বিশ্ব
নতুন এয়ারফোর্স ওয়ান পেতে দেরি, বোয়িং বিমান পরিদর্শন করলেন ট্রাম্প
নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমান সরবরাহে বিলম্বের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে একটি বোয়িং বিমান পরিদর্শন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউস এমন খবর দিয়েছে।
পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পার্ক করে রাখা তেরো-বছর-পুরোনো একটি ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ পরিদর্শন করেন ট্রাম্প। কাতারের রাজপরিবারের সাবেক এই বিমানটি বর্তমানে আইলস অব ম্যান নামের একটি কোম্পানি পরিচালনা করছে।
প্রেসিডেন্ট হেসেবে নিজের প্রথম মেয়াদে ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে একজোড়া ৭৪৭-৮ বিমানের জন্য বোয়িংয়ের সঙ্গে আলোচনা করেন ট্রাম্প। কিন্তু এই বিমান পেতে এখনো কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে মার্কিন প্রশাসনকে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের চলমান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নেই: ট্রাম্প
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) খবর বলছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর নাগাদ বিমান দুটো সরবরাহের জন্য তাগিদ দেওয়া হলেও অন্তত ২০২৭ সালের আগে পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে বোয়িং।
হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ বিষয়ক পরিচালক স্টিভেন চুয়াং বলেন, ‘নতুন কলকব্জা ও প্রযুক্তি যাচাই করে দেখতে একটি নতুন বোয়িং বিমানে ভ্রমণ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। প্রতিশ্রুতি অনুসারে নতুন একটি এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমান সরবরাহ করতে ব্যর্থতার বিষয়টিই এখানে ফুটে উঠেছে।’
শত শত কোটি মার্কিন ডলার লোকসানের কথা বলে নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ান দিচ্ছে না বোয়িং। মার্কিন বিমান বাহিনী জানিয়েছে, ২০২৪ সালে নতুন একটি এয়ার ফোর্স ওয়ান সরবরাহের কথা থাকলেও ২০২৭ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আর দ্বিতীয় আরেকটি সরবরাহের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৮ সাল।
এই প্রকল্পের খরচ ও সরবরাহে সময়ক্ষেপণ নিয়ে বিরক্ত প্রকাশ করতে দেখা গেছে ট্রাম্পকে। ২০২০ সালে সামাজিকমাধ্যম এক্সে এক অনলাইন আলাপে টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ককে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের প্রথম মেয়াদে এই প্রকল্প থেকে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার কাটছাঁট করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে একমত ট্রাম্প-পুতিন, বসবেন সৌদিতে
গেল মাসে বোয়িংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কেলি অর্টবার্গ বলেন, এয়ার ফোর্স ওয়ান সরবরাহ ত্বরান্বিত করতে তাদের সহায়তা করছেন ইলন মাস্ক।
এছাড়া এয়ার ফোর্স ওয়ানের রঙ পরিবর্তন করে হালকা নীল থেকে গাঢ় নীল করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। এরআগে ট্রাম্পের এই ধারণা নাকচ করে দেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। কারণ এতে নতুন করে পরীক্ষা দরকার পড়ায় এয়ার ফোর্স ওয়ান সরবরাহে আরও বিলম্ব হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
৩৮৩ দিন আগে
সাইবার অপরাধ: ১০ হাজার শ্রমিককে থাইল্যান্ড পাঠাচ্ছে কারেন বিদ্রোহীরা
মিয়ানমারে বলপূর্বক সাইবার অপরাধে জড়িয়ে পড়া ১০ হাজারের বেশি মানুষকে প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠী। শনিবার ( ১৫ ফেব্রুয়ারি) দেশটির জাতিগত মিলিশিয়া কারেন বর্ডার গার্ড ফোর্সের (বিজিএফ) মুখপাত্র মেজর নাইং মাউং জো এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
মিয়ানমারের থাই সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ব্যাপকভাবে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন প্রতারণা কেন্দ্র। এখানে বিভিন্ন দেশ থেকে পাচার করে আনা কর্মীদের দিয়ে জোর করে নানা ধরনের অবৈধ কাজ করানো হয়। সাইবারজগত ব্যবহার করে মানুষকে প্রতারিত করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রগুলো।
পাকিস্তানভিত্তিক ডনের খবরে বলা হয়, থাই সীমান্তে গড়ে ওঠা ওই অবৈধ ভবনগুলোতে অভিযান চালিয়ে প্রতারকদের হাতে জিম্মি এসব মানুষকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে বিজিএফ। এখন তাদের ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
বিজিএফ মুখপাত্র জো বলেন, ‘আমাদের ভুখন্ড থেকে সব প্রতারককে বিতাড়িত করার ঘোষণা দিয়েছি। এখন সেটি বাস্তবায়নে কাজ করছি।’
আরও পড়ুন: মিয়ানমারের বেপরোয়া মাদক সাম্রাজ্য বিপদ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশের
একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রায় ১০ হাজার মানুষকে ধীরে ধীরে থাইল্যান্ডে স্থানান্তর করা হবে।’
তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে প্রতিদিন ৫০০ জন করে শ্রমিককে স্থানান্তর করা হবে বলে জানান তিনি। এরইমধ্যে ৬১ জনকে থাই সীমান্ত পার করে দেওয়া হয়েছে।
থাইল্যান্ডের গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায়, দেশটির তাক প্রদেশে সীমান্ত নিরাপত্তায় নিয়োজিত একটি সামরিক টাস্কফোর্স মিয়ানমারের বিজিএফের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রায় ৭ হাজার শ্রমিককে গ্রহণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
শুক্রবার মিয়ানমারের পূর্বাঞ্চলীয় মেয়াওদি শহরতলিতে গড়ে ওঠা ‘শাও কোক্কো’ নামের একটি ভবনে টহল দিতে দেখা গেছে বিজিএফ সেনাদের। কারেন রাজ্যের সাইবার অপরাধের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় এই ভবনটিকে।
৩৮৩ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা ব্রাজিলের
যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য আমদানিতে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্কের পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে এই ঘোষণা দিয়েছে দেশটি।
শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সংবাদমাধ্যম রেডিও ক্লাব ক্লুবাদো পারাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এ ব্যাপারে সব ধরনের পারস্পরিক সহযোগিতা বহাল থাকবে।
আরও পড়ুন: মার্কিন পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ চীনের, গুগলের বিরুদ্ধে তদন্তের ঘোষণা
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘যদি ব্রাজিলের আমদানি করা ইস্পাতের ওপর যুক্তরাষ্ট্র কর আরোপ করে, তবে আমরা বাণিজ্যিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাব। আমাদের প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় অভিযোগ দেব অথবা সেখান থেকে আমদানি করা পণ্যগুলোর ওপর কর আরোপ করব।’
এই সপ্তাহের শুরুতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। এটি ব্রাজিলের ইস্পাত খাতকে প্রভাবিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গত বৃহস্পতিবার ব্রাজিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেরাল্ডো অ্যালকমিন বলেছেন, ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পণ্যের বাণিজ্য 'ভারসাম্যপূর্ণ'।
তিনি বলেন, বৈদেশিক বাণিজ্য হলো সংলাপ, বোঝাপড়া ও বিকল্প খোঁজার পথ। সেটাই করা হবে।
৩৮৪ দিন আগে
ইউক্রেনকে বাদ দিয়েই যুদ্ধ বন্ধে বসতে যাচ্ছে রুশ-যুক্তরাষ্ট্র
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কয়েকদিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে বসতে যাচ্ছেন রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা। তবে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে কাউকে এই আলোচনায় রাখা হচ্ছে না।
স্থানীয় সময় শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) একজন মার্কিন আইনপ্রণেতা ও পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।-খবর দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের।
শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সৌদিতে বৈঠকে ইউক্রেন উপস্থিত না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবের আলোচনায় ইউক্রেনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কৌশলগত অংশীদারদের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়া রাশিয়ার সঙ্গে কোনো চুক্তিতে যাবে না কিয়েভ।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য মাইকেল ম্যাককল জানিয়েছেন, ‘দেশটির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আলোচনা করতে সৌদি সফরে যাবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ ও হোয়াইট হাউসের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ।’
আরও পড়ুন: ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে একমত ট্রাম্প-পুতিন, বসবেন সৌদিতে
তবে তারা সৌদি আরবে রাশিয়ার কোনো কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট করে জানানো হয়নি।
মিউনিখে নিরাপত্তা সম্মেলনের ফাঁকে ম্যাককল জানান, সৌদিতে বৈঠকের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও জেলেনস্কির মধ্যে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হবে। তাদের মূল লক্ষ্য রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করে অঞ্চলগুলোতে চূড়ান্তভাবে শান্তি আনা।
তবে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বৈঠকের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এরপর গেল তিন বছর ধরে সেই যুদ্ধ চলছে। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ওভাল অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করতে একমত হওয়ার কথা জানায় ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে এই বৈঠক হতে পারে বলেও তিনি আভাস দিয়েছিলেন তিনি।
৩৮৪ দিন আগে
মালিতে স্বর্ণের খনি ধসে নিহত ৪৮
মালির পশ্চিমাঞ্চলে অবৈধভাবে পরিচালিত একটি স্বর্ণের খনিতে ধসের ঘটনায় কমপক্ষে ৪৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগই নারী বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
স্থানীয় সময় শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কায়েস অঞ্চলের কেনিবা জেলার দাবিয়া কমিউনের একটি গ্রাম বিলালকোটোতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা সিনহুয়াকে বলেন, খনিতে একদল নারী স্বর্ণের খোঁজার কাজ করার সময় তাদের ওপর কারিগরদের একটি ক্যাটারপিলার মেশিন পড়েছিল।
কর্মকর্তা এবং অন্যান্য প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছেন, ‘৪৮ জন নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান।’ আরও অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত ব্যক্তিকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ায় অবৈধ স্বর্ণের খনিতে ভূমিধসে নিহত ১১, নিখোঁজ ১৯
সিনহুয়াকে কর্তকর্তারা বলেন, কোনো কোনো সূত্র প্রায় ৫০ জনের মৃত্যুর খবর দিচ্ছে। তবে আপাতত মৃতের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা কঠিন, এমনকি প্রাথমিকভাবেও। কারণ, বেশ কিছু ব্যক্তি গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত। এ কারণে যেকোনো মুহূর্তে নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে। উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।
চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি দেশটির কৌলিকোরো অঞ্চলের কাঙ্গাবা জেলার ডাঙ্গা এলাকায় একটি স্বর্ণের খনিতে ধসের ঘটনায় ১০ জনের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ার স্বর্ণের খনিতে ভূমিধস: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩
৩৮৪ দিন আগে
নয়া দিল্লিতে রেলস্টেশনে পদদলিত হয়ে নিহত ১৫
নয়া দিল্লি রেলওয়ে স্টেশনে পদদলিত হয়ে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও ২৫ জনেরও বেশি মানুষ। নিহতদের মধ্যে ১০ নারী ও তিন শিশু রয়েছেন।
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে চলমান আধ্যাত্মিক উৎসব ‘মহা কুম্ভতে’ যোগ দিতে যাওয়ার সময় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।
আধ্যাত্মিক উৎসব ‘মহা কুম্ভ’ চলছে। তিনটি নদী গঙ্গা, যমুনা এবং সরস্বতীর মিলনস্থল ‘ত্রিবেণী সঙ্গম’ এ পবিত্র স্নান করতে তীর্থযাত্রীরা যাত্রা করছে। এসময় উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজ জেলায় একটি ট্রেনে চড়তে রেলওয়ে স্টেশনে প্রচুর লোকের ভিড় হয়েছিল।
নয়া দিল্লি রেল স্টেশনের একটি প্ল্যাটফর্মে ট্রেন আসা নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টির পরই পদপিষ্ট হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আর আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রাণহানির এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আরও পড়ুন: ভারতে কুম্ভমেলায় পদপিষ্ট হয়ে ৭ জনের প্রাণহানি
৩৮৪ দিন আগে
খনিজ চুক্তি ছাড়াই শেষ হলো ইউক্রেন-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক
৫ ফেব্রুয়ারি, (ইউএনবি)— বিরল খনিজ বিষয়ে চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেননি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি। ওই খনিজ চুক্তি ছাড়াই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠক শেষ করেছেন তিনি।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জামার্নিতে অনুষ্ঠিত মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠক করেন জেলেনস্কি ও ভ্যান্স।
এই বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন আদায়ের জন্য ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ চুক্তি করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন জেলেনস্কি।
এর আগে, গত বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সামনে একটি সংশোধিত খসড়া চুক্তি উপস্থাপন করে কিয়েভ। চুক্তিটি কার্যকর হলে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের বিশাল ভান্ডার মার্কিন বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত হতে পারে বলে জানানো হয়।
তবে মিউনিখে চুক্তিটি কার্যকর না হলে ইউক্রেন এ বিষয়ে কাজ চালিয়ে যাবে বলে বৈঠকের পর এক এক্স পোস্টে বলেছেন জেলেনস্কি।
তিনি বলেন, ‘ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠকটি ভালোভাবেই শেষ হয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি বাস্তব এবং নিশ্চিত শান্তির দিকে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত কিয়েভ।’
এ ছাড়াও চুক্তিটি সম্পন্ন করতে আরও কিছু ক্ষেত্রে বিস্তৃতভাবে কাজ করতে হবে বলে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন ইউক্রেনের দুই কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন: শান্তির পথে ফিরতে চায় ইউক্রেন: জেলেনস্কি
তবে চুক্তি না হওয়ার ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট করে কোনো বক্তব্য দেয়নি ওয়াশিংটন কিংবা কিয়েভ।
সম্প্রতি রুশ সেনাবাহিনীর হামলায় পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে ইউক্রেনের সেনারা। ইউরোপের পাশাপাশি মার্কিন সামরিক সহযোগিতা পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে দেশটি।
গত সপ্তাহে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি এই চুক্তির একটি রূপরেখা তুলে ধরেন। ইউক্রেনে বিদ্যমান বিপুল খনিজ সম্পদের মানচিত্র প্রদর্শন করে তিনি বলেন, দেশের খনিজ সম্পদ দিয়ে দেওয়া নয়, এসব সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্রকে অংশীদারত্বের প্রস্তাব দিতে চান তিনি।
কিয়েভ যে খনিজগুলো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে চায়, তার মধ্যে রয়েছে টাইটেনিয়াম, ইউরেনিয়াম, লিথিয়ামের মতো বিরল ও মূল্যবান কিছু খনিজ পদার্থ।
ট্রাম্প যদিও ইউক্রেনকে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে নিশ্চয়তা দেননি, তবে তিনি বলেছেন, কিয়েভের কাছ থেকে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বিরল খনিজ পদার্থ চায় যুক্তরাষ্ট্র এবং এরপরই ওয়াশিংটনের সহায়তার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।
শুক্রবার বৈঠকের আগে খনিজ নিয়ে চুক্তির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ভ্যান্স সাংবাদিকদের স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
গত বুধবার কিয়েভ সফরকালে ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি খসড়া চুক্তি উপস্থাপন করেন দেশটির ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট।
সে সময় জেলেনস্কি বলেন, ‘মিউনিখে যাতে এ বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো যায়, সে উদ্দেশ্য মাথায় রেখেই যুক্তরাষ্ট্রের খসড়া চুক্তিটি পর্যবেক্ষণ করে দেখবে ইউক্রেন।’
এরপর শুক্রবার মিউনিখে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবটি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্র তার উদ্বেগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি সূত্র জানায়, ‘তিনি (জেলেনস্কি) মনে করেন, তাকে এমন কিছুতে স্বাক্ষর করতে বলা হচ্ছে, যেটি পড়ার সুযোগও তার নেই।’
আরও পড়ুন: ইউক্রেনকে হারানো ভূখণ্ড ফিরে পাওয়ার আশা ছাড়তে হবে: হেগসেথ
অন্য দুটি সূত্র বেসেন্টের প্রস্তাবটিকে ‘একপাক্ষিক’ বলে চিহ্নিত করেছে, তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে রাজি হয়নি তারা।
বৈঠক শেষে জেলেনস্কি নিজে মার্কিন প্রস্তাবকে ‘একপাক্ষিক’ মনে করেন কি না—জানতে চাইলে, ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ব্রায়ান শ্যাটজ বলেন, ‘আমি মনে করি, তার (জেলেনস্কি) দৃষ্টিকোণ থেকে প্রস্তাবটি একতরফা মনে হওয়াই যুক্তিসংগত।’
ট্রাম্পের প্রস্তাবটিতে কিছু সংশোধন দরকার বলে মন্তব্য করলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।
৩৮৪ দিন আগে
চেরনোবিল পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
ইউক্রেনের চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আঘাত হেনেছে একটি সশস্ত্র ড্রোন। এতে ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রের সুরক্ষা কাঠামোতে গর্ত তৈরি হয়েছে। এছাড়া সেখানে আগুনও ধরে যায়।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ জন্য ইউক্রেন রাশিয়াকে দায়ী করলেও তা অস্বীকার করেছে ক্রেমলিন।-খবর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি)।
এ ঘটনায় নাজুক এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে বিকিরণের মাত্রা বাড়েনি বলে নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইইএই) ও কিয়েভ। আইইএই জানায়, ড্রোনটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাইরের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করলেও ভিতরের পারমাণবিক কনটেইনার শেলে আঘাত হানতে পারেনি। সংস্থাটি জানায়, চেরনোবিলে অবস্থানরত প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা একটি বিস্ফোরণের শব্দ পেয়ে সেখানে গেলে ড্রোনটি দেখতে পান। তবে এই ঘটনায় কারা দায়ী এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি সংস্থাটি।
আরও পড়ুন: শান্তির পথে ফিরতে চায় ইউক্রেন: জেলেনস্কি
ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ফের বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। প্রসঙ্গত, চেরনোবিলে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ বেসামরিক পারমাণবিক বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছিল। ১৯৮৬ সালে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চারটি চুল্লির একটি বিস্ফোরিত হয়।
এতে চুল্লিটির দীর্ঘমেয়াদি তেজস্ক্রিয়তা নিয়ন্ত্রণে সুরক্ষা প্রাচীর দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। ভয়াবহ সেই দুর্ঘটনায় ৩০ জন প্রাণ হারান এবং উত্তর গোলার্ধের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে।
চেরনোবিলে যেকোনো সময়ে ড্রোন কিংবা অন্য যুদ্ধাস্ত্র আঘাত হানার শঙ্কা করা হচ্ছিল। এর পেছরে অন্যতম কারণ ছিল, ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধে বেশ কয়েকবার ইউরোপের সর্ববৃহৎ জাপোরিজঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে আঘাত হেনেছে ড্রোন।
এমন সময় এ ঘটনা ঘটল, যখন ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ছাড়াও ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে জড়ো হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন ও ইউরোপের নেতারা।
অন্যদিকে, রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হামলায় পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছেন ইউক্রেনের সেনারা। ইউরোপের সামরিক সাহায্য পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে দেশটি।
আরও পড়ুন: ইউক্রেনকে হারানো ভূখণ্ড ফিরে পাওয়ার আশা ছাড়তে হবে: হেগসেথ
চেরনোবিলে হামলা নিয়ে এক বিবৃতিতে জেলেনস্কি বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ধ্বংস হওয়া ইউনিটের সুরক্ষা প্রাচীরে রাশিয়ার ড্রোন আঘাত হানে। এতে সেখানে আগুন ধরে যায়। পরে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়। তিনি বলেন, প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, সুরক্ষা প্রাচীরের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঝুকিপূর্ণ এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে যেন নতুন করে দুর্ঘটনা না ঘটে, সেকারণে ২০১৬ সালে বাইরে সুরক্ষা প্রাচীর তৈরি করা হয়েছিল। সামাজিকমাধ্যমে ইউক্রেনের জরুরি বিভাগের পোস্ট করা একটি ছবিতে প্রাচীরের গায়ে একটি বড় গর্ত দেখা যায়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে এই হামলার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলেও জানিয়েছেন।
জেলেনস্কি বলেন, ‘কোনো ধরনের পরিণতির কথা না ভেবে আজকের দিনে এ ধরনের স্থাপনায় হামলা চালানো, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দখল করে নেওয়া এবং যুদ্ধ শুরু করার কাজটি একমাত্র রাশিয়াই করতে পারে।’
এই হামলা প্রমাণ করে রাশিয়া আলোচনার জন্য প্রস্তুত নয় অভিযোগ করে যুদ্ধ বন্ধের যেকোনো আলোচনার আগে তিনি তার দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত চান বলে জানান জেলেনস্কি।
তবে কিয়েভের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘কোনো ধরনের পারমাণবিক অবকাঠামোতে বা শক্তিকেন্দ্রে হামলার প্রশ্নই উঠে না। আমাদের সেনারা এমন কোনো কাজ করেনি।’
পেসকভ বলেন, রাশিয়াকে দোষারোপ করতে এবং যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প-পুতিনের আলোচনাকে ভেস্তে দিতেই এই হামলার ‘মিথ্যে নাটক’ সাজিয়েছে কিয়েভ।
এই ড্রোন হামলা ও এতে রাশিয়াকে অভিযুক্ত করার নিন্দা জানিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। তিনি এটিকে ইউক্রেনের একটি ‘বেপরোয়া’ পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
তিনি জানান, ‘যে সুরক্ষা প্রাচীরে হামলার অভিযোগ ইউক্রেন করছে, সেটি নির্মাণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে রাশিয়াও অংশীদার ছিল।’
আরও পড়ুন: ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে একমত ট্রাম্প-পুতিন, বসবেন সৌদিতে
এর আগে, দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের তৎপরতা শুরু করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে এ বিষয়ে ফোনালাপ করেন। ক্রেমলিন ও কিয়েভ থেকেও ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমানে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিতে জার্মানিতে অবস্থান করছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। গতকাল সম্মেলন শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।
৩৮৪ দিন আগে
শান্তির পথে ফিরতে চায় ইউক্রেন: জেলেনস্কি
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, তার দেশ শান্তির পথে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত।
শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জার্মানির মিউনিখে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্সে এক পোস্টে জেলেনস্কি লেখেন, ‘আমরা একটি বাস্তব এবং নিশ্চিত শান্তির দিকে যত দ্রুত সম্ভব এগিয়ে যেতে প্রস্তুত।’
এসময় রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের অবসানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দৃঢ় সংকল্পের প্রতি নিজ দেশের কৃতজ্ঞতার উপর জোর দেন জেলেনস্কি। তিনি ট্রাম্পের এমন সংকল্প ইউক্রেনের জন্য ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তায় সহায়তা করতে পারবে বলেও আশা করেন।
আরও পড়ুন: ইউক্রেনকে হারানো ভূখণ্ড ফিরে পাওয়ার আশা ছাড়তে হবে: হেগসেথ
জেলেনস্কি আরও উল্লেখ করেছেন, ইউক্রেন বৈঠক এবং সরাসরি পরিস্থিতির গভীর মূল্যায়নের জন্য ইউক্রেন ও রাশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত কিথ কেলোগের সফরের অপেক্ষায় রয়েছে।
ইউক্রেনের ইন্টারফ্যাক্স সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনার পর ভ্যান্স বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো টেকসই এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
শুক্রবার শুরু হওয়া ৬১তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের ফাঁকে জেলেনস্কি এবং ভ্যান্স সাক্ষাৎ করেন।
৩৮৪ দিন আগে
বলিভিয়ায় ভারী বৃষ্টিপাতে মৃত্যু বেড়ে ২৮
বলিভিয়ায় গত বছরের নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া তীব্র বৃষ্টিপাতের কারণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দেশটির উপবেসামরিক প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুয়ান কার্লোস কালভিমন্তেস এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বৃষ্টিতে দেশের ৯টি বিভাগের মধ্যে আটটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এক সংবাদ সম্মেলনে ওই কর্মকর্তা বলেন, 'আমরা ক্ষতিগ্রস্ত ৮৩টি পৌরসভার কথা বলছি এবং আমি নিশ্চিত যে, এক সপ্তাহের মধ্যে তাদের অনেকেই নিজেরা দুর্যোগের সম্মুখীন থাকার কথা বলবেন।’
আরও পড়ুন: ব্রাজিলে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৭
এখন পর্যন্ত ২৭টি পৌরসভা নিজেদের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে ২২টি লা পাজের এলাকার। জলবায়ুর কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই বিভাগটি।
দেশটির সরকার জানিয়েছে, চুকুইসাকা (দক্ষিণ), লা পাজ (পশ্চিম), তারিজা (দক্ষিণ), কোচাবাম্বা (কেন্দ্র), সান্তা ক্রুজ (পূর্ব) এবং পোটোসি (দক্ষিণ-পশ্চিম) বিভাগে বন্যায় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
সরকারের তথ্যানুযায়ী এখনো চারজন নিখোঁজ রয়েছেন।নিখোঁজদের তিনজন লা পাজের উত্তরে এবং একজন চুকুইসাকা বিভাগের।
ন্যাশনাল মেটিওরোলজি অ্যান্ড হাইড্রোলজি সার্ভিস পূর্বাভাস দিয়েছে যে, আগামী সপ্তাহগুলোতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। এমনকি বৃষ্টিপাত মার্চ ও এপ্রিল পর্যন্তও অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: ফিলিপাইনে বন্যায় নিহত ৩, নিখোঁজ ২
৩৮৫ দিন আগে