খেলাধুলা
ইনজুরিতে মেসি, পেরুর বিপক্ষে বিশ্রাম
পায়ের উরুতে চোট পাওয়ায় কোপা আমেরিকার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে লিওনেল মেসিকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচে চিলির বিপক্ষে মাঠে নেমে চোট পান আর্জেন্টাইন মায়েস্ত্রো।
কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করার ওই ম্যাচটি ১-০ গোলে জেতে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ২৪তম মিনিটে চিলির ডিফেন্ডার গাব্রিয়েল সুয়াসোর সঙ্গে বল দখলের চ্যালেঞ্জে গিয়ে ডান পায়ের উরুতে টান লাগে মেসির। এরপর ম্যাচ চলাকালেই তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে দেখা যায়। অবশ্য ম্যাচটি শেষ করেই মাঠ ছাড়েন তিনি।
তবে শুক্রবার আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ ওয়াল্টার স্যামুয়েল জানিয়েছেন, মেসির ইনজুরির বিষয়টি প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
‘তার অনুপস্থিতি শুধু আমাদের জন্যই নয়, সর্বোপরি ফুটবলের জন্যই বিরাট বড় ধাক্কা।’
আরও পড়ুন: লাউতারোর গোলে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা
গত মৌসুমে মেজর সকার লিগে (এমএলএস) যোগদানের পর থেকেই ইনজুরি ভোগাচ্ছে লিওনেল মেসিকে। তবে ঠাসা সূচির মধ্যেও তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে যথেষ্ট খেয়াল রাখেন মায়ামি কোচ তাতা মার্তিনো।
পায়ের চোটে প্রথম মৌসুমের ইন্টার মায়ামির ছয়টি ম্যাচ খেলতে পারেননি মেসি। এছাড়া পরের মৌসুমের শুরুতে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ার কারণেও বেশ কয়েকটি ম্যাচে ডাগআউটে বসে থাকতে হয় তাকে।
কোপা আমেরিকায় প্রথম দুই ম্যাচ জিতে শেষ আট নিশ্চিত করলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে তৃতীয় ম্যাচে জয় প্রয়োজন আর্জেন্টিনার। দুই ম্যাচ জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল।
রবিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় ১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানিতে থাকা পেরুর বিপক্ষে মাঠে নামবে স্কালোনির শিষ্যরা। একই সময় কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মাঠে নামবে চিলি ও কানাডা।
আরও পড়ুন: প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে শঙ্কা কাটাল ব্রাজিল
দুই ম্যাচে এক জয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় অবস্থানে কানাডা। অন্যদিকে, এক ড্রয়ে মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে তিনে চিলি। ফলে ড্র করতে পারলেও কোয়ার্টারের টিকিট পাওয়া তুলনামূলক সহজ হবে কানাডার জন্য। আর শেষ আট নিশ্চিত করতে জয়ের বিকল্প নেই চিলির।
শেষ আটে খেলার স্বপ্ন অবশ্য শেষ হয়ে যায়নি পেরুরও। আর্জেন্টিনাকে বড় ব্যবধানে হারাতে পারলে কোপা আমেরিকার বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে নকআউট পর্বে উঠে যেতে পারে তারাও।
আরও পড়ুন: ইউরোর শেষ ষোলো চূড়ান্ত, কে কবে কার মুখোমুখি
৭০৫ দিন আগে
প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে শঙ্কা কাটাল ব্রাজিল
কোপা আমেরিকার চলতি আসরের শুরুটা আশানুরূপ হয়নি ব্রাজিলের। কোস্টারিকার সঙ্গে ড্র করে নকআউট পর্বে ওঠা নিয়ে ভক্তদের মনে জাগিয়েছিল শঙ্কা। মূলত, ড্রয়ের কারণে নয়, ম্যাচে দলটির খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সই ছিল হতাশা জাগানিয়া। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে সে আশঙ্কা কাটিয়েছে দরিভাল জুনিয়রের শিষ্যরা।
লাস ভেগাসের অ্যালেজায়ান্ট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় শনিবার সকালে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয় পেয়েছে ব্রাজিল। ভিনিসিউসের জোড়া গোলের ম্যাচে স্যাভিনিয়ো এবং লুকাস পাকেতা বাকি গোল দুটি করেন।
স্কোরলাইন দেখে ম্যাচটি একপেশে মনে হলেও মাঠের খেলায় তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্যারাগুয়ে। ব্রাজিলের পায়ে ৫৪ শতাংশ সময় বল থাকলেও ৪৬ শতাংশ সময় নিজেদের পায়ে বল রাখতে সক্ষম ছিল দলটি। এছাড়া পুরো ম্যাচে ব্রাজিল গোলের জন্য শট নেয় ১৭টি, যার ৬টি ছিল লক্ষ্যে। অপরদিকে, প্যারাগুয়ের ১৫টি শট থেকেও ৬টি লক্ষ্যে ছিল।
দুই অর্ধে দুটি পেনাল্টিতে ব্রাজিলের কাজ অনেকটা সহজ হয়ে গেলেও তার একটি থেকে গোল আদায় করতে পারে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের ৩১তম মিনিটে পাওয়া প্রথম স্পট কিক থেকে গোল আদায় করতে না পেরে দলকে এগিয়ে নিতে ব্যর্থ হন লুকাস পাকেতা। গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে গিয়ে তার শটটি গোলপোস্টেরই বাইরে দিয়ে চলে যায়।
তবে এর চার মিনিট পরই দর্শকদের আনন্দে ভাসান ভিনিসিউস। ডি বক্সের ভেতর পাকেতার বাড়ানো বল থেকে লক্ষ্যভেদ করেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
আরও পড়ুন: লাউতারোর গোলে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা
এরপর প্রথমার্ধের খেলা দুই মিনিট বাকি থাকতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন স্যাভিনিয়ো। ব্রুনো গিমেরায়েসের শট গোলরক্ষকক ফিরিয়ে দিলে বল প্যারাগুয়ের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে চলে যায় স্যাভিনিয়োর কাছে। এরপর বল জালে জড়াতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি আসন্ন মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা করে নেওয়া জিরোনার এই ফরোয়ার্ডের।
এরপর মাঠের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিবাদে জড়ান ভিনিসিউস। তাকে ধাক্কা মেরে ফেলেও দেওয়া হয়। তবে বিরতির ঠিক আগেই অতিরিক্ত সময়ে গোল করে এর জবাব দেন তিনি। ফলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে ব্রাজিল।
৭০৬ দিন আগে
বোলিংয়ের দিকটি ছিল ইতিবাচক, বললেন তাসকিন
যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্স শেষে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আসার পর দলের বোলিং পারফরম্যান্সকে ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরেন পেসার তাসকিন আহমেদ।
প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর বিপক্ষে দুটিসহ সাত ম্যাচে তিন জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। তাসকিনের সঙ্গে রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব ও মুস্তাফিজুর রহমান প্রশংসনীয় বোলিং পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।
পারফরম্যান্সে নজিরবিহীন খারাপ করার কথা উল্লেখ করে ব্যাটিং চেষ্টাকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে স্বীকার করেছেন তাসকিন।
ঢাকায় ফিরে তিনি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রে পরিস্থিতি ব্যাটসম্যানদের অনুকূলে ছিল না।’ তিনি বলেন, ‘পরিসংখ্যান বলছে, শীর্ষ দলগুলোও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বোলারদের একটি স্বতন্ত্র সুবিধা ছিল।’
তিনি বোলিং ইউনিটের সাফল্যের জন্য সময়ের সঙ্গে ধারাবাহিক প্রচেষ্টাকে তুলে ধরেছেন।
আরও পড়ুন: দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বৃষ্টির হানা, পণ্ড হলেই ফাইনালে ভারত
বাংলাদেশের জন্য সর্বনিম্ন পয়েন্টটি সুপার এইটে এসেছিল। যেখানে তারা আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রয়োজনীয় মোট রান তুলতে ব্যর্থ হন। এর ফলে ঐতিহাসিক সেমিফাইনালে যাওয়া নিশ্চিত করার সুযোগ হাতছাড়া করে ফেলেন। ৭৩ বলে মাত্র ১১৬ রান সংগ্রহা করার প্রয়োজন থাকলেও হোঁচট খায় বাংলাদেশ।
লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো ব্যাটসম্যানরা পুরো ইভেন্টে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পারফরম্যান্স দেখাতে ব্যর্থ হন। এটি বিরল ছিল- সব ব্যাটসম্যান একইভাবে তাদের ফর্ম হারায়। ফলে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে দলের পারফরম্যান্স ভুলে যেতে পারে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত শুরুতেই উইকেট হারানোর পর দলের কৌশলগত পরিবর্তনের ব্যাখ্যা দিয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
তারা সেমিফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার আশা ছেড়ে দেওয়ায় ম্যাচ জেতার লক্ষ্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।
আরও পড়ুন: সেমির দৌড়ে ১১৬ রানের লক্ষ্যে সমীকরণ মেলাতে হচ্ছে টাইগারদের
৭০৬ দিন আগে
টস হেরে ব্যাটিংয়ে ভারত
বৃষ্টির কারণে ভেজা মাঠ শুকাতে বেশ কিছুটা সময় লাগলেও দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মাঠে নামছে ইংল্যান্ড ও ভারত। এদিন টসভাগ্য গেছে ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলারের দিকে।
গায়নার প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে টস জিতে শুরুতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাটলার।
বৃষ্টির আগে পিচ রিপোর্টে হার্শা ভোগলে ও মাইকেল আথারটন বলেছিলেন, এই পিচে বল বেশি ওপর উঠবে না। ফলে স্পিনাররা সুবিধা পাবেন।
শুরুতে ব্যাট করে এই মাঠে সংগ্রহের গড় ১৬৭ রান।
আরও পড়ুন: দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বৃষ্টির হানা, পণ্ড হলেই ফাইনালে ভারত
শুরুতে বোলিং করার ইচ্ছাই ছিল জানিয়ে বাটলার বলেন, ‘ভালো সারফেস মনে হচ্ছে। বৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পর বল একটু কমই উঠবে। তাই আগে বোলিং করলে সুবিধা পাওয়া যাবে বলেই মনে হচ্ছে। গত ম্যাচের একাদশ অপরিবর্তিতই থাকছে।’
রোহিত বলেন, ‘টস জিতলেও আগে ব্যাটিং করতাম। আমরা শুরুতেই (স্কোর) বোর্ডে রান রাখতে চাই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পিচ স্লো হয়ে যাবে বলে মনে হচ্ছে। ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব বেশি ভাবছি না। এই মুহূর্তে কী করা দরকার, সেটিই আমাদের কাছে মুখ্য। আমরাও অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে নামছি।’
পরিসংখ্যান বলছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একটি ম্যাচে আগে ব্যাট করে হারে ইংল্যান্ড। তবে তিন ম্যাচে লক্ষ্য তাড়ায় নেমে তিনটিতেই সফল তারা।
অন্যদিকে, ২০২১ সালের পর থেকে সব ধরনের ক্রিকেট মিলিয়ে আইসিসি বিশ্বকাপে মোট পাঁচবার হেরেছে ভারত। ওই পাঁচটি ম্যাচের সবগুলোতেই শুরুতে ব্যাটিং করেছিল তারা।
ইংল্যান্ড একাদশ: ফিলিপ সল্ট, জস বাটলার (অধিনায়ক), জনি বেয়ারস্টো, হ্যারি ব্রুক, মইন আলী, লিয়াম লিভিংস্টোন, স্যাম কারান, ক্রিস জর্ডান, জোফরা আর্চার, আদিল রশিদ ও রিস টপলি।
ভারত একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, ঋষভ পান্ত, সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, আর্শদীপ সিং ও জাসপ্রিত বুমরাহ।
আরও পড়ুন:আফগানদের বিধ্বস্ত করে ‘চোকার’ তকমা ঘোচাল দক্ষিণ আফ্রিকা
রেকর্ড বইয়ে ১৩ পরিবর্তন আনল প্রোটিয়া-আফগান ম্যাচটি
৭০৭ দিন আগে
দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বৃষ্টির হানা, পণ্ড হলেই ফাইনালে ভারত
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মাঠে নামার অপেক্ষা করছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড ও ভারত। বৃষ্টির কারণে টস হতে দেরি হচ্ছে। তবে বৃষ্টি হলেও ম্যাচটি নিয়ে নির্ভার থাকবে ভারতীয় শিবির। কারণ ম্যাচটি পণ্ড হয়ে গেলে ফাইনালে উঠে যাবে রোহিত শর্মা অ্যান্ড কোং।
চলমান বিশ্বকাপ আসরের জন্য আইসিসির খেলার শর্তে প্রথম সেমিফাইনালের জন্য রিজার্ভ ডে থাকলেও দ্বিতীয় সেমিফাইনালের জন্য তা নেই। আবার সেমিফাইনালে উঠলে ভারতের আবদার মেটাতে তাদের দ্বিতীয় সেমিফাইনালেই রাখতে হয়েছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির।
এ দুটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আগে থেকেই বিতর্ক চলছে।
ভারতের স্থানীয় সময়সূচিকে প্রাধান্য দিয়ে দলটিকে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে রাখে আইসিসি। কারণ হিসেবে জানা গেছে, প্রথম সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হয় ভারতের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ছয়টায়। এ সময়ে দেশটির বিপুলসংখ্যক ক্রিকেটভক্তের জন্য খেলা দেখা বেশ কঠিন। তাই রাত ৮টায় শুরু হওয়া দ্বিতীয় সেমিতেই দলটিকে রাখা হয়েছে।
আইসিসিতে ভারতের প্রভাব এবং ১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে আইসিসির আয়- সবকিছু মিলিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
আরও পড়ুন: আফগানদের বিধ্বস্ত করে ‘চোকার’ তকমা ঘোচাল দক্ষিণ আফ্রিকা
দ্বিতীয় কারণটি নিয়েও সমালোচনা কম হচ্ছে না। প্রথম সেমিফাইনালে রিজার্ভ ডে থাকলেও দ্বিতীয় ম্যাচে কেন সেই সুবিধা রাখা হলো না, তা নিয়ে আইসিসিকে কাঠগড়ায় তুলেছেন অনেকে।
তবে এ বিষয়ে আইসিসির সাফাই, ফাইনাল ম্যাচের আগে পর্যাপ্ত সময় না থাকার কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে তারা। সময় না থাকার পেছনে ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচিকে দায়ী করেছে সংস্থাটি।
২৯ জুন বার্বাডোজের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল হওয়ার কথা। অর্থাৎ দ্বিতীয় সেমিফাইনালের পর মধ্যে মাত্র একটি দিন সময় রাখা হয়েছে। তাই রিজার্ভ ডে রাখার সুযোগ নেই বলে আইসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
তবে দ্বিতীয় সেমিফাইনালের জন্য অন্যভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। বৃষ্টি বাগড়া দিলেও এই ম্যাচের জন্য ২৫০ মিনিট বাড়তি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, নির্ধারিত সময়ের ৪ ঘণ্টা ১০ মিনিট পর্যন্ত সময় নষ্ট হলেও তার জন্য ওভার কমানো হবে না, সম্পূর্ণ ম্যাচ খেলানো হবে।
এরপরও যদি খেলা শুরু করা না যায়, তবেই ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমানোর সিদ্ধান্তে যাবে আইসিসি। তবে এক্ষেত্রে দুদলকেই কমপক্ষে ১০ ওভার করে খেলানো হবে, গ্রুপ পর্বে যা ছিল মাত্র ৫ ওভার। এরপরও খেলা সম্ভব না হলে ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হবে।
ম্যাচ পরিত্যক্ত হলেই কপাল পুড়বে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। কারণ, সুপার এইট পর্বে ইংল্যান্ডের চেয়ে (৪) ভারতের পয়েন্টই (৬) বেশি ছিল। আর টুর্নামেন্টের নিয়ম এটা।
আরও পড়ুন: রেকর্ড বইয়ে ১৩ পরিবর্তন আনল প্রোটিয়া-আফগান ম্যাচটি
৭০৭ দিন আগে
ইউরোর শেষ ষোলো চূড়ান্ত, কে কবে কার মুখোমুখি
গ্রুপ পর্বের তৃতীয় রাউন্ডে অনেক চমক নিয়ে হাজির হয় ইউরোর চলতি আসর। অনেক দল আশাহত হওয়ার পাশাপাশি অনেক আন্ডারডগ হ্যাভিওয়েটদের হারিয়ে গ্রুপসেরা বা শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে।
শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়েছে এবারের আসরের ইউরোপের শেষ ১৬টি ফেবারিট দল এবং ফাইনালে পৌঁছাতে কার রাস্তা কেমন, তা।
ইউরোর নকআউট পর্বের প্রথম ধাপের টিকেট পেয়েছে- স্বাগতিক জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, স্পেন, ইতালি, ইংল্যান্ড, ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, রোমানিয়া, বেলজিয়াম, পর্তুগাল, তুরস্ক, স্লোভাকিয়া, জর্জিয়া ও স্লোভেনিয়া।
চলতি আসরের গ্রুপ পর্ব থেকে বাদপড়া দলগুলোর মধ্যে অন্যতম ২০১৮ বিশ্বকাপের ফাইনালিস্ট ও ২০২২ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালিস্ট ক্রোয়েশিয়া। রবের্ট লেভানডফস্কির পোল্যান্ড এবং এবারের আসরের ‘ব্ল্যাক হর্স’ খ্যাত হাঙ্গেরিও শুরুতেই ছিটকে গেছে।
আবার বেলজিয়ামকে টপকে গ্রুপসেরা হওয়া রোমানিয়া, ফ্রান্স-নেদারল্যান্ডসকে টপকে গ্রুপসেরা হওয়া অস্ট্রিয়া, এমনকি জর্জিয়ার মতো দলগুলো চমক দেখিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে।
চলুন দেখে নেই, গ্রুপপর্বে কার লড়াই কতটা শক্ত ছিল-
গ্রুপ ‘এ’
স্বাগতিক জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও স্কট্যলান্ডকে নিয়ে গড়া গ্রুপ ‘এ’ থেকে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করা সহজ ছিল না কোনো দলের জন্যই। সবগুলো দলই ইউরোপের লিগগুলোতে খেলা অসাধারণ সব ফুটবলারে ভরা। তবে জার্মানির দাপটের কারণে একটি স্পট নিয়ে বাকি তিন দলের প্রতিযোগিতা আরও কঠিন হয়ে যায়।
অবশ্য স্কট্যল্যান্ড শক্তিতে কিছুটা খাটো পড়ে গেলে শুরুতেই ছিটকে যায় তারা। পরবর্তীতে হাঙ্গেরিকে রেখে শেষ ষোলোর টিকিট কাটে সুইজারল্যান্ড।
গ্রুপ ‘বি’
তিন ম্যাচে তিনটি জয় নিয়ে দাপটের সঙ্গে স্পেন নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে। তবে এক জয় ও এক হার নিয়ে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে শেষ ম্যাচে বিপাকে পড়ে গিয়েছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইতালি। মারিও সাক্কায়নির শেষ মুহূর্তের গোলে ম্যাচটি ড্র হলে কেঁদে বিদায় নিতে হয় ক্রোয়েশিয়ার। আর বিধ্বস্ত হয়ে কোনোমতে শেষ ষোলোয় ওঠে ইতালি।
আরও পড়ুন: অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মদ্রিচদের কাঁদিয়ে শেষ ষোলোয় ইতালি
গ্রুপ ‘সি’
ইংল্যান্ডের হতাশ পারফরম্যান্সের কারণে এই গ্রুপটি শেষ রাউন্ডেও ছিল উন্মুক্ত। যে কারও সুযোগ ছিল শেষ ষোলোর টিকিট কাটার। পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে গ্রপসেরা ইংল্যান্ডের সঙ্গে তিন পয়েন্ট নিয়ে ডেনমার্ক ও স্লোভেনিয়াও গ্রুপ ‘বি’ থেকে পরের রাউন্ডে উঠেছে। তবে শেষ ম্যাচে ডেনমার্কের সঙ্গে ড্র করে ২ পয়েন্ট সংগ্রহ করা সার্বিয়া নকআউটের ট্রেন ধরতে ব্যর্থ হয়েছে।
গ্রুপ ‘ডি’
এই গ্রুপেও ছিল দুই হ্যাভিওয়েট- ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডস। তবে তাদের টপকে শেষ ম্যাচে ডাচদের হারিয়ে গ্রুপসেরা হয় অস্ট্রিয়া। টেবিলের তিন নম্বরে থেকে গ্রুপ শেষ করলেও কোটায় শেষ ষোলোর ডাক পেয়েছে নেদারল্যান্ডস। আর প্রথম দুই ম্যাচ হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে গেছে পোল্যান্ড।
গ্রুপ ‘ই’
ইউরোয় এবারের আসরে এই গ্রুপটি ছিল সবচেয়ে চমক জাগানিয়া। গ্রুপে নিশ্চিত ফেবারিট ছিল বেলজিয়াম। তবে তৃতীয় রাউন্ড শেষে সবগুলো দলের পয়েন্ট সমান (৪) হয়ে যায়। এরপর গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে গ্রুপসেরা হয় রোমানিয়া, দ্বিতীয় বেলজিয়াম আর তৃতীয় দল হিসেবে কোটায় নকআউট পর্বে ওঠে স্লোভাকিয়া।
সমান পয়েন্ট, এমনকি অন্য গ্রুপের দলগুলো থেকে তিন পয়েন্ট পেয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত হলেও টেবিলের তলানিতে থাকায় কপাল পুড়েছে ইউক্রেনের। ইউরোর ইতিহাসে চার পয়েন্ট সংগ্রহ করেও শেষ ষোলো নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়া একমাত্র দল তারাই।
আরও পড়ুন: ফ্রান্স-নেদারল্যান্ডসের ধারহীন লড়াইয়ে জিতল অস্ট্রিয়া
গ্রুপ ‘এফ’
পর্তুগাল, তুরস্ক, চেক প্রজাতন্ত্র ও জর্জিয়া- শক্তিমত্তার বিচারে টুর্নামেন্টের শুরুতে সবাই দলগুলোকে এই ধারায় রাখলেও শেষ ম্যাচে ফেবারিট পর্তুগালের জালে দুবার বল জড়ায় জর্জিয়া।
এতে টেবিলের তৃতীয় অবস্থানে থেকে চেকদের কাঁদিয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছে কিভিচা কেভারার দল। এর ফলে প্রথমবার কোনো বড় টুর্নামেন্টে (বিশ্বকাপ, ইউরো) খেলতে এসেই নকআউটে পৌঁছেছে জর্জিয়ানরা।
ইউরোর শেষ ষোলোয় ম্যাচগুলোর সময়সূচি:
দিন-তারিখ
ম্যাচ
ভেন্যু
শুরুর সময়
২৯ জুন, শনিবার
ইতালি-সুইজারল্যান্ড
বার্লিন
রাত ১০টা
২৯ জুন, শনিবার
জার্মানি-ডেনমার্ক
ডর্টমুন্ড
রাত ১টা
৩০ জুন, রবিবার
ইংল্যান্ড-স্লোভাকিয়া
গেলসেনকির্খেন
রাত ১০টা
৩০ জুন, রবিবার
স্পেন-জর্জিয়া
কোলন
রাত ১টা
১ জুলাই, সোমবার
ফ্রান্স-বেলজিয়াম
ডুসেলডর্ফ
রাত ১০টা
১ জুলাই, সোমবার
পর্তুগাল-স্লোভেনিয়া
ফ্রাঙ্কফুর্ট
রাত ১টা
২ জুলাই, মঙ্গলবার
নেদারল্যান্ডস-রোমানিয়া
মিউনিখ
রাত ১০টা
২ জুলাই, মঙ্গলবার
অস্ট্রিয়া-তুরস্ক
লাইপসিগ
রাত ১টা
৭০৭ দিন আগে
রেকর্ড বইয়ে ১৩ পরিবর্তন আনল প্রোটিয়া-আফগান ম্যাচটি
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠলেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় চরম বিপর্যস্ত হয়েছে আফগানিস্তান। প্রোটিয়া বোলিংয়ের সামনে মাত্র ৫৬ রানেই আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে আফগান ব্যাটারদের।
এমন এক ইনিংসে বেশকিছু রেকর্ড হয়েছে, আবার কিছু রেকর্ড ভেঙে গড়া হয়েছে, যার বেশিরভাগ দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য গৌরবের হলেও আফগানিস্তানের জন্য লজ্জার।
দ্বিতীয় সর্বনিম্ন
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৬ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৮ রান সংগ্রহ করেছে আফগানিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৬ উইকেটে কোনো দলের এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন সংগ্রহ।
প্রোটিয়াদের বিপক্ষে প্রথম রেকর্ডটিও তাদের। ২০১০ বিশ্বকাপে মাত্র ১৪ রান সংগ্রহ করতে গিয়ে ছয় উইকেট হারায় তারা।
পাওয়ার প্লেতে পাঁচ
বৃহস্পতিবারের প্রথম সেমিফাইনালে পাওয়ার প্লেতে পাঁচ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। এটি চলতি বিশ্বকাপে পঞ্চমবার ৫ উইকেট হারানোর ঘটনা।
মজার বিষয় হচ্ছে, এর আগের চারটি ইনিংসের দুটি ছিল এই আফগানদের বিপক্ষে অন্য দলের। তবে এবার আফগানিস্তানই এই লজ্জার রেকর্ডে নাম ওঠাল।
গ্রুপপর্বে উগান্ডা ও পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে প্রথম ৬ ওভারে ৫টি করে উইকেট নেন রশিদ-নবীরা।
এছাড়া গ্রুপপর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজও উগান্ডার পাঁচ উইকেট নেয়। আরেকটি ইনিংস আয়ারল্যান্ডের, পাকিস্তানের বিপক্ষে নাকানি-চুবানি খেয়েছিলেন পল স্টার্লিংরা।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সর্বনিম্ন
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড গড়েছে আফগানিস্তান। এর মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপের শুরুতে গড়া রেকর্ডটি (৭৭) পেছনে ফেলে লঙ্কানদের স্বস্তি দিয়েছে তারা।
এর আগের রেকর্ডটিও ছিল আফগানদের (৮০)। ২০১০ সালে ব্রিজটাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে ৮০ রানে গুটিয়ে যায় তারা। সেবারও ২০০৯ সালে স্কটল্যান্ডের গড়া রেকর্ড (৮১) ভেঙে দেয় তারা।
নিজেদের সর্বনিম্ন
এদিন টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রান সংগ্রহ করেছে রশিদ খানের দল। এর আগে ২০১৪ সালে মিরপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৭২ রানে গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস।
এছাড়া এই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেই ২০১০ সালে এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১২ সালে ৮০ রানে ইনিংস শেষ করার রেকর্ড আছে আফগানদের।
বিশ্বকাপে দ্বিতীয়
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে পূর্ণ একাদশ নিয়ে খেলে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রান সংগ্রহ করেছে আফগানিস্তান। তবে ৫৫ রান নিয়ে তালিকার তলানিতে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। দুবাইয়ে ২০২১ আসরে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে এই লজ্জার রেকর্ড গড়ে ইংলিশরা।
এছাড়া ২০১৪ আসরে চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ড (৬০) এবং ২০১৬ আসরে কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে কিউইদের বিপক্ষে বাংলাদেশের (৭০) নামও রয়েছে এই তালিকায়।
সেমিতে সর্বনিম্ন আফগানিস্তান
৫৬ রানে অলআউট হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের ইতিহাসে প্রথম এত কম রানে গুটিয়ে গেল কোনো দল।
এর আগে প্রোটিয়াদের বিপক্ষেই ১০১ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এছাড়া ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ১৩১ রানে গুটিয়ে যাওয়ার রেকর্ড আছে অস্ট্রেলিয়ার।
ফারুকির অর্জন
অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশের মতো টেস্ট খেলুড়ে দলের বিপক্ষে জিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা আফগানিস্তানের সাফল্যের নেপথ্যে ছিল ফজলহক ফারুকির অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্য।
৮ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে এখন পর্যন্ত চলতি আসরের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী তিনিই। শুধু তাই নয়, এটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসরে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহের রেকর্ড।
এ তালিকার পরের তিনটি রেকর্ডই শ্রীলঙ্কার, একটি ভারতের। ২০২১ বিশ্বকাপে ১৬ উইকেট নেওয়ার পরের আসরে (২০২২) ১৫ উইকেট নিয়ে পরপর দুই আসরে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী ছিলেন ওয়ানিন্দু হাসরাঙ্গা।
এছাড়া ১৫টি উইকেট আছে ২০১৫ বিশ্বকাপে ত্রাস ছড়ানো অজন্তা মেন্ডিসের নামের পাশেও।
তবে চলতি আসরে ভারতের আর্শদীপ সিংয়ের ঝুলিতেও ১৫টি উইকেট রয়েছে। আজ রাতে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে ভারত। এই ম্যাচেও তাকে দেখা যেতে পারে। আবার ম্যাচটি জিতলে ফাইনালেও খেলার সুযোগ থাকবে এই তরুণ পেসারের। ফলে ফারুকির রেকর্ডটি নিজের করে নেওয়ার সুযোগ থাকছে তার সামনে।
৭০৮ দিন আগে
আফগানদের বিধ্বস্ত করে ‘চোকার’ তকমা ঘোচাল দক্ষিণ আফ্রিকা
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে হারতে হারতে ‘চোকার’ তকমা পেয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সব মিলিয়ে সাতবার বিশ্বকাপের সেরা চারে উঠেও ফাইনালে খেলার অভিজ্ঞতা হয়নি দলটির। সবশেষ গত নভেম্বরে ভারত বিশ্বকাপেও সেমিফাইনালে তাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়। অবশেষে তাদের সেই দুর্দশা ঘুচল।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে আফগানদের ৯ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোনো সংস্করণে প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠেছে আইডেন মার্করামের দল।
টস জিতে শুরুতে ব্যাটিং করে মাত্র ৫৬ রানেই গুটিয়ে যায় আফগানদের ইনিংস। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৮.৫ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
ইনিংস শুরু করতে নেমে দলীয় পাঁচ রানের মাথায় কুইন্টন ডি ককের (৫) উইকেটটি হারালেও রিজা হেন্ড্রিকস (২৯) ও মার্করামের (২৩) ব্যাটিং দৃঢ়তায় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে প্রোটিয়ারা।
অসাধারণ বোলিং পারফরম্যান্সের কারণে ম্যাচসেরা হয়েছেন মার্কো ইয়ানসেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
আফগানিস্তান: ৫৬/১০ (১১.৫)- (আজমতউল্লাহ ১০, গুলবাদিন ৯; শামসি ৩/৬, ইয়ানসেন ৩/১৬, নর্টিকিয়া ২/৭, রাবাদা ২/১৪)।
দক্ষিণ আফ্রিকা: ৬০/১ (৮.৫)- (হেন্ড্রিকস ২৯, মার্করাম ২৩; ফারুকি ১/১১)
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: মার্কো ইয়ানসেন।
আরও পড়ুন: প্রোটিয়া বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারল না আফগানিস্তান
৭০৮ দিন আগে
প্রোটিয়া বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারল না আফগানিস্তান
বাংলাদেশকে হারিয়ে স্বপ্নের সেমিফাইনালে ওঠা আফগানিস্তানের সেমির যাত্রা শুরু হয়েছে দুঃস্বপ্নের মতো। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে আফগান ব্যাটিং লাইন-আপ।
ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক রশিদ খান। তবে প্রোটিয়া বোলিং তোপে মাত্র ৫৬ রানেই গুটিয়ে গেছে তাদের ইনিংস।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০ রান করেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ব্যটারদের আর কেউই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি।
দক্ষিণ আফ্রিকার পেসারদের ঝুলিতেই গেছে আফগানদের ৭টি উইকেট। এর মধ্যে ৩ ওভারে ১৬ রান দিয়ে মার্কো ইয়ানসেন নিয়েছেন সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট। এছাড়া কাগিসো রাবাদা ও আনরিখ নর্টকিয়ার ঝুলিতে গেছে দুটি করে উইকেট। স্পিনার তাবরাইজ শামসি নিয়েছে বাকি তিনটি উইকেট।
ফলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবার ফাইনালে উঠতে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়োজন ৫৭ রান।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ে সেমিফাইনালে আফগানিস্তান
ম্যাচ শুরুর আগে এই মাঠের রেকর্ড বলছিল, টস জিতলে ব্যাটিং নেওয়ার মতো উইকেট এটি। ১৪০-১৫০ রান করতে পারলেই তা এই পিচের ভালো স্কোর হবে। বিশ্বকাপে এখানে ৫১ উইকেটের মধ্যে ৩৮টিই গেছে পেসারদের ঝুলিতে।
উইকেটের কথা অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেলেও সম্ভব্য রানের বিষয়টি নতুন করে লিখল দক্ষিণ আফ্রিকা।
ইনিংস শুরু করতে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পান মার্কো ইয়ানসেন। ওভারের শেষ বলে চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফর্ম করা (৭৬, ৮০, ৬০ ও ৪৩) রহমানউল্লাহ গুরবাজ ফিরে যান রানের খাতা না খুলেই। আর চার রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় আফগানিস্তান।
পরের ওভারে কেশব মহারাজ কায়দা করতে না পারলেও তৃতীয় ওভারে ফের উইকেটের দেখা পান ইয়ানসেন। এবার তার শিকার হন তৃতীয় ব্যটার গুলবাদিন নাইব।
চতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে এসেই মেইডেন ওভারে জোড়া উইকেট তুলে নেন কাগিসো রাবাদা। প্রথম বলেই আফগানদের অপর ওপেনার ইব্রাহিম জাদরানকে বোল্ড করে সাজঘরে পাঠান তিনি। চতুর্থ বলে নতুন নামা মোহাম্মদ নবীকেও বোল্ড করেন রাবাদা। বেচারা নবী তার তিন বল মোকাবিলা করে রানের খাতাই খুলতে পারেননি।
এর ফলে চার ওভার শেষে ২০ রানে ৪ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। তবে তাদের এই ধারা বহাল থাকে পরের ওভারেও। ইয়ানসেন নিজের তৃতীয় ওভার বোলিং করতে এসে ফের উইকেটের দেখা পান। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে উইকেটের পেছনে নানগেলিয়া খারোতের ক্যাচ নেন ডি কক।
আরও পড়ুন: টি-টোয়েন্টিতে কামিন্সের বিরল কীর্তি
মাঝে ষষ্ঠ ওভারটি বিরাম দিয়ে পরের ওভারে ফের উইকেট হারায় আফগানিস্তান। এবার নর্টকিয়ার প্রথম ওভারেই ক্যাচ হয়ে ফেরেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। দুটি চারের সাহায্যে ১২ বলে ১০ রান করেন তিনি। এর ফলে ৭ ওভার শেষে ২৯ রানে ৬ উইকেট হারায় আফগানিস্তান।
এরপর উইকেটে রক্তক্ষরণ বন্ধের চেষ্টা করেন করিম জানাত ও রশিদ খান। দুটি ওভার ধরে খেলে সে ইঙ্গিতও দেন তারা।
তবে দশম ওভারে শামসির হাতে বল তুলে দেন আইডেন মার্করাম, আর অধিনায়কের আস্থার প্রতিদানও দেন তিনি। ওভারের তৃতীয় বলে জানাতকে এবং পঞ্চম বলে নতুন নামা নুর আহমাদকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে জোড়া উইকেট নেন তিনি।
পরের ওভারে নর্টকিয়া রশিদ খানকে বোল্ড করেন। আর দ্বাদশ ওভারে শামসি ফেরান নাভিন-উল-হককে। ফলে ১১.৫ ওভারে মাত্র ৫৬ রানে গুটিয়ে যায় প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলা আফগানিস্তান।
৭০৮ দিন আগে
প্রোটিয়া বোলিং তোপে কাঁপছে আফগানিস্তান
বাংলাদেশকে হারিয়ে স্বপ্নের সেমিফাইনালে ওঠা আফগানিস্তানের সেমির যাত্রা শুরু হয়েছে দুঃস্বপ্নের মতো। দক্ষিণ আফ্রিকার পেসারদের বোলিং আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে আফগান ব্যাটারদের টপ অর্ডার।
ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক রশিদ খান। তবে ইনিংসের শুরুতেই প্রোটিয়া বোলিং তোপের মুখে পড়ে আফগান ব্যাটাররা।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৯.৩তম ওভারে ৫০ রানে ৭ উইকেট হারিয়েছে আফগানিস্তান।
অধিনায়ক রশিদ খান ৬ বলে ৮ এবং নুর আহমাদ শূন্য রানে অপরাজিত রয়েছেন।
৭০৮ দিন আগে