ্ধ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও জনগণের সেবায় নিবেদিত থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমি যেমন আপনাদের প্রত্যেকের ওপর আস্থা রাখি, আপনারাও তেমনি আমার ওপর আস্থা রাখুন। তাহলেই গণতন্ত্রের পথ হবে আরও উজ্জ্বল। আমরা একসঙ্গে প্রমাণ করবো যে, বাংলাদেশে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা, স্থিতিশীল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং গণআকাঙ্খিত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব, ইনশাআল্লাহ।
২৫৯ দিন আগে
জাতীয় নির্বাচন: ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে যাবে বিএনপি
আগামী ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় ধরে সরাসরি জনসংযোগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে দলটি ব্যাপকভাবে ভোটারদের আস্থা পুনঃস্থাপন, প্রতিপক্ষের প্রচারণা মোকাবিলা ও নির্বাচনী মাঠে শক্তিশালী উপস্থিতি নিশ্চিতের প্রচেষ্টায় ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাবে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বৈঠকে অংশ নেওয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিএনপি নেতা।
তিনি বলেন, “আমাদের ‘ডোর টু ডোর’ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে নারী ও যুবসমাজকে সক্রিয় করা এবং গত কয়েক বছরে দলের কিছু নেতার কর্মকাণ্ডের কারণে ক্ষয়প্রাপ্ত আস্থা পুনঃস্থাপন করা।”
এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও সমর্থকদের নির্বাচনমুখী করার জন্য বিএনপি ১৫০টিরও বেশি আসনে প্রার্থীদের সঙ্গে তৃণমূল পর্যায়ের পরিচয় করানোর পরিকল্পনা করেছে বলে জানান তিনি।
বিএনপি নেতা বলেন, ‘সম্প্রতি দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ—ডাকসু, জাকসু নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের ভরাডুবি এবং ইসলামি দলগুলোর সাম্প্রতিক কর্মসূচির কারণে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা দলের নীতিনির্ধারকদের দেশব্যাপী সরাসরি গণসংযোগ ও প্রচারণা জোরদার করতে উদ্বুদ্ধ করেছে।’
তার মতে, ‘বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব নিজেদের কিছু ভুল বুঝতে পেরেছে, বিশেষ করে ডাকসু নির্বাচনের পর। আমাদের প্রচারণার উদ্দেশ্য হলো সেই ত্রুটিগুলো জনগণের কাছে স্বীকার করে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।’
‘ফলে নির্বাচনী প্রচারণার মাধ্যমে দলের নেতা-কর্মীরা জনগণকে বোঝানোর চেষ্টা করবেন যে সরকারি ক্ষমতা না থাকলেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে নিজেদের গুরুত্ব ও সততা প্রমাণ করেছে বিএনপি।’
‘ডোর টু ডোর’ কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ, ভারত ও অন্যান্য সংবেদনশীল ইস্যুতে বিএনপির অবস্থান নিয়ে ছড়ানো নেতিবাচক প্রচারণা মোকাবিলা করা হবে বলে জানান তিনি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য বলেন, বৈঠকে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন নিয়ে জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলগুলোর ঘোষিত কর্মসূচিও পর্যালোচনা করা হয়েছে। এগুলোকে রাজনৈতিক দরকষাকষির অংশ হিসেবে দেখছি। তবে এর বাইরে আমরা সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে নিজেদের নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাব।
এলডিসি উত্তরণে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান তারেক রহমানের
ওই বিএনপি নেতা বলেন, ‘প্রচারণায় শুধু পুরুষ নেতা-কর্মীরাই নন, নারী নেতা-কর্মীরাও সরাসরি অংশ নেবে। আমরা মানুষকে বোঝাব, কেন নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হওয়া জরুরি।’
দলটির স্থায়ী কমিটির ওই সদস্য জানিয়েছেন, বিএনপি অর্ধেকের বেশি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে, যাতে প্রতিটি আসনে একজন প্রার্থী নিশ্চিত থাকে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই স্থানীয়ভাবে প্রচারণা শুরু করেছেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও গ্রুপিং এড়িয়ে দলীয় শৃঙ্খলার মধ্যে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী সাম্প্রতিক সময়ে জুলাই সনদ ও পিআর পদ্ধাতির নির্বাচনের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। তবে বিএনপি মুখোমুখি রাজনীতি এড়িয়ে জনসংযোগে মনোযোগ দিচ্ছে। দল জনগণের কাছে তাদের অবস্থান ও নির্বাচনের ভিশন ব্যাখ্যা করতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার চালাবে।’
জনগণের মধ্যে বিএনপিকে নিয়ে ভুল ধারণা দূর করতে এবং কেন কিছু সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা ব্যাখ্যা করতে এই কর্মসূচি সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনও বলেছেন, ‘আমরা জনগণের কাছে গিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাব। আমাদের লক্ষ্য জনগণের সঙ্গে আমাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও অবস্থান শেয়ার করা, সরাসরি অন্য দলের কর্মসূচি মোকাবিলা করা নয়।’
তবে এই প্রচারণা কখন শুরু হবে তা রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মোশাররফ হোসেন বলেন, জামায়াত ও অন্যান্য দল তাদের দাবিসহ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো সরকারের দায়িত্ব। কোনো দল যেকোনো কিছুর দাবি করতে পারে, সে বিষয়ে সরকারকেই প্রতিক্রিয়া দিতে হবে।
নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ দূর করতে সরকারের প্রতি বিএনপি নেতার আহ্বান
তিনি আরও বলেন, ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনের ফলাফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না। ইতিহাসে দেখা গেছে, ছাত্রনেতারা ক্যাম্পাসে সফল হলেও সংসদ নির্বাচনে তার প্রভাব দেখা যায়নি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কোনো রাজনৈতিক দল জনগণের কাছে যাবে বা রাজপথে আন্দোলন করবে, এটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। আমরা কোনো দলকে শত্রু মনে করি না। নির্বাচনকালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে, তবে আমরা সব দলকে রাজনৈতিক বন্ধু ও সঙ্গী মনে করি। জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে রাজনীতি করতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, জামায়াত ও কিছু ইসলামি দল তাদের দাবিসহ রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে। বিএনপি তাদের বার্তা, বক্তব্য ও মতামত জনগণের কাছে পৌঁছে দেবে, এবং জনগণ তা বিচার করবে।এই বিএনপি নেতা আরও বলেন, ‘জনসংযোগের বিভিন্ন মাধ্যম, যেমন: মিছিল, র্যালি, জনসংযোগ ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচি সফল করা হবে। বিএনপির অবস্থান কী, জনগণের কাছে সেই বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং জনসমর্থন অর্জন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
২৬১ দিন আগে
এলডিসি উত্তরণে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান তারেক রহমানের
বাংলাদেশের ২০২৬ সালের নভেম্বরে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণকে মাইলফলক আখ্যা দিলেও এর সঙ্গে আসা ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখনই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, ‘উত্তরণ কেবল একটি মাইলফলক নয়, বরং এটি এমন ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে যা আমাদের সততার সঙ্গে স্বীকার করতে হবে। এগুলো সরাসরি আমাদের অর্থনীতি ও জনগণকে প্রভাবিত করবে।’
পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়া অগ্রসর না হলে দেশের অর্থনীতি ও জনগণ সরাসরি চাপের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি কয়েকটি সম্ভাব্য সমস্যা উল্লেখ করেছেন।
তার মতে, বাণিজ্য সুবিধা হারালে পোশাক খাতের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমে যাবে। একই সঙ্গে স্বল্পসুদে ঋণ ও সাহায্যের প্রবাহ কমে যাবে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও ঋণের চাপে থাকা অর্থনীতিকে আরও সংকটে ফেলতে পারে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিশেষ সুবিধা, যেমন ভর্তুকি বা ওষুধের পেটেন্ট সংক্রান্ত ছাড় আর থাকবে না। এতে প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম বাড়তে পারে এবং প্রতিযোগিতামূলক ক্ষয় হলে একটি ক্ষেত্রের ওপর রপ্তানি নির্ভরতা আমাদের দুর্বল করে তুলতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে কিছু প্রস্তাব করেছেন তারেক রহমান।
সেগুলোর মধ্যে রয়েছে, পোশাকের বাইরে আমাদের রপ্তানিভিত্তিকে আইসিটি, ওষুধ ও অন্যান্য মূল্য সংযোজন শিল্পে বৈচিত্র্য আনতে হবে, ঋণের ফাঁদ এড়াতে উন্নত আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে শক্তিশালী করতে হবে, বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক থাকার জন্য উৎপাদনশীলতা, বাণিজ্য সরবরাহ এবং আধুনিক অবকাঠামোতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে, রূপান্তরকে সমর্থন করার জন্য বাণিজ্য সুবিধা এবং সবুজ অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিদেশি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের শ্রমিক, কৃষক ও তরুণদের ঝুঁকির মুখে ফেলে রাখা যাবে না। এলডিসি থেকে উত্তরণের সুফল ভোগ করতে হলে নাগরিকদের জন্য বাস্তব অগ্রগতি ও সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।’
২৬১ দিন আগে