বিশ্ব
জার্মানিতে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে রক্ষণশীলরা
জামার্নির নির্বাচনের বুথফেরত জরিপের ফলাফলে জয়ী হয়েছে ফ্রিডরিখ মেরৎসের রক্ষণশীল দল ক্রিশ্চিয়ান গণতান্ত্রিক ইউনিয়ন (সিডিইউ )। পাশাপাশি উত্থান ঘটেছে কট্টর ডানপন্থিদের। রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জার্মানিতে অনুষ্ঠিত হয় দেশটির ২১তম পার্লামেন্ট নির্বাচন।
নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল হিসেবে জামার্ন চ্যান্সেলর হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করতে চলেছেন ফ্রিডরিখ মেরৎস। তবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেলেও কট্টর ডানপন্থিদের সঙ্গে জোট বাঁধতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মেরৎস।
নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত ফলাফল অনুসারে, জামার্নির পার্লামেন্ট বুন্দেসটাগে ৬৩০ আসনের মধ্যে মেরৎসের সিডিইউ পেয়েছে ২০৮টি আসন। অন্যদিকে এএফডি নিশ্চিত করেছে ১৫২টি আসন। তবে তাদের সঙ্গে জোট না বাঁধার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন সিডিইউপ্রধান।
বুন্দেসটাগে ১২০ আসন পাওয়া মধ্য-বামপন্থি সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটসদের সঙ্গে জোট সরকার গঠিত হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন: পরিবর্তনের আভাস দিয়ে জার্মানিতে চলছে ভোটগ্রহণ
স্থানীয় সময় রবিবারে এক সাক্ষাৎকারে মেরৎস বলেন, তার লক্ষ্য ইউরোপকে শক্তিশালী করে তোলার মাধ্যমে ধাপে ধাপে যুক্তরাষ্ট্রের বলয় থেকে বের হয়ে এসে স্বাধীনভাবে ইউরোপকে পরিচালনা করা। আগামী ইস্টারের আগেই তিনি সরকার গঠন করবেন বলেও জানান।
এসময় তিনি এএফডিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ইলন মাস্কের সমর্থনের অভিযোগ তুলে তাদের সঙ্গে জোট না বাঁধার কথাও জানান। একারণে জোট সরকার গঠনের আলোচনা দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
তবে সমালোচনা থাকলেও সবার নজর কেড়েছে অল্টারনেটিভ ফর জার্মানির (এএফডি) দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়ার বিষয়টি। এর মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রথমবারের মতো শক্ত অবস্থান গড়েছে কোনো কট্টর ডানপন্থি দল।
স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচনের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত এএফডির নেতারা। জার্মানির নাৎসী অতিত এতদিন যে প্রাচীর হয়ে ছিল দলটির জন্য তা ভাঙতে পেরেই খুশি অভিবাসন বিরোধী, রুশপন্থি এই কট্টর ডানপন্থি দলটি। দ্য ফিনান্সিয়াল পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দলটির প্রধান এলিস উইদেল আগামী নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
অভিবাসন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের নাটকীয় পট পরিবর্তনের ইঙ্গিতের মধ্যেই ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতির দেশ জার্মানিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জার্মানির অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি স্থবিরতা এবং অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের চাপ এই নির্বাচনী প্রচারণাকে প্রভাবিত করেছে। গত কয়েক সপ্তাহে মেরৎসের কঠোর অভিবাসন নীতির দাবি রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করেছিল। ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্কে অনিশ্চয়তার মধ্যেই এই নির্বাচনে নজর ছিলো পুরো বিশ্বের।
৩৭৫ দিন আগে
ইউক্রেনে সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা রাশিয়ার
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটিতে সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া বলে অভিযোগ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেন, রাতভর দুই শতাধিক ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।-খবর এনডিটিভির
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই ছিল রাশিয়ার সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা।’
এই হামলাকে ‘আকাশ সন্ত্রাস’ আখ্যা দিয়ে মিত্রদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ শুরু হওয়ার তৃতীয়বার্ষিকীর রাতে ২৬৭টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।’
ইউক্রেনের শহর ও গ্রামগুলোতে ইরানি ড্রোন হামলা শুরু করার পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় আঘাত বলে জানান জেলেনস্কি।
আরও পড়ুন: রাশিয়ার হয়ে যেতে পারে ইউক্রেন: ট্রাম্প
ইউক্রেনীয় বিমান বাহিনী জানিয়েছে, ‘১৩৮ বিমান গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। আর ১১৯টি রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছে। এ সময়ে রাশিয়া তিনটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রও নিক্ষেপ করেছে। এতে ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিতে গেল কয়েক মাস ধরে দেশটিতে সমন্বিত ড্রোন হামলা চালাচ্ছে মস্কো। জেলেনস্কি বলেন, ‘গেল সপ্তাহে প্রায় এক হাজার ১৫০টি ড্রোন, এক হাজার ৪০০ সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলায় সক্ষম বোমা ও বিভিন্ন ধরনের ৩৫টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।’
এ সময়ে ইউক্রেনীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনাকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। ন্যায় ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় মিত্রদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট।
৩৭৬ দিন আগে
পরিবর্তনের আভাস দিয়ে জার্মানিতে চলছে ভোটগ্রহণ
অভিবাসন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের নাটকীয় পট পরিবর্তনের ইঙ্গিতের মধ্যেই ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতির দেশ জার্মানিতে হচ্ছে পার্লামেন্ট নির্বাচন।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেশটিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। নির্বাচনে জার্মানি নতুন একটি সরকার গঠনের পথে রয়েছে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, মধ্য ডানপন্থি দল ক্রিস্টিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ) ভোটে এগিয়ে রয়েছে, তবে দেশটির কট্টর ডানপন্থি দল অল্টারনেটিভ ফর জার্মানিও (এএফডি) ভালো অবস্থানে রয়েছে। এর মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রথমবারের মতো শক্ত অবস্থান গড়তে চলেছে কোনো কট্টর ডানপন্থি দল।
আরও পড়ুন: জার্মানির আউসবিল্ডুং: যোগ্যতা, সুযোগ-সুবিধা ও আবেদন পদ্ধতি
দেশটির পার্লামেন্ট বুন্দেসটাগের নিম্নকক্ষে আসনসংখ্যা ৬৩০টি। সাধারণত বুন্দেসটাগে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় না। এবারের নির্বাচনেও জোট সরকার গঠিত হবে বলেই ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
তবে এবারের নির্বাচনে একটি নজিরবিহীন পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। এএফডির জনপ্রিয়তার ফলে সরকার গঠনে দলটির সঙ্গে জোটবদ্ধ হতে পারে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর কোনো একটি। এতে করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথম কোনো কট্টর ডানপন্থি দলের সঙ্গে জোট সরকার গঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
জার্মানির এই আগাম নির্বাচনে ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্রেটসকে (এসপিডি) পেছনে ফেলে নির্বাচন-পূর্ববর্তী জরিপে এগিয়ে ছিল অভিবাসন-বিরোধী দল এএফডি।
জরিপে দেখা যায়, এসপিডির পক্ষে যেখানে জনসমর্থন ছিল ১৪ থেকে ১৬ শতাংশ, সেখানে এএফডির পক্ষে ছিল ২০ শতাংশ সমর্থন।
জার্মানির চলমান অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং জনগণের অভিবাসন-বিরোধী মনোভাব দেশের জনগণের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে।
গত নভেম্বরে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসের এসপিডির নেতৃত্বে ২০২১ সালে গঠিত জোট সরকারের মধ্যে অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে মতানৈক্য দেখা দেয়। এরপর সরকার ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন শলৎস। পরবর্তীতে বুন্দেসটাগে আস্থা ভোটে হেরে যান চ্যান্সেলর। এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্ধারিত সময়ের ৭ মাস আগেই দেশটিতে নিবাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
৩৭৬ দিন আগে
মুখোমুখি বসবেন ট্রাম্প-পুতিন, চলছে প্রস্তুতি
ফোনালাপ পর্ব শেষে এবার মুখোমুখি বসতে চলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ায় তার সমকক্ষ ভ্লাদিমির পুতিন। বিশ্বের আলোচিত এই দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে গেল তিন বছর ধরে চলা মার্কিন নীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সময় শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ। পুতিন-ট্রাম্পের সম্ভাব্য বৈঠকে শুধু ইউক্রেন যুদ্ধ নয়; বৈশ্বিক নানা বিষয়ে বৃহত্তর পরিসরে আলোচনা হবে বলে জানান তিনি।
সের্গেই রিয়াবকভ জানান, ‘এই বৈঠক দেশ দুটির মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ। তবে বৈঠক আয়োজন একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।’
আরও পড়ুন: ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প-ট্রুডোর ফোনালাপ
এ সময় বৈঠকের প্রস্তুতি বিষয়ে আলোচনা করতে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে দেশ দুটির রাষ্ট্রদূতদের সাক্ষাৎ হবে বলে নিশ্চিত করেন তিনি। এর আগে বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ওভাল অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করতে একমত হওয়ার কথা জানান ট্রাম্প। তাদের দীর্ঘ ফোনালাপের বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয় তখন। ওভাল অফিসে ট্রাম্প বলেন, ‘এই যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা করতে পুতিন ও আমি একমত।’
ওভাল অফিসের বৈঠকের পর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘তিনি ও রুশ প্রেসিডেন্ট একমত হয়েছেন, তাদের নিজ নিজ কূটনৈতিক দল অবিলম্বে আলোচনা শুরু করবে এবং আলোচনার জন্য একে অপরকে নিজেদের রাজধানীতে আমন্ত্রণ জানাবে।’
এরপর স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সৌদির দিরিয়াহ প্রাসাদে ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ও রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে সৌদি আরবে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসেন দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প-জেলেনস্কি দ্বন্দ্বে
তবে সেই বৈঠকে ইউক্রেনকে আমন্ত্রণ না জানানোতে ক্ষুব্ধ হয়েছেন ইউক্রেনের প্রসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। কিয়েভকে ছাড়া করা বৈঠকের কোনো সিদ্ধান্ত মেনে না নেওয়ার কথাও সুস্পষ্ট করে জানান দেন তিনি।
এছাড়াও আলোচনায় ইউরোপকে অর্ন্তভুক্ত না করায় তাদের পাশ কাটিয়ে শান্তি চুক্তির আলোচনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন ইউরোপীয় নেতারা।
৩৭৬ দিন আগে
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প-ট্রুডোর ফোনালাপ
ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি৭ নেতাদের বৈঠক সামনে রেখে কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ইউক্রেন যুদ্ধ ও অবৈধ মাদক ফেনটানিল নিয়ে দুই নেতার মধ্যে কথা হয়েছে। এক বিবৃতিতে ট্রুডোর কার্যালয় এমন তথ্য দিয়েছে।
এমন এক সময়ে দুই নেতার মধ্যে এই কথা হয়েছে, যখন ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে রোমানিয়া, পোল্যান্ডের নেতৃবৃন্দ, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান ও ন্যাটো মহাসচিবের সঙ্গে জোট জি৭ নেতাদের সোমবার আলোচনার করার কথা রয়েছে। কানাডীয় পত্রিকা কোস্ট রিপোর্টার এমন খবর দিয়েছে।
আরও পড়ুন: ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প-জেলেনস্কি দ্বন্দ্বে
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ‘ট্রাম্প ও ট্রুডো দুজনই ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান চাচ্ছেন। তারা সোমবারের আলোচনার অপেক্ষায় রয়েছেন।’
চলতি সপ্তাহের শুরুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রুডো বলেন, ‘বছরতিনেক আগে রুশ অভিযানের মধ্য দিয়ে যে পূর্ণমাত্রায় যুদ্ধ শুরু হয়েছে, সেটির অবসানের যেকোনো আলোচনার টেবিলে ইউক্রেনের জন্য একটি আসন থাকা দরকার।’
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের হাত ধরেই কী ইউক্রেন জয়ের পথে রাশিয়া?
এরআগে গেল সপ্তাহে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে রুশ ও মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তাদের একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কাজ করতে দুপক্ষ একমত হওয়ার কথা জানিয়েছেন। যদিও বৈঠকে ইউক্রেন কিংবা ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না।
ট্রাম্প বলেন, ‘এই যুদ্ধ শুরু করা ঠিক হয়নি। আমি প্রেসিডেন্ট থাকলে এই যুদ্ধ হতো না।’
৩৭৬ দিন আগে
চুরির কার্ড দিয়ে লটারি জিতে বিপাকে ফ্রান্সের বিখ্যাত চোরেরা
ফ্রান্সে চুরি করা কার্ড ব্যবহার করে পাঁচ লাখ ২৩ হাজার মার্কিন ডলারের একটি লটারি জিতেছেন একদল চোর। কিন্তু টাকাটা হাতে নেওয়ার আগেই উধাও হয়ে গেছেন তারা। এখন তারা ফ্রান্সের সবচেয়ে বিখ্যাত চোরের খ্যাতি পেয়েছেন।
যে ব্যক্তির কার্ড চুরি হয়েছে, পুলিশি নথি অনুসারে তার নাম জঁ-ডেভিড ই। এবার বিজয়ীর সঙ্গে লটারির অর্থ ভাগাভাগি করতে চাচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি নিজের ওয়ালেটটিও ফেরত দাবি করেছেন ওই ব্যক্তি।-খবর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি)।
আশঙ্কা করা হচ্ছে, যে কোনো সময় গ্রেপ্তার হয়ে যেতে পারেন ওই চোরেরা। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশটির রাষ্ট্রীয় লটারি পরিচালক লা ফ্রঁসেজ ডেস জো (এফডিজে) জানিয়েছে, ‘অর্থ নেওয়ার জন্য এখন পর্যন্ত কেউ টিকিট জমা দিতে আসেনি।’
আরও পড়ুন: ক্রিপ্টোকারেন্সির ১৫০ কোটি ডলার চুরি
জঁ-ডেভিডের আইনজীবী পিয়েরে ডেবুইসন বলেন, ‘এটা একেবারেই অবিশ্বাস্য কাহিনী। কিন্তু এটা সত্যি।’
চলতি মাসের শুরুতে জঁ-ডেভিড জানতে পারেন যে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর তুলু থেকে তার ব্যাকপ্যাক চুরি হয়ে গেছে। যেটির মধ্যে তার ব্যাংক কার্ড ও নথিও ছিল। কার্ডটি বন্ধ করে দিতে ব্যাংকের কাছে অনুরোধ করেন তিনি। কিন্তু এরইমধ্যে জানতে পারেন যে স্থানীয় একটি দোকানে কার্ডটি ব্যবহার হয়েছে।
ওই দোকানি বলেন, ‘এক গৃহহীন লোক তার কাছ থেকে একটি লটারির টিকিট কিনিছেন। তারা এতোই আনন্দিত ছিল যে তাদের সিগারেট ও অন্যান্য জিনিসপাতি নিতেও ভুলে গেছেন। আনন্দে আত্মহারা হয়ে তারা এখান থেকে চলে গেছেন।’
এরপর ওই চোরদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন জঁ-ডেভিড। কিন্তু চোরেরা যদি ধরা দিয়ে তার সামনে চলে আসেন, তাহলে মামলা তুলে নিতে চান তিনি। পাশাপাশি লটারিতে জেতা অর্থও ভাগাভাগি করতে চান।
স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমে জঁ-ডেভিড বলেন, ‘তারা না-হলে কেউই এই লটারি জিততে পারত না। কিন্তু আমাকে ছাড়াও তারা অর্থ তুলতে পারবে না।’ চোরেরা যাতে তার সাথে যোগাযোগ করে একটি চুক্তিতে আসেন, সে কারণে তার আইনজীবী প্রচারও চালিয়েছেন।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাকের পেছন থেকে ১ লাখ ডিম চুরি
চোরদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনাদের কোনো ঝুঁকি নেই। আমরা অর্থ ভাগ করে নিতে পারি। আপনাদের জীবন বদলে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়ে যাবে। সময় চলে যাচ্ছে, টিকিটের মেয়াদ পার হয়ে যেতে পারে।’
৩৭৬ দিন আগে
পোপ ফ্রান্সিসের শারীরিক অবস্থার অবনতি
রোমান ক্যাথলিকদের শীর্ষ ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে ভ্যাটিকান। স্থানীয় সময় রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পোপের অবস্থা গতকাল শনিবারের চেয়ে অবনতি হয়েছে।’
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) খবরে বলা হয়, নিউমোনিয়া ও ফুসফুস সংক্রমণের কারণে নাজুক শারীরিক অবস্থায় রয়েছেন পোপ। তিনি অ্যাজমা সংক্রান্ত শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যায় ভুগছেন। তবে ৮৮ বছর বয়সী এই ধর্মগুরুর হুঁশ আছে।
তাকে শ্বাপ-প্রশ্বাস চালিয়ে নেওয়ার জন্য উচ্চমাত্রার অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়েছে। শরীরে প্লাটিলেট কমে যাওয়ায় তাকে রক্ত দেওয়া হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
পোপ ফ্রান্সিসের দুই ফুসফুসে নিউমোনিয়া ধরা পড়েছে। এছাড়িাও তার ফুসফুসে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তিনি শ্বাসনালির প্রদাহে ভুগছিলেন। গত শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) তাকে রোমের জেমেল্লি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আরও পড়ুন: প্রিন্স আগা খান চতুর্থ আর নেই
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘পবিত্র পিতার অবস্থা এখনো গুরুতর। পোপ এখনো বিপদমুক্ত নন।’ গত শুক্রবার তাকে হাসপাতালে ভর্তির পরে এই প্রথম ‘গুরুতর’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
পোপ ফ্রান্সিসের চিকিৎসক ডা. সার্জিও আলফেরি জানান, পোপ জানেন তার শারীরিক অস্থা ভালো নয়। তিনি চান তার স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে খোলাখুলি তথ্য দেওয়া হোক। এ কারণে ভ্যাটিকান থেকে প্রতিদিন তার শারীরিক অবস্থার কথা জানানো হচ্ছে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২১ বছর বয়সে পোপ ফ্রান্সিসের ফুসফুসের একটি অংশ অপসারণ করতে হয়েছিল। পরে তার ফুসফুসের চারপাশে এক ধরনের প্রদাহ তৈরি হয়। সে কারণে তিনি ফুসফুস সংক্রমণের ঝুঁকিতে ছিলেন।
গত ১২ বছরে এই পোপকে বেশ কয়েকবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৩ সালের মার্চ ব্রঙ্কাইটিসে আক্রান্ত হয়ে তিনি ৩ রাত হাসপাতালে ছিলেন।
৩৭৬ দিন আগে
ভারতে সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ৮ শ্রমিকের ভাগ্য অনিশ্চিত
ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তেলেঙ্গানায় একটি নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে আটকে পড়া আট শ্রমিকের ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করতে না পাড়ায় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তাদের ভাগ্য।
তাদের উদ্ধারকারী দলের তদারকির দায়িত্বে থাকা এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা শ্রমিকদের উদ্ধারে নতুন করে তৈরি করা রাস্তাতেও বাধার মুখে পড়েছেন।
একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ধসে পড়া অংশটি দুর্গম। আটকে পড়া শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য তাদের বিকল্প পথ খুঁজতে হবে।
আরও পড়ুন: ভারতে কুম্ভমেলায় পদপিষ্ট হয়ে ৭ জনের প্রাণহানি
শনিবার সকালে তেলেঙ্গানার নাগারকুর্নুল জেলায় শ্রীশৈলম লেফট ক্যানেল (এসএলবিসি) প্রকল্পের ওপরের একটি অংশ হঠাৎ ধসে পড়ে।
যখন র্দুঘটনাটি হয় তখন সেখানে একটি লিকেজ মেরামতের জন্য সুড়েঙ্গের ভিতরে প্রায় ৫০ জন শ্রমিক ছিলেন। বাকিরা বের হয়ে আসতে পারলেও আটজন ভেতরে আটকে পড়েন।
আটকেপড়াদের মধ্যে দুজন প্রকৌশলী, দুজন কারিগরি কর্মী ও চারজন শ্রমিক রয়েছেন।
৩৭৭ দিন আগে
ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি স্থগিত করল ইসরায়েল: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
আরও জিম্মিকে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় চলমান ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি স্থগিত করেছে ইসরায়েল। রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইসরায়েল এই ঘোষণা দেয়।
শনিবার হামাস ছয় জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার পর ইসরায়েল প্রায় ৬২০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে বলে আশা করা হয়েছিল। তিন ধাপের চুক্তির প্রথম ধাপে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও জীবিত জিম্মিদের মধ্যে এই ছয়জনই ছিল শেষ দল।
এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, 'লজ্জাজনক অনুষ্ঠান ছাড়াই পরবর্তী জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত' শনিবারের নির্ধারিত ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি বিলম্বিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'আমাদের জিম্মিদের অসম্মান করে এমন লজ্জাজনক (জিম্মি মুক্তি) অনুষ্ঠান এবং প্রচারণার উদ্দেশ্যে জিম্মিদের নিন্দনীয় ব্যবহারসহ বারবার লঙ্ঘন করেছে হামাস।’
আরও পড়ুন: ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ গেল অন্তঃসত্ত্বা ফিলিস্তিনি নারীর
হামাস এবং ইসরায়েল উভয়ের বিরুদ্ধে প্রচারণার জন্য বন্দীদের ব্যবহার করার
অভিযোগ রয়েছে। হামাস মঞ্চে জিম্মিদের ওঠায় এবং ইসরায়েল ফিলিস্তিনি বন্দীদের পরিহিত ব্রেসলেট এবং টি-শার্টে অবমাননাকর লেখা সংযুক্ত করে এবং অসম্মানজনক ভঙ্গিতে তাদের ছবি তোলে।
ইসরায়েলি তথ্য অনুযায়ী, মোট ৬৩ জন জিম্মি গাজায় রয়ে গেছে, যাদের অর্ধেকেরও বেশি মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
৩৭৭ দিন আগে
হত্যা মামলায় ৩০ বছর জেল খাটার পর নির্দোষ প্রমাণিত
ত্রিশ বছর ধরে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছেন তিনি, কিন্তু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ওই ব্যক্তির কথায় কেউ কর্ণপাত করেনি। ফলে জেলের চার দেওয়ালেই কাটাতে হয়েছে তার জীবনের তিনটি দশক। তবে ত্রিশ বছর পরে হলেও বিচারকের মুখ থেকে তিনি শুনেছেন, ‘আপনি নির্দোষ। দণ্ডাদেশ বাতিল করা হলো।’
বলছিলাম যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের গর্ডন কর্ডেইরো নামে এক ব্যক্তির কথা। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাকে নির্দোষ প্রমাণ করে রায় দিয়েছে হনুলুলুর একটি আদালত।
এদিন রায় শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন কর্ডেইরো। নিজের কানকেই তিনি যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। রায় ঘোষণার এই দিনটিকে তিনি ‘ফ্রিডম ফ্রাইডে’ বলে আখ্যা দেন।
১৯৯৪ সালে মালাউই দ্বীপে টিমোথি ব্লেইসডেল হত্যা মামলায় জেল খাটছিলেন কর্ডেইরো। মাদক কারবার চলাকালে ডাকাতির ঘটনা ঘটলে খুন হন ব্লেইসডেল। ওই মামলার প্রাথমিক সন্দেহভাজন ছিলেন কর্ডেইরো।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাকের পেছন থেকে ১ লাখ ডিম চুরি
হত্যা মামলার প্রথম শুনানিতে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে জুরি বোর্ড। মাত্র একজন বিচারক তাকে দোষী সাব্যস্ত করার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন; কিন্তু পরে তাকে খুন, ডাকাতি ও হত্যা চেষ্টার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এই মামলার শুরু থেকেই নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছিলেন কর্ডেইরো। দণ্ডাদেশ পাওয়ার পরও তিনি নিজের দাবিতে অটল ছিলেন।
মুক্তির পর তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চেষ্টা করা সবাইকে ধন্যবাদ দিয়েছেন কর্ডেইরো। ছাড়া পাওয়ার পর প্রাথমিক অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘অবশেষে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারব।’
এর আগে, শুনানি চলাকালে নতুন ডিএনএ নমুনা পাওয়া গেলে হাওয়াই ইনোসেন্স প্রজেক্ট তার মুক্তির জন্য দাবি জানায়।
হাওয়াই ইনোসেন্স প্রজেক্টের সহকারী নির্বাহী কেনেথ লসন বলেন, এটি অত্যন্ত আবেগঘন একটি মুহূর্ত ছিল।
‘তিনি কেঁদেছেন, তার সঙ্গে আমরাও সবাই কেঁদেছি। কর্ডেইরো বিশ্বাস করতেন যে একদিন সত্যিটা বের হবে... কিন্তু দুটি বিচার প্রক্রিয়া পার করার পর বিচার ব্যবস্থার প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি ন্যায়বিচারই পেলেন।’
কর্ডেইরোর আইনজীবীর অভিযোগ, তাকে ফাঁসানো হয়েছে। মামলার জন্য পুলিশ ‘৪ কয়েদির’ বয়ানের ওপর ভরসা করেছেন।
তার দাবি, ওই চার সাক্ষ্যকে সাজা কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে মার্ডার-ফর-হায়ার, অর্থাৎ টাকার বিনিময়ে কর্ডেইরো ওই হত্যা করেছেন—এমন বানোয়াট বয়ান দেয়। ফলে দোষী সাব্যস্ত হন তিনি।
তবে শুক্রবারের রায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য ব্যবহার করার কোনো প্রমাণ পায়নি বলে জানিয়েছে আদালত।
কেনিথ জানান, ঘটনার দিন কর্ডেইরোর ঘটনাস্থলে না থাকার যথেষ্ট প্রমাণ থাকা স্বত্ত্বেও তা মানা হয়নি। সম্প্রতি নিহত ব্লেইসডেলের শরীরের পাওয়া ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সেই নমুনার সঙ্গে কর্ডেইরোর ডিএনএ মেলেনি, বরং অজ্ঞাত একটি ডিএনএ নমুনা পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মুক্তি পান কর্ডেইরো।
পুলিশের গাফিলতির কারণে একজন নিরাপরাধ ব্যক্তি বছরের পর বছর জেল খেটেছেন। তার পুরো পরিবার এতগুলো বছর ধরে অসহনীয় যন্ত্রণা ভোগ করেছেন বলে বিচারাদেশের পর অভিযোগ করেন তার আইনজীবী।
৩৭৭ দিন আগে