রাজনীতি
রাজবাড়ীর দুই আসনেই বিএনপি প্রার্থীর বিজয়
রাজবাড়ী জেলার দুইটি সংসদীয় আসনেই বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ও মো. হারুন-অর-রশিদ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাজবাড়ী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, রাজবাড়ী-১ আসনে (সদর ও গোয়ালন্দ) মোট ১৫৬টি কেন্দ্রের ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট জামায়াতে ইসলামীর ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম ১ লাখ ১ হাজার ৯২ ভোট পেয়েছেন।
এই আসনের সর্বমোট ১৫৭টি কেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২৫ এবং ‘না’ পড়েছে ৮৭ হাজার ২২৫ ভোট। আসনে প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৬৩ দশমিক ২০ ভাগ।
অন্যদিকে, রাজবাড়ী-২ আসনে (পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী) মোট ১৯৮টি কেন্দ্রে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. হারুন-অর-রশিদ ২ লাখ ৩৭ হাজার ২৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট মনোনীত জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থী জামিল হিজাযী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ২৯৯ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) ‘কলস’ প্রতীকের প্রার্থী সাবেক সাংসদ নাসিরুল হক সাবু ৩৬ হাজার ৩৩৮ ভোট পেয়েছেন।
এই আসনে সর্বমোট ১৯৯টি কেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭ হাজার ৬২৫ এবং ‘না’ পড়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৬৭ ভোট। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৬৪ দশমিক ৮৯ ভাগ।
২১ দিন আগে
ফেনীর তিনটি আসনেই ধানের শীষের বিজয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনীর ৩টি আসনেই বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীরা বিপুল সংখ্যক ভোটে জয়লাভ করেছেন। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়াই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু নিরপেক্ষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফেনী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফেনীর ৩টি আসনের ফলাফল অনুযায়ী, ফেনী-১ আসনে রফিকুল ইসলাম মজনু, ফেনী-২ আসনে অধ্যাপক জয়নাল আবদীন (ভিপি জয়নাল) ও ফেনী-৩ আসনে আবদুল আউয়াল মিন্টু বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ফেনী-১ (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া) আসনে মোট ১২১টি ভোটকেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থী মুন্সি রফিকুল আলম মজনু ১ লাখ ১৯ হাজার ৯০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী এস এম কামাল উদ্দিন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৭১৫ ভোট। এই আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪৯টি এবং ‘না’ ভোট ৬০ হাজার ৪৫৮টি।
ফেনী-১ আসন থেকে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার মৃত্যুর পর এ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক মুন্সী রফিকুল আলম মজনুকে।
ফেনী-২ (ফেনী সদর) আসনে ১৪৬টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক জয়নাল আবদীন ১ লাখ ৩১ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু পেয়েছেন ৮০ হাজার ৫৮ ভোট। এই আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৩২টি, আর ‘না’ ভোট দিয়েছেন ৭২ হাজার ৫৩৩ জন।
ফেনী-২ আসন থেকে ৩ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জয়নাল আবদিন ভিপি। তিনি প্রথমবার জাসদ থেকে এবং বিএনপি থেকে ২ বার এমপি নির্বাচিত হন।
ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে ১৬১টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক ১ লাখ ৮ হাজার ১৬০ ভোট পেয়েছেন। এখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৩২১ জন, আর ‘না’ ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ১৪টি।
ফেনী-৩ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট শিল্পপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু। এর আগে এ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মাহবুবুল আলম তারা মিয়া ২ বার ও মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন ৩ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ফেনীর ৩টি আসনে মোট ভোটার ১৩ লাখ ৩০ হাজার ৯২৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৮৬৭ জন, নারী ৬ লাখ ৪৩ হাজার ৪৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৮ জন। জেলায় ৪২৮টি ভোটকেন্দ্র ও ২ হাজার ৪৩৯টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। গড়ে ৫৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ ভোটগ্রহণ হয়েছে।
এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনীর তিনটি আসনে মোট ২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে ফেনী-১ আসনে ৭ জন, ফেনী-২ আসনে ১১ জন ও ফেনী-৩ আসনে ৮ জন প্রার্থী ছিলেন।
মনিরা হক বলেন, ‘ফেনীর তিনটি আসনে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ হয়েছে। নির্বাচনে যারা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সবার সহযোগিতায় এ ধরনের একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন শেষ করা সম্ভব হয়েছে।’
২১ দিন আগে
ঢাকা-২০ আসনে বিপুল ভোটে জিতেছেন বিএনপির তমিজ উদ্দিন
ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন। তমিজ উদ্দিন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাবিলা তাসনিদের চেয়ে ১ লাখ ৪ হাজার ৮৫ বেশি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোট গণনা শেষে ঢাকা-২০ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব নির্বাচনের এই প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, আসনটির ১৪৭টি কেন্দ্রে তমিজ উদ্দিন পেয়েছেন মোট ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের পক্ষে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট।
অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আহসান খান পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৬ ভোট, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) মনোনীত মোটরগাড়ি প্রতীকের প্রার্থী আরজু মিয়া পেয়েছেন ১৯৮ ভোট, খেলাফতে মজলিসের দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী আশরাফ আলী পেয়েছেন ৯ হাজার ৮৩ ভোট এবং এবি পার্টির ঈগল প্রতীকের প্রার্থী হেলাল উদ্দিন আহাম্মদ পেয়েছেন ৪৭৮ ভোট।
এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৪১২টি এবং ‘না’-এর পক্ষে ভোট পড়েছে ৫০ হাজার ১১৪টি।
ঢাকা-২০ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭০ হাজার ৯৩৮ জন। এর মধ্যে ভোটে অংশগ্রহণ করেছেন ২ লাখ ৩৫ হাজার ৭২৩ জন ভোটার। এ আসনে মোট ৬ হাজার ১১৭টি ভোট বাতিল ঘোষণা করা হয়। আর প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
২১ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গার দুই আসনেই দাঁড়িপাল্লার জয়, বিএনপির ভরাডুবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মাদ কামাল হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীদের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং সহনশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।
চুয়াডাঙ্গা-১ (সদর-আলমডাঙ্গা) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল ২ লাখ ১১ হাজার ১৫৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের শরীফুজ্জামান পেয়েছেন ১ লাখ ৫১ হাজার ৮৪৮ ভোট।
এই আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৬ হাজার ৩৩৭ জন। ভোটগ্রহণ হয়েছে প্রায় ৭৪ শতাংশ। পোস্টাল ব্যালটে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছে ২ হাজার ৭৪১ ভোট, ধানের শীষ ৮১১ ভোট এবং হাতপাখা ৮৯ ভোট।
অপরদিকে, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রুহুল আমিন ২ লাখ ১০ হাজার ১১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের মাহমুদ হাসান খান বাবু পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ২৯৯ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৮৭ হাজার ২১২ জন। ভোট প্রদানের হার ছিল প্রায় ৭৮ শতাংশ।
দুই আসনেই বড় ব্যবধানে জয় পাওয়ায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। তবে চূড়ান্ত ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।
২১ দিন আগে
মানিকগঞ্জের তিনটি আসনেই ধানের শীষের জয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ জেলার তিনটি আসনেই বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ৩টি পোস্টাল কেন্দ্র ও ৫১৫টি ভোটকেন্দ্রের ভোটের চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুন আরা সুলতানা।
ঘোষি ফলাফল অনুযায়ী, মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর-শিবালয়-দৌলতপুর) আসনে ১৮০টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ৫৭ হাজার ২৮৪ ভোটের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীর ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. তোজাম্মেল হক ভোট পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৮১৮। এ ছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আবু বকর সিদ্দিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭১ হাজার ৩১০ ভোট পেয়েছেন।
মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর-হরিরামপুর ও সদর উপজেলার আংশিক) আসনে ১৮৬টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৪৯৩ ভোটের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিস প্রার্থী মো. সালাউদ্দিন দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫৩১ ভোট।
মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনে ১৫২টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৯১৮ ভোটের মধ্যে বিএনপি প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিস প্রার্থী মুহাম্মদ সাঈদ নূর রিকশা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২টি। এছাড়া বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতা পেয়েছেন ২০ হাজার ৫৫১ ভোট।
এদিকে, মানিকগঞ্জ-১ আসনের ১৮০টি ভোট কেন্দ্রে সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে নেওয়া গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ২৫২ জন, আর ‘না’ ভোট দিয়েছেন ৭৪ হাজার ৩৬৬ জন।
মানিকগঞ্জ-২ আসনের ১৮৬টি ভোটকেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬২৬টি আর ‘না’ ভোট দিয়েছেন ৫৫ হাজার ৭৪০ জন।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনের ১৫২টি ভোটকেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৯১ হাজার ৯০৮ জন, আর ‘না’ ভোট পড়েছে ৫২ হাজার ৫৯৫টি।
২১ দিন আগে
বিজয় মিছিল নয়, দেশব্যাপী দোয়া কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধ্বস বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে থাকলেও কোনো ধরনের আনন্দ মিছিল বা বিজয় সভা না করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিজয়োল্লাসের পরিবর্তে দলটি দেশব্যাপী দোয়া ও প্রার্থনা কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলীর দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, তারেক রহমান শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর দেশব্যাপী বিশেষ দোয়ার আয়োজন করতে দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে অন্য এক বিবৃতিতে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক আসনে দলের বিজয়ের প্রেক্ষাপটে ঢাকাসহ দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিপুলসংখ্যক আসনে নির্বাচিত হওয়ায় ঢাকা মহানগরসহ দেশব্যাপী বিএনপির পক্ষ থেকে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানানো হয়েছে।
এ উপলক্ষে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বাদ জুমআ ‘গণতন্ত্রের মা’ সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও দেশবাসীর প্রতি শুভ কামনায় বিএনপির উদ্যোগে ঢাকাসহ দেশব্যাপী মসজিদে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।
তবে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ায় বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো আনন্দ মিছিল কিংবা কোনো সভা করা যাবে না।
ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণকে দেশব্যাপী মসজিদে মসজিদে অনুষ্ঠিতব্য দোয়ায় অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
একইসঙ্গে সারা দেশে মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপাসনালয়ে স্ব স্ব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষদের সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করার জন্যও অনুরোধ করা হলো।
২১ দিন আগে
রাজশাহীর ৬টি আসনে ৪টিতে বিএনপি, দুটিতে জামায়াত বিজয়ী
রাজশাহী জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৪টিতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বাকি দুটি আসনে জামায়াতে ইসলামের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। জেলার ৬টি আসনে পোস্টাল ভোটসহ বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।
রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের মোট ১৬০টি কেন্দ্রের মধ্যে সবগুলো কেন্দ্রের ফলাফলে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মুজিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৬ ভোট। বিএনপির প্রার্থী শরীফ উদ্দীন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯০২ ভোট। ১ হাজার ৮৮৪ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মুজিবুর রহমান।
অপরদিকে, রাজশাহী-২ (সদর) আসনে মোট কেন্দ্র ১১৬টি। এর মধ্যে সবকয়টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৪৭ ভোট। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৪৬৬ ভোট।
এছাড়া, রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে মোট কেন্দ্র ১৩১টি। সবয়কটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৪৬৮ ভোট। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫৬৫ ভোট।
অন্যদিকে, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১২২টি। এর মধ্যে ১২২টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. আব্দুল বারী সরদার পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ২৪৮ ভোট। বিএনপি প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৭৫৯ ভোট। ৮ হাজার ৪৪৯ ভোটের ব্যবধানে ডা. আব্দুল বারী সরদার বিজয়ী হয়েছেন।
এছাড়াও, রাজশাহী ৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৩২টি। সবগুলো কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম মণ্ডল পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৬১২ ভোট। এখানে জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা মনজুর রহমান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৮৭৩ ভোট।
রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১১৯টি। সবগুলো কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭২ ভোট। জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী নাজমুল হক পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯৬৫ ভোট।
২১ দিন আগে
চট্টগ্রামের ১৬ আসনের ১৪টিতে বিএনপি ও ২টিতে জামায়াতের বিজয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টি আসনেই (১-১৪ পর্যন্ত) বিএনপি এবং ২টি আসনে (১৫ ও ১৬) জিতেছে জামায়াতের প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিনভর ভোটগ্রহণের পর রাতে গণনা শেষে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে তাদের বিজয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ঘোষিত ফলাফলে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপির নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির সরওয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড) আসনে বিএনপির মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বিএনপির মীর মো. হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপির হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনে বিএনপির এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে বিএনপির মো. আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর) আসনে বিএনপির সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বিএনপির আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপির মোহাম্মদ এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে বিএনপির জসিম উদ্দিন আহমেদ, চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে জামায়াতে না শাহজাহান চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. জহিরুল ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
তবে চট্টগ্রাম জেলা প্রাশাসন ও বিভাগীয় কমিশনের উদ্যোগে চট্টগ্রাম ১৬ আসনের আলাদাভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হচ্ছে।
উৎসবমুখর ভোট দানের জন্য ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে দুটি আসনে জামাত ইসলামের প্রার্থী এবং ১৪টি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। এতে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলার ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করায় ভোটারদের ধন্যবাদ জানান।
জেলা প্রশাসক বলেন, সকাল থেকে আনোয়ারা, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া ও কর্ণফুলীসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক কেন্দ্র পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে সন্তোষজনক উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। বিশেষ করে নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তাকে অভিভূত করেছে বলে জানান তিনি। অনেক ভোটার দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে উল্লেখ করেন জেলা প্রশাসক।
মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘যাদের কেন্দ্র করে আমাদের সব আয়োজন, সেই সম্মানিত ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে এসেছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।’
তিনি বলেন, উৎসবমুখর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র্যাব, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
২২ দিন আগে
ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিজয়ী তারেক রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ (সদর) উভয় আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে জয়লাভ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও দলটির জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন এ তথ্য জানান।
মাহদী আমিন বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার দুটি নির্বাচনি আসন বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ এ এরই মধ্যে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
তবে, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
ফলাফল অনুযায়ী, তারেক রহমান পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবিদুর রহমান পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট। তবে এ ফলাফলে পোস্টাল ব্যালটের ভোট অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
এ আসনে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে হাতপাখা প্রতীকের আবু নুমান মো. মামুনুর রশিদ পেয়েছেন ২ হাজার ৫০৮ ভোট। বাসদের প্রার্থী দিলরুবা নুরী (মই প্রতীক) পেয়েছেন ২৭৬ ভোট এবং জেএসডির আব্দুল্লাহ আল ওয়াকি (তারা প্রতীক) পেয়েছেন ২৭৬ ভোট।
বগুড়া-৬ আসনে মোট ১৫০টি ভোটকেন্দ্রে ৩ লাখ ১৭ হাজার ৪৮৯ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, যা মোট ভোটারের ৭১ দশমিক ০৩ শতাংশ।
২২ দিন আগে
লালমনিরহাটের ৩টি আসনে বিএনপির জয়
লালমনিরহাটের ৩টি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা তাদের নিকটতম প্রার্থী হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রাপ্ত ফলাফলে জানা গেছে, লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনে ৯২ হাজার ৭৯৮ ভোট পেয়ে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলাম রাজু দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৮৯ ভোট।
লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুল ১ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ২৩৬ ভোট।
লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু ১ লাখ ৪০ হাজার ১০৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৫৫ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রার্থী হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবু তাহের।
২২ দিন আগে